Connect with us

top3

মাদুরোকে ধরার কয়েক মাস আগেই কাবেয়োর সঙ্গে কথা হয় ট্রাম্প প্রশাসনের

Published

on

ভেনেজুয়েলার কট্টরপন্থী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিওসদাদো কাবেয়োর সঙ্গে ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকর্তারা প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করার কয়েক মাস আগে থেকেই যোগাযোগ শুরু করেন।

এই বিষয়ে জানেন এমন কয়েকজন ব্যক্তি রয়টার্সকে জানিয়েছেন, মাদুরো ধরে নিয়ে যাওয়ার পরও কাবেয়োর সঙ্গে এই কথাবার্তা অব্যাহত রয়েছে।

ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকর্তারা কাবেয়োকে (৬২) কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন যেন তিনি তার অধীনে থাকা গোয়েন্দা সংস্থা বা পুলিশ বাহিনীকে ব্যবহার করে বিরোধীদের ওপর হামলা না করেন।

গত ৩ জানুয়ারির অভিযানের পরও ভেনেজুয়েলার নিরাপত্তা বাহিনীগুলো এখনো প্রায় অক্ষত রয়েছে।

মাদুরোর মতোই কাবেয়োর বিরুদ্ধেও মাদক পাচারের অভিযোগ রয়েছে যুক্তরাস্ট্রের। তার হদিস দেওয়ার জন্য যুক্তরাষ্ট্র ২৫ মিলিয়ন ডলার পুরস্কারও ঘোষণা করে। তবে অভিযানের সময় তাকে ধরা হয়নি।

ভেনেজুয়েলার ক্ষমতাধর এই নেতা চাইলে তার অনুগত বাহিনীকে লেলিয়ে দিয়ে দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে পারতেন। তবে ট্রাম্প প্রশাসন চায় না এমন কিছু হোক, যা অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট দেলসি রদ্রিগেজের ক্ষমতাকে নড়বড়ে করে দেয়।

কারাকাসে মিরাফ্লোরেস প্রাসাদে গত ১৪ জানুয়ারি সংবাদ সম্মেলনে ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট দেলসি রদ্রিগেজ, জাতীয় অ্যাসেম্বলি প্রেসিডেন্ট জর্জে রদ্রিগেজ ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিওসদাদো কাবেয়ো দেশের নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতা তুলে ধরেন। ছবি: রয়টার্স

যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলার তেলের ওপর নিয়ন্ত্রণ নিতে এবং স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে আপাতত কাবেয়োর মতো কয়েকজনের ওপর নির্ভর করছে।

অন্যদিকে, কাবেয়ো প্রকাশ্যে বলছেন, “ভেনেজুয়েলা আত্মসমর্পণ করবে না”, কিন্তু নেপথ্যে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসনের সঙ্গে সরাসরি বা দালালের মাধ্যমে যোগাযোগ রাখছেন।

অনেকে প্রশ্ন তুলেছেন, মাদুরোকে ধরা হলেও কাবেয়োকে কেন ছেড়ে দেওয়া হলো?

এমন প্রশ্ন রিপাবলিকান প্রতিনিধি মারিয়া এলভিরা সালাজারেও। তিনি বলেছেন, “কাবেয়ো সম্ভবত মাদুরো বা দেলসির চেয়েও বেশি বিপজ্জনক।”

বর্তমানে কাবেয়ো রাজনৈতিক বন্দীদের মুক্তির বিষয়টি দেখাশোনা করছেন। তবে মানবাধিকার সংস্থাগুলোর দাবি, এই মুক্তির প্রক্রিয়া খুব ধীরগতিতে চলছে এবং এখনো শত শত মানুষ বিনা বিচারে আটকে আছেন।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top3

সংস্কারের মাধ্যমে দেশের সব আবর্জনা দূর করতে চাই: শফিকুর রহমান

Published

on

By

সংস্কারের মাধ্যমে দেশের সব ধরনের আবর্জনা দূর করে একটি পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ গড়ার আশা প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির এবং প্রধান বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।

বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর মিরপুরে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

জামায়াত আমির বলেন, আমরা রাষ্ট্র সংস্কারের মাধ্যমে দেশের সব ধরনের আবর্জনা দূর করতে চাই। আমরা একটি পরিচ্ছন্ন দেশ গড়বো। নিজ নিজ আঙিনা পরিষ্কার করলে দেশ পরিষ্কার হয়ে যাবে।

তিনি আরও বলেন, জুলাই না আসলে তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হতে পারতেন না এবং আমিও বিরোধী দলীয় প্রধান হতে পারতাম না। তাই আমাদের সবার উচিত সংসদে জুলাইয়ের চেতনা বাস্তবায়ন করা

Continue Reading

top3

নতুন প্রধানমন্ত্রী সচিবালয়ে অফিস করবেন বুধবার

Published

on

By

বাংলাদেশে নতুন রাজনৈতিক অধ্যায়ের সূচনা। শপথ নিয়েছেন বিএনপি নেতৃত্বাধীন দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ এবং নতুন মন্ত্রিসভার দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথম কর্মদিবসেই ব্যস্ত সময় পার করবেন মন্ত্রিসভার সদস্যরা। বুধবার সকালে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের মধ্য দিয়ে দিনের কর্মসূচি শুরু করবেন নতুন সরকার।

সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথম কার্যদিবস অতিবাহিত করবেন তারেক রহমান। এদিন তিনি মন্ত্রিপরিষদ সদস্যদের সঙ্গে বিশেষ বৈঠক এবং সরকারের শীর্ষ আমলাদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন। মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি দুপুর সাড়ে ১২টায় সচিবালয়ে পৌঁছাবেন। সেখানে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর জন্য বরাদ্দ করা দপ্তরে তিনি প্রথম অফিস করবেন। সচিবালয়ে প্রথম দিন প্রধানমন্ত্রী একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সভায় অংশ নেবেন।

দায়িত্ব গ্রহণের পর শুরুতেই তিনি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে পরিচিত হবেন এবং সংক্ষিপ্ত মতবিনিময় সভায় অংশ নেবেন।

বুধবার সচিবালয়ে মধ্যাহ্নভোজ শেষে বেলা ৩টায় নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের নিয়ে বিশেষ বৈঠকে বসবেন তিনি। যদিও এই বৈঠকের কোনো সুনির্দিষ্ট এজেন্ডা রাখা হয়নি, তবে এটি হবে নতুন সরকারের প্রথম আনুষ্ঠানিক নীতি-নির্ধারণী আলোচনা।

অপরদিকে বিকেল ৪টায় সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিবদের সঙ্গে বৈঠকে মিলিত হবেন প্রধানমন্ত্রী। আমলাতন্ত্রের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে এই সভায় তিনি নতুন সরকারের অগ্রাধিকার ও জনআকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে দিকনির্দেশনা দেবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

প্রসঙ্গত, ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ২৯৭ আসনের ফল গেজেট আকারে ঘোষণা করা হয়েছে। এর মধ্যে বিএনপি আসন পেয়েছে ২০৯টি। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসন পেয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী; ৬৮টি। বাকি আসনগুলোতে বিভিন্ন জোট, দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থিরা জয় পেয়েছেন। এবারের নির্বাচনে বিজয়ীদের মধ্যে প্রায় ১৫০ জন এর আগে কখনো সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হননি।

Continue Reading

top3

জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষাকে অবজ্ঞা করেছে সরকারি দল

Published

on

By

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, নির্বাচনে আমাদের প্রত্যাশা পুরোপুরি পূরণ হয়নি।তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রস্তুতি ছিল তাদের মন্ত্রীদের শপথ অনুষ্ঠানে যাওয়ার। কিন্তু আমরা মানসিকভাবে ধাক্কা খেয়েছি। আমরা আমাদের জুলাই শহীদদের অশ্রদ্ধা করতে পারি না।’

মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) এক বক্তব্যে তিনি নির্বাচন পরবর্তী পরিস্থিতি এবং শপথ গ্রহণ নিয়ে দলের অবস্থান পরিষ্কার করেন।

শপথের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমাদেরকে যে চিঠি দেওয়া হয়েছিল সেখানে দুটি শপথের কথা বলা হয়েছিল। সংসদ সদস্যের পরে সংবিধান সংস্কার পরিষদের গণভোটের শপথ।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা রুমে প্রবেশ করার পর সচিব জানালেন সরকারি দল শুধু সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিয়েছেন। আমরা দুটো নিলাম।’

২০২৬ সালের এই নির্বাচনের পটভূমি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে জামায়াত আমির বলেন, ‘২০২৬ সালে কোনো নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল না। ২৪ এর গণঅভ্যুত্থানের কারণে এই নির্বাচন হয়েছে। শপথের বিষয়ে আমরা হয়তো ভিন্ন চিন্তা করতে পারতাম। কারণ জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা ও গণভোটের রায়কে আমরা দায়িত্ব বলে গণ্য করেছি। আমরা গণভোটের রায় ও জুলাই এর আকাঙ্ক্ষাকে সম্মান করেছি।’

সরকারি দলের অবস্থানের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ”সরকারি দল ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদ’-এর শপথ না নিয়ে জুলাইকে উপেক্ষা ও অবজ্ঞা করেছে। এটা জনআকাঙ্ক্ষার বিপরীতে তাদের অবস্থান। সংস্কারের বিপরীতে তাদের এই অবস্থান স্পষ্ট। যদিও তারা ভিন্ন বক্তব্য দিয়েছেন। যদি তারা জুলাইকে সম্মান করেন, সংষ্কারকে ধারণ করেন তাহলে তারা সেই শপথ নেবেন। যিনি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন তিনিও গণভোটে ‘হ্যাঁ’ এর পক্ষে ভোট চেয়েছেন।”

শপথের বৈধতা ও জুলাই বিপ্লবের মর্যাদা প্রসঙ্গে তিনি মন্তব্য করেন, ‘কার কাছে শপথ নেবে সেটা তারা তাদের পছন্দমতো ব্যক্তির কাছে নিতে পারেন। কিন্তু আমরা দেখতে চাই জুলাই সম্মানিত হয়েছে, স্বীকৃতি পেয়েছে। জুলাইকে অসম্মান, অশ্রদ্ধা ও স্বীকৃতি না দিয়ে ২৬ এর এই পার্লামেন্ট গৌরবের আসনে বসতে পারবে না।’

কেন জামায়াত মন্ত্রীদের শপথ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেনি, তার কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রস্তুতি ছিল তাদের মন্ত্রীদের শপথে যাওয়ার। কিন্তু আমরা মানসিকভাবে ধাক্কা খেয়েছি। আমরা আমাদের জুলাই শহীদদের অশ্রদ্ধা করতে পারি না। যার কারণে শত ইচ্ছা থাকলেও আমরা শপথে যেতে পারলাম না। এজন্য আফসোস থাকল।’

Continue Reading

Trending