Connect with us

রাজনীতি

খুলনা-৫ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিলেন মিয়া গোলাম পরওয়ার

Published

on

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন আজ সোমবার। শীতের তীব্রতা উপেক্ষা করে সকাল থেকে বিভিন্ন দলের প্রার্থীরা তাদের নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে মনোনয়নপত্র জমা দিতে রিটার্নিং অফিসার ও খুলনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে উপস্থিত হচ্ছেন। ইতোমধ্যেই বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

খুলনা জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা সূত্রে জানা গেছে, আজ সোমবার সকালে পৌনে ১০টার দিকে খুলনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী ও জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার তার মনোনয়নপত্র জেলা রিটার্নিং অফিসার আ. স. ম. জামশেদ খোন্দকারের হতে তুলে দেন।

এরপর মনোনয়নপত্র তুলে দেন খুলনা-৬ আসনের প্রার্থী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ ও খুলনা অঞ্চল সহকারী পরিচালক মাওলানা আবুল কালাম আজাদ।

তারপর দেন খুলনা-২ আসনের প্রার্থী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দীয় মজলিস সুরার সদস্য ও মহানগরী জামায়াতের সেক্রেটারি এড. জাহাঙ্গীর হুসাইন হেলাল।

এছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মনোনীত প্রার্থী খুলনা-৪ আসনের হাফেজ মাওলানা ইউনুস আহমেদ রিটার্নিং অফিসারের কাছে তার মনোনয়নপত্র জমা দেন।

অপরদিকে, দুপুর ১২টার পর খুলনা-২ আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু রিটার্নিং অফিসার ও খুলনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র জমা দেন। খুলনা-৩ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুল খুলনার আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা দপ্তরে মনোনয়নপত্র জমা দেন। 

এছাড়া বিএনপির অন্যান্য প্রার্থী এবং অন্যান্য দল ও  স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ও পর্যায়ক্রমে রিটার্নিং অফিসারের দপ্তরে মনোনয়নপত্র দাখিল করবেন জানা গেছে।

উল্লেখ্য, সংসদীয় আসন খুলনা-১, খুলনা-২, খুলনা-৪, খুলনা-৫ ও খুলনা-৬ আসনের রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব রয়েছেন খুলনার জেলা প্রশাসক। শুধুমাত্র খুলনা-৩ আসনের রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব রয়েছেন খুলনার আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা। 

এ কারণে খুলনা-৩ আসনের প্রার্থীরা আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তার দপ্তরের তাদের মনোনয়নপত্র জমা দিচ্ছেন। আর অন্য প্রার্থীরা খুলনা জেলা প্রশাসকের দপ্তরে মনোনয়নপত্র জমা দিচ্ছেন।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top3

ডিপুটি স্পিকার দেওয়ার কথা বলে ললিপপ দেখাচ্ছে বিএনপি: আসিফ মাহমুদ

Published

on

By

সাবেক উপদেষ্টা ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজিব ভূঁইয়া বলেছেন, আপনারা যদি মনে করেন রাজনীতি একমাত্র আপনরাই বুঝেন, আর বাংলাদেশের মানুষকে দীর্ঘদিনের মত বারবার বোকা বানিয়ে প্রাপ্য অধিকার কেড়ে নিবেন, তাহলে ভুল করবেন। যারা গণভোটে হ্যাঁ ভোট দিয়ে বিজয়ী করেছে তারা জুলাই সনদ বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনে আবার রাজপথে নামার জন্য প্রস্তুত আছে।

মঙ্গলবার (৩ মার্চ) বিকালে কুমিল্লা স্টেশন ক্লাব মাঠে আয়োজিত এনসিপির বিভাগীয় ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, গণভোটে ৭০% ভোট পেয়ে হ্যাঁ ভোট বিপুল ভোটে জয়যুক্ত হয়েছে।

কিন্তু আমরা সরকার গঠনের পর কি দেখতে পাচ্ছি ‘সরকারের মধ্যে সংস্কার নিয়ে এক ধরণের চোরপুলিশ খেলা চলছে। সরকার একদিকে বিরোধী দলকে জুলাই সনদকে সম্মান করব বলে ডিপুটি স্পিকার দেওয়ার কথা বলে ললিপপ দেখাচ্ছে, অন্যদিকে তাদের দলীয় আইনজীবীদের হাইকোর্টে পাঠিয়ে জুলাই সনদ এবং গণভোট অধ্যাদেশকে অবৈধ হিসেবে রায় নিয়ে আসার চেষ্টা করছে। আমরা আপনাদের এ ধরণের চালাকি বুঝতে পারি।

আসিফ মাহমুদ আরো বলেন, আমাদের সহযোদ্ধারা যারা সংসদে গিয়েছেন, তাঁরা এ বিষয়ে আওয়াজ তুলবেন, সেখানে সংস্কার বাস্তাবায়নের জন্য, এ দেশের মানুষের অধিকার বাস্তবায়নের জন্য আওয়াজ তুলবেন।

আমরা যদি দেখি জুলাই সনদ বাস্তবায়ন হচ্ছে না, তাহলে আমরা সারা বাংলাদেশে আবারও রাজপথে নামব। যদি জুলাই ও জুলাই সনদকে হত্যা করার পাঁয়তারা করা হয় তাহলে এই কুমিল্লা আমাদের পথ দেখাবে।

তিনি আরো বলেন, আমরা সরকার দলকে আহবান জানাবো, আপনারা আমাদের শহীদদের প্রতি সম্মান জানিয়ে জুলাই গণঅভ্যুত্থান যে শহীদদের পরিবার সর্বোচ্চ আত্মত্যাগ করেছে তাদেরকে ও আহত ভাইদের প্রতি সম্মান জানিয়ে সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ নিন। জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দিকে আগান আমরা আপনাদের সর্বাত্মক সহযোগিতা করব।

কিন্তু আপনারা যদি সেটা না করেন বাংলাদেশের জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করেন তাহলে আমি স্পষ্ট করে বলে দিতে চাই, আপনারাও শান্তিতে সরকার পরিচালনা করতে পারবেন না। যদি তা না চান তাহলে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ও সংস্কার বাস্তবায়নে মানুষকে সাথে নিয়ে কাজ করুন।

যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক নাভিদ নওরোজ শাহের সঞ্চালনায় কুমিল্লা বিভাগীয় ইফতার মাহফিলে আরো বক্তব্য দেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহবায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলাম এমপি, সদস্য সচিব আখতার হোসেন এমপি, এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসিরউদ্দিন পাটোয়ারী, মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) ও কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ, মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম। এতে সভাপতিত্বে করেন কুমিল্লা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো.আতাউল্লাহ।

Continue Reading

রাজনীতি

‘জুলাই সনদ ও সংস্কারে বাধা দিচ্ছে বিএনপি সরকার’: এনসিপির অভিযোগ

Published

on

By

জুলাই জাতীয় সনদ এবং রাষ্ট্রীয় সংস্কার কর্মসূচি বাস্তবায়নে বর্তমান বিএনপি সরকার পরিকল্পিতভাবে বাধা সৃষ্টি করছে বলে অভিযোগ তুলেছে ন্যাশনাল সিটিজেনস পার্টি (এনসিপি)। দলটির দাবি, আইনি মারপ্যাঁচ এবং আদালতকে ব্যবহারের মাধ্যমে গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষাকে নসাৎ করার চেষ্টা চলছে।

সোমবার (২ মার্চ) সন্ধ্যায় রাজধানীর বাংলামোটরে এনসিপির অস্থায়ী কার্যালয়ে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করা হয়। দলটির সংস্কার বাস্তবায়ন বিষয়ক কমিটি এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে।

‘সাপলুডু খেলা চলছে’

সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া সরকারের দ্বিমুখী নীতির সমালোচনা করে বলেন, “বিএনপি সরকার আদালতের মাধ্যমে সংস্কার প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করছে। তারা বাইরে উদারতা দেখালেও ভেতরে সংস্কারের পথে দেয়াল তুলে দিচ্ছে—এটি অনেকটা সাপলুডু খেলার মতো। সরকার কেবল নিজেদের পছন্দমতো ‘সিলেক্টিভ’ সংস্কার নিয়ে আদালতে যাচ্ছে, যা জনগণের আকাঙ্ক্ষার পরিপন্থী।”

আসিফ মাহমুদ আরও সতর্ক করে বলেন, “বিএনপি বর্তমান সংসদের বৈধতাকেই প্রশ্নের মুখে ফেলছে। যে আদেশের ভিত্তিতে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে, আজ সেই প্রক্রিয়া নিয়ে রিট করা হলে এই সংসদও বাতিল হতে পারে। মূলত ৭২-এর সংবিধানকে রক্ষা করার জন্যই তারা এই লড়াই করছে।”

মীমাংসিত বিষয় নিয়ে বিতর্ক

এনসিপির সংস্কার বাস্তবায়ন বিষয়ক কমিটির উপপ্রধান ও যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার বলেন, জুলাই সনদের ওপর ভিত্তি করেই জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে। এটি জনগণের অভিপ্রায়ের চূড়ান্ত বহিঃপ্রকাশ।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, মীমাংসিত রাজনৈতিক বিষয়গুলোকে আদালতে টেনে নিয়ে বিচার বিভাগ ও জনগণকে মুখোমুখি দাঁড় করানো হচ্ছে। নির্বাচনের আগে বিএনপিই বলেছিল নির্বাচনের সঙ্গে গণভোট হলে তা একই অর্থ বহন করবে। এখন সেই প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তোলা তাদের নৈতিক অবস্থানের স্খলন।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, গণঅভ্যুত্থানের আগে যেভাবে জনগণকে আদালতের মুখোমুখি করা হয়েছিল, বর্তমানেও সেই একই শঙ্কা দেখা দিচ্ছে। রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য বিচার বিভাগকে ব্যবহার করার এই ‘ন্যক্কারজনক নজির’ থেকে সরে আসার আহ্বান জানায় দলটি।

Continue Reading

top1

‘ইরানে হামলা বন্ধ না হলে জামায়াত বৃহত্তর কর্মসূচিতে যেতে বাধ্য হবে’

Published

on

By

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল অবিলম্বে ইরানে হামলা বন্ধ না করলে জামায়াতে ইসলামী বৃহত্তর কর্মসূচিতে যেতে বাধ্য হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন দলটির নায়েবে আমির এটিএম আজহারুল ইসলাম।

রোববার (১ মার্চ) দুপুরে বায়তুল মোকাররম প্রাঙ্গণে ইরানে হামলা ও আয়াতুল্লাহ খামেনির মৃত্যুর প্রতিবাদে জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন।

ইসরায়েলের বিষয় তুলে ধরে এটিএম আজহারুল ইসলাম বলেন, ‘ইরানের শাহেনশাহের বিরুদ্ধে শত শত বছর লড়াই করেছিল দেশটির জালিম সম্প্রদায়। তাদের লড়াইয়ের ফসল ১৯৭৯ সালের ইরানের সফল ইসলামী বিপ্লব। এ শক্তিকে টিকিয়ে রাখার জন্য বিশ্বের মোড়লরা অনেক চেষ্টা করেছে। জনগণের সামনে তারা পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে। তাই জনগণ এ অপ্রতিহত শক্তি আপনারা হিসাব করবেন।’

তিনি বলেন, ‘শুধু গণতন্ত্রের কথা বললে চলবে না, গণতন্ত্রকে মানতে হবে আপনার দেশেই শুধু নয়, অন্য দেশেও মানার ব্যবস্থা করতে হবে। অন্য দেশেও যাতে গণতন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, তার ব্যবস্থা করতে হবে। দেশে দেশে গণতন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত হলে একটি দুটি দেশে গণতন্ত্র থাকলে সে দেশটি টিকে থাকতে পারবে না।

যুদ্ধ বন্ধে জাতিসংঘকে ওআইসিকে যথাযথ ভূমিকা পালনের আহ্বান জামায়াতের নায়েবে আমির বলেন, ‘জাতিসংঘ কয়েকটি দেশের তাঁবেদার শক্তি হিসেবে আজকে ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে। তারা শান্তিকামী দেশগুলোর পক্ষে আসে না। এই জাতিসংঘ যদি এই ভূমিকা পালন করে জনগণ একদিন বলবে জাতিসংঘের কোনো প্রয়োজন নেই।’

তিনি বলেন, ‘মুসলিম বিশ্বের দেশগুলো নিয়ে ওআইসি গঠিত। অথচ তারা যথাযথ ভূমিকা পালন করতে পারছে না। আপনারা ওআইসি মুসলিম বিশ্বের মোড়ল হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত হিসেবে যথাযথ দায়িত্ব পালন করেন। তা না হলে জনগণ আপনাদের প্রত্যাখ্যান করবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতা যদি দীর্ঘদিন চলে সেখানের মানুষরা নয়, বাংলাদেশসহ অনেক দেশ ক্ষতিগ্রস্ত হবে। জিনিসপত্র ও তেলের দাম বেড়ে যাবে। এতে সাধারণ জনগণের জীবনযাপন অত্যন্ত কঠিন হয়ে যাবে।’

Continue Reading

Trending