Connect with us

রাজনীতি

৫৪ বছরের ব্যর্থ শাসনের অবসান চায় জনগণ

Published

on

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলাদেশজুড়ে একটি তীব্র রাজনৈতিক জাগরণ সৃষ্টি হয়েছে বলে দাবি করেছেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও খুলনা-৫ আসনে জামায়াত মনোনীত ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য সমর্থিত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মিয়া গোলাম পরওয়ার।

শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে খুলনা জেলার ফুলতলা উপজেলা স্বাধীনতা চত্বরে অনুষ্ঠিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তার ভাষায়, রাজধানী থেকে গ্রাম-গঞ্জ পর্যন্ত শ্রমিক, রিকশাচালক, দিনমজুর, দোকানদার, ব্যবসায়ী, ব্যাংকার ও ছাত্রসমাজ—সবার মুখে এখন একটাই উচ্চারণ, আমরা পরিবর্তন চাই।

তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর গত ৫৪ বছরে রাষ্ট্র পরিচালনার সুযোগ পাওয়া তিনটি দল সততা, নৈতিকতা, চরিত্র ও আমানতদারির পরীক্ষায় বারবার ব্যর্থ হয়েছে। যারা বারবার পরীক্ষায় ফেল করে, তাদের আর পরীক্ষায় বসতে দেওয়া হয় না। জনগণ এবার সেই ফেল করা দলগুলোকেই রাষ্ট্রক্ষমতা থেকে সরিয়ে দিতে চায়।

তিনি অভিযোগ করেন, ক্ষমতায় যাওয়ার আগেই একটি পক্ষ চাঁদাবাজি, দখলবাজি, সহিংসতা ও হত্যাকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েছে। দাড়িপাল্লার পক্ষে ভোট চাইতে গিয়ে নারী ভোটারদের হিজাব খুলে নেওয়ার হুমকি, শারীরিক নির্যাতন, সভা-মিটিংয়ে হামলা এবং পীর-মুরুব্বিদের হত্যার ঘটনাও ঘটেছে বলে তিনি দাবি করেন।

মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, “যারা ক্ষমতায় যাওয়ার আগেই মায়েদের কাপড় খুলে দিতে চায়, তারা ক্ষমতায় গেলে গোটা জাতিকে বিবস্ত্র করে ফেলবে।” ৫ আগস্টের পর আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় না থাকলেও দখলবাজি ও চাঁদাবাজি বন্ধ হয়নি—উল্লেখ করে তিনি বিএনপির দিকেও অভিযোগ তোলেন।

তার মতে, ক্ষমতায় যাওয়ার আগেই যদি খাল-বিল, মাঠ-ঘাট দখল করা হয়, তাহলে ক্ষমতায় গেলে মা-বোন, হিন্দু-মুসলিম—কারও জানমালের নিরাপত্তা থাকবে না। এই পরিস্থিতিতে জনগণ ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

তিনি জানান, জামায়াতে ইসলামীসহ ছয়টি ইসলামী দল, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), জুলাই আন্দোলনের তরুণ শক্তি, এলডিপি, খেলাফত মজলিস, খেলাফত আন্দোলনসহ বিভিন্ন দেশপ্রেমিক দল এই ঐক্যে যুক্ত হয়েছে।

মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, দাড়িপাল্লার বিজয় ঠেকাতে ব্যর্থ হয়ে একটি পক্ষ বিপুল পরিমাণ কালো টাকা ব্যবহার করে সহিংসতা ও নাশকতার পরিকল্পনা করছে। শেষ পর্যন্ত এই কালো টাকা দিয়ে চিহ্নিত দাগি পুরোনো সন্ত্রাসীদের—যারা কারাগারে ছিল বা আত্মগোপনে ছিল—বাইরে আনা হচ্ছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

তিনি আরও বলেন, এসব সন্ত্রাসীদের একত্রিত করে অবৈধ অস্ত্রধারীদের সঙ্গে মিলিয়ে নির্বাচনের সময় কেন্দ্রভিত্তিক সহিংসতা ও নাশকতার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। কালো টাকার স্রোত পানির মতো ঢালা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

সরকারি কর্মচারীদের বেতন ও পে-স্কেল সংক্রান্ত আন্দোলনের বিষয়ে তিনি বলেন, এসব দাবি যুক্তিসংগত হলেও নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এমন কোনো কর্মসূচি দেওয়া উচিত নয়, যাতে নির্বাচন-পূর্ব পরিস্থিতি অশান্ত হয়ে ওঠে। যেকোনো দাবি নিয়মতান্ত্রিকভাবে তোলা উচিত।

সরকারি কর্মচারীদের দেশপ্রেমিক নাগরিক ও ভোটার উল্লেখ করে তিনি বলেন, মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে—এই সময়ে অস্থিরতা সৃষ্টি না করাই সমীচীন। নির্বাচনের পর রাজনৈতিক সরকারের মাধ্যমে এসব দাবি নিষ্পত্তি করা যেতে পারে বলেও মত দেন তিনি।

ফুলতলা উপজেলা আমীর অধ্যাপক আব্দুল আলিম মোল্লার সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ, জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও খুলনা জেলা আমীর মাওলানা এমরান হুসাইন, সেক্রেটারি মুন্সি মিজানুর রহমান, সহকারী সেক্রেটারি মুন্সি মঈনুল ইসলাম, অধ্যাপক মিয়া গোলাম কুদ্দুস, অধ্যক্ষ গাউসুল আযম হাদী, মহানগরী সহকারী সেক্রেটারি আজিজুল ইসলাম ফারাজী, জেলা কর্মপরিষদ সদস্য শেখ সিরাজুল ইসলাম, গোলাম মোস্তফা আল-মুজাহিদ, অ্যাডভোকেট ফিরোজ কবির, অ্যাডভোকেট আবু ইউসুফ মোল্যা, আলী আকবর মোড়ল এবং খুলনা জেলা উত্তর ইসলামী ছাত্র শিবিরের সভাপতি মো. ইউসুফ ফকির।

অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ফুলতলা উপজেলা খেলাফত মজলিসের সভাপতি মাওলানা আলাল উদ্দিন সরদার, সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মাসুম বিল্লাহ, খানজাহান আলী থানা আমীর হাসান মাহমুদ টিটু, মাওলানা শেখ ওবায়দুল্লাহ, মাওলানা সাইফুল হাসান, ড. আজিজুল হক, নজরুল ইসলাম জমাদ্দার, শেখ আলাউদ্দিন, শেখ আব্দুল আলীম, গাজী মোর্শেদ মামুন, মাস্টার মফিজুল ইসলাম, ইঞ্জি. সাব্বির আহম্মেদ, শরিফুল ইসলাম মোল্যা, মাওলানা জুবায়ের হোসেন ফাহাদ প্রমুখ

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

রাজনীতি

‘জুলাই সনদ ও সংস্কারে বাধা দিচ্ছে বিএনপি সরকার’: এনসিপির অভিযোগ

Published

on

By

জুলাই জাতীয় সনদ এবং রাষ্ট্রীয় সংস্কার কর্মসূচি বাস্তবায়নে বর্তমান বিএনপি সরকার পরিকল্পিতভাবে বাধা সৃষ্টি করছে বলে অভিযোগ তুলেছে ন্যাশনাল সিটিজেনস পার্টি (এনসিপি)। দলটির দাবি, আইনি মারপ্যাঁচ এবং আদালতকে ব্যবহারের মাধ্যমে গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষাকে নসাৎ করার চেষ্টা চলছে।

সোমবার (২ মার্চ) সন্ধ্যায় রাজধানীর বাংলামোটরে এনসিপির অস্থায়ী কার্যালয়ে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করা হয়। দলটির সংস্কার বাস্তবায়ন বিষয়ক কমিটি এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে।

‘সাপলুডু খেলা চলছে’

সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া সরকারের দ্বিমুখী নীতির সমালোচনা করে বলেন, “বিএনপি সরকার আদালতের মাধ্যমে সংস্কার প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করছে। তারা বাইরে উদারতা দেখালেও ভেতরে সংস্কারের পথে দেয়াল তুলে দিচ্ছে—এটি অনেকটা সাপলুডু খেলার মতো। সরকার কেবল নিজেদের পছন্দমতো ‘সিলেক্টিভ’ সংস্কার নিয়ে আদালতে যাচ্ছে, যা জনগণের আকাঙ্ক্ষার পরিপন্থী।”

আসিফ মাহমুদ আরও সতর্ক করে বলেন, “বিএনপি বর্তমান সংসদের বৈধতাকেই প্রশ্নের মুখে ফেলছে। যে আদেশের ভিত্তিতে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে, আজ সেই প্রক্রিয়া নিয়ে রিট করা হলে এই সংসদও বাতিল হতে পারে। মূলত ৭২-এর সংবিধানকে রক্ষা করার জন্যই তারা এই লড়াই করছে।”

মীমাংসিত বিষয় নিয়ে বিতর্ক

এনসিপির সংস্কার বাস্তবায়ন বিষয়ক কমিটির উপপ্রধান ও যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার বলেন, জুলাই সনদের ওপর ভিত্তি করেই জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে। এটি জনগণের অভিপ্রায়ের চূড়ান্ত বহিঃপ্রকাশ।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, মীমাংসিত রাজনৈতিক বিষয়গুলোকে আদালতে টেনে নিয়ে বিচার বিভাগ ও জনগণকে মুখোমুখি দাঁড় করানো হচ্ছে। নির্বাচনের আগে বিএনপিই বলেছিল নির্বাচনের সঙ্গে গণভোট হলে তা একই অর্থ বহন করবে। এখন সেই প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তোলা তাদের নৈতিক অবস্থানের স্খলন।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, গণঅভ্যুত্থানের আগে যেভাবে জনগণকে আদালতের মুখোমুখি করা হয়েছিল, বর্তমানেও সেই একই শঙ্কা দেখা দিচ্ছে। রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য বিচার বিভাগকে ব্যবহার করার এই ‘ন্যক্কারজনক নজির’ থেকে সরে আসার আহ্বান জানায় দলটি।

Continue Reading

top1

‘ইরানে হামলা বন্ধ না হলে জামায়াত বৃহত্তর কর্মসূচিতে যেতে বাধ্য হবে’

Published

on

By

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল অবিলম্বে ইরানে হামলা বন্ধ না করলে জামায়াতে ইসলামী বৃহত্তর কর্মসূচিতে যেতে বাধ্য হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন দলটির নায়েবে আমির এটিএম আজহারুল ইসলাম।

রোববার (১ মার্চ) দুপুরে বায়তুল মোকাররম প্রাঙ্গণে ইরানে হামলা ও আয়াতুল্লাহ খামেনির মৃত্যুর প্রতিবাদে জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন।

ইসরায়েলের বিষয় তুলে ধরে এটিএম আজহারুল ইসলাম বলেন, ‘ইরানের শাহেনশাহের বিরুদ্ধে শত শত বছর লড়াই করেছিল দেশটির জালিম সম্প্রদায়। তাদের লড়াইয়ের ফসল ১৯৭৯ সালের ইরানের সফল ইসলামী বিপ্লব। এ শক্তিকে টিকিয়ে রাখার জন্য বিশ্বের মোড়লরা অনেক চেষ্টা করেছে। জনগণের সামনে তারা পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে। তাই জনগণ এ অপ্রতিহত শক্তি আপনারা হিসাব করবেন।’

তিনি বলেন, ‘শুধু গণতন্ত্রের কথা বললে চলবে না, গণতন্ত্রকে মানতে হবে আপনার দেশেই শুধু নয়, অন্য দেশেও মানার ব্যবস্থা করতে হবে। অন্য দেশেও যাতে গণতন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, তার ব্যবস্থা করতে হবে। দেশে দেশে গণতন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত হলে একটি দুটি দেশে গণতন্ত্র থাকলে সে দেশটি টিকে থাকতে পারবে না।

যুদ্ধ বন্ধে জাতিসংঘকে ওআইসিকে যথাযথ ভূমিকা পালনের আহ্বান জামায়াতের নায়েবে আমির বলেন, ‘জাতিসংঘ কয়েকটি দেশের তাঁবেদার শক্তি হিসেবে আজকে ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে। তারা শান্তিকামী দেশগুলোর পক্ষে আসে না। এই জাতিসংঘ যদি এই ভূমিকা পালন করে জনগণ একদিন বলবে জাতিসংঘের কোনো প্রয়োজন নেই।’

তিনি বলেন, ‘মুসলিম বিশ্বের দেশগুলো নিয়ে ওআইসি গঠিত। অথচ তারা যথাযথ ভূমিকা পালন করতে পারছে না। আপনারা ওআইসি মুসলিম বিশ্বের মোড়ল হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত হিসেবে যথাযথ দায়িত্ব পালন করেন। তা না হলে জনগণ আপনাদের প্রত্যাখ্যান করবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতা যদি দীর্ঘদিন চলে সেখানের মানুষরা নয়, বাংলাদেশসহ অনেক দেশ ক্ষতিগ্রস্ত হবে। জিনিসপত্র ও তেলের দাম বেড়ে যাবে। এতে সাধারণ জনগণের জীবনযাপন অত্যন্ত কঠিন হয়ে যাবে।’

Continue Reading

রাজনীতি

একদিন হয়ত এনসিপি ক্ষমতাতেও আসবে: সালাউদ্দিন আহমেদ

Published

on

By

সময় লাগলেও আগামীতে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসবে বলে মনে করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ।

শনিবার দলটির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ধানমন্ডি আবাহনী মাঠে আলোচনা সভা ও ইফতার অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন।

ইফতার মাহফিলে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ অন্যান্য রাজনৈতিক দলের নেতাদের স্বাগত জানান।

আলোচনা অনুষ্ঠানে সালাহউদ্দিন বলেন, “এনসিপি এই এক বছরে অনেক দূর আসতে সক্ষম হয়েছে। যেভাবেই হোক রাজনীতিতে নির্বাচনি সমঝোতার মধ্য দিয়ে, নির্বাচনি জোটের মধ্য দিয়ে তারা বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে ছয়টি আসন পেয়েছে।

“এই ছয়টি আসন ভবিষ্যতে বৃদ্ধি হতে হতে একদিন তারা হয়তোবা রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আরোহন করবে। সময় লাগবে, কিন্তু সবকিছু ওভারনাইট হয় না।”

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “এনসিপি রাজনৈতিক দল হিসেবে যেদিন থেকে শুরু হয়েছে আমি আশাবাদী হয়েছি এদেশের রাজনীতিতে তরুণদের অংশগ্রহণ আরো বেশি মর্যাদা দান করবে, উৎসাহিত করবে, রাজনীতিকে অনেক বেগবান করবে, তারুণ্যের চাহিদাকে ধারণ করে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।

“আশা করি রাজনীতির এই কণ্টকাকীর্ণ মাঠে সবাই উত্থান পতনকে মেনে নেই। এই উত্থান পতনকে যারা মানতে পারেননি তারা রাজনীতিতে টিকে থাকেনি। এই রাজনীতিতে মানুষের চাহিদাকে যারা লালন করবে এবং জনগণের চাহিদাকে সমুন্নত রেখে এদেশের সকল মানুষকে রাজনীতিতে অংশগ্রহণ করার জন্য উৎসাহিত করবে সেরকম একটি রাজনীতি বর্তমান প্রজন্ম চায়, আগামী প্রজন্ম চায়।”

রাজনীতির মাঠে অনেকের সাইনবোর্ড হিসেবে ব্যবহার হওয়ার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, এনসিপি সত্যিকার অর্থে এদেশের মানুষকে প্রতিনিধিত্ব করে। দেশের জনমানুষের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে।

দলটির নির্বাচনি ইশতেহার অনুযায়ী জনগণের চাহিদা পূরণ করবে বলে আশা প্রকাশ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

জাতীয় স্বার্থে সবাইকে এক থাকার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, “দ্বন্দ্ব হবে, বিতর্ক হবে কিন্তু জাতীয় স্বার্থে সবাই এক থাকবো। জাতীয় সংসদকে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করবো।”

Continue Reading

Trending