Connect with us

ক্যাম্পাস

বিয়ের বয়স পার হয়ে যাচ্ছে ইবি ছাত্রদল নেতাদের, উঠতি নেতাকর্মীদের মাঝে হতাশা

Published

on

ইবি প্রতিনিধি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের নেতৃত্ব দিতে দিতে বিয়ের বয়স পার হয়ে যাচ্ছে অধিকাংশ নেতার। দীর্ঘদিন নেতৃত্বের পরিবর্তন না হওয়ায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। ফলে, হতাশা দেখা দিয়েছে এই সিনিয়র নেতাদের এবং নেতৃত্ব প্রত্যাশীদের মধ্যে। এদিকে গতকাল শুক্রবার (২৭ মার্চ) আনুমানিক ৪০ বছর উর্ধ্ব ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক (ইবি) ও কেন্দ্রীয় সদস্য রাশেদুল ইসলাম রাশেদের বিয়ে হয়। এতে অন্যান্য ছাত্রদল নেতাদের বিয়ের বয়স পার হওয়ার বিষয়টি সামনে আসে ক্যাম্পাসজুড়ে।

জানা যায়, ছাত্রদলের সদ্য-সাবেক সাধারণ সম্পাদক (ইবি) ও কেন্দ্রীয় সদস্য রাশেদুল ইসলাম রাশেদ আইন বিভাগের ২০০৪-০৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। ফলে তার বয়স আনুমানিক ৪০ উর্ধ্ব। এদিকে বর্তমান কমিটির আহ্বায়ক সাহেদ আহম্মেদ (২০০৭-৮ শিক্ষাবর্ষ), সদস্য সচিব মাসুদ রুমী মিথুন ও সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার পারভেজের (২০১১-১২ শিক্ষাবর্ষ) বয়স পার হলেও বিয়ে নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছে। তাদের নাই কোনো কর্মসংস্থান। আহ্বায়ক কমিটির নামে ক্যাম্পাসে এখনও তৎপর তারা। সংগঠনটির আহ্বায়ক সাহেদ আহম্মেদ ২০০৭-৮ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি হওয়ায় আনুমানিক বয়স ৩৭ অধিক। এদিকে সদস্য সচিব মাসুদ রুমী মিথুন ও সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার পারভেজ ২০১১-১২ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি হলে ২০১৭-১৮ দিকে শেষ হওয়ার কথা। যাদের আনুমানিক বয়স ৩২ এর কাছাকাছি।

ক্যাম্পাস সূত্রে জানা গেছে, ২০২০ সালের ১৬ জুন মো. সাহেদ আহম্মেদকে আহ্বায়ক ও মাসুদ রুমী মিথুনকে সদস্য সচিব করে ৩১ সদস্যের কমিটি দেয় কেন্দ্রীয় ছাত্রদল। কমিটিতে অছাত্রত্ব, বিবাহিত ও চাকরিজীবীদের পদ দেওয়ায় প্রতিবাদ করে কমিটি প্রত্যাখ্যান করে একাংশ। এর পরিপ্রেক্ষিতে আহ্বায়ক কমিটির সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক আনোয়ার পারভেজ, আহসান হাবীব, সবুজ হোসাইন ও সদস্য সাব্বির হোসেনকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়।

দলীয় তথ্য মতে, ৩১ সদস্যের কমিটিতে যুগ্ম আহ্বায়ক মো. আবু দাউদ চাকরিজীবী ও বিবাহিত, মো. ওমর শরীফ চাকরিজীবী ও দীর্ঘদিন নিষ্ক্রিয়, নাজমুল ইসলাম চাকরিজীবী ও নিষ্ক্রিয়, নৌশিন তাবাসসুম বিবাহিতা ও সদস্য মাহমুদুল মৃদুলও বিবাহিত। এছাড়াও যুগ্ম আহ্বায়ক শাহানুর হোসেন, মো. সবুজ হোসাইন, মেহেদী হাসান হিরা, মনিরুল ইসলাম, তুহিন হোসাইন, লিমন হোসাইন দীর্ঘদিন ধরে দলীয় কার্যক্রমে আসেন না। এছাড়াও ‘অপরিচিত’ হিসেবে কমিটিতে আছেন সদস্য রাজু আহমেদ, মো. সম্রাট হোসাইন, সানজিদা ইসলাম ও রুমা খাতুন। ইবি শাখার সক্রিয় নেতাকর্মীরা তাদেরকে চেনেন না বলে দাবি করেছেন। এদিকে বর্তমান কমিটিকে আঁকড়ে ধরলেও কিছু নেতার বিয়ের বয়স পার হয়ে যাচ্ছে। এছাড়া যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবীব ও আনারুলের বয়সও পার হয়ে গেছে।

নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক একাধিক তরুণ কর্মী জানান, কর্মী হিসেবে তাদের বয়সও পর্যাপ্ত। বাড়িতে কারো কারো বিয়ের আলাপ হলেও পদের আশায় প্রহর গুনছেন। নেতাদের তো অনেক আগেই বয়স পার হয়েছে। কমিটি ধরে রাখলে কর্মী বাড়বে না। কর্মীরা কেন রাজনীতিতে জড়ায়? একটা পরিচয় দেওয়ার সুযোগ না হলে কর্মী সমর্থক বাড়বে কী করে? আমাদেরও সুযোগ দিক আর ভাইয়েরাও সুযোগ নিক। এতে সমালোচনা থেকে পরিত্রাণ পাওয়া সম্ভব।

ছাত্রদলের তরুণ কর্মী তৌহিদুল ইসলাম জানান, “বিয়ের বিষয়টা ব্যক্তিগত, এতে কমেন্ট করতে পারি না। হয় তো সংগঠনকে ভালোবাসে বলেই সেক্রিফাইস করছেন। যদিও বিয়ে নিয়ে সংগঠনে লিখিত কোনো ধরাবাঁধা নিয়ম নাই। এদিকে একটা আফসোসের জায়গা থাকবে যে নিজের নামের সাথে কোনো পদবি না নিয়ে ক্যাম্পাস ছাড়তে হচ্ছে। পুরাতন কমিটি প্রায় ৫ বছর হয়ে যাচ্ছে। নতুন করে রাজনীতিতে যারা যুক্ত হয়েছে তারাও পুরাতন হয়ে গেছে। কেন্দ্রীয় কমিটির মেয়াদও শেষ, ওটা নিয়ে ব্যস্ত থাকবেন। আমাদের নিয়ে ভাবার সময় হয়তো আরও বিলম্ব হলো।” 

আরেক তরুণ ছাত্রদল কর্মী স্বাক্ষর জানান, “আমাদের সিভি নিয়েছেন রানিং স্টুডেন্টদের। রানিং দিবে কিনা বা মিক্সড করে নেতৃত্ব ঠিক করবে কিনা একান্ত সেন্ট্রাল ভালো জানবেন। আমরা আশাবাদী ভালো কিছু হবে।” 

আহ্বায়ক কমিটির সদস্য রাফিজ আহমেদ জানান, “বিবাহিত হলে সংগঠনে পদ পদবি পায় না, সেই দৃষ্টিকোণ থেকে অনেকে সেক্রিফাইজ করেন। যদিও এটা কেন্দ্রের মৌখিক নির্দেশনা। নতুন কমিটির বিষয়ে শুনে আসছি রানিং স্টুডেন্ট দিয়ে দিবেন। বাকিটা কেন্দ্র বুঝবেন।”

বিয়ে নিয়ে সংগঠনের ধারণা

শুধু ‘ছাত্রত্ব’ দিয়ে ছাত্র রাজনীতি করা যাবে না, হতে হবে ‘অবিবাহিত’ – এমনই রীতি ছাত্রদলের ওপর আরোপ করে দেন বিএনপি। এ নিয়ে দলটির দায়িত্বশীলদের যৌক্তিক ব্যাখ্যাও আছে। তারা মনে করেন— ছাত্ররা যেহেতু সমাজ পরিবর্তনের নিয়ামক, ফলে বিবাহিত অবস্থায় রাজপথের আন্দোলন-সংগ্রামে তাদের পক্ষে ঝুঁকি নেওয়াটা কঠিন হয়ে পড়ে। এ কারণেই ছাত্রদলে অলিখিত অবিবাহিত শর্ত আরোপ হয়েছে।

তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বিবাহিত হোক বা অবিবাহিত, ছাত্রত্ব থাকলেই যে কোনো ছাত্র সংগঠন করার অধিকার একজন শিক্ষার্থীর রয়েছে। এছাড়া ছেলেদের ২১ এবং মেয়েদের ১৮ বছর বয়সে বিয়ে করার আইনগত ও সাংবিধানিক অধিকার রয়েছে। রাজনীতির দোহাই দিয়ে ছাত্রনেতাদের এ অধিকার কেড়ে নেওয়া বেআইনি ও অন্যায্য। বরং রাজনৈতিক সংগঠনের কাজই হলো ছাত্র তথা সব নাগরিকের এসব অধিকার নিশ্চিত করা। তা করতে প্রয়োজন রাষ্ট্রীয়ভাবে কাজ করা।

সম্প্রতি সাংবাদিকদের এক সাক্ষাৎকারে কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাছির বলেন, “কারো বিরুদ্ধে বিয়ের ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পেলে আমরা পদোন্নতির বিষয়ে ব্যবস্থা নিচ্ছি।”

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

বাসে সিনিয়র-জুনিয়র মারামারির ঘটনায় ইবি ক্যাম্পাসে সংঘর্ষ, আহত ৪

Published

on

By

ইবি প্রতিনিধি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) ক্যাম্পাস থেকে ঝিনাইদহগামী বাসে (মধুমতি) বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থীকে লোকপ্রশাসন বিভাগের এক সিনিয়র শিক্ষার্থীর মারধরের ঘটনায় দুই বিভাগের মধ্যকার দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ৪ জন আহত হয়েছে।

রবিবার (১৭ মে) রাত সাড়ে আটটার বাস ক্যাম্পাসে প্রবেশ করার সময় প্রধান ফটকে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এর আগে বাসে মারধরের ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের সায়মন আহমেদ হৃদয় এবং ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের অন্তর বিশ্বাস।

ক্যাম্পাস সূত্রে জানা যায়, বিকেলে মধুমতি বাস নিয়ে ঝিনাইদহের উদ্দেশে রওনা হন সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীরা। এসময় হৃদয়সহ তাঁর কয়েকজন বন্ধু বাসে উচ্চস্বরে কথাবার্তা ও হইচই করছিলেন। এতে বিরক্ত হয়ে অন্তরের পাশের সিটে বসা এক শিক্ষার্থী তাঁদের থামতে বলেন। এরপর উভয় পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটির সূত্রপাত হয়। একপর্যায়ে হৃদয় তেড়ে এসে অন্তরের গায়ে হাত তোলেন এবং উপর্যুপরি আঘাত করেন। বাসের এই ঘটনার জের ধরে অন্তর ও হৃদয়ের বিভাগের শিক্ষার্থীরা প্রধান ফটকে অবস্থান নেয় এবং রাত আটটার বাসে অভিযুক্ত হৃদয় ক্যাম্পাসে প্রবেশের পরপরই দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

ঘটনাস্থলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহিনুজ্জামানের উপস্থিতিতেও ক্যাম্পাসজুড়ে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ মোতায়েন সহ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো ভিসি, ট্রেজারার ও সংশ্লিষ্ট বিভাগের শিক্ষকরা উপস্থিত হয়ে পরিবেশ শান্ত করে।

এদিকে ব্যবস্থাপনা বিভাগের শিক্ষার্থী জিহাদুল করিম, বায়োটেকনোলজি বিভাগের শিক্ষার্থী মো. সাগর, লোক প্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থী রাসু প্রধান ফটকের সামনে সংঘটিত সংঘর্ষে আহত হন। পরে ইবি মেডিকেলে প্রাথমিক চিকিৎসা নেন তারা। বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল চিকিৎসক তাদের বিষয় নিশ্চিত করে জানান, “একজনের নাকে, আরেক শিক্ষার্থীর পায়ের আঙুলে, অন্যজনের ঘাড়ে সামান্য আঘাত ছিল। ট্রিটমেন্ট দেওয়ার পর ঠিক হয়ে গেছে। বড় ধরনের সমস্যা নেই।”

এবিষয়ে রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহিনুজ্জামান বলেন, “ঘটনার পর রাত আড়াই পর্যন্ত উভয় পক্ষের প্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট বিভাগের শিক্ষকদের উপস্থিতিতে মীমাংসা করা হয়েছে। অভিযুক্তরা ক্ষমা চাওয়ায় এবং ভুক্তভোগীরা ক্ষমা করে দেওয়ায় বিষয়টি সমাধান হয়েছে। উভয় পক্ষ মুচলেকা দিয়েছে।”

Continue Reading

ক্যাম্পাস

বিতর্কিত ব্যক্তিদের নিয়ে ইবিতে ‘ছাত্রশক্তি’র কমিটি গঠনের গুঞ্জন!

Published

on

By

ইবি প্রতিনিধি

চব্বিশের জুলাই গণ-অভ্যুত্থান থেকে উঠে আসা রাজনৈতিক ছাত্র সংগঠন ‘জাতীয় ছাত্রশক্তি’র কমিটি গঠন নিয়ে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) গুঞ্জন শুরু হয়েছে। এতদিন ক্যাম্পাসে সক্রিয় রাজনীতি করে গেছে জুলাই বিপ্লবী প্ল্যাটফর্ম ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন’। সেই দৃষ্টিকোণ থেকে ছাত্রশক্তির কমিটির প্রয়োজনবোধ ছিল না বলে মনে করছিলেন জুলাই যোদ্ধারা। তবে এবার ইবিতে প্রথমবারের মতো ছাত্রশক্তির কমিটি ঘোষণার কথা ভাবছে কেন্দ্র।

কেন্দ্রীয় সূত্রে জানা গেছে, ছাত্রশক্তি আদর্শ ও ছাত্র রাজনীতিকে গতিশীল করার লক্ষ্যে সারাদেশে কমিটি ঘোষণা করবে কেন্দ্র। ইতোমধ্যে সিভি যাচাই-বাছাই কার্যক্রম চলমান। খুব শিগগিরই ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়-সহ অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ে কমিটি গঠন করা হবে। এতে জুলাই যোদ্ধাদেরকে মূল্যায়ন করছেন বলে জানান কেন্দ্রীয় নেতারা।

ক্যাম্পাস সূত্রে জানা গেছে, ছাত্র সংগঠন ‘জাতীয় ছাত্রশক্তি’র ইবি শাখার নেতৃত্বে কমিটি আনার তোড়জোড় শুরু করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োটেকনোলজি এন্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০২০-২১ বর্ষের শিক্ষার্থী ফুয়াদ হাসান। এতে তাকে নিয়ে ক্যাম্পাসে নতুন করে সমালোচনা শুরু হয়েছে। ছাত্রলীগ আমলে মিছিল মিটিং-এ সক্রিয় ছিল বলে তার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে। বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের অভিযোগে বিপ্লব পরবর্তী সময়েও আবাসিক হল থেকে শিক্ষার্থীরা তাড়িয়ে দেয় ওই নেতাকে। তখন থেকে বিপ্লব পরবর্তী সময়ে ক্যাম্পাসে উল্লেখযোগ্য কর্মসূচি বা মাঠপর্যায়ে রাজনীতি করার সুযোগ পাননি তিনি। তবে জেলা পর্যায় থেকে তিনি কেন্দ্রীয় সংসদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বরত রয়েছে।

এদিকে কমিটির গুঞ্জনে উঠে আসা বিতর্কিত ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ইবি শাখার সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মুবাশ্বির আমিন। তার বিরুদ্ধে মাদক সদৃশ বস্তু সেবনের একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এবং ক্যাম্পাসের কেন্দ্রীয় গবেষণাগারে দৈনিক মজুরিতে কাজ না করে নিয়মিত বেতন উত্তোলনের অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া ক্যাম্পাসে কর্মরত এক সাংবাদিকও কমিটিতে আসার তোড়জোড় চালাচ্ছে বলে অভিযোগ একাধিক শিক্ষার্থীর।

সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও মানবাধিকার সংস্থায় সক্রিয়ভাবে কাজ করা শিক্ষার্থী রাহাত আব্দুল্লাহ’র নামও কমিটির প্রথম সারিতে রয়েছে বলে জানা গেছে। এছাড়াও বৈছাআ’র ইবি শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক আবু সাঈদ, প্লাটফর্মটির সংগঠক ইমরান হোসেন ও মোহন রায় উল্লেখযোগ্য। তবে তাদের বিরুদ্ধে ক্যাম্পাসে বিতর্কিত কোনো ইস্যুু তৈরি হয়নি বলে জানান শিক্ষার্থীরা।

বিতর্কিতদের নিয়ে কমিটি গঠনের গুঞ্জনে ফেসবুকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ইবি শাখার যুগ্ম সদস্য বাঁধন বিশ্বাস স্পর্শ লেখেন, ফ্যাসিস্টের দোসর ফুয়াদ হাসান ২০২৪ সালের ৮ আগস্টে আজিজ হল ইন্টারন্যাশনালের এক ব্লক দখল করে ছাত্রলীগ পুনর্বাসিত করতে চেয়েছিল। কিন্তু সাধারণ শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদ প্রদর্শন করে তাকে হল থেকে বের করে দেয়।এই গণহত্যাকারীর দোসর জুনিয়ররা প্রোগ্রামে না গেলে মানসিক এবং শারীরিকভাবে নির্যাতন করতো। ফুয়াদ বিভিন্ন সময়ে শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে গিয়ে ছাত্রলীগকে পুনর্বাসিত করার চেষ্টা করেছে এবং এমনও আছে যে, সে ছাত্রলীগের ক্যাডার হিসেবে তার বাসায় যেতে পরিবহন ভাড়া দিত না।

এছাড়া আরও লেখেন, এখন ইবিতে ছাত্রলীগ ক্যাডারদের সহকারে কমিটি আনতে চাচ্ছে এবং তার সাথে আছে এক সুশীল সাংবাদিক— পূর্বে বৈছাআ, এতদিন ছাত্রদল আর এখন ছাত্রলীগকে চাটে।

বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে কমিটি পুর্নগঠনের দায়িত্বে থাকা জাতীয় ছাত্রশক্তির কেন্দ্রীয় নেতা হাসিব আল ইসলামের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ করলেও সাড়া পাওয়া যায়নি।

Continue Reading

ক্যাম্পাস

‎রুয়েটে কেক কেটে এশিয়া পোস্টের শুভ উদ্বোধন

Published

on

By

‎রুয়েট প্রতিনিধি

‎নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার অঙ্গীকার নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে সোমবার (১১ মে) যাত্রা শুরু করেছে অনলাইন ও মাল্টিমিডিয়াভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ‘এশিয়া পোস্ট’। এ উপলক্ষে সোমবার বিকাল ৬টায় রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট)  ক্যাফেটেরিয়াতে এক উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। 

‎কেক কেটে এ উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রকল্যাণ দফতরের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো: রবিউল ইসলাম সরকার। 

‎অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসক্লাবের সভাপতি মনির হোসেন মাহিন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি সোহাগ রানা, রুয়েট রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি রাকিবুল হাসান নুর, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ক্লাবের নেতৃবৃন্দ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা।

‎এসময় ছাত্রকল্যাণ দফতরের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো: রবিউল ইসলাম সরকার বলেন, নতুন একটি নিউজ পোর্টাল এশিয়া পোস্ট যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছে।  আশা করি তারা সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে এই বিশ্ববিদ্যালয়কে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তাদের উত্তরোত্তর মঙ্গল কামনা করি।  এবং আশা প্রকাশ করছি, এটি দ্রুত একটি গ্রহণযোগ্য ও জনপ্রিয় নিউজ পোর্টালে পরিণত হতে পারে।”

Continue Reading

Trending