Connect with us

top2

প্রতিরক্ষা ও জনপ্রশাসনসহ ৫ দপ্তর নিজের হাতে সামলাবেন প্রধানমন্ত্রী

Published

on

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয়ের পর ১৯ বছর ৩ মাস ১৯ দিন বিরতি দিয়ে দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন তারেক রহমান। সরকার পরিচালনার জন্য তিনি ৪৯ সদস্যের একটি শক্তিশালী ও কর্মঠ মন্ত্রিসভা গঠন করেছেন যেখানে প্রবীণ নেতাদের অভিজ্ঞতার পাশাপাশি তরুণদের উদ্যমকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে।

রাষ্ট্র পরিচালনার অতি গুরুত্বপূর্ণ ৫টি মন্ত্রণালয় প্রধানমন্ত্রী নিজের অধীনে রেখেছেন যার মধ্যে রয়েছে প্রতিরক্ষা, জনপ্রশাসন, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৩টায় সচিবালয়ে নবগঠিত এই মন্ত্রিসভার প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

মন্ত্রিসভার দপ্তর বণ্টনে দেখা গেছে যে দলীয় মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের গুরুদায়িত্ব দেওয়া হয়েছে যেখানে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে থাকছেন মীর শাহে আলম। দেশের অর্থনীতি সামলানোর ভার পড়েছে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর ওপর যিনি অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন এবং তার সঙ্গে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে যুক্ত হয়েছেন জোটের শরিক নেতা জোনায়েদ সাকি।

অত্যন্ত সংবেদনশীল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন আহমেদ। এ ছাড়া আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী হিসেবে মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান এবং শিক্ষা মন্ত্রী হিসেবে আ ন ম এহসানুল হক মিলনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে যেখানে শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী হিসেবে থাকছেন ববি হাজ্জাজ।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সাবেক প্রধান উপদেষ্টার জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমানকে এবং এই দপ্তরে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে কাজ করবেন শামা ওবায়েদ ইসলাম। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের ভার পেয়েছেন জহির উদ্দিন স্বপন ও প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী। বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রী হিসেবে খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এবং প্রতিমন্ত্রী হিসেবে মোহাম্মদ শরীফুল আলম নিযুক্ত হয়েছেন।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে অভিজ্ঞ ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু পূর্ণমন্ত্রী এবং অনিন্দ্য ইসলাম অমিত প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী হিসেবে সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল এবং প্রতিমন্ত্রী হিসেবে এম এ মুহিতকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। কৃষি ও মৎস্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন আমিন উর রশিদ এবং প্রতিমন্ত্রী হিসেবে থাকছেন সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।

অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরের মধ্যে পরিবেশ মন্ত্রী হিসেবে আব্দুল আউয়াল মিন্টু, সড়ক ও সেতু মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী হিসেবে হাফিজ উদ্দিন আহমেদ দায়িত্ব পেয়েছেন। সমাজকল্যাণ মন্ত্রী হয়েছেন ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, ধর্মমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ এবং সংস্কৃতি মন্ত্রী হিসেবে নিতাই রায় চৌধুরীকে মনোনীত করা হয়েছে। ভূমি মন্ত্রণালয়ে মিজানুর রহমান মিনু, প্রবাসী কল্যাণে আরিফুল হক চৌধুরী, পানিসম্পদে শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী এবং বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ে আফরোজা খানম রিতা দায়িত্ব পালন করবেন।

এ ছাড়া গৃহায়ণ ও গণপূর্তে জাকারিয়া তাহের সুমন, পার্বত্য চট্টগ্রামে দীপেন দেওয়ান এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রী হিসেবে আসাদুল হাবিব দুলু নিয়োগ পেয়েছেন। জনপ্রশাসন ও যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করবেন যথাক্রমে আব্দুল বারী এবং সাবেক তারকা ফুটবলার আমিনুল

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top2

চুক্তি না হলে আমাদের আবার বোমা ফেলতে হবে: ট্রাম্প

Published

on

By

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনা নিয়ে নতুন করে কঠোর অবস্থানের ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি সতর্ক করে বলেছেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি না হলে যুক্তরাষ্ট্র আবারও বোমা হামলা শুরু করতে পারে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের বরাতে জানা যায়, এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, ইরানের সঙ্গে চলমান দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বুধবার শেষ হচ্ছে। এই সময়ের মধ্যে সমঝোতা না হলে তিনি যুদ্ধবিরতি বাড়ানোর বিষয়ে নিশ্চিত নন।

ট্রাম্প বলেন, ‘হয়তো আমি যুদ্ধবিরতি বাড়াব না, তবে ইরানের বন্দরগুলোতে অবরোধ বজায় থাকবে। তখন পরিস্থিতি এমন হবে যে, দুঃখজনকভাবে আমাদের আবার বোমা ফেলতে হবে।’

বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনা চলছে, যার লক্ষ্য যুদ্ধবিরতি দীর্ঘায়িত করা এবং একটি স্থায়ী সমাধানে পৌঁছানো। তবে সম্প্রতি ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত আলোচনায় কোনো সমঝোতা হয়নি।

হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, একটি চুক্তির সম্ভাবনা নিয়ে প্রশাসন এখনও আশাবাদী।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

Continue Reading

top2

দেশে এপ্রিল-মে মাসের পূর্ণ জ্বালানি সক্ষমতা রয়েছে: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

Published

on

By

দেশে এপ্রিল মে মাসের পূর্ণ জ্বালানি সক্ষমতা রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) চট্টগ্রামে ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী জানান, জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে আমাদের আমদানিকৃত সকল জ্বালানি এসেছে। মার্চ ও এপ্রিলে কিছুটা বিঘ্নিত হলেও এপ্রিল মে মাসের পূর্ণ জ্বালানি সক্ষমতা আছে। বর্তমানে জুন মাসের চাহিদা মাথায় রেখে জ্বালানির পর্যাপ্ত মজুত নিশ্চিত করার চেষ্টা চলছে। জ্বালানি চাহিদা নিরবচ্ছিন্ন রাখতে সরকার ধারাবাহিকভাবে কাজ করছে।

পাশাপাশি তিনি দাবি করেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে বর্তমানে সর্বোচ্চ জ্বালানি মজুত রয়েছে বলে দাবি করে তিনি বলেন, সরকার বিকল্প উৎস থেকে পরিশোধিত ও অপরিশোধিত জ্বালানি আমদানির চেষ্টা করছে।

পরিশোধিত জ্বালানি তেল সরবরাহও বাড়ানো হচ্ছে জানিয়ে তিনি আরও বলেন,ইস্টার্ন রিফাইনারির জন্য মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশ থেকে বিকল্প উৎসে অপরিশোধিত জ্বালানি আমদানির উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

জ্বালানির বর্তমান পরিস্থিতিতে কৃষি ও শিল্প খাতকে প্রাধান্য দিয়ে বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনা করা হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম।

এর আগে গত ১৫ এপ্রিল জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র যুগ্ম সচিব মনির হোসেন চৌধুরী জানিয়েছিলেন, বাংলাদেশে অকটেন এবং পেট্রোলের যে মজুত আছে তাতে আগামী দুই মাসেও কোনো সমস্যা হবে না। দেশে ডিজেল রয়েছে ১ লাখ ১৩ হাজার ৮৫ টন, অকটেন রয়েছে ৩১ হাজার ৮২১ টন। পেট্রোল রয়েছে ১৮ হাজার ২১ টন ও ফার্নেস ওয়েল রয়েছে ৭৭ হাজার ৫৪৬ টন।

মূলত মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর পর দেশে জ্বালানি তেলের চাহিদা বেড়ে গেছে। মানুষ ফিলিং স্টেশনে ভিড় করতে শুরু করে। এ ভিড় প্রতিদিন বাড়ছে। পেট্রলপাম্পের মালিকেরা বলছেন, মূলত অকটেন ও পেট্রলের জন্যই সারা দেশে এমন তেলের লাইন।

Continue Reading

top2

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় মবকে প্রশ্রয় দেওয়া হয়েছে: ডা. জাহেদ

Published

on

By

প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান বলেছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় মব বা গণপিটুনির মতো ঘটনাকে ভীষণভাবে প্রশ্রয় দেওয়া হয়েছে। যার ফলে সমাজে আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার একটি বিপজ্জনক প্রবণতা তৈরি হয়েছে। বর্তমান সরকার এ ধরনের কর্মকাণ্ডে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিতে এগোচ্ছে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কঠোর অবস্থানে রয়েছে।

বুধবার (১৫ এপ্রিল) বাংলাদেশ সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) সম্মেলন কক্ষে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।

ডা. জাহেদ বলেন, কোনো অবস্থাতেই গণপিটুনি বা মব জাস্টিস মেনে নেওয়া হবে না। অপরাধী যত বড়ই হোক না কেন, শাস্তি দেওয়ার ক্ষমতা একমাত্র রাষ্ট্রের কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর নয়। আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার প্রবণতা সমাজে অরাজকতা তৈরি করে এবং এটি সম্পূর্ণরূপে দণ্ডনীয় অপরাধ।

তিনি বলেন, অতীতে কিছু সময়ে এসব কর্মকাণ্ডকে প্রশ্রয় দেওয়ার কারণে সমাজে একটি ভুল প্রবণতা তৈরি হয়েছে। মানুষ মনে করছে, চাইলেই কাউকে শাস্তি দেওয়া যায়। এই সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। কেউ গুরুতর অপরাধের অভিযোগে অভিযুক্ত হলেও তাকে পিটিয়ে মারা তো দূরের কথা, শারীরিকভাবে আঘাত করাও আইনসম্মত নয়।

তিনি আরও বলেন, কোনো কোনো ক্ষেত্রে প্রশাসনিক ব্যর্থতা থাকতে পারে, তবে সেটি দূর করার জন্য সরকার কাজ করছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আরও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা হয়েছে।

সরকার ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিতে বিশ্বাস করে উল্লেখ করে তিনি বলেন, পরিকল্পিত বা সংগঠিত সহিংসতাকে কঠোরভাবে দমন করা হবে। প্রকৃত অপরাধী ধরা পড়লেও তাকে আইনের আওতায় আনা হবে। গণপিটুনির মাধ্যমে নয়। আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার মানসিকতা পরিহার করতে হবে এবং যে কোনো অভিযোগ বা অপরাধের ক্ষেত্রে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর আস্থা রাখতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

Continue Reading

Trending