Connect with us

রাজনীতি

সংবর্ধনা মঞ্চের পথে তারেক রহমান

Published

on

দীর্ঘ ১৭ বছর পর দেশে ফিরে, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বের হয়ে রাজধানীর পূর্বাচল ৩০০ ফিট এলাকায় সংবর্ধনা মঞ্চের দিকে রওনা হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) দুপুর ১টা ২২ মিনিটে তার গাড়ি বহর বিমানবন্দর থেকে কাওলা বাস স্ট্যান্ড এলাকা পার হয়ে মঞ্চের দিকে অগ্রসর হয়।এর আগে সকাল ১১টা ৪০ মিনিটে তিনি দেশের প্রধান বিমানবন্দরে অবতরণ করেন। দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসন শেষে দেশে ফেরার এই মুহূর্তকে ঐতিহাসিক ও স্মরণীয় করে রাখতে রাজধানীর ৩০০ ফিট এলাকায় বিশেষভাবে তৈরি করা হয়েছে একটি সুবিশাল মঞ্চ। মঞ্চটির আয়তন ৪৮ বাই ৩৬ ফুট এবং এটি প্রস্তুত করতে রবিবার থেকে দিন-রাত শ্রমিকরা কাজ করেছেন। সংবর্ধনা কমিটির সদস্যরা সার্বক্ষণিক তদারকি করছেন।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top2

আমরা কারো সন্তানকে চাঁদাবাজি করতে দেব না: জামায়াত আমির

Published

on

By

দেশে এখন ‘চাঁদাবাজি’ নামক এক নিকৃষ্ট পেশার জন্ম হয়েছে উল্লেখ করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আমরা কারো সন্তানকে চাঁদাবাজি করতে দেব না। যারা এই পথে আছেন, তারা ফিরে আসুন, নয়তো বিচারের মুখোমুখি হতে হবে। চাঁদাবাজদের জন্য আমাদের পক্ষ থেকে ‘কমপ্লিট লাল কার্ড’।

রোববার (২৫ জানুয়ারি) রাজধানীর ঢাকা-৪ ও ঢাকা-৫ নির্বাচনী আসনের উদ্যোগে আয়োজিত এক বিশাল জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

যুবসমাজের উদ্দেশে আমির জামায়াত বলেন, ‘আমরা যুবকদের হাতে ‘বেকার ভাতা’ তুলে দিয়ে তাদের অলস বানাতে চাই না। আমরা তাদের হাতকে দক্ষ কারিগরের হাতে রূপান্তর করতে চাই, যাতে তারা দেশ গড়ার কারিগর হতে পারে। সাধারণ শিক্ষা, আলিয়া বা কওমি—সব মাধ্যমেই কর্মমুখী ও প্রযুক্তিগত শিক্ষা নিশ্চিত করা হবে।’

নারীদের মর্যাদা ও নিরাপত্তা রক্ষায় বিশেষ গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, ‘আমাদের মা-বোনদের ইজ্জত আমাদের জীবনের চেয়েও মূল্যবান। কর্মক্ষেত্র ও যাতায়াতে তাদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। বিশেষ করে ব্যস্ত সময়ে (পিক আওয়ারে) বড় শহরগুলোতে শুধুমাত্র মহিলাদের জন্য বিশেষ ‘ইভিনিং বাস সার্ভিস’ চালু করা হবে এবং সরকারি বাসের নিচতলা তাদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে।’

শফিকুর রহমান বলেন, আমরা দুটি অ্যাপস চালু করছি। একটির মাধ্যমে চাঁদাবাজদের গোপনে চিহ্নিত করা যাবে এবং অন্যটির মাধ্যমে জনগণ সরাসরি তাদের সমস্যার কথা জানাতে পারবেন। নির্বাচিত হলে প্রতি ৬ মাসে একবার জনপ্রতিনিধিদের জনগণের মুখোমুখি হতে হবে এবং সম্পদের হিসাব দিতে হবে।

ঢাকা-৪ ও ৫ আসনের জলাবদ্ধতা এবং নদী দূষণ নিয়ে তিনি এক অভিনব হুঁশিয়ারি দেন। তিনি বলেন, ‘যদি আমরা দেশ পরিচালনার সুযোগ পাই, তবে ওই এলাকার এমপি, মেয়র ও কাউন্সিলরদের বছরে চারবার এই দূষিত নদীর পানিতে গোসল করানো হবে। যখন তারা নিজেরা ওই পানিতে নামবেন, তখনই নদী পরিষ্কার রাখতে তারা বাধ্য হবেন।’

জুলাই আন্দোলনের শহীদদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়ার দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, ‘জুলাইয়ের গণহত্যাকারীদের ক্ষমা নেই। জুলাইয়ের চেতনা এখনো জাগ্রত। কেউ যদি বাঁকা পথে নির্বাচনের ফলাফল পরিবর্তনের চেষ্টা করে, তবে ছাত্র-জনতা তা রুখে দেবে।’ তিনি প্রশাসনকে কোনো দলের পক্ষ না নিয়ে নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান।

বিশাল এই জনসভায় ১০ দলীয় জোটের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ, শহীদ পরিবারের সদস্য এবং বিপুল সংখ্যক সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন। ডা. শফিকুর রহমান আগামী ১২ তারিখ ‘ইনসাফ ও আজাদির’ পক্ষে রায় দেওয়ার জন্য ভোটারদের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান।

Continue Reading

top2

বিএনপি-জামায়াতের তুমুল সংঘর্ষ

Published

on

By

লালমনিরহাট-১ (হাতিবান্ধা ও পাটগ্রাম) আসনে প্রচার-প্রচারণাকে কেন্দ্র করে বিএনপি-জামায়াতের নেতাকর্মীদের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন।

রোববার (২৫ জানুয়ারি) দুপুরে উপজেলার টংভাঙ্গা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের কাসাইটাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহতদের নাম-পরিচয় তাৎক্ষণিক পাওয়া যায়নি।

জানা গেছে, বিএনপি ও জামায়াতের সংঘর্ষ ও উত্তপ্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা জেলা প্রশাসক এইচএম রকিব হায়দার, পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামানসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। পুলিশের পাশাপাশি কঠোর অবস্থান নিয়েছেন র‍্যাব ও বিজিবি সদস্যরা।

পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান বলেন, বিএনপি ও জামায়াত সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এ সময় ইটপাটকেল নিক্ষেপ হয়। উভয়পক্ষেরই বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। এসময় মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়েছে। আমরা ঘটনাস্থলে রয়েছি। এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Continue Reading

top3

বিএনপি ক্ষমতায় এলে চট্টগ্রাম হবে দেশের বাণিজ্যিক রাজধানী: তারেক রহমান

Published

on

By

বিএনপি ক্ষমতায় এলে চট্টগ্রামকে দেশের বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে গড়ে তোলা হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। একই সঙ্গে চট্টগ্রামকে কর্মসংস্থানের হাব হিসেবে গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।

রোববার (২৫ জানুয়ারি) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক পলোগ্রাউন্ড মাঠে বিএনপি আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এই প্রতিশ্রুতি দেন তারেক রহমান। দুপুর ১২টা ৫০ মিনিটে তিনি বক্তব্য শুরু করেন। এর আগে ১২টা ২০ মিনিটে তিনি সমাবেশস্থলে পৌঁছে মঞ্চে ওঠার আগে নেতা-কর্মীদের সঙ্গে করমর্দনের মাধ্যমে কুশল বিনিময় করেন।

বক্তব্যে তারেক রহমান বলেন, ‘চট্টগ্রামবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি—চট্টগ্রামকে বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে গড়ে তোলা। কিন্তু গত ৫৫ বছরেও এই দাবি বাস্তবায়ন হয়নি। চট্টগ্রাম বাণিজ্যিক রাজধানী হলে শুধু এই অঞ্চলের মানুষ নয়, পুরো বাংলাদেশই উপকৃত হবে।’ তিনি আরও বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে যেকোনো মূল্যে দুর্নীতির টুঁটি চেপে ধরা হবে। প্রশাসন ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে জবাবদিহি নিশ্চিত করা হবে বলেও জানান তিনি।

বক্তব্যের শুরুতে চট্টগ্রামের সঙ্গে নিজের পারিবারিক আবেগের কথা তুলে ধরেন তারেক রহমান। তিনি বলেন, ‘এই চট্টগ্রাম আমার বাবা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত শহর। এখান থেকেই তিনি স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন। তাই এই চট্টগ্রাম আমার কাছে অত্যন্ত আবেগের জায়গা।’

চট্টগ্রামের পলোগ্রাউন্ড মাঠে আজ দুপুরে বক্তব্য দেন তারেক রহমান। ছবি: আজকের পত্রিকা
চট্টগ্রামের পলোগ্রাউন্ড মাঠে আজ দুপুরে বক্তব্য দেন তারেক রহমান। ছবি: আজকের পত্রিকা
সমাবেশকে ঘিরে সকাল থেকেই চট্টগ্রাম নগরের বিভিন্ন থানা এলাকা ও আশপাশের উপজেলা থেকে দলে দলে মিছিল নিয়ে নেতা-কর্মীরা পলোগ্রাউন্ড মাঠে জড়ো হতে থাকেন। মাঠ ছাড়িয়ে আশপাশের সড়ক, ফুটপাত ও খোলা জায়গাজুড়ে অবস্থান নেন তাঁরা। হাতে দলীয় পতাকা ও ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।

জনসমাগম সমাবেশস্থল ছাড়িয়ে টাইগার পাস, সিআরবি ও আমতল পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে। আয়োজকদের দাবি, মাঠের ভেতর ও বাইরে মিলিয়ে কয়েক কিলোমিটার এলাকাজুড়ে নেতা-কর্মীদের অবস্থান লক্ষ করা গেছে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অংশগ্রহণকারীদের সংখ্যা দ্রুত বাড়তে থাকে।

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক এরশাদ উল্লাহ বলেন, ‘নগর ও জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে নেতা-কর্মীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে সমাবেশে যোগ দিচ্ছেন। মাঠের বাইরে থেকেও অনেকে বক্তব্য শোনার জন্য অপেক্ষা করছেন।’

দলীয় সূত্র জানায়, আজকের এই সমাবেশকে ঘিরে বিএনপির সব সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা সংগঠিতভাবে উপস্থিত হয়েছেন। বিশাল এই জনসমাগমে পলোগ্রাউন্ড এলাকা পরিণত হয় এক বিশাল রাজনৈতিক মিলনমেলায়

Continue Reading

Trending