Connect with us

রাজনীতি

বাংলাদেশের ভবিষ্যত প্রধানমন্ত্রী পদের দুই প্রতিদ্বন্দ্বীর যোগ্যতার তুলনা

Published

on

 ১.⁠ ⁠ব্যক্তিগত ও দলীয় সততা:কঠোর ব্যক্তিগত ও দলীয় সততা ছাড়া বাংলাদেশকে রক্ষা করা যাবে না। ব্যক্তিগত ও দলীয় সততায় ডা. শফিকুর রহমান দশে দশ পাবেন। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বীর অবস্থা এক্ষেত্রে খুব ভালো না। তার নিজের বিষয়ে যেমন দুর্নীতির অভিযোগ ছিল তেমনি তার দলও আপাদ-মস্তক দুর্নীতিতে নিমজ্জিত।

 ২.⁠ ⁠সাহস ও দৃঢ়তাপ্রধানমন্ত্রীর সাহস ও দৃঢ়তা তিনি দেশের স্বার্থ বিকিয়ে দিবেন। প্রধানমন্ত্রীর উপর বহু ধরণের ভিতর ও বাহিরের চাপ আসে। তাতে নতি স্বীকার করলে দেশ চরম বিপদে পড়তে পারে। ডা. শফিকুর রহমান অত্যন্ত সাহসী ও দৃঢ় মনোবলের মানুষ। ফ্যাসিস্ট আমলে তাকে বছরের পর বছর জেলে কাটাতে হয়েছে। এমনকি তার ছেলেকেও অনেক কঠিন মামলা দিয়ে জেলে ভরা হয়েছে। কিন্তু তিনি দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাননি। কিন্তু তাঁর প্রতিপক্ষ জেলের ভয়ে মুচলেকা দিয়ে দেশ ছেড়েছিলেন। এমনকি ফ্যাসিস্টের বিদায়ের পরেও দীর্ঘ দেড় বছর তিনি দেশে আসার মত সাহস সঞ্চয় করতে পারেননি।

 ৩.⁠ ⁠রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও দূরদর্শিতাজামায়াতে ইসলামীকে আজকের অবস্থায় নিয়ে আসার পিছনে ডা. শফিকের রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও দূরদর্শিতার অবদান রয়েছে। অপর দিকে তার প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও দূরদর্শিতার অভাবে তুমুল জনপ্রিয় একটি দলকে এমন জনসমর্থনহীন দলে পরিণত করেছেন যে, ছাত্র সংসদগুলোতে তারা লজ্জাজনকভাবে হেরেছে। ড. কামালকে জোট প্রধান করে হাসিনার পাতানো নির্বাচনে অংশ নেয়ার মত খুব ক্ষতিকর সিদ্ধান্তও তাকে নিতে দেখা গেছে।

 ৪.⁠ ⁠ব্যক্তিগত ক্যারিসমাডা. শফিক একজন ক্যারিসমেটিক নেতা। তিনি একজন স্বভাবসিদ্ধ বক্তা। তিনি সহজেই মানুষের মনকে জয় করে নেন। তার প্রতিপক্ষের মধ্যে সাবলীলতার অভাব রয়েছে। তার মূল পরিচয় তার বংশ পরিচয়।

 ৫.⁠ ⁠উদারতাডা. শফিককে খুবই উদার মনের মানুষ হিসেবে দেখা গেছে। জোট গঠনের ক্ষেত্রে তার উদারতার পরিচয় পাওয়া গেছে। জামায়াতের অনেক ভালো সিটও জোট শরিকদেরকে দিয়ে দেয়া হয়েছে বৃহত্তর স্বার্থে। অপরদিকে তার প্রতিপক্ষ ব্যক্তিগত ও দলীয় সংকীর্ণতার উদ্ধে উঠতে পারেননি। জুলাই বিপ্লবের পরে তাকে জাতীয় সরকার গঠনের প্রস্তাব দেয়া হয়েছিল। তিনি নাকচ করে দিয়েছিলেন। তিনি বড় কোন জোট গঠনও করতে পারেননি।  ৬.⁠ ⁠গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি শ্রদ্ধাডা. শফিককে এখন পর্যন্ত গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি শ্রদ্ধাশীল দেখা গেছে। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের প্রতি তার আচরণ শ্রদ্ধা ও সহানুভূতির। তার প্রতিপক্ষের মধ্যেও এই গুণটি রয়েছে। 

  ৭.⁠ ⁠সকল মানুষের প্রতি মমতাসকল ধর্ম, বর্ণ, বয়স ও জেন্ডারের মানুষের প্রতি গভীর মমতা দেখা গেছে ডা. শফিকের মধ্যে। তিনি বন্যায় প্রত্যন্ত অঞ্চলে ছুটে গেছেন, হিন্দু ধর্মাম্বলীদেরকে সুরক্ষার জন্য দৃঢ় অবস্থান নিয়েছে, সব ধরেণর মানুষকে বুকে জড়িয়ে ধরা তার কমন ছবি। তার প্রতিপক্ষকে এভাবে দেখা যায়নি। তাছাড়া তার দল বোরকা ও দাড়ি বিদ্বেষ ছড়ালেও তিনি চুপ থেকেছেন।

 ৮.⁠ ⁠নেতৃত্বের যোগ্যতাজামায়াতে ইসলামীতে বংশ পরিচয় বা অর্থ – কোন কিছু দিয়েরই নেতৃত্বের আসন পাওয়া যায় না। ফলে ডা. শফিকের নেতৃত্বের যোগ্যতা প্রমাণিত। তার প্রতিপক্ষকে বংশ পরিচয় ছাড়া নেতৃত্বের অন্য যোগ্যতা দেখাতে হয়নি।

 ৯.⁠ ⁠মেধাদেশের প্রধানমন্ত্রীর জন্য মেধাবী হওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কম মেধার মানুষ রাষ্ট্রীয় জটিল বিষয়গুলো বুঝতে পারে না এবং সিদ্ধান্তের জন্য অন্যের উপর নির্ভরশীল থাকে। ডা. শফিক একজন এমবিবিএস ডাক্তার। তাঁর উচ্চ মেধার বিষয়টি স্বীকৃত। তার প্রতিপক্ষ উচ্চ মাধ্যমিক অতিক্রম করতে পারেননি।

১০.⁠ ⁠প্রশাসনিক দক্ষতাডা. শফিকের রয়েছে বিশাল একটি দল সুশৃঙ্খলভাবে চালানোর প্রশাসনিক দক্ষতা। তার প্রতিপক্ষের এই দক্ষতা আছে বলে মনে হয় না। প্রশাসনিক দক্ষতা ছাড়া কোন প্রধানমন্ত্রী দেশ ভালোভাবে চালাতে পারবেন না।

সুত্র: বিডিটুডে ডট নেট

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভাঙচুর: যুবলীগ নেতা অনিক গ্রেপ্তার

Published

on

By

অনলাইন ডেস্ক

জনপ্রিয় ইউটিউবার সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে শাহ আলম অনিককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি ভাষানটেক থানা যুবলীগের সহসভাপতি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

ডিবি সূত্রের দাবি, মিরপুরের সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচিত শাহাদাতের সঙ্গে অনিকের ঘনিষ্ঠতা রয়েছে। শাহাদাত ও ইব্রাহিমের হয়ে অনিক এজেন্ট হিসেবে কাজ করতেন বলেও তদন্তে তথ্য পাওয়া গেছে। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার কথা জানিয়েছে সূত্রটি।

অনিককে গ্রেপ্তারের বিষয়ে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের প্রধান ও অতিরিক্ত কমিশনার শফিকুর রহমান বলেন, তাকে কিছুক্ষণ আগে আটক করে ডিবি হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের অভিযোগ রয়েছে এবং তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

ডিবি সূত্রের দাবি, শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাতে ইসিবি চত্বরের কাছে নিউ গিনি কনডোমিনিয়াম সিটিতে সালমান মুক্তাদিরের ব্রাউনফিশ স্টুডিওতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় অনিক সরাসরি জড়িত ছিলেন। তবে তার সম্পৃক্ততার বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে বিস্তারিত আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেওয়া হয়নি।

স্থানীয় সূত্রের বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অনিককে যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন নিখিল ও মিরপুরের সাবেক স্থানীয় সংসদ সদস্য ইলিয়াস মোল্লার ঘনিষ্ঠ হিসেবে এলাকায় পরিচিত করা হতো। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে মিরপুর, ভাষানটেক, কাফরুল, পল্লবী ও ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে তার সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে। এসব অভিযোগে তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকার কথাও জানিয়েছে সূত্র।

এ ছাড়া ছাত্র-জনতার আন্দোলন দমনে অনিক সামনের সারিতে ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। বিদেশে অবস্থানরত আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে তার যোগাযোগ ছিল এবং আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড পরিচালনা ও সংগঠিত করার সঙ্গেও তিনি যুক্ত ছিলেন বলে সূত্রের দাবি।

মিরপুর, পল্লবী, ভাষানটেক ও কাফরুল এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণ এবং বাসে অগ্নিসংযোগের ঘটনাতেও অনিকের সরাসরি সম্পৃক্ততার অভিযোগ করেছে সূত্র। বিদেশ থেকে আসা বিভিন্ন নির্দেশনা দেশে বাস্তবায়নের ক্ষেত্রেও তিনি ভূমিকা রাখতেন বলে দাবি করা হয়েছে।

এর আগে শুক্রবার রাতে রাজধানীর শেরেবাংলা নগর এলাকা থেকে যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিলের ছোট ভাই মোতাহার হোসেন খান সুফলকে গ্রেপ্তার করা হয়। সূত্রের দাবি, সুফল ও অনিক একসঙ্গে ঢাকায় অস্থিরতা তৈরির বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে যুক্ত ছিলেন।

Continue Reading

top1

সহস্রাধিক গাড়ি নিয়ে রাত পোহালেই রংপুর অভিমুখী ১১ দলীয় লং মার্চ

Published

on

By

রংপুর অভিমুখী লংমার্চের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে ১১ দলীয় ঐক্য। সহস্রাধিক গাড়ি নিয়ে আগামীকাল শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) ঢাকা থেকে রংপুরের উদ্দেশে যাত্রা করবে এই বহর। এদিন সকাল ৭টায় রাজধানীর ঐতিহাসিক মানিক মিয়া এভিনিউয়ে সমাবেশ শুরু হবে এবং সকাল ৮টায় টঙ্গী-গাজীপুর-টাঙ্গাইল হয়ে রংপুরের পথে যাত্রা করবে লংমার্চ।

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতাদের বৈঠক শেষে প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।

তিনি বলেন, আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে রংপুর অভিমুখী লংমার্চের ব্যাপক প্রস্তুতি চলছে। এই শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক কর্মসূচিতে কোনো ধরনের বাধা সৃষ্টি না করে সহযোগিতা করার জন্য সরকার, প্রশাসন, রাজনৈতিক দল, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, গণমাধ্যমসহ সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘সরকারের প্রতি আবেদন যে, এই সুশৃঙ্খল শান্তিপূর্ণ গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক কর্মসূচিতে কোনোভাবেই যেন বাধার সৃষ্টি বা অন্তরায় সৃষ্টি করা না হয়।’

লং মার্চে অংশগ্রহণকারীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আমরা এই লং মার্চের যাত্রীদেরকে ১১ দলের নেতাকর্মীদের কাছে অনুরোধ করেছি, কোনো উসকানির মুখে চরম ধৈর্য এবং সংযমের পরাকাষ্ঠা দেখিয়ে আমাদের এই গণতান্ত্রিক কর্মসূচিকে আমরা সফল করব। আমরা কারো উসকানিতে পা দেব না। আমরা যদি একটু ক্ষতিগ্রস্ত হই, আমাদের গায়ে যদি একটা আঘাতও লাগে, আমরা তার প্রতিশোধের চেয়ে মনে করি, একটা আঘাতকে হলেও এই লং মার্চ সফল করার মধ্যে আমাদের সার্থকতা সবচেয়ে বেশি।’

Continue Reading

top2

রংপুর অভিমুখে লংমার্চে পাঁচ জেলায় পথসভা করবে ১১ দলীয় ঐক্য

Published

on

By

সাত দফা দাবিতে আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর রংপুর অভিমুখে লংমার্চ করবে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য। ঢাকার মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ থেকে শুরু হয়ে কর্মসূচিটি রংপুর জিলা স্কুলে সমাপনী সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হবে। পথে পাঁচটি জেলায় পথসভা করবে জোটটি।

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর মিন্টো রোডে বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে ১১ দলীয় ঐক্যের লিয়াজোঁ কমিটির জরুরি প্রস্তুতি সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান জোটের সমন্বয়ক ও জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ।

তিনি জানান, ১৯ সেপ্টেম্বর সকাল ৭টায় মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ থেকে লংমার্চ শুরু হবে। সেখানে সকাল ৮টা পর্যন্ত উদ্বোধনী সভা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর গাজীপুরের ভোগরাপাড়া, টাঙ্গাইলের নগর জালফৈ, সিরাজগঞ্জ চৌরাস্তা, বগুড়ার চারমাথা ও গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে পথসভা হবে। পরে রংপুর জিলা স্কুলে সমাপনী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।

হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, বিরোধী দলের ছয় দফা দাবি এখন সাত দফায় পরিণত হয়েছে। নতুন করে দুর্নীতি, দখলবাজি ও চাঁদাবাজি বন্ধের দাবি এতে যুক্ত হয়েছে।

তিনি দাবি করেন, সংসদে ১১ দলীয় ঐক্য জনস্বার্থ ও জনগণের অধিকার নিয়ে কথা বলছে। আইনশৃঙ্খলা, জাতীয় নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি এবং নতুন রাজনৈতিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার বিষয়েও বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা ভূমিকা রাখছেন।

জ্বালানি সংকট নিয়েও সরকারের সমালোচনা করেন জামায়াতের এই নেতা। তাঁর অভিযোগ, তেল-গ্যাস সংকট সমাধানে সরকারকে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানানো হলেও তা বাস্তবায়িত হয়নি। জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকার ও বিরোধী দলের সমন্বয়ে টাস্কফোর্স গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল এবং বিরোধী দল থেকে ১০টি প্রস্তাব দেওয়া হলেও সেগুলো সরকার আমলে নেয়নি।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, গ্যাস সংকটে কারখানা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে এবং বস্ত্রশিল্পের অর্ডার পার্শ্ববর্তী দেশে চলে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি সার সংকটের কারণে ভবিষ্যতে খাদ্যসংকটের আশঙ্কাও রয়েছে।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন হামিদুর রহমান আযাদ। তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে বিরোধী দল সংসদের পাশাপাশি রাজপথেও ভূমিকা রাখছে।

অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলায় রাজনৈতিক ঐকমত্যের প্রয়োজন উল্লেখ করে তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করতে হবে। তবে বিরোধী দলের প্রস্তাবগুলো সরকার যথাযথভাবে বিবেচনা করছে না বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

প্রেস ব্রিফিংয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের যুগ্ম মহাসচিব তোফাজ্জল হোসেন মিয়াজী, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) মুখপাত্র রাশেদ প্রধানসহ ১১ দলীয় ঐক্যের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

Continue Reading

Trending