Connect with us

top3

আন্দোলনের নামে জনদুর্ভোগ বরদাশত করা হবে না: র‍্যাব মহাপরিচালক

Published

on

দাবি আদায় বা আন্দোলনের অজুহাতে সাধারণ মানুষকে জিম্মি করা কিংবা জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করে এমন কোনো কর্মকাণ্ড সহ্য করা হবে না বলে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‍্যাব) মহাপরিচালক একেএম শহিদুর রহমান।

শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টা ২০ মিনিটের দিকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে তিনি এই মন্তব্য করেন।

মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে দেশব্যাপী র‍্যাবের বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। র‍্যাব ডিজি স্পষ্ট করে জানান যে, জনগণের স্বাভাবিক চলাফেরা বিঘ্নিত করে এমন কোনো কর্মসূচি হতে দেওয়া হবে না।

বিগত দেড় বছরের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির প্রেক্ষাপট টেনে র‍্যাব মহাপরিচালক বলেন, জুলাই-আগস্টের পরবর্তী সময়ে দেশে একটি ভঙ্গুর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিরাজ করছিল। সেই কঠিন সময়েই র‍্যাব দেশবাসীকে আশ্বস্ত করেছিল যে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হবে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য প্রয়োজনীয় পরিবেশ তৈরি করতে তারা সক্ষম হয়েছেন এবং দেশবাসীকে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দিতে পেরেছেন। তার মতে, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এখন ক্রমান্বয়ে উন্নতির দিকে যাচ্ছে এবং সামনে তা আরও সুসংহত হবে।

অপরাধ দমনে র‍্যাবের সজাগ অবস্থানের কথা জানিয়ে একেএম শহিদুর রহমান বলেন, ‘আমরা কোনোভাবেই আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হতে দেবো না এবং এ বিষয়ে আমাদের তীক্ষ্ণ নজরদারি রয়েছে’।

তিনি দৃঢ়ভাবে ঘোষণা করেন যে, দাবি আদায়ের নামে সাধারণ জনগণের ওপর জুলুম করা বা তাদের জিম্মি করে কোনো ধরনের রাজনৈতিক বা সামাজিক কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগ নেই। র‍্যাব চায় এ দেশের মানুষ নির্বিঘ্নে চলাফেরা করুক এবং তাদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় যেন কোনো ধরনের বাধা না আসে, তা নিশ্চিত করতে বাহিনীটি সর্বদা সজাগ থাকবে।

র‍্যাব মহাপরিচালক তার বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে সাংবাদিক এবং দেশবাসীর সহায়তা কামনা করে বলেন, সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও ভালোভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হবে। সুন্দর ও নিরাপদ একটি দেশ উপহার দেওয়াই তাদের মূল লক্ষ্য বলে তিনি উল্লেখ করেন।

আসন্ন আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারসহ দেশজুড়ে র‍্যাবের বিশেষ নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়েছে যাতে জনগণ নির্বিঘ্নে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে পারেন। যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা রোধে র‍্যাবের গোয়েন্দা নজরদারি এবং টহল কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top3

কুমিল্লায় বশির হত্যা মামলার আসামি আবু তাহের আটক

Published

on

By

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে মাদক বিরোধের জেরে নিহত রাজমিস্ত্রী বশির উদ্দিন হত্যা মামলার আসামি আবু তাহেরকে (৪৫) আটক করেছে পুলিশ।

সোমবার (১ জুন) রাতে চৌদ্দগ্রাম পৌর সদরের রামরায়গ্রাম এলাকা থেকে তাকে আটক করে। মঙ্গলবার (২ জুন) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চৌদ্দগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আরিফ হোসাইন।

আবু তাহের চৌদ্দগ্রাম পৌরসভার রামরায়গ্রামের মৃত আবদুল বারেক মিয়ার ছেলে। তার বিরুদ্ধে হত্যা মামলা ছাড়াও মাদকসহ একাধিক মামলা রয়েছে। নিহত বশির পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডের বৈদ্দেরখিল গ্রামের মৃত জয়নাল আবেদীনের ছেলে।

জানা যায়, গত ২১ এপ্রিল রাতে পৌর এলাকার বৈদ্দেরখিল গ্রামে মাদক বিরোধকে কেন্দ্র করে স্থানীয় আব্দুল বারেকের ছেলে আবু রশিদ ও একই এলাকার মানিক মিয়ার ছেলে নাদিরের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় নাদিরের পক্ষের লোকজন আবু রশিদকে কুপিয়ে রক্তাক্ত করে এবং আবু রশিদের লোকজন বশিরকে কুপিয়ে রক্তাক্ত করে। গুরুতর আহত অবস্থায় বশির ও আবু রশিদকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাদের অবস্থার অবনতি ঘটলে তাদের দুজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় প্রেরণ করা হয়।

দীর্ঘ চিকিৎসা শেষে (২৭ এপ্রিল) রাতে বশির ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন। বশিরের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ভোর রাতে বিক্ষুব্ধ জনতা আবু রশিদ, আবু তাহের, সোহেলসহ তিনজনের বাড়িতে অগ্নিসংযোগ করে। এতে তাদের দুটি বসতঘর পুড়ে যায়। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে এগিয়ে গেলে বিক্ষুব্ধরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। এতে ৬ পুলিশ সদস্য আহত হয়। এ ঘটনার নিহত বশিরের স্ত্রী বাদী হয়ে আবু তাহেরসহ ৫ জনকে আসামি করে একটি মামলা করে।

চৌদ্দগ্রাম মডেল অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ আরিফ হোছাইন বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চৌদ্দগ্রাম থানার এসআই আবুল কালাম অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে। আটক আসামির বিরুদ্ধে হত্যাসহ একাধিক মামলা রয়েছে। তাকে আদালতে প্রেরণ করা হবে।

Continue Reading

top3

ধর্ষণচেষ্টা ঠেকাতে অভিযুক্তের গোপনাঙ্গ কেটে দিলেন গৃহবধূ

Published

on

By

চরফ্যাশনে স্বামীকে বেঁধে এক গৃহবধূকে ধর্ষণের করতে গিয়ে ভয়াবহ পরিণতির শিকার হয়েছেন এক ব্যক্তি। আত্মরক্ষার্থে ওই নারী ব্লেড দিয়ে অভিযুক্তের গোপনাঙ্গে আঘাত করলে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে চরফ্যাশন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে আত্নগোপনে চলে যান তিনি। পরে পুলিশ তাকে আটক করে হাসপাতালে ভর্তি করে।

‎শুক্রবার (২৯ মে) রাতে ভোলার চরফ্যাশন উপজেলা দক্ষিণ আইচা থানার নজরুল নগর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের চর কলমি গ্রামে নলুয়া স্লুইজ সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

‎অভিযুক্ত ইমাম সর্দার (৩৫) একই এলাকার মজিদ সর্দারের ছেলে। তিনি পেশায় একজন ইলেকট্রিশিয়ান বলে জানা গেছে।

ভুক্তভোগী নারীর দক্ষিণ আইচা থানায় করা অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, আমি একজন গৃহিনী, আনিছুল হক বেপারী আমার স্বামী, আমার দুই ছেলে ইমাম হোসেন (১২) এবং আঃ রহমান (৯) বছর। বিবাদী আমার প্রতিবেশী। বিগত ২ বছর যাবত বিবাদী আমাকে সরাসরি এবং মোবাইলে প্রায় সময় বিরক্ত করিত এবং আমাকে প্রেমের প্রস্তাব দিত। আমি বিবাদীর প্রেমের প্রস্তাবে রাজি না হওয়াতে বিবাদী সারা গ্রামে বিভিন্ন মানুষের কাছে আমার নামে প্রায় সময় অশ্লীল কথাবার্তা বলতো। গত ২৯ রাত অনুমান ৯: ৪৫ ঘটিকার সময় আমি আমার স্বামী সন্তানদের নিয়ে রাতের খাবার সেরে ঘুমিয়ে পড়ি। রাত অনুমানিক ২টায় বিবাদী আমাকে ফোন করে আমার ঘরে আসতে চায়। আমি বিবাদীর বিরক্ত সহ্য করতে না পেরে বিবাদীকে আমার ঘরে আসতে বলি।

বিবাদী আমার ঘরে এসে আমাকে আমার রান্না ঘরে নিয়ে গিয়ে রান্না ঘরে থাকা পাটি মাটিতে বিছাইয়া আমাকে পাটিতে শোয়াইয়া আমার ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোর পূর্বক ধর্ষণ করে। তখন আমি ধর্ষণ প্রতিরোধ করার জন্য আত্মরক্ষার্থে রান্না ঘরে থাকা ধারালো ব্লেইড দিয়ে বিবাদীর পুরুষ লিঙ্গে পোচ দিই। তারপর বিবাদী রক্তাক্ত অবস্থায় আমাকে ছেড়ে দিয়ে তারাতারি আমার ঘর থেকে পালিয়ে যায়।

এব্যাপারে দক্ষিণ আইচা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আহসান কবীর জানান, ভুক্তভোগী নারী থানায় মামলা দায়ের করেছেন। আহত অবস্থায় অভিযুক্ত ইমাম সর্দারকে আটক করে পুলিশ হেফাজতে চরফ্যাশন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স-এ চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

Continue Reading

top3

আদ্‌-দ্বীন হাসপাতালের ভেতর বিলাসবহুল সুইমিং পুলের সন্ধান

Published

on

By

রাজধানীর মগবাজারের আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের চিত্র সম্পূর্ণ উল্টো! ছয় নবজাতকের করুণ মৃত্যুর পর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তদন্ত ও স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আকস্মিক অভিযানে হাসপাতালটির ভেতরেই খুঁজে পাওয়া গেছে এক বিশাল বিলাসবহুল ‘সুইমিং পুল’! একদিকে ওটি-র ভেতর মাছি আর তেলাপোকার নোংরা রাজত্ব, অন্যদিকে কোটি কোটি টাকা খরচ করে হাসপাতালের ভেতরেই আমোদ-প্রমোদের এই সুইমিং পুল।

কারিগরি বিশেষজ্ঞ ও প্রকৌশলীদের মতে, একটি হাসপাতালের যেকোনো ধরনের এক্সটেনশন বা নতুন কাঠামো তৈরি করতে হলে নির্দিষ্ট ‘মেডিক্যাল আর্কিটেকচারাল গাইডলাইন’ ও ‘ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড’ কঠোরভাবে মেনে চলতে হয়। কিন্তু আদ্‌-দ্বীন কর্তৃপক্ষ কোনো নকশা বা কাঠামোর তোয়াক্কা না করে, যেদিক দিয়ে পেরেছে সেদিকেই বাণিজ্যিক বেকারি আর বহুতল এক্সটেনশন বানিয়েছে।

সবচেয়ে বড় বিষয় হলো, হাসপাতালের মতো একটি অতি সংবেদনশীল ও জীবাণুমুক্ত জোনের ভেতরে এই বিশাল সুইমিং পুল তৈরি করা হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সুইমিং পুলের বিপুল পরিমাণ পানি জমিয়ে রাখা, তার রাসায়নিক বর্জ্য ও আর্দ্রতা হাসপাতালের বাতাসে ব্যাকটেরিয়া ও ফাঙ্গাসের সংক্রমণ বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়, যা ওটি ও পোস্ট অপারেটিভ ওয়ার্ডের রোগীদের জন্য অত্যন্ত বিপজ্জনক।

হাসপাতালের কলেজ ভবনের আটতলায় এই সুইমিং পুলের অস্তিত্ব পাওয়া যায়। তবে সুইমিং পুলের বিষয়ে কথা বলতে হাসপাতাল কতৃপক্ষ রাজি নয়।

গত বুধবার আদ্‌-দ্বীন হাসপাতালের পোস্ট ডেলিভারি অপারেটিভ ওয়ার্ডে একসঙ্গে ছয়টি নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। স্বাস্থ্যমন্ত্রীর অভিযানে হাসপাতালের বিভিন্ন জায়গায় যখন দুর্গন্ধযুক্ত পচা পানি ও মশার প্রজনন ক্ষেত্র পাওয়া গেছে, ঠিক তখনই এই সুইমিং পুলের পানির উৎস এবং এর বর্জ্য নিষ্কাশন ব্যবস্থা নিয়েও বড় ধরনের প্রশ্ন উঠেছে।

মামলার পর হাসপাতালের শীর্ষ কর্মকর্তারা এখন পুলিশের কড়া নজরদারিতে রয়েছেন। আগামী ৩ জুন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের উচ্চপর্যায়ের ছয় সদস্যের তদন্ত কমিটি এই কাঠামোগত ত্রুটি ও সুইমিং পুলের অবৈধ ডিজাইনের বিষয়ে চূড়ান্ত রিপোর্ট পেশ করতে যাচ্ছে। সেবার আড়ালে মরণফাঁদ পেতে বসা এই চক্রের প্রতিটি হোতাকে আইনের মুখোমুখি দেখতে চায় দেশবাসী

Continue Reading

Trending