Connect with us

আন্তর্জাতিক

বাংলাদেশের পাঁচ শিক্ষার্থীর গণিতে বিশ্বসেরা অর্জন

Published

on

কেমব্রিজ পাঠ্যক্রম-ভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল জেনারেল সার্টিফিকেট অব সেকেন্ডারি এডুকেশন (আইজিসিএসই) পরীক্ষায় এ বছর গণিতে শতভাগ নম্বর অর্জন করে বিশ্বসেরা হয়েছেন পাঁচ বাংলাদেশী শিক্ষার্থী। তাঁরা পাঁচ জনই উত্তরার গ্লেনরিচ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের শিক্ষার্থী।

স্কুলটির ইতিহাসে এই প্রথমবার গণিতে সর্বোচ্চ সংখ্যক শিক্ষার্থী বিশ্বসেরা হয়েছেন। গণিতে শতভাগ নম্বরপ্রাপ্ত এই পাঁচ শিক্ষার্থী হলেন: মো. ফাইয়াজ সিদ্দিকী, অহনা সাহা, মোহাম্মদ মোহায়মিন উদ্দিন নাইব, বুশরা রুবানা আফরোজ এবং সম্বৃত অম্বর। এদের মধ্যে ফাইয়াজ এবং অহনা যথাক্রমে ৯৬ শতাংশ ও ৯৫.৬ শতাংশ মোট নম্বর পেয়ে স্কুল টপার হয়েছেন। এছাড়াও, অহনা সম্মানজনক “ক্যামব্রিজ আইসিই অ্যাওয়ার্ড উইথ ডিস্টিংশন” অর্জন করেছেন।

এই অর্জন ছাড়াও এ বছর এই ব্যাচের সামগ্রিক ফলাফলও ছিল অত্যন্ত প্রশংসনীয়। গ্লেনরিচ উত্তরা থেকে আইজিসিএসই পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী দুশ’ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ৪১ জন শিক্ষার্থী ৯০ শতাংশ বা তারও বেশি নম্বর পেয়েছেন এবং প্রায় অর্ধেক শিক্ষার্থী; অর্থাৎ ৯৯ জন, ৮০ শতাংশ বা তার বেশি নম্বর পেয়েছেন। স্কুলটির সামগ্রিক গড় ফলাফল ৮০.৩ শতাংশ। গ্লেনরিচ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল বাংলাদেশের শীর্ষ আন্তর্জাতিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর একটি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তাদের এই ধারাবাহিকতা শুধু পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতির ফলাফল নয়, বরং প্রতিষ্ঠানটির অ্যাকাডেমিক ভিত্তি যে অত্যন্ত মজবুত এবং শিক্ষা ক্ষেত্রে তারা কতটা দূরদর্শী; তারই প্রমাণ।

গ্লেনরিচ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল, উত্তরার অধ্যক্ষ অম্লান কে. সাহা বলেন, “এই ফলাফলকে কেবল নম্বরের সংখ্যা দিয়ে বিচার করা যাবে না; এটি আমাদের মানসম্পন্ন শিক্ষাব্যবস্থার সাফল্যের প্রতিফলন। আমরা এই সাফল্য উদযাপনের পাশাপাশি ভবিষ্যতেও অ্যাকাডেমিক উৎকর্ষ ধরে রাখার এবং শিক্ষার্থীদের শেখার সর্বোত্তম পরিবেশ ও উপকরণ নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় সকল সহযোগিতা দেয়ার অঙ্গীকার পুনরায় ব্যক্ত করছি।”

বর্তমান সময়ে এসটিইএম-ভিত্তিক (সায়েন্স, টেকনোলজি, ইঞ্জিনিয়ারিং এবং ম্যাথম্যাটিকস) শিক্ষার চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে। গ্লেনরিচ তাদের পাঠ্যক্রমে রোবোটিকস, কোডিং এবং প্রকল্পভিত্তিক শিক্ষার সংযোজন করেছে।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top2

সৌদি আরবকে ৪৮টি এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান বিক্রির প্রস্তাব যুক্তরাষ্ট্রের

Published

on

By

ডিজিটাল ডেস্ক

সৌদি আরবের কাছে প্রায় ২৪ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার মূল্যে ৪৮টি এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান বিক্রির অনুমোদনের জন্য মার্কিন কংগ্রেসের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর এ তথ্য জানিয়েছে। তবে চুক্তিটি কার্যকর করতে কংগ্রেসের চূড়ান্ত অনুমোদন প্রয়োজন।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ভাষ্য, প্রস্তাবিত এই বিক্রি উপসাগরীয় অঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ নন-ন্যাটো মিত্রের নিরাপত্তা জোরদার করবে। এর মাধ্যমে অঞ্চলটির রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে সহায়তা করার পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতি ও জাতীয় নিরাপত্তার লক্ষ্যও এগিয়ে যাবে বলে দাবি করেছে ওয়াশিংটন।

এফ-৩৫-এর মতো অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান সৌদি আরবকে দেওয়া হলেও এতে মধ্যপ্রাচ্যের সামরিক ভারসাম্য নষ্ট হবে না বলে জানিয়েছে মার্কিন প্রশাসন।

এদিকে এই চুক্তির খবর এমন সময়ে সামনে এলো, যখন ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা মারিব শহরের আকাশে সৌদি আরবের একটি এফ-১৫ যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার দাবি করেছে। হুথিদের দাবি, স্থানীয়ভাবে তৈরি ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে বিমানটি ভূপাতিত করা হয়। এ ঘটনার ভিডিও প্রকাশের কথাও জানিয়েছে তারা। বৃহস্পতিবারের সংঘর্ষে পাঁচজন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

যুক্তরাষ্ট্র অবশ্য দীর্ঘদিন ধরে বলে আসছে, ইরান-সমর্থিত হুথি, সৌদি আরব এবং সৌদি-সমর্থিত ইয়েমেন সরকারের মধ্যকার সংঘাতে তারা সরাসরি হস্তক্ষেপ করবে না।

তবে প্রস্তাবিত এফ-৩৫ চুক্তি নিয়ে কয়েকজন মার্কিন আইনপ্রণেতা উদ্বেগ জানিয়েছেন। তাদের আশঙ্কা, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক প্রযুক্তি ও সক্ষমতা-সংক্রান্ত তথ্য চীনের কাছে চলে যেতে পারে। ডেমোক্র্যাট প্রতিনিধি রাজা কৃষ্ণমূর্তি বলেন, মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো প্রযুক্তি চুরির বিষয়ে সতর্ক করে আসছে, তাই এমন পরিস্থিতিতে চুক্তিটি নিয়ে সতর্ক হওয়া প্রয়োজন।

উল্লেখ্য, সৌদি আরব গত মাসে পাকিস্তান ও তুরস্কের সঙ্গে ‘মক্কা চুক্তি’ নামে একটি যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি করেছে। এর মাধ্যমে ওয়াশিংটনের ওপর নির্ভরতা কমানোর লক্ষ্য রয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যে বর্তমানে ইসরায়েলই একমাত্র দেশ, যারা এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান ব্যবহার করছে। সৌদি আরবকে এই যুদ্ধবিমান বিক্রির বিষয়েও ইসরায়েল উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছে। এর আগে রাশিয়ার কাছ থেকে ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা কেনার পর ২০১৯ সালে তুরস্ককে এফ-৩৫ কর্মসূচি থেকে বাদ দেওয়া হয়েছিল।

সূত্র: আল জাজিরা

Continue Reading

top1

ইরানের বিরুদ্ধে বড় সিদ্ধান্তের ইঙ্গিত ট্রাম্পের

Published

on

By

ডিজিটাল ডেস্ক

ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ নিয়ে বড় ধরনের সিদ্ধান্তের মুখে রয়েছেন বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) অ্যাক্সিওসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন।

ভবিষ্যৎ সামরিক পদক্ষেপের বিষয়ে ইঙ্গিত দিয়ে ট্রাম্প বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে আরও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে কি না, সে বিষয়ে তার সামনে একটি বড় সিদ্ধান্ত রয়েছে।

নিজের কৌশল সম্পর্কে অনিশ্চয়তার কথাও জানান মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেন, পরিস্থিতি অনুযায়ী যেকোনো কিছু ঘটতে পারে এবং সিদ্ধান্তটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তবে একই সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প জানান, ইরান এখনো যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করছে। তার দাবি, তেহরান একটি সমঝোতা বা চুক্তিতে পৌঁছাতে আগ্রহী।

ট্রাম্পের এসব বক্তব্যের মাধ্যমে ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

Continue Reading

top1

চীন-পাকিস্তানের যৌথ সীমান্ত কমিশন চালু, আপত্তি ভারতের

Published

on

By

অনলাইন ডেস্ক

চীন ও পাকিস্তান তাদের অভিন্ন সীমান্ত ব্যবস্থাপনার জন্য দীর্ঘদিন ধরে পরিকল্পিত যৌথ সীমান্ত কমিশন চালু করেছে। বুধবার ইসলামাবাদে কমিশনের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। তবে এই উদ্যোগের বিরোধিতা করেছে ভারত।

পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, যৌথ জরিপ, বাণিজ্যিক চলাচল এবং দুই দেশের জনগণের যোগাযোগ বাড়ানোর লক্ষ্যে কমিশনটি গঠন করা হয়েছে। উদ্বোধনী বৈঠকে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সীমান্ত ও সমুদ্রবিষয়ক বিভাগের উপমহাপরিচালক লি ইয়া এবং পাকিস্তানের পররাষ্ট্র দপ্তরের চীনবিষয়ক মহাপরিচালক বিলাল মাহমুদ চৌধুরী যৌথভাবে সভাপতিত্ব করেন।

পাকিস্তানের পররাষ্ট্র দপ্তর কমিশন চালুকে দুই দেশের সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে উল্লেখ করেছে। তাদের ভাষ্য, নতুন এই কাঠামোর মাধ্যমে সীমান্ত ব্যবস্থাপনা ও যৌথ জরিপের পাশাপাশি বাণিজ্য এবং জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধিতে সহযোগিতা আরও জোরদার হবে।

২০১৩ সালে স্বাক্ষরিত সীমান্ত ব্যবস্থাপনা-সংক্রান্ত চুক্তির ভিত্তিতে কমিশনটি গঠন করা হয়েছে। ওই চুক্তির ৪৫ নম্বর অনুচ্ছেদে সীমান্ত ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন ব্যবস্থা বাস্তবায়ন তদারকিতে একটি যৌথ কমিশন গঠনের বিধান রাখা হয়েছিল।

নতুন কমিশনের আওতায় সীমান্ত রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিদর্শন, যৌথ জরিপ, সীমান্তচিহ্ন-সংক্রান্ত সমস্যা এবং সীমান্ত পারাপারের অবকাঠামো ব্যবস্থাপনায় দুই দেশের সমন্বয়ের সুযোগ থাকবে। সীমান্তে বিভিন্ন ঘটনা মোকাবিলা এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে নিয়মিত যোগাযোগের ক্ষেত্রেও কমিশনটি কাজ করবে।

চীন-পাকিস্তান বাণিজ্য ও যোগাযোগের গুরুত্বপূর্ণ খুনজেরাব সীমান্ত এবং চীন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডোরের (সিপিইসি) সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমও এই সহযোগিতার আওতায় রয়েছে। তবে এটি ১৯৬৩ সালের চীন-পাকিস্তান সীমান্ত চুক্তির আওতায় গঠিত তৎকালীন যৌথ সীমান্ত নির্ধারণ কমিশন থেকে পৃথক।

কমিশন চালুর পর ভারত এর বিরোধিতা করেছে। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, নয়াদিল্লির অবস্থান এ বিষয়ে ‘স্পষ্ট ও ধারাবাহিক’। তার দাবি, পাকিস্তান ও চীনের মধ্যে এমন কোনো সীমান্ত নেই এবং তথাকথিত যৌথ কমিশনের কোনো আইনি ভিত্তি নেই। তাই ভারত কমিশনটি প্রত্যাখ্যান করছে।

ভারত ১৯৬৩ সালের চীন-পাকিস্তান সীমান্ত চুক্তির বৈধতাও স্বীকার করে না। নয়াদিল্লির দাবি, ওই চুক্তির আওতাভুক্ত কিছু অঞ্চল জম্মু ও কাশ্মীর ও লাদাখের অংশ। একই সঙ্গে সিপিইসির একটি অংশ বিতর্কিত অঞ্চলের মধ্য দিয়ে গেছে বলেও ভারত আপত্তি জানিয়ে আসছে।

জয়সওয়াল বলেন, জম্মু ও কাশ্মীর এবং লাদাখ ভারতের অবিচ্ছেদ্য ও অবিভাজ্য অংশ। ভারতের ভূখণ্ড নিয়ে পাকিস্তান বা অন্য কোনো দেশের পদক্ষেপ নেওয়ার অধিকার নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

ভারতের অবস্থান অনুযায়ী, ১৯৬৩ সালের সীমান্ত চুক্তি তারা কখনো স্বীকৃতি দেয়নি এবং এটিকে অবৈধ ও অকার্যকর বলে মনে করে। দখলকৃত অঞ্চলের অবস্থান পরিবর্তন কিংবা ওই নিয়ন্ত্রণকে বৈধতা দেওয়ার যেকোনো প্রচেষ্টারও বিরোধিতা করবে বলে জানিয়েছে নয়াদিল্লি।

Continue Reading

Trending