Connect with us

top1

‘৬ মাস তীব্র যুদ্ধ চালাতে পারবে ইরান’

Published

on

ইরান বর্তমান আকার ও মাত্রার যুদ্ধ আরও ‘অন্তত’ ছয় মাস চালিয়ে যেতে সক্ষম বলে দাবি করেছেন দেশটির ইসলামী বিপ্লবী গার্ড কোরের (আইআরজিসি) একজন কর্মকর্তা।

ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা ফারস নিউজ এজেন্সির বরাতে আইআরজিসির মুখপাত্র আলি মোহাম্মদ নাইনি এক বিবৃতিতে বলেন, ‘ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের সশস্ত্র বাহিনী বর্তমান গতির এই তীব্র যুদ্ধ অন্তত ৬ মাস চালিয়ে যাওয়ার সক্ষমতা রাখে।’

এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নাইনির এ বক্তব্য সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মূল্যায়নের সম্পূর্ণ বিপরীত। ট্রাম্প বারবার দাবি করে আসছেন যে ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চালানো অভিযান অত্যন্ত সফল হয়েছে।

ইরানের তেল ডিপোতে অতর্কিত হামলা চালাচ্ছে ইসরায়েলি বাহিনী

চলতি সপ্তাহে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘আমরা এ যুদ্ধে বড় ব্যবধানে জিতছি। আমরা তাদের পুরো ‘‘শয়তানি সাম্রাজ্য’’ গুঁড়িয়ে দিয়েছি।’

ইরানের তেল ভাণ্ডারে অতর্কিত হামলা, পুড়ছে তেহরান ইরানের তেল ভাণ্ডারে অতর্কিত হামলা, পুড়ছে তেহরান
আইআরজিসি ইরানের অন্যতম শক্তিশালী ও প্রভাবশালী একটি সংস্থা। সামরিক ও গোয়েন্দা কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি রাজনীতি, শিক্ষা ও অর্থনীতিতেও এ বাহিনীর ব্যাপক প্রভাব রয়েছে।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

লেবানন-সিরিয়ায় স্থায়ী ইহুদি বসতি স্থাপন করছে ইসরায়েল

Published

on

By

লেবানন ও সিরিয়ার সার্বভৌম ভূখণ্ডে ইসরায়েলি উগ্রপন্থীদের একটি দল অবৈধভাবে প্রবেশ করে সেখানে নতুন করে ইহুদি বসতি স্থাপনের দাবি তুলেছে।

বুধবার (২২ এপ্রিল) সন্ধ্যায় দক্ষিণ লেবাননের বেশ কিছু এলাকায় ঢুকে পড়া এই উগ্রপন্থীরা সীমান্ত অতিক্রম করে কয়েকশ মিটার অভ্যন্তরে চলে যায়।

লেবাননে বসতি স্থাপনের পক্ষে প্রচার চালানো একটি গোষ্ঠীর প্রচারিত ভিডিও চিত্রে দেখা গেছে, উগ্র ডানপন্থী ইসরায়েলিরা দক্ষিণ লেবাননের ভেতরে অবস্থান নিয়ে ঘোষণা দিচ্ছে, ‘আমাদের কর্মীরা এখন দক্ষিণ লেবাননে’ এবং তারা সেখানে স্থায়ী বসতি স্থাপনের কাজ ‘পুনরায় শুরু করার’ আহ্বান জানাচ্ছে। তারেক শুইরেফের এক প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে।

লেবাননে অনুপ্রবেশের ঠিক কয়েক ঘণ্টা আগে ‘বাশান পাইওনিয়ার্স’ নামক একটি আন্দোলনের কয়েক ডজন ইসরায়েলি দখলদার সিরিয়ার হাদের গ্রামে প্রবেশ করে। সেখানে তারা একটি ভবনের ওপর উঠে ইসরায়েলি পতাকা ওড়াতে শুরু করে, যেখানে ইসরায়েলি বাহিনীর উপস্থিতিও লক্ষ্য করা গেছে।

ইসরায়েলি পাবলিক ব্রডকাস্টার জানিয়েছে, লেবানন ও সিরিয়া— উভয় দেশেই অনুপ্রবেশকারী এই বেসামরিক নাগরিকদের পরবর্তীতে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী আটক করে পুলিশের হাতে সোপর্দ করেছে। সেনাবাহিনী জানিয়েছে, সিরিয়া থেকে তারা অন্তত ৪০ জন ইসরায়েলি নাগরিককে ফেরত নিয়ে এসেছে।

এই অনুপ্রবেশের ঘটনাটি মূলত তথাকথিত ‘গ্রেটার ইসরায়েল’ বা ‘বৃহত্তর ইসরায়েল’ প্রকল্পের অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। ইসরায়েলের চরমপন্থী অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোট্রিচসহ অনেক উগ্রপন্থী নেতা দীর্ঘদিন ধরে দাবি করে আসছেন, গাজা উপত্যকা এবং পশ্চিম তীর দখলের পাশাপাশি সিরিয়া, জর্ডান এবং লেবাননের মতো প্রতিবেশী সার্বভৌম দেশগুলোর ভূখণ্ডেও ইসরায়েলকে সম্প্রসারিত করতে হবে।

গত ২ মার্চ ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে লেবাননের ওপর ইসরায়েলি হামলা ও আগ্রাসনের ফলে এ পর্যন্ত ২ হাজার ২০০-এর বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন এবং ১০ লাখেরও বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।

উদ্বেগজনক বিষয় হলো, গত ১৬ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় দুই দেশের মধ্যে ১০ দিনের একটি সাময়িক যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হলেও ইসরায়েলি হামলা ও এই ধরনের অনুপ্রবেশের ঘটনা থামছে না।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বসতি স্থাপনকারীদের এই উস্কানিমূলক পদক্ষেপ যুদ্ধবিরতিকে চরম ঝুঁকির মুখে ফেলেছে এবং আঞ্চলিক সংঘাতকে আরও উসকে দিচ্ছে। লেবানন ও সিরিয়া উভয় পক্ষই একে তাদের ভৌগোলিক অখণ্ডতার ওপর সরাসরি আঘাত হিসেবে বর্ণনা করেছে। বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের এই অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে উগ্রপন্থীদের এমন হঠকারী কর্মকাণ্ড শান্তি প্রক্রিয়ার পথে একটি বড় অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

Continue Reading

top1

১০ বছর পর তনু হত্যা মামলায় প্রথম গ্রেপ্তার

Published

on

By

দীর্ঘ ১০ বছরের দীর্ঘ প্রতীক্ষা ও আইনি জটিলতার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে বহুল আলোচিত সোহাগী জাহান তনু হত্যা মামলায় প্রথম কোনো অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামলার তদন্তের এক পর্যায়ে পিবিআইয়ের তদন্ত কর্মকর্তা তারিকুল ইসলাম অভিযান চালিয়ে সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার হাফিজুর রহমানকে তার বাসভবন থেকে গ্রেপ্তার করেন।

বুধবার (২২ এপ্রিল) বিকেলে তাকে কুমিল্লার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোমিনুল হকের আদালতে হাজির করা হলে আদালত শুনানি শেষে তার ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

দীর্ঘ এক দশকেরও বেশি সময় ধরে চলে আসা এই মামলায় এ পর্যন্ত ৪টি সংস্থার ৭ জন তদন্ত কর্মকর্তা দায়িত্ব পালন করেছেন। গত ১০ বছরে মামলার শুনানির জন্য অন্তত ৮০টি ধার্য তারিখ অতিবাহিত হলেও প্রকৃত অপরাধীদের শনাক্তে দীর্ঘ সময় ধরে অনিশ্চয়তা ছিল। সম্প্রতি মামলার তদন্তে নতুন গতি আসে। গত ৬ এপ্রিল মামলার সপ্তম তদন্ত কর্মকর্তা সার্জেন্ট জাহিদ, ওয়ারেন্ট অফিসার হাফিজুর রহমান ও সৈনিক শাহিনুল আলমের ডিএনএ নমুনা ক্রস-ম্যাচ করার জন্য আদালতের কাছে অনুমতি চেয়েছিলেন। আদালতের সেই নির্দেশনার পরই তদন্তকারী সংস্থা এই গ্রেপ্তারের পদক্ষেপ গ্রহণ করে।

এদিকে গ্রেপ্তারের দিন বিকেল ৫টার দিকে মামলার বাদী ও তনুর পরিবারের সদস্যরা কুমিল্লা আদালতে উপস্থিত হন। দীর্ঘ এই সময়ে বারবার ন্যায়বিচারের আশা নিয়ে আদালতে আসা তনুর বাবা-মা ও ছোট ভাই রুবেল হোসেনকে আজ বেশ আবেগপ্রবণ দেখা গেছে। বর্তমানে আদালতে তাদের জবানবন্দি গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

দীর্ঘ ১০ বছরের স্থবিরতা কাটিয়ে মামলার প্রথম অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের মাধ্যমে তনু হত্যাকাণ্ডের জট খুলবে বলে এখন নতুন করে আশা করছেন ভুক্তভোগী পরিবার ও সচেতন মহল। তদন্ত সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, রিমান্ডে প্রাপ্ত তথ্য এবং ডিএনএ পরীক্ষার ফলাফল বিশ্লেষণ করলে এই চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে থাকা প্রকৃত সত্য উদঘাটন করা সম্ভব হবে।

Continue Reading

top1

শেখ হাসিনাই গুম-নির্যাতনের জন্য দায়ী, সাক্ষী মাসরুর আনোয়ার

Published

on

By

টাস্কফোর্স ফর ইন্টারোগেশন (টিএফআই) সেলে গুম-নির্যাতনের পেছনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দায়ী নন বলে দাবি করেছিলেন তার পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী আমির হোসেন। তবে এমন দাবি প্রত্যাখ্যান করে ক্ষমতাচ্যুত এই প্রধানমন্ত্রীকেই দায়ী করেছেন গুম থাকা সাক্ষী মাসরুর আনোয়ার চৌধুরী।

বুধবার (২২ এপ্রিল) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ জেরা অনুষ্ঠিত হয়।

এ মামলায় পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হয়ে জেরা করেন আমির হোসেন। মাসরুরকে গুম-নির্যাতন ও ক্যারিয়ার নষ্টের জন্য তার মক্কেল শেখ হাসিনা দায়ী নন বলে দাবি করেন তিনি।

একইসঙ্গে ক্যারিয়ার নষ্টের জন্য সাক্ষী নিজেই দায়ী বলে উল্লেখ করেন। এছাড়া ভিন্ন রাজনৈতিক মতাদর্শের হওয়ায় সাবেক প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে অসত্য সাক্ষ্য দিয়েছেন।

জবাবে মাসরুর বলেন, গুম-নির্যাতন ও আমার ক্যারিয়ার নষ্ট করার জন্য শেখ হাসিনাই দায়ী। কোনোভাবেই আমি দায়ী নন। ট্রাইব্যুনালে অসত্য কোনো সাক্ষ্য দেইনি।

এছাড়াও মাসরুর আনোয়ারকে জেরা করেন তাবারক হোসেন, আবুল হাসানসহ অন্য আইনজীবীরা। জেরায় সাক্ষীকে বিভিন্ন প্রশ্নের বাণে ফেলেন তারা।

আটকের পর মোদিবিরোধী পোস্টটি দেখানো হয়েছিল কি না আইনজীবীর প্রশ্নে মাসরুর জানান, নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে মোদিবিরোধী পোস্টটি দেখানো হয় তাকে। কিন্তু মুছে ফেলতে বলা হয়নি। নিজেও তা সরিয়ে নেননি। তবে ফেসবুক অ্যাকাউন্টের পাসওয়ার্ডসহ সবকিছু তারা নিয়ে নেন; যা আর ফেরত দেওয়া হয়নি।

এ সময় সাক্ষীর উদ্দেশে আইনজীবী তাবারক বলেন, ‘বাংলাদেশে আগমন উপলক্ষে ফেসবুকে নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে পোস্ট দেওয়ার কারণে আপনাকে আটক বা গুম করা হয়নি। জঙ্গিগোষ্ঠীর সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার কারণে আটক করা হয়।’

জবাবে সত্য নয় বলে জানান মাসরুর। তিনি বলেন, ‘মোদিবিরোধী পোস্ট দেওয়ার কারণে আমাকে আটক করা হয়। জঙ্গিগোষ্ঠীর সঙ্গে আমার কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই।’

জেরায় তিনি উল্লেখ করেন, এটা সত্য নয় যে, কৌশল খাটিয়ে আমি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে কথিত টিএফআই সেল পরিদর্শনে যাই। এরপর সবকিছু দেখে এ সংক্রান্ত একটি গল্প বা নাটক তৈরি করি। এ ছাড়া টিএফআই সংক্রান্ত সব কথা অসত্য।

এ পর্যায়ে সাক্ষীর কাছে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে মসজিদ তৈরির অর্থ সংগ্রহের তথ্য জানতে চান তাবারক। একই সঙ্গে চ্যারিটির কার্যক্রমের আড়ালে জঙ্গি তৎপরতা চালানো হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

প্রত্যুত্তরে মাসরুর বলেন, ‘আমার সহকর্মী, বন্ধুবান্ধব ও আত্মীয়স্বজনের কাছ থেকে টাকা সংগ্রহ করে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বাঁশ ও কাঠ দিয়ে মসজিদ তৈরি করি। এ কাজের আড়ালে অন্য কোনো তৎপরতা চালানো হয়নি।’

তাবারক দাবি করেন, ‘আপনি মেজর সৈয়দ জিয়াউল হকের ‘মুক্তি পরিষদ’ নামে সংগঠনের নেতৃত্বস্থানীয় একজন লোক। অথচ জঙ্গি কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পৃক্ততার কারণে কোর্ট মার্শালের মাধ্যমে তাকে বরখাস্ত করা হয়েছিল।’

জবাবে সত্য নয় জানিয়ে মাসরুর বলেন, ‘মুক্তি পরিষদের কোনো কার্যক্রমের সঙ্গে আমার সম্পৃক্ততা নেই। কোর্ট মার্শালের মাধ্যমে জিয়াউল হককে বরখাস্তের খবরটিও জানা নেই।’

এ মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ মোট আসামি ১৭ জন। এর মধ্যে সাবেক-বর্তমান ১০ জন সেনা কর্মকর্তা গ্রেপ্তার হয়ে ঢাকার সেনানিবাসের সাব-জেলে রয়েছেন। বাকিরা পলাতক আছেন।

এদিকে, এই মামলার তিন নম্বর সাক্ষীর জেরা শেষ হয়েছে। পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ৪ মে দিন ধার্য করেছেন ট্রাইব্যুনাল।

Continue Reading

Trending