Connect with us

ক্যাম্পাস

ডাকসু নির্বাচনে শিবির সমর্থিত প্যানেলের বিশাল জয়, ভিপি সাদিক, জিএস ফরহাদ

Published

on

আলটাইম নিউজ ডেস্ক

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে বিশাল ব্যবধানে জয় লাভ করেছে শিবির সমর্থিত প্যানেল ‘ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোট’। সংগঠনের কেন্দ্রীয় ও হল সংসদগুলোর অধিকাংশ পদে জয় পেয়েছেন তারা।

এই প্যানেল থেকে সহ-সভাপতি (ভিপি) পদে মোঃ আবু সাদিক ওরফে সাদিক কায়েম এবং সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে এস এম ফরহাদ নির্বাচিত হয়েছেন।এছাড়া, সহ-সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) পদেও বিজয়ী হয়েছেন শিবির সমর্থিত প্যানেলের মোঃ মহিউদ্দিন খান।

বুধবার সকাল সোয়া ৮টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে নির্বাচনের প্রধান রিটার্নিং কর্মকর্তা অধ্যাপক মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন আনুষ্ঠানিকভাবে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করেন। এর আগে মঙ্গলবার বিকাল ৪টায় ভোটগ্রহণ শেষে রাতভর গণনা চলে।

ঘোষিত ফল অনুযায়ী, ভিপি পদে সাদিক কায়েম ১৪ হাজার ৪২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রদল সমর্থিত আবিদুল ইসলাম খান পেয়েছেন ৫ হাজার ৭০৮ ভোট।

সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে এস এম ফরহাদ ১০ হাজার ৭৯৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। এই পদে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রদলের শেখ তানবীর বারী হামিম পেয়েছেন ৫ হাজার ২৮৩ ভোট।

সহ-সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) পদেও জয় পেয়েছেন একই প্যানেলের মোঃ মহিউদ্দিন খান। তিনি পেয়েছেন ১১ হাজার ৭৭২ ভোট।

এদিকে নির্বাচনে ‘কারচুপির’ অভিযোগ তুলে ফল প্রত্যাখ্যান করেছে ছাত্রদল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের একটি অংশ। নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন ছাত্রদলের ভিপি প্রার্থী আবিদুল ইসলাম খান এবং স্বতন্ত্র শিক্ষার্থী ঐক্যের ভিপি প্রার্থী উমামা ফাতেমা। 

নির্বাচনে উমামা ফাতেমা ৩ হাজার ৩৮৯ ভোট এবং বৈষম্যবিরোধী শিক্ষার্থী সংসদ প্যানেলের আব্দুল কাদের ১ হাজার ১০৩ ভোট পেয়েছেন।

তবে নির্বাচনে কারচুপির সব অভিযোগ নাকচ করে দিয়েছেন প্রধান রিটার্নিং কর্মকর্তা অধ্যাপক মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন। ফলাফল ঘোষণার পর তিনি সাংবাদিকদের বলেন, “কোনো ধরনের কারচুপি হয়নি। এটি একটি মডেল নির্বাচন হয়েছে।”

top3

শাকসু বন্ধ করে ‘উপাচার্য’ হয়েছেন, এবার শাকসু নির্বাচন দিন

Published

on

By

শাবিপ্রবি প্রতিনিধি

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) নির্বাচন দ্রুত আয়োজনের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের
সামনে থেকে মিছিলটি শুরু হয়। মিছিলটি অ্যাকাডেমিক ভবন ‘ই’ প্রদক্ষিণ করে প্রশাসনিক ভবনের সামনে গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হয়।

সমাবেশে ছাত্রশক্তির সদস্য সচিব রিয়াজ রিমন বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের প্রতিনিধি থাকলেও শিক্ষার্থীদের কোন প্রতিনিধি নাই। শিক্ষার্থীদের সমস্যা নিয়ে কথা বলার মানুষ নেই। তাই প্রশাসনকে উদ্যোগ নিয়ে শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধি ঠিক করতে হবে।

তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে উদ্দেশ্য করে বলেন, বিগত সময়ে আপনি সংবাদ সম্মেলন করে বলেছিলেন যদি শাকসু নির্বাচন হয় জাতীয়তাবাদী শিক্ষকরা কোন সহযোগীতা করবে না। তার বিনিময়ে তারেক রহমান সরকার আপনাকে শাবিপ্রবির উপাচার্য বানিয়েছেন। আপনি আপনার পুরস্কার পেয়েছেন। এখন আপনি শিক্ষার্থীদের শাকসু নির্বাচন দিয়ে দিন।

ছাত্রশিবিরের অর্থ সম্পাদক শাকিল মাহমুদ বলেন, ‘বিএনপি ও ছাত্রদলের ষড়যন্ত্রের কারণেই শাকসু নির্বাচনের একদিন আগে নির্বাচন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। এটা আমাদের সকলের কাছে পানির মতো পরিষ্কার।’

উপাচার্যেকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, ‘আপনার রাজনৈতিক পরিচয় থাকতে পারে। কিন্তু আপনি যখন উপাচার্যের দায়িত্বে আছেন, তখন আপনি ৯ হাজার শিক্ষার্থীর উপাচার্য। রাজনৈতিক পরিচয় এক পাশে রেখে শিক্ষার্থীদের অধিকার রক্ষা করাই আপনার প্রধান দায়িত্ব।’

এ সময় প্রশাসনকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, ‘রবিবারের মধ্যে রোডম্যাপ ঘোষণা না করলে আপনাকে অতীত স্মরণ করিয়ে দিতে চাই। শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবির কারণে অতীতে বিশ্ববিদ্যালয় মাসের পর মাস বন্ধ ছিল। আপনারা যদি শিক্ষার্থীদের দাবিকে উপেক্ষা করেন এবং আমাদের সঙ্গে বসে রোডম্যাপ ঘোষণা না করেন, তাহলে আবারও সেই পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।’
জাতীয় ছাত্রশক্তির আহ্বায়ক আবরার রাশিদ বলেন, একটি রাজনৈতিক দল এবং একই সঙ্গে প্রশাসনের যোগসাজশে যেভাবে শাকসু বন্ধ হয়েছে এবং বর্তমান পর্যায়ে যেখানে নতুন প্রশাসন এসে সেটাকে পুনরুদ্ধার ও সুন্দরভাবে পরিচালনা করার কথা, কিন্তু একই প্রশাসন বর্তমান প্রশাসনও সেই আগের প্রশাসনের সঙ্গে যেভাবে হাঁটছে, এর ফল আমরা খুব একটা সুখকর মনে করছি না।

তিনি আরো বলেন, আমরা কিন্তু জুলাই থেকে উঠে আসা মানুষ। আমরা চাই, এই প্রশাসন, এই সরকার আমাদের শিক্ষার্থীদের স্পিডটা বুঝুক। যদি শিক্ষার্থীদের স্পিড বুঝতে ব্যর্থ হয়, যদি শিক্ষার্থীদের চাওয়া-পাওয়া বুঝতে এই সরকার ও প্রশাসন ব্যর্থ হয়, তবে এর পরিণাম খুব একটা সুখকর হবে বলে আমরা মনে করি না।

Continue Reading

ক্যাম্পাস

‘সুদূরপ্রসারী ভাবনা’ থেকে জ্যেষ্ঠ খেলোয়াড় বাদ, সিট পেল প্রাধ্যক্ষের বিভাগের নবীনরা

Published

on

By

রাবি প্রতিনিধি

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) বিজয়-২৪ হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ফুটবল দলের জ্যেষ্ঠ খেলোয়াড়দের বাদ দিয়ে প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের খেলোয়াড় কোটায় সিট বরাদ্দ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। তাদের মধ্যে দুজনই হল প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক জামিরুল ইসলামের নিজ বিভাগ সমাজকর্মের শিক্ষার্থী। এ নিয়ে স্বজনপ্রীতির অভিযোগ তুলেছেন বঞ্চিত শিক্ষার্থীরা। তবে প্রাধ্যক্ষের দাবি, হলের খেলাধুলার মান বাড়াতে ‘সুদূরপ্রসারী চিন্তাভাবনা’ থেকেই নবীনদের অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।

হল সূত্রে জানা যায়, গত ৭ সেপ্টেম্বর প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক জামিরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক নোটিশে খেলোয়াড় কোটায় চারজন শিক্ষার্থীকে সিট বরাদ্দ দেওয়া হয়। তাদের একজন ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের এবং অন্য তিনজন ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের নবীন। নবীন তিনজনের মধ্যে দুজন সমাজকর্ম ও একজন দর্শন বিভাগের শিক্ষার্থী।

প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক জামিরুল ইসলাম সমাজকর্ম বিভাগের শিক্ষক হওয়ায় তার বিভাগের দুই নবীনকে খেলোয়াড় কোটায় সিট দেওয়াকে কেন্দ্র করে স্বজনপ্রীতির অভিযোগ তুলেছেন বঞ্চিত শিক্ষার্থীরা।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলোতে সিট বরাদ্দের ক্ষেত্রে নির্ধারিত নীতিমালা অনুসরণ করা হয়। ২০২৬ সালের এপ্রিলের নীতিমালা অনুযায়ী, স্নাতকের দ্বিতীয় থেকে চতুর্থ বর্ষ এবং স্নাতকোত্তরের শিক্ষার্থীরা আবাসিকতার জন্য আবেদন করতে পারেন। আসনের তুলনায় আবেদনকারী বেশি হলে একাডেমিক ফলাফলের পাশাপাশি সহশিক্ষা কার্যক্রমের সাফল্যও বিবেচনায় নেওয়া হয়। 

বিশ্ববিদ্যালয় ফুটবল দলের খেলোয়াড় হয়েও সিট না পাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী রিফাত হোসেন। তিনি বলেন, ‘ভাইভায় আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের হয়ে খেলার কথা জানালে প্রাধ্যক্ষ শারীরিক শিক্ষা বিভাগ থেকে প্রত্যয়নপত্র আনতে বলেন। পরে আমি প্রত্যয়নপত্র নিয়ে গেলে জানানো হয়, সিট নেই। পরে সার্কুলার দিলে আবেদন করতে হবে।’

চতুর্থ বর্ষে এসেও আবাসিক সিট না পাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী শাহ জামাল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘আমরা চতুর্থ বর্ষে এসেও সিট পাইনি। অথচ ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা কতদিন নিজেদের খেলা প্রদর্শনের সুযোগ পেয়েছে যে তাঁদের খেলোয়াড় কোটায় সিট দেওয়া হলো? এখানে স্বজনপ্রীতির বিষয়টি স্পষ্ট।’

অভিযোগের বিষয়ে বিজয়-২৪ হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক জামিরুল ইসলাম বলেন, ‘ওরা হলে ভালো পারফরম্যান্স করছে। দীর্ঘদিন ধরে আমাদের হল খেলাধুলায় পিছিয়ে আছে। চতুর্থ বর্ষ বা মাস্টার্সের শিক্ষার্থীরা পাঁচ-ছয় মাস পরই হল ছেড়ে চলে যায়। তাই সুদূরপ্রসারী চিন্তাভাবনা করেই নবীনদের সিট দেওয়া হয়েছে, যাতে তারা দীর্ঘদিন হলকে প্রতিনিধিত্ব করতে পারে।’

বিশ্ববিদ্যালয় ফুটবল দলের খেলোয়াড়দের বাদ দিয়ে নবীনদের অগ্রাধিকার দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে বৈষম্যের অভিযোগ অস্বীকার করেন প্রাধ্যক্ষ। তিনি বলেন, এ ধরনের কোনো আবেদন তার কাছে আসেনি।

Continue Reading

ক্যাম্পাস

নিয়োগ পরীক্ষায় মৌখিক পরীক্ষার নম্বর বাড়ানোর প্রতিবাদে ইবি ছাত্রশিবিরের বিক্ষোভ

Published

on

By

ইবি প্রতিনিধি

নিয়োগ পরীক্ষায় লিখিত অংশের নম্বর কমিয়ে মৌখিক (ভাইভা) পরীক্ষায় নম্বর বাড়ানোর প্রস্তাবের মাধ্যমে দলীয়করণ ও ঘুষ-দুর্নীতির ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখা ছাত্রশিবির।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জিয়া মোড় থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়ে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রধান ফটকে গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।

এ সময় শিক্ষার্থীদের ‘দিকে দিকে খবর দে, ভাইভা প্রথার কবর দে’, ‘কোটা গেছে দিল্লিতে, ভাইভা যাবে লন্ডনে’, ‘নব্য কোটার নাম কি, ভাইভা ছাড়া আবার কি’, ‘ভাইভা না মেধা, মেধা মেধা’ স্লোগান দিতে দেখা যায়।

সমাবেশে শাখা ছাত্রশিবিরের সাধারণ সম্পাদক রাশেদুল ইসলাম রাফি বলেন, “২০২৪ এ ছাত্রজনতা কোটা প্রথার বিরুদ্ধে আন্দোলন করে দিল্লিতে পাঠিয়েছিল। সেটা অন্য নামে প্রতিষ্ঠা করতে চাইলে ছাত্রজনতা সহ্য করবে না, তা রুখে দিবে।”

শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি ইউসুব আলী বলেন, “বর্তমানে সরকার সকল জায়গায় দলীয়করণ করার জন্য ষড়যন্ত্র করে ভাইভাকে মার্কস বৃদ্ধি করেছে। এই পদ্ধতিতে তারা বাংলাদেশের ভূখন্ডে সন্ত্রাসবাদ কায়েম করতে চায়। এর উদাহরণ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়েও দেখতে পেয়েছি। দেখতে পেয়েছি চাকরির লোভ দেখিয়ে এলাকার মানুষদের সন্ত্রাসী করাতে। তাদের এই ষড়যন্ত্র আমরা সফল হতে দিব না। যে সন্ত্রাসীরা অস্ত্র হাতে ক্যাম্পাসে এসেছে তাদেরকে গ্রেফতার করতে হবে। তা নাহলে প্রশাসনকে দ্বায় নিয়ে হবে।”

বিশ্ববিদ্যালয়ের হল প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “হলগুলোতেও অবৈধভাবে দলীয় লোক উঠিয়ে সন্ত্রাসবাদ কায়েম করতে চায়। শহীদ জিয়াউর রহমান হলে অসংখ্য শিক্ষার্থীকে অবৈধভাবে হলে উঠিয়েছে সন্ত্রাসবাদ কায়েম করার জন্য। এতে প্রশাসনসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেকেই জড়িত আছে। তারা আমাদের হল সেক্রেটারির গায়ে হাত তুলেছে। আর কোনোদিন কোনো কর্মীর গায়ে হাত তোলার দুঃসাহস করবেন না, তা নাহলে তাদের হাত আমরা ভেঙে দিব।”

তিন দিনের আল্টিমেটাম দিয়ে তিনি বলেন, “হলগুলো থেকে অবৈধভাবে তিন দিনের মধ্যে অবৈধদের বের করতে হবে, তা নাহলে চতুর্থদিনের জন্য প্রস্তুত থাকবেন। ছাত্রশিবির এতদিন মার খেয়েছে, এবার সময় প্রতিহত করার। আল্লাহর ফরজ বিধানকে মানার জন্য আমরা প্রস্তুত রয়েছি।”

বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়োগ প্রসঙ্গ নিয়ে তিনি বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন নিয়োগ দেওয়া হবে বলে শুনতে পেয়েছি। আমাদের রক্তের বিনিময়ে স্বচ্ছ নিয়োগ বাস্তবায়ন করবো। আমরা কোনো অনিয়ম সহ্য করবো না। ধৈর্য্যের বাধ ভেঙে গেলে কি হবে তা ভেবেই সিদ্ধান্ত নিবেন। চাকরি পরীক্ষাসহ ইবির সকল অনিয়ম বন্ধ করতে হবে, নয়তো কিভাবে বন্ধ করতে হয় তা আমাদের জানা আছে।”

তিনি আরও বলেন, “আমাদের ধৈর্য্যের পরীক্ষা নেবেন না। শিক্ষার্থীবান্ধব কাজে মনোযোগী হন, আধিপত্য নিয়ে মনোযোগী হবেন না। বিশ্ববিদ্যালয়ে শতভাগ আবাসন নিশ্চিত করতে হবে।”

প্রসঙ্গত, ১১ থেকে ২০ গ্রেডের কর্মচারী নিয়োগের জন্য বিদ্যমান বিধিমালা পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। প্রশাসনিক উন্নয়ন সংক্রান্ত সচিব কমিটি প্রস্তাবিত বিধিমালায় ১১ ও ১২ গ্রেডে মৌখিক পরীক্ষার নম্বর ১০ থেকে বাড়িয়ে ৫০, ১৩ থেকে ১৬ গ্রেডে ১০ থেকে ৪০ এবং ১৭ থেকে ২০ গ্রেডে ১০ থেকে ২৫ করার প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে। একই সঙ্গে লিখিত পরীক্ষায় পাস নম্বরও কমানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে এ সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত গেজেট আকারে এখনও প্রকাশিত হয়নি।

Continue Reading

Trending