Connect with us

জাতীয়

সন্তান হত্যার বিচারের দাবিতে বাবা-মায়ের মানববন্ধন

Published

on

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে সন্তান হত্যার বিচার দাবিতে মানববন্ধন করেছেন নিহত আকাশ সূত্রধর হৃদয়ের বাবা-মা। বুধবার (২৩ এপ্রিল) বিকাল ৫ ঘটিকায় উপজেলার ধরমন্ডল ইউনিয়নের দৌলতপুর বাজারে নিহতের বাবা-মা সহ স্থানীয় এলাকাবাসির উদ্যোগে ঘণ্টাব্যাপী এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে নিহত আকাশের বাবা প্রমোদ রঞ্জন সূত্রধর ও মা রেখা রানী সূত্রধর তাদের সন্তান হত্যার বিচার চেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন। মানববন্ধন শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে বাজারের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

মানববন্ধনে উপস্থিত জীবন সূত্রধর বলেন, হত্যাকারী জাকিরের সাথে আকাশের এমন সম্পর্ক ছিল যে মায়ের পেটের ভাইয়ের চেয়েও বেশি, বন্ধু হয়ে সে এমন বিশ্বাস ঘাতকতা করবে আমরা চিন্তাও করতে পারি নাই। আমরা তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।

দৌলতপুর বাজারের ব্যবসায়ি,টিপু সুলতান বলেন, হৃদয়(আকাশ) ছেলেটা আমাদের ছোট ভাই, সে যতদিন বাড়িতে ছিলো, কারো সাথে তার লেনা দেনা নাই।সে অত্যান্ত ভালো ছিলো। হঠাৎ করে শোনলাম সে এভাবে মারা গেছে। এ ঘটনার উপযুক্ত ও নজিরবিহীন বিচার চাই। নিহত আকাশের পিতা প্রমোদ রঞ্জন সূত্রধর তার হাতে একটি এনআইডি কার্ড দেখিয়ে বলেন আসামির পক্ষের উকিল হত্যাকারি জাকিরের বয়স ১৭ বলে আসামিকে বাঁচানোর চেষ্টা করছেন। মূলত জাকিরের বয়স ২১ বছর ৫ মাস। আমার কাছে প্রমাণ আছে।

প্রমোদ রঞ্জন আরো বলেন, আমি দেশবাসির কাছে বিচার চাই, যাতে জাকির ভূঁইয়ার ফাঁসি হয় এবং যারা যারা জড়িত আমি তাদের ফাঁসি চাই।

এসময় নিহত আকাশ সূত্রধর ওরফে হৃদয়ের মা রেখা রানি ও বোন শিল্পী রানি সূত্রধর কথা বলতে গিয়ে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন।

উল্লেখ্য,গত মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) বন্ধু জাকির ভূঁইয়া ঘুরতে যাওয়ার কথা বলে ডেকে নিয়ে আকাশকে বুলেট (ইদুঁর মারার বিষ) খাইয়ে দেয়। পরে বাড়ি গেলে আকাশ অসুস্থ্য হয়ে পড়ে। তখন আকাশ জানায় তার বন্ধু জাকির তাকে বুলেট মিশিয়ে খাইয়ে দিয়েছে। পরে নাসিরনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে জেলা সদর হাসপাতাল নেওয়া হয়। সেখান থেকে ঢাকা মেডিক্যালে নেওয়ার পথে ১৬ই জুলাই রাতে সে মারা যায় । পরিবারের দাবি মৃত্যুর পূর্বে ফেসবুকে দেওয়া ভিডিওতে নিহত আকাশ তার এক বন্ধুর নাম বলে গেছে যে তাকে বুলেট খাইয়েছে।

এঘটনায় নিহত আকাশের বাবা প্রমোদ রঞ্জন সূত্রধর বাদী হয়ে গত ১৭ই জুলাই নাসিরনগর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছে। অভিযুক্ত জাকিরকে আটক করেছে পুলিশ।

নাসিরনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আজহারুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় একটি মামলা দায়ের হয়েছে। আসামীকে আটক করা হয়েছ। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

এসএসসির ফল প্রকাশে বদল, প্রস্তুতি শেষে সরকার নির্ধারণ করবে তারিখ

Published

on

By

শিক্ষা ডেস্ক

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের বিষয়ে নতুন সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি। বোর্ড জানিয়েছে, ফল প্রকাশের কারিগরি প্রস্তুতি শেষ করতে ২৭ বা ২৮ জুলাই পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। এরপর সরকারের নির্ধারিত তারিখেই ফল প্রকাশ করা হবে।

বুধবার (২২ জুলাই) বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ফল প্রকাশের জন্য প্রয়োজনীয় কারিগরি প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে ২৭ বা ২৮ জুলাই পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। এরপর সরকার যে সময় নির্ধারণ করবে, সে অনুযায়ী ফল প্রকাশ করা হবে।

শিক্ষা বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, ট্যাবুলেশন, ফল যাচাই-বাছাইসহ প্রয়োজনীয় কারিগরি কার্যক্রম শেষ পর্যায়ে রয়েছে। এসব কাজ সম্পন্ন হওয়ার পর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন সাপেক্ষে ফল প্রকাশের চূড়ান্ত তারিখ নির্ধারণ করা হবে।

এর আগে শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন ২০ জুলাইয়ের মধ্যে ফল প্রকাশের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছিলেন। সে অনুযায়ী শিক্ষা বোর্ডগুলো প্রস্তুতিও শুরু করেছিল। তবে প্রশাসনিক ব্যস্ততার কারণে ফল প্রস্তুতের কাজে পর্যাপ্ত সময় দেওয়া সম্ভব হয়নি। এ কারণেই ফল প্রকাশ কয়েক দিন পিছিয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান।

চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে নিবন্ধিত পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ জন। এর মধ্যে ছাত্র ৯ লাখ ৩০ হাজার ৩০৫ জন এবং ছাত্রী ৯ লাখ ২৭ হাজার ৩৯ জন। পরীক্ষা চলাকালে অসদুপায় অবলম্বনের অভিযোগে মোট ২০৮ জন পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

প্রতি বছরের মতো এবারও শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইট, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং এসএমএসের মাধ্যমে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল জানতে পারবেন।

Continue Reading

top1

সরকারের ঋণ বেড়েছে ২৩ হাজার ৫৩২ কোটি টাকা

Published

on

By

বাজেট ঘাটতি মেটাতে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে (জুলাই-এপ্রিল) সরকারের অভ্যন্তরীণ ঋণ সংগ্রহের চিত্রে বড় পরিবর্তন দেখা গেছে। এ সময়ে সরকার প্রায় পুরোপুরি ব্যাংক ব্যবস্থার ওপর নির্ভর করে ৮৪ শতাংশের বেশি ঋণ নিয়েছে। বিপরীতে জাতীয় সঞ্চয়পত্রসহ ব্যাংকবহির্ভূত উৎস থেকে ঋণ সংগ্রহ কার্যত স্থবির হয়ে পড়ে। ফলে অভ্যন্তরীণ ঋণের প্রধান উৎস হিসেবে ব্যাংক খাতের গুরুত্ব আরও বেড়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের গবেষণা বিভাগের প্রকাশিত ‘মাসিক প্রতিবেদন অন গভর্নমেন্ট ডোমেস্টিক বোরোয়িং-এপ্রিল ২০২৬’ অনুযায়ী, গত অর্থবছরের জুলাই-এপ্রিল সময়ে সরকারের মোট নিট অভ্যন্তরীণ ঋণ দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৫ হাজার ৩৭৪ কোটি টাকা, যা পুরো অর্থবছরের জন্য নির্ধারিত ১ লাখ ২৫ হাজার কোটি টাকার লক্ষ্যের ৮৪ দশমিক ৩ শতাংশ। আগের অর্থবছরের একই সময়ে সরকারের নিট অভ্যন্তরীণ ঋণের পরিমাণ ছিল ৮১ হাজার ৮৪২ কোটি টাকা। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে সরকারের এ ঋণ বেড়েছে প্রায় ২৩ হাজার ৫৩২ কোটি টাকা। প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত অর্থবছরের বাজেটে অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে মোট ১ লাখ ২৫ হাজার কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার পরিকল্পনা ছিল। এর মধ্যে ১ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকা ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে এবং ২১ হাজার কোটি টাকা ব্যাংকবহির্ভূত উৎস থেকে সংগ্রহের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়। তবে প্রথম ১০ মাসেই ব্যাংক থেকে নেওয়া ঋণ বাজেটের লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করে। অন্যদিকে ব্যাংকবহির্ভূত উৎস থেকে সংগ্রহ লক্ষ্যের অনেক নিচে রয়েছে।

২০২৫-২৬ অর্থবছরে জুলাই-এপ্রিল সময়ে সরকার ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে ১ লাখ ৪ হাজার ৬০৬ কোটি টাকা নিট ঋণ নিয়েছে। আগের অর্থবছরের একই সময়ে এ পরিমাণ ছিল ৫০ হাজার ৭৮৭ কোটি টাকা। ফলে এক বছরের ব্যবধানে ব্যাংক থেকে সরকারের নিট ঋণ বেড়েছে প্রায় ৫৪ হাজার কোটি টাকা।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মতে, সরকারি ট্রেজারি বিল ও ট্রেজারি বন্ডের মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ বেড়ে যাওয়ায় ব্যাংক ঋণের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্যদিকে একই সময়ে ব্যাংকবহির্ভূত উৎস থেকে সরকারের নিট ঋণ হয়েছে মাত্র ৭৬৮ কোটি টাকা। আগের অর্থবছরের একই সময়ে এ উৎস থেকে সরকারের নিট ঋণ ছিল ৩১ হাজার ৫৫ কোটি টাকা। ফলে এক বছরের ব্যবধানে এ খাত থেকে ঋণ সংগ্রহ প্রায় পুরোপুরি কমে গেছে।

প্রতিবেদন বলছে, জাতীয় সঞ্চয়পত্রে সরকারের নিট ঋণ ঋণাত্মক হওয়াই এ পরিস্থিতির প্রধান কারণ। জুলাই-এপ্রিল সময়ে জাতীয় সঞ্চয়পত্র বিক্রি হয়েছে ৭৫ হাজার ৮২০ কোটি টাকা। একই সময়ে মেয়াদপূর্তিসহ বিভিন্ন কারণে পরিশোধ করতে হয়েছে ৭৬ হাজার ২৫০ কোটি টাকা। ফলে সরকারকে নিট ৪২৯ কোটি টাকা পরিশোধ করতে হয়েছে। আগের অর্থবছরের একই সময়ে নিট পরিশোধের পরিমাণ ছিল ৭ হাজার ৪৩১ কোটি টাকা।

শুধু এপ্রিল মাসের হিসাবেও একই প্রবণতা দেখা যায়। ওই মাসে সরকার ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে ২৫ হাজার ৪৩৬ কোটি টাকা ঋণ নিলেও পরিশোধ করেছে ৩০ হাজার ৩২৩ কোটি টাকা। ফলে মাস শেষে ব্যাংক খাতে সরকারের নিট পরিশোধ দাঁড়ায় ৪ হাজার ৮৮৮ কোটি টাকা। একই সময়ে ব্যাংকবহির্ভূত উৎস থেকে সরকার ১ হাজার ৩৭১ কোটি টাকা নিট ঋণ সংগ্রহ করেছে।

প্রতিবেদনে শরিয়াহভিত্তিক সরকারি অর্থায়নের দুটি গুরুত্বপূর্ণ উপকরণের তথ্যও তুলে ধরা হয়েছে। এতে দেখা যায়, ইসলামী ব্যাংকগুলোর তারল্য ব্যবস্থাপনায় ব্যবহৃত বাংলাদেশ গভর্নমেন্ট ইসলামিক ইনভেস্টমেন্ট বন্ড (বিজিআইআইবি)-এর নিট স্থিতি জুলাই-এপ্রিল সময়ে ৬ হাজার ৬১১ কোটি টাকা বেড়েছে। এ ছাড়া বাংলাদেশ গভর্নমেন্ট ইনভেস্টমেন্ট সুকুক (বিজিআইএস)-এর স্থিতি এপ্রিল শেষে বেড়ে ৩৬ হাজার ৫০০ কোটি টাকায় পৌঁছেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, গত অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে সরকারি সিকিউরিটিজ—বিশেষ করে ট্রেজারি বিল ও ট্রেজারি বন্ড-ইস্যুর মাধ্যমে অর্থ সংগ্রহ বাড়ায় ব্যাংক ঋণের ওপর সরকারের নির্ভরতা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। একই সময়ে জাতীয় সঞ্চয়পত্রসহ ব্যাংকবহির্ভূত উৎস থেকে অর্থ সংগ্রহ কমে যাওয়ায় অভ্যন্তরীণ ঋণের কাঠামোয় বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে।

এ বিষয়ে চেঞ্জ ইনিশিয়েটিভের রিসার্চ ফেলো ও অর্থনীতিবিদ এম হেলাল আহমেদ কালবেলাকে বলেন, বর্তমানে সরকারের নিট অভ্যন্তরীণ ঋণের পরিমাণ ১ লাখ ৫ হাজার কোটি টাকায় পৌঁছেছে। ভবিষ্যতে এ ঋণ আরও বাড়ার পাশাপাশি সুদ পরিশোধের চাপও বৃদ্ধি পাবে, যা বাজেটের একটি বড় অংশ গ্রাস করার ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

তিনি বলেন, সংকট মোকাবিলায় সরকারের ঋণগ্রহণ অনেকাংশেই স্বাভাবিক এবং অনেক ক্ষেত্রে অনিবার্য। তবে এ ঋণ যেন দীর্ঘমেয়াদে দেশকে ঋণের ফাঁদে না ফেলে, সেটিই হওয়া উচিত। বর্তমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চাপ, জ্বালানি সংকট এবং নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের প্রয়োজনীয়তার কারণে সরকারকে বিভিন্ন উৎস থেকে ঋণ নিতে হচ্ছে। কিন্তু এ পরিস্থিতি থেকে টেকসইভাবে উত্তরণের জন্য দেশের নিজস্ব সম্পদ আহরণের সক্ষমতা বাড়ানো জরুরি। এজন্য রাজস্ব আদায় উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়াতে হবে। একই সঙ্গে কঠোর ব্যয়-সাশ্রয়ী নীতি অনুসরণ করতে হবে। স্বল্পমেয়াদে অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কমিয়ে ঋণনির্ভরতা হ্রাস এবং কর-জিডিপি অনুপাত বাড়িয়ে রাজস্ব আহরণ জোরদার করা প্রয়োজন।

Continue Reading

top3

গুচ্ছে চূড়ান্ত ভর্তির সময় বাড়ল ২১ জুলাই পর্যন্ত

Published

on

By

ডিজিটাল ডেস্ক

দেশজুড়ে চলমান দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে গুচ্ছভুক্ত ২০টি সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের চূড়ান্ত ভর্তির সময়সীমা আগামী ২১ জুলাই পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। শিক্ষার্থীদের ভোগান্তির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে ভর্তি কমিটি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

শনিবার (১৮ জুলাই) বিকেলে গুচ্ছ ভর্তি কমিটির এক জরুরি ভার্চুয়াল সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন পরীক্ষা কমিটির আহ্বায়ক ও ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান।

সভায় জানানো হয়, বৈরী আবহাওয়ার কারণে অনেক শিক্ষার্থী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে উপস্থিত হয়ে ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করতে পারেননি। এ পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে চূড়ান্ত ভর্তির সময়সীমা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বর্তমানে গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে মোট ৪২০টি আসন ফাঁকা রয়েছে। এর মধ্যে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় এবং পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে সবচেয়ে বেশি আসন শূন্য রয়েছে। এসব বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়েই শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে সময় বাড়ানো হয়েছে।

এদিকে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মনজুরুল হক জানিয়েছেন, বিশ্ববিদ্যালয়টিতে এখনো ৩৬টি আসন খালি রয়েছে। এর মধ্যে ৩৫টি মেধা কোটার এবং একটি কোটাভিত্তিক আসন।

ভর্তি কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বর্ধিত সময়ের মধ্যে শিক্ষার্থীরা প্রয়োজনীয় সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তাদের চূড়ান্ত ভর্তি নিশ্চিত করতে পারবেন।

Continue Reading

Trending