Connect with us

অর্থনীতি ও ব্যবসা-বাণিজ্য

স্বর্ণের দাম ভরিতে কমল ২৫ হাজার টাকা

Published

on

এক সপ্তাহের মধ্যে বাংলাদেশে স্বর্ণের দাম ভরিতে কমেছে প্রায় ২৫ হাজার টাকা। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) প্রদত্ত স্বর্ণের দাম সম্পর্কিত সর্বশেষ বিজ্ঞপ্তি বিশ্লেষণ করে এ তথ্য জানা গেছে।

বাজুস-এর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, দেশের বাজারে ২২ ক্যারেট মানের স্বর্ণের দাম প্রতি ভরি ২ লাখ ৬২ হাজার ২৬৫ টাকা ধার্য করা হয়েছে। এছাড়া ২১ ক্যারেট মানের প্রতি ভরির দাম ২ লাখ ৫০ হাজার ৩৬৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। অন্যদিকে ১৮ ক্যারেট স্বর্ণ পাওয়া যাচ্ছে ভরি প্রতি ২ লাখ ১৪ হাজার ৬১৮ টাকায়।

গত ১১ মার্চ তারিখে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেট মানের স্বর্ণের দাম ছিল প্রতি ভরি ২ লাখ ৮৭ হাজার ২৬২ টাকা। অর্থাৎ, সপ্তাহের ব্যবধানে দাম ভরিতে কমেছে ২৫ হাজার টাকা। এই এক সপ্তাহে অন্যান্য ক্যারেটের দামও উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পেয়েছে।

এদিকে আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন দেখা গেছে। শক্তিশালী ডলার ও মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কঠোর অবস্থানের কারণে বৃহস্পতিবার স্বর্ণের দাম এক মাসেরও বেশি সময়ের মধ্যে সর্বনিম্নে নেমেছে। এর আগে বুধবারও কয়েক দফায় স্বর্ণের দাম কমেছে। ঈদের আগে বাজারের এ পরিস্থিতিতে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, দাম আরও কমতে পারে। খবর রয়টার্সের।

স্পট মার্কেটে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ১.১ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৪,৭৬৪.২৭ ডলারে, যা ৬ ফেব্রুয়ারির পর সর্বনিম্ন। একই সময়ে এপ্রিল ডেলিভারির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের স্বর্ণ ফিউচার্সের দাম ২.৬ শতাংশ কমে ৪,৭৭০ ডলারে নেমেছে।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

অতিরিক্ত জ্বালানি চেয়ে ভারতকে চিঠি দিল বাংলাদেশ

Published

on

By

মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতার জেরে সৃষ্ট সম্ভাব্য জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় ভারতের কাছে অতিরিক্ত ডিজেল সরবরাহ চেয়ে চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ।

বুধবার সচিবালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মার সঙ্গে বৈঠকের পর বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

মন্ত্রী বলেন, “আপদকালীন পরিস্থিতি সামাল দিতে আমরা ভারতকে আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি দিয়েছি। বর্তমানে মৈত্রী পাইপলাইনের মাধ্যমে মাসে ১৫ হাজার টন ডিজেল আসছে, আমরা এর বাইরে অতিরিক্ত সরবরাহ চেয়েছি।”

ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা বলেন, “বাংলাদেশ সরকারের চিঠিটি আমরা গ্রহণ করেছি এবং দ্রুত বিবেচনার জন্য ভারত সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে।”

তিনি আরও বলেন, দুই দেশের মধ্যে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে অত্যন্ত শক্তিশালী সংযোগ রয়েছে। আন্তঃসীমান্ত বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন এবং পাইপলাইন এই সহযোগিতার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক। এই সম্পর্ক কীভাবে আরও জোরদার করা যায়, তা নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে।

বর্তমানে ভারত থেকে বাংলাদেশে জ্বালানি সরবরাহের প্রধান মাধ্যম হলো ১৩১ কিলোমিটার দীর্ঘ ‘মৈত্রী পাইপলাইন’। ভারতের শিলিগুড়ি মার্কেটিং টার্মিনাল থেকে দিনাজপুরের পার্বতীপুর ডিপো পর্যন্ত বিস্তৃত এই পাইপলাইনের মাধ্যমে সরাসরি ডিজেল পরিবহন করা হয়।

বিদ্যমান চুক্তি অনুযায়ী এই পাইপলাইনের মাধ্যমে প্রতি মাসে প্রায় ১৫ হাজার টন ডিজেল সরবরাহ করা হচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যের উদ্ভূত পরিস্থিতিতে এই সরবরাহ আরও বাড়ানোর অনুরোধ জানিয়েছে সরকার।

Continue Reading

top1

যুদ্ধ পরিস্থিতিতেও আরও বাড়ল দেশের রিজার্ভ

Published

on

By

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৪ হাজার ২৯২ দশমিক ২৭ মিলিয়ন ডলার বা ৩৪ দশমিক ২৯ বিলিয়ন ডলার।

বুধবার (১১ মার্চ) এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, ১১ মার্চ পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভ ৩৪ দশমিক ২৯ বিলিয়ন ডলার। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব পদ্ধতি বিপিএম-৬ অনুযায়ী রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৯ হাজার ৫৬৯ দশমিক ৮৩ মিলিয়ন বা ২৯ দশমিক ৫৬ বিলিয়ন ডলার।

এর আগে, আকুর বিল পরিশোধের পর ৮ মার্চ পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভ ছিল ৩৪ দশমিক ১০ বিলিয়ন ডলার। একই সময়ে বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে নিট রিজার্ভ ছিল ২৯ দশমিক ৩৮ বিলিয়ন ডলার।

উল্লেখ্য, নিট রিজার্ভ গণনা করা হয় আইএমএফের বিপিএম-৬ পদ্ধতি অনুসারে। মোট রিজার্ভ থেকে স্বল্পমেয়াদি দায় বিয়োগ করলে নিট বা প্রকৃত রিজার্ভের পরিমাণ পাওয়া যায়।

Continue Reading

top2

বিশ্ববাজারে কমতে শুরু করেছে তেলের দাম 

Published

on

By

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ শিগগিরই শেষ হতে পারে— মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এমন মন্তব্যের পর বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমতে শুরু করেছে।

মঙ্গলবার লেনদেনে ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি প্রায় ৪ ডলার কমে ৯৫ ডলারে নেমে আসে। একইভাবে যুক্তরাষ্ট্রের ডব্লিউটিআই তেলের দামও প্রায় ৯১ ডলারে নেমেছে।

এর আগে সোমবার যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে তেলের দাম হঠাৎ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি প্রায় ১১৯ ডলারে পৌঁছেছিল, যা তিন বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত বাড়লে বৈশ্বিক তেল সরবরাহ ব্যাহত হতে পারে— এই আশঙ্কায় দাম বেড়ে গিয়েছিল।

তবে পরে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও ট্রাম্পের মধ্যে ফোনালাপ হয়। ওই আলোচনায় দ্রুত যুদ্ধ বন্ধের প্রস্তাব নিয়ে কথা হওয়ায় বাজারে কিছুটা স্বস্তি ফিরে আসে এবং তেলের দাম কমতে শুরু করে।

এদিকে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা চলতে থাকলে মধ্যপ্রাচ্য থেকে এক ফোঁটা তেলও রপ্তানি করতে দেওয়া হবে না।

বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধ দ্রুত শেষ হতে পারে— এমন ইঙ্গিত পাওয়ায় বাজারে আতঙ্ক কিছুটা কমেছে এবং তেলের দামও কমে এসেছে। 

সূত্র : রয়টার্স

Continue Reading

Trending