Connect with us

top1

সমকালের প্রতিবেদন নিয়ে পাল্টা ‘আমলনামা’ রাকসু জিএস আম্মারের

Published

on

বিশেষ প্রতিনিধি

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) তহবিল থেকে সোয়া কোটি টাকা ব্যয় এবং ৬১ লাখ টাকার বেশি ব্যয়ের বিল-ভাউচার জমা না দেওয়ার বিষয়ে সমকালে প্রকাশিত প্রতিবেদনকে কেন্দ্র করে নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে। 

প্রতিবেদন প্রকাশের একদিন পর শুক্রবার রাকসুর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাউদ্দিন আম্মার নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে দীর্ঘ পোস্ট দিয়ে সমকাল ও পত্রিকাটির মালিকানা কাঠামো নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। 

‘আমলনামা-০১ (সমকাল)’ শিরোনামের ওই পোস্টে তিনি পত্রিকাটির মালিকের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা, ব্যবসায়িক স্বার্থ এবং অতীতে তাঁর ও তাঁর প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ওঠা বিভিন্ন অভিযোগ তুলে ধরেন।

বৃহস্পতিবার সমকালের শেষের পাতায় লিড হিসেবে প্রকাশিত ‘রাকসুর সোয়া কোটি টাকা এবং আম্মারদের ভাউচার সংকট’ শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, বর্তমান রাকসু পরিষদ বিভিন্ন কর্মসূচির জন্য তহবিল থেকে প্রায় ১ কোটি ২৯ লাখ টাকা উত্তোলন করেছে। এর মধ্যে ৬১ লাখ ৫০ হাজার ৪৬৮ টাকার বিল-ভাউচার তখনো জমা হয়নি। প্রতিবেদনে জিএস সালাউদ্দিন আম্মারের নামে উত্তোলন করা প্রায় ২৩ লাখ ৮৮ হাজার টাকার মধ্যে ১৮ লাখ ৩৯ হাজার টাকার বিল-ভাউচার জমা না দেওয়ার বিষয়টিও তুলে ধরা হয়।

প্রতিবেদনটি প্রকাশের পর ক্যাম্পাসে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। একই দিনে রাকসুর ভিপি মোস্তাকুর রহমান জাহিদ অভিযোগ করেন, প্রকাশিত প্রতিবেদনটি অসম্পূর্ণ তথ্যের ওপর ভিত্তি করে তৈরি এবং রাকসুকে বিতর্কিত করার চেষ্টা চলছে। তিনি দাবি করেন, যেসব কর্মসূচির হিসাব নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে, তার কিছু এখনো চলমান এবং সংশ্লিষ্ট ব্যয়ের বিল-ভাউচার জমার প্রক্রিয়াও শেষ হয়নি। ভিপি আরও বলেন, রাকসুর কোনো অর্থ ব্যক্তিগতভাবে আত্মসাৎ করা হয়নি।

রাকসু নেতাদের দাবি, যেসব কর্মসূচির ব্যয়ের হিসাব নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে, তার কিছু এখনো চলমান এবং সংশ্লিষ্ট বিল-ভাউচার জমার প্রক্রিয়া শেষ হয়নি।

তবে সমকাল এরপরও পৃথক আরেক প্রতিবেদনে ভিপি মোস্তাকুর রহমান জাহিদের নামে উত্তোলন করা অর্থ ও জমা না দেওয়া ভাউচারের হিসাব প্রকাশ করে। সেখানে বলা হয়, ভিপির নামে ১৩ লাখ ৪০ হাজার ৩২৪ টাকা উত্তোলন করা হলেও মাত্র ৯৯ হাজার ৯২৪ টাকার বিল-ভাউচার জমা দেওয়া হয়েছে।

এই প্রেক্ষাপটেই আজ শুক্রবার (২১ আগস্ট) সমকালের বিরুদ্ধে পাল্টা অবস্থান নেন জিএস সালাউদ্দিন আম্মার। বিষয়টি নিয়ে নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে দীর্ঘ পোস্ট দিয়েছেন তিনি।

পোস্টের শুরুতেই সালাউদ্দিন আম্মার দাবি করেন, রাকসুর মেয়াদ এখনো প্রায় আড়াই মাস বাকি এবং কার্যক্রম চলমান। এ অবস্থায় ‘বানানো ও যাচাই না করা তথ্য’ দিয়ে সমকাল প্রতিবেদন প্রকাশ করে বিতর্ক সৃষ্টি করেছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

পোস্টে সমকাল প্রকাশকারী প্রতিষ্ঠান টাইমস মিডিয়া লিমিটেডের মালিকানা কাঠামোর সঙ্গে ব্যবসায়ী এ কে আজাদের সম্পৃক্ততার বিষয়টি সামনে আনেন আম্মার। তিনি দাবি করেন, এ কে আজাদ দীর্ঘদিন আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং বিভিন্ন সময়ে দলটির মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন। 

২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনসহ বিভিন্ন সময়ে তাঁর রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার তথ্য প্রকাশিত হয়েছে বলেও পোস্টে উল্লেখ করা হয়। এ ছাড়া সমকালের পুরোনো একটি প্রতিবেদনে তাঁকে ফরিদপুর জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছিল বলেও দাবি করেন রাকসু জিএস।

এরপর গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও ব্যবসায়িক স্বার্থের প্রশ্ন তোলেন আম্মার। তাঁর পোস্টে ২০২৬ সালের বাংলাদেশ জার্নালিজম কনফারেন্সে এ কে আজাদের একটি বক্তব্যের প্রসঙ্গ তুলে বলা হয়, সেখানে তিনি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে কর্মরত মানুষের স্বার্থকে সাংবাদিকতা, প্রেস ফ্রিডম ও গণতন্ত্রের চেয়ে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা বলেছেন। 

এ বক্তব্যের সূত্র ধরে আম্মার প্রশ্ন তোলেন, মালিক নিজেই যখন ব্যবসায়িক স্বার্থের অগ্রাধিকারের কথা বলেন, তখন তাঁর মালিকানাধীন গণমাধ্যমের সংবাদ প্রকাশ নিয়ে প্রশ্ন তোলার অধিকার মানুষের রয়েছে কি না।

পোস্টে আরও বলা হয়, এ কে আজাদ ও তার ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে ওঠা অভিযোগের বিষয়েও প্রশ্ন রয়েছে। ২০২৪ সালে গাজীপুরের শ্রীপুরে হা-মীম ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ককে ঘিরে বনভূমি দখল, বন উজাড় ও পরিবেশগত ক্ষতির অভিযোগ প্রকাশিত হওয়ার কথা উল্লেখ করেন আম্মার। 

একই সঙ্গে হা-মীম গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠানের পৌরকর পুনর্মূল্যায়ন নিয়ে অভিযোগ এবং কর্তৃপক্ষের ওপর প্রভাব বিস্তারের অভিযোগের কথাও পোস্টে তোলা হয়।

এ ছাড়া ২০০৮ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে এ কে আজাদের বিরুদ্ধে দুদকের দায়ের করা একটি দুর্নীতির মামলার প্রসঙ্গও পোস্টে উল্লেখ করেন তিনি। সেখানে ঘোষিত সম্পদের বাইরে বিপুল পরিমাণ সম্পদ থাকার অভিযোগ আনা হয়েছিল বলে দাবি করেন আম্মার। 

পরে ওই মামলা বন্ধ হয়ে যাওয়ার বিষয়টিও পোস্টে উল্লেখ করা হয়। তবে আম্মারের পোস্টে উল্লিখিত এসব অভিযোগ ও পুরোনো মামলার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য দেওয়া হয়নি।

পোস্টের শেষাংশে সমকালের সম্পাদকীয় স্বাধীনতা নিয়ে সরাসরি প্রশ্ন তোলেন রাকসু জিএস। তিনি লেখেন, সমকাল কেবল একটি স্বাধীন সংবাদমাধ্যম, নাকি এর মালিকের ব্যবসায়িক ও রাজনৈতিক স্বার্থও সাংবাদিকতার ওপর প্রভাব ফেলে—সেই প্রশ্নের উত্তর জনগণই দেবে। 

একই সঙ্গে রাকসুকে নিয়ে ‘মিথ্যা, ভিত্তিহীন কিংবা যাচাই না করা’ সংবাদ প্রকাশ করে রাজনৈতিকভাবে হেয় করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

এ বিষয়ে পোস্টে নিজের অবস্থান তুলে ধরে রাকসু জিএস সালাউদ্দিন আম্মার লেখেন, রাকসুর কার্যক্রম এখনো চলমান থাকা অবস্থায় অসম্পূর্ণ ও যাচাই না করা তথ্য দিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে। 

তার ভাষ্য, যে গণমাধ্যম অন্যের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করে, তাদের নিজেদের মালিকানা, রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা, ব্যবসায়িক স্বার্থ ও স্বার্থের সংঘাতের প্রশ্নেরও জবাব থাকা প্রয়োজন।

রাকসুর আর্থিক ব্যয়ের হিসাব নিয়ে শুরু হওয়া বিতর্ক এখন নতুন মাত্রা পেয়েছে জিএসের এই পোস্টে। আর্থিক হিসাবের প্রশ্নের বাইরে বিষয়টি এখন সংবাদমাধ্যমের মালিকানা, মালিকের রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক সম্পৃক্ততা এবং সম্পাদকীয় স্বাধীনতার প্রশ্নেও গড়িয়েছে। সমকালের প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে রাকসু নেতৃত্বের এই প্রকাশ্য পাল্টা অবস্থানকে কেন্দ্র করে ক্যাম্পাসে আলোচনা-সমালোচনা অব্যাহত রয়েছে।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

‘ভালোবাসা ভাগ করে নেওয়ার বিষয় নয়’: এমপি নজরুলের স্ত্রীর চিরকুট

Published

on

By

ডিজিটাল ডেস্ক

জাতীয় সংসদ সদস্য গাজী নজরুলের বাসা থেকে উদ্ধার হওয়া একাধিক হাতে লেখা চিঠি ও নোটে সম্পর্কের টানাপোড়েন, বিশ্বাসভঙ্গ, ক্ষোভ এবং আত্মমর্যাদার বিষয় উঠে এসেছে। এসব লেখায় নিজেকে ‘দাবার ঘুঁটি’ হিসেবে ব্যবহৃত হওয়ার আক্ষেপের পাশাপাশি সম্পর্কের পরিণতি নিয়েও সতর্কবার্তা রয়েছে।

জাতীয় সংসদের অফিশিয়াল প্যাডে কালো কালিতে লেখা একটি নোটে বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগ তুলে বলা হয়েছে, লেখক একসময় বিশ্বাস নিয়ে সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন। পরে বুঝতে পারেন, যাকে বিশ্বাস করেছিলেন তিনিই ছিলেন ‘বিপক্ষ দলের সেনাপতি’।

আরেকটি সাদা পাতায় সম্পর্কের অধিকার ও অপূর্ণতা নিয়ে লেখা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, অন্য কারও স্বামীর সঙ্গে সম্পর্কে জড়ানোর চেয়ে তাকে হারিয়ে ফেলা বেশি সম্মানের। একই লেখায় বলা হয়েছে, ভালোবাসা ভাগ করে নেওয়ার বিষয় নয়—এটি হয় সম্পূর্ণ, নয়তো অপূর্ণ।

অন্য একটি নোটে ‘বন্ধুত্ব’ ও ‘গেমস’-এর প্রসঙ্গ তুলে নিজের অবস্থানকে দাবার ঘুঁটির সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে। লেখায় আস্থার সুযোগ নিয়ে প্রতারণার অভিযোগও করা হয়।

সংসদের প্যাডে লেখা আরেকটি অংশে ক্ষোভের পাশাপাশি সতর্কবার্তা রয়েছে। সেখানে বিশ্বাসের কারণে প্রতারিত হওয়ার কথা উল্লেখ করে ভবিষ্যৎ পরিণতি সম্পর্কে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। লাল কালিতে লেখা আরেকটি সংক্ষিপ্ত নোটে নিজের আত্মমর্যাদার কথাও তুলে ধরা হয়েছে।

উদ্ধার হওয়া নথিগুলোর মধ্যে ‘১২-০৭-২০২৬’ তারিখ লেখা একটি আলাদা পাতাও রয়েছে। সেখানে ঘুমানোর আগে পাঠের জন্য কয়েকটি ধর্মীয় আমল ও দোয়ার তালিকা রয়েছে। এতে কালেমা, বিভিন্ন দোয়া, আয়াতুল কুরসি এবং নির্দিষ্ট সংখ্যায় দরুদ শরিফ ও ইস্তিগফারের উল্লেখ রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া এসব নথির হাতের লেখা ও বিষয়বস্তু গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

Continue Reading

top1

৮ দিন পর উৎপাদনে ফিরল রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিট

Published

on

By

বাগেরহাট প্রতিনিধি

যান্ত্রিক ত্রুটি মেরামতের পর আট দিন বন্ধ থাকার পর বাগেরহাটের রামপাল মৈত্রী তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিটে আবারও বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয়েছে। ৬২০ মেগাওয়াট ক্ষমতার ইউনিটটি রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে উৎপাদনে যায়। চালুর প্রথম দিনে ইউনিটটি থেকে ৩৬৮ দশমিক ৭৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেডের (বিআইএফপিসিএল) প্রধান মানবসম্পদ কর্মকর্তা আনোয়ারুল আজিম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, গত ১৩ সেপ্টেম্বর বেলা সাড়ে ১১টার দিকে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে দ্বিতীয় ইউনিটের উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। বয়লার অতিরিক্ত গরম হওয়া ও কারিগরি জটিলতার পর মেরামতের জন্য ভারত থেকে দুজন বিশেষজ্ঞ প্রকৌশলী আনা হয়। তাঁদের তত্ত্বাবধানে প্রয়োজনীয় মেরামত শেষে রোববার ইউনিটটি পুনরায় চালু করা হয়েছে।

আনোয়ারুল আজিম বলেন, বর্তমানে কেন্দ্রটির দুটি ইউনিটেই বিদ্যুৎ উৎপাদন চলছে। দ্বিতীয় ইউনিটের উৎপাদন ধীরে ধীরে বাড়িয়ে জাতীয় গ্রিডে আরও বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হবে। চাহিদা অনুযায়ী উৎপাদন বাড়ানোর জন্য কেন্দ্রটিতে পর্যাপ্ত কয়লাও মজুদ রয়েছে।

রামপাল মৈত্রী তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের দুটি ইউনিটের মোট স্থাপিত উৎপাদন ক্ষমতা ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট। তবে স্বাভাবিকভাবে দুটি ইউনিট একসঙ্গে চললে সাধারণত ১ হাজার ১০০ থেকে ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়।

কর্তৃপক্ষ জানায়, যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে মাঝেমধ্যে কেন্দ্রটির কোনো একটি ইউনিট সাময়িকভাবে বন্ধ হতে পারে। এ ধরনের ত্রুটি দেখা দিলে দ্রুত মেরামতের উদ্যোগ নেওয়া হয়।

বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ উদ্যোগে রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয় ২০১০ সালে। ২০১২ সালের ২৯ জানুয়ারি বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি) ও ভারতের এনটিপিসির মধ্যে চুক্তি সই হয়। পরে বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড গঠন করা হয়।

বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার রাজনগর ও গৌরম্ভা ইউনিয়নের সাপমারী-কৈগর্দ্দাশকাঠি মৌজায় প্রায় ১ হাজার ৩৪ একর জমিতে কেন্দ্রটি নির্মাণ করা হয়েছে। প্রায় ১৬ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট ক্ষমতার কেন্দ্রটির প্রথম ইউনিট ২০২২ সালের ২৩ ডিসেম্বর উৎপাদনে যায়। দ্বিতীয় ইউনিট পরীক্ষামূলক উৎপাদনে যায় ২০২৩ সালের ২৪ অক্টোবর এবং বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু করে ২০২৪ সালের ১২ মার্চ।

দ্বিতীয় ইউনিটটি গত ১৩ সেপ্টেম্বর বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর কেন্দ্রটির সামগ্রিক বিদ্যুৎ উৎপাদন ৬০০ মেগাওয়াটের নিচে নেমে যায়। এর আগে কেন্দ্রটি জাতীয় গ্রিডে প্রতিদিন ১ হাজার ১০০ মেগাওয়াটের বেশি বিদ্যুৎ সরবরাহ করছিল।

Continue Reading

top1

ডেঙ্গুতে আরও ৬ প্রাণহানি, হাসপাতালে ১৫৯৩

Published

on

By

ডেঙ্গুতে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ১ হাজার ৫৯৩ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এ নিয়ে চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে ১৮৪ এবং আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬১ হাজার ৯৭২ জনে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের রবিবারে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। 

এতে বলা হয়, শনিবার সকাল ৮টা থেকে রবিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত মারা যাওয়া ছয়জনের মধ্যে দুইজন চট্টগ্রাম, দুইজন খুলনা, একজন ঢাকা এবং একজনের মৃত্যু হয়েছে বরিশাল বিভাগে।

এ ছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে সবচেয়ে বেশি রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ঢাকা বিভাগে- ৬৮৭ জন।

এর মধ্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় ১৩২ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকায় ১৭১ জন এবং দুই সিটি করপোরেশনের বাইরের বিভিন্ন জেলা-উপজেলা থেকে ৩৮৪ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এ ছাড়া খুলনা বিভাগে ২৯২ জন, বরিশাল বিভাগে ১৫৪, চট্টগ্রাম বিভাগে ১৬৭, রাজশাহী বিভাগে ১৩৭, ময়মনসিংহ বিভাগে ৮২, রংপুর বিভাগে ৬৫ এবং সিলেট বিভাগে ৯ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ১ হাজার ৫৮৭ জন ডেঙ্গু রোগী। চলতি বছরে এ পর্যন্ত চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন ৫৭ হাজার ৬১০ জন।

Continue Reading

Trending