Connect with us

ক্যাম্পাস

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে নবীনদের ওরিয়েন্টেশন, ডিজিটাল রূপান্তরের আশ্বাস ইউজিসি চেয়ারম্যানের

Published

on

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষের প্রথম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণির শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (১৫ জুলাই) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের নবনির্মিত টিএসসি ভবনের অডিটরিয়ামে প্রথমবারের মতো এ ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানের আলোচনা সভা ও পরিচিতি পর্বে সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন। প্রধান অতিথি ও ওরিয়েন্টেশন বক্তা ছিলেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ বলেন, ‘জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় অবদান রাখায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়াসহ যাঁরা অবদান রেখেছেন তাঁদের আন্তরিক অভিনন্দন জানাচ্ছি। এই বিশ্ববিদ্যালয়ে পঠন, পাঠন ও গবেষণার উপযুক্ত পরিবেশ রয়েছে। এখানে বড় বড় ভবন যেমন আছে, তেমনি সবুজের সমারোহও আছে।’

নবীন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘তোমরা সবাই মেধাবী, তবে মেধার সাথে অধ্যাবসায় যোগ করেই তোমরা ভর্তির সুযোগ পেয়েছ। তোমরা যে যেখান থেকেই আসো না কেন, সবাই সমান। তোমাদের মধ্যে উঁচু-নিচু কোন ভেদাভেদ নাই, ঠিক কবি নজরুলের আদর্শে সবাই মানুষ। তবে তোমাদের শুধু পড়াশোনা করলেই হবে না, এক্সট্রা কারিকুলারেও দক্ষ হতে হবে। নিজেকে আগামী দিনের জন্য প্রস্তুত করতে হবে, সার্বিকভাবে উপযুক্ত মানুষ হয়ে বের হতে হবে।’

আগামী দুই বছরের মধ্যে দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়ে ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশনের ব্যবস্থা করা হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘শিক্ষক স্বল্পতাসহ যাবতীয় সমস্যা সমাধানে ইউজিসি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়কে অগ্রাধিকার দিয়ে সমাধানের ব্যস্থা করবে।’

সভাপতির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন বলেন, ‘এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনকারী ও উদ্বোধক সাবেক প্রধানমন্ত্রী প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়ার বিদেহী আত্মার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করছি। উদ্ভাবন হলো বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নের মানদণ্ড। তাই গবেষণার মাধ্যমে নতুন জ্ঞান উদ্ভাবন করতে হবে। বর্তমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির যুগ, অথচ এই বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানের মৌলিক বিষয়গুলো এখনো চালু করা হয় নি। তবে বিশ্ববিদ্যালয়কে আমরা স্বল্প সময়ের মধ্যে একটি স্মার্ট বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে গড়ে তোলার পথেই এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি।’

নবীন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘তোমরা ভর্তি যুদ্ধে প্রতিযোগিতা করে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পেয়েছ। তবে এখানেই প্রতিযোগিতা শেষ হয় নি, বরং এখান থেকেই তোমাদের প্রতিযোগিতা শুরু হলো। তোমাদের যেতে হবে বহু দূর, তোমাদের পথ মসৃণ নয়, পিচ্ছিল। সমস্যা থাকবেই সেই সমস্যাগুলো মোকাবেলা করে এগিয়ে যেতে পারলেই তোমরা সফলকাম হতে পারবে।’

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ময়মনসিংহ-৭ (ত্রিশাল) আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য ডা. মাহাবুবুর রহমান বলেন, ‘ত্রিশালে নজরুল জয়ন্তীর অনুষ্ঠানে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে অনুরোধ করেছিলাম ত্রিশালে কবি নজরুলের নামে একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করতে। তিনি ২০০৫ সালের ১ মার্চ ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন এবং ২০০৬ সালের ২৫ মে শুভ উদ্বোধন করেন। এত দ্রুত সময়ে আর কোন বিশ্ববিদ্যালয় হয়েছে বলে আমার জানা নাই।’

তিনি বলেন, ‘এই বিশ্ববিদ্যালয়ে যেসকল ঠিকাদার তাদের নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজ করতে ব্যর্থ হবে তাদের তালিকা করে পরবর্তীতে কাজ না দেওয়ার আহ্বান জানান। বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর একবার সমাবর্তন হওয়ায় তিনি আগামীতে প্রতি বছর সমাবর্তন করার আহ্বান জানান।’

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইমদাদুল হুদা। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. এ এইচ এম কামাল, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. বখতিয়ার উদ্দিন, চারুকলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ এমদাদুর রাশেদ এবং প্রক্টর ড. মো. মাহবুবুর রহমান।

স্বাগত বক্তব্য দেন ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন ও ওরিয়েন্টেশন উপ-কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. সাখাওয়াত হোসেন সরকার। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন পরিচালক (ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা) ড. মো. আশরাফুল আলম। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

নবীন শিক্ষার্থীদের পক্ষে লোকপ্রশাসন ও সরকার পরিচালনা বিদ্যা বিভাগের শওকত ইকবাল এবং ইইই বিভাগের মৃত্তিকা দত্ত প্রীতি তাঁদের অনুভূতি ব্যক্ত করেন। চারুকলা বিভাগের শিক্ষার্থী হাবিবুর রহমান হাবিব এবং ফিল্ম অ্যান্ড মিডিয়া স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী মামুন সরকারও বক্তব্য দেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতেই নবীন শিক্ষার্থীদের রজনীগন্ধার স্টিক দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়। পরে তাঁদের প্রত্যেককে একটি ফোল্ডার, নোটবুক, কলম ও একাডেমিক ক্যালেন্ডার দেওয়া হয়।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top3

কুবিতে বিশ্ব আদিবাসী দিবস পালিত

Published

on

By

সানজিদা আক্তার সাথী, কুবি প্রতিনিধি :

বিশ্ব আদিবাসী দিবস উপলক্ষে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) আদিবাসী ছাত্র সংসদের উদ্যোগে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়েছে। এতে আদিবাসী জনগোষ্ঠীর অধিকার ও মর্যাদা, শিক্ষা ও সামাজিক অবস্থান, নিজস্ব সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সংরক্ষণ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে আদিবাসী শিক্ষার্থীদের জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক পরিবেশ তৈরিসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়।

রবিবার (৯ আগস্ট) বিকেল ৫টায় ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের কনফারেন্স কক্ষে এ অনুষ্ঠানের আয়োজিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনটির উপদেষ্টা ও প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সোহরাব উদ্দিন। বিশেষ আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের প্রভাষক মোহাম্মদ ওবায়দুর রহমান। এছাড়া আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আইন বিভাগের শিক্ষার্থী ও আদিবাসী ছাত্র সংসদের সাবেক সভাপতি সুইচিংনু মার্মা।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্যে সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক মংক্যএ মার্মা বলেন, “আদিবাসী জনগোষ্ঠীর অধিকার, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সম্পর্কে সচেতনতা তৈরির পাশাপাশি আমাদের বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতিকে সবার সামনে তুলে ধরাই এ আয়োজনের অন্যতম উদ্দেশ্য। আশা করি, আজকের আলোচনা ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনা আমাদের পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সম্প্রীতি ও সহাবস্থানের বন্ধনকে আরও দৃঢ় করবে।”

আদিবাসী ছাত্র সংসদের সভাপতি উচিং মারমা বলেন, ” আজকে এই প্রোগ্রামে যারা উপস্থিত থেকে আমাদের প্রোগ্রামটা সফল করেছেন তাদের সবার প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আগামী বছর আজকের দিনে আরও বড় পরিসরে মুক্তমঞ্চে আদিবাসী দিবস পালনের পরিকল্পনা রয়েছে।”

Continue Reading

top3

বেরোবি’র শহীদ মুখতার ইলাহী হলে আধুনিক রিডিং রুমের উদ্বোধন

Published

on

By

আনাস মাহমুদ; বেরোবি প্রতিনিধি,

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর-এর শহীদ মুখতার ইলাহী হলে নতুন ও আধুনিক রিডিং রুমের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। আজ রবিবার (০৯ আগস্ট ২০২৬) বিকেলে হলের দ্বিতীয় তলায় আনুষ্ঠানিকভাবে এই রিডিং রুমের উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ শওকাত আলী।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ শওকাত আলী বলেন, শিক্ষার্থীরা যাতে একটি সুস্থ ও সুন্দর পরিবেশে পড়াশোনা করতে পারে, সেটিই আমাদের মূল লক্ষ্য। হলের আবাসিক শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে আধুনিক রিডিং রুমের ব্যবস্থা করা হয়েছে। তিনি বলেন, পড়াশোনার পরিবেশই শিক্ষার্থীদের জ্ঞানের প্রতি আকৃষ্ট করে। এই পরিবেশ বজায় রাখার দায়িত্বও শিক্ষার্থীদের নিতে হবে।

উপাচার্য আরও বলেন, আমরা চাই বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরি ও রিডিং রুম এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা যেন তাদের মেধা বিকাশের পূর্ণ সুযোগ পায়। আগামীতে প্রয়োজনীয় বই ও গবেষণার সুযোগ বৃদ্ধির মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়কে আরও সমৃদ্ধ করার প্রয়াস অব্যাহত থাকবে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) প্রফেসর ড. মো. ফেরদৌস রহমান, শহীদ মুখতার ইলাহী হলের প্রভোস্ট প্রফেসর ড. মোঃ কামরুজ্জামানসহ সহকারী প্রভোস্টবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও হলের আবাসিক শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীসহ সংশ্লিষ্টরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

Continue Reading

top3

রাবি সায়েন্স ক্লাবের “RUSC Tree Plantition Drive 2026” আয়োজনে চারা রোপণ করলেন উপাচার্য

Published

on

By

রাবি প্রতিনিধি :

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) সায়েন্স ক্লাবের (আরইউএসসি) আয়োজনে পালিত হয়েছে “RUSC Tree Plantation Drive 2026” কর্মসূচি। পরিবেশবান্ধব ভাবনা ও সামাজিক দায়িত্ববোধ থেকে প্রতিবছরের ন্যায় এবারও এ আয়োজন করেছে ক্লাবটি। আজ রবিবার (৯ আগস্ট) সকাল ১১ টায় এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. ফরিদুল ইসলাম।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে (আরইউএসসি অফিস-সংলগ্ন) একটি চারা রোপণের মাধ্যমে উক্ত কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন উপাচার্য । ক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক এহসানুল হক দিনারের সঞ্চালনায় এই আয়োজনের সভাপতিত্ব করেন ক্লাবের সভাপতি খালিদ মাহমুদ।

এসময় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মো. মাহবুবর রহমান, ছাত্র-উপদেষ্টা অধ্যাপক এ এইচ এম খুরশীদ আলম।
এছাড়াও অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ক্লাবের স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক সভাপতি মো. আব্দুল লতিফ।

অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে একইদিনে রাজশাহী জেলার বি.সি.এস.আই.আর. ল্যাবরেটরি উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। দিনব্যাপী এ আয়োজনে ফলদ, বনজ, ভেষজ ও শোভাবর্ধনকারী প্রায় দুই শতাধিক চারা গাছ শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি বিদ্যালয় প্রাঙ্গণের বিভিন্ন স্থানে এসব চারা রোপণ করা হয়। চারা নির্বাচনের ক্ষেত্রে পরিবেশগত ভারসাম্য ও স্থানীয় প্রেক্ষাপটকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

ক্লাবের সভাপতি খালিদ মাহমুদ বলেন, ‘রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সায়েন্স ক্লাব বরাবরই পরিবেশ, বিজ্ঞান ও সমাজসংশ্লিষ্ট কার্যক্রমে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। আমাদের এ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির লক্ষ্য শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধি করা এবং গাছের গুরুত্ব সম্পর্কে একটি টেকসই বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া।’

এ বিষয়ে বি.সি.এস.আই.আর. ল্যাবরেটরি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আব্দুল জলিল বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরিবেশের প্রতি দায়িত্ববোধ ও সচেতনতা তৈরিতে এ ধরনের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সায়েন্স ক্লাবের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানাই এবং ভবিষ্যতেও শিক্ষার্থীদের নিয়ে পরিবেশবান্ধব বিভিন্ন কার্যক্রমে সহযোগিতা করার আশাবাদ ব্যক্ত করছি।’

এ সময় শিক্ষার্থীরা গাছ পেয়ে তাদের ভালো লাগার কথা তুলে ধরেন এবং যত্ন নেওয়ার প্রতিশ্রুতি ব্যাক্ত করেন।

আয়োজনে আরও উপস্থিত ছিলেন ক্লাবের সহ-সভাপতি মো. আবু জুবায়ের, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ইয়াসিন খন্দকার ইমন, কোষাধ্যক্ষ সুলাইমান, সাংগঠনিক সম্পাদক সাদিয়া জামিল দিয়া ও মাশরাফি জামান চৌধুরী এবং ক্লাবের অন্যান্য সদস্যবৃন্দ।

উক্ত আয়োজনের আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ক্লাবের মিডিয়া সম্পাদক সোহান আহমেদ।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সায়েন্স ক্লাব বিজ্ঞানচর্চা; বিজ্ঞানের প্রচার ও প্রসারের লক্ষ্যে জাতীয় বিজ্ঞান মেলা; সায়েন্স শো; বিজ্ঞানভিত্তিক পডকাস্ট পরিচালনার পাশাপাশি পরিবেশ রক্ষা ও সামাজিক সচেতনতা তৈরিতে প্রতিবছর এ ধরনের কর্মসূচির আয়োজন করে থাকে এবং ভবিষ্যতেও এ ধারা অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন আয়োজকরা।

Continue Reading

Trending