Connect with us

top1

একেকটা জঙ্গি ছেলে এখন জাতীয় নেতা হয়ে বসে আছে: ফজলুর রহমান

Published

on

কিশোরগঞ্জ-৪ (ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রাম) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও সিনিয়র আইনজীবী, বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান বলেছেন, এই দেশে আবারও একটি মুক্তিযুদ্ধ হবে। একেকটা জঙ্গি ছেলে এখন জাতীয় নেতা হয়ে বসে আছে। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে মিঠামইন বাজারের বালুর মাঠে অনুষ্ঠিত এক নির্বাচনী জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

ফজলুর রহমান বলেন, ‘পৃথিবীর রাজনীতিতে পাকিস্তান, তুরস্ক, ইরান এই মুসলিম দেশগুলো চায় না বাংলাদেশ নামে কোনো দেশ থাকুক। এরা হাজার হাজার কোটি ডলার-রিয়াল-পাউন্ড জামায়াতে ইসলামীকে, স্বাধীনতা বিরোধীদেরকে, জঙ্গিদেরকে দেয়। একেকটা জঙ্গি ছেলে এখন জাতীয় নেতা হয়ে বসে আছে। মির্জা আব্বাসকে গালি দেয়। যারা জাতীয় নেতা হয়ে বসে আছে, ইউনূসের সাথে বসে মিটিং করে। এই সব লোকজন এদের বাড়ি কই, এদের বাপের নাম কী? জন্মের পরিচয় কী এদের? কেউ বাড়ি থেকে দাঁড়ায় না, কারণ বাড়িতে গেলে মানুষ কান ধরে টান দিবো। ঢাকার নেতা হয়ে ঢাকায় দাঁড়িয়ে গেছে, এইটা তো বাড়ির মানুষ জানে না। এই সব গরু চোরের দল, জুতা চোরের দলেরা এখন বাংলাদেশের নেতা।’

জামায়াতে ইসলামীকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, ‘দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে রাজাকার ও আলবদরদের রাজনীতি আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। তারা বাংলাদেশকে মধ্যযুগে ফিরিয়ে নিতে চায়।’ তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘জামায়াতের কিছু বক্তব্য ও কর্মকাণ্ড নারীর মর্যাদা ও আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থার পরিপন্থী। বাংলাদেশকে জ্ঞানবিজ্ঞান ও আধুনিক চিন্তার রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।’

ফজলুর রহমান আরও বলেন, ‘তারা বোরকা পরে গিয়ে একটা চকলেট দেয় বাচ্চাদেরকে আর বউরারে একটা কানপাশা দেয়। আসার সময় বলে ভোটটা দিয়েন, বেহেশতের টিকেটটা কালকে দিয়ে যাবনে। বেহেশতের টিকেট যে দিতে পারে, সে শিরক গুনাহ করে। কারণ, বেহেশত দেওয়ার মালিক একমাত্র আল্লাহ। আল্লাহর সাথে যে তুলনা করে, সেই শিরক গুনাহর কোনো মাফ নাই। এখন আবার বলে, না টিকেট দেওয়া যাবে না, এইটা একটু শর্ট পড়ে গেছে, এখন সবাইকে হজে নিতে চায়। একবার হজে গেলে ৬ লাখ টাকা লাগে। এই সব ধরনের মিথ্যা প্রলোভনে পড়ে রাজাকারের বাচ্চাদের ভোট দিবেন না।’

মুক্তিযুদ্ধ প্রসঙ্গে ফজলুর রহমান বলেন, ‘এই শক্তিগুলো ১৯৭১ সালে ৩০ লাখ মানুষ হত্যা করেছে, ২ লাখ নারী নির্যাতনের শিকার হয়েছে। দেশকে ধ্বংসস্তূপে পরিণত করা হয়েছিল। আমরা জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ করেছি।’

আসন্ন নির্বাচন নিয়ে ফজলুর রহমান বলেন, ‘এই সব রাজাকার-আলবদর জঙ্গির দল নির্বাচনে পারবে না। আল্লাহর রহমত হিসেবে আগামী ১২ তারিখের নির্বাচনে বিএনপি ক্ষমতায় যাবে। আল্লাহর রহমতে তারেক রহমান হবেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। ইটনা, মিঠামইন, অষ্টগ্রামের মানুষ আপনারা যদি দয়া করে আপনাদের অধম সন্তান ফজলুর রহমানকে ভোট দেন, তাহলে ফজলুর রহমান হবে এমপি। ২৪০টার ওপরে সিট পাবে বিএনপি। কিন্তু চক্রান্ত বড় কঠিন এবং গভীরে। সেই চক্রান্ত যেই করুক, কেউ যদি ভোট লুট করতে আসে, আপনারা ছেড়ে দিবেন না।’

ফজলুর রহমান বলেন, জামায়াত ও তাদের মিত্ররা বড় চক্রান্ত করছে। তাদের মোকাবিলায় মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সব শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।

সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বিষয়ে ফজলুর রহমান বলেন, ‘বাংলাদেশ হিন্দু-মুসলমান-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টানের দেশ। হিন্দু ও মুসলমান বাঙালি জাতির দুই হাত। একটিকে বাদ দিলে অন্যটি টিকে থাকতে পারে না। আমরা সবাই মিলে এই দেশ গড়ব।’

মিঠামইন উপজেলা বিএনপির সভাপতি জাহিদুল আলম জাহাঙ্গীরের সভাপতিত্বে জনসভায় আরও বক্তব্য দেন ফজলুর রহমানের সহধর্মিণী অ্যাডভোকেট উম্মে কুলসুম রেখা, জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম রতন, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আহ্বায়ক মো. ইব্রাহিম মিয়া, জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য আলমগীর শিকদার, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি ভিপি বাহার মিয়া, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুল্লাহ মিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট জসিম উদ্দিন রুবেল, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহসভাপতি হাফিজুল্লাহ হীরা, কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য তাফসির খান, ব্যারিস্টার অভিক রহমানসহ বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

ঝুঁকির কথাও স্বীকার করেও ডিসেম্বরে দেশে ফেরার ইচ্ছা শেখ হাসিনার

Published

on

By

ডিজিটাল ডেস্ক

ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, গ্রেপ্তার, কারাবন্দি হওয়া কিংবা প্রাণনাশের আশঙ্কা সম্পর্কে তিনি সম্পূর্ণ সচেতন। তবুও আগামী ডিসেম্বরের মধ্যেই বাংলাদেশে ফিরতে চান বলে জানিয়েছেন তিনি। বার্তা সংস্থা এএফপিকে দেওয়া এক ই-মেইল সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন আওয়ামী লীগ সভাপতি।

সাক্ষাৎকারে ৭৮ বছর বয়সী শেখ হাসিনা বলেন, “আমাকে হত্যা করা হতে পারে। আমাকে গ্রেপ্তার করা হতে পারে। আমাকে কারাগারেও পাঠানো হতে পারে। আমি আমার পরিণতি সম্পর্কে পুরোপুরি সচেতন। তারপরও দেশে ফিরতে চাই, কারণ আমার দেশের মানুষ আমাকে ডাকছে।”

২০২৪ সালের আগস্টে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মুখে টানা ১৫ বছরের শাসনের অবসান ঘটিয়ে তিনি ভারত চলে যান। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, ওই সময়ের সহিংসতায় সর্বোচ্চ ১ হাজার ৪০০ জন পর্যন্ত নিহত হতে পারেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

গত নভেম্বরে ঢাকার একটি আদালত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শেখ হাসিনাকে দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ডের রায় দেন। তবে তিনি এই রায়কে “আইনের পোশাকে রাজনৈতিক প্রতিশোধ” বলে মন্তব্য করেন।

শেখ হাসিনা জানান, বর্তমানে তিনি ভারতের একটি গোপন স্থানে অবস্থান করছেন এবং তাকে দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ তার সঙ্গে কোনো আলোচনা করেনি। তার ভাষ্য, দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত এবং এটি প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।

মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান

তার সরকারের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘন, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ দমন, বিচারব্যবস্থায় প্রভাব বিস্তার এবং একতরফা নির্বাচন আয়োজনের অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন মহল থেকে উঠলেও শেখ হাসিনা সেসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

তিনি বলেন, অভিযোগগুলোর অনেকটাই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং অভিযোগ উঠলেই তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

ছাত্র আন্দোলন নিয়ে নিজের অবস্থান

২০২৪ সালের ছাত্র আন্দোলন দমনে অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের অভিযোগও নাকচ করেছেন শেখ হাসিনা। তার দাবি, সরকার সর্বোচ্চ ধৈর্য দেখিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেছিল।

তিনি আরও বলেন, এটি কেবল একটি ছাত্র আন্দোলন ছিল না; বরং পরিকল্পিত সহিংসতা, অপপ্রচার এবং সরকার উৎখাতের উদ্দেশ্যে পরিচালিত একটি সংগঠিত অভিযান ছিল।

রাজনীতিতে ফেরা নিয়ে স্পষ্ট নন

বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম কার্যত নিষিদ্ধ থাকার প্রেক্ষাপটে দেশে ফিরে সক্রিয় রাজনীতিতে ফিরবেন কি না—এ প্রশ্নের সরাসরি জবাব দেননি শেখ হাসিনা। তবে তিনি বলেন, “ক্ষমতা আমার লক্ষ্য নয়। মানুষের সেবা করাই আমার উদ্দেশ্য।”

সমবেদনা জানালেও ক্ষমা চাননি

আন্দোলনে নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করলেও আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমা চাননি শেখ হাসিনা। সংকটকালীন সিদ্ধান্ত নিয়ে অনুশোচনা আছে কি না—এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, রাষ্ট্র পরিচালনার সিদ্ধান্ত কোনো একক ব্যক্তির নয়; পুরো পরিস্থিতির প্রেক্ষাপট বিবেচনা করেই তা মূল্যায়ন করা উচিত।

Continue Reading

top1

আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় বললেন নেইমার

Published

on

By

স্পোর্টস ডেস্ক

ব্রাজিল জাতীয় ফুটবল দলের জার্সিতে আর দেখা যাবে না নেইমার জুনিয়রকে। ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন পূরণ না করেই আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন ব্রাজিলের ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা এই ফরোয়ার্ড। দীর্ঘ ১৬ বছরের বর্ণাঢ্য আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ইতি টানার বিষয়টি তিনি নিজেই নিশ্চিত করেছেন।

মঙ্গলবার (২৯ জুলাই) কোপা সুদামেরিকানায় ভেনেজুয়েলার ক্লাব ইউনিভার্সিদাদ সেন্ট্রালের বিপক্ষে সান্তোসের ৪-২ গোলের জয়ের পর সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে অবসরের ঘোষণা দেন ৩৪ বছর বয়সী এই তারকা।

জাতীয় দলকে বিদায় জানিয়ে নেইমার বলেন, “জাতীয় দলের সঙ্গে আমার পথচলা শেষ। আমি ইতিহাস গড়েছি, অনেক ভালো মুহূর্ত পেয়েছি। হলুদ জার্সির জন্য নিজের রক্ত, জীবন—সবকিছু উজাড় করে দিয়েছি। কিন্তু এখন আর চালিয়ে যেতে চাই না।”

২০১০ সালে মাত্র ১৮ বছর বয়সে ব্রাজিলের সিনিয়র দলে অভিষেক হয় নেইমারের। জাতীয় দলের হয়ে ১৩০ ম্যাচে ৮০ গোল ও ৫৯ অ্যাসিস্ট করে দেশের ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে ক্যারিয়ার শেষ করলেন তিনি।

বিশ্বকাপ ও কোপা আমেরিকার শিরোপা জয়ের আক্ষেপ নিয়েই আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানালেন নেইমার। চলতি ২০২৬ বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে নরওয়ের কাছে ব্রাজিলের হারের পর থেকেই তার অবসর নিয়ে জোর গুঞ্জন শুরু হয়। সেই ম্যাচ শেষে মেটলাইফ স্টেডিয়ামে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েছিলেন তিনি।

আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ইতি টানলেও ক্লাব ফুটবল চালিয়ে যাবেন নেইমার। ইউনিভার্সিদাদ সেন্ট্রালের বিপক্ষে বদলি হিসেবে নেমে সান্তোসের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন তিনি। এই জয়ে কোপা সুদামেরিকানার শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে ব্রাজিলিয়ান ক্লাবটি। সেখানে তাদের প্রতিপক্ষ হবে ইকুয়েডরের মাকারা।

এদিকে সম্প্রতি সতীর্থদের অপমান করার অভিযোগও নাকচ করেছেন নেইমার। তার দাবি, ম্যাচ শেষে অধিনায়ক হিসেবে দলের পারফরম্যান্স নিয়ে গঠনমূলক আলোচনা করেছিলেন। তবে সেই বিষয়টি নিয়ে সংবাদমাধ্যমে ভুল ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে।

Continue Reading

top1

দেশের সব দুধ ও দুগ্ধজাত পণ্যে মিলল মাইক্রোপ্লাস্টিক, সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে শিশুরা

Published

on

By

স্টাফ রিপোর্টার

বাংলাদেশের বাজারে প্রচলিত সব ধরনের দুধ ও দুগ্ধজাত পণ্যে মাইক্রোপ্লাস্টিক বা অতি ক্ষুদ্র প্লাস্টিক কণার উপস্থিতি শনাক্ত হয়েছে। যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) একদল গবেষকের গবেষণায় পরীক্ষা করা ৪১টি নমুনার প্রতিটিতেই মাইক্রোপ্লাস্টিকের অস্তিত্ব মিলেছে। গবেষকদের মতে, বিশেষ করে ৪ থেকে ১০ বছর বয়সী শিশুরা এ দূষণের সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে।

‘Microplastics Contamination of Milk and Milk Products in Bangladesh: Characterization, Dietary Exposure and Risk Assessment’ শীর্ষক গবেষণাটি পরিচালনা করেন সানাউল্লাহ মাজুমদারের নেতৃত্বে যবিপ্রবির পুষ্টি ও খাদ্যপ্রযুক্তি বিভাগের গবেষকরা। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) ২০২৩–২৪ অর্থবছরের গবেষণা অনুদানে পরিচালিত এ গবেষণাকে দেশে দুধ ও দুগ্ধজাত পণ্যে মাইক্রোপ্লাস্টিক দূষণ নিয়ে প্রথম বিস্তৃত গবেষণা বলে দাবি করা হয়েছে।

গবেষণার জন্য দেশের বিভিন্ন অঞ্চল ও সুপারশপ থেকে ৪১টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। এর মধ্যে ছিল ১৭টি কাঁচা দুধ, ১২টি ব্র্যান্ডের তরল ও গুঁড়া দুধ এবং ১২টি অন্যান্য দুগ্ধজাত পণ্য। মাইক্রোস্কোপ ও এফটিআইআর প্রযুক্তিতে পরীক্ষার পর প্রতিটি নমুনাতেই মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি পাওয়া যায়।

গবেষণায় দেখা গেছে, কাঁচা দুধের তুলনায় প্যাকেটজাত বা ব্র্যান্ডের দুধে মাইক্রোপ্লাস্টিকের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি। প্রতি ১০০ মিলিলিটার ব্র্যান্ডের দুধে গড়ে ১৫৬.৬টি, কাঁচা দুধে ৯৩.৩৯টি এবং অন্যান্য দুগ্ধজাত পণ্যে ৭০.৮০টি প্লাস্টিক কণা শনাক্ত হয়েছে।

গবেষকদের ধারণা, দুধ সংগ্রহ, পরিবহন, প্রক্রিয়াজাতকরণ, প্যাকেটজাতকরণ এবং কারখানার যন্ত্রপাতি ও পাইপলাইনের সংস্পর্শে এসে এসব প্লাস্টিক কণা দুধে মিশে যেতে পারে।

পরীক্ষায় পাওয়া অধিকাংশ মাইক্রোপ্লাস্টিক ছিল স্বচ্ছ, আঁশের মতো এবং ২৫০ মাইক্রোমিটারের কম আকারের। নমুনাগুলোতে পিটিএফই (টেফলন), পিইটি, নাইলন-৬, পলিইথিলিন, পিডিএমএস এবং পলিস্টাইরিনসহ বিভিন্ন ধরনের পলিমার শনাক্ত হয়েছে।

গবেষণায় বলা হয়েছে, প্রাপ্তবয়স্কদের তুলনায় শিশুদের শরীরের ওজন কম এবং দুধের ওপর নির্ভরতা বেশি হওয়ায় ৪ থেকে ১০ বছর বয়সী শিশুরা মাইক্রোপ্লাস্টিক গ্রহণের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে।

খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দুগ্ধ সরবরাহ ব্যবস্থায় প্লাস্টিকের ব্যবহার কমানো, উন্নতমানের ফিল্টার ব্যবহার এবং নিয়মিত মান পরীক্ষার ব্যবস্থা চালুর সুপারিশ করেছেন গবেষকরা।

Continue Reading

Trending