Connect with us

top2

মোবাইল অ্যাপে মেট্রোরেলের কার্ড রিচার্জ চালু

Published

on

মেট্রোরেলের যাত্রীরা এখন থেকে র‌্যাপিড পাস কার্ড মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে অনলাইনে রিচার্জ করতে পারবেন। সোমবার (১২ জানুয়ারি) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের (ডিটিসিএ) সভাকক্ষে এই নতুন সেবার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী শেখ মইনউদ্দিন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জানানো হয়, দেশের গণপরিবহন ব্যবস্থাকে ডিজিটাল ও আধুনিক করার ধারাবাহিক উদ্যোগের অংশ হিসেবে এই অ্যাপ চালু করা হয়েছে। এর মাধ্যমে মেট্রোরেল ও অন্যান্য গণপরিবহনে স্মার্ট কার্ড ব্যবহার আরও সহজ, দ্রুত ও নিরাপদ হবে।

ডিটিসিএ জানিয়েছে, নতুন অ্যাপের মাধ্যমে যাত্রীরা কাউন্টারে না গিয়েই রিচার্জ করতে পারবেন। রিচার্জের ইতিহাস দেখা, কার্ড ব্যবহার এবং ব্যালেন্স যাচাই করা, এনএফসি সমর্থিত স্মার্টফোন ব্যবহার করে তাৎক্ষণিক ব্যালেন্স পরীক্ষা করা সম্ভব। এ ছাড়া বিকাশ, রকেট, ভিসা, মাস্টারকার্ড ও এএমইএক্স কার্ডসহ একাধিক ডিজিটাল পেমেন্ট মাধ্যম ব্যবহার করা যাবে।

অনলাইনে রিচার্জ করতে হলে প্রথমে গুগল প্লে স্টোর থেকে অ্যাপ ডাউনলোড করে একবার সাইন-আপ করতে হবে। যারা আগে র‌্যাপিড পাসের ওয়েবসাইটে নিবন্ধিত ছিলেন, তারা একই লগইন তথ্য ব্যবহার করে অ্যাপে প্রবেশ করতে পারবেন। লগইনের পর পূর্বে যুক্ত করা কার্ড স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রদর্শিত হবে এবং প্রয়োজনে নতুন র‌্যাপিড পাস বা এমআরটি কার্ড যুক্ত করা যাবে।

রিচার্জের ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন ১০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত অনলাইনে টপ-আপ করা যাবে। তবে কার্ডে ব্যালেন্স কার্যকর হওয়ার জন্য তা অ্যাড ভ্যালু মেশিনে ট্যাপ করতে হবে। সফল রিচার্জের পর নিবন্ধিত মোবাইল নম্বরে নিশ্চিতকরণ বার্তা পাঠানো হবে। একবারে একটি কার্ডে শুধুমাত্র একটি পেন্ডিং রিচার্জ রাখা যাবে। পেন্ডিং রিচার্জ বাতিল করতে চাইলে সাত দিনের মধ্যে আবেদন করা যাবে, তবে এতে পাঁচ শতাংশ সেবা চার্জ প্রযোজ্য।

ডিটিসিএ’র নির্বাহী পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) ড. মো. মশিউর রহমান অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক নির্বাহী পরিচালক নীলিমা আখতার।

মোবাইল অ্যাপ চালু হওয়ার মাধ্যমে যাত্রীরা যেকোনো সময় ও স্থান থেকে রিচার্জ করতে পারবেন। এই উদ্যোগের ফলে যাত্রীসেবার মান উন্নত হবে এবং ভবিষ্যতে বাস, মেট্রোরেলসহ অন্যান্য গণপরিবহনে র‌্যাপিড পাস ব্যবহারের সুযোগ আরও সম্প্রসারণের পথ সুগম হবে।

এর আগে, গত বছরের ২৫ নভেম্বর আগারগাঁও মেট্রো স্টেশনে র‌্যাপিড পাসের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অনলাইন রিচার্জ সুবিধা চালু করা হয়েছিল। সেই ধারাবাহিকতায় চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে অ্যান্ড্রয়েডভিত্তিক র‌্যাপিড পাস অ্যাপ গুগল প্লে স্টোরে উন্মুক্ত করা হয়েছে।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top2

দুর্যোগ কি সরকারি-বিরোধী দল দেখে আসে, প্রশ্ন আখতারের

Published

on

By

সরকারি ও বিরোধী দলের সংসদ সদস্য বিবেচনা করে দেশে দুর্যোগের কোনো আলাদা মানচিত্র তৈরি হয়েছে কি না, জাতীয় সংসদে এমন প্রশ্ন তুলেছেন সংসদ সদস্য আখতার হোসেন। তিনি অভিযোগ করেন, সরকারি দলের এমপিদের টিআর-কাবিখার বরাদ্দ দেওয়া হলেও বিরোধী দলের এমপিদের তা দেওয়া হয়নি।

এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু সংসদকে আশ্বস্ত করে জানিয়েছেন, যেসব সংসদ সদস্য বরাদ্দের জন্য চাহিদাপত্র দিয়েছেন, তারা আগামী দু দিনের মধ্যেই তা পেয়ে যাবেন।

সোমবার (৮ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনের দ্বিতীয় দিনে প্রশ্নোত্তর পর্বে সংসদ সদস‌্য আখতার হোসেনের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ আশ্বাস দেন। বিকেল ৩টায় ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে এ অধিবেশন শুরু হয়।

অধিবেশনে সম্পূরক প্রশ্ন করতে গিয়ে ত্রাণ বরাদ্দে বৈষম্যের সমালোচনা করেন সংসদ সদস্য আখতার হোসেন। তিনি বলেন, ‘আমাদের বাংলাদেশের দুর্যোগের যে ম্যাপ সেটাতে কি কোনো ধরনের পরিবর্তন এসেছে? কারণ আমরা দেখলাম যে, দুর্যোগ মন্ত্রণালয় থেকে গত ৩০শে এপ্রিলে যে বরাদ্দটা দেওয়া হয়েছে, সেটা শুধুমাত্র সরকারি দলের আসনগুলোতে দেওয়া হয়েছে। বিরোধী দলের কারো ওটাতে বরাদ্দ দেওয়া হয় নাই। যদি এরকমটা হয়ে থাকে, যে বাংলাদেশে দুর্যোগগুলো যখন আসবে তখন শুধু সরকারি দলের আসনগুলোতেই আসবে, বিরোধী দলের আসনগুলোতে আসবে না… তাহলে হয়তো একভাবে হতে পারতো। কিন্তু দুর্যোগ যখন আসে তখন কিন্তু আমরা সবাই সাফারার (ভুক্তভোগী) হই।’

তিনি আরও বলেন, ‘গত ৩০শে এপ্রিলে ৮৫ লাখ টাকা এবং ৯০ টন করে চাল ও গম শুধুমাত্র সরকারি দলের এমপি বা সরকার দলের আসনগুলোতে বরাদ্দ করা হয়েছে। বিরোধী দলের কোনো আসনেই এটি দেওয়া হয়নি। এই অর্থ জনগণের ট্যাক্সের টাকা। জনগণের অর্থ আহরণ করে তারপরে এই বরাদ্দ করা হয়। বিরোধী দলের আসনের সাধারণ নাগরিকদের প্রতি এটি চূড়ান্ত বৈষম্য।’

এ সময় তিনি ত্রাণমন্ত্রীর কাছে বৈষম্য দূর করে কবে নাগাদ বিরোধী দলের এমপিদের সমতাভিত্তিক বরাদ্দ দেওয়া হবে তা জানতে চান।

সংসদ সদস্য আখতার হোসেনের এই অভিযোগের পর সংসদে সভাপতিত্ব করা ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে নেন। তিনি ত্রাণমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে বলেন, ‘মাননীয় সদস্য আপনাকে ধন্যবাদ। মাননীয় মন্ত্রী, এটি একটি ভেরি ফান্ডামেন্টাল কোয়েশ্চেন (অত্যন্ত মৌলিক প্রশ্ন)। ইফ ইট ইজ ট্রু, আনফেয়ার (যদি এটি সত্য হয়, তবে তা অনুচিত)। আপনি দয়া করে একটু উত্তর দেন আমরা সকলেই শুনি।’

ডেপুটি স্পিকারের নির্দেশনার পর জবাব দিতে দাঁড়িয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকারের নানা প্রস্তুতি সবসময়ই থাকে। বন্যা ও ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র করি। পাশাপাশি যখন যেখানে দুর্যোগ সংঘটিত হয়, তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে জেলা পর্যায়ে প্রত্যেকটা জেলা প্রশাসকের কাছে আমাদের জিআর ক্যাশ (নগদ অর্থ) এবং জিআর চাল বরাদ্দ দেওয়া রয়েছে।’

এমপিদের উন্নয়ন বরাদ্দের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘উনি (আখতার হোসেন) টিআর-কাবিখার কথা বলেছেন। যে সমস্ত এমপি মহোদয়রা আমাদের কাছে চাহিদাপত্র দেন, সেখানে আমরা বরাদ্দ দিয়ে থাকি। আমার মনে হয় যে কাল-পরশুর মধ্যে ওনারা ওনাদের বরাদ্দ পেয়ে যাবেন।’

এ সময় সংসদে উপস্থিত অভিযোগকারী সংসদ সদস্যসহ অন্যদের আশ্বস্ত করে মন্ত্রী বলেন, ‘আপনারাও পেয়ে যাবেন। আপনাদের মধ্যে যারা চাহিদাপত্র দিয়েছেন তাদেরকে আমরা বরাদ্দ দিয়েছি। ইনশাআল্লাহ পেয়ে যাবেন। ধন্যবাদ আপনাকে।

Continue Reading

top2

হামের উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু

Published

on

By

গত ২৪ ঘণ্টায় আরও সাত শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ২৮৭ শিশু।

রোববার (৭ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রকাশিত হামবিষয়ক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শনিবার সকাল ৮টা থেকে রোববার সকাল ৮টা পর্যন্ত সময়ে হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে ১ হাজার ২২১ শিশুর। এছাড়া পরীক্ষায় হামে আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছে আরও ৬৬ শিশু।

মৃত সাত শিশুর মধ্যে চারজন ঢাকার, একজন চট্টগ্রামের, একজন ময়মনসিংহের এবং একজন খুলনা বিভাগের বাসিন্দা।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হামের উপসর্গে ৫২৯ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে হাম শনাক্ত হওয়ার পর মারা গেছে ৯১ শিশু। সব মিলিয়ে হাম ও হামের উপসর্গে মৃত শিশুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬২০ জনে।

এদিকে ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত দেশে ৭৯ হাজার ১২ শিশুর মধ্যে হামের উপসর্গ দেখা গেছে। তাদের মধ্যে ৬৪ হাজার ২৬৩ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ৬০ হাজার ৮৪ শিশু।

হাম পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্বাস্থ্য বিভাগ আক্রান্ত শিশুদের দ্রুত চিকিৎসা নিশ্চিত করার পাশাপাশি অভিভাবকদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে।

Continue Reading

top2

তিন বগি লাইনচ্যুত, খুলনার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের রেলযোগাযোগ বন্ধ

Published

on

By

ঝিনাইদহের সাবদারপুর স্টেশনে মালবাহী ট্রেনের ৩ টি ট্যাংকার লাইনচ্যুত হয়েছে। এতে খুলনার সঙ্গে রাজশাহীসহ উত্তরবঙ্গের ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে। রোববার (৭ জুন) সকাল ৬ টার দিকে কোটচাঁদপুর উপজেলার সাফদারপুর রেল স্টেশন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। তবে ট্যংকারের ভিতরের তেলের ক্ষতি হয়নি।

এ বিষয়ে রেলওয়ের মোবারকগঞ্জের উপসহকারি প্রকৌশলী সাইফুল ইসলাম জানান, খুলনা থেকে ছেড়ে আসা পার্বতীপুরগামী তেলবাহী মালগাড়ী ট্রেনটি সাফদারপুর স্টেশনে পৌঁছালে সকাল ৬ টার পেছনের ৩ টি ট্যাংকারের ৯ টি চাকা লাইনচ্যুত হয়। এতে বন্ধ হয়ে যায় খুলনার সঙ্গে রাজশাহীসহ উত্তরবঙ্গের ট্রেন চলাচল। খুলনা থেকে উদ্ধারকারী ট্রেন রওয়া হয়েছে। পৌঁছানোর পর শুরু হবে উদ্ধার কার্যক্রম।

এর আগে, গত ২১ মে একই এলাকায় আরও একটি মালবাহী ট্রেনের লাইনচ্যুত হয়।

Continue Reading

Trending