Connect with us

ক্যাম্পাস

ববিতে ‘তারুণ্যে এবং সম্ভাবনার বাংলাদেশ’ সেমিনার অনুষ্ঠিত 

Published

on

ববি প্রতিনিধি

তরুণ সমাজের উদ্ভাবনী চিন্তা, গবেষণা, একাডেমিয়া-ইন্ডাস্ট্রি সংযোগ এবং সম্ভাবনাময় বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নির্মাণকে কেন্দ্র করে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) উদ্যোগে ‘তারুণ্যে এবং সম্ভাবনার বাংলাদেশ’ শীর্ষক এক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সকাল ১০টায় বরিশাল শিল্পকলা একাডেমিতে সেমিনারটি অনুষ্ঠিত হয়। বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ মামুন অর রশিদ-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) সদস্য অধ্যাপক ড. আবদুল্লাহ-আল-মামুন।

সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইউজিসি সদস্য অধ্যাপক ড. আবদুল্লাহ-আল-মামুন তরুণ প্রজন্ম ও মানবসম্পদ উন্নয়নে সরকার এবং ইউজিসির বিভিন্ন যুগোপযোগী পদক্ষেপ তুলে ধরেন। তিনি জানান, বর্তমানে দেশের হাতেগোনা কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভাষা শিক্ষা কার্যক্রম চালু থাকলেও শিগগিরই সরকারি সহযোগিতায় আরও ৩০টি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভাষা শিক্ষা কার্যক্রম চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়া অবকাঠামোগত উন্নয়নের চেয়ে মানবসম্পদ উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিয়ে ৫০ হাজার বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীকে আইসিটি, ভাষা ও নৈতিকতা বিষয়ে দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, একাডেমিয়া-ইন্ডাস্ট্রি সহযোগিতা জোরদার করা, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর বৈষম্য হ্রাস, শিক্ষকদের গুণগত প্রশিক্ষণ এবং দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়ে অভিন্ন একাডেমিক ক্যালেন্ডার চালুর প্রক্রিয়া গ্রহণ করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দক্ষতা অর্জন ও উদ্যোক্তা মানসিকতা তৈরিতে সরকার সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, “আগামীর বাংলাদেশ হবে তারুণ্যের বাংলাদেশ এবং তরুণরাই হবে আগামী দিনের গেমচেঞ্জার।”

ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের প্রভায়ক ও সহকারী প্রক্টর ড. গাজী মোঃ সাখাওয়াত হোসেনের সঞ্চালনায় সেমিনারে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের চার শতাধিক শিক্ষার্থী, শিক্ষক, গবেষক, বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, উদ্যোক্তা এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top3

ইবিতে সংঘর্ষের ঘটনায় আইসিটি বিভাগের সংবাদ সম্মেলন, হুঁশিয়ারি

Published

on

By

ইবি প্রতিনিধি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) বাংলা ও আইসিটি বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যকার মারামারির ঘটনায় সংবাদ সম্মেলন করেছে আইসিটি বিভাগের শিক্ষার্থীরা। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বিচার না হলে আমরণ অনশনে বসবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তারা।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ইবনে সিনা ভবনের নিচতলায় ক্যাম্পাসে কর্তব্যরত সাংবাদিকদের উদ্দেশ্য সংবাদ সম্মেলন করেন বিভাগটির শিক্ষার্থীরা। এসময় কথা বলেন আইসিটি বিভাগের ২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ, সিয়াম ও শামিম।

সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষার্থীরা বলেন, বাসের বিষয়ে উভয় বিভাগের সভাপতি সহ কয়েক শিক্ষার্থী নিয়ে প্রক্টর অফিসে মীমাংসা করা হয়।আমরা যখন বের হচ্ছিলাম সেই মুহূর্তে আমাদের উপর এক অতর্কিত সন্ত্রাসী হামলা চালায় (অটাকিং টু মার্ডার)। ওদের (বাংলা) ইন্টেনশন ছিল পুরোপুরি মার্ডার করার যেভাবে আমার উপর বা আমার সহপাঠী আমরা সেখানে ছিলাম মাত্র আটজন শিক্ষক তিনজন এই মোট ১১ জন। তাছাড়া আরেকজন শিক্ষক আহত হয়েছে গুরুতরভাবে বারি স্যার নামে। ওখানে আমাদের একজন শিক্ষককে বুকে লাথি মেরেছে তারপর উনি হাসপাতালে গিয়েছেন। আমাদের উপর একটা মব কালচার সৃষ্টি করে আমাদেরকে নির্মমভাবে হত্যা করার চেষ্টা করা ছিল প্রধান উদ্দেশ্য। ইতোমধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আজকের এই অতর্কিত হামলার তদন্ত কমিটি গঠন করে অতি অল্প সময়ের মধ্যে উনারা একটা প্রতিবেদন দেন। সেখানে তিনজন সন্ত্রাসী শিক্ষার্থীদেরকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করেছেন। আমরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতি দৃঢ় আস্থা রাখতে চাই। আইসিটি বিভাগ বিভাগের সকল শিক্ষার্থী এবং শিক্ষক সবাই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতি আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস আছে।

তারা আরও বলেন, প্রশাসন উক্ত ঘটনা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে তদন্ত করে যারা দোষী তাদেরকেই শুধু বিচারের আওতায় নিয়ে আসুক। আমরা চাই না— এখানে বাহিরের তৃতীয় পক্ষের কোন একজন ব্যক্তির নাম ঢুকিয়ে ওকে আবার বিচারের আওতায় নিয়ে আসা হোক। আমি ধন্যবাদ জানাই বাংলা বিভাগের সকল শিক্ষকদের প্রতি, বিশেষ করে বাংলা বিভাগের চেয়ারম্যান স্যার সহ আরো যারা অন্যান্য স্যার ছিলেন উনারা যথেষ্ট আন্তরিক ছিলেন। উনারা সবার প্রতি যথেষ্ট আন্তরিক ছিলেন। বিশেষ করে ধন্যবাদ জানাচ্ছি এ কারণে উনারা খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ে এই প্রথম আজকের যে ঘটনাটা ঘটেছে তিন ঘণ্টার মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তদন্ত কমিটি গঠন করে তিনজনকে দোষী সাভ্যস্ত করে তাদেরকে সাময়িক বহিষ্কার করেছে।

বহিষ্কার হওয়া শিক্ষার্থী ছাড়াও আরও কিছু কিছু শিক্ষার্থীকে সনাক্ত করেছেন দাবি তাদের। তারা বলেন, বাংলা বিভাগে ২১-২২ বর্ষের আকো, ২২-২৩ বর্ষের চয়েজ কুমার ও রনি নামের শিক্ষার্থীদের সনাক্ত করেছে বলে দাবি। এছাড়া অজ্ঞাত ১০/১৫ জন শিক্ষার্থী সন্ত্রাসী কায়দায় মারধর করেন বলে দাবি আইসিটি বিভাগের।

তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যাদেরকে আমরা আইডেন্টিফাই করতে পেরেছি এবং যারা এখনো আইডেন্টিফাই হয়নি তাদের সবাইকে বিচারের আওতায় নিয়ে আসতে হবে। এটাই আমাদের একমাত্র দাবি। আর যদি এই নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ব্যর্থ হয় তাহলে পুরো আইসিটি বিভাগসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিয়ে আমরা আমাদের পরবর্তী কর্মসূচি নেব এবং আমরা অনুসরণ অনশনে যাব।

উল্লেখ্য, মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাবল ডেকার বাস ‘গোধূলি’তে বাংলা ও আইসিটি বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে কথা কাটাকাটি ও মারামারির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় উভয় পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ করে। পরদিন বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বুর) দুপুরে দুই বিভাগের মীমাংসা সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার পর বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থীরা আইসিটি বিভাগের শিক্ষার্থী আবু সাইদের ওপর অতর্কিত হামলা করে বলে অভিযোগ ওঠে। এতে দুই শিক্ষকসহ অন্তত পাঁচজন আহত হন। এ ঘটনার পর আইসিটি বিভাগের শিক্ষার্থীরা বিকেল ৩টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন এবং ফটক আটকে রাখেন।

Continue Reading

ক্যাম্পাস

‘যা ইচ্ছা তাই করা’ স্বাধীনতা নয়, বরং দাসত্বের সবচেয়ে সূক্ষ্ম রূপ

Published

on

By

আশরাফ উদ্দিন খান

হাফপ্যান্ট যাদের ভূষণ ও স্বাধীনতা
আজকে হাফপ্যান্ট পরিধান করে যারা নিজেদের স্বাধীনতার প্রদর্শন করতে চায় তারা আসলে স্বাধীনতার মুখোশে আত্মসমর্পণ দেখাচ্ছে। তারা ভাবে “আমি যা চাই তাই করছি” মানে আমি স্বাধীন।

অথচ তারা সবচেয়ে বেশি বন্দি। বন্দি বিজ্ঞাপনের, বন্দি সোশ্যাল মিডিয়ার অ্যালগরিদমের, বন্দি পুঁজিবাদের চাহিদা তৈরির কারখানার। “যা ইচ্ছা তাই করা” স্বাধীনতা নয়, বরং দাসত্বের সবচেয়ে সূক্ষ্ম রূপ।

ইচ্ছা কি সত্যিই আপনার?

আধুনিক ভোক্তাবাদী সমাজ তরুণদের শেখায়—”তোমার ইচ্ছা তোমার পরিচয়।” কিন্তু দার্শনিক প্রশ্ন হলো: এই ইচ্ছাগুলো কি সত্যিই আপনার নিজের?

আপনি হাফ প্যান্ট পরতে চান—কেন? কারণ আপনি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন। কিন্তু এই “স্বাচ্ছন্দ্য” কোথা থেকে এলো? কে ঠিক করল যে হাফ প্যান্ট “স্বাচ্ছন্দ্যময়” আর পাঞ্জাবি “অস্বাচ্ছন্দ্যময়”? বিজ্ঞাপন, সিনেমা, সোশ্যাল মিডিয়া—এরা দশক ধরে আপনার মস্তিষ্কে এই সমীকরণ ঢুকে গেছে।

জাঁ-জাক রুশো দুই শতাব্দী আগে সতর্ক করেছিলেন: “মানুষ স্বাধীন জন্মগ্রহণ করে, কিন্তু সর্বত্র সে শৃঙ্খলাবদ্ধ।” আজকের তরুণরা মনে করে তারা শৃঙ্খলমুক্ত, অথচ তারা শৃঙ্খলাবদ্ধ—কিন্তু সে শৃঙ্খল লোহার নয়, ইচ্ছার শৃঙ্খল। আর ইচ্ছার শৃঙ্খল সবচেয়ে বিপজ্জনক, কারণ আপনি নিজেই তা পরতে স্বেচ্ছায় রাজি হন।

“যা ইচ্ছা তাই করা” বাস্তবেপশুর স্বাধীনতা

আইজায়া বার্লিন স্বাধীনতার দুই ধারণার পার্থক্য করেন—Negative Liberty (বাধা না থাকা) এবং Positive Liberty (আত্ম-নিয়ন্ত্রণ)। কিন্তু তিনি সতর্ক করেন, Positive Liberty যখন বিকৃত হয়, তখন তা স্বৈরাচারের হাতিয়ার হয়ে ওঠে।

আজকে আমাদের অনেকে Positive Liberty-এর সবচেয়ে বিকৃত রূপটি গ্রহণ করেছে—”আমি যা চাই, তা করব।” দার্শনিকভাবে এই অবস্থানটি অযৌক্তিক। কারণ:

পশুও যা চায় তাই করে —ক্ষুধা লাগলে খায়, ইচ্ছা হলে ঘুমায়। যদি “যা ইচ্ছা তাই করা” স্বাধীনতা হয়, তবে পশু সবচেয়ে স্বাধীন প্রাণী।

পক্ষান্তরে মানুষের স্বাধীনতা তার যুক্তিতে —মানুষ পারে ইচ্ছাকে বিশ্লেষণ করতে, পরিণতি ভাবতে, সঠিক-ভুল বিচার করতে। যে ব্যক্তি ইচ্ছার দাস, সে পশুর চেয়ে উন্নত নয়—সে কেবল আরও জটিল পশু।

ইমানুয়েল কান্ট বলেছেন—স্বাধীনতা মানে স্বায়ত্তশাসন (Autonomy) , অর্থাৎ নিজের যুক্তি দিয়ে নিজের নিয়ম তৈরি করা। আর “যা ইচ্ছা তাই করা” হলো বিষয়াসক্তি (Heteronomy) —অন্যের দেওয়া ইচ্ছার দাসত্ব।

সীমা ছাড়া স্বাধীনতা মানে বিশৃঙ্খলা

জন স্টুয়ার্ট মিল তাঁর On Liberty-তে স্পষ্ট বলেছেন: “আপনার স্বাধীনতার সীমা হলো অন্যের ক্ষতির সূচনা বিন্দু।” কিন্তু আজকের অনেকে এই সীমাকে “বাধা” বলে মনে করে।

আপনি যদি মেট্রোতে হাফ প্যান্ট পরে ওঠেন, আপনার পোশাক আপনার ব্যক্তিগত ব্যাপার। কিন্তু মেট্রো একটি গণপরিবহণ সেখানে শিশু, বয়স্ক, নারী সবাই আছেন। আপনার “স্বাধীনতা” যদি তাদের অস্বস্তির কারণ হয়, তবে সেটি আর স্বাধীনতা নয়—সেটি অন্যের উপর আপনার ইচ্ছার চাপিয়ে দেওয়া।

দার্শনিকভাবে এটি “নেতিবাচক স্বাধীনতার অপব্যবহার”। মিল বলেছেন—স্বাধীনতা মানে “বাধা না থাকা,” কিন্তু এই বাধা কেবল আইনি নয়, সামাজিকও। যে ব্যক্তি সামাজিক রীতিকে “পুরনো” বলে উড়িয়ে দেয়, সে আসলে সামাজিক চুক্তি (Social Contract) ভঙ্গ করে। টমাস হবস বলেছেন—সমাজে বাস করতে হলে কিছু স্বাধীনতা ছাড়তে হয়, নইলে “সবার বিরুদ্ধে সবার যুদ্ধ” শুরু হয়।

“সচেতনতা” নামের অচেতনতা।

আজকের অনেকে মনে করে তারা “সচেতন” কারণ তারা “পুরনো নিয়ম” মানে না। কিন্তু দার্শনিকভাবে সচেতনতা মানে নিয়ম ভাঙা নয়—সচেতনতা মানে জানা কেন নিয়ম আছে, আর কেন ভাঙছি।

প্রকৃত স্বাধীনতা কি?

প্রকৃত স্বাধীনতা “যা ইচ্ছা তাই করা” নয়। প্রকৃত স্বাধীনতা হলো—জানা, বোঝা, বিচার করা, তারপর সিদ্ধান্ত নেওয়া।

যে ব্যক্তি ইচ্ছার দাস—সে দাস।
যে ব্যক্তি সামাজিক চাপে চলে—সে দাস। যে ব্যক্তি বিজ্ঞাপনের নির্দেশে পোশাক বেছে নেয়—সে দাস।
যে ব্যক্তি “ট্রেন্ড” অনুসরণ করে—সে দাস।

প্রকৃত স্বাধীন মানুষ সে-ই, যে জানে সে কেন যা করছে, তা করছে। যে প্রশ্ন করে—”এটি কি আমার ইচ্ছা, নাকি অন্যের তৈরি ইচ্ছা?” যে জানে—স্বাধীনতার সীমা অন্যের সম্মান। স্বাধীনতা মানে দায়িত্ব, স্বাধীনতা মানে সংযম, স্বাধীনতা মানে জানা ও বোঝা।

যে সমাজে প্রত্যেকে “যা ইচ্ছা তাই করে,” সে সমাজে কেউ স্বাধীন নয়—সবাই সবার ইচ্ছার দাস। আর যে সমাজে প্রত্যেকে জানে “কেন করছি,” সে সমাজেই প্রকৃত স্বাধীনতা বাস করে। সুস্থ রুচি ও সংস্কৃতির বিজয় হোক!

আশরাফ উদ্দিন খান
খতিব, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদ

Continue Reading

ক্যাম্পাস

বাকৃবি উপাচার্যের সঙ্গে রোভার স্কাউট গ্রুপের মতবিনিময়

Published

on

By

বাকৃবি প্রতিনিধি

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) রোভার স্কাউট গ্রুপের কার্যক্রম, অর্জন ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম সরদারের সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর সচিবালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। বাকৃবি রোভার স্কাউট গ্রুপের সভাপতি ও ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. জি. এম. মুজিবর রহমানের সভাপতিত্বে সভাটি সঞ্চালনা করেন গ্রুপের সম্পাদক কৃষিবিদ ড. মো. জহিরুল আলম।

সভায় রোভার স্কাউট গ্রুপের বিভিন্ন কার্যক্রম ও অর্জন তুলে ধরেন কৃষিবিদ ড. মো. জহিরুল আলম। একই সঙ্গে সংগঠনটির ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও কার্যক্রম সম্প্রসারণের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রোক্টর অধ্যাপক ড. মো. আবদুল আলীম, সহযোগী ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. শহীদুল, রেজিস্ট্রার কৃষিবিদ ড. মো. হেলাল উদ্দীন এবং এডিশনাল রেজিস্ট্রার (সংস্থাপন) কৃষিবিদ ড. মো. নাজমুল হক।

মতবিনিময় সভায় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম সরদার বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সংগঠনের পাশাপাশি রোভার স্কাউট শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার সঙ্গে সেবামূলক কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করছে। এসব কার্যক্রমের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা দায়িত্বশীল ও যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠছে। রোভার স্কাউটের কার্যক্রম আরও বেগবান করতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে সহযোগিতার আশ্বাস দেন তিনি।

সভা শেষে বাকৃবি রোভার স্কাউট গ্রুপের পক্ষ থেকে সভাপতি ও ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. জি. এম. মুজিবর রহমান উপাচার্যকে একটি ফ্লাওয়ার বেস উপহার দেন।


Continue Reading

Trending