Connect with us

top1

সিলেটে র‍্যাব সদস্যকে ছুরিকাঘাতে হত্যা, পালাতে গিয়ে শিশুকে জিম্মি

Published

on

সিলেট নগরীতে ছুরিকাঘাতে র‍্যাবের সদস্য ইমন আচার্য্য নিহত হয়েছেন। ধাওয়ার পর এক শিশুকে জিম্মি করেন সন্দেহভাজন হামলাকারী। শিশুটিকে উদ্ধারের পর তাকে আটক করেছে পুলিশ।

আজ শুক্রবার (২২ মে) দুপুরে নগরীর ক্বীন ব্রিজ এলাকার এই ঘটনা। সিলেট কোতোয়ালি থানার ওসি মাইনুল জাকির এসব নিশ্চিত করেছেন।

নিহত ইমন আচার্য্য র‍্যাব-৯ এর সদস্য ছিলেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। আটক ব্যক্তির নাম আসাদউল আলম বাপ্পী।

ওসি বলেছেন, দুপুর ১২টার দিকে ক্বীন ব্রিজ এলাকায় বসে থাকা মাদকসেবীদের ধাওয়া করে পুলিশ। এ সময় বাপ্পী দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন। সাদা পোশাকে ঘটনাস্থলে থাকা র‍্যাব সদস্য তাকে আটকাতে গেলে বাপ্পী তাকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। ঢুকে পড়েন তোপখানা এলাকার একটি বাসায়।

সেখানে এক শিশুর গলায় ছুরি ধরে জিম্মি করেন বাপ্পী। পুলিশ ঘটনাস্থল ঘেরাও করে দীর্ঘ সময় চেষ্টার পর শিশুটিকে উদ্ধার করে। আটক করা হয় তাকে।

গুরুতর আহত অবস্থায় ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল নেওয়ার পর দুপুর দেড়টার দিকে মারা যান র‍্যাব সদস্য ইমন।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

শূন্যরেখার কাছে বেড়া নির্মাণের চেষ্টা, বিজিবির বাধায় পিছু হটলো বিএসএফ

Published

on

By

লালমনিরহাটের পাটগ্রাম সীমান্তে শূন্যরেখার কাছে কোনো প্রকার পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের চেষ্টা করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। এতে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে তুমুল উত্তেজনার সৃষ্টি হয় এবং উভয় পক্ষ অস্ত্র নিয়ে মুখোমুখি অবস্থান নেয়। বিজিবির কঠোর অবস্থানের মুখে শেষ পর্যন্ত নির্মাণ কাজ বন্ধ করে ফিরে যেতে বাধ্য হয় বিএসএফ।

শুক্রবার (২২ মে) বিকেলে উপজেলার দহগ্রাম ইউনিয়নের তিনবিঘা করিডোর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সীমান্ত সূত্র ও বিজিবি জানায়, বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের প্রধান ডিএএমপি পিলার ৭-এর ৩০ নম্বর সাবপিলারের কাছে ভারতের ১৭৪ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের ভীম ক্যাম্পের প্রায় ৭০-৮০ জন সদস্য এবং ৩০-৩৫ জন শ্রমিক কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার জন্য বাঁশের খুঁটি স্থাপন শুরু করে। এটি করিডোরের শূন্যরেখা থেকে মাত্র ১০ থেকে ২০ গজের মধ্যে অবস্থিত।

আন্তর্জাতিক সীমান্ত আইন না মেনে বিএসএফ এ কাজ শুরু করলে পানবাড়ী বিজিবি কোম্পানির কমান্ডার সুবেদার সোলেমান আলী টহল দল নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছান এবং তীব্র প্রতিবাদ জানান। বিএসএফ বিজিবির আপত্তি উপেক্ষা করে কাজ চালিয়ে যেতে থাকলে বিজিবি সদস্যরা অস্ত্রসহ প্রতিরোধমুখী অবস্থান (পজেশন) নেন। এতে সীমান্তে উভয় বাহিনীর মধ্যে চরম উত্তেজনার সৃষ্টি হয় এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

উত্তেজনা নিরসনে বিজিবি ও বিএসএফ ব্যাটালিয়ন কমান্ডার পর্যায়ে টেলিফোনে যোগাযোগ হয়। এরপর সন্ধ্যা ৭টা ১৫ মিনিটের দিকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। বিজিবির রংপুর-৫১ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাজিউর রহমান জানান, সীমান্ত আইন অমান্য করে বিএসএফ কোনো কাজ করলে তা মেনে নেওয়া হবে না। তিনি আরও জানান, শনিবার (২৩ মে) এ বিষয়ে দুই বাহিনীর ব্যাটালিয়ন কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠকের আহ্বান জানানো হয়েছে। বর্তমানে সীমান্ত এলাকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ১৮ মে একই এলাকায় ডিএএমপি পিলার ৬-এর ১৬ নম্বর সাবপিলারের কাছেও বিএসএফ অনুরূপভাবে বেড়া নির্মাণের কাজ করার চেষ্টা করেছিল। বারবার সীমান্তে বিএসএফের এমন কর্মকাণ্ডে এলাকাবাসীর মধ্যে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে।

Continue Reading

top1

বাসে সিনিয়র-জুনিয়র মারামারির ঘটনায় ইবি ক্যাম্পাসে সংঘর্ষ, আহত ৪

Published

on

By

ইবি প্রতিনিধি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) ক্যাম্পাস থেকে ঝিনাইদহগামী বাসে (মধুমতি) বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থীকে লোকপ্রশাসন বিভাগের এক সিনিয়র শিক্ষার্থীর মারধরের ঘটনায় দুই বিভাগের মধ্যকার দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ৪ জন আহত হয়েছে।

রবিবার (১৭ মে) রাত সাড়ে আটটার বাস ক্যাম্পাসে প্রবেশ করার সময় প্রধান ফটকে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এর আগে বাসে মারধরের ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের সায়মন আহমেদ হৃদয় এবং ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের অন্তর বিশ্বাস।

ক্যাম্পাস সূত্রে জানা যায়, বিকেলে মধুমতি বাস নিয়ে ঝিনাইদহের উদ্দেশে রওনা হন সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীরা। এসময় হৃদয়সহ তাঁর কয়েকজন বন্ধু বাসে উচ্চস্বরে কথাবার্তা ও হইচই করছিলেন। এতে বিরক্ত হয়ে অন্তরের পাশের সিটে বসা এক শিক্ষার্থী তাঁদের থামতে বলেন। এরপর উভয় পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটির সূত্রপাত হয়। একপর্যায়ে হৃদয় তেড়ে এসে অন্তরের গায়ে হাত তোলেন এবং উপর্যুপরি আঘাত করেন। বাসের এই ঘটনার জের ধরে অন্তর ও হৃদয়ের বিভাগের শিক্ষার্থীরা প্রধান ফটকে অবস্থান নেয় এবং রাত আটটার বাসে অভিযুক্ত হৃদয় ক্যাম্পাসে প্রবেশের পরপরই দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

ঘটনাস্থলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহিনুজ্জামানের উপস্থিতিতেও ক্যাম্পাসজুড়ে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ মোতায়েন সহ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো ভিসি, ট্রেজারার ও সংশ্লিষ্ট বিভাগের শিক্ষকরা উপস্থিত হয়ে পরিবেশ শান্ত করে।

এদিকে ব্যবস্থাপনা বিভাগের শিক্ষার্থী জিহাদুল করিম, বায়োটেকনোলজি বিভাগের শিক্ষার্থী মো. সাগর, লোক প্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থী রাসু প্রধান ফটকের সামনে সংঘটিত সংঘর্ষে আহত হন। পরে ইবি মেডিকেলে প্রাথমিক চিকিৎসা নেন তারা। বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল চিকিৎসক তাদের বিষয় নিশ্চিত করে জানান, “একজনের নাকে, আরেক শিক্ষার্থীর পায়ের আঙুলে, অন্যজনের ঘাড়ে সামান্য আঘাত ছিল। ট্রিটমেন্ট দেওয়ার পর ঠিক হয়ে গেছে। বড় ধরনের সমস্যা নেই।”

এবিষয়ে রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহিনুজ্জামান বলেন, “ঘটনার পর রাত আড়াই পর্যন্ত উভয় পক্ষের প্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট বিভাগের শিক্ষকদের উপস্থিতিতে মীমাংসা করা হয়েছে। অভিযুক্তরা ক্ষমা চাওয়ায় এবং ভুক্তভোগীরা ক্ষমা করে দেওয়ায় বিষয়টি সমাধান হয়েছে। উভয় পক্ষ মুচলেকা দিয়েছে।”

Continue Reading

top1

পশ্চিমবঙ্গে গরুসহ সব ধরনের পশু জবাই নিষিদ্ধ

Published

on

By

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে নবনির্বাচিত বিজেপি সরকার পশু জবাইয়ের ওপর কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে। এই নির্দেশনার আওতায় রাজ্যজুড়ে প্রকাশ্যে গরুসহ সব ধরনের পশু জবাই সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

বুধবার (১৩ মে) রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, এখন থেকে নির্ধারিত সরকারি কর্তৃপক্ষের অনুমতি এবং পশু চিকিৎসকের দেওয়া ফিটনেস সনদ ছাড়া গরু, ষাঁড় বা মহিষের মতো কোনো পশু জবাই করা যাবে না। এই নিয়ম অমান্য করলে সর্বোচ্চ ছয় মাসের কারাদণ্ড বা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে, যা রাজ্যে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

নতুন এই সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, অনুমোদিত স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এবং সরকারি পশু চিকিৎসকের যৌথ স্বাক্ষর করা সনদ ছাড়া কোনো পশু জবাই করা যাবে না। এই বিধিনিষেধ গরু, ষাঁড়, বলদ, বাছুর এবং স্ত্রী ও পুরুষ মহিষসহ সব ধরনের গবাদি পশুর ক্ষেত্রে কার্যকর হবে।

জবাইয়ের উপযোগী হিসেবে সনদ পেতে হলে সংশ্লিষ্ট পশুর বয়স অবশ্যই ১৪ বছরের বেশি হতে হবে এবং সেটি প্রজনন বা কাজের অনুপযোগী হতে হবে। এ ছাড়া গুরুতর আঘাত, বিকলাঙ্গতা বা অনিরাময়যোগ্য রোগের কারণে কোনো পশু স্থায়ীভাবে অক্ষম হয়ে পড়লে তবেই সেটিকে জবাইয়ের জন্য বিবেচনা করা হতে পারে।

পশু জবাইয়ের জন্য স্থান নির্ধারণের বিষয়েও কড়াকড়ি আরোপ করেছে রাজ্য সরকার বিজেপি। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, অনুমতিপ্রাপ্ত পশু শুধুমাত্র পৌরসভার কসাইখানা বা স্থানীয় প্রশাসনের নির্ধারিত নির্দিষ্ট স্থানেই জবাই করতে হবে। রাস্তাঘাট বা জনসমাগমপূর্ণ কোনো খোলা জায়গায় পশু জবাই করা এখন থেকে আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।

নিয়মটি যথাযথভাবে পালিত হচ্ছে কি না, তা তদারকি করার জন্য পৌর চেয়ারম্যান, পঞ্চায়েত সভাপতি বা অনুমোদিত সরকারি কর্মকর্তারা যেকোনো স্থাপনা বা চত্বর পরিদর্শন করতে পারবেন। এই পরিদর্শন কাজে বাধা দেওয়াকেও আইনের লঙ্ঘন হিসেবে দেখা হবে।

শাস্তির বিধানে বলা হয়েছে, এই নতুন আইনের যেকোনো ধারা ভঙ্গ করলে অপরাধীকে এক হাজার রুপি পর্যন্ত জরিমানা, ছয় মাসের জেল অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হতে পারে। এ ছাড়া এই সংক্রান্ত সব ধরনের অপরাধকে ‘আমলযোগ্য’ হিসেবে গণ্য করা হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি অনুষ্ঠিত বিধানসভা নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেসকে পরাজিত করে বিজেপি ক্ষমতায় আসার পরই এই আমূল পরিবর্তন আনা হলো। বিশেষ করে ভবানীপুর আসনে শুভেন্দু অধিকারীর জয় এবং নতুন সরকারের এই ত্বরিত সিদ্ধান্তগুলো পশ্চিমবঙ্গের সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলবে বলে মনে করা হচ্ছে।

সূত্র: এনডিটিভি

Continue Reading

Trending