Connect with us

top1

ইরানে হামলা চালিয়ে যেতে কত খরচ হতে পারে যুক্তরাষ্ট্রের?

Published

on

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার বহু পুরোনো বিরোধ গত শনিবার নতুন মাত্রা পেয়েছে। সেদিন ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় দু’পক্ষের এ পুরোনো শত্রুতা নতুন করে প্রকাশ্য সামরিক সংঘাতে রূপ নিয়েছে।

ইরান পাল্টা জবাবে উপসাগরীয় কয়েকটি দেশে মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে হামলা চালাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডেনাল্ড ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন, ইরানে সামরিক অভিযান চার/পাঁচ সপ্তাহ চলতে পারে।

তার এমন ইঙ্গিতে প্রশ্ন উঠেছে, মধ্যপ্রাচ্যে এ যুদ্ধ চালিয়ে যেতে পারবে কিনা যুক্তরাষ্ট্র। আর শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের কত খরচ হতে পারে?

অপারেশন এপিক ফিউরি:

২৮ ফেব্রুয়ারিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে ৮ মিনিটের একটি ভিডিও পোস্ট করে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেন, ইরানের ভূখণ্ডে একটি ‘বড় অভিযান’ শুরু করেছে মার্কিন বাহিনী।

পরে পেন্টাগন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘এক্স’-এ পোস্ট দিয়ে জানায়, ইরানে চলমান সামরিক অভিযানের নাম রাখা হয়েছে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’।

ট্রাম্পের দাবি, ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে না দেওয়াই এ সামরিক অভিযানের মূল উদ্দেশ্য।

এরপর শনিবার অভিযান শুরুর পর থেকে ইরানের ১,২৫০টির বেশি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানা হয়েছে বলে জানিয়েছে মার্কিন সামরিক বাহিনী।

আরেক বিবৃতিতে মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) ১১টি ইরানি জাহাজ ধ্বংসের খবর জানায়।

এ অভিযানে বিমান হামলা চালানো হচ্ছে। সাগর ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হচ্ছে। সমন্বিত হামলা চালানো হচ্ছে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে। পাশাপাশি ইরানের প্রতিরক্ষাসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান সংশ্লিষ্ট উচ্চপর্যায়ের ব্যক্তিদের ওপরও হামলা হচ্ছে।

ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় নিহতদের তালিকায় সবার ওপরে আছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। গত শনিবার যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলার প্রথমেই তেহরানে নিজ কার্যালয় কম্পাউন্ডে নিহত হন তিনি।

এরপরই সোমবার ট্রাম্প বলেন, যত দিন প্রয়োজন যুদ্ধ চালিয়ে যাবেন। তবে তিনি ইঙ্গিত দেন যে, অভিযান কয়েক সপ্তাহ চলতে পারে।

২০২৩ সাল থেকে যুক্তরাষ্ট্র কত খরচ করেছে:

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের পর থেকে ইসরায়েলকে প্রায় ২,১৭০ কোটি ডলারের সামরিক সহায়তা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ব্রাউন ইউনিভার্সিটির ২০২৫ সালের ‘কস্ট অব ওয়ার’ প্রতিবেদনে খরচের এ হিসাব দেওয়া হয়।

ওই দিন গাজায় যুদ্ধ শুরু করে ইসরায়েল।‘কস্ট অব ওয়ার’ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইয়েমেন, ইরানসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন জায়গায় ইসরায়েলকে সামরিক হামলা চালানোর জন্য সহায়তা দিতে গিয়ে মার্কিন করদাতাদের ৯৬৫ কোটি থেকে ১,২০৭ কোটি ডলার খরচ হয়েছে।

এর মধ্য দিয়ে সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রের খরচ ৩,১৩৫ কোটি ডলার থেকে বেড়ে ৩,৩৭৭ কোটি পৌঁছেছে এবং খরচ হয়েই যাচ্ছে।

ইরান যুদ্ধে কী কী অস্ত্র ব্যবহার হচ্ছে:

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড বলছে, ইরানের বিরুদ্ধে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ চালাতে আকাশ, সাগর, মাটি এবং ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা মিলিয়ে ২০টির বেশি অস্ত্রব্যবস্থা মোতায়েন রয়েছে। এসব অস্ত্র ব্যবহার করে ইরানে হাজারের বেশি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানা হয়েছে।

সেন্ট্রাল কমান্ডের সাবেক অভিযান পরিচালক কেভিন দোনেগান আল-জাজিরাকে বলেন, “ইরানিদের হামলার সক্ষমতা যত দ্রুত সম্ভব কমিয়ে আনাই যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মূল লক্ষ্য। যাতে ইরান আর ধ্বংসযজ্ঞ চালাতে না পারে।’

ইরানে হামলায় ব্যবহার হচ্ছে যুদ্ধবিমান বি-১, বি-২ স্টিলথ, এফ-৩৫, এফ-১৫, এফ-১৬ ফ্যালকন, এফ/এ-১৮ সুপার হর্নেট, এ-১০ আক্রমণাত্মক জঙ্গি বিমান।

ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র: লুকাস ড্রোন, এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন, এম ১৪২ হাই মবিলিটি আর্টিলারি রকেট সিস্টেম (হিমার্স), টমাহক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র।

ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা: প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা ও থাড ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা।

নৌশক্তি: বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড এবং ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন। সমুদ্রপথে টহলের জন্য পি-৮ পসেইডন বিমান। যুদ্ধ সরঞ্জাম ও রসদ পরিবহনে ব্যবহার হচ্ছে সি-১৭ গ্লোবমাস্টার, সি-১৮০ হারকিউলিসসহ বিভিন্ন বিমান।

যুক্তরাষ্ট্রের কত খরচ?

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের কত খরচ হতে পারে সেটি ঠিকমত অনুমান করা কঠিন। বিশ্লেষকদের মতে, এই অনুমান করার সময় এখনও আসেনি।

গবেষণা প্রতিষ্ঠান স্টিমসন সেন্টারের ঊর্ধ্বতন ফেলো ক্রিস্টোফার প্রেবেল আল-জাজিরাকে বলেন, “পেন্টাগন যুদ্ধের খরচের কোনেও তথ্য প্রকাশ করেনি। ফলে আমরা কেবল অনুমান করতে পারি…তবে এখানে পরিবর্তন হয়ে যাওয়ার মতো অনেক বিষয় আছে।

“তাই আমরা কেবল আলাদাভাবে অস্ত্রের দাম, সামরিক অভিযান এবং নৌ অভিযানের খরচ সম্পর্কে ধারণাই করতে পারি।”

তুরস্কের আনাদোলু সংবাদ সংস্থার দেওয়া তথ্যানুযায়ী, অপারেশন এপিক ফিউরি-র প্রথম ২৪ ঘণ্টায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ৭৭ কোটি ৯০ লাখ ডলার খরচ হয়েছে।

অভিযানের আগে যুদ্ধবিমানের অবস্থান পরিবর্তন, ডজনের বেশি নৌযান মোতায়েন এবং আঞ্চলিক সম্পদ সংগঠিত করতে যুক্তরাষ্ট্র আরও প্রায় ৬৩ কোটি ডলার খরচ করেছে বলে অনুমান করা হচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক গবেষণাপ্রতিষ্ঠান ‘সেন্টার ফর নিউ আমেরিকান সিকিউরিটি’র হিসাবমতে, ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ডের মতো বিমানবাহী রণতরী পরিচালনায় প্রতিদিন আনুমানিক প্রায় ৬৫ লাখ ডলার খরচ হয়। তাছাড়া সরঞ্জামের ক্ষতির খরচও আছে।

কুয়েতে অন্তত তিনটি মার্কিন যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা বলছেন, ইরানের যুদ্ধবিমান মনে করে ভুল করে কুয়েত যুক্তরাষ্ট্রের এই যুদ্ধবিমানগুলো ভূপাতিত করেছে।

তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আর্থিক ক্ষতির বিষয়টি বড় উদ্বেগ নয়; বরং অস্ত্র ও সরঞ্জামের মজুত কতটা আছে সেটি বড় বিষয়।

গবেষণা প্রতিষ্ঠান স্টিমসন সেন্টারের ক্রিস্টোফার প্রেবেল বলেন, “যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বাজেট এক ট্রিলিয়ন ডলারের। সেটি বাড়িয়ে দেড় ট্রিলিয়ন ডলার করার করার প্রস্তাব আছে। এটি আমার কাছে উদ্বেগজনক। তবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এ বিষয়ে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

তার মতে, আর্থিক ব্যয়ের চেয়ে বড় প্রশ্ন হল যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রভাণ্ডারের অস্ত্রের মজুত কত দিন থাকবে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বাজেটের অঙ্ক বড় হলেও প্যাট্রিয়ট বা এসএম-৬-এর মত ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্র দ্রুত ফুরিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা আছে।

ইরানে গত বছর জুনে ১২ দিনের ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র হামলার সময়ও একই ধরনের উদ্বেগ দেখা দিয়েছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, তখন ইসরায়েল এবং যুক্তরাষ্ট্র উভয়েরই ইন্টারসেপ্টরের মজুত শেষ হয়ে আসতে পারে বলে জল্পনা সৃষ্টি হয়েছিল।

প্রেবেল সতর্ক করে বলেন, বর্তমানে যে গতিতে অভিযান চলছে সে হারে ইন্টারসেপ্টর ব্যবহার করে অভিযান দীর্ঘদিন চালানো সম্ভব নাও হতে পারে।

কারণ, এসব অস্ত্র তাৎক্ষণিকভাবে উৎপাদন করে কাজে লাগানো সম্ভব না এবং এগুলোর কিছু অস্ত্র ইউক্রেইন, এশিয়া ও ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের জন্য বরাদ্দ রয়েছে। ইন্টারসেপ্টরগুলো অন্যান্য হুমকি ঠেকাতেও ব্যবহার হয়।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

চীন ও ভারত থেকে দেশে এলো ৫৩ হাজার টন ডিজেল

Published

on

By

দেশের জ্বালানি চাহিদা মেটাতে চীন ও ভারত থেকে আমদানি করা ৫৩ হাজার ৬০০ টন ডিজেল নিয়ে দুটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে এসে পৌঁছেছে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, আমদানিকৃত এই জ্বালানি দিয়ে দেশের বর্তমান দৈনিক গড়ে ১২ হাজার ৫০০ টন চাহিদা অনুযায়ী প্রায় চার দিনের প্রয়োজন মেটানো সম্ভব হবে।

জাহাজগুলোর স্থানীয় এজেন্ট প্রাইড শিপিং লাইন জানায়, শুক্রবার (১ মে) বিকেলে লাইবেরিয়ার পতাকাবাহী ‘লিলা কিংস্টন’ ১৯ হাজার টন ডিজেল নিয়ে বন্দরের বহির্নোঙরে নোঙর করে। এর পরদিন শনিবার ভোরে ৩৪ হাজার ৬০০ টন ডিজেল নিয়ে পানামার পতাকাবাহী ‘প্রাইভেট সোলানা’ কুতুবদিয়া এঙ্করেজে এসে পৌঁছায়।

প্রাইড শিপিং লাইনের ম্যানেজিং পার্টনার নজরুল ইসলাম বলেন, বর্তমানে ডলফিন জেটি ও বহির্নোঙর মিলিয়ে বন্দরে জ্বালানি তেলবাহী জাহাজের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে সাতটিতে। এর মধ্যে একটি জাহাজ থেকে লাইটারিংয়ের মাধ্যমে তেল খালাস কার্যক্রম চলছে।

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) সূত্রে জানা গেছে, গত এপ্রিল মাসে ২০টি জাহাজে করে মোট ৬ লাখ ৫ হাজার ২২৭ টন জ্বালানি তেল আমদানি করা হয়েছে। মে মাসে ১ লাখ টন ক্রুড অয়েলসহ মোট ৬ লাখ টন জ্বালানি আমদানির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

সংশ্লিষ্টরা জানান, নতুন এই চালান দেশের নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

Continue Reading

top1

২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ দামে জ্বালানি তেল

Published

on

By

ইরান যুদ্ধে সম্ভাব্য পদক্ষেপের নতুন পরিকল্পনা নিয়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে অবহিত করতে যাচ্ছে মার্কিন সামরিক বাহিনী। এমন খবরের পর অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম বেড়েছে কয়েক গুণ।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) এশিয়ার বাজারে দেখা গেছে, ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেলের দাম প্রায় ৭ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১২৬ ডলারের বেশি হয়েছে। ২০২২ সালে ইউক্রেনে রাশিয়ার পূর্ণাঙ্গ আগ্রাসন শুরুর পর এই দাম সর্বোচ্চ।

যুক্তরাষ্ট্রে লেনদেন হওয়া ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট অপরিশোধিত তেলের দামও ২ দশমিক ৩ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি প্রায় ১০৯ ডলারে দাঁড়িয়েছে।

জুন মাসের ডেলিভারির জন্য বর্তমান ব্রেন্ট ফিউচার্স চুক্তির মেয়াদ বৃহস্পতিবার শেষ হবে। ফিউচার চুক্তি হলো একটি নির্দিষ্ট তারিখে কোনো সম্পদ ক্রয় বা বিক্রয় করার চুক্তি। এশিয়ায় সকালের লেনদেনে অপেক্ষাকৃত সক্রিয় জুলাই মাসের চুক্তিটি প্রায় ২ শতাংশ বেড়ে প্রায় ১১৩ ডলারে পৌঁছেছিল।

সূত্রের বরাতে অ্যাক্সিওস জানিয়েছে, তেহরানের সঙ্গে আলোচনায় অচলাবস্থা ভাঙার লক্ষ্যে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড ইরানের ওপর ধারাবাহিক ‘স্বল্প ও শক্তিশালী’ হামলা চালানোর একটি পরিকল্পনা প্রস্তুত করেছে। প্রস্তাবিত এই হামলায় অবকাঠামোগত লক্ষ্যবস্তু অন্তর্ভুক্ত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

আরেকটি পরিকল্পনা ছিল হরমুজ প্রণালির একটি অংশ দখল করে সেটিকে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য পুনরায় খুলে দেওয়া এবং এই কাজে স্থলভাগে সেনা মোতায়েনের প্রয়োজন হতে পারে।

এ বিষয়ে মন্তব্যের জন্য বিবিসি মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড ও হোয়াইট হাউসের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে।

যুক্তরাষ্ট্র বলেছে, যতদিন তেহরান হরমুজ প্রণালি ব্যবহার করতে চাওয়া জাহাজগুলোকে হুমকি দেওয়া অব্যাহত রাখবে, তত দিন তারা ইরানের বন্দরগুলো অবরোধ করে রাখবে। এর ফলে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সরবরাহ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হবে।

ইরানের ওপর ‘দীর্ঘমেয়াদি’ অবরোধের জন্য ওয়াশিংটন প্রস্তুতি নিচ্ছে, এমন খবরের পর বুধবার তেলের দাম ৬ শতাংশ বেড়েছে।

Continue Reading

top1

দুই মামলায় হাইকোর্টে জামিন পেলেন আইভী

Published

on

By

সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় করা দুটি মামলায় উচ্চ আদালতে জামিন পেয়েছেন নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভী। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) এ আদেশ দেন বিচারপতি কেএম জাহিদ সারওয়ার ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের হাইকোর্ট বেঞ্চ।

এর আগে বুধবার (২৯ এপ্রিল) শুনানি শেষে হাইকোর্ট বেঞ্চ আদেশের জন্য এ দিন ধার্য করেন।

এদিকে আরও ৫ মামলায় সাবেক মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভীকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন নিয়ে আগামী রোববার (৩ মে) আদেশ দেবেন আপিল বিভাগ। গত সোমবার (২৭ এপ্রিল) আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলামের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ এই দিন ধার্য করেন।

জানা গেছে, গত বছরের ৯ মে ভোর ৩টার দিকে নারায়ণগঞ্জ শহরের দেওভোগ এলাকার চুনকা কুটির থেকে সাবেক মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভীকে আটক করে বিভিন্ন মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

পরবর্তীতে হাইকোর্ট ৫ মামলায় জামিন পেলেও আপিল বিভাগে তা স্থগিত হয়ে যায়। এর মধ্যেই গত ১৮ নভেম্বর তাকে আরও ৫ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

পরবর্তীতে বিচারপতি কেএম জাহিদ সারওয়ার ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের হাইকোর্ট বেঞ্চ গত ২৬ ফেব্রুয়ারি তাকে জামিন দেন।

পাঁচটি মামলার মধ্যে যে চারটি মামলায় আইভীকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে সেগুলো হলো— ফতুল্লা থানায় করা বাসচালক আবুল হোসেন মিজি হত্যা, আব্দুর রহমান হত্যা, মো. ইয়াছিন হত্যা এবং পারভেজ হত্যা মামলা। এছাড়াও হামলা ও সরকারি কাজে বাধা দেয়ার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানায় অপর মামলাটি করা হয়েছে।

হাইকোর্টের জামিন আদেশের পর রাষ্ট্রপক্ষ আইভীর জামিন স্থগিত চেয়ে আপিল বিভাগে আবেদন করে। পরবর্তীতে গত ৫ মার্চ হাইকোর্টের দেওয়া জামিন আদেশ স্থগিত করেন আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত।

সে সঙ্গে বিষয়টি শুনানির জন্য নিয়মিত বেঞ্চে পাঠানো হয়। তবে এর মধ্যেই আরও দুই মামলায় সাবেক মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভীকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

Continue Reading

Trending