Connect with us

top1

ঢাকার সড়কে ৪০০ বৈদ্যুতিক বাস নামানোর পরিকল্পনা

Published

on

গণপরিবহনে শৃঙ্খলা ফেরানো ও এ খাত থেকে কার্বন নির্গমন কমানোর লক্ষ্যে ঢাকার সড়কে ৪০০টি বৈদ্যুতিক বাস নামানোর পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার। পরিবেশবান্ধব গণপরিবহনব্যবস্থা গড়ে তুলতে ২০৩০ সালের মধ্যে ঢাকার মোট যানবাহনের ৩০ শতাংশ বৈদ্যুতিক করার লক্ষ্যও নেওয়া হয়েছে।

রোববার (৪ জানুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পরিবেশ অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে কার্বন নিঃসরণ কমানোর জাতীয় অঙ্গীকার–এনডিসি (ন্যাশনালি ডিটারমাইন্ড কন্ট্রিবিউশন) বাস্তবায়নে খাতভিত্তিক কার্বন নিঃসরণ কমানোর ওপর আয়োজিত এক কর্মশালায় এসব তথ্য জানান সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব এস এম গোলাম রব্বানী।

গোলাম রব্বানী বলেন, পরিবহন খাত থেকে কার্বন নিঃসরণ কমানো ও গণপরিবহনে শৃঙ্খলা ফেরাতে ঢাকায় ৪০০টি বৈদ্যুতিক বাস নামানোর পরিকল্পনা করছে সরকার। এ ছাড়া সরকার বহুমুখী পরিবহন পরিকল্পনার (মাল্টিমোডাল ট্রান্সপোর্ট প্ল্যান) অংশ হিসেবে ট্রেন ও জলপথের ব্যবহার বাড়িয়ে মোটরযান কমানোর দিকে যাচ্ছে।

সরকারের এই কর্মকর্তা জানান, ৪০০ বৈদ্যুতিক বাস নামানোর বিশদ প্রকল্প পরিকল্পনা (ডিপিপি) হয়ে গেছে। এটি এখন পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হবে। তিনি বলেন, ঢাকার গণপরিবহনের জন্য সংশোধিত কৌশলগত হালনাগাদ পরিবহন পরিকল্পনার (ইউআরএসটিপি) অংশ হিসেবে ২০৩০ সালের মধ্যে ঢাকায় মেট্রোরেলের তিনটি লাইন হয়ে যাবে। ঢাকা শহরে মোট আটটি মেট্রোরেল করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।

সরকারি তথ্যমতে, বাংলাদেশে খাতভিত্তিক কার্বন নিঃসরণে সবার ওপরে আছে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ বিভাগ। বিদ্যুৎ বিভাগের নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ শাখার জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব তাহমিলুর রহমান বলেন, কার্বন নিঃসরণ কমাতে তাঁর মন্ত্রণালয় থেকে ছাদে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপনের কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে। ২০৩০ সালের মধ্যে তিন হাজার মেগাওয়াটের বেশি বিদ্যুৎ এখান থেকে আসবে।

কার্বন নিঃসরণ কমানোর জাতীয় অঙ্গীকারে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের অবদান ২০৩০ সালের আগেই পূরণ করা সম্ভব বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। বিদ্যুৎ বিভাগের এই কর্মকর্তা জানান, সরকার ৭৫টি ‘পিকিং পাওয়ার প্ল্যান্ট’ (বাড়তি চাহিদার সময় বিদ্যুৎ উৎপাদন করিয়ে নেওয়া হয়) আস্তে আস্তে বাদ দেওয়ার চিন্তা করছে।

‘এনডিসি বাস্তবায়ন না হলে জলবায়ু অর্থায়ন বন্ধ হয়ে যাবে’

কর্মশালার উদ্বোধনী অংশে বক্তব্য দেন ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক ও খ্যাতিমান জলবায়ু বিশেষজ্ঞ আইনুন নিশাত। সতর্ক করে তিনি বলেন, কার্বন নিঃসরণ কমানোর পরিকল্পনা যেটা এনডিসি নামে পরিচিত, সেটি বাস্তবায়ন করতে না পারলে জলবায়ুর যে বৈশ্বিক অর্থায়ন, সেটি বন্ধ হয়ে যাবে। এনডিসির যে অঙ্গীকার তা বাস্তবায়নের দায়িত্ব শুধু পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের নয়, সব মন্ত্রণালয় ও সংস্থাকে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে।

আইনুন নিশাত বলেন, ‘জলবায়ুর বৈশ্বিক তহবিল থেকে টাকা পেতে হলে এনডিসি কতটুকু বাস্তবায়ন হয়েছে, সেটি দেখা হবে। বাংলাদেশের যে কার্বন নির্গমন সেটি বিশ্বের মোট কার্বন নিঃসরণের মাত্র শূন্য দশমিক ৪ শতাংশ। আমরা কত কার্বন নিঃসরণ কমাচ্ছি তাতে পৃথিবীর কিছু যায় আসে না, তবুও এটি আমাদের জন্য সুযোগ, এটা প্রমাণ করার যে আমরা চাইলে পারি।’

বিশিষ্ট এ জলবায়ু বিশেষজ্ঞ বলেন, ক্ষতিপূরণ কেউ কাউকে এমনি এমনি দেবে না, সেটি অর্জন করে নিতে হবে। প্যারিস জলবায়ু চুক্তিতে ‘কমপ্লায়েন্সকে’ (কার্বন নিঃসরণ কমানোর ব্যবস্থা নেওয়া) খুব গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

এনডিসিতে যেসব অঙ্গীকার করা হয়েছে সেগুলোর প্রতিফলন উন্নয়ন পরিকল্পনায় থাকতে হবে বলে উল্লেখ করেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব ফারহিনা আহমেদ।

ভার্চ্যুয়ালি অনুষ্ঠানে যুক্ত হয়ে পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. কামরুজ্জামান বলেন, বাংলাদেশ কার্বন নিঃসরণ কমানোর যে অঙ্গীকার করেছে, সেটা কেউ চাপিয়ে দেয়নি। যদি এটা বাস্তবায়ন করা না যায়, সেটা হবে লজ্জার।

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ নাভিদ শফিউল্লাহ বলেন, অন্যান্য এনডিসির তুলনায় এবারের এনডিসি বাস্তবমুখী। সর্বশেষ এনডিসিতে ২০৩৫ সালের মধ্যে বাংলাদেশের কার্বন নিঃসরণ প্রাক্কলন করা হয়েছে ৪১৮ দশমিক ৪০ মিলিয়ন টন। এ সময়ের মধ্যে ৮৫ মিলিয়ন টন কার্বন নিঃসরণ কমানোর অঙ্গীকার করেছে বাংলাদেশ।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

গভর্নর মনসুর এমন বিদায় ‘ডিজার্ভ’ করেন না: ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব

Published

on

By

নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির ঘটনা পর্যালোচনা কমিটির সদস্য ও সদ্য বিদায়ী অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার সাবেক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেছেন, বিদায়ী গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর এমন ‘অসম্মানজনক’ বিদায় প্রাপ্য ছিলেন না। তার মতে, যোগ্য ব্যক্তিদের সঙ্গে এমন আচরণ চললে ভবিষ্যতে সংকটের সময় কোনো দক্ষ মানুষ দেশের হাল ধরতে আসবে না।

বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে নিজের ব্যক্তিগত প্রোফাইলে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে তিনি এসব কথা বলেন। 

অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত ছয় সদস্যের পর্যালোচনা কমিটির সদস্য হিসেবে নিজের অভিজ্ঞতা ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সংস্কার প্রক্রিয়ার বিস্তারিত তথ্য সেখানে তুলে ধরেন তিনি।

ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব জানান, রিজার্ভ চুরির তদন্তে তার মূল ভূমিকা ছিল কারিগরি নিরাপত্তা রিভিউ করা। তিনি বলেন, “বাংলাদেশ ব্যাংকের সুইফট সার্ভার রুম ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন করে আমরা মোট ২৮টি সুপারিশ দিয়েছি। এর মধ্যে ১৭টি বাস্তবায়ন করা হয়েছে এবং বাকিগুলোর কাজ চলমান। এই পুরো প্রক্রিয়ায় গভর্নর ড. মনসুর অত্যন্ত আন্তরিক ও সহযোগী ছিলেন।”

সুইফট সিস্টেমের নিরাপত্তা জোরদারে বিশ্বমানের ‘প্রিভিলেজ এক্সেস ম্যানেজমেন্ট’ (PAM) সফটওয়্যার ব্যবহারের পাশাপাশি সাইবার নিরাপত্তার বিভিন্ন টুলস (SIEM, SOAR, VPN, XDR) ব্যবহারের যে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সুইফট টিম তা পালনের লিখিত প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বলেও তিনি জানান।

ড. মনসুরের মেয়াদে সামষ্টিক অর্থনীতির অগ্রগতির চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, “অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ১৩ বিলিয়ন ডলারের নেট রিজার্ভ থেকে যাত্রা শুরু করে বর্তমানে ২৯ বিলিয়ন ডলারে (গ্রস ৩৫ বিলিয়ন) উন্নীত করতে সক্ষম হয়েছে। ৩৬ মাস ধরে চলা উচ্চ মূল্যস্ফীতি নভেম্বরে ৭ শতাংশের কাছাকাছি নেমে এসেছে।”

৫ লক্ষ কোটি টাকার খেলাপি ঋণ ও প্রায় ২০টি দেউলিয়া ব্যাংক নিয়ে যাত্রা শুরু করে সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা আসায় সাবেক অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ ও ড. আহসান এইচ মনসুরের ভূমিকার প্রশংসা করেন তিনি।

তবে গভর্নরের বিদায়ের পর এই সংস্কার কাজগুলো থমকে যাওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন এই বিশেষজ্ঞ। তিনি বলেন, “গভর্নর পরিবর্তন হওয়ায় সুইফট এবং আইটি সিস্টেমের ডেভেলপমেন্ট সংক্রান্ত কাজগুলো যেন আটকে না যায়।”

নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের ক্ষেত্রে সতর্কবাণী দিয়ে তিনি বলেন, “বাংলাদেশ ব্যাংককে একটি নলেজ-ড্রিভেন ফাইনান্সিয়াল রেগুলেটর হতে হবে। এখানে ডিজিটাল কারেন্সি ও ফিনটেক বোঝার মতো নেতৃত্ব লাগবে। কনফ্লিক্ট অফ ইন্টারেস্ট আছে এমন কাউকে বা বড় খেলাপিদের সুবিধা দেওয়া ব্যক্তিদের এই গুরুত্বপূর্ণ পদে বসানোর বিপদসমূহ বিবেচনা করা উচিত।”

বাংলাদেশের পেমেন্ট ইকোসিস্টেমের সীমাবদ্ধতা নিয়ে নিজের হতাশার কথা জানিয়ে তিনি আরও বলেন, “ডিজিটাল ট্রান্সফর্মেশন রোডম্যাপে আরও ইনপুট দেওয়ার সুযোগ ছিল, যা তৈরি হয়নি। সময় থাকতে নীতিনির্ধারকদের কাণ্ডজ্ঞান প্রয়োগ করা উচিত।”

Continue Reading

top1

একুশে বইমেলাকে ‘আন্তর্জাতিক’ করার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর

Published

on

By

অমর একুশে বইমেলাকে আগামীতে ‘আন্তর্জাতিক বইমেলা’ হিসেবে আয়োজন করা যায় কি না, তা ভেবে দেখার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বৃহস্পতিবার বিকেলে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে অমর একুশে বইমেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ প্রস্তাব দেন।

তারেক রহমান বলেন, “বাংলা একাডেমির সৃজনশীল কার্যক্রমের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কাজ অমর একুশে বইমেলা। তবে সময়ের পরিপ্রেক্ষিতে আগামী বছরগুলোতে এটি আন্তর্জাতিক বইমেলা হিসেবে আয়োজন করার সুযোগ আছে কি না, সেটি আমি আপনাদের ভেবে দেখার অনুরোধ জানাব।”

আন্তর্জাতিক পরিসরে এই মেলা অনুষ্ঠিত হলে দেশের নাগরিকরা বিশ্ব সাহিত্যের পাশাপাশি বহু ভাষা ও সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত হতে পারবে বলে আশাপ্রকাশ করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে টিকে থাকতে জ্ঞান ও মেধাভিত্তিক সমাজ গঠনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, “সমৃদ্ধি ও সম্মানের সঙ্গে টিকে থাকতে হলে জ্ঞান, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে সমৃদ্ধ হওয়ার বিকল্প নেই। একইসঙ্গে বাংলাকে জাতিসংঘের অফিশিয়াল ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি আদায়ের জন্যও কাজ শুরু করা প্রয়োজন।”

৫২-এর ভাষা আন্দোলনের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে সরকারপ্রধান বলেন, একুশে ফেব্রুয়ারি এখন আর শুধু বাংলাদেশের নয়, এটি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে সারা বিশ্বে পালিত হচ্ছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, বইমেলা কেবল কেনাবেচার মাধ্যম নয়, বরং শিক্ষা ও সংস্কৃতি বিকাশের মূল কেন্দ্রে পরিণত হবে।

বইমেলা কেবল ফেব্রুয়ারি মাসে বা ঢাকাতে সীমাবদ্ধ না রেখে সারা বছর দেশের প্রতিটি বিভাগ, জেলা ও উপজেলায় আয়োজনের পরামর্শ দেন প্রধানমন্ত্রী। এ বিষয়ে প্রকাশকদের উদ্যোগী হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, এক্ষেত্রে সরকারের পক্ষ থেকে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় সব ধরনের সহযোগিতা করবে।

তরুণ প্রজন্মের মেধা বিকাশে বাংলা একাডেমির নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানান, দেশের সমৃদ্ধ সাহিত্যকে ইংরেজি ও অন্যান্য বিদেশি ভাষায় অনুবাদের কাজ আরও বেগবান করা হবে।

বক্তব্যের শেষ দিকে নিয়মিত বই পড়ার বৈজ্ঞানিক উপযোগিতা তুলে ধরে তারেক রহমান এক জার্মান দার্শনিকের উক্তি উদ্ধৃত করে বলেন, “বই ছাড়া ঘর, আত্মা ছাড়া দেহের মতন।”

গবেষণার তথ্য দিয়ে তিনি জানান, নিয়মিত বই পড়ার অভ্যাস মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়ায় এবং আলঝেইমার বা ডিমেনশিয়ার মতো রোগের ঝুঁকি কমায়।

একটি নিরাপদ, মানবিক ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সবার সহযোগিতা কামনা করে প্রধানমন্ত্রী অমর একুশে বইমেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন।

Continue Reading

top1

ডিএমপি কমিশনারের দায়িত্বে মো. সরওয়ার

Published

on

By

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (সুপারনিউমারারি অতিরিক্ত আইজি) মো. সরওয়ার। নতুন কেউ যোগদান না করা পর্যন্ত তিনি এই দায়িত্ব পালন করবেন।

বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) অ্যাডিশনাল ডিআইজি (পার্সোনেল ম্যানেজমেন্ট-১) শামিমা ইয়াছমিন খন্দকার স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ডিএমপির পুলিশ কমিশনার হিসেবে কোনো কর্মকর্তা যোগ না দেওয়া পর্যন্ত মো. সরওয়ার ডিএমপি কমিশনারের দায়িত্বে থাকবেন।

এর আগে গত ২৫ ফেব্রুয়ারি ‘ব্যক্তিগত ও পারিবারিক’ কারণ দেখিয়ে পদত্যাগপত্র জমা দেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী। যদিও তার চুক্তির মেয়াদ আগামী নভেম্বর পর্যন্ত ছিল।

বিসিএস পুলিশ ক্যাডারের ১৯৮৪ ব্যাচের কর্মকর্তা শেখ মো. সাজ্জাত আলী বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত আইজিপি থাকা অবস্থায় ২০১৬ সালের নভেম্বরে চাকরিচ্যুত হন।

আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকার ভূতাপেক্ষভাবে তাকে চাকরিতে পুনর্বহাল করে। ২০২৪ সালের ২০ নভেম্বর ডিএমপির ৩৮তম পুলিশ কমিশনার পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পান সাজ্জাত আলী। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছিল, যোগদানের তারিখ থেকে দুই বছর মেয়াদে তাকে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হল।

প্রসঙ্গত, গত বছরের ৭ জানুয়ারি এসবি থেকে সরওয়ারকে ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার হিসেবে পদায়ন করা হয়। এরপর তাকে ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের প্রধান করা হয়। এরপর ১১ আগস্ট অতিরিক্ত আইজিপি হিসেবে পদোন্নতি পান তিনি। রাজধানীতে যানজট নিরসনে সরওয়ার আলমের অবদান অনেক।

Continue Reading

Trending