Connect with us

top1

শেখ হাসিনার মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলার রায়ের দিন ঘোষণা আজ: উত্তপ্ত বাংলাদেশ

Published

on

Sheikh Hasina's Crimes Against Humanity Case Verdict Today: Heated Bangladesh

ঢাকা- আজ বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ বহুল আলোচিত মামলার রায়ের তারিখ নির্ধারণ করবে, যেখানে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এবং সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুনের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে। মামলার শুনানি শেষ হয়েছে গত ২৩ অক্টোবর। রাষ্ট্রপক্ষ সর্বোচ্চ শাস্তি (মৃত্যুদণ্ড) দাবি করেছে, অন্যদিকে আসামিপক্ষ খালাস চেয়েছে।
ট্রাইব্যুনালে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম জানান, বৃহস্পতিবার (আজ) মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় হাসিনার রায়ের তারিখ পাওয়ার আশা করা হচ্ছে।

শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এবং সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনের বিরুদ্ধে গত ১২ মে মামলার তদন্ত প্রতিবেদন প্রসিকিউশনে জমা দিয়েছিল তদন্ত সংস্থা। এরপর ১ জুন রাষ্ট্রপক্ষ হাসিনাকে ট্রাইব্যুনালের প্রধান আসামি হিসেবে উল্লেখ করে তার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ দায়ের করে। পরে ১০ জুলাই অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেয় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১।

একপর্যায়ে এ মামলায় দোষ স্বীকার করে ঘটনার সত্য উদ্ঘাটনে রাজসাক্ষী হওয়ার আবেদন করেন চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন। ট্রাইব্যুনাল আবেদন মঞ্জুর করার পর তিনি রাজসাক্ষী হিসেবে সাক্ষ্য দেন।

ঐতিহাসিক এ মামলায় সাক্ষ্য দিয়েছেন গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম প্রতীক শহীদ আবু সাঈদের বাবাসহ শহীদ পরিবারের অনেকে। এছাড়া স্টার উইটনেস হিসেবে সাক্ষ্য দিয়েছেন আমার দেশ-এর সম্পাদক মাহমুদুর রহমান এবং এনসিপির আহ্বায়ক ও জুলাই আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া নাহিদ ইসলাম। লিখিত সাক্ষ্য দেন বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবী বদরুদ্দীন উমর। সব মিলিয়ে এ মামলায় সাক্ষ্য দিয়েছেন ৫৪ জন।

শেখ হাসিনাসহ এ মামলায় তিনজনের বিরুদ্ধে ঊর্ধ্বতন নেতৃত্বের দায়, ষড়যন্ত্র, উসকানি, হত্যা, পরিকল্পনাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের পাঁচটি অভিযোগ গঠন করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

প্রথম অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে শেখ হাসিনা উসকানিমূলক বক্তব্য দেন। ওই বক্তব্যে তিনি আন্দোলনকারীদের রাজাকারের বাচ্চা, রাজাকারের নাতি-পুতি বলে উল্লেখ করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে কামাল ও মামুনসহ তৎকালীন সরকারের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের ‘প্ররোচনা, সহায়তা ও সম্পৃক্ততায়’ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য ও সশস্ত্র ‘আওয়ামী সন্ত্রাসীরা’ ব্যাপক মাত্রায় ও পদ্ধতিগতভাবে নিরীহ ও নিরস্ত্র ছাত্র-জনতার ওপর আক্রমণ করে তাদের হতাহত করে।

দ্বিতীয় অভিযোগে বলা হয়, হাসিনা হেলিকপ্টার, ড্রোন ও প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহারের মাধ্যমে আন্দোলনকারীদের ‘হত্যা করে নির্মূলের নির্দেশ’ দেন, যা বাস্তবায়ন করেন সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কামাল এবং পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক মামুন ।

রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাইদ হত্যার ঘটনায় তৃতীয় অভিযোগটি আনা হয়।

৪ নম্বর অভিযোগে গত বছরের ৫ আগস্ট রাজধানীর চানখাঁরপুল এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কর্তৃক আন্দোলনকারী ছয়জনকে গুলি করে হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, হত্যার নির্দেশ, প্ররোচনা, উসকানি, সহায়তা, ষড়যন্ত্র ও সম্পৃক্ততার মতো মানবতাবিরোধী অপরাধ করেছেন হাসিনাসহ তিন আসামি।

পঞ্চম অভিযোগে বলা হয়, ৫ আগস্ট ‘মার্চ টু ঢাকা’ কর্মসূচিতে আসার সময় আশুলিয়ায় ছাত্রদের গুলি করে হত্যা করে লাশ পুড়িয়ে দেওয়া হয়। ওই ঘটনার নির্দেশদাতা হিসেবে শেখ হাসিনাসহ তিন আসামি মানবতাবিরোধী অপরাধ করেছেন।

বর্তমানে ভারতে পালিয়ে থাকা হাসিনার রায় ঘিরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে বিচ্ছিন্নভাবে নাশকতার চেষ্টা করছে।
পটভূমি
২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার নেতৃত্বে শুরু হওয়া কোটা সংস্কার আন্দোলন দ্রুত সরকারবিরোধী গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয়। আন্দোলন দমনে তৎকালীন সরকার কঠোর পদক্ষেপ নেয়। জাতিসংঘের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই দমন অভিযানে প্রায় ১,৪০০ মানুষ নিহত হয়। ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হয়ে ভারতে পালিয়ে যান। পরে নোবেল বিজয়ী অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয় এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল পুনর্গঠন করে এ মামলার বিচার শুরু হয়।
অভিযোগসমূহ
প্রসিকিউশন শেখ হাসিনা ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে ৫টি অভিযোগ এনেছে:

হত্যা ও গণহত্যা — ছাত্র আন্দোলনকারীদের ওপর পরিকল্পিত হামলা।
নির্যাতন ও অমানবিক আচরণ — আটক ব্যক্তিদের ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন।
বিধ্বংসী অস্ত্র ব্যবহার — হেলিকপ্টার ও ড্রোন দিয়ে হামলার নির্দেশ।
ষড়যন্ত্র ও উস্কানি — আন্দোলন দমনে দলীয় ক্যাডার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশ।
ব্যর্থতা — হত্যাকাণ্ড ঠেকাতে ব্যর্থতা, যা আন্তর্জাতিক আইনে অপরাধ হিসেবে গণ্য।

বর্তমান পরিস্থিতি
রায় ঘোষণার তারিখ নির্ধারণকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। আওয়ামী লীগ ‘ঢাকা লকডাউন’ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে, যদিও দলটির কার্যক্রম নিষিদ্ধ। গত কয়েকদিনে রাজধানীসহ বিভিন্ন স্থানে ককটেল বিস্ফোরণ, অগ্নিসংযোগ ও সহিংসতা ঘটেছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে; সেনাবাহিনী, র‍্যাব, পুলিশ ও বিজিবি যৌথভাবে টহল দিচ্ছে।

রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া
বিএনপি, জামায়াত ও অন্যান্য বিরোধী দল আওয়ামী লীগের কর্মসূচি প্রতিহত করার ঘোষণা দিয়েছে। অন্যদিকে আওয়ামী লীগ বলছে, এই বিচার রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আন্তর্জাতিক মহলেও এ বিচার নিয়ে বিতর্ক চলছে; কেউ এটিকে ন্যায়বিচারের পদক্ষেপ বলছে, আবার কেউ রাজনৈতিক প্রতিশোধের অভিযোগ তুলছে।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

ইবিতে নাটোর জেলা ছাত্রকল্যাণ সমিতির ক্যালেন্ডারের মোড়ক উন্মোচন

Published

on

By

ইবি প্রতিনিধি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) নাটোর জেলার অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের সংগঠন ‘নাটোর জেলা ছাত্রকল্যাণ সমিতির উদ্যোগে ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের একাডেমিক ক্যালেন্ডারের মোড়ক উন্মোচন করা হয়েছে।

সোমবার (৩১ আগস্ট) দুপুর ১টায় ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতিক বিভাগের অধ্যাপক ড. কে এম সালেহের অফিস কক্ষে এ আয়োজন করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতিক বিভাগের অধ্যাপক ড. কে এম সালেহ, ফলিত পুষ্টি ও খাদ্য প্রযুক্তি বিভাগের অধ্যাপক ড. এটিএম মিজানুর রহমান, মার্কেটিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আলাল উদ্দিন।

এছাড়া সংগঠনটির সভাপতি মাহমুদুল ইসলাম, সহ-সভাপতি আমিনুল হক,যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ইশমাম সাইফ শিহাব ও ইয়াসিন আরাফাত, দপ্তর সম্পাদক হাসিনুর রহমান,অর্থ সম্পাদক সবুজ আলীসহ সংগঠনের অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

সংগঠনটির সভাপতি মাহমুদুল ইসলাম বলেন, “এতিহ্যের সমাহার নিয়ে গড়ে উঠা বনলতা সেনের নাটোর জেলা। নাটোর থেকে আগত সকল শিক্ষার্থীদের মেলবন্ধন সুদৃঢ় করতে এবং একাডেমিক উৎকর্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আমাদের এই আয়োজন। আমরা ক্যালেন্ডারের একাডেমিক ছুটির তালিকা ও নাটোর জেলার ৭টি উপজেলার ঐতিহাসিক ও পর্যটন স্থানসমূহের দৃশ্য অন্তর্ভুক্ত করেছি।”

তিনি আরো বলেন, “এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর, বিভাগ, হল, সামাজিক ও সেচ্ছাসেবী সংগঠন ও বিভিন্ন জেলা ছাত্রকল্যাণ সংগঠন এবং নাটোর জেলা ছাত্রকল্যাণ সমিতির রানিং শিক্ষার্থীদের মাঝে বিতরণ করবো।”

Continue Reading

top1

রোজার পরেই এসএসসি পরীক্ষা,পেছানোর পরিকল্পনা নেই

Published

on

By

ডিজিটাল ডেস্ক

সবকিছু বিবেচনায় নিয়ে রোজার পরই এসএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, আপাতত এসএসসি পরীক্ষা পেছানোর কোনো কারণ নেই।

সোমবার (৩১ আগস্ট) দুপুরে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে সাম্প্রতিক চীন সফর নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এসএসসি পরীক্ষার সময়সূচি নির্ধারণে সামগ্রিক বিষয় বিবেচনা করা হয়েছে। জানুয়ারিতে পরীক্ষা শুরু করলে তা এক মাস ধরে চলবে এবং ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত গড়াবে। এরপর ১০ ফেব্রুয়ারি থেকে ১০ মার্চ পর্যন্ত রমজান থাকায় এ সময় পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব নয়।

তিনি জানান, এসএসসি পরীক্ষা একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নিয়ে আসাই সরকারের লক্ষ্য। বাংলাদেশের জন্য ফেব্রুয়ারি মাসকে পরীক্ষার উপযুক্ত সময় মনে করা হলেও এবার রমজানের কারণে ওই সময়ে পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

রমজানের আগে পরীক্ষা নেওয়ার দাবি প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সংশ্লিষ্টদের অনুরোধে বিষয়টি বিবেচনা করা হয়েছিল। তবে এতে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা রিভিউয়ের জন্য পর্যাপ্ত সময় পাওয়া যাবে না। শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতির জন্য পর্যাপ্ত সময় দেওয়াও গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি আরও বলেন, রমজানের পর পরীক্ষা নেওয়া হলে তা কিছুটা বিলম্বিত হবে। তবে রমজান একটি বাস্তবতা হওয়ায় এর সঙ্গে সময়সূচির সমন্বয় করতে হবে। সবদিক বিবেচনা করেই রমজানের পর এসএসসি পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

পরীক্ষা আরও পেছানোর আশঙ্কা নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আপাতত পরীক্ষা পেছানোর কোনো কারণ দেখা যাচ্ছে না।’ জাতীয় পর্যায়ে কোনো বিশেষ পরিস্থিতি তৈরি না হলে পরীক্ষা পেছানোর প্রয়োজন নেই বলেও জানান তিনি।

Continue Reading

top1

ফ্যামেলি কার্ড বিতরণে অনিয়ম বরদাস্ত করা হয়নি: অর্থমন্ত্রী

Published

on

By

অনলাইন ডেস্ক

ফ্যামেলি কার্ড বিতরণে কোনো ধরনের অনিয়ম বরদাস্ত করা হয়নি বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, ফ্যামেলি কার্ড বিতরণের ক্ষেত্রে কোনো রাজনৈতিক বা দলীয় পরিচয় বিবেচনা করা হয়নি; প্রকৃত হকদারদের ন্যায্যতার ভিত্তিতে কার্ড দেওয়া হয়েছে।

রোববার (৩০ আগস্ট) চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে এইচএসবিসি ব্যাংকের আর্থিক সহায়তায় এবং ব্র্যাকের বাস্তবায়নে ‘চট্টগ্রাম অঞ্চলে আকস্মিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পুনর্বাসন সহায়তা প্রকল্প’-এর উদ্বোধন ও প্রকল্প পরিচিতি সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, উন্নয়ন ও পুনর্বাসন কার্যক্রমে বেসরকারি খাত ও এনজিওগুলোর অংশগ্রহণ বাড়ানো হচ্ছে। অতীতে সরকার, বেসরকারি খাত ও এনজিওগুলোর মধ্যে সমন্বয়ের ঘাটতি থাকলেও বর্তমানে এসব প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়ন ও পুনর্গঠনে সরকার নিবিড়ভাবে কাজ করছে। এতে দুর্নীতি কমার পাশাপাশি কাজ দ্রুত ও সঠিকভাবে সম্পন্ন হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, সরকারের পক্ষে সব ক্ষেত্রে সরাসরি মানুষের কাছে সেবা পৌঁছে দেওয়া সহজ নয়। সেবা প্রদানের ব্যবস্থায় বেসরকারি খাত ও এনজিওগুলো যুক্ত থাকলে কাজ দক্ষতার সঙ্গে সম্পন্ন হওয়ার পাশাপাশি অপচয় ও দুর্নীতির সুযোগও কমে।

সভায় জানানো হয়, জুলাই মাসের আকস্মিক বন্যা ও পাহাড়ি ঢলে ক্ষতিগ্রস্ত চট্টগ্রাম অঞ্চলের পরিবারগুলোর নিরাপদ আবাসন, সুপেয় পানি, স্যানিটেশন, স্বাস্থ্যবিধি, জীবিকা, কৃষি ও শিক্ষা খাত পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

প্রকল্পের আওতায় চট্টগ্রামের বাঁশখালী ও সাতকানিয়া, কক্সবাজারের চকরিয়া এবং চট্টগ্রাম নগরের ৩৮ নম্বর ওয়ার্ডে পুনর্বাসন কার্যক্রম পরিচালনা করবে ব্র্যাক। সাত মাস মেয়াদি প্রকল্পে ৪০০ পরিবারকে ল্যাট্রিন নির্মাণে সহায়তা, ৩০টি টিউবওয়েল মেরামত ও পুনর্নির্মাণ, ৩০০ পরিবারকে জীবিকা পুনরুদ্ধারে সহায়তা এবং ২৫০ পরিবারকে ক্ষতিগ্রস্ত ঘর মেরামত ও পুনর্নির্মাণে সহায়তা দেওয়া হবে।

এ ছাড়া ৬০০ পরিবারকে কৃষি উপকরণ, ৫০টি ক্ষতিগ্রস্ত বিদ্যালয় মেরামত ও পুনর্নির্মাণ এবং ১০ হাজার শিক্ষার্থীর মধ্যে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করা হবে। পাশাপাশি দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও স্বাস্থ্যবিধি বিষয়ে ৩০০টি সচেতনতামূলক সেশন আয়োজন করা হবে।

প্রকল্পটির মোট ব্যয় ১০ কোটি টাকা, যার পুরো অর্থায়ন করবে এইচএসবিসি ব্যাংক।

Continue Reading

Trending