Connect with us

ক্যাম্পাস

দীর্ঘ প্রতীক্ষিত ডাকসু নির্বাচন আজ

Published

on

অলটাইম নিউজ ডেস্ক

দীর্ঘ প্রতীক্ষিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ আজ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। দিনটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে একটি নতুন অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত হবে। দীর্ঘ ছয় বছরেরও বেশি সময়ের বিরতির পর অবশেষে অনুষ্ঠিত হচ্ছে ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচন।

নির্বাচন কমিশনের তথ্যানুযায়ী, মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হবে। চলবে টানা বিকেল ৪টা পর্যন্ত। ক্যাম্পাস নির্ধারিত আটটি ভোট কেন্দ্রের ৮১০টি বুথে ভোটাররা তাদের ভোট প্রয়োগ করবেন। ভোটগ্রহণ শেষে নির্বাচন কমিশন তাৎক্ষণিকভাবে গণনা শুরু করবে এবং নবাব নওয়াব আলী সিনেট অডিটোরিয়ামে ফলাফল প্রকাশ করা হবে।

এই নির্বাচন কেবল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্যই নয়, দেশের জাতীয় রাজনীতির জন্যও দিনটি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। ডাকসু থেকে উঠে আসা নেতৃত্ব ভবিষ্যতে দেশের রাজনৈতিক পরিমণ্ডলকেও প্রভাবিত করে।

১৮টি হলের প্রতি হল সংসদে ১৩টি করে মোট ২৩৪টি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন এক হাজার ১০৮ জন। নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩৯ হাজার ৭৭৫ জন। এর মধ্যে ছাত্র ভোটার ২০ হাজার ৮৭৩ জন এবং ছাত্রী ভোটার ১৮ হাজার ৯০২ জন। আটটি কেন্দ্রে ৮১০টি বুথে প্রত্যেক ভোটারকে ডাকসু ও হল সংসদের মোট ৪১টিতে নিজের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে হবে। প্রার্থীর নামের পাশের বর্গাকৃতির ঘরে ক্রস চিহ্ন আকার মাধ্যমে ভোট দিবেন ভোটাররা। আটটি কেন্দ্রের ৮১০টি বুথে চলবে ভোটগ্রহণ।

এরই মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। ঢাবি প্রশাসনের অনুমতি সাপেক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের আটটি প্রবেশপথে বসানো হয়েছে নিরাপত্তা চৌকি। ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে, মোবাইল পেট্রোল, ডগ স্কোয়াড, বিশেষায়িত টিম, বোম এক্সপোজাল ইউনিট, সোয়াত টিম, ডিবি (সাদা পোশাকে), সিসিটিভি মনিটরিং সেল, স্ট্রাইকিং রিজার্ভ নিয়োজিত রয়েছে।

নির্বাচন ঘিরে বেশ চাপে রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। কোনো প্রকার অঘটন সামাল দিয়ে একটি অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচন সম্পন্ন করা, ভোট গণনা স্বচ্ছ করা, ফলাফল ঘোষণার পর কোনো প্রকার অনাকাক্সিক্ষত ঘটনা সৃষ্টি হলে তা সামাল য়ো ও সর্বোপরি বিশ্বব্যিালয়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা বর্তমান প্রশাসনের জন্য যেন অগ্নিপরীক্ষা। তফসিল ঘোষণার পর থেকেই বিভিন্ন প্রার্থীর আচরণবিধি লঙ্ঘন, সাইবার বুলিংসহ নানান অভিযোগ সামাল দিয়ে এ পর্যন্ত আসাটা কমিশনের বড় সার্থকতা।

এ দিকে ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচনে কোনো ধরনের গুজবে কান না দিয়ে ছাত্রছাত্রীরে ভোটকেন্দ্রে আসার আহ্বান জানিয়েছেন এই নির্বাচনের প্রধান রিটার্নিং কর্মকর্তা অধ্যাপক মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন।

তিনি বলেন, ‘গুজব একটি সামাজিক ব্যাধি। কোনো ঘটনা ঘটেনি, কিন্তু চারদিকে গুজব ছড়িয়ে যাচ্ছে। শিক্ষার্থীদের নির্বাচনকে ঘিরে কোনো ধরনের গুজবে কান না দেয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।’

এলইডি স্ক্রিনে দেখা যাবে ভোট গণনা-ফলাফল

ভোটগ্রহণ শেষে ভোট গণনা করা হবে অপটিক্যাল মার্ক রিকগনিশন (ওএমআর) মেশিনে। প্রত্যেক কেন্দ্রের বাইরে এলইডি স্ক্রিনে ফলাফল গণনা প্রদর্শিত হবে। প্রত্যেক কেন্দ্রের ফলাফল সেখানেই ঘোষণা করা হবে, পাশাপাশি স্ক্রিনেও দেখা যাবে। সবশেষে সিনেট ভবন মিলনায়তনে সব কেন্দ্রের মোট ফলাফল ঘোষিত হবে। তবে এর আগেই সব কেন্দ্রের ফলাফল যোগ করে যে কেউ মোট ফলাফল বের করতে পারবেন।

ভোটারদের সুবিধার্থে চলবে চক্রাকার শাটল

শিক্ষার্থীরা যেন আজ নির্বিঘ্নে ভোটকেন্দ্রে পৌঁছতে পারেন, সেই লক্ষ্যে ক্যাম্পাসে বিশেষ চক্রাকার শাটল সার্ভিস চালু রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্বব্যিালয় কর্তৃপক্ষ।

বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দফতর থেকে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ভোটারদের সহজ যাতায়াত নিশ্চিত করতে আজ সকাল ৭টা ৪৫ মিনিট থেকে বিকেল ৩টা ৫০ মিনিট পর্যন্ত শাটল সার্ভিস চলবে।

ডাকসু নিয়ে সর্বাত্মক প্রস্তুতি রয়েছে : ঢাবি ভিসি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনকে সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও উৎসবমুখর করতে সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান।

সোমবার বিকেলে ডাকসু নির্বাচন কমিশন অফিসের সামনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ১১ মাসের দীর্ঘ প্রস্তুতি, হাজারো শিক্ষার্থীর আকাঙ্ক্ষা আর নানা বাধা-বিপত্তি অতিক্রম করে আমরা আজ চূড়ান্ত পর্যায়ে এসে পৌঁছেছি। ডাকসুকে ঘিরে সর্বাত্মক প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, প্রক্টরিয়াল টিম, বিএনসিসি, ভলান্টিয়ার টিমসহ সবাই মাঠে রয়েছে। তথ্যের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে সাংবাদিকরাও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।

প্রার্থীরে উদ্দেশ্য করে ভিসি বলেন, আপনারা একে-অপরের প্রতি সহনশীল হোন। হার-জিত যাই হোক, আমাদের মধ্যে এমন কিছু নেই যাতে বড় কোনো সঙ্ঘাত সৃষ্টি হয়। যি তবুও কেউ আইন ভঙ্গ করে তবে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সাইবার বুলিংয়ের জবাব ব্যালটের মাধ্যমে দিতে হবে : আবিদুল

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে ছাত্রদলের ভিপি প্রার্থী আবিদুল ইসলাম খান বলেছেন, যারা রাজনৈতিকভাবে মোকাবেলা করতে না পেরে সাইবার বুলিংয়ের মাধ্যমে মোকাবেলা করতে চায়, তারে ব্যালটের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা প্রতিহত করবে। গতকাল দুপুরে মধুর ক্যান্টিনের সামনে সাইবার অ্যাটাক নিয়ে এক জরুরি সংবা সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, আমরা ৫ আগস্টের পরে সুস্থ রাজনীতি চর্চা করতে গিয়ে অদৃশ্য শক্তির বিরুদ্ধে লড়ে যাচ্ছি। ২০১৬ সাল থেকে আমরা বিভিন্ন পরিস্থিতি মোকাবেলা করে এখানে এসেছি। দেশের স্বাধীনতা ও শিক্ষার্থীদের প্রশ্নে কখনো আপস করিনি, অন্যায় মেনে নেইনি। ৫ আগস্টের পর একই নোংরামির শিকার হতে হবে এটা অত্যন্ত বেদনাদায়ক।

আবিদ আরো বলেন, আমরা কখনো পেছন থেকে আঘাত করার চেষ্টা করিনি। যোগ্যতার বিরুদ্ধে যোগ্যতা, অপসংস্কৃতির বিরুদ্ধে সুস্থ রাজনীতি করে এসেছি। এখন একদল রাজনৈতিকভাবে মোকাবেলা করতে ব্যর্থ হয়ে একটি গোষ্ঠী সাইবার অ্যাটাকের পথ বেছে নিয়েছে। মিথ্যার শক্তিতে কেউ বিভ্রান্ত হবেন না। সত্যের জয় সুনিশ্চিত। আগামীকাল ঝড়, বৃষ্টি বা প্রতিকূল পরিস্থিতি হোক না কেন আপনারা ভোটকেন্দ্র আসবেন।

প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও সমীকরণ

এবারের নির্বাচনে মোট ২৮টি পদের বিপরীতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৪৭১ জন প্রার্থী। এর মধ্যে ভিপি পদে ৪৫, জিএস পদে ১৯ এবং এজিএস পদে ২৮ জন লড়ছেন। সবশেষ প্রকাশিত ভোটার তালিকা অনুযায়ী, ডাকসু নির্বাচনে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন ৩৯ হাজার ৬৩৯ জন শিক্ষার্থী।

বিশ্লেষকরা বলছেন, এবারের ডাকসু নির্বাচন শুধু ক্যাম্পাস রাজনীতির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয় বরং এটি জাতীয় রাজনীতিতেও বড় প্রভাব ফেলতে পারে। এবারের নির্বাচন ছাত্রশিবির ও ছাত্রদলের মধ্যে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

আলোচিত প্রার্থীরা

ছাত্রদল সমর্থিত আবিদুল ইসলাম খান, ভিপি পদে ছাত্রশিবির সমর্থিত আবু সাদিক কায়েম, স্বতন্ত্র প্রার্থী উমামা ফাতেমা, বৈষম্যবিরোধী শিক্ষার্থী সংসরে আবদুল কাদের এবং ছাত্র অধিকার পরিষদের বিন ইয়ামিন মোল্লা আলোচনায় আছেন। জিএস পদে আলোচনায় রয়েছেন ছাত্রদল সমর্থিত শেখ তানভীর বারী হামিম, শিবির সমর্থিত এস এম ফরহাদ, বৈষম্যবিরোধী শিক্ষার্থী সংসদের আবু বাকের মজুমদার ও সমন্বিত শিক্ষার্থী সংসদের ফাতেহা শারমিন এ্যানি।

top3

ইবির ট্যুরিজম বিভাগের উদ্যোগে বিশ্ব পর্যটন দিবসে বর্ণাঢ্য আয়োজন

Published

on

By

ইবি প্রতিনিধি

বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট (টিএইচএম) বিভাগের উদ্যোগে চার দিনব্যাপী কর্মসূচি শুরু হয়েছে।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের আয়োজনে কেক কেটে চার দিনব্যাপী কর্মসূচির উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান। এদিন কর্মসূচির অংশ হিসেবে কেক কাটা, খাদ্য উৎসব ও বর্ণাঢ্য র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়।

এরপর উপাচার্যের নেতৃত্বে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের করা হয়। র‍্যালিটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে বটতলায় এসে শেষ হয়। র‍্যালিতে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. এমতাজ হোসেন, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. ইদ্রিস আলী, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. আতিকুর রহমান, রহিমা ফরোজ বাংলাদেশ লিমিটেডের গ্রুপ ম্যানেজিং ডিরেক্টর নিয়াজ রহিম, ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আব্দুস শহীদ মিয়া, ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (TOAB) পরিচালক মো. মহিউদ্দিন সালিম, দিশা টাওয়ার কুষ্টিয়ার উপ-নির্বাহী পরিচালক মো. মোবিনুল ইসলাম (সেলিম), গ্লোবাল ভিশন মাইগ্রেশন অ্যান্ড ভিসা কনসালট্যান্সি ফার্মার ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মোস্তাফিজুর রহমান এবং আমিনা রোজা গলফ ক্লাবের সিইও ইফান আহমেদ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা, শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. কে. এম মতিনুর রহমান বলেন, “পর্যটন শুধু বিনোদনের একটি মাধ্যম নয়; এটি একটি দেশের অর্থনীতি, সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও সম্ভাবনাকে বিশ্বের সামনে তুলে ধরার অন্যতম কার্যকর মাধ্যম। বাংলাদেশে পর্যটনের অপার সম্ভাবনা রয়েছে। আমাদের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, ঐতিহাসিক স্থাপনা, প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন, লোকজ সংস্কৃতি ও বৈচিত্র্যময় খাদ্যসংস্কৃতিকে পরিকল্পিতভাবে উপস্থাপন করতে পারলে পর্যটন খাত দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।”

তিনি আরও বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে পর্যটন ও আতিথেয়তা ব্যবস্থাপনা বিষয়ে শিক্ষার্থীদের একাডেমিক জ্ঞানের পাশাপাশি ব্যবহারিক দক্ষতা অর্জনের সুযোগ তৈরি করতে হবে। এ ধরনের আয়োজন শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা, নেতৃত্বের গুণাবলি ও পেশাগত দক্ষতা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দক্ষ ও প্রশিক্ষিত মানবসম্পদ তৈরি হলে তারা দেশের পর্যটন খাতকে আরও সমৃদ্ধ করতে অবদান রাখতে পারবে।”

উল্লেখ্য, বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে আয়োজিত খাদ্য উৎসব ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে ২৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিন দিনব্যাপী চলবে। এতে বিভাগের শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় বিভিন্ন ধরনের দেশীয় ও আন্তর্জাতিক খাবারের স্টল স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়া পরবর্তী কর্মসূচির অংশ হিসেবে ১০ অক্টোবর কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে একটি সেমিনারের আয়োজন করা হবে।

Continue Reading

top3

বাকৃবির আইআইএফএসের সহযোগী পরিচালক হলেন অধ্যাপক হারুন অর রশিদ

Published

on

By

বাকৃবি প্রতিনিধি :

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) ইন্টারডিসিপ্লিনারি ইনস্টিটিউট ফর ফুড সিকিউরিটি (আইআইএফএস)-এর সহযোগী পরিচালক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যানতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. হারুন অর রশিদ।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।

আদেশ অনুযায়ী, নিয়োগটি আদেশ জারির তারিখ থেকে পরবর্তী দুই বছরের জন্য কার্যকর থাকবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারের কার্যালয় থেকে জারি করা আদেশের অনুলিপি আইআইএফএসের পরিচালক, বিভিন্ন অনুষদের ডিন ও কো-অর্ডিনেটর, উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা কমিটি, ছাত্রবিষয়ক উপদেষ্টা, রেজিস্ট্রার, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন দপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তর ও কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, অধ্যাপক ড. মো. হারুন অর রশিদ বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যানতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। নতুন দায়িত্বের মাধ্যমে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের খাদ্যনিরাপত্তাবিষয়ক আন্তঃবিভাগীয় শিক্ষা, গবেষণা ও একাডেমিক কার্যক্রমের সঙ্গে প্রশাসনিকভাবে যুক্ত হলেন।

Continue Reading

top3

ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচির দাবিতে ইবি ছাত্রদলের স্মারকলিপি

Published

on

By

ইবি প্রতিনিধি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) ক্যাম্পাসে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি বাস্তবায়নের দাবিতে উপাচার্য বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল (ইবি) শাখা।

রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান বরাবর স্মারকলিপি জমা দেন সংগঠনটির নেতাকর্মীরা।

এসময় শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মাসুদ রুমি মিথুন, সদস্য সচিব রাফিজ আহমেদ ও সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আনওয়ার পারভেজ এর নেতৃত্বে সংগঠনটির অন্যান্য নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

স্মারকলিপিতে বলা হয়, সাম্প্রতিক সময়ে দেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসেও বিভিন্ন স্থানে পানি জমে থাকা, অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ, ঝোপঝাড় ও ময়লা-আবর্জনার কারণে ডেঙ্গুর জীবাণুবাহী এডিস মশার প্রজননের ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তার স্বার্থে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ জরুরি।

স্মারকলিপিতে ক্যাম্পাসের সব আবাসিক হল, একাডেমিক ভবন ও আশপাশের এলাকায় জরুরি পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনার দাবি জানানো হয়। একই সঙ্গে জমে থাকা পানি অপসারণ ও নিয়মিত ড্রেন পরিষ্কার, এডিস মশা নিধনে নিয়মিত ফগিং ও লার্ভিসাইড স্প্রে কার্যক্রম চালু, ক্যাম্পাসের ঝোপঝাড় পরিষ্কার এবং মশার প্রজননস্থল ধ্বংসের দাবি জানানো হয়।

এছাড়াও শিক্ষার্থীদের মধ্যে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা বাড়াতে প্রচারণা ও সচেতনতামূলক কর্মসূচি গ্রহণের দাবিও জানানো হয়।

Continue Reading

Trending