Connect with us

ক্যাম্পাস

ববিতে পলাশকুড়ির অভিষেক ৩.০-এ মঞ্চ মাতালো আবৃত্তি আসর বরিশাল

Published

on

ববি প্রতিনিধি

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ( ববি) সাংস্কৃতিক অঙ্গনে আয়োজিত পলাশকুড়ির অভিষেক ৩.০ অনুষ্ঠানে দর্শকদের মুগ্ধ করেছে আবৃত্তি আসর, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়-এর সমন্বিত পরিবেশনা “নবীন প্রাণে নতুন সুর”। গত ৩ সেপ্টেম্বর গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিল এর উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রাুউন্ড ফ্লোরে পলাশকুড়ি অনুষ্ঠানটি আয়োজিত হয় ।

লাল-সবুজের আবহ, প্রাণবন্ত মঞ্চসজ্জা এবং আবেগঘন উপস্থাপনায় পরিবেশনাটি হয়ে ওঠে অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ। আবৃত্তির সঙ্গে সংগীতের সুনিপুণ সংমিশ্রণ দর্শকদের মধ্যে সৃষ্টি করে ভিন্নমাত্রার অনুভূতি, যা উপস্থিত শ্রোতাদের করতালিতে বারবার প্রতিফলিত হয়।

পরিবেশনায় অংশ নেন রেজওয়ানা ইসলাম, আবু সাঈদ, জোহরা জিমসহ আবৃত্তি আসরের সদস্যরা। তাঁদের কণ্ঠে উচ্চারিত কবিতার পঙ্‌ক্তি ও সম্মিলিত পরিবেশনা নবীনদের উদ্দীপনা, স্বপ্ন এবং মানবিক চেতনার বার্তা তুলে ধরে। পরিবেশনায় সংগীত সহযোগিতায় ছিলেন জারিন তাসনিম।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত শিক্ষার্থীরা জানান, আবৃত্তি ও সংগীতের এমন সমন্বিত পরিবেশনা পুরো মঞ্চকে প্রাণবন্ত করে তোলে এবং পলাশকুড়ির আবহে নতুন মাত্রা যোগ করে।

পলাশকুড়ির অভিষেক ৩.০-এ আবৃত্তি আসরের এই পরিবেশনা প্রমাণ করেছে শব্দ, সুর ও আবেগ একত্রিত হলে একটি মঞ্চ উঠতে পারে অনুভূতির এক অনন্য উৎসব।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top3

ইবিতে দিনব্যাপী কৃষিভিত্তিক ‘ফিউচার হারভেস্ট সামিট’ সেমিনার

Published

on

By

ইবি প্রতিনিধি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) কৃষি গবেষণা, উদ্ভাবন ও টেকসই কৃষিতে শিক্ষার্থীদের সংযোগ স্থাপনে ‘ফিউচার হারভেস্ট সামিট–২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান মিলনায়তনে ‘ইবি আইএএস বাংলাদেশ’ ও ‘ক্বামারুন এগ্রো ফার্ম’–এর যৌথ উদ্যোগে সামিটটি অনুষ্ঠিত হয়।

এতে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গ্লোবাল ইয়ুথ পার্লামেন্টের সার্ক অঞ্চলের ডেপুটি কো-অর্ডিনেটর ইঞ্জিনিয়ার হাসান মাহমুদ, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) মাইক্রোবায়োলজি অ্যান্ড হাইজিন বিভাগের অধ্যাপক ড. মোছা. মিনারা খাতুন, প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির অর্থনীতি বিভাগের প্রধান ড. মো. সামিউল ইসলাম, কাজী কনসালট্যান্টসের অধ্যাপক এস. এম. আরিফুজ্জামান এবং চিত্ত মিডিয়ার প্রতিষ্ঠাতা জুয়েল রানা।

‘গবেষণা ও উদ্ভাবনের সংযোগে টেকসই কৃষির ভবিষ্যৎ’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে অনুষ্ঠিত সামিটে অতিথিরা ইনোভেশন, সাস্টেনিবিলিটি ও নেটওয়ার্কিং–কে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে বক্তব্য দেন।

সামিটে গ্লোবাল ইয়ুথ পার্লামেন্টের সার্ক অঞ্চলের ডেপুটি কো-অর্ডিনেটর ইঞ্জিনিয়ার হাসান মাহমুদ বলেন, তরুণদের শুধু সনাতন কৃষিতে সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না; বিশ্বমানের জলবায়ু পরিবর্তন ও খাদ্য নিরাপত্তার চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রযুক্তিনির্ভর ও টেকসই কৃষিতে নেতৃত্ব দিতে হবে।

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) মাইক্রোবায়োলজি অ্যান্ড হাইজিন বিভাগের অধ্যাপক ড. মোছা. মিনারা খাতুন বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়পর্যায়ের গবেষণাগারের উদ্ভাবনগুলোকে কেবল কাগজের গবেষণায় সীমাবদ্ধ না রেখে সরাসরি প্রান্তিক কৃষকদের হাতে পৌঁছে দেওয়া জরুরি। নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে অণুজীববিজ্ঞানের ব্যবহার এখন সময়ের দাবি।

প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির অর্থনীতি বিভাগের প্রধান ড. মো. সামিউল ইসলাম বলেন, কৃষি খাতকে সচল ও লাভজনক রাখতে হলে অ্যাগ্রো-ইকোনমি ও এগ্রো-বিজনেসকে প্রাধান্য দিতে হবে। নতুন উদ্যোগ ও স্টার্টআপগুলোর জন্য সহজ শর্তে অর্থায়নের সুযোগ তৈরি করা প্রয়োজন।

কাজী কনসালট্যান্টসের অধ্যাপক এস. এম. আরিফুজ্জামান বলেন, দক্ষ তরুণ সমাজই পারে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও আধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয়ে কৃষিখাতের উৎপাদন বহুগুণ বাড়িয়ে দিতে। এর জন্য প্রয়োজন সঠিক গাইডলাইন ও ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া মেলবন্ধন।

চিত্ত মিডিয়ার প্রতিষ্ঠাতা জুয়েল রানা বলেন, কৃষিভিত্তিক উদ্যোগ ও সফল গল্পগুলো মিডিয়ার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছে ইতিবাচকভাবে তুলে ধরতে হবে। প্রচার ও সঠিক বিপণন ব্যবস্থা নতুন উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করবে।

আয়োজকরা বলেন, এই উদ্যেগে শিক্ষার্থীদের থেকে ভালো রেসপন্স পাচ্ছি অনেকেই রেজিস্ট্রেশন করেছে এবং অংশগ্রহণ করেছে। ভবিষ্যতে এধরনের সামিট আরো আয়োজন করার পরিকল্পনা আছে। টেকসই কৃষির ভবিষ্যৎ নির্মাণ, গবেষণাকে মাঠপর্যায়ের উদ্ভাবনে রূপান্তর করে কৃষিভিত্তিক নতুন উদ্যোক্তা তৈরি এবং খাতসংশ্লিষ্টদের মধ্যে কার্যকর নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে এ সামিট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আমরা আশা রাখছি।

Continue Reading

top3

ইবিতে ‘ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও ক্লিন ক্যাম্পাস’ বাস্তবায়নে আলোচনা সভা

Published

on

By

ইবি প্রতিনিধি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্ন ক্যাম্পাস নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ‘ডেঙ্গু প্রতিরোধ এবং ক্লিন ক্যাম্পাস কর্মসূচি-২০২৬’ বাস্তবায়ন বিষয়ে বিশেষ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের কনফারেন্স কক্ষে আলোচনা সভাটি আয়োজন করা হয়। উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমতাজ হোসেনের নেতৃত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. ইদ্রিস আলী, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. আতিকুর রহমান। এসময় সাংবাদিক, সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনা সভায় ক্যাম্পাসে ডেঙ্গুর বিস্তার রোধ, মশার প্রজননস্থল চিহ্নিত ও ধ্বংস করা, ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা পানি ও আবর্জনা অপসারণ এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরিচ্ছন্নতা ও সচেতনতা বৃদ্ধির মতো বিষয়গুলোকে কর্মসূচির গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে তুলে ধরা হয়। এছাড়া পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যকর শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগ, সংগঠন ও সংশ্লিষ্টদের সমন্বিতভাবে কাজ করার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। সভায় উপস্থিত বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্ন ক্যাম্পাস গড়ে তোলার উদ্যোগে সহযোগিতার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। ‘ক্লিন ক্যাম্পাস কর্মসূচি-২০২৬’-এর মাধ্যমে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়কে আরও পরিচ্ছন্ন, স্বাস্থ্যকর ও শিক্ষাবান্ধব ক্যাম্পাস হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে আগামী ২৯ সেপ্টেম্বর কর্মসূচিটি বাস্তবায়ন করবে প্রশাসন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. ইদ্রিস আলী বলেন, আমরা নিজেরা সচেতন হই। এখানে ছাত্র সংগঠনগুলোর দায়িত্বশীলরা আছেন, যেহেতু বিভিন্ন সংগঠনের দায়িত্ব নিয়েছি, যেকোনো বিপর্যয় এক সঙ্গে মোকাবিলা করবো। প্রশাসন সহযোগিতা করতে পারে, বাকিটা নিজেদের ওপর নির্ভর করে।

উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমতাজ হোসেন বলেন, অনেকেই বিভিন্ন ধরনের পরামর্শ দিয়েছেন। তা আমরা পালন করার চেষ্টা করবো। প্রতিটি সংগঠন যেন ভালো কাজের প্রতিযোগিতায় নামুক আমরা সেটাই দেখতে চাই। সকল রাজনৈতিক, সাংবাদিক ও সামাজিক সংগঠনগুলো নিজেদের মতো করে প্রতিযোগিতায় নামলে যেকোনো বিপর্যয় সামাল দেওয়া যায়। শুধু নির্দিষ্ট কোনো দপ্তরে গিয়ে বা ব্যানার ধরে সচেতন করলে হবে না। নিজ থেকে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। সংগঠনগুলো যদি নির্দিষ্ট জায়গা ভাগ করে নিয়ে পরিচ্ছন্ন রাখে তাহলে ক্যাম্পাস পরিবর্তন হবে। পাশাপাশি প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রতিটি সংগঠনকে ১৫ টা করে ঝুড়ি দিয়ে দিব। তাদের মতো করে গোছাবে

Continue Reading

ক্যাম্পাস

ইবি জমিয়তে তালাবায়ে আরাবিয়ার ‘তালিম ও তারবিয়াত’ অনুষ্ঠিত

Published

on

By

ইবি প্রতিনিধি

বাংলাদেশ জমিয়তে তালাবায়ে আরাবিয়া, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখার উদ্যোগে ‘তালিম ও তারবিয়াত ২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) কুষ্টিয়া শহরের শহীদ আব্দুস সোবহান মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানের শাখা সভাপতি এস এম শামীমের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আরিফের সঞ্চালনায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইবি তালাবার সাবেক সভাপতি মাওলানা সাইফুল ইসলাম সায়েম, সাবেক সভাপতি আবু তহা মোহাম্মদ নূরুল্লাহ, সাবেক জয়েন্ট সেক্রেটারি মাওলানা মোর্শেদ খান, সাবেক সভাপতি মো. আনোয়ার হোসেন, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মো. শফিকুল ইসলাম, সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাতুল্লাহ শেখসহ সংগঠনটির সাবেক ও বর্তমান দায়িত্বশীলরা।

অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্যে শাখা সভাপতি এস এম শামীম। এসময় তিনি বলেন “ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়কে তার মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যে ফিরে যেতেই হবে। এ বিশ্ববিদ্যালয় ছিল বাংলাদেশ জমিয়তে তালাবায়ে আরাবিয়ার দীর্ঘদিনের স্বপ্ন। সেই স্বপ্ন ও আন্দোলনকে বাস্তব রূপ দিয়ে প্রতিষ্ঠা করেছেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। প্রতিষ্ঠাকালীন লক্ষ্য ছিল ইসলামী শিক্ষা ও সাধারণ শিক্ষার সমন্বয়ে একটি আদর্শ উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা। যেখানে আধুনিক জ্ঞান-বিজ্ঞানের পাশাপাশি ইসলামী মূল্যবোধ ও নৈতিকতার চর্চা থাকবে।”

তিনি আরও বলেন, “দুঃখজনকভাবে বর্তমানে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও পরিবেশ নিয়ে নানা প্রশ্ন ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। আমরা চাই, বিশ্ববিদ্যালয় তার প্রতিষ্ঠার মূল দর্শন ও উদ্দেশ্যের দিকে ফিরে যাক। কোনোভাবেই এই বিশ্ববিদ্যালয়কে তার মূল লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত হয়ে ভিন্ন কোনো ধারায় প্রবাহিত হতে দেওয়া হবে না।”

Continue Reading

Trending