Connect with us

ক্যাম্পাস

রাকসুর নির্বাচনী প্রচারণা শুরু আজ, মানতে হবে যেসব নিয়ম

Published

on

রাবি প্রতিনিধি

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু), হল সংসদ ও সিনেটে ছাত্র প্রতিনিধি নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণা শুরু হচ্ছে আজ সোমবার। প্রচারণা চলবে আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। আচরণবিধি অনুযায়ী প্রচারণার সময় সকাল ১০টায় শুরু হয়ে রাত ১০টায় শেষ করতে হবে। এর মাঝে নির্বাচনী প্রচারণায় প্রার্থীদের মানতে হবে আচরণবিধির নিয়ম।

এর আগে গতকাল রোববার বিকেলে লটারি করে প্রার্থীদের ব্যালট নম্বর বরাদ্দ এবং রাতে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হয়। নির্বাচনী আচরণবিধি অনুযায়ী, প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত হওয়ার দিন থেকে ভোট গ্রহণের ২৪ ঘণ্টা আগপর্যন্ত সব ধরনের নির্বাচনী প্রচারণা করা যাবে। তবে গতকাল বিকেল থেকে বৃষ্টি থাকায় প্রচারণায় নামতে পারেননি প্রার্থীরা।

মানতে হবে যেসব নিয়ম:

নির্বাচনি আচরণবিধিতে প্রচার-প্রচারণার নিয়মাবলীতে বলা হয়েছে, প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত হওয়ার দিন থেকে ভোট গ্রহণের ২৪ ঘণ্টা পূর্ব পর্যন্ত সকাল ১০টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত নির্বাচনী প্রচারণা করতে পারবে। এ ক্ষেত্রে প্রার্থী ও ভোটার ব্যতীত অন্য কেউ বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় প্রচারণা চালাতে পারবে না।

নির্বাচনী প্রচারণায় সাদা-কালো ৬০ সেমি দৈর্ঘ্য ও ৪৫ সেমি প্রস্থের পোস্টার ব্যবহার করা যাবে। তবে ভবনের দেয়ালে লেখনী ও পোস্টার লাগানো যাবে না। প্রার্থী পরিচিতি সভা ছাড়া অন্য কোনো সভায় মাইক ব্যবহার করা যাবে না।

এ ছাড়াও প্রার্থীদের প্রচারণার ক্ষেত্রে নির্বাচনী প্রচারণার উদ্দেশ্যে ছাত্রদের আবাসিক হলে ছাত্রী এবং ছাত্রীদের আবাসিক হলে ছাত্র, সংশ্লিষ্ট হলের রিটার্নিং কর্মকর্তার অনুমতি নিয়ে পরিচিতি সভায় প্রবেশ করতে পারবে। ক্যাম্পাসে কোনো সভা করতে হলে সভার স্থান ও সময় সম্পর্কে প্রক্টরকে জানাতে হবে। নির্বাচনি কার্যক্রম চলাকালে সকলকে পরিচয়পত্র সঙ্গে রাখতে হবে। বহিরাগত কেউ আবাসিক হলে অবস্থান করতে পারবে না।

আচরণবিধিতে আরও বলা হয়েছে, প্রার্থী বা তার পক্ষে প্রতিদ্বন্দ্বী কেউকে ভয়ভীতি প্রদর্শন, বলপ্রয়োগ ও ভোটদানে বাধাগ্রস্ত করতে পারবে না; হল এবং একাডেমিক ভবনের অভ্যন্তরে মিছিল, সমাবেশ করা যাবে না; নির্বাচনী প্রচারণায় কোনো প্রকার মিডিয়ায় মানহানিকর আচরণ, অশালীন উক্তি ও উসকানিমূলক কোনো কথা বলা যাবে না।

এই আদেশ অমান্য করলে তৎক্ষণাৎ তাকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে সোপর্দ করা হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সুষ্ঠু পরিবেশ ও শান্তি-শৃঙ্খলা নষ্ট করার চেষ্টা করলে এবং নির্বাচন নীতিমালা অনুযায়ী আচরণবিধি ভঙ্গ করলে তাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন মোতাবেক শাস্তির আওতায় আনা হবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে রাকসুর প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক এফ নজরুল ইসলাম বলেন, ‘আজ থেকে শুরু হচ্ছে রাকসুর প্রচার-প্রচারণা। প্রার্থীরা আজ থেকেই আচরণবিধি মেনে প্রচার চালাতে পারবেন। এ ছাড়াও আচরণবিধিতে কিছু বিষয় উল্লেখ নেই আমরা আজকের ভেতরেই তা যুক্ত করব।’

রাকসু নিয়ে প্রশাসনের সেমিনার:

রাকসু, হল সংসদ ও সিনেট ছাত্র প্রতিনিধি নির্বাচনের সব প্রার্থী ও শিক্ষার্থীদের সচেতনতা বৃদ্ধিতে ‘রাকসু কী এবং কেন’শীর্ষক এক সেমিনারের আয়োজন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। আজ বেলা ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তনে এ সেমিনার শুরু হয়েছে।

সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত আছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক সালেহ্ হাসান নকীব। বিশেষ অতিথি হিসেবে সহ–উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ মাঈন উদ্দীন ও অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন খান। 

উল্লেখ্য, তফসিল অনুযায়ী আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর অ্যাকাডেমিক ভবনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ওই ভোটগ্রহণ শেষে ফলাফল ঘোষণা করা হবে।

ক্যাম্পাস

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে নবনির্মিত প্রকৌশল ভবনের উদ্বোধন

Published

on

By

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের নবনির্মিত প্রকৌশল ভবনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। সোমবার (০৬ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টায় ফিতা কেটে ভবনটির শুভ উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন।

উদ্বোধনী বক্তব্যে উপাচার্য বলেন, “বাংলায় একটি প্রবাদ আছে—’কামারের ভাঙা দা আর ছুতারের ভাঙা নাও’। তারা নিজেরা জিনিস তৈরি করে বলে অনেক সময় জোড়াতালি দিয়ে কাজ চালায়। ঠিক একইভাবে বেশির ভাগ বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রকৌশল দপ্তরগুলো খুব একটা গোছানো বা সুন্দর হয় না। তবে আমরা এর ব্যতিক্রম করতে চাই; প্রকৌশল দপ্তরকে একটি আধুনিক ও দৃষ্টিনন্দন দপ্তর হিসেবে দেখতে চাই।”

তিনি আরও বলেন, “শুধুমাত্র একটি অবকাঠামো তৈরি করাই শেষ কথা নয়, বরং এর সঠিক রক্ষণাবেক্ষণ করাটাই সবচেয়ে বড় বিষয়। ভবনটিকে নিজেদের বাড়ির মতো করে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে এবং এর দীর্ঘস্থায়িত্ব নিশ্চিত করতে যা যা প্রয়োজন, তার সবকিছুই করতে হবে।”

ভবনটির উদ্বোধনকালে আরও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ইমদাদুল হুদা, ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. সাখাওয়াত হোসেন সরকার, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. বখতিয়ার উদ্দিন এবং চারুকলা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মুহাম্মদ এমদাদুর রাশেদ (রাশেদ-সুখন)।

এছাড়া পরিকল্পনা, উন্নয়ন ও ওয়ার্কস দপ্তরের পরিচালক মো. হাফিজুর রহমান, উপ-প্রধান প্রকৌশলী মোহাম্মদ মাহবুবুল ইসলামসহ বিভিন্ন বিভাগের প্রধান, প্রকৌশলী, শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও সাধারণ শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

উদ্বোধন শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক কল্যাণ ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ দোয়া পরিচালনা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের পেশ ইমাম হাফেজ মুফতি মো. আব্দুল হাকীম।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ‘জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভৌত অবকাঠামো উন্নয়ন’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় দুই তলা ভিত্তির ওপর এই দুই তলা বিশিষ্ট প্রকৌশল ভবনের নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে।

Continue Reading

ক্যাম্পাস

বেরোবিতে ব্রুডার নেতৃত্বে ইরা, শিশির ও শাহিনুর‎

Published

on

By

আনাস মাহমুদ, বেরোবি প্রতিনিধি

‎বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) প্রথম বিতর্ক সংগঠন বেগম রোকেয়া ইউনিভার্সিটি ডিবেট অ্যাসোসিয়েশন-ব্রুডা এর ১৩তম এক্সিকিউটিভ কমিটি (২০২৫–২৬) ঘোষণা করা হয়েছে। গত ৩ জুলাই নতুন এ কমিটির নাম আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়।

‎ঘোষিত কমিটিতে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী সামিয়া হক ইরা, সাধারণ সম্পাদক(বিতর্ক) হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষার্থী মোঃ ওবায়দুর রহমান শিশির ও সাধারণ সম্পাদক (প্রসাশন) হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মোঃ শাহিনুর রহমান। এছাড়া সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী আইরিন আক্তার লাবণ্য এবং অর্থ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষার্থী নাফিউর হাসান।

‎বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর থেকেই বেগম রোকেয়া ইউনিভার্সিটি ডিবেট অ্যাসোসিয়েশন (ব্রুডা) ক্যাম্পাসে বিতর্ক চর্চার প্রসার, যৌক্তিক চিন্তাভাবনার বিকাশ এবং নেতৃত্ব তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। দীর্ঘ সময় ধরে সংগঠনটি বিভিন্ন আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় বিতর্ক প্রতিযোগিতা, প্রশিক্ষণ কর্মশালা, ডিবেট স্কুলিং এবং বুদ্ধিবৃত্তিক কার্যক্রমের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে যুক্তি, বিশ্লেষণী চিন্তা ও নেতৃত্বের গুণাবলি বিকাশে কাজ করে যাচ্ছে।

‎সংগঠনটির দীর্ঘদিনের নীতির অংশ হিসেবে নেতৃত্ব নির্বাচনের ক্ষেত্রে সবসময় যোগ্যতা, দক্ষতা এবং সংগঠনের প্রতি অবদানকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

‎নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে সংগঠনটির কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে বিতর্ক চর্চার ক্ষেত্র আরও বিস্তৃত হবে বলে আশা করা যায়।

Continue Reading

ক্যাম্পাস

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্যালেন্ডারের মোড়ক উন্মোচন

Published

on

By

ইবি প্রতিনিধি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের বার্ষিক ক্যালেন্ডারের মোড়ক উন্মোচন করা হয়েছে। সোমবার (৬ জুলাই) দুপুরে উপাচার্যের কার্যালয়ে উপাচার্য অধ্যাপক এ কে এম মতিনুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ক্যালেন্ডারের মোড়ক উন্মোচন করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. এয়াকুব আলী, ক্যালেন্ডার মুুদ্রণ কমিটির আহ্বায়ক ড. মো. আলীনূর রহমান, সদস্য অধ্যাপক ড. মো. আবুল কালাম আজাদ ও কমিটির সদস্য সচিব ও তথ্য, প্রকাশনা ও জনসংযোগ অফিসের উপ-পরিচালক মো. রাজিবুল ইসলাম।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, মুদ্রণ কমিটিতে আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রফেসর ড. মোঃ আলীনূর রহমান। কমিটির সদস্য হিসেবে ছিলেন হিসাববিজ্ঞান ও তথ্য পদ্ধতি বিভাগের প্রফেসর ড. মোঃ মিজানূর রহমান, আরবী ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের প্রফেসর ড. মোঃ কামরুল হাসান, বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রফেসর ড. মোঃ আবুল কালাম আজাদ এবং তথ্য, প্রকাশনা ও জনসংযোগ অফিসের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ সাহেদ হাসান।

এছাড়া কমিটির সদস্য-সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তথ্য, প্রকাশনা ও জনসংযোগ অফিসের উপ-পরিচালক মোঃ রাজিবুল ইসলাম।

এ বিষয়ে মুদ্রণ কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো. আলীনূর রহমান বলেন, ক্যালেন্ডারটির গেটআপ ও সেটআপ যথাসম্ভব সুন্দর করার চেষ্টা করেছি, কোরআনের আয়াত যুক্ত করেছি।

এবারের ক্যালেন্ডারে ছুটির বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, ছুটির ক্ষেত্রে কিছু নির্দিষ্ট নির্দেশিকা রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু নিজস্ব নীতি ও সরকারি ছুটির বিষয়গুলো বিবেচনা করে এবারের ক্যালেন্ডারে ছুটি যথাসম্ভব কমানোর চেষ্টা করা হয়েছে। ছুটির বিষয়টি মূলত সিন্ডিকেট বা একাডেমিক কাউন্সিলে পাস হলে ভালো হতো, তবে জরুরি প্রয়োজনে এখনই এটি দিয়ে দেওয়া হয়েছে। পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ প্রয়োজন মনে করলে ছুটি আরো কমাতে চাইলে এটি সমন্বয় করে নিতে পারবেন।

তিনি আরও বলেন, “ভিসি স্যারের পক্ষ থেকে বার্তা হলো—সবাই যদি ঠিকমতো ক্যালেন্ডারের এই সূচি মেনে চলেন এবং ক্লাস ও পরীক্ষাগুলো যথাসময়ে সম্পন্ন করেন, তাহলে শিক্ষাবর্ষে কোথাও কোনো গ্যাপ বা সেশনজট থাকবে না।”

Continue Reading

Trending