Connect with us

ক্যাম্পাস

রাতভর সাউন্ডবক্স বাজানোর প্রতিবাদে ফেসবুক পোস্ট; শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ

Published

on

ইবি প্রতিনিধি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) খেলায় রাতভর উচ্চ-শব্দে সাউন্ডবক্স বাজানোর প্রতিবাদে ফেসবুক পোস্টের জেরে এক শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে হিসাববিজ্ঞান ও তথ্য পদ্ধতি বিভাগের কয়েকজন শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে। শুক্রবার (১৪ নভেম্বর) বিকেলে ব্যবসায় প্রশাসন ভবন ও রবীন্দ্র-নজরুল কলা ভবনের মাঝের সড়কে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট বিভাগের ২০২০-২১ বর্ষের শিক্ষার্থী মাহফুজুর রহমান।

ক্যাম্পাস সূত্রে জানা যায়, গতকাল (বৃহস্পতিবার) সাদ্দাম হল সংলগ্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিসি’র সামনে রাত সাড়ে এগারোটা পর্যন্ত কিছু শিক্ষার্থী সাউন্ডবক্সে উচ্চ শব্দে গান বাজাতে থাকে। পাশাপাশি ওই হলের সামনে কেন্দ্রীয় ক্রিকেট মাঠে রাতভর উচ্চশব্দে সাউন্ডবক্স বাজিয়ে ক্রিকেট খেলে হিসাব বিজ্ঞান ও তথ্যপদ্ধতি বিভাগের শিক্ষার্থীরা। এতে হলের আবাসিক শিক্ষার্থী মাহফুজুর রহমান ভোররাতের দিকে উচ্চশব্দ করে ক্রিকেট খেলোয়াড়দের গালি দিয়ে একটি ফেসবুক পোস্ট করেন। ফজরের নামাজের সময় হল থেকে বের হলে মাহফুজের সঙ্গে ক্রিকেট খেলোয়াড়দের বাকবিতন্ডা হয়। পরে ক্রিকেট খেলোয়াড়রা তাকে ফেসবুক পোস্টটি ডিলিট করার অনুরোধ করলে ভুক্তভোগী মাহফুজ সকালে পোস্টটি ডিলিট করেন। পরে বিকেলে মাগরিবের নামাজের আগে মাহফুজকে একা পেয়ে হিসাব বিজ্ঞান ও তথ্য পদ্ধতি বিভাগের অন্তত ১৫/২০ জন শিক্ষার্থী ঘিরে ধরে জেরা করতে থাকে এবং তর্কাতর্কির এক পর্যায়ে এলোপাতাড়ি মারধর করেন বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীর। এতে তিনি মাথায় ও ঘাড়ে আঘাত পেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসা কেন্দ্রে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

এ ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষার্থীরা হলেন- হিসাববিজ্ঞান ও তথ্য পদ্ধতি বিভাগের ২০২০-২১ বর্ষের আদিব রহমান, ওলি আহমেদ, রাহাত আহমেদ, কাউসার আহমেদ, ২০২১-২২ বর্ষের খলিলুর রহমান এবং ২০১৯-২০ বর্ষের সিয়াম সহ বেশ কয়েকজন।

অভিযুক্ত ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ওলি আহমেদ বলেন, ‘আমি ঘটনার সময় উপস্থিত ছিলাম না। ঘটনা সম্পর্কে আমার জানা নেই।’

অভিযুক্ত ২০২০-২১ বর্ষের শিক্ষার্থী আদিব বলেন, ঐ ঘটনায় আমি উপস্থিতই ছিলাম না। আমি আমার এক বন্ধুর সাথে ছিলাম।

আরেক অভিযুক্ত শিক্ষার্থী খলিলুর রহমান বলেন, ‘আমি নিজেই অসুস্থ। মেডিকেলে যাওয়ার পথে তার সাথে পোস্টটা নিয়ে জেরা হচ্ছিল। তার ওই পোস্টটি গঠনমূলক সমালোচনার উপায়ে দিতে বলছিলাম। আমরা ৬/৭ জন ছিলাম। সেখানে মারধরের কোনো ঘটনা ঘটেনি৷’ আঘাত কিভাবে পেয়েছে জিজ্ঞেস করলে তিনি ‘জানি না’ বলে অস্বীকার করেন।

এসময় ভুক্তভোগী মাহফুজুর রহমান বলেন, ‘গতকাল রাতে উচ্চ শব্দের কারণে আমরা হলের আবাসিক শিক্ষার্থীরা পড়তে পারিনি। আমার সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা চলছে। সাড়ে এগারোটার দিকে আমি ফেসবুকে একটা পোস্ট দিই। ওই পোস্টটা দিয়ে আমি ঘুমাতে যাওয়ার চেষ্টা করি, পড়তে পারিনি। কিন্তু দুর্ভাগ্য আমি ঘুমাতে পারি না। সারারাত ঘুম না আসার পরে যখন ফজরের আজান শুরু হয় তখন আমি একটা পোস্ট দিই। পোস্টটা এরকম ছিল যে, “কিছু শুয়োরের বাচ্চার জন্য রাতে ৩০ মিনিটও ঘুমাতে পারলাম না”। পরে ভোররাতে তারা আমাকে ডেকে হুমকি-ধমকি দেয়। বিকেলে সেন্ট্রাল মসজিদের দিকে নামাজের উদ্দেশ্যে যাওয়ার সময় আমাকে একা পেয়ে তারা আমাকে মারধর করে। ওখানে তারা সবমিলিয়ে ১৫ থেকে ২০ জনের মতো ছিলো।

এবিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসা কেন্দ্রের ডেপুটি চিফ মেডিকেল অফিসার ডা. জাকিয়া আকতার বলেন, ‘ওই শিক্ষার্থীর মাথায় ও কাঁধে খানিকটা ফুলে গেছে, গুরুতর কিছু হয়নি। আমরা প্রাথমিক চিকিৎসা এবং ইনজেকশন দিয়েছি।’

হিসাব বিজ্ঞান ও তথ্য পদ্ধতি বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. আব্দুস সবুর বলেন, ‘তাদের খেলার আয়োজনের বিষয়ে আমি অবগত ছিলাম না। আগামীকাল (শনিবার) ক্যাম্পাসে এসে বিষয়টি দেখবো।’

ক্যাম্পাসে উচ্চ শব্দ বন্ধের বিষয়ে ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. ওবায়দুল ইসলাম বলেন, ‘প্রক্টরের সঙ্গে আলোচনা করে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেব’।

প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামান বলেন, ‘ঘটনাটি শুনে বিষয়টি খোঁজ নিয়েছি। আহত শিক্ষার্থীর অবস্থাও জেনেছি। লিখিত অভিযোগ দিলে পরবর্তী পদক্ষেপ নেব।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ক্যাম্পাস

রমজানকে স্বাগত জানিয়ে ইবিতে ‘বরকতের বারিধারা’: চাইলেন হাদির বিচার

Published

on

By

ইবি প্রতিনিধি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) মাহে রমাদানকে স্বাগত জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘ব্যতিক্রম সাহিত্য সাংস্কৃতিক জোট’-এর উদ্যোগে ‘বরকতের বারিধারা’ নামক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছে।

বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বাদ মাগরিব বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় এ অনুষ্ঠানটি আয়োজন করা হয়। এতে অভিনব কৌশলে শহিদ ওসমান হাদির বিচার চেয়ে ফেস্টুন টাঙিয়েছে আয়োজকরা। যেখানে লেখা—“অন্তত বিচারটা কইরেন।”

অনুষ্ঠানটি শুরু হওয়ার পূর্বে বাদ মাগরিব বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ থেকে বর্ণাঢ্য র‍্যালি শুরু করে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন রাস্তায় প্রদক্ষিণ করে বটতলায় সমবেত হয়। সেখানে বরকতের বারিধারা কর্মসূচি সম্পন্ন করেন। অনুষ্ঠানে হামদ, নাত ও রমজানকে স্বাগত জানিয়ে বিভিন্ন ইসলামী নাশিদ পরিবেশন করেন।

অনুষ্ঠানটির পরিচালক আবু সুফিয়ান বলেন, ‘পবিত্র মাহে রমজান আগমন উপলক্ষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ‘রহমতের বারিধারা’ আমরা ব্যতিক্রম সাহিত্য সাংস্কৃতিক জোট আজকের এই আয়োজনের মাধ্যমে সবাইকে জানাতে চাই— রমজানের এই সুধা ছড়িয়ে পড়ুক সবার মাঝে। সকল ধরনের পাপাচার অশ্লীলতা থেকে মানুষ দূরে থাকুক কোরআনের আলোয় মানুষ জীবন গড়ুক। সুস্থ সংস্কৃতি ছড়িয়ে পড়ুক সবার মাঝে এই প্রত্যাশায়।’

হাদির ফেস্টুন বিষয়ে আয়োজকরা জানান, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার হাদির বিচার সম্পন্ন করতে পারেনি। তাদের প্রত্যাশা এই নতুন সরকার যাতে হাদিকে ভুলে না যায় এবং হাদি হত্যার বিচারটা অন্তত করেন। মূলত আনন্দ দুঃখে যেকোনো সময় হাদিকে স্মরণে রাখতে এমন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

Continue Reading

ক্যাম্পাস

ঢাবি ক্যাম্পাসে তারকা জার্মান ফুটবলার মেসুত ওজিল

Published

on

By

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শহীদ মর্তুজা মেডিকেল সেন্টারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড উদ্বোধন অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন জার্মানির বিশ্বকাপজয়ী তারকা মেসুত ওজিল। আজ বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৩টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের আয়োজনে এই অনুষ্ঠান শুরু হয়।

জানা গেছে, নতুন সরকারের শপথ ও মন্ত্রীসভা নিয়ে যখন আলোচনায় সরগরম দেশ, সে সময় অনেকটা চুপিসারেই বাংলাদেশে পা রেখেছেন ২০১৪ বিশ্বকাপজয়ী এই তারকা। আসন্ন রমজানে রোহিঙ্গা ক্যাম্প ঘুরে দেখতে যাবেন তিনি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, তুর্কি সরকারের আওতাধীন ‘টিকা’ নামের একটি প্রজেক্ট শহীদ মর্তুজা মেডিকেল সেন্টারের বেশকিছু উন্নয়নমূলক কাজে ঢাবি প্রশাসনকে সাহায্য করছে। এই প্রজেক্টের উদ্বোধনেই মূলত ঢাবিতে এসেছেন ওজিল। ইতোমধ্যে এই প্রজেক্ট ঢাবি মেডিকেল সেন্টারকে ২ কোটি ৭৫ লাখ টাকার মতো সহায়তা দিয়েছে বলে জানিয়েছেন ডাকসু সম্পাদক মিনহাজ।

জানা গেছে, গতকাল (১৭ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশে এসেছেন ওজিল। আজ ঢাবিতে প্রজেক্ট উদ্বোধনের পর আগামীকাল রোহিঙ্গা ক্যাম্পে একটি ইফতারে অংশ নেওয়ার কথা আছে তার। এরপর রাতেই দেশ ছাড়বেন তিনি।

Continue Reading

top3

বিএনপিপন্থী শিক্ষকদের দুই পক্ষের মারামারি, উপাচার্য-প্রক্টরসহ আহত ৭

Published

on

By

সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (সিকৃবি) শিক্ষকদের দুই গ্রুপের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। আজ রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। এতে উপাচার্য অধ্যাপক ড. আলিমুল ইসলাম ও প্রক্টর ড. জসিম উদ্দিনসহ উভয় পক্ষের অন্তত সাতজন আহত হয়েছেন। উপস্থিত শিক্ষকেরা এ কথা জানিয়েছেন। উভয় পক্ষই বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএনপিপন্থী সাদা দলের শিক্ষক।

জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ে চলমান নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়ম হচ্ছে—এমন অভিযোগের বিষয়ে কয়েকজন শিক্ষক রোববার দুপুরে উপাচার্যের সঙ্গে আলোচনা করতে যান। সে সময় উপাচার্য আলিমুল ইসলামের সঙ্গে শিক্ষকদের উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয়। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও কর্মকর্তাদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। উভয় পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে হাতাহাতি ও মারামারির ঘটনা ঘটে। এতে ভিসিসহ বেশ কয়েকজন শিক্ষক আহত হন। তবে তাঁদের কারোরই অবস্থা গুরুতর নয়।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাদা দলের সাবেক সভাপতি অধ্যাপক ডক্টর মো. এমদাদুল হক বলেন, ‘নির্বাচন চলাকালীন বিশ্ববিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীদের অ্যাডহক নিয়োগ দেওয়া হয়। সেখানে কিছু ত্রুটি আছে। আমরা তাকে উপাচার্যকে এই নিয়োগ দিতে না করি। তবুও তিনি নিয়োগ দেন। মানুষ নির্বাচন নিয়ে ব্যস্ত আর তিনি ১০ ফেব্রুয়ারি এই নিয়োগ দেন। আমরা এটার বিষয়ে উনার সঙ্গে গতকাল বসতে চাচ্ছিলাম। তিনি গতকাল সময় দেননি। আজ গেলে আমাদের সঙ্গে কথা বলেন। তখন সেখানে উপস্থিত প্রক্টর প্রফেসর ড. জসিম উদ্দিন আমাদের একজন শিক্ষকের ওপর চড়াও হন। তিনি মোজাম্মেল স্যারকে লাথি মেরে সরিয়ে দেন আর তখন মাহবুব স্যার ঝামেলা মেটাতে এলে তাকেও ঘুষি মারা হয়। তখন এই মারামারির ঘটনা ঘটে। তার কাছে কোনো কিছু নিয়ে গেলেই তিনি বলতেন আমি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ভিসি, আমি কোনো কাজ করতে পারব না। এখন শেষ সময়ে তিনি এই নিয়োগ কীভাবে দেন। এই নিয়োগের মাধ্যমে ইউজিসি আমাদের বাজেট বন্ধ করিয়ে দেবে। তখন আমরা কীভাবে বাঁচব। আমরা সাবধান করতে গিয়েছিলাম। আর আমাদের ওপর হামলা করা হয়।’

ঘুষি ও লাথির বিষয়ে জানতে প্রক্টর প্রফেসর ড. জসিম উদ্দিনকে মোবাইল ফোনে চারবার কল দেওয়া হয়। কিন্তু তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

সিকৃবি উপাচার্য অধ্যাপক ডক্টর আলিমুল ইসলাম বলেন, ‘আমি বিশ্ববিদ্যালয়ে জয়েন করার পরে একটি ব্যানার ছেঁড়া নিয়ে গন্ডগোল হয়। তখন ছাত্রদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে আমরা প্রক্টর ও রেজিস্ট্রার নিয়োগ দিই। টিচাররাই তাদের নির্ধারণ করে দেন। এখন সহযোগিতা করছে না। নয়া সরকার আসছে, এখন তারা আসছে এই সরকারের লোক বলে। ওরা যে সরকারের লোক, আমিও তো সেই সরকারের লোক। এনএসআই, ডিজিএফআই সব সরকারের কাছেই আমার ইনফরমেশন আছে। কিছু শিক্ষক ও কর্মচারী মিলে অযথা মব সৃষ্টি করছে। এটা সর্বকালের শ্রেষ্ঠ নিয়োগ। কোনো টাকা, কোনো সুপারিশ কাজ করেনি এই বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য। লিখিত, ভাইভাসহ যোগ্য লোকদেরই নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। যেখানের ম্যাক্সিমাম সিলেটেরই।’

উপাচার্য তাঁর কক্ষে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় ছয়জন আহতের কথা স্বীকার করেছেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সাদা দলের সাবেক সভাপতি অধ্যাপক ডক্টর মো. এমদাদুল হক বলেন, ‘আমরা এ বিষয়ে থানায় কোনো অভিযোগ দিইনি।’

সিলেট মহানগর পুলিশের শাহপরান (রহ.) থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘এ বিষয়ে কোনো তথ্য আমাদের কাছে নেই। থানায় কেউ কোনো অভিযোগ নিয়েও আসেনি

Continue Reading

Trending