Connect with us

top1

ভারতের চাল সিঙ্গাপুর থেকে কিনছে সরকার

Published

on

ডেস্ক নিউজ

বাজারে দাম স্থিতিশীল রাখতে সিঙ্গাপুরভিত্তিক সরবরাহকারীর মাধ্যমে ভারত থেকে চাল আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। সোমবার সচিবালয়ে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক শেষে অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ‘চালের দাম কিছুটা স্থিতিশীল হয়েছে, আবার কিছুটা বাড়ছে। অতএব কোনোক্রমে যেন না বাড়ে চালের দাম, সেজন্য আমরা নন-বাসমতি চাল আবার আনব।’

কোন দেশ থেকে চাল আসবে জানতে চাইলে উপদেষ্টা বলেন, ‘নন-বাসমতি চালটা ভারত থেকে আসবে। এটা (মূল্য) তো প্রতিযোগিতামূলক। সরবরাহকারী কিন্তু সিঙ্গাপুরের। কারণ আমরা তো আর বলব না যে ভারত থেকে আনবেন না, থাইল্যান্ড থেকে আনবেন না, মিয়ানমার থেকে আনবেন না। আমরা মান, সময়মতো সরবরাহ আর দামটা দেখেছি।’

ডিসেম্বরের মধ্যে সরকার সংশোধিত বাজেট করে ফেলতে চায় বলেও তিনি তুলে ধরেন।

গণভোট ও ত্রয়োদশ নির্বাচন একই দিনে হওয়ায় বাড়তি খরচ প্রসঙ্গে উপদেষ্টা বলেন, ‘আমরা তো বলেছি নির্বাচনের জন্য, গণভোটের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যয় বাড়বে। সেখানেও তো আপনার লোকবল লাগবে, তাই না? সিকিউরিটি লাগবে।আমরা তো বাজেট এখন নতুন করে পর্যালোচনা করছি। কিন্তু নির্বাচনের বাজেটটা আমরা এখনও উন্মুক্ত রেখেছি। অন্য মন্ত্রণালয়ে বাজেটগুলোর একটা সময়সীমা দিয়েছি যে, এত তারিখের মধ্যে আপনারা বলে দেন। কারণ ডিসেম্বরে আমরা বাজেটটা পুনরায় পর্যালোচনা করব।’

তিনি আরও বলেন, ‘জানুয়ারিতে আমরা রেডি করে রাখব পরবর্তী যে সরকার আসছে তাদের জন্য। তো নির্বাচনের বাজেটটা সবগুলো ওপেন আছে। নির্বাচনেরটা আমার মনে হয় তফসিল ঘোষণার, পর বোধহয় ওরা আর নতুন করে কোনো খরচ দেবে না। কন্টিউন্সি খরচ থাকতে পারে, তাই না? ইমার্জেন্সি খরচ থাকতে পারে। সেটা তো করা যাবে, সেটা তাদেরও কিছু ফান্ড আছে। অতএব নির্বাচন নিয়ে কোনো চিন্তা করার দরকার নাই।’

গণভোট ও নির্বাচন একদিনে করা ‘চ্যালেঞ্জ’ বলে মানলেন উপদেষ্টা, তবে একই দিনে করার পক্ষে তার মত।

তিনি বলেন, ‘এইটা আমার মনে হয় চ্যালেঞ্জ হলেও এই চ্যালেঞ্জটা গ্রহণ করতে হবে। একই দিনে করা, তাই না? যেটা সরকার থেকে সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমরা। যেটা প্রধান উপদেষ্টা বলে দিয়েছেন, এক দিনে করা। কারণ দুই দিন করা মানে এত এনটায়ার জিনিস, রিটার্নিং অফিসার মোবিলাইজ করা, আপনি জানেন এটা খুব সোজা কাজ না। ইভেন কিছু কিছু ব্যাংকের অফিসার, জুনিয়র অফিসার, তারাও তো ডিউটিতে যাবে, স্কুলের টিচাররা যাবে। দুই দিন নিয়ে আসবেন তাদেরকে, এগুলো কঠিন।’

এদিনের বৈঠকে সার, পরিশোধিত তেল ক্রয় এবং তিনটি সড়ক উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদনের সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন হবে : প্রধানমন্ত্রী

Published

on

By

আগামী ৫ বছরে দেশের ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন করা হবে, জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, ‘উজান থেকে যখন পানি আসে তখন নদীর পাশের মানুষ ও পশুর ক্ষতির পাশাপাশি ঘরবাড়ি নষ্ট হয়। খাল খননের পর বর্ষার সময়ে অতিরিক্ত পানি ধরে রাখব। উজান থেকে নেমে আসা পানি ধরে রাখতে পারলে সবাই উপকৃত হবেন।’

সোমবার (১৬ মার্চ) দুপুরে দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার বলরামপুর মৌজার সাহাপাড়ায় খাল খনন পরবর্তী আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘শুষ্ক কিংবা বর্ষা মৌসুমে কৃষকের পানি সরবরাহ করা যেতে পারে। কৃষির উৎপাদন বাড়াতে হবে। এত মানুষের খাবার বিদেশ থেকে আনা সম্ভব নয়। তাই কৃষির ওপরে গুরুত্ব দিতে হবে। পানির সঠিক ব্যবহার করতে হবে। মাটির নিচের পানি রিজার্ভ হিসেবে পরবর্তী প্রজন্মের জন্য রাখতে হবে।’

তিনি বলেন, কৃষক বাঁচলে, দেশ বাঁচবে। খালগুলো খনন না হওয়ার কারণে ভরাট হয়ে গেছে। নদীও ভরাট হয়ে গেছে। বর্ষার মৌসুমের অনেক খরা হয়। পানি পাওয়া যায় না। আমরা এই বর্ষার পানিতে কাজে ব্যবহার করতে চাই। আমরা এমনভাবে পানি ব্যবহার করতে চাই, যাতে করে সমগ্র এলাকার মানুষ উপকার পায়।

সারা দেশে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া শুরু হয়েছে জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, আমরা নির্বাচনের আগে অনেক কথা বলেছি। আমরা ওয়াদা করেছি, সেগুলো আমরা এরই মধ্যে শুরু করেছি। খাল কাটার কাজ শুরু করেছি। আমরা বলেছি, সারা দেশে ৪ কোটি পরিবারে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দিতে চাই।

তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে অনেক মানুষ কাজ করে। তাদের বিষয়ে আমরা চিন্তা করছি। তারাও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে অর্থনীতির ওপর চাপ পড়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আগামী মাস থেকে কৃষকদের কৃষক কার্ড দেওয়া হবে। ক্ষুদ্র, প্রান্তিক ও মধ্য কৃষকরা কার্ড পাবেন। শহীদ জিয়া ও খালেদা জিয়া কৃষকদের বন্ধু ছিলেন। আমরা কৃষকদের বন্ধু। কৃষক, কৃষাণী ভালো থাকলে আমরা ভালো থাকব। তাদের ভালো রাখতে চাই। বাংলাদেশের কৃষকদের শক্তিশালী ভিত্তির ওপর রাখতে চাই।

‎তিনি বলেন, আমরা এমন একটি দল করি। যেই দলের কাজ হচ্ছে সাধারণ মানুষের উপকারের কাজ। যেই কাজ করলে সাধারণ মানুষ খুশি হয়, আমরা সেই কাজ করি। আজ আনুষ্ঠানিকভাবে সাহাপাড়া খাল খনন শুরু হলো, ১২ কিলোমিটার খাল খনন শেষ হলে ৩১ হাজার কৃষক উপকৃত হবে। এই খাল থেকে কৃষকরা পানি নিয়ে ১২ হাজার হেক্টর জমিতে সেচ দিতে পারবে। সাড়ে ৩ লাখ মানুষ সুবিধার আওতায় আসবে। সবচেয়ে বড় বিষয় এই এলাকার কৃষকরা যে ফসল উৎপাদন করছে, তার থেকে ৬০ হাজার টন বেশি ফসল উৎপাদন করতে পারবে। এই খালের দুপাশে রাস্তা নির্মাণসহ ১০ হাজার বৃক্ষরোপণ করা হবে। খাল খনন শেষ হলে আমি আবার পুনরায় দেখতে আসব, ইনশাআল্লাহ।

‎প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, উত্তরাঞ্চল কৃষক প্রধান এলাকা। উত্তরাঞ্চল থেকে কৃষিভিত্তিক ইন্ডাষ্ট্রি গড়ে তোলার উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। সেখানে কৃষকদের সন্তান চাকুরি পাবেন। ১৯৭১ সালের যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছি। ২০২৪ সালে সাধারণ মানুষ ও ছাত্রজনতা স্বৈরাচারকে বিদায় করেছে।

তিনি আরও বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান চাহিদার দ্বিগুণ খাদ্য উৎপাদন করে বিদেশে রপ্তানি করেছিলেন। আমাদের পরিকল্পনা করতে হবে। তবে সজাগ থাকতে হবে। কারা বিশৃঙ্খলা করতে চায় । তাদের বিষয়ে খেয়াল রাখতে হবে। এই কাজগুলো আমার পক্ষে একা করা সম্ভব নয়। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে কাজগুলো করতে হবে। নির্বাচনে আপনাদের সমর্থনে যেমন আমরা সরকার গঠন করেছি। তেমনি আপনাদের সমর্থন ছাড়া কাজ করা সম্ভব নয়। জনগণ হচ্ছে সকল ক্ষমতার উৎস। এই দেশের মালিক জনগণ। আপনারা যদি আমাদের সঙ্গে থাকেন তাহলে যে কোনো পরিকল্পনা কাজ বাস্তবায়ন করতে পারব। ‎ ‎দিনাজপুর জেলা বিএনপির সভাপতি ও জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাডভোকেট মোফাজ্জল হোসেন দুলালের সভাপতিত্বে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বখতিয়ার আহমেদ কচির সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, পানি সম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, সমাজকল্যাণ ও নারী ও শিশু বিষয়কমন্ত্রী ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, দিনাজপুর-৪ আসনের এমপি ও জাতীয় সংসদের হুইপ আখতারুজ্জামান মিয়া, দিনাজপুর-১ আসনের এমপি মনজুরুল ইসলাম, দিনাজপুর-২ আসনের এমপি সাদিক রিয়াজ চৌধুরী পিনাক, দিনাজপুর-৩ আসনের এমপি সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম।

অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কাহারোল উপজেলা বিএনপির সভাপতি গোলাম মোস্তফা, সাধারণ সম্পাদক আলারুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক বাবু চৌধুরী।

Continue Reading

top1

প্রতিটি শিক্ষার্থী হবে এক একজন যোদ্ধা: জামায়াত আমির

Published

on

By

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াত ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, প্রতিটি শিক্ষার্থী হবে এক একজন যোদ্ধা। শুধু শিক্ষকের দেয়া পা‎ঠ্যসূচি অনুসরণ করা নয় বরং ছাত্ররা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি হওয়ার পর প্রতিটি পরীক্ষার জন্য নিজেকে তৈরি করবে।

সোমবার বিকেলে গাজীপুরের টঙ্গী তা’মীরুল মিল্লাত কামিল মাদরাসা অ্যালমনাই এসোসিয়েশন আয়োজিত ইফতার মাহফিল ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আমীরে জামায়াত বলেন, তা’মীরুল মিল্লাত প্রতিষ্ঠা হয়েছিল মূলত: ইমানদার, দেশপ্রেমিক ও যোগ্য নেতৃত্ব তৈরি করার জন্য। আলহামদুলিল্লাহ, তা আস্তে আস্তে পূরণ হতে চলেছে। এবারের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই গর্বিত প্রতিষ্ঠানের তিনজন ছাত্র জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন । দ্বীনের কল্যাণে ও জনগণের কল্যাণে আওয়াজ তোলার এবং কাজ করার সুযোগ পেয়েছেন। এজন্য মহান আল্লাহর দরবারে সীমাহীন শুকরিয়া আদায় করছি।

তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যারা নির্বাচিত হয়েছেন আগামীতে তারাই বাংলাদেশ। নতুন বাংলাদেশ তারাই বিনির্মাণ করবেন।

এসময় ২৪এর বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন তা’মীরুল মিল্লাত কামিল মাদরাসার যেসকল ছাত্র শহীদ হয়েছেন তাদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন।

তা’মীরুল মিল্লাত কামিল মাদরাসা টঙ্গী অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এডভোকেট মাওলানা আতিকুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল এহসানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আলোচনা পর্বে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নির্বাহী পরিষদ সদস্য আব্দুর রব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম এবং সেক্রেটারি জেনারেল বাংলাদেশ ইসলামী সিবগাতুল্লাহ সিগবাহ।

এতে উপস্থিত ছিলেন পাবনা-১ আসনের এমপি, ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেন, গাজীপুর-৪ আসনের এমপি সালাহ উদ্দিন আইয়ুবী, শেরপুর-১ আসনের এমপি হাফেজ মো. রাশেদুল ইসলাম এবং নোয়াখালী-৬ আসনের এমপি আ. হান্নান মাসুদ।

Continue Reading

top1

ইউজিসি চেয়ারম্যানসহ বদলে গেল ঢাবি-রাবি-চবি-কুয়েট ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি

Published

on

By

উচ্চশিক্ষা খাতে বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি জানিয়েছেন, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের চেয়ারম্যানসহ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (ভিসি) পরিবর্তন করা হবে। সোমবার শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এই ঘোষণা দেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. মামুন আহমেদ।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্য হয়েছেন উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম। উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্য হিসেবে অধ্যাপক ছিদ্দিকুর রহমান খান চূড়ান্ত হয়েছে। একই সঙ্গে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান প্রো-ভিসি অধ্যাপক ড. মো. নুরুল ইসলামকে সেন্ট্রাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি হয়েছেন। 

এ ছাড়া কুয়েটের ভিসি হিসেবে চূাড়ান্ত হয়েছেন অধ্যাপক ড. মো. মাসউদ। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি হিসেবে অধ্যাপক ড. মো. আল ফোরকানকে দায়িত্ব দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে। অন্যদিকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি হিসেবে অধ্যাপক ড. মো. ফরিদুল ইসলামের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। 

এছাড়াও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়টির ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারম্যান ও শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. রইস উদ্দিন। 

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, দেশের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর ও গতিশীল করতে এই পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শিগগিরই এ সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে বলে তিনি জানান।

Continue Reading

Trending