Connect with us

Movie Description #282

1. Marguerite Gautier lived a short but vibrant life. After her death, all the items were put up for auction and everyone could buy the item they liked. The narrator also decided to visit the estate and look at the goods. Of all the rich possessions, the only one he liked was a book with Armand Duval’s inscription. The next day, the author of the inscription himself came for the book and told the tragic story of his love. He met the famous courtesan in the years of her decline. She was already suffering from consumption and was not the freshest beauty. He was able to attract her attention during a performance at the theater. Without delay, he immediately confessed his love for her and asked her to become his lover.

Tired and exhausted by her illness, Marguerite agreed, and they left for Armand’s country house. There she really fell in love with a young boyfriend. But the young man soon finds out that the woman is secretly selling her property for the sake of their life together. Soon Armand’s father shows up at their house and asks the woman to leave his son alone. He wants to sacrifice his inheritance for the sake of a courtesan and their life together. A woman understands the fears of an elderly father and breaks off all relations with her lover. She returns to Paris, where she once again becomes the mistress of rich gentlemen. But Armand took her departure as a betrayal and is ready to take revenge.

2. Vitaly Mansky is really rich. His wealth lies not in bundles of dollar bills, but in a huge family scattered across different parts of Ukraine. He never thought that he would have to see a split in his own country. But the worst thing happened later – his family found themselves on opposite sides of the barricades. Intolerance and outright hatred corrode the hearts of the once closest people. He travels around his homeland and visits his relatives who live in almost every region.

Different, but related by blood, people perceived the events of the past years in different ways. Some are ready to follow Russia and believe that the new government has destroyed the last ties between fraternal peoples. These people saw everything with their own eyes, as they live directly in the war zone. Others believe that the current political system will lead the country to freedom and rid them of their servile position forever. Still others do not understand what is happening at all and do not adhere to anyone’s side. They don’t know who Bandera’s men are and they haven’t heard the howl of the shells. They are lucky to stay in a relatively quiet place and they only learn about the changes in the country from the TV. Vitaly is trying to understand through the attitude of his relatives how this could happen to his country and how this confrontation will end. 1xBet met l’accent sur la satisfaction de ses membres dès leur arrivée. Utilisez le code promo 1xbet ci pendant votre inscription pour obtenir un bonus de 100 % jusqu’à 130 € sur les sports ou un bonus casino de 1950 € + 150 tours gratuits. Cette promotion vous permet d’apprécier pleinement les fonctionnalités avancées du site. Paris en direct, machines à sous variées et support multilingue sont à votre disposition.

নিয়োগ পরীক্ষায় মৌখিক পরীক্ষার নম্বর বাড়ানোর প্রতিবাদে ইবি ছাত্রশিবিরের বিক্ষোভ

ইবি প্রতিনিধি

নিয়োগ পরীক্ষায় লিখিত অংশের নম্বর কমিয়ে মৌখিক (ভাইভা) পরীক্ষায় নম্বর বাড়ানোর প্রস্তাবের মাধ্যমে দলীয়করণ ও ঘুষ-দুর্নীতির ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখা ছাত্রশিবির।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জিয়া মোড় থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়ে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রধান ফটকে গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।

এ সময় শিক্ষার্থীদের ‘দিকে দিকে খবর দে, ভাইভা প্রথার কবর দে’, ‘কোটা গেছে দিল্লিতে, ভাইভা যাবে লন্ডনে’, ‘নব্য কোটার নাম কি, ভাইভা ছাড়া আবার কি’, ‘ভাইভা না মেধা, মেধা মেধা’ স্লোগান দিতে দেখা যায়।

সমাবেশে শাখা ছাত্রশিবিরের সাধারণ সম্পাদক রাশেদুল ইসলাম রাফি বলেন, “২০২৪ এ ছাত্রজনতা কোটা প্রথার বিরুদ্ধে আন্দোলন করে দিল্লিতে পাঠিয়েছিল। সেটা অন্য নামে প্রতিষ্ঠা করতে চাইলে ছাত্রজনতা সহ্য করবে না, তা রুখে দিবে।”

শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি ইউসুব আলী বলেন, “বর্তমানে সরকার সকল জায়গায় দলীয়করণ করার জন্য ষড়যন্ত্র করে ভাইভাকে মার্কস বৃদ্ধি করেছে। এই পদ্ধতিতে তারা বাংলাদেশের ভূখন্ডে সন্ত্রাসবাদ কায়েম করতে চায়। এর উদাহরণ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়েও দেখতে পেয়েছি। দেখতে পেয়েছি চাকরির লোভ দেখিয়ে এলাকার মানুষদের সন্ত্রাসী করাতে। তাদের এই ষড়যন্ত্র আমরা সফল হতে দিব না। যে সন্ত্রাসীরা অস্ত্র হাতে ক্যাম্পাসে এসেছে তাদেরকে গ্রেফতার করতে হবে। তা নাহলে প্রশাসনকে দ্বায় নিয়ে হবে।”

বিশ্ববিদ্যালয়ের হল প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “হলগুলোতেও অবৈধভাবে দলীয় লোক উঠিয়ে সন্ত্রাসবাদ কায়েম করতে চায়। শহীদ জিয়াউর রহমান হলে অসংখ্য শিক্ষার্থীকে অবৈধভাবে হলে উঠিয়েছে সন্ত্রাসবাদ কায়েম করার জন্য। এতে প্রশাসনসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেকেই জড়িত আছে। তারা আমাদের হল সেক্রেটারির গায়ে হাত তুলেছে। আর কোনোদিন কোনো কর্মীর গায়ে হাত তোলার দুঃসাহস করবেন না, তা নাহলে তাদের হাত আমরা ভেঙে দিব।”

তিন দিনের আল্টিমেটাম দিয়ে তিনি বলেন, “হলগুলো থেকে অবৈধভাবে তিন দিনের মধ্যে অবৈধদের বের করতে হবে, তা নাহলে চতুর্থদিনের জন্য প্রস্তুত থাকবেন। ছাত্রশিবির এতদিন মার খেয়েছে, এবার সময় প্রতিহত করার। আল্লাহর ফরজ বিধানকে মানার জন্য আমরা প্রস্তুত রয়েছি।”

বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়োগ প্রসঙ্গ নিয়ে তিনি বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন নিয়োগ দেওয়া হবে বলে শুনতে পেয়েছি। আমাদের রক্তের বিনিময়ে স্বচ্ছ নিয়োগ বাস্তবায়ন করবো। আমরা কোনো অনিয়ম সহ্য করবো না। ধৈর্য্যের বাধ ভেঙে গেলে কি হবে তা ভেবেই সিদ্ধান্ত নিবেন। চাকরি পরীক্ষাসহ ইবির সকল অনিয়ম বন্ধ করতে হবে, নয়তো কিভাবে বন্ধ করতে হয় তা আমাদের জানা আছে।”

তিনি আরও বলেন, “আমাদের ধৈর্য্যের পরীক্ষা নেবেন না। শিক্ষার্থীবান্ধব কাজে মনোযোগী হন, আধিপত্য নিয়ে মনোযোগী হবেন না। বিশ্ববিদ্যালয়ে শতভাগ আবাসন নিশ্চিত করতে হবে।”

প্রসঙ্গত, ১১ থেকে ২০ গ্রেডের কর্মচারী নিয়োগের জন্য বিদ্যমান বিধিমালা পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। প্রশাসনিক উন্নয়ন সংক্রান্ত সচিব কমিটি প্রস্তাবিত বিধিমালায় ১১ ও ১২ গ্রেডে মৌখিক পরীক্ষার নম্বর ১০ থেকে বাড়িয়ে ৫০, ১৩ থেকে ১৬ গ্রেডে ১০ থেকে ৪০ এবং ১৭ থেকে ২০ গ্রেডে ১০ থেকে ২৫ করার প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে। একই সঙ্গে লিখিত পরীক্ষায় পাস নম্বরও কমানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে এ সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত গেজেট আকারে এখনও প্রকাশিত হয়নি।

Click to comment

‘কোটা হাসিনাকে দিল্লি পাঠিয়েছে, ভাইভা আপনাদের কোথায় পাঠায় টেরও পাবেন না’: ববিতে নাহিদ ইসলাম

ববি প্রতিনিধি

‘কোটা হাসিনাকে দিল্লি পাঠিয়েছে, ভাইভা আপনাদের কোথায় পাঠায় নিজেরাও টের পাবেন না’ বলে সরকারকে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) জাতীয় ছাত্রশক্তির উদ্যোগে আয়োজিত ‘বৈষম্যহীন বাংলাদেশ বিনির্মাণে তারুণ্যের রাজনৈতিক ভাবনা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। ববির কীর্তনখোলা হলে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

নাহিদ ইসলাম বলেন, “জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শেষ পর্যন্ত বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় সমান্তরালে লড়াই-সংগ্রাম চালিয়ে গিয়েছিল। সেজন্য আমরা সবাই তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ। সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ট্রেন্ড চলছে—সবাই আশির দশকে ফেরত যাচ্ছে। এই সরকারও মনে হয় আশির দশকে ফেরত যাচ্ছে, যখন গ্যাস-বিদ্যুৎ ছিল না। তবে আমরা চাই, পুরো পৃথিবী যখন এগিয়ে যাচ্ছে, বাংলাদেশ যেন কোনোভাবেই পিছিয়ে না পড়ে।”

বিশ্ববিদ্যালয়ের গুণগত মান ও সরকারি নীতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “গণঅভ্যুত্থানের কেন্দ্রবিন্দু ছিল বিশ্ববিদ্যালয়গুলো। ফলে বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রিক সরকারের বিশেষ নীতি থাকবে—এটাই আমরা প্রত্যাশা করি। বিগত ফ্যাসিবাদী আমলে দলীয় লোকদের চাকরি দেওয়ার জন্য জেলায় জেলায় বিশ্ববিদ্যালয় খোলা হয়েছিল। পুরোনো পথে না হেঁটে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে মানের দিক থেকে প্রকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে গড়ে তুলুন।”

চাকরির নিয়োগ পরীক্ষায় ভাইভায় নম্বর বাড়ানোর প্রস্তাবের সমালোচনা করে তিনি বলেন, “দুই দিন ধরে আমরা দেখছি, ন্যক্কারজনকভাবে চাকরির ভাইভায় নম্বর কয়েক গুণ বৃদ্ধি করার প্রস্তাব এসেছে। অথচ সরকারে আসার আগে তারা বিসিএসের ভাইভায় নম্বর কমানোর কথা বলেছিলেন। এখন তারা ক্ষমতায় এসে উল্টো পথে হাঁটছেন।”

সরকারকে হুঁশিয়ার করে নাহিদ ইসলাম বলেন, “কোটা হাসিনাকে দিল্লি পাঠিয়েছে, ভাইভা আপনাদের কোথায় পাঠায় নিজেরাও টের পাবেন না।” এ সময় অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা ছাড়া হঠাৎ করে এ ধরনের সিদ্ধান্ত না নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন এনসিপির উত্তরাঞ্চলীয় মুখ্য সমন্বায়ক সারজিস আলম, যুগ্ম আহ্বায়ক সরোয়ার তুষার, কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্যসচিব ডা. মাহমুদা আলম মিতুসহ দলের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

সভায় সভাপতিত্ব করেন জাতীয় ছাত্রশক্তি ববি শাখার আহ্বায়ক মোহাম্মদ বেলাল। অনুষ্ঠান শেষে ‘জুলাই ৩৬’ কুইজ প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

Click to comment

আশরাফুলের চিকিৎসায় ৭০ হাজার টাকা সহায়তা দিল স্পোর্টস সাস্ট

শাবিপ্রবি প্রতিনিধি
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) শিক্ষার্থী আশরাফুল আলমের চিকিৎসায় সহায়তার জন্য আয়োজিত ‘স্পোর্টস সাস্ট অ্যাসিস্ট ফর আশরাফুল চ্যারিটি ফুটবল টুর্নামেন্ট’ থেকে সংগৃহীত ৭০ হাজার টাকা তাঁর চিকিৎসার জন্য হস্তান্তর করেছে স্পোর্টস সাস্ট।

মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) আশরাফুল আলমের বিভাগের মাধ্যমে তাঁর চিকিৎসার জন্য সংগৃহীত অর্থ পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের লোক প্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ সামিউল ইসলাম।

আশরাফুল আলম বিশ্ববিদ্যালয়ের লোক প্রশাসন বিভাগের একজন শিক্ষার্থী। তিনি বর্তমানে দুই কিডনি প্রতিস্থাপনের প্রয়োজনীয়তায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাঁর চিকিৎসা, অস্ত্রোপচার ও পরবর্তী চিকিৎসা ব্যয় বাবদ আনুমানিক ৬০ লাখ টাকা প্রয়োজন বলে জানানো হয়েছে। এই বিপুল চিকিৎসা ব্যয় বহন করা তাঁর পরিবারের পক্ষে কঠিন হয়ে পড়েছে।

আশরাফুলের চিকিৎসায় সহায়তার উদ্দেশ্যে স্পোর্টস সাস্ট চ্যারিটি ফুটবল টুর্নামেন্টটির আয়োজন করে। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯০টি দল অংশগ্রহণ করে। টুর্নামেন্ট থেকে সংগৃহীত অর্থ আশরাফুলের চিকিৎসার জন্য তাঁর বিভাগের মাধ্যমে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে।

স্পোর্টস সাস্টের এ উদ্যোগের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে খেলাধুলার পাশাপাশি মানবিক সহায়তার একটি দৃষ্টান্ত তৈরি হয়েছে। সংগঠনটির পক্ষ থেকে আশরাফুলের চিকিৎসায় সমাজের সামর্থ্যবান ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলোকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়েছে।

Click to comment

স্বাক্ষরতা দিবস উপলক্ষে ইবি শাখা শিবিরের স্বাক্ষরতা অভিযান

ইবি প্রতিনিধি

বিশ্ব স্বাক্ষরতা দিবস উপলক্ষে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখা ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে শিশুদের নিয়ে ‘স্বাক্ষরতা অভিযান’ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) বাদ আছর বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ জিয়াউর রহমান হল মসজিদে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস্থ ডরমেটরি ও পার্শ্ববর্তী গ্রামের শিশুদেরকে নাম ও ঠিকানা লেখা শেখানো হয়।

এসময় শাখা ছাত্রশিবিরের পরিবেশ ও সমাজসেবা সম্পাদক মুতাসিম বিল্লাহ খান ও সহকারি পরিবেশ ও সমাজসেবা সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম উপস্থিত ছিলেন।

শাখা ছাত্রশিবিরের পরিবেশ ও সমাজসেবা সম্পাদক মুতাসিম বিল্লাহ খান বলেন, “আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার উদ্যোগে শিশুদের নিয়ে একটি সচেতনতামূলক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। কর্মসূচিতে শিশুদের নিজের নাম লিখতে, স্বাক্ষর করতে এবং নিজ ঠিকানা লেখার প্রাথমিক শিক্ষা দেওয়া হয়। সাক্ষরতার গুরুত্ব সম্পর্কে শিশুদের মাঝে সচেতনতা সৃষ্টি এবং শিক্ষার প্রতি আগ্রহ বাড়ানোই ছিল এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য।

উল্লেখ্য, ৮ সেপ্টেম্বরও সংগঠনটি এ কর্মসূচি পালন করে।

Click to comment

ইবির অর্থনীতি বিভাগের ‘কন্সেপ্ট কম্পিটিশন ২০২৬’ এর পুরস্কার বিতরণ

ইবি প্রতিনিধি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে আয়োজিত ‘Concept Competition-2026’-এর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া ১৮ জন বিজয়ীর মধ্যে অসামান্য বিশ্লেষণমূলক কাজের জন্য সেরা তিনজনকে বিশেষভাবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। এ সময় বিজয়ী ও অংশগ্রহণকারীদের মাঝে ক্রেস্ট ও সার্টিফিকেট তুলে দেওয়া হয়।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মীর মোশাররফ হোসেন একাডেমিক ভবনে অর্থনীতি ক্লাবের উদ্যোগে এ পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এবারের প্রতিযোগিতার বিষয় ছিল—‘বাংলাদেশের সাম্প্রতিক অর্থনৈতিক মন্দার কারণ চিহ্নিতকরণ ও উত্তরণের সম্ভাব্য উপায়’।

অর্থনীতি ক্লাবের সভাপতি সহযোগী অধ্যাপক আব্দুল জলিল পাঠানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. পার্থ সারথি লস্কর, সহকারী অধ্যাপক মোছা. শামীমা নাসরীন, ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসানসহ বিভাগের অন্যান্য শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।

প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জন করেন মো. সাব্বির হোসাইন (মাস্টার্স, ২০২৪-২৫)। দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেন তানজিন আরা দিনা (অনার্স, ২০২৪-২৫) এবং তৃতীয় হন প্রতিত্ত চাকমা (অনার্স, ২০২৫-২৬)।

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে সহযোগী অধ্যাপক আব্দুল জলিল পাঠান বলেন, “পরিবর্তিত বিশ্বে বাংলাদেশের চলমান ইতিবাচক অর্থনৈতিক সূচকগুলোর চিত্রায়ণ এবং এর সম্ভাব্য প্রতিকার—এটাই ‘Concept Competition-2026’-এর মূল প্রতিপাদ্য। এ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা প্রচলিত জ্ঞানের গণ্ডি পেরিয়ে বর্তমান বাস্তবতার আলোকে নতুনভাবে চিন্তা করতে ও সম্ভাব্য সমাধান খুঁজে বের করতে উদ্বুদ্ধ হবে।”

অর্থনীতি ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান বলেন, “একটি প্রতিযোগিতার সবচেয়ে বড় অর্জন পুরস্কার পাওয়া নয়; বরং এতে অংশগ্রহণের মাধ্যমে নিজের জ্ঞান, চিন্তাশক্তি ও দক্ষতাকে সমৃদ্ধ করা। আমরা অর্থনীতির শিক্ষার্থী। অর্থনীতি শুধু বইয়ের তত্ত্ব বা সমীকরণের বিষয় নয়; এটি আমাদের চারপাশের সমাজ, মানুষের জীবন, সিদ্ধান্ত ও ভবিষ্যৎকে বোঝার গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।”

তিনি আরও বলেন, “তাই আমাদের সমালোচনামূলক চিন্তাশক্তিসম্পন্ন, সমস্যা সমাধানে দক্ষ এবং দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে হবে। ভবিষ্যতেও অর্থনীতি ক্লাব শিক্ষার্থীদের একাডেমিক পড়াশোনার পাশাপাশি বিতর্ক, কুইজ, কর্মশালাসহ বিভিন্ন কার্যক্রমের সুযোগ তৈরি করবে বলে আশা করি।”

বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. পার্থ সারথি লস্কর বলেন, “কনসেপ্ট প্রতিযোগিতার আয়োজনের জন্য সবাইকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাই। একটি প্রতিযোগিতা শুধু বিজয়ী নির্ধারণের মাধ্যম নয়; বরং এটি শিক্ষার্থীদের চিন্তাশক্তি, সৃজনশীলতা, যুক্তিবোধ ও নতুন কিছু করার সাহস বিকাশের গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ। একটি ভালো ধারণা বা কনসেপ্টই অনেক সময় বড় পরিবর্তনের সূচনা করতে পারে। তাই শিক্ষার্থীদের প্রতিটি চিন্তা, উদ্ভাবনী ভাবনা ও উপস্থাপনার মধ্যে ভবিষ্যতের সম্ভাবনা রয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “শুধু পুরস্কার পাওয়ার জন্য নয়, নিজের চিন্তাকে অন্যদের সামনে তুলে ধরার জন্যও প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া উচিত। জয়-পরাজয়ের চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হলো প্রতিযোগিতা থেকে অর্জিত অভিজ্ঞতা এবং তা থেকে শেখার সুযোগ। আমি আশা করি, এ প্রতিযোগিতা শিক্ষার্থীদের মধ্যে নতুন চিন্তার বিকাশ ঘটাবে, পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়াবে এবং ভবিষ্যতে আরও সৃজনশীল ও উদ্ভাবনী উদ্যোগ গ্রহণে উৎসাহিত করবে।”

Click to comment

ইবি সায়েন্স ক্লাবের ওয়েবসাইট ও নিবন্ধিত অনলাইন পেমেন্ট সিস্টেম চালু

ইবি প্রতিনিধি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) প্রথম সংগঠন হিসেবে নিজস্ব ওয়েবসাইট ও নিবন্ধিত অনলাইন পেমেন্ট সিস্টেম চালু করল ‘ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সায়েন্স ক্লাব’।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবনের উপাচার্যের কক্ষে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. মতিনুর রহমানের উপস্থিতিতে ওয়েবসাইটটি উদ্বোধন করা হয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সায়েন্স ক্লাবের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শাহজাহান আলী, উপদেষ্টা ড. মো. মিনহাজ উল হক, ক্লাবের সভাপতি জুনাইদুল মোস্তফা, সাধারণ সম্পাদক সারওয়ার হোসেন সাকিব, মিডিয়া সেক্রেটারি শুভ্রত কুমার, জয়েন্ট সেক্রেটারি মিশনু আল আসনাওয়ি, জয়েন্ট কমিউনিকেশন সেক্রেটারি নওরিন ফাতেমা তোয়া সহ ক্লাবের অন্যান্য কার্যনির্বাহী সদস্য ও সংশ্লিষ্টরা।

এ সময় সায়েন্স ক্লাবের সভাপতি জুনাইদুল মোস্তফা উপাচার্যের সামনে ক্লাবের নিজস্ব ওয়েবসাইটটি বিস্তারিতভাবে উপস্থাপন করেন। ওয়েবসাইটের বিভিন্ন বিভাগ, ফিচার, তথ্য, কার্যক্রম এবং এর ব্যবহার ও কার্যপ্রণালী সম্পর্কে উপাচার্যকে অবহিত করেন। পাশাপাশি নিবন্ধিত নিজস্ব অনলাইন পেমেন্ট সিস্টেমের কার্যপ্রণালী এবং এর মাধ্যমে কীভাবে মাসিক চাঁদা, সদস্যপদ, বিভিন্ন প্রোগ্রাম ও সায়েন্স ফেস্টিভ্যালসহ অন্যান্য কার্যক্রমের ফি অনলাইনে পরিশোধ করা যাবে, সে বিষয়েও বিস্তারিত তুলে ধরা ধরেন।

সায়েন্স ক্লাবের এ উদ্যোগের প্রশংসা করে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. মতিনুর রহমান বলেন, “এ ক্লাবের প্রযুক্তিনির্ভর কার্যক্রমকে সাধুবাদ জানাই এবং শিক্ষার্থীদের আধুনিক প্রযুক্তির সঙ্গে সম্পৃক্ত করার পাশাপাশি সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও স্বচ্ছ করতে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশাবাদী।”

এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাম্প্রতিক বিভিন্ন আন্তর্জাতিক শিক্ষা ও সহযোগিতামূলক উদ্যোগ নিয়েও আলোচনা করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. একেএম মতিনুর রহমান। বিশেষ করে জাপানের সঙ্গে 2+2 শিক্ষা কার্যক্রম, চীনের সঙ্গে শিক্ষা ও একাডেমিক সহযোগিতা এবং BRAC-এর সঙ্গে Career Hub প্রতিষ্ঠার উদ্যোগসহ শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন ও ক্যারিয়ার গঠনের বিভিন্ন সম্ভাবনা সম্পর্কে তিনি আলোকপাত করেন।

Click to comment

ইবির আইটি সোসাইটির কম্পিউটার ওয়ার্কশপের পুরষ্কার বিতরণী

ইবি প্রতিনিধি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) প্রযুক্তিনির্ভর সংগঠন ইসলামিক ইউনিভার্সিটি ইনফরমেশন অ্যান্ড টেকনোলজি সোসাইটি (আইইউআইটিএস)-এর উদ্যোগে তিনদিনব্যাপী কম্পিউটার ওয়ার্কশপে অংশগ্রহণকারীদের সনদ প্রদান করা হয়েছে।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ইবনে সিনা বিজ্ঞান ভবনের ৩৩৫ নং কক্ষে সনদ প্রদানের এ আয়োজন করা হয়। এসময় ওয়ার্কশপে অংশগ্রহণকারীদের জন্য বেসিক কম্পিউটারের উপরে কুইজ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। কুইজে তিনজনকে বিজয়ী ঘোষণা করে পুরষ্কার প্রদান করেন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

আইইউআইটিএস-এর সভাপতি তাকি খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. শহিদুল ইসলাম। এছাড়াও ওয়ার্কশপের ট্রেইনার হিসেবে ছিলেন সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক আদিল মুহাম্মদ তাছিফ।

ওয়ার্কশপে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বলেন, আমরা তিন দিনের ওয়ার্কশপে এত বেশি শিখতে পারব, ভাবতে পারিনি। আইইউটিএস-এর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে একজন বলেন, পরবর্তীতে এমন ওয়ার্কশপে সবার অংশগ্রহণ করা উচিৎ।

ওয়ার্কশপের ট্রেইনার ও সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আদিল মুহাম্মদ তাছিফ বলেন, “একজন ট্রেইনার ও সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে শিক্ষার্থীদের কম্পিউটারের মৌলিক বিষয়গুলো শেখাতে পারাটা আমার জন্য একটি দারুণ অভিজ্ঞতা। অংশগ্রহণকারীদের আগ্রহ ও উৎসাহ আমাদের আয়োজনকে সফল করেছে। ভবিষ্যতেও শিক্ষার্থীদের দক্ষতা উন্নয়নে এমন কার্যক্রম অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা করি।”

সভাপতি তাকি খান বলেন, “আমরা এমন পরিবেশ তৈরি করতে চাই, যেখানে শিক্ষার্থীরা একে অন্যের কাছ থেকে শিখবে, নিজেদের দক্ষতা আরও উন্নত করবে এবং সম্মিলিতভাবে নতুন কিছু করার সুযোগ পাবে। এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে আইইউআইটিএসের উদ্যোগে আয়োজন করা হয় তিন দিনব্যাপী এই কর্মশালা। কর্মশালায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের আগ্রহী শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন। তিন দিনব্যাপী এই আয়োজনে অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন বিষয়ে শেখার পাশাপাশি নিজেদের জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধির সুযোগ পান। এত সংখ্যক আগ্রহী শিক্ষার্থীকে একসঙ্গে নিয়ে শেখার ও জ্ঞান ভাগাভাগি করার সুযোগ তৈরি করতে পেরে আমরা আনন্দিত।

অনুষ্ঠানের অতিথি অধ্যাপক ড. মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, “বর্তমান সময়ে প্রযুক্তি সম্পর্কে দক্ষতা অর্জন করা আর কোনো বিকল্প নয়, বরং সবার জন্য অপরিহার্য। শিক্ষা থেকে শুরু করে প্রতিটি ক্ষেত্রেই প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ছে। তাই নিজ নিজ বিষয়ের পাশাপাশি প্রযুক্তিগত জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জনের প্রতি শিক্ষার্থীদের আরও বেশি গুরুত্ব দিতে হবে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্রুত বিকাশের এই সময়ে এআইকে সঠিকভাবে কাজে লাগাতে হবে। এআইয়ের সহায়তায় নিজেদের জ্ঞান, দক্ষতা ও কাজের পরিধি আরও বিস্তৃত করার সুযোগ রয়েছে। ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রযুক্তির সঙ্গে নিজেদের মানিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি নিয়মিত শেখার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।”

Click to comment

সরকারি চাকরিতে ভাইভার নম্বর বৃদ্ধির প্রতিবাদে কুবিতে মানববন্ধন


কুবি প্রতিনিধি :

সরকারি চাকরিতে মৌখিক পরীক্ষার (ভাইভা) নম্বর বৃদ্ধির প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) শিক্ষার্থীরা। মানববন্ধনে তারা বাংলাদেশ সরকারের এই সিদ্ধান্তকে পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানান। যদি ভাইভার নম্বর বৃদ্ধির এই সিদ্ধান্ত বহাল থাকে তারা কঠিন আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের গোল চত্ত্বরে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।

মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা ‘কোটা গেছে যেই পথে– ভাইভা যাবে সেই পথে’, ‘ভাইভার নামে দলীয়করণ– বন্ধ কর, করতে হবে’, ভাইভা না মেধা– মেধা মেধা’, ‘দোয়েল, কোয়েল, ময়না, টিয়া– ভাইভায় এসো ঘুষ নিয়া’ ইত্যাদি স্লোগান দেন।

এ সময় শিক্ষার্থীরা প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমানকে উদ্দেশ্য করে ‘ছি ছি ধিক্কার– জাহেদ তুই চাটুকার’ বলেও স্লোগান দিতে দেখা গেছে।

মানববন্ধনে আইন বিভাগের শিক্ষার্থী বায়েজিদ হোসেন বলেন, ‘আমরা জুলাই আন্দোলনের কথা না ভুললেও আমাদের সরকার হয়তো ভুলে গেছে। মানুষ ইতিহাস থেকে শিক্ষা নেয় কিন্তু আমরা দেখতে পারছি বর্তমান সরকার ইতিহাস ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ঘটাচ্ছে। যে জুলাই অভ্যুত্থান শুরু হয়েছিল কোটা আন্দোলনের মধ্য দিয়ে, আবার তা ফিরিয়ে আনার উদ্দেশ্যে সরকারি চাকরিতে বৈষম্য, সরকারি প্রতিষ্ঠানে দলীয়করণ এবং ভাইবার নামে আবার কোটাকে ফেরানোর চেষ্টা করছে সরকার।

তিনি বলেন, ‘বিএনপির ১৯৯০–৯৬ এর ইতিহাসের দিকে তাকালে দেখা যায়, সরাসরি প্রতিষ্ঠান দলীয়করণ ও সরকারি চাকরিতে হস্তক্ষেপ করার প্রথম প্রচেষ্টা চালায় তারা। আমি সরকারের উদ্দেশ্যে বলছি এসব বন্ধ করুন তা না হলে পালানোর জায়গা পাবেন না।’

জাতীয় ছাত্রশক্তি কুবি শাখার সদস্য সচিব সৈয়দা নাজিফা নাফিল বলেন, ‘আমরা সব সময় বলে থাকি যে কোটা না মেধা–মেধা মেধা। কিন্তু এখন আমরা দেখছি যে কোটা আবার নতুনভাবে ফিরে আসছে। আজকে আমরা কারো নিজের সুবিধার জন্য এখানে আসি নাই। সরকারের এই সিদ্ধান্ত এভাবে বাড়তে দিলে এক পর্যায়ে এই সরকার ফ্যাসিবাদের দিকে এগিয়ে যাবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা যারা চব্বিশের আন্দোলন দেখেছি এরপরও যদি আমরা না শুধরাই আমাদের জন্য যা অপেক্ষা করতেছে, তা হবে আরও ভয়ংকর। তাই এই ব্যবস্থা প্রতিহত করা আমাদের দায়িত্ব এবং সেই দায়িত্ব থেকেই আজকে আমি এখানে দাঁড়িয়েছি। আমাদের একটা ইচ্ছা থাকে যে পড়াশোনা করে দেশের জন্য কাজ করব কিন্তু এখন দেশের জন্য কাজ করার সেই পথটাই বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। তাই এখন আমাদের এই ব্যবস্থা নিয়ে কথা বলা দরকার, প্রতিবাদ করা দরকার এবং যার যার জায়গা থেকে প্রতিরোধ গড়ে তুলা প্রয়োজন।’

ফার্মেসি বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী নাঈম ভূঁইয়া বলেন, ‘আমাদের বারবার যে কোন বিষয় নিয়ে রাজপথে নামা লাগে, অথচ এই সরকার হওয়ার কথা ছিল জনগণের। কিন্তু সরকার হয়ে যায় তার নিজের দলের। এর থেকে লজ্জার আর কিছু হতে পারে না।’

তিনি আরও বলেন, ‘একটা সরকার কিভাবে সবকিছুতে দলীয়করণ করে তা আশপাশে তাকালেই দেখতে পাবেন। এমন কোন প্রতিষ্ঠান নাই যেখানে দলীয়করণ করা হয়নি। আমরা তারেক সরকারকে জানিয়ে দিতে চাই, ১৪০০ শহীদের রক্তের বিনিময়ে নতুন বাংলাদেশের যদি আবার ফ্যাসিবাদী কায়দা প্রতিষ্ঠা করতে চায়, সেটা আর কখনো হবে না। বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা তা কখনোই মেনে নিবে না।’

কুবি শাখা ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘সরকারি চাকরিতে ভাইভা পরীক্ষার নম্বর বাড়ানোর মাধ্যমে মেধার অবমূল্যায়ন এবং দলীয় লোকদের সরকারি সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, তার প্রতিবাদেই আজকের এই মানববন্ধন। আপনারা লক্ষ্য করেছেন ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে আমাদের প্রায় ১ হাজার ৪০০ ভাই শহীদ হয়েছেন। বৈষম্যের বিরুদ্ধে আন্দোলনে প্রায় ২০ হাজার শিক্ষার্থী আহত হয়ে পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন, যাদের অনেকে এখনো হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। অথচ তাদের সুস্থ হওয়ার আগেই তাদের রক্তের ওপর দিয়ে ক্ষমতায় এসে সরকার আবারও বৈষম্যের পথ বেছে নিয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আমরা সরকারকে স্পষ্টভাবে জানাতে চায় এই আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত থেকে সরে না এলে আমাদের এই প্রতিবাদ সারা বাংলাদেশে দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়বে। আমরা আরও লক্ষ্য করছি, সরকার দেশের গণতান্ত্রিক ও প্রশাসনিক কাঠামোকে দুর্বল করার মতো নানা সিদ্ধান্ত নিচ্ছে। ভাইভা পরীক্ষার নম্বর বাড়ানো হলে এমন একটি পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে, যেখানে মেধাবী শিক্ষার্থীদের চাকরি পাওয়ার জন্য রাজনৈতিক প্রভাবশালী ব্যক্তিদের দ্বারস্থ হতে হবে। আমরা মনে করছি, সরকারি প্রতিষ্ঠান ও প্রশাসনে দলীয় ব্যক্তিদের পুনর্বাসনের যে অপচেষ্টা চলছে, সরকারকে সেখান থেকেও ফিরে আসতে হবে। ভাইভা নম্বর বাড়ানোর প্রস্তাব প্রত্যাহার করে মেধার যথাযথ মূল্যায়ন নিশ্চিত করতে হবে।’

প্রসঙ্গত, সম্প্রতি সরকারি চাকরিতে ১১ থেকে ২০ তম গ্রেডে মৌখিক পরীক্ষার (ভাইভা)নম্বর বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এক্ষেত্রে ১১ থেকে ১২তম গ্রেডের সরকারি চাকরিতে বর্তমানে ভাইভার নম্বর ১০। নতুন প্রস্তাবে তা বাড়িয়ে ৫০ নম্বর করার কথা বলা হয়েছে। ১৩ থেকে ১৬তম গ্রেডের সরকারি চাকরিতে বর্তমানে ভাইভার নম্বর ১০। প্রস্তাবিত বিধিমালায় তা বাড়িয়ে ৪০ নম্বর করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে, ১৭ থেকে ২০তম গ্রেডের সরকারি চাকরিতে বর্তমানে ভাইভার নম্বর ১০। নতুন প্রস্তাবে তা বাড়িয়ে ২৫ নম্বর করার কথা বলা হয়েছে।

Click to comment

ভাইভাতে নম্বর বৃদ্ধির মাধ্যমে মেধার অবমূল্যায়নের প্রতিবাদে ববিতে মানববন্ধন

ববি প্রতিনিধি

সরকারি চাকরিতে অযৌক্তিক হারে নম্বর বৃদ্ধির মাধ্যমে মেধার অবমূল্যায়ন ও রাজনৈতিক সুপারিশ সৃষ্টির প্রতিবাদ জানিয়ে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) শিক্ষার্থীরা মানববন্ধন করেছে।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩ নম্বর গেটের সামনে এ মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় শিক্ষার্থীরা তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির সরকারি চাকরিতে মৌখিক পরীক্ষার নম্বর বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান। একই সঙ্গে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও মেধার যথাযথ মূল্যায়ন নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা।

এ সময় ববির আইন বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ইমন আলী বলেন, “আমরা চাই, দেশের সব নাগরিকের চাকরিতে সমান অধিকার থাকবে। এখানে কোনো দলীয়পন্থি বা দলীয় গোষ্ঠীর লোকজন চাকরি করবে এমনটা হবে না। আমরা এসব মানি না। আমরা বছরের পর বছর পড়াশোনা করি, আর আপনারা হঠকারী সিদ্ধান্ত নেন। আপনারা দ্রুতই এই হঠকারী সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসুন। আমরা কোনো সরকারের বিপক্ষে নই, আমরা কোনো ভাইবার বিপক্ষেও নই। আমরা আপনাদের এই হঠকারী সিদ্ধান্তের বিপক্ষে।”

ববি রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী হাফিজ বলেন, “সরকারের উদ্দেশ্য কী, সাধারণ জনগণ তা বুঝতে পেরেছে। আমরাও জানি ভাইভায় নম্বর বৃদ্ধির কারণ কী। আমরা আমাদের সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিতে চাই অনতিবিলম্বে সরকারকে এই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসতে হবে। এই সিদ্ধান্ত থেকে তাদের ফিরে আসতে হবে। তাদের এই লিটমাস টেস্ট থেকে সরে আসতে হবে। যদি আপনারা এই সিদ্ধান্ত থেকে সরে না আসেন, তাহলে হাসিনার মতো একই পরিণতি ভোগ করতে হবে।”

উল্লেখ্য, গত ৬ সেপ্টেম্বর মন্ত্রণালয়, বিভাগ এবং এর আওতাধীন দপ্তর-সংস্থায় ১১ থেকে ২০তম গ্রেডের (তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণি) নিয়োগে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় সমান ৫০ নম্বর রাখার সিদ্ধান্ত নেয় প্রশাসনিক উন্নয়নসংক্রান্ত সচিব কমিটি। এ সিদ্ধান্তের পর থেকেই বিভিন্ন স্থানে এর প্রতিবাদ জানিয়ে আসছেন চাকরিপ্রত্যাশী ও শিক্ষার্থীরা।

Click to comment

হরমুজে ২ মার্কিন নৌযান ও ৮ তেলবাহী ট্যাংকারে হামলার দাবি ইরানের

ডিজিটাল ডেস্ক

হরমুজ প্রণালীতে দুটি মার্কিন নৌযান ও আটটি তেলবাহী ট্যাংকারকে লক্ষ্য করে হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরানের ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) ইরানের আধা-সরকারি সংবাদমাধ্যম তাসনিমে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে আইআরজিসি জানায়, মার্কিন বাহিনীর পাঁচটি ইরানি তেলবাহী ট্যাংকারে হামলার জবাবে তারা এই পদক্ষেপ নিয়েছে।

বিবৃতিতে মার্কিন বাহিনীকে ‘আমেরিকান সন্ত্রাসী বাহিনী’ হিসেবে উল্লেখ করে আইআরজিসি। একই সঙ্গে মার্কিন সহায়তায় হরমুজ প্রণালীর ‘নিষিদ্ধ ও বিপজ্জনক অঞ্চল’ দিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা আরও ১০টি নিয়ম লঙ্ঘনকারী জাহাজকে লক্ষ্যবস্তু করার দাবি করা হয়েছে।

আইআরজিসি আরও বলেছে, হরমুজ প্রণালী এখনো তাদের ‘শক্তিশালী ও কর্তৃত্বপূর্ণ নজরদারি ও নিয়ন্ত্রণের’ আওতায় রয়েছে।

তবে হামলার এসব দাবি স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

সূত্র: আল জাজিরা

Click to comment