Connect with us

top1

বাংলাদেশের যে তিন চ্যানেলে সরাসরি দেখা যাবে বিশ্বকাপ

Published

on

বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় ক্রীড়া আয়োজনগুলোর একটি ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ ঘিরে ফুটবলপ্রেমীদের আগ্রহ ইতোমধ্যে তুঙ্গে। বাংলাদেশের দর্শকদের জন্যও এসেছে সুখবর। আসন্ন বিশ্বকাপের ম্যাচ দেশের তিনটি টেলিভিশন চ্যানেল ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে সরাসরি সম্প্রচারের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

প্রথমে বিটিভি এবং টি স্পোর্টসের পর্দায় বিশ্বকাপের ম্যাচ সরাসরি দেখা যাবে বলে শোনা গেলেও এবার জানা গেল সময় টিভিতেও সরাসরি খেলা উপভোগ করতে পারবেন দর্শকরা। বিষয়টি জানিয়েছে সময় টিভি কর্তৃপক্ষ। ফলে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের ফুটবল অনুরাগীরা সহজেই খেলা দেখার সুযোগ পাবেন।

বাংলাদেশে বিশ্বকাপ ফুটবলকে ঘিরে প্রতি আসরেই তৈরি হয় ব্যাপক উন্মাদনা। আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল, জার্মানি, ফ্রান্স, স্পেন এবং পর্তুগালের মতো জনপ্রিয় দলগুলোর ম্যাচ ঘিরে রাত জেগে খেলা দেখার সংস্কৃতি বহুদিনের। তবে এবারের আসরের সম্প্রচার নিয়ে দর্শকদের মধ্যে কিছুটা অনিশ্চয়তা ছিল। সম্প্রচার মাধ্যমগুলো নিশ্চিত হওয়ায় সে অপেক্ষার অবসান ঘটেছে।

এবারের বিশ্বকাপ আয়োজন করবে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং মেক্সিকো। তিন দেশের যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এ আসর ফুটবল বিশ্বকাপের ইতিহাসে নতুন অধ্যায় যোগ করতে যাচ্ছে।

প্রথমবারের মতো ৪৮টি দল অংশ নেবে টুর্নামেন্টে। ফলে ম্যাচ সংখ্যাও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে ১০৪-এ পৌঁছেছে। এর ফলে প্রতিযোগিতার ব্যাপ্তি ও উত্তেজনা আগের যে কোনো আসরের তুলনায় আরও বেশি হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বাংলাদেশের অনেক দর্শকের কাছে এখনো টেলিভিশনই খেলা দেখার প্রধান মাধ্যম। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চল এবং যেসব দর্শক অনলাইন সম্প্রচারের চেয়ে টিভি সম্প্রচারকে বেশি স্বাচ্ছন্দ্য মনে করেন, তাদের জন্য এই সম্প্রচার ব্যবস্থা বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে।

বিটিভির মাধ্যমে দেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চলের মানুষ খেলা দেখতে পারবেন। পাশাপাশি টি স্পোর্টস ও সময় টিভি দর্শকদের জন্য অতিরিক্ত বিকল্প তৈরি করছে।

টেলিভিশনের পাশাপাশি ডিজিটাল মাধ্যমেও বিশ্বকাপ উপভোগের সুযোগ থাকবে। বাংলালিংকের ওটিটি প্ল্যাটফর্ম টফিতে সরাসরি ম্যাচ সম্প্রচারের পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়া গ্রামীণফোনের ওটিটি প্ল্যাটফর্ম বায়োস্কোপের মাধ্যমেও দর্শকরা বিশ্বকাপের ম্যাচ দেখতে পারবেন। ফলে স্মার্টফোন, ট্যাবলেট, কম্পিউটার কিংবা স্মার্ট টিভি ব্যবহারকারীরাও সহজে খেলা উপভোগ করতে পারবেন।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

প্রধানমন্ত্রীর লাল টেলিফোনের তার চুরি, গ্রেপ্তার ২

Published

on

By

প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের লাল টেলিফোন সংযোগের তার চুরির ঘটনায় দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট দুজনকে আটক ও তাদের কাছ থেকে চোরাই তামার তার উদ্ধার করেছে।

বৃহস্পতিবার (০৪ জুন) বিকেলে সিটিটিসির সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। গ্রেপ্তাররা হলেন রঞ্জন চন্দ্র (২৫) ও রেজাকুল ইসলাম (৩২)।

পুলিশ জানায়, জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে রঞ্জন চন্দ্র স্বীকার করেন, গত ২২ মে সচিবালয়ের ৩ নম্বর ভবন থেকে তিনি তার চুরি করেন।

পরে ১ জুন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একুশে হলের সামনে একটি ভাঙারি দোকানে প্রতি কেজি ৬০০ টাকা দরে মোট ৮ কেজি ২০০ গ্রাম তামার তার বিক্রি করেন। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে একুশে হলের সামনে ভাঙারি ব্যবসায়ী রেজাকুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পরে রেজাকুলের তথ্যে চকবাজার থানার ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের হোসেনী দালান রোডে একটি ভাঙারির গুদাম থেকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের লাল টেলিফোন সংযোগের চুরি হওয়া তামার তার উদ্ধার করা হয়।

এ বিষয়ে বৃহস্পতিবার ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনেও বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ বলেন, ‘আমরা আজ ২ জনকে গ্রেপ্তার করেছি। এই রহস্য উদঘাটন করেছি। সংশ্লিষ্ট রঞ্জন চন্দ্রকে গ্রেপ্তার করেছি। এছাড়া ৮ কেজি তার উদ্ধার করা হয়েছে একটি ভাঙারির দোকান থেকে, যেখানে তার বিক্রি করেছিল রঞ্জন। এছাড়া ভাঙারির দোকান মালিককেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’

উল্লেখ্য, গত ১ জুন সচিবালয়ের দায়িত্বরত কর্মীরা অফিসে এসে দেখতে পান গুরুত্বপূর্ণ টেলিফোন লাইনগুলো বিকল হয়ে পড়ে আছে। সচিবালয়ের পুরাতন ২ নম্বর ভবন থেকে নতুন ১ নম্বর ভবন পর্যন্ত বিস্তৃত টেলিযোগাযোগের অত্যন্ত মূল্যবান কপার ক্যাবলগুলো ভবনের ছাদ ও সংযোগ লাইনের বিভিন্ন স্থান থেকে বিচ্ছিন্ন।

কোথাও কোথাও তার কাটা অবস্থায় পাওয়া গেছে। কিছু কিছু জায়গায় তার ছিল না। এতে শুধু সাধারণ টেলিফোনই নয়; বরং অত্যন্ত সংবেদনশীল হিসেবে পরিচিত প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের রেড টেলিফোনসহ গুরুত্বপূর্ণ টেলিফোন সংযোগগুলো পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। ফলে সরকারের অতি গুরুত্বপূর্ণ দাপ্তরিক যোগাযোগ ও প্রশাসনিক কার্যক্রম মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হয়।

Continue Reading

top1

আদ-দ্বীন হাসপাতালে ৬ নবজাতকের মৃত্যুতে অবহেলার প্রমাণ পাওয়া গেছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

Published

on

By

ছয় নবজাতকের মৃত্যুতে রাজধানীর আদ-দ্বীন হাসপাতালের দায়িত্বে অবহেলার প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেছেন, ‘তদন্ত প্রতিবেদনে স্পষ্টভাবে আদ-দ্বীন হাসপাতালের দায়িত্বে অবহেলা পাওয়া গেছে। পরবর্তী প্রক্রিয়া হিসেবে তাদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।

বিস্তারিত আসছে…

Continue Reading

top1

রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায় ৭ জুন

Published

on

By

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যা মামলার যুক্তিতর্ক শুনানি শেষ হয়েছে। মামলার রায় আগামী রোববার (৭ জুন)।

শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলু আদালতে আসামি সোহেলের ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় কী জবানবন্দি দিয়েছেন, তা পড়ে শোনান।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বেলা ১১টা ৫০ মিনিটের দিকে ঢাকার শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালতে আসামিদের উপস্থিতিতে যুক্তিতর্ক শুনানি শুরু হয়। শুনানিতে এই প্রথম গোপনীয় এই আসামির জবানবন্দি প্রকাশ্যে পড়ে শোনানো হয়।

গ্রেপ্তারের পর আসামি সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ১৬৪ ধারার জবানবন্দিতে বলেন, ‘আমার নাম সোহেল রানা। ওই বাসার তৃতীয় তলায় ভাড়া থাকি। এ বাসার তিন তলায় তিনটি ফ্ল্যাটে তিনজন থাকে। সকালে তারা কাজে বাসা থেকে বের হয়। আমি নিয়মিত নেশা করি।’

সোহেল আরও বলেন, ‘পাশের বাসার ৮ বছরের শিশু রামিসা তাদের বাসার বাইরে এলে তাকে ডাক দিই। সে এলে তাকে বাথরুমে জোরপূর্বক নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করি। এরপর সে চিৎকার করলে মুখ চেপে ধরি। মুখে ওড়না বেঁধে আমি তাকে ধর্ষণ করি। এরপর সে অজ্ঞান হয়ে গেলে তাকে মৃত ভেবে রুম থেকে ছুরি আনি। লাশ গুম করতে চাই। এরপর তার মাথা কেটে বিচ্ছিন্ন করি। পরে হাত কেটে বিচ্ছিন্ন করার চেষ্টা করি। এ সময় শিশুটির মা খোঁজাখুঁজি করে দরজার বাইরে জুতা দেখে ডাকাডাকি করে। আমি ভয় পাই। পরে সেলাইরেঞ্জ দিয়ে গ্রিল কেটে বাইরে পালিয়ে যাই।’

যুক্তিতর্কে এখন আসামিপক্ষের শুনানি চলছে। যুক্তিতর্ক শুনানিতে তোলার আগে অসুস্থতা অনুভব করেন সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার। পরে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে আদালতের কাঠগড়ায় তোলা হয়।

এর আগে মঙ্গলবার রামিসার বাবা, মা, বোন, স্বজন, প্রতিবেশী প্রত্যক্ষদর্শী ও তদন্ত কর্মকর্তাসহ ১৬ জন সাক্ষ্য দেন। গত ১৯ মে রাজধানীর পল্লবীর একটি বাসা থেকে আট বছরের শিশু রামিসার খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে ফ্ল্যাটটিতে বসবাসকারী সোহেল রানা ও তার স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের পর আদালতের কাছে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় ধর্ষণ ও হত্যার দায় স্বীকার করেছিল সোহেল।

Continue Reading

Trending