Connect with us

top3

তাত্ত্বিক জ্ঞানকে বাস্তবে রূপ দিতে ট্যুরিজম বিভাগের বৃক্ষরোপণ

Published

on

ইবি প্রতিনিধি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের ৫ম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের শ্রেণিকক্ষের তাত্ত্বিক জ্ঞানকে বাস্তব অভিজ্ঞতার সঙ্গে যুক্ত করতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আয়োজন করেছে বিভাগটি।

রবিবার (৫ জুলাই) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের জিমনেশিয়াম ভবনের সামনে এই কর্মসূচি উদ্বোধন করেন বিভাগটির সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. মাসুদ রানা।

এ সময় টিএইচএম বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. আফরোজা বুলবুল ও প্রভাষক মোছা. খাদিজাতুল কোবরা সহ সংশ্লিষ্ট কোর্সের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

বিভাগের শিক্ষার্থীরা জানান, এই ব্যতিক্রমধর্মী প্রকল্প “Blooming Destination: Green Campus Starts with Us”-এর অংশ হিসেবে আজকের এই কর্মসূচি। পর্যটনের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো— Destination Management। একটি গন্তব্যের সাফল্য শুধু তার প্রাকৃতিক বা ঐতিহাসিক সম্পদের ওপর নির্ভর করে না, বরং তার পরিচ্ছন্নতা, সৌন্দর্য, পরিবেশবান্ধব পরিকল্পনা এবং দর্শনার্থীদের জন্য ইতিবাচক অভিজ্ঞতা তৈরির ওপরও নির্ভর করে। এই বাস্তবতাকে সামনে রেখেই শিক্ষার্থীরা এই প্রকল্পটি গ্রহণ করেছে, যাতে তারা শ্রেণিকক্ষের তাত্ত্বিক জ্ঞানকে বাস্তব অভিজ্ঞতার সঙ্গে যুক্ত করতে পারে।

এই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য তিনটি উল্লেখ করে বলেন, প্রথমত, ফুল ও বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে কীভাবে একটি পর্যটন গন্তব্যের সৌন্দর্য ও নান্দনিকতা বৃদ্ধি করা যায়, তা বাস্তবভাবে অন্বেষণ করা। দ্বিতীয়ত, সবুজ, পরিচ্ছন্ন ও মনোরম পরিবেশ সৃষ্টি করে কীভাবে দর্শনার্থীদের অভিজ্ঞতা, স্বাচ্ছন্দ্য ও সন্তুষ্টি বৃদ্ধি করা যায় তা প্রদর্শন করা। তৃতীয়ত, একটি আকর্ষণীয় সবুজ পরিবেশ গড়ে তুলে কীভাবে একটি গন্তব্যের ব্র্যান্ডিং শক্তিশালী করা যায় এবং দর্শনার্থীদের আগ্রহ বৃদ্ধি করা যায়, সে বিষয়ে শিক্ষার্থীদের বাস্তব ধারণা প্রদান করা।

বিভাগটির সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. মাসুদ রানা বলেন, “এই বৃক্ষরোপণের প্রধান উদ্দেশ্য বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে প্র্যাকটিক্যাল লার্নিং শেখাতে চাচ্ছি। পাশাপাশি টেকসই ও পরিবেশবান্ধব উন্নতির জন্য গাছ, ফুল ও সবুজায়ন এই কনসেপ্টগুলোকে বহির্বিশ্বে আকর্ষণীয় বিষয় হিসেবে ধরা হয়। তার প্রেক্ষিতেই ডেস্টিনেশন ম্যানেজমেন্টকে সামনে রেখেই আমাদের এই বৃক্ষরোপণের কর্মসূচি।”

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top3

এক বছরে ৪১ লাখ পরিবার পাবে ফ্যামিলি কার্ড

Published

on

By

বরিশাল প্রতিনিধি

আগামী এক বছরের মধ্যে দেশের ৪১ লাখ পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনার ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, নতুন বাজেটে এ কর্মসূচির জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ রাখা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে দেশের সব পরিবারকে এ সুবিধার আওতায় আনা হবে।

সোমবার (১৩ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টায় বরিশালের গৌরনদী উপজেলার বাটাজোর অশ্বিনী কুমার ইনস্টিটিউট মাঠে ফ্যামিলি কার্ডধারী পরিবারের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি জানান, দেশে প্রায় চার কোটি পরিবার রয়েছে। নির্বাচনী ইশতেহারের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে প্রতিটি পরিবারের নারী প্রধানের হাতে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দেওয়া হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, গৌরনদীতে আজ ৬০০ পরিবার ফ্যামিলি কার্ড পেয়েছে। পর্যায়ক্রমে উপজেলার বাকি পরিবারগুলোকেও এ কর্মসূচির আওতায় আনা হবে।

তিনি আরও বলেন, সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর যে বাজেট হাতে পেয়েছে, সেটি আগের সরকারের প্রণীত ছিল। ফলে সেখানে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির জন্য কোনো বরাদ্দ ছিল না। তবে নতুন বাজেটে এ কর্মসূচি বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

তারেক রহমান জানান, আগামী এক বছরের মধ্যে সারা দেশে ৪১ লাখ পরিবারের হাতে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেওয়া হবে। সে অনুযায়ী প্রতিটি উপজেলায় গড়ে প্রায় সাত হাজার পরিবার এ সুবিধা পাবে। আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে দেশের সব পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানান তিনি।

নারীর ক্ষমতায়নের বিষয়েও গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের উন্নয়নে নারীদের শিক্ষা ও অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতা নিশ্চিত করা জরুরি। এ লক্ষ্যে উচ্চশিক্ষা পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষা এবং মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য বৃত্তির ব্যবস্থা করার পরিকল্পনা রয়েছে।

তিনি বলেন, শিক্ষার পাশাপাশি নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করতেই ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি চালু করা হয়েছে।

সভা শেষে সকাল ১০টা ৫৪ মিনিটে বাটাজোর থেকে বরিশালের উদ্দেশে রওনা দেন প্রধানমন্ত্রী।

Continue Reading

top3

ইংল্যান্ড ম্যাচে নীল জার্সিতে খেলতে চায় আর্জেন্টিনা

Published

on

By

ডিজিটাল ডেস্ক

বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ঐতিহ্যবাহী সাদা-আকাশি হোম জার্সির পরিবর্তে নীল অ্যাওয়ে জার্সিতে মাঠে নামতে চায় আর্জেন্টিনা। এ জন্য বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফার কাছে বিশেষ অনুমতি চেয়েছে আলবিসেলেস্তেরা। এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত মঙ্গলবার জানা যেতে পারে।

সুইজারল্যান্ডকে ৩-১ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে জায়গা নিশ্চিত করেছে আর্জেন্টিনা। ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে আটলান্টায় ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হবে লিওনেল স্কালোনির দল। গুরুত্বপূর্ণ এই ম্যাচকে সামনে রেখে জার্সি পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

আর্জেন্টাইন সাংবাদিক গাস্তন এদুলের তথ্য অনুযায়ী, ইংল্যান্ডের বিপক্ষে নীল অ্যাওয়ে জার্সিতে খেলতে ফিফার কাছে অনুমতি চেয়েছে আর্জেন্টিনা। রোববার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি জানান, বিষয়টি এখন ফিফার বিবেচনায় রয়েছে।

এখনও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো সিদ্ধান্ত জানায়নি ফিফা। তবে এদুলের দাবি, মঙ্গলবার জার্সি পরিবর্তনের আবেদন নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

চলতি বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত একবারই নীল অ্যাওয়ে জার্সি পরে খেলেছে আর্জেন্টিনা। গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে জর্ডানের বিপক্ষে ওই জার্সিতে মাঠে নেমে ৩-১ গোলের জয় পেয়েছিল লিওনেল মেসির দল। এবার ইংল্যান্ডের বিপক্ষেও একই জার্সিতে মাঠে নামতে পারবে কি না, তা নির্ভর করছে ফিফার অনুমোদনের ওপর।

Continue Reading

top3

প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় ময়মনসিংহ বিভাগে ট্যালেন্টপুলে ২১০৬, সাধারণ কোটায় ৩৫৯৯ :

Published

on

By

শিক্ষার্থী‎‎জাহাঈীর আলম, ময়মনসিংহ প্রতিনিধি


‎পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের মেধা অন্বেষণে অনুষ্ঠিত ‘প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা-২০২৫’ এর ফলাফল রবিবার (১২ জুলাই) প্রকাশ করা হয়েছে। প্রকাশিত ফলাফলে সারা দেশে প্রাথমিকে বৃত্তি পেয়েছে ৭৯ হাজার ২৪৬ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ট্যালেন্টপুলে ৩২ হাজার ৯৬৫ জন এবং সাধারণ কোটায় ৪৬ হাজার ২৮১ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি পেয়েছে। বৃত্তিপ্রাপ্তদের মধ্যে ছাত্র ৩৫ হাজার ৮৯২ জন এবং ছাত্রী ৪৩ হাজার ৩৫৪ জন। ফলাফলে ছাত্রদের চেয়ে ছাত্রীরা এগিয়ে রয়েছে। আজ রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের কনফারেন্স রুমে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন, এমপি।

‎প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা-২০২৫ এর ফলাফল বিশ্লেষণ করে জানা যায়, ময়মনসিংহ বিভাগের চার জেলায় মোট বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থী ৫ হাজার ৭০৫ জন, যার মধ্যে ট্যালেন্টপুলে ২ হাজার ১০৬ জন এবং সাধারণ কোটায় ৩ হাজার ৫৯৯ জন মেধাবৃত্তি পেয়েছেন। জেলাওয়ারী হিসাব অনুযায়ী, ময়মনসিংহ জেলায় মোট বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থী ২ হাজার ৩৭০ জন, যার মধ্যে ট্যালেন্টপুলে ৮৯০ জন এবং সাধারণ বৃত্তি পেয়েছে ১ হাজার ৪৮০ জন। এছাড়াও জামালপুরে মোট বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থী ১ হাজার ৩৯১ জন (ট্যালেন্টপুল ৫১৪জন, সাধারণ ৮৭৭ জন); নেত্রকোনায় মোট ১ হাজার ১১৩ জন (ট্যালেন্টপুল ৪২৩ জন, সাধারণ ৬৯০ জন) এবং শেরপুরে মোট ৮৩১ জন (ট্যালেন্টপুল ২৭৯ জন, সাধারণ ৫৫২ জন)। ময়মনসিংহ জেলায় সবচেয়ে বেশি ট্যালেন্টপুল (১৪৬ জন) এবং সাধারণ (৩৪৫ জন) কোটায় বৃত্তি পেয়েছে ময়মনসিংহ সদর উপজেলা থেকে। আর সবচেয়ে কম বৃত্তি পেয়েছে ধোবাউড়া উপজেলা থেকে (ট্যালেন্টপুল ১৯ জন, সাধারণ ৩৭ জন)।

‎জানা গেছে, বর্তমানে ট্যালেন্টপুল (মেধাবৃত্তি) প্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা মাসে ৩০০ টাকা এবং বছরে এককালীন ২২৫ টাকা পাচ্ছে। অন্যদিকে সাধারণ বৃত্তিপ্রাপ্তরা মাসে ২২৫ টাকা ও বছরে এককালীন ২২৫ টাকা করে পাচ্ছে। তবে ২০২৬ সালের জন্য প্রস্তাবিত নতুন কাঠামো অনুমোদিত হলে বৃত্তির অর্থ বাড়বে। সে ক্ষেত্রে ট্যালেন্টপুল বৃত্তির মাসিক ভাতা ৬০০ টাকা এবং সাধারণ বৃত্তির মাসিক ভাতা ৪৫০ টাকায় উন্নীত হবে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর জানায়, প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফলাফল অভিভাবকেরা অনলাইন ও মোবাইল এসএমএসের মাধ্যমে ফলাফল সংগ্রহ করতে পারবেন। অনলাইনে ফলাফল দেখার অফিশিয়াল মাধ্যম হলো ‘আইপিইএমআইএস’ পোর্টাল।

Continue Reading

Trending