Connect with us

ক্যাম্পাস

মতিহারের সবুজ চত্বরে সাংবাদিকতা বিভাগের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মিলনমেলা

Published

on

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ আজ শনিবার দিনজুড়ে প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের পদচারণায় মুখর ছিল। দীর্ঘদিন পর সহপাঠী, সিনিয়র–জুনিয়রের দেখা মিলতেই বিভাগের করিডোর থেকে শ্রেণিকক্ষ, সবখানেই জমে ওঠে স্মৃতি, হাসি আর আড্ডা।

বিভাগের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সংগঠন ‘জার্নালিজম অ্যালামনাই ফোরাম অব রাজশাহী ইউনিভার্সিটি’র (জাফরু) আয়োজনে ও বিভাগের সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত হয় এই মিলনমেলা। দেশের নানা প্রান্তে কর্মরত সাংবাদিক, গবেষক, শিক্ষক, সরকারি কর্মকর্তা ও কর্পোরেট পেশাজীবীরা এদিন ফিরে আসেন নিজেদের পুরোনো ক্যাম্পাসে।

সকালে থেকেই বিভাগের করিডোর, ক্লাসরুম জমে ওঠে প্রাক্তনদের সমাবেশে। অনেকেই বহু বছর পর দেখা হওয়ায় আবেগ ধরে রাখতে পারেননি। কুশল বিনিময়ের মাঝেই বারবার ফিরে আসে বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের স্মৃতি। বিভাগের শিক্ষকরা উপস্থিত থেকে সাবেক শিক্ষার্থীদের স্বাগত জানান। 

অনুষ্ঠানের শুরুতে বিভাগের প্রয়াত শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের স্মরণে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। পরে দিনজুড়ে চলে স্মৃতিচারণ, আড্ডা, গান আর ছবি তোলা। বহু পুরোনো সহপাঠীর সঙ্গে অনানুষ্ঠানিক আড্ডায় প্রাণ ফিরে পায় ছাত্রজীবনের দিনগুলো।

বিভাগের প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও যমুনা টিভির বিশেষ প্রতিনিধি মাহফুজ মিশু বলেন, ‘অনেক বছর পর ডিপার্টমেন্টে এসে দারুণ লাগছে। সবার সঙ্গে কথা হলো, গল্প হলো। কোনো এজেন্ডা ছাড়া শুধু আমাদের পুরোনো দিনের মানুষগুলোর সঙ্গে সময় কাটানো- এটা সত্যিই অসাধারণ। এমন আয়োজন প্রতিবছর হলেও ভালো হয়।’

জাফরু’র সাধারণ সম্পাদক ও দুর্নীতি দমন কমিশনের উপপরিচালক (জনসংযোগ), বিভাগের চতুর্থ ব্যাচের শিক্ষার্থী মো. আকতারুল ইসলাম বলেন, ‘ঢাকা থেকে বিশেষভাবে এসেছি এ পুনর্মিলনীতে যোগ দিতে। সারাদিন ধরে শিক্ষক–শিক্ষার্থী সবাই মিলে সময় কাটালাম। বিভাগের আনুষ্ঠানিক অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন গঠনে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিদ্যমান নীতিমালা নিয়ে শিক্ষকদের সঙ্গে আলোচনা চলছে।’

তিনি আরও বলেন, ক্যাম্পাসে দীর্ঘদিন পর এসে অনেক পরিবর্তন লক্ষ্য করেছেন এবং এমন আয়োজন বিভাগের সঙ্গে প্রাক্তনদের সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করবে।

এদিকে বিভাগ জানিয়েছে, আগামী বছর ২০২৬ সালে বিভাগের বয়স ৩৫ বছরে পা দেবে। সেই উপলক্ষে বড় আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক মোজাম্মেল হোসেনের মতে, এবারের মিলনমেলাই সেই উদযাপনের কাউন্টডাউনের সূচনা।

অধ্যাপক মোজাম্মেল হোসেন (সাজ্জাদ বকুল) বলেন, ‘একসঙ্গে এত সংখ্যক প্রাক্তন শিক্ষার্থীর উপস্থিতি, এটা আমাদের জন্য বড় প্রাপ্তি। এই আয়োজন বিভাগের ভবিষ্যৎ কার্যক্রমে নতুন গতি এনে দেবে।’

তিনি বলেন, বিভাগের নতুন সভাপতির দায়িত্ব নেবার পরে যে তিনটা কাজকে অগ্রাধিকার হিসেবে নির্ধারণ করি তার তৃতীয়টি ছিল বিভাগের অ্যালামানাই অ্যাসোসিয়েশনকে সক্রিয় করা। জাফরুর এই মিলনমেলা বিভাগের সেই প্রচেষ্টায় সহায়ক হিসেবে কাজ করবে ও এক ধাপ এগিয়ে দেবে বলে আমি মনে করি।’

তিনি আরও বলেন, বিভাগের দীর্ঘ ঐতিহ্য আছে। এখানে বহু গুণী শিক্ষার্থী–শিক্ষক ছিলেন। অ্যালামনাই কাঠামোকে সক্রিয় করতে পারলে সাবেক শিক্ষার্থী ও ঢাকায় জাফরুর বাইরে থাকা অন্য অ্যালামনাইরাও বিভাগের উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারবেন।’

তিনি আরও জানান, ইউজিসির আইকিউএসি–এর মাধ্যমে বিভাগীয় অ্যাক্রিডিটেশন প্রক্রিয়ার অন্যতম শর্ত হচ্ছে নিজস্ব অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন থাকা।এটি পূরণ করা গেলে বিভাগের ভবিষ্যৎ প্রতিযোগিতায়ও আমরা এগিয়ে থাকতে পারব।

দিন শেষে মতিহারের সবুজ চত্বরে সূর্য ডোবার সঙ্গে সঙ্গে শেষ হয় প্রথম দিনের আনুষ্ঠানিকতা। রবিবার বিভাগের পক্ষ থেকে সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের নিয়ে একটি মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়েছে। যে আয়োজন সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের মাঝে সেতুবন্ধন হয়ে কাজ করবে।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top3

পাবিপ্রবি’র নবীন বরণ অনুষ্ঠানে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্যের অংশগ্রহণ

Published

on

By

ইবি প্রতিনিধি

পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পাবিপ্রবি) ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের নবীন শিক্ষার্থীদের নবীন বরণ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেছেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. কে. এম মতিনুর রহমান।

রোববার (২৬ জুলাই) তথ্য, প্রকাশনা ও জনসংযোগ অফিসের উপপরিচালক মো. রাজিবুল ইসলামের বরাতে জানানো হয় দুপুর আড়াইটায় পাবিপ্রবি’র মিলনায়তনে নবীন বরণ অনুষ্ঠানে যোগ দেন উপাচার্য।

পাবিপ্রবি’র উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবুল হাসনাত মোহা. শামীম-এর সভাপতিত্বে প্রোগ্রামে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নজরুল ইসলাম। এছাড়াও অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. কে. এম মতিনুর রহমান, সাংসদ মো. শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, এ. কে. এম সেলিম রেজা হাবিব, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক তাহমিনা আখতার এবং নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. হাছানাত আলী।

অতিথির বক্তব্যে ইবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. কে. এম মতিনুর রহমান বলেন, “নবীন শিক্ষার্থীদের সুস্বাগত। তোমরা সৌভাগ্যবান, একটা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মধ্য দিয়ে তোমরা এখানে জায়গা করে নিতে পেরেছো। আমাদের সমাজ, আর্থসামাজিক প্রেক্ষাপট সবকিছু বিবেচনায় আমরা অনেক পশ্চাৎপদ অবস্থানে ছিলাম। ১৯৯১ সালে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর বেগম খালেদা জিয়া নারী শিক্ষাবিস্তারের জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। তিনি নারীদেরকে এইচএসসি পর্যন্ত বিনাবেতনে পড়ার সুযোগ করে দিয়েছিলেন, যার ফল এখন দৃশ্যমান হচ্ছে। বেগম খালেদা জিয়া তাঁর পুরোটা জীবন এই দেশের জন্য উৎসর্গ করেছেন।”

শিক্ষার্থীদের নৈতিক এবং দায়িত্বশীল মানুষ হওয়ার জন্য উপদেশ দিয়ে উপাচার্য আরও বলেন, “কৃষক-শ্রমিক-মেহনতি মানুষ, যাদের ট্যাক্স-এর টাকায় বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালিত হয়, তাদের প্রতি দায়বদ্ধতার জায়গা থেকে তোমরা নৈতিক এবং দায়িত্বশীল মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠার আহ্বান করছি।”

Continue Reading

ক্যাম্পাস

প্রেম প্রত্যাখ্যান করায় রাবি ছাত্রীকে চাকু-পিস্তলের ভয়, প্রক্টরের কাছে অভিযোগ

Published

on

By

রাবি প্রতিনিধি

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় এক নবীন ছাত্রীকে চাকু বের করে ও পিস্তলের ভয় দেখিয়ে হুমকির অভিযোগ উঠেছে একই বিভাগের সিনিয়র শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে। রোববার (২৬ জুলাই) রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর বরাবর এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ওই ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী।

অভিযোগকারী মোছা. রোদেলা আনিস বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃত বিভাগের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। অন্যদিকে অভিযুক্ত মহসিন আলম একই বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। তিনি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের একজন কর্মী বলে জানা গেছে।

প্রক্টর দপ্তরে জমা দেওয়া অভিযোগপত্রে ভুক্তভোগী ছাত্রী জানান, গত ২২ জুলাই থেকে অভিযুক্ত মহসিন আলম তাকে বিভিন্নভাবে উত্ত্যক্ত ও মানসিকভাবে হয়রানি করে আসছিলেন। একপর্যায়ে তাকে প্রেমের প্রস্তাব দিলে তিনি তা প্রত্যাখ্যান করেন। পরে গতকাল ২৬ জুলাই বিকেল ৩টার দিকে তাকে জোরপূর্বক পদ্মার পাড়ে নিয়ে যান মহসিন এবং পুনরায় প্রেমের প্রস্তাব দেন। এবারও প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় অভিযুক্ত পকেট থেকে চাকু বের করে বিভিন্ন হুমকি দেন এবং পিস্তলের ভয় দেখান।

ভুক্তভোগী ছাত্রী উল্লেখ করেন, এ সময় তিনি কান্নাকাটি শুরু করলে তাকে মেসের দিকে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে পরবর্তীতে রুয়েট হয়ে আবার পদ্মার পাড়ে নিয়ে গিয়ে পদ্মায় ফেলে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়। এরপর ভুক্তভোগী কান্নাকাটি করলে তাকে মেসে নিয়ে আসা হয়।

অভিযোগপত্রে আরও বলা হয়, ঘটনার ২০-৩০মিনিট পর থেকে বিভিন্ন নম্বর থেকে ফোন ভুক্তভোগীর নাম্বারে ফোন আসে এবং অভিযুক্ত আত্মহত্যা করেছে এমন হুমকি দেওয়া হয়। পাশাপাশি ভুক্তভোগী ছাত্রীকে বিশ্ববিদ্যালয় ত্যাগ করার হুমকি দেওয়ারও অভিযোগ তুলেছেন। 

এ বিষয়ে অভিযুক্ত মহসিন আলমের সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।

অভিযুক্ত শিক্ষার্থী ছাত্রদলের কোনো সক্রিয় কর্মী নন বলে দাবি করেছেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি সুলতান আহমেদ রাহী। তিনি বলেন, অভিযোগটি আগে তদন্ত করে সত্যতা যাচাই করা দরকার। যদি প্রমাণ মেলে তবে অবশ্যই বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম ও প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। তার আগে কাউকে চূড়ান্তভাবে দোষী বা নির্দোষ বিবেচনা করা ঠিক নয়। আর অভিযুক্ত শিক্ষার্থী ছাত্রদলের কোনো সক্রিয় কর্মী বা নিয়মিত কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া কেউ নন।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘গতকাল ওই ছাত্রী অভিযোগ দেওয়ার পর তার থেকে সবকিছু শুনলাম। এ ঘটনায় ওই ছেলে তো ছিল, সঙ্গে আরও দুজন পরে ওই ছাত্রীকে ফোনে বলেছে অভিযুক্তকে হসপিটালাইজ করা হয়েছে। আজকে দুপুরে অভিযুক্তসহ ওদেরকে ডেকেছি৷ একপক্ষের কথা শুনে তো আসলে ঘটনা বিশ্বাস করা যায় না। তবে অভিযুক্তের হসপিটালাইজের বিষয়টি অনেকটা রহস্যজনক মনে হচ্ছে। তাদের কথাবার্তায় অসঙ্গতি মনে হয়েছে। যাইহোক আজকে সব জানা যাবে।’

প্রান্ত কুমার দাশ 

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

০১৭৫১৬৮৭৪৪৯

২৭ জুলাই, ২০২৬

Continue Reading

ক্যাম্পাস

‎কুবিতে ‘বন্ধু’র উদ্যোগে সপ্তাহব্যাপী ব্লাডগ্রুপিং ও সদস্য সংগ্রহ ক্যাম্পেইন

Published

on

By

‎সানজিদা আক্তার সাথী, ‎কুবি প্রতিনিধি


‎“যদি করি স্বেচ্ছায় রক্তদান, বাঁচবে জীবন বাঁচবে প্রাণ” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) একমাত্র স্বেচ্ছাসেবী রক্তদাতা সংগঠন ‘বন্ধু, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়’-এর উদ্যোগে সপ্তাহব্যাপী বিনামূল্যে রক্তের গ্রুপ পরীক্ষা (ব্লাড গ্রুপিং) এবং নতুন সদস্য সংগ্রহ ক্যাম্পেইন শুরু হয়েছে।

‎রবিবার (২৬ জুলাই) সকাল ১০ টায় ব্যাডমিন্টন কোর্টে সপ্তাহব্যাপী এই আয়োজনের উদ্ভোদন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন ছাত্রদল কুবি শাখার সদস্য সচিব আবুল বাশার, বন্ধু, কুবির সাংগঠনিক সম্পাদক নাঈম ভুঁইয়াসহ বন্ধু’র অন্যান্য সদস্য ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

‎জানা যায়, বন্ধু’র এই বিনামূল্যে রক্তের গ্রুপ পরীক্ষা (ব্লাড গ্রুপিং) এবং নতুন সদস্য সংগ্রহ ক্যাম্পেইন ব্যাডমিন্টন কোর্টে ২৬ জুলাই থেকে আগামী ৩০ জুলাই (রবিবার থেকে বৃহস্পতিবার) পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত এ কার্যক্রম চলবে।

‎​উদ্বোধনের পর থেকেই ব্যাডমিন্টন কোর্টে শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ দেখা যায়। বিভিন্ন বর্ষের শিক্ষার্থীরা এখানে এসে তাঁদের রক্তের গ্রুপ নির্ণয় করছেন এবং অনেকেই স্বেচ্ছায় রক্তদানে আগ্রহ প্রকাশ করে সংগঠনের নতুন সদস্য হিসেবে ফরম পূরণ করছেন।

‎​ক্যাম্পেইনে রক্তের গ্রুপ পরীক্ষা করাতে আসা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবসার উদ্দিন বলেন, “বন্ধু, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় আয়োজিত এই ফ্রি ব্লাড ক্যাম্পেইনে এসে আমি আজ বিনামূল্যে রক্তের গ্রুপ পরীক্ষা করেছি। এখানে কোনো খরচ ছাড়াই সবাই রক্তের গ্রুপ পরীক্ষা করাতে পারছেন এবং একই সাথে রক্তদানে সবাইকে উৎসাহিত করা হচ্ছে। এটি অত্যন্ত প্রশংসনীয় একটি উদ্যোগ। শিক্ষার্থীদের কল্যাণে এমন সুন্দর আয়োজনের জন্য আমি আয়োজক সংগঠন ‘বন্ধু’কে আন্তরিক ধন্যবাদ ও সাধুবাদ জানাই।”

‎সংগঠনের উদ্দেশ্য ও কার্যক্রম নিয়ে বন্ধু’র সাংগঠনিক সম্পাদক ও উক্ত ক্যাম্পেইন বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক নাঈম ভুঁইয়া বলেন, “কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ফ্রিতে রক্তের গ্রুপ নির্ণয় এবং স্বেচ্ছায় রক্তদানে উৎসাহিত করার লক্ষ্যেই আমাদের এই সপ্তাহব্যাপী আয়োজন। প্রথম দিন থেকেই আমরা শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে দারুণ সাড়া পাচ্ছি। আমাদের মূল উদ্দেশ্য হলো মানুষের বিপদে পাশে দাঁড়ানো, জরুরি প্রয়োজনে রক্ত সরবরাহ করা এবং নিয়মিত স্বাস্থ্য বিষয়ক ক্যাম্পেইন পরিচালনা করা।”

Continue Reading

Trending