Connect with us

top3

প্রশাসনের একটি অংশ নিরপেক্ষতা হারাচ্ছে, ইসিতে জামায়াতের অভিযোগ

Published

on

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশের বিভিন্ন এলাকায় প্রশাসনের একটি অংশ পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ করছে বলে অভিযোগ করেছে জামায়াতে ইসলামী। এ বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে নির্বাচন কমিশনের হস্তক্ষেপ চেয়েছে দলটি।

রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশনে লিখিত অভিযোগ জমা দেন জামায়াতে ইসলামীর একটি প্রতিনিধি দল। প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক এহসানুল মাহবুব জুবায়ের। পরে তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে কথা বলেন।

এর আগে প্রতিনিধি দলটি প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে অভিযোগপত্র হস্তান্তর করে। জামায়াতের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে তাদের নেতা-কর্মী ও নারী কর্মীরা হামলা ও হয়রানির শিকার হচ্ছেন। এসব বিষয়ে বারবার জানানো হলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে কার্যকর পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না।

এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, প্রশাসনের একটি অংশ দায়িত্বশীল অবস্থানে থেকেও নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করছে না। এতে নির্বাচন প্রক্রিয়া প্রশ্নের মুখে পড়ছে। তিনি অভিযোগ করেন, বিশেষ করে ঢাকা-১৫ আসনে জামায়াতের আমির প্রার্থী হওয়ার পর থেকে সন্ত্রাসী তৎপরতা বেড়েছে এবং নারী কর্মীদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটছে।

পটুয়াখালীর বাউফল আসনে পুলিশ প্রশাসনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতমূলক আচরণের অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, সেখানে জামায়াত প্রার্থীর নির্বাচনী এলাকায় পুলিশ দলীয় পক্ষ নিয়ে অভিযান চালিয়েছে। সংশ্লিষ্ট ওসি বহাল থাকলে সেখানে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয় বলে দাবি করে তার প্রত্যাহার চাওয়া হয়।

এ ছাড়া পাবনাসহ আরও কয়েকটি এলাকায় স্থানীয় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলে দলটি। জামায়াতের মতে, নির্বাচনের শেষ সময়ে এ ধরনের আচরণ জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করবে এবং নির্বাচনকে একপেশে ও প্রশ্নবিদ্ধ করে তুলতে পারে।

নারী সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে জামায়াত আমিরের প্রার্থিতা বাতিলের দাবির প্রসঙ্গে জুবায়ের বলেন, জামায়াতে ইসলামী নারীদের সর্বোচ্চ সম্মান দেয়। তিনি দাবি করেন, দলটির আমিরের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্ট হ্যাকের ঘটনা নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, জামায়াতের নির্বাচনী ইশতেহারে নারীদের অধিকার ও সুযোগ-সুবিধা অগ্রাধিকার পেয়েছে। এ কারণে নারী সমাজের সমর্থন বাড়ছে, যা ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতেই মিথ্যা অভিযোগ তোলা হচ্ছে।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top3

ইরানে হামলার বিপক্ষে যুক্তরাষ্ট্রের ৭৫ শতাংশ মানুষ

Published

on

By

ইরানের বিরুদ্ধে চলমান সামরিক অভিযানের বিষয়ে সাধারণ মার্কিন নাগরিকদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। সাম্প্রতিক এক জরিপ অনুযায়ী, মাত্র ২৫ শতাংশ আমেরিকান এই হামলার পক্ষে সমর্থন জানিয়েছেন; বিপরীতে প্রায় ৭৫ শতাংশ নাগরিকই এই সামরিক পদক্ষেপের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন।

রয়টার্স/ইপসোসের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত এই জরিপে উঠে এসেছে যে, অর্ধেকেরও বেশি আমেরিকান মনে করেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামরিক শক্তি প্রয়োগে মাত্রাতিরিক্ত আগ্রহী।

জরিপে দেখা গেছে, মাত্র ২৭ শতাংশ উত্তরদাতা ইরান ও ইসরায়েলের যৌথ এই হামলার পক্ষে মত দিয়েছেন। বিপরীতে ৪৩ শতাংশ এই হামলার বিপক্ষে এবং ২৯ শতাংশ উত্তরদাতা কোনো মত দেননি। তবে গত শনিবার ভোরে ইরানের শীর্ষ নেতাকে হত্যার মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া এই আকস্মিক হামলা সম্পর্কে প্রায় ৯০ শতাংশ আমেরিকানই অবগত আছেন।

রোববার (১ মার্চ) শেষ হওয়া এই জরিপ অনুযায়ী, ৫৬ শতাংশ আমেরিকান মনে করেন, ট্রাম্প মার্কিন স্বার্থ রক্ষায় সামরিক শক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রে অতিমাত্রায় আগ্রহী। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ভেনেজুয়েলা, সিরিয়া ও নাইজেরিয়াতেও হামলার নির্দেশ দিয়েছিলেন তিনি। এই ধারণার সঙ্গে ৮৭ শতাংশ ডেমোক্র্যাট, ২৩ শতাংশ রিপাবলিকান এবং ৬০ শতাংশ নির্দলীয় ব্যক্তি একমত পোষণ করেছেন।

যদিও রিপাবলিকানদের ৫৫ শতাংশ এই হামলার পক্ষে, তবে তাদের ৪২ শতাংশই জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যে যদি মার্কিন সেনাসদস্যরা নিহত বা আহত হন, তবে তারা এই অভিযানের সমর্থন থেকে সরে আসবেন।

ইতিমধ্যে এই অভিযানে চারজন মার্কিন সেনাসদস্য নিহত হয়েছেন। এছাড়া তিনটি মার্কিন যুদ্ধবিমান কুয়েতি বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ভুলের কারণে গুলিবিদ্ধ হয়ে বিধ্বস্ত হয়েছে। ইরানের পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় ইসরায়েলসহ অঞ্চলের বিভিন্ন মার্কিন ঘাঁটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ ঘটনার পর ট্রাম্পের জনপ্রিয়তার রেটিং ১ শতাংশ কমে ৩৯ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের প্রাথমিক ভোট শুরুর মাত্র তিনদিন আগে ইরানে এই হামলা শুরু হয়েছে। জরিপে দেখা গেছে, ৪৫ শতাংশ আমেরিকান মনে করেন, যদি এই যুদ্ধের ফলে তেলের দাম বেড়ে যায়, তবে তারা এই অভিযানের সমর্থন করবেন না। কিন্তু ইতিমধ্যে ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দাম ১০ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৮০ ডলারে ঠেকেছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই সংঘাত চললে দাম ১০০ ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে।

উল্লেখ্য, জেনেভায় পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পরই যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল এই হামলা চালায়। ওয়াশিংটন চায়, ইরান ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ পুরোপুরি বন্ধ করুক। তবে তেহরান দাবি করে আসছে, তারা শুধু বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্যই ইউরেনিয়াম প্রক্রিয়াজাত করছে।

জরিপ অনুযায়ী, অর্ধেক উত্তরদাতা জানিয়েছেন, ইরান যদি তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি ত্যাগ করে, তবে তারা এই হামলার সমর্থক হতে পারেন। এদিকে দ্য আটলান্টিক ম্যাগাজিনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানের নতুন নেতৃত্ব তার সঙ্গে কথা বলতে আগ্রহী এবং তিনি তাতে রাজি হয়েছেন।

অনলাইনে পরিচালিত এই জরিপে মোট ১ হাজার ২৮২ জন প্রাপ্তবয়স্ক আমেরিকান অংশ নেন। এতে ভুলের মাত্রা (মার্জিন অব এরর) ছিল মাত্র ৩ শতাংশ বলে জানা গেছে।

Continue Reading

top3

ইরানে ‘কঠোর আঘাত’ এখনো করিনি, ‘মূল আক্রমণ শিগগিরই’: ট্রাম্প

Published

on

By

ইরানে এখনো ‘কঠোর আঘাত’ শুরু হয়নি এবং মূল আক্রমণ শিগগিরই আসছে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই মন্তব্য করেন।

ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা এখনো ইরানের ওপর কঠোর আঘাত শুরুই করিনি। বড় ধরনের হামলা এখনো বাকি। মূল আক্রমণটি খুব শিগগিরই আসছে।’ তিনি সতর্ক করে জানান, সামনের দিনগুলোতে পরিস্থিতি আরও অনিরাপদ হয়ে উঠতে পারে।

ইরানি জনগণকে দেশটির নিয়ন্ত্রণ পুনরুদ্ধারে সহায়তা করতে সামরিক অভিযানের বাইরেও যুক্তরাষ্ট্র অন্য কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প ‘হ্যাঁ’ সূচক উত্তর দেন। তিনি বলেন, ‘আমরা সত্যিই তা করছি। তবে এই মুহূর্তে আমরা চাই সবাই নিরাপদ স্থানে অবস্থান করুক। কারণ বাইরের পরিস্থিতি এখন নিরাপদ নয়।’

এর আগে হোয়াইট হাউসে দেওয়া এক বক্তব্যেও ট্রাম্প ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ও ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা ধ্বংস করার ওপর জোর দিয়েছিলেন। সিএনএন-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি সেই ধারাবাহিকতায় আরও বড় পরিসরে হামলার ইঙ্গিত দিলেন

Continue Reading

top3

নুরুল ইসলামকে চিফ হুইপ করে ছয় হুইপ নিযুক্ত করলেন রাষ্ট্রপতি

Published

on

By

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ ও হুইপ পদে নিয়োগ সম্পন্ন হয়েছে। বরগুনা-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. নুরুল ইসলামকে চিফ হুইপ হিসেবে নিযুক্ত করেছেন রাষ্ট্রপতি। তার সঙ্গে আরও ছয়জন সংসদ সদস্যকে হুইপ হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (২ মার্চ) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে সংসদ সচিবালয়ের মানব সম্পদ শাখা থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। সংসদ সচিবালয়ের সচিব কানিজ মওলার সই করা আলাদা প্রজ্ঞাপনে এই তথ্য জানানো হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে এই নিয়োগ অবিলম্বে কার্যকর হবে। নবনিযুক্ত চিফ হুইপ ও হুইপগণ সংসদীয় কার্যপদ্ধতি বিধি অনুযায়ী স্পিকারকে সহায়তা এবং সংসদে দলীয় শৃঙ্খলা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন।

রাষ্ট্রপতি যে সংসদ সদস্যদের হুইপ হিসেবে নিযুক্ত করেছেন তারা হলেন-

হবিগঞ্জ-৩ আসনের এমপি মো. জি কে গউছ, খুলনা-৩ এর রকিবুল ইসলাম, শরিয়তপুর-৩ এর মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু, নাটোর-২ এর রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, দিনাজপুর-৪ আসনের মো আখতারুজ্জামান মিয়া ও লক্ষ্মীপুর-৪ আসনের এ. বি. এম আশরাফ উদ্দিন (নিজান)

Continue Reading

Trending