Connect with us

রাজনীতি

সড়কে চাঁদাবাজির কোনো সুযোগ নেই : পানিসম্পদ মন্ত্রী

Published

on

তিন দিনের সফরে এ্যানি চৌধুরী বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) রাতে নিজ জেলা লক্ষ্মীপুরে পৌঁছান। শুক্রবার সকালে সার্কিট হাউসে জেলা প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় সভা করেন।

সড়কে চাঁদাবাজি নিয়ে সারাদেশে নানা আলোচনা চললেও লক্ষ্মীপুরে এ ধরনের কোনো সুযোগ নেই বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন পানি সম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি এমপি। শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে লক্ষ্মীপুর সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, সারাদেশে সড়কে চাঁদাবাজির কোনো সুযোগ নেই। আর লক্ষ্মীপুরে তো নেইই।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সরকার সতর্ক রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
তিন দিনের সফরে এ্যানি চৌধুরী বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) রাতে নিজ জেলা লক্ষ্মীপুরে পৌঁছান। শুক্রবার সকালে সার্কিট হাউসে জেলা প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় সভা করেন। এর আগে তাকে গার্ড অব অনার দেওয়া হয়।

সার্কিট হাউসে এ্যানি চৌধুরীকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান জেলা প্রশাসক এসএম মেহেদী হাসান, জেলা পুলিশ সুপার মো. আবু তারেক, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব সাহাবুদ্দিন সাবু, যুগ্ম আহবায়ক হাছিবুর রহমান, বাফুফে সহ সভাপতি ওয়াহিদ উদ্দিন চৌধুরী হ্যাপী, লক্ষ্মীপুর পৌরসভার সাবেক চেয়ারম্যান হাছানুজ্জামান চৌধুরী মিন্টু প্রমুখ।

জলাবদ্ধতা নিরসনের প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, লক্ষ্মীপুরের দীর্ঘদিনের সমস্যা সমাধানে বৃহত্তর নোয়াখালীর মধ্যে একটি নতুন প্রকল্প নেওয়ার চিন্তা রয়েছে। ভুলুয়া নদী খনন এবং রহমতখালী খাল পুনঃখনন করা গেলে জলাবদ্ধতার যে দীর্ঘস্থায়ী কষ্ট, সেখান থেকে মানুষ মুক্তি পাবে। পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রকল্প গ্রহণের ইচ্ছা রয়েছে এবং সে দিকেই নজর দেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, মেঘনা নদী ও রহমতখালী খালের পাড়ে ভাঙন রয়েছে। পিজিভিলিটি স্ট্যাডির মাধ্যমে তা সমাধানের লক্ষ্যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দেশব্যাপী খাল খনন করা হবে। ১৮০ দিনের কর্মসূচির মধ্যে সর্বোচ্চ বাস্তবায়নের চেষ্টা থাকবে। খুব শিগগিরই খাল খনন কর্মসূচি শুরু হবে এবং এর আওতায় লক্ষ্মীপুরও থাকবে।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

তোলারাম কলেজে বক্তব্যকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষ, আহত অন্তত ২০

Published

on

By

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি

নারায়ণগঞ্জের সরকারি তোলারাম কলেজে ‘জুলাই বিপ্লব দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তব্যকে কেন্দ্র করে ইসলামী ছাত্রশিবির ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলোর দাবি। প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে চলা উত্তেজনার পর পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

বুধবার (৫ আগস্ট) দুপুরে সরকারি তোলারাম কলেজে এ সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। পরে তা কলেজের বাইরে চাষাঢ়া ও আশপাশের এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়।

স্থানীয় সূত্র জানায়, ‘জুলাই বিপ্লব দিবস’ উপলক্ষে কলেজে আয়োজিত আলোচনা সভায় ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতারা বক্তব্য দেন। বক্তব্যকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। পরে তা ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষে রূপ নেয়। তবে ঘটনার জন্য উভয় সংগঠনই একে অপরকে দায়ী করেছে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, সংঘর্ষের সময় দুই পক্ষের নেতাকর্মীদের হাতে লাঠিসোঁটা, লোহার পাইপ ও বাঁশ দেখা যায়। কয়েকজন স্থানীয় দোকানদার দাবি করেন, ছাত্রশিবিরের কয়েকজন নেতাকর্মীর হাতে আগ্নেয়াস্ত্রও দেখা গেছে। এ ঘটনার একাধিক ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

আহতদের মধ্যে ছাত্রশিবিরের তোলারাম কলেজ শাখার সভাপতি ইমদাদুল হক শুভ, সেক্রেটারি তামিম, অর্থ সম্পাদক জুহাস, মহানগর শাখার সভাপতি অমিত হাসান ও অর্থ সম্পাদক আরিফুল ইসলামের নাম জানা গেছে। অন্যদিকে ছাত্রদলের কর্মী ফয়সাল, রবিন ও তুহিন আহমেদ আহত হয়েছেন। আহতদের অধিকাংশ স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নিয়েছেন।

সরকারি তোলারাম কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. শহীদুল ইসলাম বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে কলেজে অনুষ্ঠান চলছিল। অনুষ্ঠান শেষে গেটের বাইরে একজন আহত হওয়ার খবর পান। পরে জানতে পারেন, ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। বিষয়টি প্রশাসনকে জানালে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

ইসলামী ছাত্রশিবির নারায়ণগঞ্জ মহানগর শাখার সভাপতি অমিত হাসান অভিযোগ করেন, কলেজের ভেতরে তাদের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালিয়েছে ছাত্রদল। এতে তিনি নিজেও মাথায় আঘাত পেয়েছেন।

অন্যদিকে তোলারাম কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি মনির হোসেন জিয়া দাবি করেন, ছাত্রশিবিরের হামলায় ছাত্রদলের তুহিন আহমেদ, রবিন ও ফয়সালসহ কয়েকজন আহত হয়ে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। তার ভাষ্য, সভায় উস্কানিমূলক বক্তব্যের প্রতিবাদ করায় ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা হামলা চালান।

নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হাসিনুজ্জামান বলেন, আলোচনা সভায় বক্তব্যকে কেন্দ্র করেই দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ হয়। এতে কয়েকজন আহত হয়েছেন, তবে তাদের আঘাত গুরুতর নয়।

তিনি জানান, খবর পেয়ে ফতুল্লা থানা ও ডিবি পুলিশের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং উভয় পক্ষকে সরিয়ে দেন। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করা হয়নি। সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ ও তদন্ত শেষে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটানোর সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Continue Reading

top2

কারাগারে নেওয়ার পথে এনসিপি নেতা গাজী সালাউদ্দিনকে ডিম নিক্ষেপ

Published

on

By

ডিজিটাল ডেস্ক

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে আপত্তিকর মন্তব্য করার অভিযোগে করা সাইবার সুরক্ষা আইনের মামলায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদ্য অব্যাহতিপ্রাপ্ত যুগ্ম সদস্যসচিব গাজী সালাউদ্দিন তানভীরকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। এ সময় আদালত চত্বরে তাকে লক্ষ্য করে ডিম নিক্ষেপ করেন ছাত্রদলের কয়েকজন বিক্ষুব্ধ কর্মী।

বুধবার (৫ আগস্ট) ভোরে রাজধানীর মনিপুরী এলাকার একটি আবাসিক ভবন থেকে গাজী সালাউদ্দিন তানভীরকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তাকে বগুড়ার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়।

শুনানি শেষে সদর আমলি আদালতের বিচারক ও সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসান তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

আদালতের আদেশের পর তানভীরকে কারাগারে নেওয়ার সময় আদালত চত্বরে সরকারি আজিজুল হক কলেজ ছাত্রদলের সদস্য সচিব রাফিউল ইসলামের নেতৃত্বে একদল ছাত্রদল নেতাকর্মী তাকে লক্ষ্য করে ডিম নিক্ষেপ করেন।

মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি সিলেটে এনসিপির পথসভায় বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের ওপর হামলার অভিযোগকে কেন্দ্র করে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে ফেসবুকে একটি পোস্ট দেন গাজী সালাউদ্দিন তানভীর। পোস্টটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দিলে তিনি সেটি মুছে ফেলেন এবং প্রকাশ্যে দুঃখ প্রকাশ করেন।

এ ঘটনায় বগুড়া সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মাফতুন আহমেদ খান রুবেল গত ২ আগস্ট বগুড়া সদর থানায় সাইবার সুরক্ষা আইনে মামলা করেন।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, গত ২৯ জুলাই গাজী সালাউদ্দিন তানভীরের ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডি থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে একটি আপত্তিকর ও মানহানিকর পোস্ট দেওয়া হয়। ওই পোস্টে উসকানিমূলক বক্তব্য থাকায় তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে। পরে সমালোচনার মুখে তানভীর পোস্টটি মুছে ফেলেন।

কারাগারে নেওয়ার সময় ডিম নিক্ষেপের বিষয়ে জানতে চাইলে বগুড়া গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ইকবাল বাহার জানান, এটা তাদের দলের পক্ষ থেকে আবেগের বহিঃপ্রকাশ। আমরা দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছি এবং কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটতে দিইনি।

রিমান্ডের বিষয়ে ইকবাল বাহার বলেন, আমরা রিমান্ডের আবেদন করব। এ ঘটনায় তার সঙ্গে আরও কেউ জড়িত আছে কি না, সেটিও তদন্ত করে দেখা হবে।

প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে ওই পোস্ট দেওয়ার ঘটনায় গত ১ আগস্ট এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সদস্যসচিবের পদ থেকে তানভীরকে সাময়িক অব্যাহতি দেওয়া হয় এবং কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়ে দুই কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়। পরে দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গ ও দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অভিযোগে তাকে দল থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

Continue Reading

top1

‘নিজ দলের লোকেরাই আপনাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চায় না’

Published

on

By

অলটাইম ডিজিটাল রিপোর্ট

রাজধানীর বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ ফটকে আয়োজিত ১১ দলীয় ঐক্যের গণসমাবেশে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে উদ্দেশ করে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বলেছেন, তার নিজের দলের ভেতরেই এমন নেতারা রয়েছেন, যারা তাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান না। তিনি দাবি করেন, দলের অভ্যন্তরে থাকা ‘দালালরাই’ তার জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি হয়ে উঠতে পারে।

বুধবার (৫ আগস্ট) ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী’ উপলক্ষে আয়োজিত সমাবেশে বক্তব্য দিতে গিয়ে অলি আহমদ বলেন, গত কয়েক মাস ধরে তিনি প্রধানমন্ত্রীকে বিভেদ সৃষ্টিকারী কর্মকাণ্ড এড়িয়ে চলার আহ্বান জানিয়ে আসছেন, যাতে সরকারের পতনের পরিস্থিতি তৈরি না হয়। তিনি মঙ্গলবার দেশের তিনটি স্থানে ঘটে যাওয়া হামলার ঘটনাকে উল্লেখ করে বলেন, এসবই প্রমাণ করে দলের ভেতরের একটি অংশ তারেক রহমানের রাজনৈতিক ক্ষতি চায়। এ সময় তিনি বিএনপিকে নিজেদের দলে থাকা ষড়যন্ত্রকারীদের চিহ্নিত করার পরামর্শ দেন এবং এলডিপির পক্ষ থেকে সরকারের জন্য কোনো হুমকি নেই বলেও মন্তব্য করেন।

বক্তব্যে অতীত রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটও তুলে ধরেন এলডিপি চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, ১৯৯১ সালে জামায়াতে ইসলামীর সমর্থনে বিএনপি সরকার গঠন করেছিল এবং ২০০১ সালের মন্ত্রিসভাতেও জামায়াতের প্রতিনিধিরা ছিলেন। সেই প্রেক্ষাপটে তিনি প্রশ্ন তোলেন, তখনকার সরকার বা বিএনপিকে ‘রাজাকার’ বলা হবে কি না। একই সঙ্গে ১৯৯৬ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে আওয়ামী লীগ ও জামায়াতের যৌথ আন্দোলনের কথাও স্মরণ করিয়ে দেন। তবে তিনি স্পষ্ট করেন, তিনি কখনো জামায়াতে যোগ দেননি; বরং দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং ইসলামি মূল্যবোধে বিশ্বাসী শক্তিগুলো এখন ঐক্যবদ্ধ হয়েছে।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান প্রসঙ্গে অলি আহমদ বলেন, আন্দোলনের সময় পুরো জাতি ঐক্যবদ্ধ থাকলেও পরে বিএনপি এ আন্দোলনের সঙ্গে নিজেদের সম্পৃক্ততা অস্বীকার করেছে। তার মতে, জুলাইয়ের চেতনা ধরে রাখতে জাতীয় ঐক্যের বিকল্প নেই। তিনি বিভাজনের রাজনীতি পরিহার করে সুশাসন, ন্যায়বিচার ও মানবিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং সমতার ভিত্তিতে রাষ্ট্র পরিচালনায় সরকারকে সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

দেশের বর্তমান আর্থসামাজিক পরিস্থিতি নিয়েও সমালোচনা করেন এলডিপি চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, গ্যাস ও বিদ্যুতের সংকটের পাশাপাশি রাজধানীর সড়ক হকারদের দখলে চলে গেছে। সরকার যদি নিজ দলের হকারদেরই নিয়ন্ত্রণ করতে না পারে, তাহলে দেশের ১৮ কোটি মানুষের সমস্যা কীভাবে সামাল দেবে—সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি। জনগণের আস্থা অর্জনের জন্য সবার আগে ঢাকা শহরকে পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য করার আহ্বান জানান তিনি।

Continue Reading

Trending