Connect with us

top1

রাষ্ট্রপতিকে অপসারণ করে গ্রেপ্তার করতে হবে: নাহিদ ইসলাম

Published

on

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন ‘চুপ্পু’কে দ্রুত অভিশংসনের মাধ্যমে অপসারণ করে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ব্যবস্থা করতে হবে। একই সঙ্গে তাকে গ্রেপ্তারেরও দাবি জানান তিনি।

শুক্রবার (১৩ মার্চ) ময়মনসিংহ বিভাগীয় ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন নাহিদ ইসলাম।

তিনি বলেন, নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিয়ে নানা অভিযোগ ও সমালোচনা থাকলেও সংসদের প্রতি সম্মান দেখিয়ে তারা সেখানে অংশ নিয়েছিলেন। তবে সংসদে তাদের উপস্থিতির পরও রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনকে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছে, যা জুলাইয়ের আন্দোলনের আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে মন্তব্য করেন তিনি।

নাহিদ ইসলাম বলেন, স্পিকারকে রাষ্ট্রপতির বক্তব্য নিয়ে নিজেদের মতামত দেওয়ার সুযোগ দিতে অনুরোধ করা হয়েছিল। কিন্তু সে সুযোগ না দিয়ে রাষ্ট্রপতিকে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়। এর প্রতিবাদে তারা সংসদ থেকে ওয়াকআউট করেন।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, রাষ্ট্রপতি শপথ ভঙ্গ করেছেন এবং তার বিরুদ্ধে আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। পাশাপাশি গণহত্যার সময় তিনি নির্বিকার ভূমিকা পালন করেছেন বলেও দাবি করেন নাহিদ ইসলাম। এসব কারণে তাকে অভিশংসনের মাধ্যমে অপসারণ ও গ্রেফতারের দাবি জানান তিনি।

ময়মনসিংহবাসীর উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জাতীয় ছাত্র শক্তির সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল্লাহ জুলাই আন্দোলনে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে গণপ্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন। তিনি বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক ছিলেন। তার বাড়িতে আগুন দেওয়ার ঘটনা উল্লেখ করে নাহিদ ইসলাম বলেন, ফ্যাসিস্ট শক্তি এখনও ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ অতীতে গুপ্ত হামলা, অগ্নিসন্ত্রাস ও দাঙ্গা-হাঙ্গামার মাধ্যমে রাজনীতিতে টিকে থাকার চেষ্টা করেছে। তবে ৫ আগস্ট দেশের জনগণ তাদের পরাজিত ও প্রতিহত করেছে।

ইফতারের আগে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী। তিনি বলেন, যারা জনগণের সেবা করতে চান, তারা যেন ময়মনসিংহকে দেশের অন্যতম সুন্দর বিভাগীয় শহরে পরিণত করতে পারেন—সেজন্য দোয়া করা উচিত।

এ সময় অসুস্থ বিএনপি নেতা মির্জা আব্বাসের সুস্থতার জন্যও দোয়া কামনা করেন তিনি

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

ইরানে নিখোঁজ পাইলটকে হত্যা করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র

Published

on

By

ইরানে বিধ্বস্ত হওয়া মার্কিন যুদ্ধবিমানের নিখোঁজ পাইলটকে উদ্ধার করতে ব্যর্থ হয়ে এখন তাকে সশরীরেই নিশ্চিহ্ন করে দিতে চাইছে যুক্তরাষ্ট্র। গত দুই দিন আগে ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর হাতে ভূপাতিত হওয়া ওই বিমানের ক্রু যেখানে অবস্থান করতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে, সেখানেই নির্বিচারে বোমা হামলা চালাচ্ছে মার্কিন বাহিনী। ইরানের প্রভাবশালী সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এক সামরিক সূত্র চাঞ্চল্যকর এই তথ্য ফাঁস করেছে।

ওই সামরিক সূত্রের দাবি, নিখোঁজ পাইলটকে জীবিত উদ্ধারের আশা ছেড়ে দিয়ে এখন তাকে হত্যা করার মিশন হাতে নিয়েছে ওয়াশিংটন। মূলত গোয়েন্দা তথ্য বা গোপনীয়তা ফাঁসের ভয়েই আমেরিকা এমন মরিয়া পদক্ষেপ নিচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে গত রাতে কোহগিলুয়ে ও বয়ের আহমদ প্রদেশের বিভিন্ন স্থানে মার্কিন যুদ্ধবিমানগুলো বোমাবর্ষণ করেছে। পেন্টাগনের ধারণা, ওই এলাকায় তাদের নিখোঁজ পাইলট অবস্থান করছে।

ইরানি সামরিক সূত্রটি জানায়, ভূপাতিত যুদ্ধবিমানের দ্বিতীয় আরোহী বা ক্রু মেম্বারকে খুঁজে পেতে হন্যে হয়ে উঠেছে মার্কিন সেনারা। তাকে উদ্ধারের কোনো উপায় না দেখে এখন একাধিক সম্ভাব্য স্থানে বোমা মেরে তাকে মেরে ফেলার চেষ্টা চলছে। তবে ওই পাইলট বর্তমানে ইরানি বাহিনীর কব্জায় রয়েছেন কি না, সে বিষয়ে সূত্রটি সরাসরি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।

সূত্রটি আরও জানায়, আমরা এই মুহূর্তে সব তথ্য প্রকাশ করছি না। তবে এটুকু নিশ্চিত যে, আমেরিকা তাদের প্রথম পাইলটকে উদ্ধার করার যে দাবি করেছে, তা পুরোপুরি সত্য নয়। তারা বড় ধরনের সত্য গোপন করছে।

তেহরানের দাবি, এই বিধ্বস্ত যুদ্ধবিমান এবং এর পাইলটদের নিয়ে সৃষ্ট রহস্য শেষ পর্যন্ত মার্কিন প্রশাসনের জন্য এক বিশাল আন্তর্জাতিক কেলেঙ্কারি বা ‘স্ক্যান্ডাল’ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে। এই ঘটনার পর মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

Continue Reading

top1

৫ লাখ টন ডিজেল ও ২ কার্গো এলএনজি আমদানির অনুমোদন

Published

on

By

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের পরিপ্রেক্ষিতে দেশের জরুরি জ্বালানি চাহিদা পূরণের জন্য সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে কাজাখস্তান থেকে ৫ লাখ টন পরিশোধিত ডিজেল ও সিঙ্গাপুর থেকে দুই কার্গো তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানি করবে সরকার।

শনিবার (৪ এপ্রিল) ছুটির দিনে বিকেলে অনলাইনে অর্থমন্ত্রী আমিরর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভায় এই প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা সিরাজ উদ-দৌলা খান গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

সভায় ১৬ লাখ টন ডিজেল ও ১ লাখ টন পেট্রোল আমদানির তিনটি প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়।

এর মধ্যে কাজাখস্তানের প্রতিষ্ঠান কাজাখ গ্যাস প্রসেসিং প্ল্যান্ট এলএলপির কাছ থেকে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে ৫ লাখ টন হাই স্পিড ডিজেল (এইচএসডি) বা অটোমোটিভ গ্যাস অয়েল (এজিও) আমদানির প্রস্তাব অনুমোদন করেছে কমিটি।

এ ছাড়া সিঙ্গাপুরভিত্তিক আরামকো ট্রেডিং সিঙ্গাপুর পিটিই লিমিটেড থেকে ২ কার্গো এলএনজি আমদানির প্রস্তাব অনুমোদন করেছে ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।

সংযুক্ত আরব আমিরাত ভিত্তিক ডিবিএস ট্রেডিং হাউজ এফজেডসিওর কাছ থেকে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে ১০ লাখ টন ইএন ৫৯০-১০ পিপিএম মানের ডিজেল ও ১ লাখ টন গ্যাসোলিন ৯৫ আনলেডেড (পেট্রোল) আমদানি করার প্রস্তাব অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি অনুমোদন দিলেও—ক্রয় কমিটি থেকে প্রস্তাব প্রত্যাহার করে নিয়েছে জ্বালানি বিভাগ।

এ ছাড়া ওমানভিত্তিক ম্যাক্সওয়েল ইন্টারন্যাশনাল এসপিসির কাছ থেকে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে ১ লাখ টন ৫০ পিপিএম সালফার মানের ডিজেল আমদানির প্রস্তাব অনুমোদনের প্রস্তাবও অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি অনুমোদন দিয়েছে, তবে ক্রয় কমিটি থেকে প্রস্তাব প্রত্যাহার করে নিয়েছে জ্বালানি বিভাগ।

Continue Reading

top1

ফরিদপুরে ৪ গ্রামবাসীর তুমুল সংঘর্ষ, পুলিশসহ আহত শতাধিক

Published

on

By

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দ্বিতীয় দফায় চার গ্রামবাসীর মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (৪ এপ্রিল) সকাল থেকে তিন ঘণ্টাব্যাপী চলা এই রণক্ষেত্রে পুলিশসহ উভয় পক্ষের নারী-পুরুষ ও কিশোরসহ অন্তত শতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন।

এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ওই এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার হামিরদী ইউনিয়নের মুনসুরাবাদ গ্রামের সঙ্গে পার্শ্ববর্তী খাপুরা, মাঝিকান্দা ও সিংগাড়িয়া গ্রামের দীর্ঘদিনের বিরোধ চলে আসছিল। গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় খাপুরা গ্রামের তিন যুবককে আখের রস খাওয়া নিয়ে মারধর করার ঘটনাকে কেন্দ্র করে এই উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। এর জেরে শুক্রবার সন্ধ্যায় প্রথম দফায় দুই ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষে অন্তত ৩০ জন আহত হন। রাতে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত থাকলেও শনিবার ভোরে পুনরায় সংঘর্ষ শুরু হয়।

শনিবার সকাল ৭টা থেকে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে উভয় পক্ষ মুখোমুখি অবস্থানে চলে যায়। একপক্ষে মুনসুরাবাদ গ্রামের বাসিন্দারা এবং অন্যপক্ষে খাপুরা, মাঝিকান্দা ও সিংগাড়িয়া— এই তিন গ্রামের লোকজন অবস্থান নেয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সংঘর্ষকারীরা ঘরবাড়ির ছাদ, দোকানের চালা ও বিভিন্ন আড়াল থেকে বৃষ্টির মতো ইট-পাটকেল ও কাঁচের বোতল নিক্ষেপ করতে থাকে। এতে পুরো মুনসুরাবাদ বাজার এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।

সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে পুলিশের বেশ কয়েকজন সদস্যসহ উভয় পক্ষের শতাধিক সমর্থক আহত হয়েছেন। আহতদের উদ্ধার করে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা চরম আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন। তাদের দাবি, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে অতিরিক্ত দাঙ্গা পুলিশ মোতায়েন করা জরুরি। নতুবা যেকোনো সময় বড় ধরনের প্রাণহানির আশঙ্কা রয়েছে।

ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, দ্বিতীয় দফায় শুরু হওয়া এই সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে পুলিশ সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

Continue Reading

Trending