Connect with us

আন্তর্জাতিক

বিক্ষোভকারীদের ‘আল্লাহর শত্রু’ ঘোষণা ইরানের, মৃত্যুদণ্ডের হুঁশিয়ারি

Published

on

টানা দুই সপ্তাহের ব্যাপক বিক্ষোভের মধ্যে ইরানের অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ মোভাহেদি আজাদ সতর্ক করে বলেছেন, যারা বিক্ষোভে অংশ নেবেন, তাদের ‘আল্লাহর শত্রু’ হিসেবে গণ্য করা হবে। ইরানের আইনে এ অভিযোগের শাস্তি মৃত্যুদণ্ড।ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত এক বিবৃতিতে বলা হয়, এমনকি যারা ‘দাঙ্গাকারীদের সহায়তা করেছেন’, তারাও একই অভিযোগের মুখোমুখি হবেন।

ইরানের দণ্ডবিধির ১৮৬ নম্বর অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, কোনো গোষ্ঠী বা সংগঠন যদি ইসলামী প্রজাতন্ত্রের বিরুদ্ধে সশস্ত্র বিদ্রোহে জড়ায়, তাহলে যারা জেনে-বুঝে সেই গোষ্ঠীর উদ্দেশ্যে সহায়তা করে, তারাও ‘মোহারেব’ বা ‘আল্লাহর শত্রু’ হিসেবে বিবেচিত হতে পারেন—এমনকি তারা নিজেরা সরাসরি সশস্ত্র কর্মকাণ্ডে অংশ না নিলেও।দণ্ডবিধির ১৯০ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ‘মোহারেব’-এর শাস্তি অত্যন্ত কঠোর। এর মধ্যে রয়েছে মৃত্যুদণ্ড, ফাঁসি, ডান হাত ও বাঁ পা কেটে ফেলা অথবা স্থায়ীভাবে দেশের অভ্যন্তরে নির্বাসন।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

নেতানিয়াহু কি বেঁচে আছেন? ভিডিও ঘিরে বাড়ছে রহস্য

Published

on

By

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু কি বেঁচে আছেন—এই প্রশ্ন এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তুঙ্গে। সম্প্রতি তাঁর বেশ কিছু ভিডিও নিয়ে ‘ভুয়া’ বা কৃত্রিমভাবে তৈরি হওয়ার অভিযোগ ওঠায় সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি চরম আকার ধারণ করেছে। নির্ভরযোগ্য কোনো প্রমাণ না থাকলেও জনসমক্ষে দীর্ঘ অনুপস্থিতি এই সন্দেহকে আরও জোরালো করছে।

ভিডিওতে ‘ডিপফেক’ প্রযুক্তির সন্দেহ

সম্প্রতি ছড়িয়ে পড়া কিছু ভিডিওর কারিগরি মান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন নেটিজেনরা। একটি ভিডিওতে নেতানিয়াহুর হাতে ছয়টি আঙুল দেখা গেছে বলে দাবি করা হয়েছে। অন্য একটি ভিডিওতে তাঁর হাতের আংটি বারবার অদৃশ্য হয়ে যাওয়ার বিষয়টিও অনেকের নজরে এসেছে। সমালোচকদের মতে, এগুলো ‘ডিপফেক’ বা এআই প্রযুক্তির ব্যবহারের স্পষ্ট ইঙ্গিত।

গত রোববার নেতানিয়াহুর ভেরিফায়েড অ্যাকাউন্ট থেকে একটি ভিডিও পোস্ট করা হয়, যেখানে তাঁকে কফির কাপ হাতে দেখা যায়। তবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ভিত্তিক টুল ‘গ্রক’ (Grok) ওই ভিডিওটিকে কৃত্রিম বলে চিহ্নিত করেছে বলে বিভিন্ন মহলে দাবি উঠেছে।

পরিবারের অস্বাভাবিক নীরবতা

সন্দেহ আরও বেড়েছে নেতানিয়াহুর ছেলের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কর্মকাণ্ড নিয়ে। আগে নিয়মিত পোস্ট করলেও গত ৯ মার্চের পর থেকে তাঁর অ্যাকাউন্টে কোনো নতুন কার্যক্রম দেখা যায়নি। যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রীর পরিবারের এই অস্বাভাবিক নীরবতা নেটিজেনদের মনে নানা প্রশ্নের জন্ম দিচ্ছে।

সত্যতা নিয়ে ধোঁয়াশা

এখন পর্যন্ত ইসরায়েল সরকার কিংবা কোনো আন্তর্জাতিক নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে নেতানিয়াহুর মৃত্যু বা গুরুতর অসুস্থতার বিষয়ে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। অনেক বিশ্লেষকের মতে, নিরাপত্তাজনিত কারণে বা গুরুতর অসুস্থতার ফলে তিনি হয়তো বর্তমানে আড়ালে রয়েছেন। তবে সরকারি কোনো স্পষ্ট বার্তা না আসায় এই রহস্যজনক পরিস্থিতি কাটছে না।

Continue Reading

top1

কাবুলের হাসপাতালে পাকিস্তানের বিমান হামলায় নিহত ৪০০: দাবি আফগানিস্তানের

Published

on

By

আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলের একটি মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে বিমান হামলা চালিয়েছে পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী। তালেবান নিয়ন্ত্রিত আফগান সরকারের দাবি, সোমবার সন্ধ্যায় চালানো এই হামলায় অন্তত ৪০০ জন নিহত হয়েছেন। তবে পাকিস্তান এই অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছে, তারা কেবল সামরিক স্থাপনায় সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এ খবর জানিয়েছে।

আফগানিস্তানের তালেবান সরকারের উপ-মুখপাত্র হামদুল্লাহ ফিতরাত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ জানান, সোমবার স্থানীয় সময় রাত ৯টার দিকে কাবুলের ওমর অ্যাডিকশন ট্রিটমেন্ট হসপিটালে এই হামলা হয়। ২ হাজার শয্যাবিশিষ্ট এই হাসপাতালের বড় একটি অংশ ধ্বংস হয়ে গেছে।

হামদুল্লাহ ফিতরাত বলেন, দুর্ভাগ্যবশত এখন পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা ৪০০-এ পৌঁছেছে এবং অন্তত ২৫০ জন আহত হয়েছেন। উদ্ধারকারী দলগুলো বর্তমানে ঘটনাস্থলে আগুন নিয়ন্ত্রণ এবং ধ্বংসস্তূপ থেকে মরদেহ উদ্ধারের কাজ করছে।

স্থানীয় টেলিভিশন চ্যানেলগুলোতে প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা গেছে, ধ্বংসস্তূপের মধ্যে ছড়িয়ে পড়া আগুন নেভাতে দমকল কর্মীরা আপ্রাণ চেষ্টা করছেন। হাসপাতালের নিরাপত্তা রক্ষী ওমিদ স্টানিকজাই ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানান, হামলার আগে তিনি আকাশে যুদ্ধবিমানের টহল শুনেছিলেন। তিনি বলেন, আশেপাশে সামরিক ইউনিট ছিল। তারা বিমান লক্ষ্য করে গুলি চালালে পাল্টা বোমা নিক্ষেপ করা হয়। এতেই আগুনের সূত্রপাত। নিহত ও আহতদের সবাই সাধারণ নাগরিক।

আফগান সরকারের আরেক মুখপাত্র জবিউল্লাহ মুজাহিদ এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে একে ‘মানবতাবিরোধী অপরাধ’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেন, পাকিস্তান আবারও আফগানিস্তানের আকাশসীমা লঙ্ঘন করে এই হামলা চালিয়েছে।

অন্যদিকে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের মুখপাত্র মোশাররফ জাইদি এই অভিযোগকে ‘ভিত্তিহীন’ বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। পাকিস্তানের তথ্য মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তাদের হামলা ছিল সুনির্দিষ্ট এবং তা কেবল সামরিক স্থাপনা ও সন্ত্রাসী অবকাঠামো লক্ষ্য করে চালানো হয়েছে। পাকিস্তানের দাবি, ওই স্থাপনাগুলো পাকিস্তানি বেসামরিক নাগরিকদের বিরুদ্ধে ব্যবহৃত হচ্ছিল এবং অভিযানে কোনও বেসামরিক ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।

পাকিস্তান দীর্ঘ দিন ধরে অভিযোগ করে আসছে যে, আফগান তালেবানরা পাকিস্তানি তালেবান (টিটিপি) ও বেলুচ বিচ্ছিন্নতাবাদীদের আশ্রয় দিচ্ছে। তবে কাবুল বরাবরই এই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।

দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে চলমান এই সংঘাত গত কয়েক বছরের মধ্যে ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। গত তিন সপ্তাহ ধরে সীমান্তে পাল্টাপাল্টি গোলাবর্ষণ চলছে। সোমবারই সীমান্তে সংঘর্ষে দুই শিশুসহ চার আফগান নাগরিক নিহত হন। গত মাসে পাকিস্তান বিমান হামলা শুরু করলে এর জবাবে আফগানিস্তানও পাল্টা আক্রমণ চালায়।

Continue Reading

top1

ইরানের পাল্টা জবাবে ১৩ মার্কিন সেনা নিহত, আহত ২০০

Published

on

By

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শুরুর পর এখন পর্যন্ত ১৩ জন মার্কিন সেনা নিহতের খবর পাওয়া গেছে। এ সময় আহত হয়েছেন আরও অন্তত ২০০ জন, যাদের মধ্যে ১০ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

স্থানীয় সময় সোমবার (১৬ মার্চ) মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের মুখপাত্র ক্যাপ্টেন টিম হকিন্স আনুষ্ঠানিকভাবে এই হতাহতের তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আহতদের শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে হকিন্স জানান, আক্রান্তদের মধ্যে ১৮০ জন সেনাসদস্য চিকিৎসা শেষে ইতিমধ্যে নিজ নিজ দায়িত্বে ফিরে এসেছেন। জখম হওয়া সেনাদের শরীরে অগ্নিদগ্ধ হওয়া, বিস্ফোরণের টুকরোর আঘাত এবং আঘাতজনিত মস্তিষ্কের ক্ষতির মতো সমস্যা পরিলক্ষিত হয়েছে। মূলত মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে বিভিন্ন ফ্রন্টে আক্রান্ত হয়ে তারা হতাহত হন।

মার্কিন সামরিক কর্মকর্তাদের মতে, এই হতাহতের প্রধান কারণ ইরানের ‘একমুখী’ ড্রোন হামলা। গত সপ্তাহে মার্কিন বাহিনীর জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন জানিয়েছিলেন, সাম্প্রতিক সময়ে বেশিরভাগ সেনার ক্ষয়ক্ষতি ও প্রাণহানির জন্য এই ধরনের ড্রোন দায়ী। ড্রোনের নির্ভুল আঘাত ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা মার্কিন শিবিরের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যৌথ সামরিক অভিযান শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এর জবাবে ইরানও ইসরায়েল এবং যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র হিসেবে পরিচিত কয়েকটি উপসাগরীয় দেশে পাল্টা হামলা অব্যাহত রেখেছে। দুই পক্ষের এই পাল্টাপাল্টি অবস্থানে পুরো মধ্যপ্রাচ্য বর্তমানে এক ভয়াবহ যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।

উভয় পক্ষের এই সরাসরি সংঘাতে আন্তর্জাতিক মহলে চরম উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার এই লড়াই আঞ্চলিক স্থিতিশীলতাকে বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে ফেলেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

Continue Reading

Trending