Connect with us

top1

‘নিজ দলের লোকেরাই আপনাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চায় না’

Published

on

অলটাইম ডিজিটাল রিপোর্ট

রাজধানীর বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ ফটকে আয়োজিত ১১ দলীয় ঐক্যের গণসমাবেশে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে উদ্দেশ করে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বলেছেন, তার নিজের দলের ভেতরেই এমন নেতারা রয়েছেন, যারা তাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান না। তিনি দাবি করেন, দলের অভ্যন্তরে থাকা ‘দালালরাই’ তার জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি হয়ে উঠতে পারে।

বুধবার (৫ আগস্ট) ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী’ উপলক্ষে আয়োজিত সমাবেশে বক্তব্য দিতে গিয়ে অলি আহমদ বলেন, গত কয়েক মাস ধরে তিনি প্রধানমন্ত্রীকে বিভেদ সৃষ্টিকারী কর্মকাণ্ড এড়িয়ে চলার আহ্বান জানিয়ে আসছেন, যাতে সরকারের পতনের পরিস্থিতি তৈরি না হয়। তিনি মঙ্গলবার দেশের তিনটি স্থানে ঘটে যাওয়া হামলার ঘটনাকে উল্লেখ করে বলেন, এসবই প্রমাণ করে দলের ভেতরের একটি অংশ তারেক রহমানের রাজনৈতিক ক্ষতি চায়। এ সময় তিনি বিএনপিকে নিজেদের দলে থাকা ষড়যন্ত্রকারীদের চিহ্নিত করার পরামর্শ দেন এবং এলডিপির পক্ষ থেকে সরকারের জন্য কোনো হুমকি নেই বলেও মন্তব্য করেন।

বক্তব্যে অতীত রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটও তুলে ধরেন এলডিপি চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, ১৯৯১ সালে জামায়াতে ইসলামীর সমর্থনে বিএনপি সরকার গঠন করেছিল এবং ২০০১ সালের মন্ত্রিসভাতেও জামায়াতের প্রতিনিধিরা ছিলেন। সেই প্রেক্ষাপটে তিনি প্রশ্ন তোলেন, তখনকার সরকার বা বিএনপিকে ‘রাজাকার’ বলা হবে কি না। একই সঙ্গে ১৯৯৬ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে আওয়ামী লীগ ও জামায়াতের যৌথ আন্দোলনের কথাও স্মরণ করিয়ে দেন। তবে তিনি স্পষ্ট করেন, তিনি কখনো জামায়াতে যোগ দেননি; বরং দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং ইসলামি মূল্যবোধে বিশ্বাসী শক্তিগুলো এখন ঐক্যবদ্ধ হয়েছে।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান প্রসঙ্গে অলি আহমদ বলেন, আন্দোলনের সময় পুরো জাতি ঐক্যবদ্ধ থাকলেও পরে বিএনপি এ আন্দোলনের সঙ্গে নিজেদের সম্পৃক্ততা অস্বীকার করেছে। তার মতে, জুলাইয়ের চেতনা ধরে রাখতে জাতীয় ঐক্যের বিকল্প নেই। তিনি বিভাজনের রাজনীতি পরিহার করে সুশাসন, ন্যায়বিচার ও মানবিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং সমতার ভিত্তিতে রাষ্ট্র পরিচালনায় সরকারকে সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

দেশের বর্তমান আর্থসামাজিক পরিস্থিতি নিয়েও সমালোচনা করেন এলডিপি চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, গ্যাস ও বিদ্যুতের সংকটের পাশাপাশি রাজধানীর সড়ক হকারদের দখলে চলে গেছে। সরকার যদি নিজ দলের হকারদেরই নিয়ন্ত্রণ করতে না পারে, তাহলে দেশের ১৮ কোটি মানুষের সমস্যা কীভাবে সামাল দেবে—সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি। জনগণের আস্থা অর্জনের জন্য সবার আগে ঢাকা শহরকে পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য করার আহ্বান জানান তিনি।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

ভোলায় স্কুলছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ৩

Published

on

By

অলটাইম ডিজিটাল রিপোর্ট

ভোলার বোরহানউদ্দিনে পঞ্চম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের পর ঘটনার ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে তিন কিশোরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় আরও দুজনকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) দিবাগত রাতে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বড় ভাই বাদী হয়ে বোরহানউদ্দিন থানায় পাঁচজনের বিরুদ্ধে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন। এর আগে গত ২৬ জুলাই উপজেলার কাচিয়া ইউনিয়নের পদ্মা মনসা গ্রামের দালাল বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ।

ভুক্তভোগী ও তার স্বজনদের অভিযোগ, স্কুলের টিফিন বিরতির সময় বাড়ি ফেরার পথে জিহাদ নামে এক কিশোর কৌশলে ওই শিক্ষার্থীকে স্থানীয় একটি কলাবাগানে নিয়ে যায়। সেখানে আগে থেকেই আরও কয়েকজন অবস্থান করছিল।

অভিযোগ অনুযায়ী, শিশুটি চিৎকার করলে তার মুখ চেপে ধরা হয়। এরপর তাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করা হয়। একই সময়ে অভিযুক্তদের একজন মোবাইল ফোনে ঘটনার ভিডিও ধারণ করে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

পরিবারের অভিযোগ, ঘটনার কথা কাউকে জানালে ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়। এ কারণে শিশুটি দীর্ঘদিন বিষয়টি গোপন রাখে। পরে অভিযুক্তরা ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দিলে বিষয়টি পরিবারের নজরে আসে। জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে ভুক্তভোগী পুরো ঘটনা জানায়।

এরপর মঙ্গলবার রাতে ভুক্তভোগীর বড় ভাই বাদী হয়ে বোরহানউদ্দিন থানায় মামলা দায়ের করেন। অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন পরিবারের সদস্যরা।

ভোলা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. ইরফান মাহমুদ জানান, বুধবার দুপুরে ভুক্তভোগীর প্রয়োজনীয় মেডিকেল পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে।

বোরহানউদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, মামলা দায়েরের পরপরই অভিযান চালিয়ে ঘটনায় জড়িত ১৬ থেকে ১৭ বছর বয়সী তিন কিশোরকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। বাকি অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার এবং মামলার তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

Continue Reading

top1

‘আবু সাঈদের ছবি ছাড়া কোনো প্রামাণ্যচিত্র পূর্ণ হতে পারে না’

Published

on

By

অলটাইম ডিজিটাল রিপোর্ট

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান নিয়ে নির্মিত যে প্রামাণ্যচিত্রে শহীদ আবু সাঈদের ছবি নেই, সেটিকে পূর্ণাঙ্গ ডকুমেন্টারি বলা যায় না বলে মন্তব্য করেছেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, আবু সাঈদ এই গণ-অভ্যুত্থানের প্রতীক। তাই তাকে বাদ দিয়ে নির্মিত কোনো প্রামাণ্যচিত্র গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।

বুধবার (৫ আগস্ট) রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে জুলাই শহীদ দিবস উপলক্ষে আয়োজিত রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি বলেন, প্রদর্শিত প্রামাণ্যচিত্রে বেশ কিছু ত্রুটি রয়েছে। তার ভাষায়, প্রথমেই তিনি লক্ষ্য করেছেন সেখানে শহীদ আবু সাঈদের ছবি নেই। তিনি আরও বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার ছবিও সেখানে থাকা উচিত ছিল। এ বিষয়ে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইতোমধ্যে দুঃখ প্রকাশ করেছেন। এরপর বিষয়টি নিয়ে সংসদের মতো ওয়াকআউট না করে শান্ত থাকার প্রয়োজন ছিল বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘এই সরকার জনগণের নির্বাচিত সরকার। আমাদের ভুল হলে আপনারা ধরিয়ে দেবেন, আমরা তা সংশোধন করব। আমরা আওয়ামী লীগের মতো হতে চাই না।’

এর আগে অনুষ্ঠানে প্রদর্শিত জুলাই গণ-অভ্যুত্থানবিষয়ক প্রামাণ্যচিত্র নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন শহীদ পরিবারের সদস্য ও জুলাই যোদ্ধারা। তাদের অভিযোগ, প্রামাণ্যচিত্রে আন্দোলনের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা, শহীদদের আত্মত্যাগ এবং গণ-অভ্যুত্থানের ইতিহাস যথাযথভাবে উপস্থাপন করা হয়নি।

প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন শেষে মিলনায়তনের বিভিন্ন স্থান থেকে প্রতিবাদ শুরু হয়। শহীদ পরিবারের সদস্য ও জুলাই যোদ্ধারা দাঁড়িয়ে উচ্চস্বরে আপত্তি জানান। একপর্যায়ে পুরো মিলনায়তনে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

Continue Reading

top1

তোলারাম কলেজে বক্তব্যকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষ, আহত অন্তত ২০

Published

on

By

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি

নারায়ণগঞ্জের সরকারি তোলারাম কলেজে ‘জুলাই বিপ্লব দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তব্যকে কেন্দ্র করে ইসলামী ছাত্রশিবির ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলোর দাবি। প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে চলা উত্তেজনার পর পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

বুধবার (৫ আগস্ট) দুপুরে সরকারি তোলারাম কলেজে এ সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। পরে তা কলেজের বাইরে চাষাঢ়া ও আশপাশের এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়।

স্থানীয় সূত্র জানায়, ‘জুলাই বিপ্লব দিবস’ উপলক্ষে কলেজে আয়োজিত আলোচনা সভায় ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতারা বক্তব্য দেন। বক্তব্যকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। পরে তা ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষে রূপ নেয়। তবে ঘটনার জন্য উভয় সংগঠনই একে অপরকে দায়ী করেছে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, সংঘর্ষের সময় দুই পক্ষের নেতাকর্মীদের হাতে লাঠিসোঁটা, লোহার পাইপ ও বাঁশ দেখা যায়। কয়েকজন স্থানীয় দোকানদার দাবি করেন, ছাত্রশিবিরের কয়েকজন নেতাকর্মীর হাতে আগ্নেয়াস্ত্রও দেখা গেছে। এ ঘটনার একাধিক ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

আহতদের মধ্যে ছাত্রশিবিরের তোলারাম কলেজ শাখার সভাপতি ইমদাদুল হক শুভ, সেক্রেটারি তামিম, অর্থ সম্পাদক জুহাস, মহানগর শাখার সভাপতি অমিত হাসান ও অর্থ সম্পাদক আরিফুল ইসলামের নাম জানা গেছে। অন্যদিকে ছাত্রদলের কর্মী ফয়সাল, রবিন ও তুহিন আহমেদ আহত হয়েছেন। আহতদের অধিকাংশ স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নিয়েছেন।

সরকারি তোলারাম কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. শহীদুল ইসলাম বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে কলেজে অনুষ্ঠান চলছিল। অনুষ্ঠান শেষে গেটের বাইরে একজন আহত হওয়ার খবর পান। পরে জানতে পারেন, ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। বিষয়টি প্রশাসনকে জানালে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

ইসলামী ছাত্রশিবির নারায়ণগঞ্জ মহানগর শাখার সভাপতি অমিত হাসান অভিযোগ করেন, কলেজের ভেতরে তাদের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালিয়েছে ছাত্রদল। এতে তিনি নিজেও মাথায় আঘাত পেয়েছেন।

অন্যদিকে তোলারাম কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি মনির হোসেন জিয়া দাবি করেন, ছাত্রশিবিরের হামলায় ছাত্রদলের তুহিন আহমেদ, রবিন ও ফয়সালসহ কয়েকজন আহত হয়ে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। তার ভাষ্য, সভায় উস্কানিমূলক বক্তব্যের প্রতিবাদ করায় ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা হামলা চালান।

নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হাসিনুজ্জামান বলেন, আলোচনা সভায় বক্তব্যকে কেন্দ্র করেই দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ হয়। এতে কয়েকজন আহত হয়েছেন, তবে তাদের আঘাত গুরুতর নয়।

তিনি জানান, খবর পেয়ে ফতুল্লা থানা ও ডিবি পুলিশের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং উভয় পক্ষকে সরিয়ে দেন। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করা হয়নি। সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ ও তদন্ত শেষে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটানোর সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Continue Reading

Trending