Connect with us

সর্বশেষ

দুর্বৃত্তদের আগুনে অগ্নিদগ্ধ সেই জামায়াত সমর্থকের মৃত্যু

Published

on

লক্ষ্মীপুরে একটি মৎস্য খামারে দুর্বৃত্তদের দেওয়া আগুনে অগ্নিদগ্ধ হয়ে চিকিৎসাধীন আব্বাস উদ্দিন (৫৫) নামে জামায়াত সমর্থক মারা গেছেন। অগ্নিদগ্ধ হওয়ার পাঁচদিন পর মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

এর আগে গত বুধবার রাতে সদর উপজেলার চররমনী মোহন ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ডের জিতু অ্যাগ্রো মৎস্য খামারে অগ্নিকাণ্ডে তিনি দগ্ধ হন। পরদিন তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়।

নিহত আব্বাস উদ্দিন চররমনী মোহন এলাকার মৃত হোসেনের ছেলে ও জিতু অ্যাগ্রো মৎস্য খামারের মালিক। তিনি লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ৬ নং ওয়ার্ড জামায়াতের সদস্য ছিলেন বলে দাবি করেছেন তার বড় ছেলে এলাহি প্রিন্স।

প্রিন্স জানায়, তার মা ও বাবা খামারেই থাকতেন। তার মা সুলতানা রাজিয়া লাকি লক্ষ্মীপুর পৌর ৬ নং ওয়ার্ড মহিলা দলের সভাপতি। ভোটের আগে রাতে দুর্বৃত্তরা বাহির থেকে খামারে থাকা ঘরে আগুন ধরিয়ে দেয়। এতে দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ে ঘর পুড়ে যায়। পরিবারের অন্য সদস্যরা দ্রুত বের হয়ে যেতে পারলেও আব্বাস পারেননি।

এতে হাত-পাসহ শরীরের বিভিন্ন অংশ দগ্ধ হয়। পরে তাকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকায় উন্নত চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসা হয়। রাজধানীর জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় তিনি মারা যান।

এলাহি প্রিন্স বলেন, আমার বাবা মারা যাননি, শহীদ হয়েছেন। তিনি জামায়াত করেন এটাই তার অপরাধ ছিল। তাকে হত্যা করা হয়েছে।

লক্ষ্মীপুর শহর জামায়াতের আমির আবুল ফারাহ নিশান বলেন, ঘটনাটি ভোটের আগের দিন ঘটেছে। যিনি মারা গেছেন তিনি প্রিন্সের বাবা। কয়েক মাস আগে থেকে প্রিন্সও দাঁড়িপাল্লার সমর্থনে আমাদের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে ভোট করেছেন। প্রিন্সের কাছ থেকেই জানতে পেরেছি তার বাবা আব্বাস উদ্দিন দাঁড়িপাল্লার সমর্থনে ভোট করেছেন।

সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওয়াহিদ পারভেজ বলেন, ঘটনাটি শুনেছি। তবে এখনো কেউ থানায় লিখিত অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

স্পিকার-সিইসির বৈঠক, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আয়োজনে ‘প্রস্তুত’ ইসি

Published

on

By

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আয়োজনের জন্য নির্বাচন কমিশন (ইসি) সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।

জাতীয় সংসদে ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের সঙ্গে প্রায় এক ঘণ্টাব্যাপী বৈঠক শেষে মঙ্গলবার সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন সিইসি। 

সিইসি জানান, ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সঙ্গে প্রাথমিক ও প্রক্রিয়াগত আলোচনা হয়েছে। তবে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার সম্ভাব্য তারিখ এখনো নির্ধারণ করা হয়নি।

তফসিল প্রসঙ্গে নাসির উদ্দিন বলেন, “বৈঠকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আয়োজনের বিভিন্ন প্রক্রিয়াগত বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। যথাসময়ে নির্বাচন কমিশনের সভায় বিষয়টি চূড়ান্ত করে তফসিল ঘোষণা করা হবে। দিনক্ষণ এখনও ঠিক হয়নি”।

চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হলে তা গেজেট আকারে প্রকাশ করা হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার জানান, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য মনোনয়নপত্র নির্বাচন কমিশনে জমা হবে এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনারই রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করবেন। নির্বাচন কমিশনের ব্যবস্থাপনাতেই পুরো নির্বাচন সম্পন্ন হবে। প্রয়োজন হলে প্রক্রিয়াগত কারণে ভোটগ্রহণের ভেন্যু পরিবর্তনের বিষয়টিও বিবেচনা করা হতে পারে। এ-সংক্রান্ত সব তথ্য গেজেটের মাধ্যমে জানানো হবে।

সিইসি আরও বলেন, “রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আয়োজনের জন্য নির্বাচন কমিশন পুরোপুরি প্রস্তুত। একই সময়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে কমিশনের প্রস্তুতি চললেও রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সম্পন্ন করতে কমিশন সক্ষম”।

ভোটার তালিকার বিষয়ে তিনি জানান, সম্ভাব্য ভোটারদের তালিকা চেয়ে নির্বাচন কমিশন ইতোমধ্যে জাতীয় সংসদ সচিবালয়ে চিঠি পাঠিয়েছে। তালিকা পাওয়ার পর ভোটার তালিকা প্রণয়ন ও প্রকাশসহ পরবর্তী কার্যক্রম দ্রুত সম্পন্ন করা হবে।

সংসদ অধিবেশন চলাকালে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে কি না- সাংবাদিকের এমন প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, “সংসদ অধিবেশন থাকুক বা না থাকুক, আইন অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আয়োজনের ক্ষেত্রে কোনো বাধা নেই”।

সাতক্ষীরা-৪ আসন নিয়ে বৈঠকে কোনো আলোচনা হয়েছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, “এ বিষয়ে কোনো আলোচনা হয়নি। বৈঠকের পুরো আলোচনাই ছিল রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে”।

বৈঠকে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ, তাহমিদা আহমদ, মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার, ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমদ এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব উপস্থিত ছিলেন।

Continue Reading

সর্বশেষ

‘মানুষের জয়গান গাওয়া’ সেই তরুণের নাম আজহারুল

Published

on

By

-তুমি হিন্দু? -আমি আগে মানুষ

এভাবে কথা বলে আলোচনার ঝড় তোলা সেই তরুণের নাম মো. আজহারুল। রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ত্রিপলের ছাউনি দিয়ে বানানো ‘রাজিব শাহের আস্তানাসহ’ বিভিন্ন অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের সময় এক ব্যক্তির সঙ্গে আজহারুলের এমন কথোপকথন সম্প্রতি ভাইরাল হয়।

এই বয়সে আজহারুল যেভাবে কথা বলেছেন এবং তার কথার বিষয়বস্তুতে অসাম্প্রদায়িকতার যে বার্তা ফুটে উঠেছে, তার জন্যই মূলত তিনি মানুষের প্রশংসা কুড়িয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নেটিজেনরা লিখছেন, আজহারুলের কথায় ‘সবার উপরে মানুষ সত্য, তাহার উপরে নাই’ বাণীর প্রতিধ্বনি আছে।

ভিডিও চারদিকে ছড়িয়ে পড়ার পর আজহারুল মঙ্গলবার সকালে ফেসবুকে লিখেছেন, ‘এই জায়গায় যদি মসজিদের বদলে নতুন করে কোনো মন্দির নির্মাণ করা হতো, তাহলেও আমি একইভাবে বলতাম, এখানে মসজিদ ও গির্জা নির্মাণের সমান অধিকারও থাকতে হবে। প্রয়োজনে মসজিদ নির্মাণে আমি নিজেই অর্থায়ন করতাম।’

‘কারণ আমার কাছে প্রশ্নটি কোনো একটি ধর্মের নয়, প্রশ্নটি ন্যায্যতা, সমঅধিকার ও আইনের সমান প্রয়োগের। এই নীতির ক্ষেত্রে আমি একবিন্দুও ছাড় দিতাম না।

তবে দুঃখের বিষয়, মন্তব্যগুলো দেখে মনে হলো সনাতনী ভাই-বোনদের পাশাপাশি খুব অল্প কিছু মুসলিম ভাই-ই আমাকে সমর্থন করেছেন। হয়তো অনেকেই আমাকে আগে মানুষ বলেছি বলে ভুল বুঝেছেন।

আমি বিশ্বাস করি, মানুষ হিসেবে আমরা সবাই এক কাতারে দাঁড়াতে পারি। কিন্তু ধর্মকে পরিচয়ের ভিত্তি বানালে আমরা স্বাভাবিকভাবেই বিভিন্ন দলে বিভক্ত হয়ে যাই। তাই আমার ধর্ম আমার অন্তরে। এটি মাইক দিয়ে ঘোষণা করা বা উচ্চস্বরে বলার প্রয়োজন আমি অনুভব করি না। কারণ সৃষ্টিকর্তা তো জানেন- ‘আমরা কী করছি, কী বিশ্বাস করছি এবং কাকে উপলব্ধি করছি।’

Continue Reading

top1

জামায়াত এমপি গোলাম রসুলের বাড়ি ঘেরাও

Published

on

By

যশোর-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক গোলাম রসুলের বাসভবন ঘেরাও করে বিক্ষোভ করেছেন স্থানীয় শত শত মানুষ।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সকালে যশোর শহরের নীলগঞ্জ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ সময় তার বাড়িতে হামলার অভিযোগও উঠেছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, নীলগঞ্জ এলাকার আল মাদ্রাসাতুশ শারইয়াহ ও সংশ্লিষ্ট মসজিদকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। এর জের ধরে মঙ্গলবার সকালে সংসদ সদস্য গোলাম রসুল ও তার মেয়ে অনন্যার বিরুদ্ধে মাদ্রাসার এক শিশু শিক্ষার্থী আয়ান এবং রেক্সনা নামে এক নারীর ওপর হামলার অভিযোগ ওঠে। স্থানীয়দের দাবি, ওই হামলায় রেক্সনার মাথায় আঘাত লাগে।

জানা গেছে, এ বিরোধ নিয়ে আগের রাতে দুপক্ষের মধ্যে সমঝোতা হলেও মঙ্গলবার সকালে মাদ্রাসা খুললে তা বন্ধ রাখতে বলা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এর পরই স্থানীয়দের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। সকাল ১০টার দিকে তারা এমপির বাড়ির সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন।

বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, মাদ্রাসাটি বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছে। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান। একই সঙ্গে তাদের অভিযোগ, মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে এমপি গোলাম রসুল ও তার মেয়ে অসৌজন্যমূলক আচরণ করে আসছেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকাল সাড়ে ১১টার দিকে বিষয়টি মীমাংসার উদ্দেশ্যে গোলাম রসুলের এক স্বজন ঘটনাস্থলে এলে বিক্ষুব্ধ জনতার একাংশ তাকে মারধর করে। পরে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হলে বিক্ষোভকারীরা যশোর-নড়াইল মহাসড়ক অবরোধ করে বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং এমপি ও তার মেয়ের বিচারের দাবি জানান।

এদিকে অভিযোগ অস্বীকার করে গোলাম রসুলের স্ত্রী শারমিন ভিনা বলেন, তাদের মেয়ে অনন্যা মানসিক সমস্যায় ভুগছেন। তার দাবি, মাদ্রাসা বন্ধ থাকার পরও কিছু শিশু সেখানে এসে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছিল। এ বিষয়ে প্রতিবাদ করায় তাদের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অভিযোগ আনা হচ্ছে এবং বাড়িতে হামলা চালানো হয়েছে।

খবর পেয়ে কোতোয়ালি থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে।

পুলিশ জানিয়েছে, উভয় পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে অবস্থান করছেন।

সর্বশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত এমপির বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ অব্যাহত ছিল।

Continue Reading

Trending