Connect with us

top1

ঢাকা জুড়ে লক্ষ্য লক্ষ্য টাকা ব্যয়ে জামাতের মোটরসাইকেল শোডাউন

Published

on

ঢাকা- আজ শুক্রবার ঢাকা জুড়ে জামাত ইসলামী বাংলাদেশ এর মনোনীত প্রার্থীদের চলছে একাধিক মোটরসাইকেল শোডাউন। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ঢাকা ৪ এর মনোনীত প্রার্থী সৈয়দ জয়নুল আবেদীন এর মোটর সাইকেল শোভাযাত্রা রয়েছে হাজার হাজার মোটরসাইকেল। ঢাকা -১১ ( রামপুরা-বাড্ডা- ভাটারা- হাতিরঝিল আংশিক) আসনের বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী এডভোকেট আতিকুর রহমানের সমর্থনে মটর সাইকেল শোভাযাত্রা চলছে।
কুড়িল বিশ্বরোড থেকে মালিবাগ মোড় হয়ে নতুন বাজার এবং ঢাকা ১৩ আসনে হাজার হাজার মোটরসাইকেল আরোহীদের নিয়ে ঢাকা ১৩ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী মোবারক বিশাল শোডাউন।
এছাড়াও দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে নেতা কর্মীদের নিয়ে শোডাউন শেষে রয়েছে দিনব্যাপী কর্মসূচি।

টাঙ্গাইল-৫ আসনে আহসান হাবীব মাসুদ এর নেতৃত্বে তিন শতাধিক মোটরসাইকেল নিয়ে শোডাউন হয়েছে।
পাবনা-২ (সুজানগর–বেড়া) আসনে অধ্যাপক কেএম হেসাব উদ্দিন এর নেতৃত্বে শত শত মোটরসাইকেল নিয়ে শোভাযাত্রা হয়েছে।
গাজীপুর-২ আসনে মুহাম্মদ হোসেন আলী এর নেতৃত্বে নির্বাচনী মোটরসাইকেল শোডাউন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
নালিতাবাড়ী-নকলা (শেরপুর-২) আসনে গোলাম কিবরিয়া ভিপি এর নেতৃত্বে পাঁচ শতাধিক মোটরসাইকেল নিয়ে শোভাযাত্রা হয়েছে।

এই শোভাযাত্রাগুলোতে দলীয় নেতাকর্মী, স্থানীয় সমর্থক এবং সাধারণ জনগণের অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মতো। জামায়াতের নেতারা এসব কর্মসূচিকে জনগণের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ স্থাপন এবং নির্বাচনী বার্তা পৌঁছানোর একটি কৌশল হিসেবে দেখছেন। বিশেষ পরিকল্পনায় এ কর্মসূচি নেয়া হয়েছে মনে করলেও, প্রার্থীরা জানান এটা তাদের নিয়মিত নির্বাচনী শোডাউন।

জনসমর্থনের প্রদর্শন
এই ধরনের শোভাযাত্রা দলটির মাঠপর্যায়ের সংগঠনের শক্তি এবং সমর্থকদের সক্রিয়তা প্রদর্শন করে। হাজার হাজার মোটরসাইকেল নিয়ে শোডাউন দলটির প্রতি জনগণের আগ্রহ এবং সমর্থনের ইঙ্গিত দিতে পারে, বিশেষ করে তরুণদের মধ্যে।

রাজনৈতিক পুনরাবির্ভাবের চেষ্টা
জামায়াত দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিকভাবে কোণঠাসা ছিল। এই শোভাযাত্রাগুলো দলটির রাজনৈতিক পুনরাবির্ভাবের কৌশল হিসেবে দেখা যেতে পারে, যেখানে তারা নির্বাচনী মাঠে দৃশ্যমানতা বাড়িয়ে আবারও প্রাসঙ্গিকতা অর্জনের চেষ্টা করছে।

নির্বাচনী বার্তা ও প্রচারণা
শোভাযাত্রা দলীয় প্রার্থীদের পরিচিতি বাড়াতে সাহায্য করে। এটি স্থানীয় জনগণের মধ্যে প্রার্থীদের বার্তা পৌঁছানোর একটি কার্যকর মাধ্যম, বিশেষ করে যেখানে প্রচলিত গণমাধ্যমে তাদের উপস্থিতি সীমিত।

প্রতিদ্বন্দ্বী দলগুলোর প্রতিক্রিয়া
এই ধরনের বড় আকারের শোভাযাত্রা প্রতিদ্বন্দ্বী রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করতে পারে। তারা হয়তো নিজেদের প্রচারণা কৌশল পুনর্বিবেচনা করবে অথবা জামায়াতের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক চাপ বাড়াতে পারে।

আইনশৃঙ্খলা ও প্রশাসনিক প্রতিক্রিয়া
এত বড় আকারের শোভাযাত্রা ট্রাফিক, জননিরাপত্তা এবং প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনায় চাপ সৃষ্টি করতে পারে। প্রশাসন যদি এটিকে অনুমোদনহীন বা উস্কানিমূলক মনে করে, তাহলে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষণ
জামায়াতের রাজনৈতিক কার্যক্রম আন্তর্জাতিক মহলে নজর কাড়তে পারে, বিশেষ করে যদি তারা নির্বাচনে উল্লেখযোগ্য ফলাফল অর্জন করে। এটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিবেশের বহুমাত্রিকতা তুলে ধরবে।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

১০ মার্চ কড়াইল বস্তিতে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

Published

on

By

১০ মার্চ রাজধানীর কড়াইল বস্তিতে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের কর্মসূচি উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) বিকেলে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শেষে এমন তথ্য জানান সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ বি এম জাহিদ হোসেন।

এর আগে প্রধানমন্ত্রীর ১০ মার্চ বগুড়ায় ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বগুড়া-৬ (সদর) আসনের আসন্ন উপনির্বাচনের কারণে তার বগুড়া সফর স্থগিত করা হয়েছে।

বগুড়ার জেলা প্রশাসক তৌফিকুর রহমান জানান, ১০ মার্চের কর্মসূচিটি স্থগিত করা হয়েছে এবং পরে নতুন তারিখ ঘোষণা করা হবে।

জেলা প্রশাসক সাংবাদিকদের বলেন, বগুড়া-৬ আসনে উপনির্বাচন চলায় ভোটের আগে প্রধানমন্ত্রী কোনো কর্মসূচি রাখেননি।

Continue Reading

top1

অটোপাসের আর কোনো সুযোগ দেওয়া হবে না: শিক্ষামন্ত্রী

Published

on

By

শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, মেধাভিত্তিক জাতি গঠনের জন্য পরীক্ষার সিস্টেম পরিবর্তন করতে হবে। অটোপাসের আর কোনো সুযোগ দেওয়া হবে না।

মঙ্গলবার (৩ মার্চ) এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা নিয়ে সব শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় ‘ডিজিটাল ডিভাইসের’ মাধ্যমে নকল প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় আইন প্রণয়ন করা হবে বলে জানান শিক্ষামন্ত্রী।

সভায় মন্ত্রী এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার সার্বিক প্রস্তুতি পর্যালোচনা করেন এবং ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলো ফের তদন্ত করে হালনাগাদ তালিকা প্রণয়নের নির্দেশনা দেন।

মন্ত্রী নির্দেশনা দেন, পরীক্ষাকেন্দ্রে প্রবেশের সময় পরীক্ষার্থীদের যথাযথভাবে বডি সার্চ নিশ্চিত করতে হবে এবং শিক্ষকদের সক্রিয় ভূমিকার মাধ্যমে নকল প্রতিরোধ জোরদার করতে হবে। পরীক্ষা চলাকালে কোনো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বা অনলাইন প্ল্যাটফর্মে প্রশ্ন বা প্রশ্নসংক্রান্ত কোনো কনটেন্ট আপলোড হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, পরীক্ষাকেন্দ্রের টয়লেটে নকল পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের কর্তৃপক্ষকে দায়ী করা হবে। নকল প্রতিরোধে দেশব্যাপী বিভিন্ন জেলায় মোটিভেশনাল মিটিং আয়োজন করা হবে।

তিনি ব্যবহারিক পরীক্ষায় গড় নম্বর দেয়ার প্রচলিত প্রথা থেকে বেরিয়ে এসে প্রকৃত মূল্যায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

Continue Reading

top1

জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ কেন অবৈধ নয় জানতে চেয়ে হাইকোর্টের রুল

Published

on

By

জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ, গণভোট অধ্যাদেশ কেন অবৈধ হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। রুলে সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ কেন অবৈধ হবে না, তাও জানতে চাওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে বিচারপতি রাজিক আল জলিল ও বিচারপতি মো. আনোয়ারুল ইসলাম শাহীনের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব, আইন সচিব, জাতীয় ঐক্যমত কমিশন, প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ সংশ্লিষ্টদের চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আহসানুল করিম, আইনজীবী সৈয়দ মামুন মাহবুব। রিটের বিরোধিতা করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ হোসেন লিপু, ব্যারিস্টার ইমরান আবদুল্লাহ সিদ্দিকী, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির। তাদের সহযোগিতা করেন আইনজীবী জহিরুল ইসলাম মূসা, আইনজীবী সাদ্দাম হোসেন, আইনজীবী আজিম উদ্দিন পাটোয়ারী।

এর আগে গত সোমবার জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন আদেশ, গণভোট অধ্যাদেশ ও সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে পৃথক রিট দায়ের করা হয়।

রিটে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ বাতিল চাওয়া হয়। এছাড়া সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ অবৈধ ঘোষণার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী চৌধুরী রেদোয়ান-ই খোদা রনি ও অ্যাডভোকেট গাজী মো. মাহবুব আলম রিট দুটি দায়ের করেন।

এদিকে গত ১৮ ফেব্রুয়ারি জুলাই জাতীয় সনদ বাতিল ও সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ঘোষণার নির্দেশনা চেয়ে আরেকটি রিট দায়ের করা হয়। রিটে জুলাই জাতীয় সনদের কার্যকারিতা স্থগিত চাওয়া হয়।

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইউনুছ আলী আকন্দ জনস্বার্থে এ রিট দায়ের করেন।রিটে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, আইন সচিব, জাতীয় ঐক্যমত কমিশন, প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ সংশ্লিষ্টদের রিটে বিবাদী করা হয়েছে।

Continue Reading

Trending