Connect with us

তথ্য ও প্রযুক্তি

ফোনের পারফরম্যান্স বাড়াতে যা করবেন

Published

on

মোবাইল ফোনে স্টোরেজ পূর্ণ হলে ধীরগতি হয়ে যায়। টেকনিকালি যা করতে পারি:

ফোনের পারফরম্যান্স বাড়াতে ক্যাশ ক্লিয়ার করবেন যেভাবেস্মার্টফোনে জমে থাকা ক্যাশে ডেটা মাঝে মাঝে ফোনকে ধীর করে তোলে।

নিচে ক্যাশ ক্লিয়ার করার সহজ পদ্ধতি দেওয়া হলো-

১. অ্যান্ড্রয়েড ফোনে অ্যাপের ক্যাশ ক্লিয়ার করার নিয়ম: Settings এ যান। Apps বা Applications অপশনে যান। যে অ্যাপটির ক্যাশে ক্লিয়ার করতে চান সেটি নির্বাচন করুন। App Info পেজে Storage অপশনে যান। এখানে আপনি পাবেন। Clear Cache বাটন — ক্লিক করুন। চাইলে Clear Data চাপতে পারেন। তবে এতে অ্যাপের সব সেটিংস মুছে যেতে পারে, সতর্ক থাকুন।

২. ব্রাউজারের ক্যাশে ক্লিয়ার করার নিয়ম (যেমন: Chrome, Firefox): আপনার ফোনে ব্রাউজার ওপেন করুন। উপরে ডান পাশে থাকা ☰ বা ⋮ মেনুতে ট্যাপ করুন। Settings বা History এ যান। নির্বাচন করুন: Clear browsing data. টিক দিন:✅ Cached images and files✅ Cookies and site data, তারপর ট্যাপ করুন ‘Clear data’.

সূত্র: সহজ আইটি

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top3

ফেসবুক অ্যাকাউন্টের লগইন তথ্য চুরির জন্য নতুন ফাঁদ

Published

on

By

ফেসবুক ব্যবহারকারীদের লগইন তথ্য চুরির লক্ষ্যে সাইবার অপরাধীরা নতুন ও সূক্ষ্ম এক ধরনের ফিশিং কৌশল ব্যবহার করছে বলে জানিয়েছে সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান ট্রেলিক্স।

প্রতিষ্ঠানটির দাবি, গত ছয় মাসে ‘ব্রাউজার-ইন-ব্রাউজার’ (বিআইবি) নামে পরিচিত এই কৌশলের ব্যবহার উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে।

ট্রেলিক্সের গবেষকদের তথ্যমতে, এই হামলায় ব্যবহারকারী যখন সাইবার অপরাধীদের নিয়ন্ত্রিত কোনো ওয়েবসাইটে প্রবেশ করেন, তখন স্ক্রিনে ফেসবুকে লগইন করার একটি ভুয়া ব্রাউজার পপআপ উইন্ডো ভেসে ওঠে। বাস্তবে এটি আইফ্রেম ব্যবহার করে তৈরি করা একটি নকল ইন্টারফেস।

ভুয়া ওই লগইন উইন্ডোর শিরোনাম ও ওয়েব ঠিকানা দেখতে ফেসবুকের আসল লগইন পেজের মতো হওয়ায় সাধারণ ব্যবহারকারীদের পক্ষে প্রতারণা শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়ে। ব্যবহারকারী সেখানে ফেসবুকের ইউজারনেম ও পাসওয়ার্ড লিখলেই তা সরাসরি সাইবার অপরাধীদের হাতে চলে যায় বলে সতর্ক করেছে ট্রেলিক্স।

বিপুলসংখ্যক ফিশিং পেজের মাধ্যমেও ফেসবুক অ্যাকাউন্টের লগইন তথ্য চুরি করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সাইবার নিরাপত্তাবিশেষজ্ঞরা। মেটার আদলে তৈরি ভুয়া পেজগুলোতে বেশির ভাগ সময় ফেসবুকের কপিরাইট আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ তোলার পাশাপাশি অ্যাকাউন্ট সাময়িকভাবে স্থগিতের হুমকি দিয়ে ব্যবহারকারীদের তথ্য হালনাগাদ করতে বলা হয়।

এসব হামলা প্রচলিত ফেসবুক ফিশিংয়ের তুলনায় অনেক বেশি জটিল ও বিপজ্জনক। ট্রেলিক্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৈধ ক্লাউড অবকাঠামো এবং ইউআরএল ছোট করার প্রযুক্তির অপব্যবহার করে প্রতারকেরা প্রচলিত নিরাপত্তাব্যবস্থাকে ফাঁকি দিচ্ছে।

সাইবার নিরাপত্তাবিশেষজ্ঞদের তথ্যমতে, নিরাপত্তাসংক্রান্ত কোনো সতর্কবার্তা বা অ্যাকাউন্ট নীতিমালা লঙ্ঘনের নোটিশ পেলে ইমেইল বা বার্তার ভেতরে থাকা লিংকে ক্লিক না করে আলাদা ট্যাব থেকে ফেসবুকের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে। এ ছাড়া অনলাইন অ্যাকাউন্ট সুরক্ষার জন্য মাল্টি ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন–সুবিধা নিয়মিত চালু রাখতে হবে।

সূত্র: ব্লিপিং কম্পিউটার

Continue Reading

top2

পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের কণা ‘গিলে’ নিচ্ছে চাঁদ

Published

on

By

নতুন এক গবেষণায় জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল থেকে ছিটকে যাওয়া কণা কোটি কোটি বছর ধরে মহাশূন্য পেরিয়ে চাঁদের ওপর গিয়ে জমা হচ্ছে। সূর্যের শক্তিশালী কণাপ্রবাহ বা সোলার উইন্ড এই কণাগুলোকে বহন করে নিয়ে যাচ্ছে এবং চাঁদের মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দিচ্ছে।

এই গবেষণা চাঁদ নিয়ে দীর্ঘদিনের একটি রহস্যের নতুন ব্যাখ্যা দিচ্ছে। অ্যাপোলো মিশনের সময় চাঁদ থেকে আনা মাটির নমুনায় পানি, কার্বন ডাইঅক্সাইড, হিলিয়াম ও নাইট্রোজেনের মতো নানা উপাদানের অস্তিত্ব পাওয়া গিয়েছিল। এতদিন বিজ্ঞানীরা মনে করতেন, এসব উপাদানের বড় একটি অংশ সূর্য থেকেই এসেছে।

তবে ২০০৫ সালে টোকিও বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা ধারণা দেন, চাঁদের এসব উপাদানের কিছু অংশ প্রাচীন পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল থেকেও আসতে পারে। তখন পৃথিবীর নিজস্ব চৌম্বক ক্ষেত্র তৈরি হয়নি, ফলে বায়ুমণ্ডলের কণা সহজেই মহাশূন্যে ছড়িয়ে পড়ত। ধারণা ছিল, প্রায় ৩৭০ কোটি বছর আগে পৃথিবীর চৌম্বক ক্ষেত্র তৈরি হওয়ার পর এই প্রবাহ বন্ধ হয়ে যায়।

কিন্তু নতুন গবেষণায় দেখা গেছে, পৃথিবীর চৌম্বক ক্ষেত্র কণার এই যাত্রা থামানোর বদলে বরং তা সহজ করেছে এবং এই প্রক্রিয়া আজও চলছে।

নিউইয়র্কের রচেস্টার বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিদ্যা ও জ্যোতির্বিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক এরিক ব্ল্যাকম্যান বলেন, পৃথিবী দীর্ঘ সময় ধরে অক্সিজেন ও নাইট্রোজেনের মতো গ্যাস চাঁদের মাটিতে সরবরাহ করে আসছে। তার ভাষায়, পৃথিবী ও চাঁদের মধ্যে কেবল শুরুতে নয়, কোটি কোটি বছর ধরেই উপাদান আদান-প্রদান চলছে।

চাঁদের পৃষ্ঠে অক্সিজেন ও হাইড্রোজেনের মতো উপাদানের উপস্থিতি ভবিষ্যতের চন্দ্র অভিযানের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। বিজ্ঞানীদের মতে, ভবিষ্যতে যদি চাঁদে স্থায়ী বসতি গড়ে ওঠে, তবে সেখানকার মানুষকে পৃথিবী থেকে সবকিছু নিয়ে যেতে হবে না। চাঁদের মাটি থেকেই পানি বিশ্লেষণ করে জ্বালানি তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় উপাদান সংগ্রহ করা সম্ভব হতে পারে। নাইট্রোজেন ব্যবহার করে বিকল্প জ্বালানির ধারণাও গবেষণায় আলোচিত হয়েছে।

এই গবেষণার জন্য বিজ্ঞানীরা কম্পিউটার সিমুলেশনের মাধ্যমে দুটি পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করেন। একটি ছিল প্রাচীন পৃথিবী, যেখানে সোলার উইন্ড ছিল শক্তিশালী এবং চৌম্বক ক্ষেত্র ছিল দুর্বল। অন্যটি বর্তমান পৃথিবীর মতো, যেখানে সোলার উইন্ড তুলনামূলক দুর্বল কিন্তু চৌম্বক ক্ষেত্র শক্তিশালী। গবেষণায় দেখা গেছে, আধুনিক পৃথিবীর পরিস্থিতিতেই সবচেয়ে বেশি বায়ুমণ্ডলীয় কণা চাঁদের দিকে যায়।

গবেষকরা অ্যাপোলো ১৪ ও ১৭ মিশনে আনা চাঁদের মাটির নমুনার তথ্যের সঙ্গে তাদের ফলাফল মিলিয়ে দেখেছেন। এতে নিশ্চিত হওয়া গেছে, চাঁদের মাটিতে থাকা কিছু কণা সূর্য থেকে নয়, সরাসরি পৃথিবী থেকেই এসেছে।

পৃথিবীর চৌম্বক ক্ষেত্র তৈরি হয় গ্রহটির তরল বাহ্যিক কেন্দ্রে গলিত লোহা ও নিকেলের চলাচলের ফলে। এই ক্ষেত্র মহাশূন্যে অনেক দূর পর্যন্ত বিস্তৃত হয়ে সূর্যের ক্ষতিকর কণাপ্রবাহ থেকে পৃথিবীকে রক্ষা করে। একই সঙ্গে এটি এক ধরনের লেজের মতো গঠন তৈরি করে, যাকে ম্যাগনেটোটেইল বলা হয়।

পূর্ণিমার সময় চাঁদ কয়েকদিনের জন্য এই ম্যাগনেটোটেইলের ভেতর দিয়ে যায়। তখন পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল থেকে ছিটকে যাওয়া কণা সরাসরি চাঁদের দিকে যাওয়ার সুযোগ পায়। চাঁদের নিজস্ব বায়ুমণ্ডল না থাকায় এসব কণা সেখানে গিয়ে সহজেই মাটির সঙ্গে মিশে যায়।

গবেষকদের মতে, এই প্রক্রিয়া শুধু চাঁদ সম্পর্কে নয়, পৃথিবীর অতীত সম্পর্কেও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেয়। চাঁদের মাটিতে জমে থাকা কণাগুলো পৃথিবীর প্রাচীন বায়ুমণ্ডলের এক ধরনের রাসায়নিক নথি হিসেবে কাজ করতে পারে। পৃথিবীতে জীবনের বিকাশের ইতিহাস বুঝতে এই তথ্য অত্যন্ত মূল্যবান।

জাপানের ওসাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক কেনতারো তেরাদা বলেন, পৃথিবী ও চাঁদ শুধু ভৌতভাবে নয়, রাসায়নিকভাবেও একে অপরকে প্রভাবিত করেছে। তার মতে, এই গবেষণা পৃথিবীর ইতিহাস বোঝার ক্ষেত্রে নতুন দৃষ্টিভঙ্গি যোগ করেছে।

নতুন এই গবেষণা দেখাচ্ছে, পৃথিবী ও চাঁদের সম্পর্ক কেবল মহাজাগতিক দূরত্বের নয়, বরং দীর্ঘ সময়ের এক গভীর উপাদান বিনিময়ের ইতিহাস। পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের কণা আজও চাঁদের মাটিতে গিয়ে জমা হচ্ছে, যা ভবিষ্যতে চাঁদে গবেষণা ও মানব বসতির সম্ভাবনাকে আরও বাস্তবসম্মত করে তুলতে পারে। একই সঙ্গে চাঁদের মাটি হয়ে উঠতে পারে পৃথিবীর প্রাচীন পরিবেশ ও জীবনের বিকাশ বোঝার এক অনন্য দলিল।

সূত্র : CNN

Continue Reading

তথ্য ও প্রযুক্তি

একটি আইএমইআই নম্বরেই ৩ কোটি ৯১ লাখ স্মার্টফোন, নেটওয়ার্ক জুড়ে ভুয়া নাম্বার: ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব

Published

on

By

এনইআইআর চালুর পরে ‘ক্লোন ফোন’ নিয়ে ভয়াবহ তথ্য বেরিয়ে এসেছে। শুধু একটি আইএমইআই নম্বরেই পাওয়া গেছে ৩ কোটি ৯১ লাখ ২২ হাজার ৫৩৪টি স্মার্টফোন।

শুক্রবার এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে অন্তর্বর্তী সরকারের ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব এ তথ্য জানিয়েছেন। প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ওই স্ট্যাটাসে বলেন, নেটওয়ার্কে বর্তমানে লাখ লাখ ভুয়া IMEI নম্বর রয়েছে। যেমন— 1111111111111, 0000000000000, 9999999999999 এবং এ ধরনের অনুরূপ প্যাটার্ন। তবে এই পর্যায়ে আমরা এসব IMEI ব্লক করছি না।

লাখ লাখ নাগরিক এসব নিম্নমানের নকল ফোন ব্যবহার করছেন। এসব ফোনের রেডিয়েশন টেস্ট, Specific Absorption Rate (SAR) Testing-সহ বিভিন্ন ধরনের নিরাপত্তা টেস্ট হয়নি কখনো। চারটি মোবাইল অপারেটরের নেটওয়ার্কে ব্যাপকভাবে সচল—এসব ফোন ছড়িয়ে রয়েছে। জনজীবনে অসুবিধা তৈরি হয়—এমন কোনো পদক্ষেপে সরকার যাবে না। এসব ফোন বন্ধ করা হবে না, গ্রে হিসেবে ট্যাগ করা হবে।বিগত ১০ বছরের মোট সংখ্যা হিসাবে, শুধু একটি আইএমইআই নম্বর 99999999999999-এ পাওয়া গেছে ৩ কোটি ৯১ লাখ ২২ হাজার ৫৩৪টি। বিভিন্ন কম্বিনেশন (Document ID+MSISDN+IMEI)। স্মার্টফোনের পাশাপাশি এ ধরনের IMEI বিভিন্ন IOT ডিভাইসেরও হতে পারে। যদিও অপারেটর মোবাইল ডিভাইস, সিম সংযুক্ত ডিভাইস এবং IOT ডিভাইসের IMEI আলাদা করতে পারে না। যেমন হতে পারে, CCTV বা এ ধরনের ডিভাইস হয়তো একই IMEI নম্বরে আনা হয়েছে। আমরা বৈধভাবে আমদানি করা IOT আমরা আলাদাভাবে ট্যাগের কাজ শুরু করেছি।

শীর্ষ কিছু আইএমইআই নম্বরের একটা তালিকা তৈরি করে দেখা যাচ্ছে, সাড়ে ১৯ লাখ ডিভাইসের আইএমইআই নম্বর হচ্ছে 440015202000; যেগুলো ডুপ্লিকেট হিসেবে আনা হয়েছে। এভাবে— 35227301738634 নম্বর সাড়ে ১৭ লাখ, 35275101952326 নম্বর সোয়া ১৫ লাখ এবং শুধু ১ ডিজিটের শূন্য IMEI নম্বরে আছে ৫ লাখ ৮৬ হাজার ৩৩১টি।আমরা অনুমান করেছি যে ক্লোন ও নকল ফোনের ছড়াছড়ি আছে, তবে বুঝতে পারিনি ভয়াবহতা এতটা গভীর।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ২০২৪ সালের একটি প্রতিবেদন মতে, ৭৩ শতাংশ ডিজিটাল জালিয়াতি ঘটে অনিবন্ধিত ডিভাইসে। বিটিআরসি ও এমএফএস প্রতিষ্ঠানগুলোর যৌথ তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালে e-KYC জালিয়াতির ৮৫ শতাংশ ঘটেছিল অবৈধ ফোন, কিংবা পুনঃ প্রোগ্রাম করা হ্যান্ডসেট ব্যবহার করে। ২০২৩ সালে ১৮ লাখ ফোন চুরির রিপোর্ট হয় (রিপোর্ট হয়নি এমন সংখ্যা আছে আরও কয়েক লাখ), এসব ফোনের অধিকাংশই উদ্ধার করা যায়নি।বাংলাদেশের নাগরিকদের কাছে এভাবে আন-অফিশিয়াল নতুন ফোনের নামে নকল ফোন বিক্রি করা হয়েছে, এমন প্রতারণা অভাবনীয়, নজিরবিহীন। এই চক্রের লাগাম টানা জরুরি।

Continue Reading

Trending