Connect with us

ধর্ম

বৃহস্পতিবার পবিত্র ঈদুল আজহা

Published

on

বৃহস্পতিবার দেশে মুসলমানদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল আজহা বা কোরবানির ঈদ। জিলহজ মাসের চাঁদ দেখার পরিপ্রেক্ষিতে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এই দিন নির্ধারণ করা হয়েছে। ঈদ উপলক্ষে এবার ২৫ থেকে ৩১ মে পর্যন্ত সাত দিনের সরকারি ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। গতকাল শুরু হয়েছে এ ছুটি। গতকাল অফিস শেষ করেই ঈদের ছুটিতে গ্রামের বাড়ির উদ্দেশে রওনা হয়েছেন লাখো চাকরিজীবী।

ঈদযাত্রা যেন সাধারণ মানুষের জন্য নির্বিঘ্ন ও স্বস্তিদায়ক হয়, সেজন্য আগেভাগেই ছুটির বিষয়টি ঢেলে সাজিয়েছে সরকার। পূর্ব নির্ধারিত ছুটির সঙ্গে মন্ত্রিসভার বিশেষ সিদ্ধান্তে আরও এক দিন যুক্ত করায় এবার মোট সাত দিনের লম্বা ছুটি পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ২৫ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত দেশের সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। ঈদের মূল ছুটির সঙ্গে আগের ও পরের নির্বাহী আদেশের ছুটি মিলিয়ে এই দীর্ঘ ছুটির তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে। ঈদযাত্রা সহজ করতে গত ৭ মে মন্ত্রিসভার বৈঠকে ২৫ মে সাধারণ ছুটি ঘোষণা এবং ২৩ ও ২৪ মে অফিস খোলা রাখার প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়।

ছুটিতে দেশের সব হাসপাতাল ও জরুরি সেবা কার্যক্রম চালু থাকবে। প্রজ্ঞাপনে স্পষ্ট করা হয়েছে, হাসপাতাল, চিকিৎসাসেবা, ফায়ার সার্ভিস, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস, ইন্টারনেট ও ডাক সেবার মতো জরুরি বিষয়গুলো ছুটির আওতামুক্ত থাকবে। একই সঙ্গে জরুরি সেবা সংশ্লিষ্ট যানবাহন ও কর্মীরা ছুটির দিনগুলোতেও নিয়মিত দায়িত্ব পালন করবেন।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

যুদ্ধের শঙ্কার মধ্যেই পালিত হচ্ছে পবিত্র হজ, বেড়েছে উপস্থিতি

Published

on

By

সৌদি আরবে শুরু হয়েছে মুসলিম উম্মাহর সবচেয়ে বড় ধর্মীয় সমাবেশ হজ। তবে এবারের হজ অনুষ্ঠিত হচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ ও উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যেই। বিশেষ করে ইরানকে ঘিরে সাম্প্রতিক সংঘাত এখন পুরো অঞ্চলের উদ্বেগের বিষয়।

সৌদি কর্তৃপক্ষের বরাতে বিবিসি জানিয়েছে, এ পর্যন্ত বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে প্রায় ১৫ লাখ ১০ হাজার হাজি সৌদি আরবে পৌঁছেছেন। যা গত বছরের তুলনায় প্রায় ১১ হাজার বেশি। যদিও সাম্প্রতিক মাসগুলোতে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে চলমান সংঘাত এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ ছিল। কিন্তু সেই উদ্বেগ হাজিদের সংখ্যায় প্রভাব ফেলেনি।

গত মাসে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার আগে সৌদি আরব ও উপসাগরীয় কয়েকটি দেশে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায় ইরান। এসব হামলায় সৌদি আরবের আল-খারজ শহরে দুই বেসামরিক নাগরিক এবং একটি মার্কিন বিমানঘাঁটির এক সেনাসদস্য নিহত হন। আশঙ্কা করা হচ্ছিলো, সেই হামলার প্রভাব পড়তে পারে এবারের হজে।

এদিকে হজকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা জোরদার করেছে সৌদি সরকার। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, পবিত্র নগরী মক্কার আকাশসীমা রক্ষায় বিশেষ বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন করা হয়েছে। সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত এক ভিডিওতে মক্কার আশপাশে বিমান প্রতিরক্ষা ব্যাটারি স্থাপনের দৃশ্যও দেখা গেছে।

যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অনেক হাজি। মিসরের হাজি মোহাম্মদ শাহাদা বিবিসিকে বলেন, “ইরানের যুদ্ধ পুরো বিশ্বকে প্রভাবিত করেছে। কেউ যুদ্ধ বা মানুষের ক্ষতি চায় না”।

অনেক মুসল্লি জানান, কয়েক মাসের অনিশ্চয়তা, বিমান চলাচলে বিঘ্ন এবং অতিরিক্ত ভ্রমণ ব্যয়ের পরও তারা হজ পালনের সুযোগ পেয়ে আনন্দিত। মরক্কোর ৬৮ বছর বয়সী জ্রেইশ মোহাম্মদ বলেন, “দীর্ঘ ৪০-৫০ বছর ধরে হজ করার স্বপ্ন দেখেছি। এ বছর সেই স্বপ্ন পূরণ হয়েছে”।

ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের অন্যতম হজ। সামর্থ্যবান ও শারীরিকভাবে সক্ষম প্রত্যেক মুসলমানের জন্য জীবনে অন্তত একবার হজ পালন ফরজ।

হজের প্রথম দিনেই হাজিদের ৪৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার মধ্যে পবিত্র কাবা শরিফ তাওয়াফ করতে হয়েছে। পরে তারা মিনায় গিয়ে অবস্থান নেন। সেখান থেকে আজ তারা আরাফাতের ময়দানের উদ্দেশ্যে রওনা হবেন। ইসলামী বিশ্বাস অনুযায়ী, এখানেই মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) তাঁর বিদায় হজের ঐতিহাসিক ভাষণ প্রদান করেছিলেন।

আরাফাতের ময়দানে অবস্থিত মসজিদে নামিরা থেকে আজ হজের মূল খুতবা পাঠ করা হবে। এ বছর খুতবা দেবেন মসজিদুল হারামের সম্মানিত ইমাম ও খতিব শায়খ আলি আল হুদাইফি। বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর সুবিধার্থে এই খুতবা বাংলাসহ বিশ্বের ৩৫টি ভাষায় সরাসরি অনুবাদ করে সম্প্রচার করা হচ্ছে।

খুতবা শেষে এক আজান ও দুই ইকামতে জোহর এবং আসরের নামাজ একসঙ্গে জামাতে আদায় করবেন মুসল্লিরা। সূর্যাস্তের পর মাগরিবের নামাজ না পড়েই হাজিরা মুজদালিফার উদ্দেশে রওনা হবেন। সেখানে গিয়ে মাগরিব ও এশার নামাজ একসঙ্গে আদায় করে খোলা আকাশের নিচে রাত্রিযাপন করবেন। মিনায় শয়তানকে প্রতীকী পাথর নিক্ষেপের জন্য প্রয়োজনীয় কংকর বা পাথর তারা এই মুজদালিফা থেকেই সংগ্রহ করবেন।

পর দিন (১০ জিলহজ) বুধবার সকালে পুনরায় মিনায় ফিরে হাজিরা ধারাবাহিকভাবে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করবেন। প্রথমে বড় শয়তানকে প্রতীকী পাথর নিক্ষেপ, এরপর মহান আল্লাহর সন্তুষ্টির আশায় পশু কোরবানি, মাথা মুণ্ডন বা চুল ছাঁটা এবং কাবা শরিফ তাওয়াফে জিয়ারত সম্পন্ন করবেন।

পরবর্তী দিনগুলোতেও মিনায় অবস্থান করে তিন শয়তানকে পাথর নিক্ষেপ করবেন হাজিরা। সবশেষে বিদায়ি  তাওয়াফের মাধ্যমে সম্পন্ন হবে এই ইবাদত।

Continue Reading

top1

বছর ঘুরে এলো খুশির ঈদ

Published

on

By

বছর ঘুরে মুসলিম উম্মাহর দুয়ারে আবারো হাজির হয়েছে পবিত্র ঈদুল ফিতর। সারা মাস সিয়াম সাধনার পর একফালি চাঁদ ঘোষণা দিল ‘এলো খুশির ঈদ’। রোজার মাস জুড়ে সংযম, ধৈর্য আর আত্মশুদ্ধির যে শিক্ষা, তারই পরিণতি এই ঈদ। তাই ঈদের আনন্দ শুধু নতুন পোশাক বা সুস্বাদু খাবারে নয়, বরং একে অপরের প্রতি ভালোবাসা আর সহমর্মিতায়।

ঈদ মানে আনন্দ, ঈদ মানে খুশি। মুসলমানদের সবচেয়ে বড় খুশির দিন। আজ শনিবার ঈদের আনন্দ উৎসবে মেতে উঠবে সারা দেশ।

ইতোমধ্যে ঢাকাসহ দেশ জুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে ঈদুল ফিতরের আবহ। সন্ধ্যায় চাঁদ দেখার পরপরই রেডিও-টেলিভিশনে বেজে উঠেছে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কালজয়ী সেই গান, ‘ও মন রমজানের ঐ রোজার শেষে এল খুশীর ঈদ…।’

ইসলামের ধর্মীয় বিধান অনুসরণ করা হয় সাধারণত হিজরি বর্ষপঞ্জির চান্দ্র মাসের হিসাবে। ২৯ রমজান (বৃহস্পতিবার) সন্ধ্যায় বাংলাদেশে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি বৈঠক বসে। সেই বৈঠক থেকেই ঈদের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়।

এদিকে শুক্রবার সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্য ও পৃথিবীর অন্যান্য প্রান্তের কিছু দেশে ঈদুল ফিতর উদযাপিত হয়েছে। সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে বাংলাদেশের বেশকিছু জেলাতেও ঈদ উদযাপন করেছেন মুসল্লিরা। তারা দেশটির সঙ্গে মিলিয়ে এক দিন আগে রোজাও রাখেন।

হাদিসে আছে, মহানবী (সা.) বলেছেন, প্রত্যেক জাতিরই উৎসবের দিন আছে। আমাদের উৎসব হলো ঈদ।

ঈদুল ফিতরের মধ্যে ফিতর শব্দের অর্থ ভঙ্গ করা। ঈদুল ফিতরের অর্থ— রোজার সমাপ্তি ঘটানোর আনন্দ। দীর্ঘ এক মাস তারাবির নামাজ, সাহরি, ইফতার, জাকাত-ফিতরা, এবাদত-বন্দেগিসহ সিয়াম সাধনার মধ্যে দিয়ে পার করার পর মুসলিম উম্মাহ রোজা ভঙ্গ করে মহান আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে বান্দারা উপহার স্বরূপ পান এই ঈদুল ফিতর। ঈদের আনন্দ সর্বজনীন। এই আনন্দ আল্লাহর তাকওয়া অর্জনের সাফল্যের আনন্দ। এই আনন্দ রূপ নেয় সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় উৎসবে।

ঈদ উপলক্ষে জাতীয় পতাকা ও ঈদ মোবারক খচিত ব্যানার দিয়ে সাজানো হয়েছে রাজধানীর প্রধান প্রধান সড়ক, মোড়সহ গুরত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলো।

ঈদের দিনে উন্নত মানের খাবার সরবরাহ করা হবে হাসপাতাল, কারাগার, সরকারি শিশুসদন, ভবঘুরে কেন্দ্র ও এতিমখানায়। সরকারি-বেসরকারি টিভি চ্যানেল ও রেডিওতে প্রচারিত হবে বিশেষ অনুষ্ঠান। টিভি চ্যানেলগুলো ইতোমধ্যে পাঁচ থেকে সাত দিনের বিশেষ অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করেছে। ঈদ উপলক্ষে বিশেষ সংখ্যা, ঈদ ম্যাগাজিন প্রকাশ করেছে অনলাইন নিউজ পোর্টাল ও সংবাদপত্রগুলো।

ঈদ ঘিরে বাজারে শেষমুহূর্তের কেনাকাটায় ব্যস্ত মানুষ। নতুন জামার গন্ধ, আতরের সুবাস, সেমাই-চিনির হিসাব-সব মিলিয়ে এক উৎসবমুখর পরিবেশ। দর্জির দোকানে এখনো শেষ মুহূর্তের কাজ চলছে, আর শিশুদের চোখে-মুখে শুধুই আনন্দের ঝিলিক-‘ঈদ’।

ঈদ উপলক্ষে পরিবারগুলোতে সাধ্যমতো ভালো খাবার রান্নার চেষ্টা করা হয়। শিশুরা নতুন পোশাক পরে হৈ হুল্লোড় করবে, বেড়াতে যাবে নিকটাত্মীয়দের বাড়িতে। ঈদের দিন ঘুম থেকে উঠে গোসল-অজু করে দিনের শুরুতে সেমাই, মিষ্টিমুখ করে মুসল্লিরা যাত্রা শুরু করবেন ঈদের জামাতে অংশ নিতে। নামাজ আদায় শেষে ঈদগাহ ময়দানে বুকে বুক মেলাবেন। নামাজ আদায় শেষ করে মুসল্লিরা যাবেন কবরস্থানে প্রিয়জনের বিদেহী আত্মার শান্তির জন্য প্রার্থনা করতে। কবরস্থান থেকে মুসল্লিরা বাসায় ফিরে খাবার খেয়ে বন্ধুবান্ধব ও আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে দেখা করবেন। প্রিয়জনের সঙ্গে আনন্দ-আড্ডায় মেতে উঠবেন ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা।

এক মাসের সংযম, ধৈর্য আর আত্মশুদ্ধির পর আসে এই উৎসব। তাই ঈদের আনন্দ শুধু নতুন পোশাক বা সুস্বাদু খাবারে সীমাবদ্ধ নয়এটি একে অপরের প্রতি ভালোবাসা, ক্ষমা আর সহমর্মিতার প্রকাশ।

Continue Reading

top1

চাঁদপুরে অর্ধশতাধিক গ্রামে ঈদুল ফিতর উদ্‌যাপন

Published

on

By

সৌদি আরবসহ আরব দেশগুলোর সঙ্গে মিল রেখে চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ সাদ্রা দরবার শরিফসহ প্রায় অর্ধশতাধিক গ্রামে পবিত্র ঈদুল ফিতরের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (২০ মার্চ) সকাল ৯টায় সাদ্রা দরবার শরিফ মাঠে ঈদুল ফিতরের নামাজের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইমামতি করেন দরবার শরিফের পীরজাদা আল্লামা জাকারিয়া চৌধুরী আল মাদানী।

সকাল সাড়ে ৮টা থেকে ৯টার মধ্যে সাদ্রা হামিদিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার মাঠে পবিত্র ঈদুল ফিতরের আরেকটি জামায়াত অনুষ্ঠিত হয়। এ জামাতে ইমামতি করেন দরবার শরিফের পীরজাদা আরিফুল্লা চৌধুরী।

আগাম ঈদ উদ্‌যাপন করা গ্রামগুলো হচ্ছে- হাজীগঞ্জ উপজেলার সাদ্রা, সমেশপুর, অলিপুর, বলাখাল, মনিহার, প্রতাপপুর, বাসারা, ফরিদগঞ্জ উপজেলার লক্ষ্মীপুর, কামতা, গল্লাক, ভুলাচোঁ, সোনাচোঁ, উভারামপুর, উটতলি, মুন্সিরহাট, কাইতাড়া, মূলপাড়া, বদরপুর, আইটপাড়া, সুরঙ্গচাইল, বালিথুবা, পাইকপাড়া, নূরপুর, সাচনমেঘ, শোল্লা, হাঁসা, গোবিন্দপুর, মতলব উপজেলার দশানি, মোহনপুর, পাঁচানী এবং কচুয়া উপজেলার কয়েকটি গ্রামের আংশিক।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ১৯২৮ সাল থেকে সাদ্রা দরবার শরিফের মরহুম পীর মাওলানা ইসহাক (রহ.) সৌদি আরবসহ অন্য আরব দেশগুলোর সঙ্গে মিল রেখে রোজা, ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা উদ্‌যাপনের প্রথা চালু করেন। এ ছাড়া তার অনুসারীরা চাঁদপুরসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় একই সঙ্গে দুই ঈদ উদ্‌যাপন ও রোজা করে আসছেন।

সাদ্রা দরবার শরিফের পীরজাদা আরিফুল্লা চৌধুরী বলেন, ১৯২৮ সাল থেকে তারা মুসলিম বিশ্বের সঙ্গে কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে ঈদুল ফিতর, ঈদুল আযহা এবং পবিত্র রমজানের রোজা রেখে আসছেন। প্রথমে এসব ঈদের জামাতে লোকজন কম হলেও এখন সারা বাংলাদেশের প্রায় প্রতিটি জেলায় ঈদ উদ্‌যাপন হচ্ছে।

Continue Reading

Trending