Connect with us

Movie Description #282

1. Marguerite Gautier lived a short but vibrant life. After her death, all the items were put up for auction and everyone could buy the item they liked. The narrator also decided to visit the estate and look at the goods. Of all the rich possessions, the only one he liked was a book with Armand Duval’s inscription. The next day, the author of the inscription himself came for the book and told the tragic story of his love. He met the famous courtesan in the years of her decline. She was already suffering from consumption and was not the freshest beauty. He was able to attract her attention during a performance at the theater. Without delay, he immediately confessed his love for her and asked her to become his lover.

Tired and exhausted by her illness, Marguerite agreed, and they left for Armand’s country house. There she really fell in love with a young boyfriend. But the young man soon finds out that the woman is secretly selling her property for the sake of their life together. Soon Armand’s father shows up at their house and asks the woman to leave his son alone. He wants to sacrifice his inheritance for the sake of a courtesan and their life together. A woman understands the fears of an elderly father and breaks off all relations with her lover. She returns to Paris, where she once again becomes the mistress of rich gentlemen. But Armand took her departure as a betrayal and is ready to take revenge.

2. Vitaly Mansky is really rich. His wealth lies not in bundles of dollar bills, but in a huge family scattered across different parts of Ukraine. He never thought that he would have to see a split in his own country. But the worst thing happened later – his family found themselves on opposite sides of the barricades. Intolerance and outright hatred corrode the hearts of the once closest people. He travels around his homeland and visits his relatives who live in almost every region.

Different, but related by blood, people perceived the events of the past years in different ways. Some are ready to follow Russia and believe that the new government has destroyed the last ties between fraternal peoples. These people saw everything with their own eyes, as they live directly in the war zone. Others believe that the current political system will lead the country to freedom and rid them of their servile position forever. Still others do not understand what is happening at all and do not adhere to anyone’s side. They don’t know who Bandera’s men are and they haven’t heard the howl of the shells. They are lucky to stay in a relatively quiet place and they only learn about the changes in the country from the TV. Vitaly is trying to understand through the attitude of his relatives how this could happen to his country and how this confrontation will end. 1xBet met l’accent sur la satisfaction de ses membres dès leur arrivée. Utilisez le code promo 1xbet ci pendant votre inscription pour obtenir un bonus de 100 % jusqu’à 130 € sur les sports ou un bonus casino de 1950 € + 150 tours gratuits. Cette promotion vous permet d’apprécier pleinement les fonctionnalités avancées du site. Paris en direct, machines à sous variées et support multilingue sont à votre disposition.

শাবিপ্রবিতে র‍্যাগিংয়ের নামে নবীন শিক্ষার্থীকে আপত্তিকর অভিনয়ে বাধ্য করার অভিযোগ

ডিজিটাল ডেস্ক

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) ছয় সিনিয়র শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে নবীন শিক্ষার্থীদের আটকে রেখে র‌্যাগিংয়ের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের মধ্যে রয়েছে নবীন শিক্ষার্থীদের দিয়ে অশালীন অভিনয় ও যৌন ইঙ্গিতপূর্ণ আচরণে বাধ্য করার মতো ঘটনা।

সোমবার (১০ আগস্ট) রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সৈয়দ মুজতবা আলী হলসংলগ্ন বড়গুল রিপন ছাত্রাবাসে এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।

অভিযোগ অনুযায়ী, প্রথম বর্ষের চার শিক্ষার্থীকে প্রায় চার ঘণ্টা আটকে রেখে বিভিন্ন ধরনের র‌্যাগিং দেওয়া হয়। একপর্যায়ে তাদের নাচ, কান্নার অভিনয় এবং বিভিন্ন অশালীন কবিতা আবৃত্তিতে বাধ্য করা হয়। এমনকি একজন শিক্ষার্থীকে চেয়ারকে মেয়ে কল্পনা করে আপত্তিকর অভিনয় করতেও বাধ্য করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী এক শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অফিসে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযোগের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডি যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে।

অভিযুক্ত ছয় শিক্ষার্থী হলেন—২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের বাংলা বিভাগের গোলজার, ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের অর্থনীতি বিভাগের সোলাইমান, ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিল্প ও উৎপাদন প্রকৌশল বিভাগের সাব্বির, একই শিক্ষাবর্ষের পলিটিক্যাল স্টাডিজ বিভাগের মারুফ ও আবু রায়হান এবং ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের পেট্রোলিয়াম অ্যান্ড মাইনিং ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের তীব্র।

অন্যদিকে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের প্রথম বর্ষের। তারা সমুদ্রবিজ্ঞান, শিল্প ও উৎপাদন প্রকৌশল এবং বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, একজন সিনিয়র শিক্ষার্থীর জন্মদিন উপলক্ষে তাদের সঙ্গে বসার কথা বলে ডেকে নেওয়া হয়। পরে বিভিন্ন ধরনের অভিনয় ও অশালীন আচরণে বাধ্য করা হয়। একজন শিক্ষার্থী জানান, তাকে চেয়ারকে মেয়ে কল্পনা করে যৌন ইঙ্গিতপূর্ণ কবিতার তালে অভিনয় করতে বাধ্য করা হয়।

অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের কয়েকজন ভিন্ন ভিন্ন বক্তব্য দিয়েছেন। আবু রায়হান দাবি করেন, তিনি সেখানে উপস্থিত থাকলেও অভিযোগে উল্লেখ করা কিছু কাজ অন্যরা করেছেন। আরেক অভিযুক্ত মারুফ বলেন, ‘আমাদের নিজেদের ঘটনা নিজেরা সমাধান করে নিয়েছি।’

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মোখলেসুর রহমানের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। সহকারী প্রক্টর অধ্যাপক বেলাল হোসেন শিকদার জানান, অভিযোগটি তাদের কাছে এসেছে এবং বিষয়টি নিয়ে বসে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Click to comment

ব্যাটারিচালিত রিকশা চলাচলে আসছে সমন্বিত নীতিমালা

ডিজিটাল ডেস্ক

সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদ এলাকায় চলাচলকারী তিন চাকার স্বল্পগতির ব্যাটারিচালিত রিকশা (ই-রিকশা) ব্যবস্থাপনায় সমন্বিত নীতিমালা প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগ।

একই সঙ্গে এসব যানবাহনের লাইসেন্সিং ও নিবন্ধনের জন্য সমন্বিত কর্তৃপক্ষ নির্ধারণ এবং বিদ্যমান বিধিমালা সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (১২ আগস্ট) সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের সভাকক্ষে ই-রিকশা ব্যবস্থাপনা নিয়ে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এসব উদ্যোগের কথা জানানো হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

সভায় নগর ব্যবস্থাপনা, যান চলাচলে শৃঙ্খলা, সড়ক নিরাপত্তা এবং বিদ্যমান বাস্তবতার আলোকে ব্যাটারিচালিত ই-রিকশা ব্যবস্থাপনায় কার্যকর পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় সংশ্লিষ্ট অংশীজনরা বিভিন্ন মতামত ও সুপারিশ তুলে ধরেন।

প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) আইন, ২০০৯ এবং স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) (সংশোধন) আইন, ২০২৬-এর আলোকে ই-রিকশা ব্যবস্থাপনার জন্য একটি নীতিমালা প্রণয়ন করা হচ্ছে। সুষ্ঠু ও কার্যকরভাবে এটি বাস্তবায়ন করা গেলে নগরীর যানজট নিয়ন্ত্রণ, যান চলাচলে শৃঙ্খলা এবং সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তিনি বলেন, স্থানীয় সরকারের মাধ্যমে নিয়মতান্ত্রিক লাইসেন্সিং ও নিবন্ধন কার্যক্রম চালু হলে একদিকে ই-রিকশা ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা আসবে, অন্যদিকে সরকারের কোষাগারে রাজস্ব জমা হবে।

এ লক্ষ্যে বিদ্যমান বিধিমালা সময়োপযোগী করে সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদের জন্য একটি সমন্বিত লাইসেন্সিং কর্তৃপক্ষ নির্ধারণের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি। এজন্য প্রচলিত বিধিমালা সংশোধনের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

স্থানীয় সরকার বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, সিটি করপোরেশন এলাকায় ব্যাটারিচালিত রিকশার নিবন্ধন ও চালকের লাইসেন্স প্রদানের সুযোগ সৃষ্টি করতে ‘স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) (সংশোধন) আইন, ২০২৬’-এ সংশ্লিষ্ট কয়েকটি ধারা ও তফসিল ইতোমধ্যে সংশোধন করা হয়েছে।

এর আগে সিটি করপোরেশন এলাকায় ই-রিকশা চলাচল নিয়ন্ত্রণে স্থানীয় সরকার বিভাগ ২০২৫ সালের ১৪ ডিসেম্বর ‘সিটি করপোরেশন এলাকায় তিন চাকার স্বল্পগতির ব্যাটারিচালিত রিকশা (ই-রিকশা) চলাচল বিধিমালা, ২০২৫’ জারি করে। পরে ১৭ ডিসেম্বর এটি গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়।

সভায় বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. হাদিউজ্জামান ই-রিকশা ব্যবস্থাপনা ও সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে বিশেষজ্ঞ মতামত দেন।

এ সময় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুস সালাম, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান, স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসানসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Click to comment

তীব্র গ্যাস সংকটে অচল ফিলিং স্টেশন, বাসাবাড়িতেও ভোগান্তি

ডিজিটাল ডেস্ক রিপোর্ট

রাজধানীতে গ্যাস সংকটের তীব্রতা আরও বেড়েছে। উৎস থেকে গ্যাস সরবরাহ কমে যাওয়ায় নগরীতে গ্যাসের চাপ সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে। এতে সিএনজি ফিলিং স্টেশনগুলোতে দীর্ঘ অপেক্ষার পাশাপাশি বাসাবাড়িতেও চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন গ্রাহকরা।

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) রাজধানীর বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে তীব্র গ্যাস সংকট দেখা গেছে। সিএনজিচালিত যানবাহনের মালিক ও চালকদের অনেকেই ভোর থেকে স্টেশনে অপেক্ষা করছেন। কোথাও কোথাও দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পরও মাত্র ২০ থেকে ৫০ টাকার গ্যাস মিলছে।

গ্যাস সংকটের কারণে রাজধানীর বেশিরভাগ ফিলিং স্টেশনে ‘গ্যাস নেই’ সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। ফলে সিএনজিচালিত যানবাহন নিয়ে বিপাকে পড়েছেন চালক ও যাত্রীরা। অনেক স্টেশনে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকায় যানবাহনের দীর্ঘ সারিও তৈরি হচ্ছে।

এদিকে, গ্যাস সংকটের প্রভাব পড়েছে আবাসিক গ্রাহকদের ওপরও। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় দিনের বেশিরভাগ সময় বাসাবাড়িতে গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন বাসিন্দারা। কোথাও চুলা জ্বললেও গ্যাসের চাপ এতটাই কম যে রান্না করা সম্ভব হচ্ছে না। আবার কোনো কোনো এলাকায় একেবারেই গ্যাস মিলছে না।

হঠাৎ করে গ্যাসের চাপ কমে যাওয়ায় রান্নাবান্না থেকে শুরু করে পরিবহন খাত সব ক্ষেত্রেই ভোগান্তি বাড়ছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে রাজধানীতে গ্যাস সংকট আরও তীব্র হওয়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

Click to comment

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে রিট

ডিজিটাল রিপোর্ট

সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে রিট করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইউনুছ আলী আকন্দ রিটটি দায়ের করেন।

রিটে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে। এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কোনো রাজনৈতিক দলের মনোনয়নে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি দল থেকে পদত্যাগ করলে বা সংসদে দলের বিপক্ষে ভোট দিলে তার আসন শূন্য হবে।

রিটকারী আইনজীবীর দাবি, এই বিধানের কারণে সংসদ সদস্যরা স্বাধীনভাবে ভোট দেওয়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হন। এতে তাদের গণতান্ত্রিক অধিকারও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এ কারণে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বর্তমান প্রক্রিয়া স্থগিত চেয়ে আদালতের হস্তক্ষেপ চাওয়া হয়েছে।

এদিকে দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন আজ বৃহস্পতিবার। নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সুযোগ রয়েছে।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচন কমিশন সচিবালয় ইতোমধ্যে তফসিলসংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। এতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীনকে ‘নির্বাচনী কর্তা’ হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

তফসিল অনুযায়ী, আগামী ১৬ আগস্ট মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করা হবে। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ১৮ আগস্ট। আর ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ২০ আগস্ট।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রক্রিয়ার মধ্যেই সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের বৈধতা নিয়ে রিট দায়ের হওয়ায় নির্বাচনকে ঘিরে আইনি ও রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

Click to comment

মির্জা ফখরুলের বক্তব্যের প্রতিবাদে রংপুরে জামায়াতের বিক্ষোভ-সমাবেশ

ডিজিটাল রিপোর্ট

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বক্তব্যের প্রতিবাদে রংপুর নগরে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে জামায়াতে ইসলামী।

বুধবার (১২ আগস্ট) দুপুরে রংপুর মহানগর জামায়াতের উদ্যোগে নগরের পাবলিক লাইব্রেরি মাঠ থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি বের হয়। মিছিলটি সিটি বাজার, পায়রা চত্বর, জাহাজ কোম্পানি মোড়, প্রেসক্লাব ও গ্র্যান্ড হোটেল মোড় প্রদক্ষিণ করে শাপলা চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন রংপুর মহানগর জামায়াতের আমির এ টি এম আজম খান। সঞ্চালনা করেন মহানগর জামায়াতের সেক্রেটারি কে এম আনোয়ারুল হক কাজল। এতে বক্তব্য দেন জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি এনামুল হকসহ দলটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।

এ টি এম আজম খান বলেন, মন্ত্রীর বক্তব্যে এমন ধারণা পাওয়া যায় যে রংপুরের মানুষ বিএনপির পরিবর্তে জাতীয় পার্টি বা জামায়াতে ইসলামীকে ভোট দেওয়ায় এ অঞ্চল কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন থেকে পিছিয়ে রয়েছে। এ ধরনের বক্তব্য রংপুরবাসীর রাজনৈতিক সচেতনতা, স্বাধীন মতপ্রকাশ ও সাংবিধানিক অধিকারকে খাটো করে।

তিনি বলেন, কোন রাজনৈতিক দলকে ভোট দেওয়া হবে, সেটি জনগণের সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক অধিকার। উন্নয়নের সঙ্গে রাজনৈতিক পছন্দের সম্পর্ক তৈরি করা গ্রহণযোগ্য নয়। সরকারের দায়িত্ব দল-মতনির্বিশেষে দেশের সব অঞ্চলের মানুষের ন্যায্য অধিকার ও সুষম উন্নয়ন নিশ্চিত করা।

রংপুরের দীর্ঘদিনের বৈষম্য দূর করতে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, শিল্পায়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন, যোগাযোগব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং তিস্তা মহাপরিকল্পনাসহ গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প বাস্তবায়নের দাবি জানান জামায়াতের এই নেতা।

সমাবেশ থেকে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বক্তব্য প্রত্যাহারের আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে রাজনৈতিক আনুগত্যের সঙ্গে উন্নয়নকে যুক্ত না করে রংপুরের মানুষের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়।

বিক্ষোভ মিছিলে মহানগর জামায়াতের আমির এ টি এম আজম খান, সেক্রেটারি কে এম আনোয়ারুল হক কাজল, জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা এনামুল হকসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত, গত রোববার রংপুর জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে এক অনুষ্ঠানে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রংপুরের মানুষের রাজনৈতিক পছন্দ নিয়ে মন্তব্য করেন। তার ওই বক্তব্যের পর রংপুরের বিভিন্ন রাজনৈতিক মহলে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়।

এর প্রতিবাদে মঙ্গলবার রাতে রংপুরে জামায়াতের ১১ জন সংসদ সদস্য সংবাদ সম্মেলন করেন। সেখানে তারা বলেন, রংপুরের মানুষ কোন রাজনৈতিক দলকে ভোট দেবেন, সেটি তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার। উন্নয়নের সঙ্গে কোনো অঞ্চলের মানুষের রাজনৈতিক পছন্দকে শর্তযুক্ত করা যাবে না।

Click to comment

কুষ্টিয়ায় পদ্মা নদীতে ভাঙন, ক্ষতিগ্রস্ত শত শত পানচাষি

ভেড়ামারা (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় পদ্মা নদীতে ব্যাপক ভাঙন দেখা দিয়েছে। উপজেলার বাহাদুরপুর ইউনিয়নের মাধবপুর, আড়কান্দি ও রায়টা এলাকায় নদীতীরবর্তী প্রায় ৫ কিলোমিটারজুড়ে ভাঙন চলছে। এতে ফসলি জমি, পানবরজ, কলাবাগান ও স্থানীয়দের একমাত্র শ্মশানঘাট নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের কার্যকর উদ্যোগ না থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগীরা।

গত বছর থেকে এ পর্যন্ত নদীভাঙনে প্রায় ৯৫০ বিঘা ফসলি জমি ও হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের ব্যবহৃত একমাত্র শ্মশানঘাট বিলীন হয়েছে। একই সঙ্গে শত শত পানচাষির প্রায় ৫ হাজার পিলি পানবরজ এবং ১০০ বিঘা কলাবাগান নদীতে ভেঙে গেছে।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সরেজমিনে দেখা যায়, মাধবপুর, আড়কান্দি ও রায়টা এলাকায় গত চার-পাঁচ দিন ধরে পদ্মার তীরে ব্যাপক ভাঙন চলছে। নদীর পাড়ে সৃষ্টি হয়েছে খাড়া ভাঙন। এতে নতুন করে কৃষিজমি নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

ক্ষুদ্র কৃষক গিরি দাস বলেন, এলাকায় তাদের প্রাচীন শ্মশানঘাট ছিল। সেটি রক্ষায় পানি উন্নয়ন বোর্ড কোনো কার্যকর ভূমিকা নেয়নি। ফলে শ্মশানঘাটটি নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। বর্তমানে ওই স্থানে প্রায় ৫০ ফুট গভীর পানি রয়েছে।

পানচাষি ও ব্যবসায়ী নেতা আসলাম উদ্দিন বলেন, ভেড়ামারা উপজেলার সবচেয়ে বেশি পান চাষ হয় এ অঞ্চলে। দেশের পুরোনো ও ঐতিহ্যবাহী কুচিয়ামোড়া পান বাজারও মূলত এ এলাকার পানের ওপর নির্ভরশীল। নদীভাঙনে কয়েক শত পানচাষি প্রায় ৫০০ বিঘা জমিতে থাকা অন্তত ৫ হাজার পিলি পানবরজ হারিয়েছেন।

কৃষক আমিরুল বলেন, গত বছর তার ভাই ও ভাতিজারা মিলে ৭-৮ বিঘা জমিতে পান চাষ করেছিলেন। নদীভাঙনে তাদের ৮০০ পিলি বরজ বিলীন হয়েছে। একইভাবে রায়টার অনেক কৃষক ৫০ থেকে ১০০ পিলি পর্যন্ত পানবরজ হারিয়েছেন।

পানচাষি সুমন হোসেন বলেন, দুই বছর আগে এ অঞ্চলের হাজার বিঘা পানবরজ আগুনে পুড়ে যায়। এখন আবার নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন কৃষকরা। এলাকার মানুষের জীবিকা মূলত কৃষির ওপর নির্ভরশীল। গত বছর পানি উন্নয়ন বোর্ড ন্যূনতম ব্যবস্থা নিলে ক্ষয়ক্ষতি এতটা হতো না বলে দাবি করেন তিনি।

কুষ্টিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাশিদুর রহমান বলেন, ভাঙন দুই মাস আগে শুরু হয়েছে। তবে পানি বাড়ায় গত কয়েক দিনে ভাঙন তীব্র হয়েছে। ভাঙন রোধে প্রস্তাবনা দেওয়া হয়েছে। সেটি অনুমোদন হয়ে বাজেট না আসা পর্যন্ত কাজ করা সম্ভব নয়।

ভেড়ামারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আমিরুল আরাফাত বলেন, ভাঙন রোধে কাজ করার জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডকে জোর তাগিদ দেওয়া হয়েছে। তিনি নিজেও ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যাবেন।

Click to comment

নোয়াখালীতে গ্যাস সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ, বিপাকে ২৯ হাজার গ্রাহক

ডিজিটাল ডেস্ক

এলএনজি টার্মিনালের সমস্যার কারণে নোয়াখালীতে গ্যাস সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। এতে জেলার প্রায় ২৯ হাজার ৩৫০ আবাসিক ও বাণিজ্যিক গ্রাহক এবং সাতটি সিএনজি স্টেশন গ্যাস সংকটে পড়েছে। হঠাৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় রান্নাবান্নাসহ দৈনন্দিন কাজে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন গ্রাহকেরা।

বুধবার (১২ আগস্ট) দুপুর ১২টা থেকে বাখরাবাদ গ্যাসের আওতাধীন নোয়াখালীর আবাসিক, বাণিজ্যিক ও সিএনজি গ্রাহকদের সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। তবে কবে নাগাদ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে, তা নিশ্চিত করে বলতে পারেনি কর্তৃপক্ষ।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, নোয়াখালীতে প্রতিদিন গড়ে ১৬ থেকে ১৭ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের চাহিদা রয়েছে। গত সপ্তাহে গ্যাসের চাপ কমে যাওয়ায় জেলাজুড়ে সংকট দেখা দেয়। চলতি সপ্তাহের শুরুতে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলেও বুধবার দুপুর থেকে সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়।

এতে জেলার প্রায় ২৯ হাজার আবাসিক, ৩৫০ বাণিজ্যিক গ্রাহক এবং সাতটি সিএনজি ফিলিং স্টেশন সরাসরি সংকটে পড়েছে।

মাইজদীর লক্ষ্মীনারায়ণপুর এলাকার বাসিন্দা মনোয়ারা বেগম বলেন, গত সপ্তাহে গ্যাসের চাপ কম থাকলেও দিনের কোনো একসময় কিছুটা গ্যাস পাওয়া যেত। এতে কোনোমতে রান্না করা সম্ভব হতো। কিন্তু বুধবার দুপুর থেকে চুলা একেবারেই জ্বলছে না। ফলে রান্নাবান্নাসহ দৈনন্দিন কাজে ব্যাপক সমস্যা হচ্ছে।

গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় শহরের হোটেল-রেস্তোরাঁগুলোতেও ভোগান্তি দেখা দিয়েছে। কর্মচারীরা জানান, সকাল পর্যন্ত রান্নাবান্না স্বাভাবিক থাকলেও দুপুরের দিকে হঠাৎ গ্যাস চলে যায়। এতে খাবার প্রস্তুত ও পরিবেশন ব্যাহত হচ্ছে। অনেক হোটেল-রেস্তোরাঁ বাধ্য হয়ে বেশি দামে সিলিন্ডার গ্যাস কিনে রান্নার কাজ চালাচ্ছে।

বাখরাবাদ নোয়াখালীর ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ব্যবস্থাপক নূর করিম বলেন, দুপুর ১২টা থেকে ফেনী গ্রিডের প্রধান লাইন দিয়ে নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর ও ফেনীতে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। প্রাথমিকভাবে এলএনজি টার্মিনালে সমস্যার কারণে সরবরাহ বন্ধ রাখা হয়েছে বলে জানা গেছে।

তিনি আরও বলেন, গত সপ্তাহে সংকট থাকলেও নোয়াখালীর সোনাদলপুর ও বেগমগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্র থেকে উৎপাদিত প্রায় ১০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস দিয়ে কিছু এলাকায় সরবরাহ চালু রাখা হয়েছিল। তবে বুধবার দুপুর থেকে জেলাজুড়ে গ্যাস সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে।

কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ার নির্দিষ্ট সময় জানানো হয়নি। ফলে দ্রুত গ্যাস সরবরাহ চালুর দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী গ্রাহকেরা।

Click to comment

মহেশখালীতে কারিগরি ত্রুটি, এলএনজি সরবরাহ কমেছে ৬৩%, চট্টগ্রামে ৪০% ঘাটতি

বিশেষ প্রতিনিধি

মহেশখালীর এলএনজি টার্মিনালগুলোতে কারিগরি ত্রুটি ও বৈরী আবহাওয়ার কারণে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ উল্লেখযোগ্য হারে কমে গেছে। দুটি ভাসমান টার্মিনালের সম্মিলিত সক্ষমতার বিপরীতে বর্তমানে সরবরাহ হচ্ছে মাত্র ৩৭ শতাংশ। ফলে ঘাটতি দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬৩ শতাংশ।

এ সংকটের সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে চট্টগ্রামে। সেখানে দৈনিক চাহিদার তুলনায় গ্যাস সরবরাহ প্রায় ৪০ শতাংশ কমে গেছে। গ্যাসের চাপ কমে যাওয়ায় বিভিন্ন সিএনজি স্টেশনে দীর্ঘ লাইন দেখা দিয়েছে। একই সঙ্গে ব্যাহত হচ্ছে শিল্পকারখানার উৎপাদন এবং ভোগান্তিতে পড়েছেন আবাসিক গ্রাহকরাও।

পেট্রোবাংলার উৎপাদন ও বিপণন বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার (১২ আগস্ট) সকাল ১০টা পর্যন্ত মহেশখালীর দুটি এলএনজি টার্মিনাল থেকে জাতীয় গ্রিডে প্রায় ৪১০ মিলিয়ন ঘনফুট (এমএমসিএফডি) গ্যাস সরবরাহ করা হয়েছে। অথচ এক্সিলারেট এনার্জি ও সামিট এলএনজি টার্মিনালের সম্মিলিত রিগ্যাসিফিকেশন সক্ষমতা ১ হাজার ১০০ এমএমসিএফডি।

এক্সিলারেটের বয়লার বন্ধ, সামিটে আবহাওয়ার বাধা

পেট্রোবাংলার উপমহাব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মোহা. মাহমুদুল হাসান জানান, এক্সিলারেট এনার্জির দুটি বয়লারের মধ্যে একটি চালু রয়েছে। অন্যটি রক্ষণাবেক্ষণের জন্য বন্ধ রাখা হয়েছে। মেরামত শেষ হলে সেটিও চালু করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

অন্যদিকে বৈরী আবহাওয়ার কারণে সামিটের টার্মিনালেও সমস্যা দেখা দিয়েছে। একটি এলএনজি জাহাজ সেখানে অবস্থান করলেও বাতাসের গতিসহ প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে সেটি নিরাপদে বার্থিং করতে পারছে না। ফলে জাহাজ থেকে এলএনজি আনলোডিং শুরু করা সম্ভব হয়নি।

আবহাওয়া ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি অনুকূলে এলে কার্যক্রম শুরু করা হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

চট্টগ্রামে ১৪০ এমএমসিএফডি ঘাটতি

কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের (কেজিডিসিএল) তথ্য অনুযায়ী, চট্টগ্রামে প্রতিদিন গ্যাসের চাহিদা প্রায় ৩৫০ এমএমসিএফডি। এর বিপরীতে বুধবার সকালে সরবরাহ পাওয়া গেছে মাত্র ২১০ এমএমসিএফডি। অর্থাৎ ঘাটতি প্রায় ১৪০ এমএমসিএফডি বা ৪০ শতাংশ।

কেজিডিসিএলের ইঞ্জিনিয়ার সার্ভিস ডিপার্টমেন্টের মহাব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মো. তাজউদ্দিন ঢালী বলেন, সরবরাহ কমে যাওয়ায় পরিস্থিতি সামাল দিতে চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে। আবাসিক গ্রাহক ও সিএনজি স্টেশনগুলোতে সরবরাহ যাতে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন না হয়, সেটিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

সিএনজি স্টেশনে দীর্ঘ লাইন

গ্যাসের চাপ কমে যাওয়ায় চট্টগ্রাম নগরীর বিভিন্ন সিএনজি স্টেশনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে চালকদের। মুরাদপুরের একটি সিএনজি স্টেশনে বুধবার সকাল থেকেই দীর্ঘ লাইন দেখা যায়।

চালকদের অভিযোগ, কয়েক দিন পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকার পর মঙ্গলবার থেকে আবার গ্যাস সংকট শুরু হয়েছে। গ্যাসের চাপ কম থাকায় গাড়িতে গ্যাস নিতে স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি সময় লাগছে।

নগরীর ওয়াসার মোড় ও টাইগারপাস এলাকার কয়েকটি সিএনজি স্টেশনেও দীর্ঘ অপেক্ষা ও সরবরাহ বন্ধ থাকার খবর পাওয়া গেছে। এতে যানবাহনের জটের পাশাপাশি চালকদের আয়ও কমে যাচ্ছে।

আবাসিক গ্রাহকরাও ভোগান্তিতে

গ্যাস সংকটে পরিবহন ও শিল্প খাতের পাশাপাশি আবাসিক গ্রাহকরাও বিপাকে পড়েছেন। পর্যাপ্ত গ্যাসের চাপ না থাকায় অনেক বাসায় রান্নাবান্নায় সমস্যা হচ্ছে। বিদ্যুৎ সংকটের সঙ্গে নতুন করে গ্যাস সংকট যুক্ত হওয়ায় ভোগান্তি আরও বেড়েছে।

স্বচ্ছ তথ্য প্রকাশের দাবি

গ্যাস সংকটের পরিস্থিতি নিয়ে নিয়মিত ও স্বচ্ছ তথ্য প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন বিজিএমইএর সাবেক পরিচালক খন্দকার বেলায়েত হোসেন।

তিনি কোভিড-১৯ সময়ের দৈনিক বুলেটিনের মতো গ্যাস পরিস্থিতি নিয়েও নিয়মিত ‘দৈনিক গ্যাস পরিস্থিতি বুলেটিন’ প্রকাশের প্রস্তাব দিয়েছেন। এতে গ্যাসের চাহিদা, উৎপাদন, সরবরাহ, ঘাটতি, এলএনজির অবদান এবং বিদ্যুৎ, শিল্প, সার ও আবাসিক খাতে সরবরাহের তথ্য প্রকাশের কথা বলেছেন তিনি।

কবে স্বাভাবিক হবে সরবরাহ?

গত ২১ জুলাই এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনালে দুর্ঘটনার পর সেখানে গ্যাস সরবরাহ ব্যাহত হয়। পরে ৬ আগস্ট একটি বয়লার চালু করে আংশিকভাবে সরবরাহ শুরু করা হলেও দ্বিতীয় বয়লারটি এখনো মেরামতের আওতায় রয়েছে।

অন্যদিকে সামিটের টার্মিনালে বৈরী আবহাওয়ার কারণে এলএনজি জাহাজ বার্থিং করতে না পারায় নতুন করে এলএনজি আনলোডিং বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

ফলে মহেশখালীর দুটি টার্মিনাল পূর্ণ সক্ষমতায় ফিরতে না পারায় চট্টগ্রামে গ্যাস সংকট আরও তীব্র হয়েছে। দ্রুত টার্মিনালগুলোর কার্যক্রম স্বাভাবিক করা না গেলে শিল্প, পরিবহন ও আবাসিক খাতে ভোগান্তি আরও বাড়তে পারে।

Click to comment

চুয়েটে পুকুরে ডুবে দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যু

ডিজিটাল রিপোর্ট

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) পুকুরে ডুবে দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (১২ আগস্ট) বেলা দেড়টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কবি কাজী নজরুল ইসলাম হল সংলগ্ন পুকুরে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন—ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের শিক্ষার্থী শান্ত দেব (২৩) এবং কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অর্ণব দত্ত (২২)। তারা দুজনই ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। তাদের দুজনের বাড়ি সিলেটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুপুরে ফুটবল খেলা শেষে দুই শিক্ষার্থী হলের পাশের পুকুরে গোসল করতে যান। একপর্যায়ে পুকুরের মাঝামাঝি অংশে সাঁতার কাটতে গিয়ে তারা পানিতে ডুবে যান।

পরে স্থানীয়দের সহায়তায় উদ্ধার অভিযান চালানো হয়। প্রায় ২০ মিনিট পর অর্ণবকে এবং প্রায় ৪৫ মিনিট পর শান্তকে পুকুর থেকে উদ্ধার করা হয়। পরে তাদের চট্টগ্রাম নগরের এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক দুজনকেই মৃত ঘোষণা করেন।

চুয়েটের ছাত্রকল্যাণ অধিদপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, নিহতদের মরদেহ হাসপাতালে রয়েছে এবং তাদের পরিবারকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। পরিবারের ইচ্ছা অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Click to comment

সন্ধ্যা থেকে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি কিছুটা উন্নতি হবে: প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক

আজ বুধবার সন্ধ্যা থেকে দেশের বিদ্যুৎ পরিস্থিতি কিছুটা উন্নতি হবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।

বুধবার (১২ আগস্ট) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, বিদ্যুৎ ও গ্যাসের সংকট মোকাবিলায় সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে। বঙ্গোপসাগর উত্তাল থাকায় সামিটের টার্মিনালে কার্গো খালাস করা সম্ভব হচ্ছে না। অন্যদিকে এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনালটি আংশিক সক্ষমতায় চলছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, টার্মিনালটি পুরো সক্ষমতায় চালাতে হলে প্রায় ৭২ ঘণ্টার জন্য বন্ধ রাখতে হবে। এটি বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ। এ বিষয়ে এক্সিলারেট এনার্জির সঙ্গে আলোচনা চলছে এবং আজও তাদের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক রয়েছে। কখন টার্মিনাল বন্ধ রাখলে জনদুর্ভোগ সবচেয়ে কম হবে, সে বিষয়েও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনা করা হচ্ছে।

জনদুর্ভোগের জন্য দুঃখ প্রকাশ করে তিনি বলেন, মানুষের ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে অনেক ক্ষেত্রে সরকারের কিছু করার থাকে না। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে গ্যাস খালাস করা সম্ভব হবে এবং গ্যাস সরবরাহও স্বাভাবিক হবে।

তিনি আরও বলেন, পর্যাপ্ত গ্যাস সরবরাহ না হলে বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে সংকট তৈরি হবে। এ কারণে একটি কৌশল নেওয়া হয়েছে, যা মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে কার্যকর করা হয়েছে। আশা করা হচ্ছে, আজ সন্ধ্যা থেকে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হবে।

মালয়েশিয়া থেকে এলএনজি আনার বিষয়েও আলোচনা চলছে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশটির সঙ্গে বৈঠক হয়েছে এবং একটি প্রতিনিধিদলও সেখানে গেছে। তাদের প্রস্তাব নিয়ে কাজ চলছে। মালয়েশিয়া থেকে অন্তত এক কার্গো এলএনজি পাওয়ার আশা করা হচ্ছে। এটি মধ্যমেয়াদি সমাধান হিসেবে কাজ করবে।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি পরিস্থিতি পুরোপুরি কবে স্বাভাবিক হবে, তা নির্দিষ্ট করে বলা সম্ভব নয় বলেও জানান তিনি। তবে জনদুর্ভোগ বিবেচনায় নিয়ে সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে বলে দাবি করেন প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ইউএস-বাংলাদেশ চেম্বারের কাছেও এলএনজি সরবরাহের বিষয়ে সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে।

আগের সরকারগুলো মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের দিকে নজর না দিয়ে তাৎক্ষণিক সমাধানের পথে এগিয়েছে বলেও মন্তব্য করেন অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। তার মতে, এ কারণেই হঠাৎ করে বড় ধরনের সংকট তৈরি হয়েছে এবং গ্রীষ্মকালেই দুর্ভাগ্যজনকভাবে এ পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়েছে।

Click to comment