Connect with us

CV666-এ দায়িত্বশীল গেমিং: ইভেন্ট চাপ, VIP বেতন ও ব্যক্তিগত সীমা

CV666-এ promotion কখনো «উপহার» নয় — retention mechanics। ~৮২% first deposit rebate, daily event bonus, VIP সাপ্তাহিক-মাসিক বেতন (~Monday / মাসের ১ম) এবং e-Gambling Relief — প্রতিটি ফিরে আসার জন্য ডিজাইন। ১৮ বছর বা তার বেশি প্রাপ্তবয়স্কদের উচিত VIP tier ও event claim window বোঝার আগে personal limit সেট করা; ক্ষতি জমা হওয়ার পর নয়।

CV666 Casino ২০১৮ থেকে Curaçao eGaming লাইসেন্সে (BD-GAME-2020-CV666)। স্থানীয় বাংলাদেশি permit নেই — Public Gambling Act 1867 ও Cyber Security Ordinance 2025-এর প্রেক্ষাপটে আইনি দায়িত্ব ব্যবহারকারীর।

নিয়ন্ত্রক প্রেক্ষাপট — সংক্ষেপে

 

    • অফশোর Curaçao লাইসেন্স — domestic ombudsman স্বয়ংক্রিয় নয়

 

    • বিরোধ offshore procedure অনুসরণ করে

 

    • Personal limit ও self-exclusion প্রাথমিক নিয়ন্ত্রণ

 

    • ১৮+ বাধ্যতামূলক; underage access নিষিদ্ধ

 

ফুটারে TAKA Alliance ও mirror CV66.COM তথ্য service routing-এ সাহায্য করে — লাইসেন্স domestic-এ রূপান্তরিত করে না।

VIP চাপ: VIP0 থেকে VIP50

CV666-এ VIP1 unlock ১,০০০ BDT cumulative bet-এ। VIP50 পর্যন্ত tier — salary বাড়ে, কিন্তু 5× turnover VIP bonus-এ withdrawal gate হিসেবে থাকে।

CV666 Casino VIP Bengali interface showing tier levels and salary schedule

 

    • Weekly salary: সোমবার; monthly: মাসের ১ম তারিখ

 

    • VIP credit withdrawable নয় turnover clear না হলে

 

    • Tier «পিছনে পড়ে যাওয়া» ভয় deliberate over-betting বাড়ায় — trap

 

    • VIP progression বিনোদন budget-এর বাইরে plan করবেন না

 

VIP salary guaranteed income নয় — promotional balance। ৫× clearance math আগে হিসাব: ২০০ BDT salary = ১,০০০ BDT qualifying stake।

Event bonus ও Reward Center চাপ

Reward Center-এ sign-in streak, seasonal event ও invite bonus — daily claim habit তৈরি করে।

CV666 Casino full Bengali reward center with daily bonuses and event promotions

 

    • Missed claim window = forfeiture — FOMO design

 

    • Event turnover often hidden secondary link-এ

 

    • Welcome rebate (~৮২% slots) + event একসাথে active হলে separate meter

 

    • anti-fraud: এক IP, device, payment, identity — duplicate void

 

CV666 Casino promotions page with event bonus banners and seasonal offers

Event headline percentage পড়ে claim করবেন না — full terms, eligible games ও expiry আগে।

e-Gambling Relief — loss chasing trap

Loss relief next day 16:00 BD time এর আগে claim; 1× turnover — সবচেয়ে হালকা শর্ত। কিন্তু psychology risky:

 

    • «কাল relief পাব» ভেবে আজ extra loss — sunk cost fallacy

 

    • Relief claim habit loss session normalize করে

 

    • 1× clear করতে «just one more» session — classic chase

 

    • Relief net loss reduce করে না necessarily — variance বজায়

 

Relief tool হিসেবে নয়, loss justification হিসেবে ব্যবহার হলে red flag।

ব্যক্তিগত সীমা — practical framework

Deposit আগে লিখে রাখুন:

 

    • Session budget: এক sitting-এ max loss (e.g. ৫০০ BDT)

 

    • Weekly ceiling: entertainment line item — rent/mobile bill থেকে আলাদা

 

    • Time limit: phone alarm ৯০ মিনিট — VIP/event claim check সহ

 

    • Win goal: target hit হলে withdraw — 5–15 min cashout window use

 

    • Loss stop: ceiling hit = logout, no relief planning tonight

 

CV666 Personal Center betting record daily review — actual spend vs feeling।

Cross-vertical risk: casino + sports

এক wallet-এ slot, live, cricket — loss visibility কম। Sports in-play + slot chase combined variance dangerous। Category switch loss tracking blur করে।

first deposit rebate মনোবিজ্ঞান

~৮২% headline শক্তিশালী anchor — min ১০০ BDT মনে হয় «ছোট risk»। কিন্তু turnover requirement (live annex) actual exposure define করে, headline percentage নয়। Phone binding + slots-only eligible list পড়ে accept করুন।

 

    • Rebate credit ≠ withdrawable cash until turnover clear

 

    • Live casino, sports session rebate period-এ contribution zero হতে পারে

 

    • One account rule — second register temptation resist

 

Trx ID habit ও emotional deposit

Trx ID O/0 error frustration-এ «quick redeposit» impulse common। Pause নিন — duplicate wrong Trx ID support queue লম্বা। Manual MFS flow deliberate pace চায়; rush habit responsible play-এর শত্রু।

mirror access ও impulse control

Primary domain block হলে mirror CV66.COM — verified footer check। DNS stress-এ unverified link click impulse বাড়ে — bookmarked path use। Phishing clone impulse deposit target করে — domain verify before fund।

পরিবার ও shared device

Shared family phone-এ CV666 login saved — minor access risk + anti-fraud duplicate flag। Separate device বা guest profile ideal। Play secrecy family tension marker — open conversation professional help-এর precursor হতে পারে।

monthly review habit

Personal Center betting record monthly export/screenshot — entertainment spend vs income ratio track। VIP tier progression celebrate করবেন না budget overrun-এ। Event claim streak break করলে guilt-driven catch-up session avoid।

সতর্কতার সংকেত

 

    • Deposit borrowed money (bKash loan, friend)

 

    • Trx ID submit rush — O/0 error frustration → bigger deposit

 

    • Multiple account thought to reclaim ~৮২% welcome

 

    • Anger betting after withdrawal delay

 

    • Hiding play from family — secrecy marker

 

    • VIP tier sole motivation to continue losing session

 

একটি হলেও pause নিন। Professional help — platform নির্বিশেষে।

অপারেটর টুল ও সাপোর্ট

CV666 Casino 24/7 customer service for account limits and responsible gaming inquiries

২৪/৭ support Bengali/English — account question, self-exclusion request (published terms অনুযায়ী), deposit dispute। PIN/password share করবেন না।

 

    • Self-exclusion option খুঁজুন register/deposit আগে

 

    • Cooling-off period terms archive করুন

 

    • Minor access prevention — shared phone parental control

 

আইনি সচেতনতা

Online gambling Bangladesh-এ Public Gambling Act 1867 ও Cyber Security Ordinance 2025 দ্বারা restricted context-এ পড়ে। CV666 offshore — domestic permit নয়। Legal position personal research — এই guide substitute নয়।

সংক্ষিপ্ত checklist

 

    • Weekly entertainment budget fixed — VIP/event-এ override নয়

 

    • Welcome + VIP 5× + relief 1× — তিনটি separate meter

 

    • Claim window reminder — FOMO-driven login reduce

 

    • Win withdraw habit — delay compensation rely নয়

 

    • Red flag হলে stop — relief tomorrow justification নয়

 

CV666 product mature players-এর জন্য structured — unstructured play-এর জন্য নয়। Limit first, lobby second।

cv666-win.com responsible gaming policy live site-এ — verify current tools ও exclusion process।

১৮+ শুধুমাত্র। দায়িত্বশীলভাবে খেলুন। এই নিবন্ধ আইনি, আর্থিক বা জুয়া পরামর্শ নয়। অপারেটর সাইটের শর্তই চূড়ান্ত। অনলাইন গেমিংয়ের বৈধতা নিজ jurisdiction-এ যাচাই করুন।

যুদ্ধের কারণে জ্বালানি-গ্যাস সংকট, সরকার দায়ী নয়: রিজভী

ডিজিটাল ডেস্ক

যুদ্ধের কারণে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সংকট তৈরি হয়েছে, যার প্রভাব গ্যাস ও এলএনজি সরবরাহেও পড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

রোববার (২৩ আগস্ট) সকালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।

রিজভী বলেন, বর্তমান সংকটের অন্যতম বড় কারণ প্রাকৃতিক ও বৈশ্বিক পরিস্থিতি। যুদ্ধের কারণে জ্বালানি সংকট তৈরি হয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে গ্যাস ও এলএনজি সরবরাহে। ফলে দেশের বিভিন্ন এলাকায় গ্যাসের সংকট দেখা দিয়েছে। কোথাও কোথাও গ্যাসের অভাবে কলকারখানার কার্যক্রমও ব্যাহত হচ্ছে।

তিনি বলেন, সংকটের মধ্যেও সরকার জনগণের সামাজিক সুরক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত রাখার চেষ্টা করছে। যেসব অঞ্চলে সংকট দেখা দিয়েছে, সেসব এলাকায় জনগণের পাশে থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।

সরকারের প্রতিটি কর্মকাণ্ডে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন বিএনপির এই নেতা। তিনি বলেন, সরকার জনগণের কাছে দায়বদ্ধ থাকবে। জনকল্যাণ, সামাজিক সুরক্ষা ও জনসেবাকে অগ্রাধিকার দিয়ে একটি দায়িত্বশীল সরকার কীভাবে কাজ করতে পারে, তার উদাহরণ বর্তমান সরকার ইতোমধ্যে দেখিয়েছে।

আগামী দিনেও এ ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে বলে প্রত্যয় ব্যক্ত করেন রিজভী।

এ সময় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা মো. জহির উদ্দিন স্বপনসহ বিএনপির নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

Click to comment

রাষ্ট্রপতির শপথেই মির্জা ফখরুলের এমপি-মন্ত্রীর পদ শূন্য: চিফ হুইপ

ডিজিটাল ডেস্ক

রাষ্ট্রপতির শপথ গ্রহণের সঙ্গে সঙ্গে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের সংসদ সদস্য মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এমপি ও মন্ত্রী পদ শূন্য হবে বলে জানিয়েছেন সরকারদলীয় চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) জাতীয় সংসদ ভবনে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে সামনে রেখে সাংবাদিকদের প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।

চিফ হুইপ বলেন, রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেওয়ার পর মির্জা ফখরুল আর সংসদ সদস্য বা মন্ত্রী থাকবেন না। তখন থেকে তিনি রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। তাঁর ছেড়ে দেওয়া আসনে পুনরায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

জামায়াতের আলোচিত সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দেওয়া প্রসঙ্গে নুরুল ইসলাম মনি বলেন, এ বিষয়ে জামায়াতে ইসলামীই বলতে পারবে।

এদিকে বর্তমান অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ সংসদ সদস্য হওয়ায় তিনিও রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দেবেন বলে জানান চিফ হুইপ।

Click to comment

নির্ধারিত দামে সার বিক্রি না করলে বাতিল হবে ডিলারশিপ

ডিজিটাল রিপোর্ট

সরকার নির্ধারিত মূল্যে কৃষকদের কাছে সার বিক্রি নিশ্চিত করতে দেশের সব জেলা ইউনিটের ডিলারদের কঠোর সতর্ক করেছে বাংলাদেশ ফার্টিলাইজার অ্যাসোসিয়েশন (বিএফএ)। নির্দেশনা অমান্য করলে ডিলারশিপ বাতিলসহ আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।

সম্প্রতি বিএফএর চেয়ারম্যান মো. মোশারফ হোসেন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অর্থ জমা দিয়ে সার উত্তোলন এবং নিজ নিজ গুদামে পর্যাপ্ত মজুত নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে সারের আগমনী বার্তা নিয়মিত উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাকে জানাতে হবে।

এ ছাড়া সার বিক্রির রেজিস্টার যথাযথভাবে সংরক্ষণ এবং অতিরিক্ত দামে সার বিক্রি বন্ধে নিয়মিত তদারকি জোরদারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বিএফএ জানিয়েছে, কোনো অসাধু বা কুচক্রী মহল কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে অতিরিক্ত দামে সার বিক্রি করলে এবং এর দায় ডিলারদের ওপর চাপানোর চেষ্টা করলে তা বরদাস্ত করা হবে না। এ বিষয়ে ডিলারদের সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

স্থানীয় কৃষি অফিস ও প্রশাসনের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রেখে কার্যক্রম পরিচালনারও নির্দেশ দিয়েছে সংগঠনটি। একই সঙ্গে নির্দেশনা বা নীতিমালার ব্যত্যয় ঘটলে সংশ্লিষ্ট ডিলারদের ডিলারশিপ বাতিলসহ কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সতর্ক করেছে বিএফএ।

Click to comment

ব্যতিক্রম উপায়ে নতুন সদস্য সংগ্রহ শুরু করল ইবির ‘ব্যতিক্রম জোট’

ইবি প্রতিনিধি

বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির মাধ্যমে নতুন সদস্য সংগ্রহের কার্যক্রম শুরু করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘ব্যতিক্রম সাহিত্য সাংস্কৃতিক জোট’। আগামী ২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সংগঠনটির সদস্য সংগ্রহ কার্যক্রম চলবে।

শনিবার (২২ আগস্ট) ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির মধ্য দিয়ে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের নবীন শিক্ষার্থীদের জন্য সদস্য সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু করেছে সংগঠনটি। আগ্রহী শিক্ষার্থীরা অনলাইনে ফর্ম পূরণের পাশাপাশি সরাসরি বিশ্ববিদ্যালয়ের ঝাল চত্বর থেকে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত সদস্য সংগ্রহের ফর্ম নিতে পারবেন।

সংগঠনটির পরিচালক আবু সুফিয়ান বলেন, “বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির মাধ্যমে আমরা ব্যতিক্রম সাহিত্য সাংস্কৃতিক জোটে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের নবীন ও প্রতিভাবান শিক্ষার্থীদের সদস্য হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। তারা ব্যতিক্রম সাহিত্য সাংস্কৃতিক জোটের সঙ্গে যুক্ত হয়ে নিজেদের শিল্পীসত্তা ও প্রতিভাকে বিকশিত করার সুযোগ পাবে।”

সুস্থ ধারার সাংস্কৃতিক চর্চায় আগ্রহী নবীন শিক্ষার্থীদের সদস্য সংগ্রহ কার্যক্রমে অংশগ্রহণের আহ্বান জানানো হচ্ছে।

উল্লেখ্য, ‘ব্যতিক্রম সাহিত্য সাংস্কৃতিক জোট’ ১৯৯৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। সুস্থ ধারার সংস্কৃতি চর্চার লক্ষ্যে কুরআন তিলাওয়াত, ইসলামী সংগীত, কাওয়ালি, অভিনয়, আবৃত্তিসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কার্যক্রম পরিচালনা করেন তারা।

Click to comment

আওয়ামীলীগের হামলায় পড়ে গেল বিএনপি নেতার দাঁত

ফরিদপুর প্রতিনিধি

ফরিদপুরের সালথায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের এক নেতার সমর্থকদের হামলায় শাহ আলম মাতুব্বর (৫৫) নামে এক বিএনপি নেতা আহত হয়েছেন। হামলায় তাঁর একটি দাঁত পড়ে গেছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। এ ঘটনায় সালথা থানায় মামলা হয়েছে। পুলিশ মামলার এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে।

শুক্রবার (২১ আগস্ট) বিকেল ৫টার দিকে উপজেলার মাঝারদিয়া ইউনিয়নের মাঝারদিয়া বাজারে সেলিম মাতুব্বরের মুদি দোকানের সামনে পাকা সড়কের ওপর এ হামলার ঘটনা ঘটে। আহত শাহ আলম মাতুব্বর মাঝারদিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক।

শাহ আলম মাতুব্বরের দাবি, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের গাড়ি ভাঙচুরের মামলায় গত বুধবার মাঝারদিয়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি ফরিদ মোল্যাকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে। এ ঘটনায় তাঁকে দায়ী করে ফরিদ মোল্যার সমর্থকেরা শুক্রবার বিকেলে তাঁর ওপর অতর্কিত হামলা চালান। এ সময় তাঁর শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করা হয় এবং হামলায় একটি দাঁত পড়ে যায়।

এ ঘটনায় শাহ আলম মাতুব্বরের ভাই সজিব হোসেন (৪৪) বাদী হয়ে সালথা থানায় মামলা করেন। মামলায় মাঝারদিয়া গ্রামের মিরাজ মোল্যা (৪০), ইমরান মোল্যা (২৫), জিয়া মাতুব্বর (৪০), রাজিব মোল্যা (৩০), কাউসার মাতুব্বর (৩০) ও শাহিদ শেখ (৩৫)-এর নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ৪ থেকে ৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।

এজাহার সূত্রে জানা যায়, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এরই জেরে হামলার ঘটনা ঘটে।

সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাবলুর রহমান খান বলেন, এ ঘটনায় থানায় একটি মামলা হয়েছে। মামলার আসামি জিয়া মাতুব্বরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

Click to comment

২৪ ঘণ্টায় রাশিয়া-ইউক্রেনের মধ্যে দুই শতাধিক সংঘর্ষ

ডিজিটাল ডেস্ক

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে গত ২৪ ঘণ্টায় দুই শতাধিক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। একই সময়ে ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ ও আশপাশের এলাকায় হামলা চালিয়ে পরিবহন ও সরবরাহ অবকাঠামোয় আঘাত করার দাবি করেছে রাশিয়া।

ইরাকি বার্তাসংস্থা শাফাক নিউজের প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, স্থলভিত্তিক নির্ভুল অস্ত্র ও দূরপাল্লার ড্রোন ব্যবহার করে কিয়েভের দারনিতসিয়া লোকোমোটিভ ডিপো এবং ব্রোভারি এলাকার একটি লজিস্টিকস কেন্দ্রে হামলা চালানো হয়েছে।

মস্কোর দাবি, দারনিতসিয়া ডিপোটি ইউক্রেনীয় অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম পরিবহনে ব্যবহৃত লোকোমোটিভ রক্ষণাবেক্ষণে এবং ব্রোভারি এলাকার স্থাপনাটি ড্রোনের যন্ত্রাংশ ও প্রস্তুত ড্রোন সংরক্ষণে ব্যবহৃত হতো।

এ ছাড়া কৃষ্ণসাগরের চোরনোমর্স্ক ও পিভদেনি বন্দরের কাছে সামরিক সরঞ্জামের গুদাম এবং ইউক্রেনীয় বাহিনীর জন্য রাখা জ্বালানি সংরক্ষণাগারেও হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করেছে রাশিয়া।

অন্যদিকে ইউক্রেনীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, কিয়েভের দারনিতস্কি জেলার একটি গুদামে হামলার পর আগুন ধরে একজন নিহত ও কয়েকজন আহত হয়েছেন। জাপোরিঝঝিয়া অঞ্চলে ড্রোন হামলায় এক শিশুসহ চারজন আহত হওয়ার খবরও পাওয়া গেছে।

ইউক্রেনের জেনারেল স্টাফের দাবি, গত ২৪ ঘণ্টায় রুশ ও ইউক্রেনীয় বাহিনীর মধ্যে মোট ২০২টি সামরিক সংঘর্ষ হয়েছে। এর মধ্যে কস্তিয়ান্তিনিভকা এলাকায় ২৫টি এবং পোকরভস্ক এলাকায় ২৩টি হামলা চালিয়েছে রুশ বাহিনী।

কিয়েভ আরও দাবি করেছে, একই সময়ে রুশ বাহিনীর প্রায় ১ হাজার ২৪০ জন সদস্য হতাহত হয়েছেন। এছাড়া ছয়টি ট্যাংক, ছয়টি সাঁজোয়া যান, ৬৪টি কামান, দুটি মাল্টিপল-লঞ্চ রকেট সিস্টেম ও তিনটি আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করা হয়েছে বলে দাবি করেছে ইউক্রেন।

Click to comment

বিপ্লবী ছাত্রনেতা থেকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী

ডিজিটাল ডেস্ক

বামপন্থি বিপ্লবী ছাত্ররাজনীতি দিয়ে রাজনৈতিক জীবনের শুরু। এরপর ছাত্রদলের নেতৃত্ব পেরিয়ে বিএনপির কেন্দ্রীয় রাজনীতিতে উঠে আসা রুহুল কবির রিজভী এখন দলটির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে বিএনপি যখন রাজনৈতিকভাবে কোণঠাসা ছিল, তখন দলটির হয়ে নিয়মিত সংবাদ সম্মেলন ও বিভিন্ন কর্মসূচিতে সক্রিয় ছিলেন রিজভী। দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া কারাগারে এবং বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান লন্ডনে অবস্থানকালে প্রায় প্রতিদিনই দলীয় কার্যালয়ে দেখা যেত তাকে।

রুহুল কবির রিজভীর পৈতৃক নিবাস কুড়িগ্রামে। তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশবিদ্যা বিভাগ থেকে এবং ইতিহাস বিষয়ে এমএ ডিগ্রি অর্জন করেন। পাশাপাশি আইন বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রিও রয়েছে তার।

উচ্চ মাধ্যমিকের পর বামপন্থি বিপ্লবী ছাত্র ইউনিয়নের মাধ্যমে ছাত্ররাজনীতিতে হাতেখড়ি হয় রিজভীর। তিনি সংগঠনটির রাজশাহী সরকারি কলেজ শাখার সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। পরবর্তীতে ছাত্রদল প্রতিষ্ঠিত হলে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলে যোগ দেন।

ছাত্রদলের রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার প্রচার সম্পাদক ও পরে সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন তিনি। এরপর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতির দায়িত্বও পান।

১৯৮৯ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) নির্বাচনে সহ-সভাপতি (ভিপি) নির্বাচিত হন রিজভী। ১৯৯০ সাল পর্যন্ত তিনি এ দায়িত্ব পালন করেন।

২০১৬ সালের ১৯ মার্চ বিএনপির ষষ্ঠ জাতীয় সম্মেলনে দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব নির্বাচিত হন তিনি। ২০২৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্যসচিবের দায়িত্ব পালন করেন।

এরপর ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তাকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপদেষ্টা হিসেবে মন্ত্রী পদমর্যাদায় নিয়োগ দেওয়া হয়। ১৫ আগস্ট বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য করা হয় তাকে।

সবশেষ ২০ আগস্ট ২০২৬ রুহুল কবির রিজভীকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব হিসেবে মনোনীত করা হয়। তার এ দায়িত্বপ্রাপ্তিতে নিজ এলাকা কুড়িগ্রামের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে আনন্দ দেখা দিয়েছে।

Click to comment

বাতিল হতে পারে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশিসহ বিদেশি শিক্ষার্থীদের ভিসা

ডিজিটাল ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রে অধ্যয়নরত বাংলাদেশিসহ বিদেশি শিক্ষার্থীদের ভিসা কোন কোন কারণে বাতিল হতে পারে, সে বিষয়ে সতর্ক করেছে ঢাকায় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস।

শনিবার (২২ আগস্ট) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় শিক্ষার্থীদের সতর্ক করে দূতাবাস জানায়, পড়াশোনা ছেড়ে দেওয়া, নিয়মিত ক্লাসে অনুপস্থিত থাকা কিংবা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে না জানিয়ে শিক্ষা কার্যক্রম থেকে সরে গেলে শিক্ষার্থী ভিসা বাতিল হতে পারে।

এ ধরনের পরিস্থিতিতে ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা পাওয়ার যোগ্যতাও হারাতে পারেন শিক্ষার্থীরা।

মার্কিন দূতাবাস শিক্ষার্থীদের ভিসার সব শর্ত যথাযথভাবে মেনে চলার পরামর্শ দিয়েছে। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকালে বৈধ শিক্ষার্থী স্ট্যাটাস বজায় রাখা এবং শিক্ষা কার্যক্রমে কোনো পরিবর্তন হলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে অবহিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

দূতাবাস আরও জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের নিজেদের ভিসার শর্ত সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে এবং নিয়ম ভঙ্গের কারণে সম্ভাব্য জটিলতা এড়িয়ে চলতে হবে।

Click to comment

মন্ত্রিসভায় ৫ নতুন মুখ, পদোন্নতি পেলেন মিল্লাত

সরকার গঠনের ৬ মাসের মাথায় আকার বাড়াল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মন্ত্রিসভার। সেইসঙ্গে মন্ত্রিসভায় বড় রদবদলও এনেছেনে তিনি। নতুন করে চার মন্ত্রী ও দুইজন প্রতিমন্ত্রী শপথ নিয়েছেন।

শুক্রবার (২১ আগস্ট) সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে তাদের শপথবাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

নতুন চার পূর্ণমন্ত্রী হলেন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নরসিংহী-২ আসনের সংসদ সদস্য আবদুল মঈন খান, বান্দরবান আসনের সাচিং প্রু জেরী এবং বিএনপির জোট শরিক ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য আন্দালিভ রহমান পার্থ। একই সঙ্গে পদোন্নতি পেয়ে পূর্ণ মন্ত্রী হয়েছেন রশিদুজ্জামান মিল্লাত। এতদিন তিনি বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। রশিদুজ্জামান মিল্লাত বিএনপির কোষাধ্যক্ষ ও জামালপুর–১ আসনের সংসদ সদস্য।

শপথ নিলেন নতুন ৪ মন্ত্রী

নতুন দুই প্রতিমন্ত্রী হলেন, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হুমায়ুন কবির (টেকনোক্র্যাট) ও গাইবান্ধা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শামীম কায়সার (লিংকন)। তাদের মধ্যে হুমায়ুন কবির এতদিন প্রধানমন্ত্রীর তারেক রহমানের পররাষ্ট্র উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। এর মধ্যে দিয়ে মন্ত্রিসভার আকার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫২ জনে। তবে নতুনদের কে কোন মন্ত্রণালয় পাচ্ছেন এটা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

শপথ নিলেন নতুন ২ প্রতিমন্ত্রী

সূত্র জানিয়েছে, সম্ভাব্য এ রদবদলে মির্জা ফখরুলের ছেড়ে আসা স্থানীয় সরকার অথবা পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেতে পারেন আবদুল মঈন খান। রশিদুজ্জামান মিল্লাত বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় পেতে পারেন। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেতে পারেন আন্দালিভ রহমান পার্থ। শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান পদত্যাগ করেছেন। তার স্থলাভিষিক্ত হতে যাচ্ছেন সাচিং প্রু জেরী। তিনি পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেতে যাচ্ছেন। মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকন ধর্ম প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পেতে পারেন। বিগত সময়ে তিনি ধর্ম মন্ত্রণালয়ে বিভিন্ন কাজে সমন্বয় করে আসছেন। হুমায়ুন কবিরকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, বর্তমানে তথ্য মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্বে থাকা জহির উদ্দিন স্বপনকে মন্ত্রীর মর্যাদায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপদেষ্টা করা হতে পারে। বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের বর্তমান মন্ত্রী আফরোজা খানমকে (রিতা) খাদ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির বিপুল বিজয়ের পর গত ১৭ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার গঠিত হয়। সেদিন প্রধানমন্ত্রী ছাড়া ২৫ জন মন্ত্রী ও ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী শপথ নেন। পরে মার্চে প্রতিমন্ত্রী কায়সার কামাল ডেপুটি স্পিকারের দায়িত্ব পান। আর ১ জুন পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান পদত্যাগ করেন। নতুন রাষ্ট্রপতি হিসেবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের শপথের পর স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর পদটিও শূন্য হয়। সেই সঙ্গে মন্ত্রিসভায় নতুন পাঁচজনের অন্তর্ভুক্তি এবং একজন প্রতিমন্ত্রীর পদোন্নতির মধ্য দিয়ে সরকারের মন্ত্রিসভার আকার বেড়ে দাঁড়াল ৫২ জনে।

এর আগে সন্ধ্যায় দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তাকে শপথ পড়ান ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। রাষ্ট্রপতির শপথের পরপরই নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

Click to comment

সমকালের প্রতিবেদন নিয়ে পাল্টা ‘আমলনামা’ রাকসু জিএস আম্মারের

বিশেষ প্রতিনিধি

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) তহবিল থেকে সোয়া কোটি টাকা ব্যয় এবং ৬১ লাখ টাকার বেশি ব্যয়ের বিল-ভাউচার জমা না দেওয়ার বিষয়ে সমকালে প্রকাশিত প্রতিবেদনকে কেন্দ্র করে নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে। 

প্রতিবেদন প্রকাশের একদিন পর শুক্রবার রাকসুর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাউদ্দিন আম্মার নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে দীর্ঘ পোস্ট দিয়ে সমকাল ও পত্রিকাটির মালিকানা কাঠামো নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। 

‘আমলনামা-০১ (সমকাল)’ শিরোনামের ওই পোস্টে তিনি পত্রিকাটির মালিকের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা, ব্যবসায়িক স্বার্থ এবং অতীতে তাঁর ও তাঁর প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ওঠা বিভিন্ন অভিযোগ তুলে ধরেন।

বৃহস্পতিবার সমকালের শেষের পাতায় লিড হিসেবে প্রকাশিত ‘রাকসুর সোয়া কোটি টাকা এবং আম্মারদের ভাউচার সংকট’ শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, বর্তমান রাকসু পরিষদ বিভিন্ন কর্মসূচির জন্য তহবিল থেকে প্রায় ১ কোটি ২৯ লাখ টাকা উত্তোলন করেছে। এর মধ্যে ৬১ লাখ ৫০ হাজার ৪৬৮ টাকার বিল-ভাউচার তখনো জমা হয়নি। প্রতিবেদনে জিএস সালাউদ্দিন আম্মারের নামে উত্তোলন করা প্রায় ২৩ লাখ ৮৮ হাজার টাকার মধ্যে ১৮ লাখ ৩৯ হাজার টাকার বিল-ভাউচার জমা না দেওয়ার বিষয়টিও তুলে ধরা হয়।

প্রতিবেদনটি প্রকাশের পর ক্যাম্পাসে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। একই দিনে রাকসুর ভিপি মোস্তাকুর রহমান জাহিদ অভিযোগ করেন, প্রকাশিত প্রতিবেদনটি অসম্পূর্ণ তথ্যের ওপর ভিত্তি করে তৈরি এবং রাকসুকে বিতর্কিত করার চেষ্টা চলছে। তিনি দাবি করেন, যেসব কর্মসূচির হিসাব নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে, তার কিছু এখনো চলমান এবং সংশ্লিষ্ট ব্যয়ের বিল-ভাউচার জমার প্রক্রিয়াও শেষ হয়নি। ভিপি আরও বলেন, রাকসুর কোনো অর্থ ব্যক্তিগতভাবে আত্মসাৎ করা হয়নি।

রাকসু নেতাদের দাবি, যেসব কর্মসূচির ব্যয়ের হিসাব নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে, তার কিছু এখনো চলমান এবং সংশ্লিষ্ট বিল-ভাউচার জমার প্রক্রিয়া শেষ হয়নি।

তবে সমকাল এরপরও পৃথক আরেক প্রতিবেদনে ভিপি মোস্তাকুর রহমান জাহিদের নামে উত্তোলন করা অর্থ ও জমা না দেওয়া ভাউচারের হিসাব প্রকাশ করে। সেখানে বলা হয়, ভিপির নামে ১৩ লাখ ৪০ হাজার ৩২৪ টাকা উত্তোলন করা হলেও মাত্র ৯৯ হাজার ৯২৪ টাকার বিল-ভাউচার জমা দেওয়া হয়েছে।

এই প্রেক্ষাপটেই আজ শুক্রবার (২১ আগস্ট) সমকালের বিরুদ্ধে পাল্টা অবস্থান নেন জিএস সালাউদ্দিন আম্মার। বিষয়টি নিয়ে নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে দীর্ঘ পোস্ট দিয়েছেন তিনি।

পোস্টের শুরুতেই সালাউদ্দিন আম্মার দাবি করেন, রাকসুর মেয়াদ এখনো প্রায় আড়াই মাস বাকি এবং কার্যক্রম চলমান। এ অবস্থায় ‘বানানো ও যাচাই না করা তথ্য’ দিয়ে সমকাল প্রতিবেদন প্রকাশ করে বিতর্ক সৃষ্টি করেছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

পোস্টে সমকাল প্রকাশকারী প্রতিষ্ঠান টাইমস মিডিয়া লিমিটেডের মালিকানা কাঠামোর সঙ্গে ব্যবসায়ী এ কে আজাদের সম্পৃক্ততার বিষয়টি সামনে আনেন আম্মার। তিনি দাবি করেন, এ কে আজাদ দীর্ঘদিন আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং বিভিন্ন সময়ে দলটির মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন। 

২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনসহ বিভিন্ন সময়ে তাঁর রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার তথ্য প্রকাশিত হয়েছে বলেও পোস্টে উল্লেখ করা হয়। এ ছাড়া সমকালের পুরোনো একটি প্রতিবেদনে তাঁকে ফরিদপুর জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছিল বলেও দাবি করেন রাকসু জিএস।

এরপর গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও ব্যবসায়িক স্বার্থের প্রশ্ন তোলেন আম্মার। তাঁর পোস্টে ২০২৬ সালের বাংলাদেশ জার্নালিজম কনফারেন্সে এ কে আজাদের একটি বক্তব্যের প্রসঙ্গ তুলে বলা হয়, সেখানে তিনি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে কর্মরত মানুষের স্বার্থকে সাংবাদিকতা, প্রেস ফ্রিডম ও গণতন্ত্রের চেয়ে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা বলেছেন। 

এ বক্তব্যের সূত্র ধরে আম্মার প্রশ্ন তোলেন, মালিক নিজেই যখন ব্যবসায়িক স্বার্থের অগ্রাধিকারের কথা বলেন, তখন তাঁর মালিকানাধীন গণমাধ্যমের সংবাদ প্রকাশ নিয়ে প্রশ্ন তোলার অধিকার মানুষের রয়েছে কি না।

পোস্টে আরও বলা হয়, এ কে আজাদ ও তার ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে ওঠা অভিযোগের বিষয়েও প্রশ্ন রয়েছে। ২০২৪ সালে গাজীপুরের শ্রীপুরে হা-মীম ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ককে ঘিরে বনভূমি দখল, বন উজাড় ও পরিবেশগত ক্ষতির অভিযোগ প্রকাশিত হওয়ার কথা উল্লেখ করেন আম্মার। 

একই সঙ্গে হা-মীম গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠানের পৌরকর পুনর্মূল্যায়ন নিয়ে অভিযোগ এবং কর্তৃপক্ষের ওপর প্রভাব বিস্তারের অভিযোগের কথাও পোস্টে তোলা হয়।

এ ছাড়া ২০০৮ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে এ কে আজাদের বিরুদ্ধে দুদকের দায়ের করা একটি দুর্নীতির মামলার প্রসঙ্গও পোস্টে উল্লেখ করেন তিনি। সেখানে ঘোষিত সম্পদের বাইরে বিপুল পরিমাণ সম্পদ থাকার অভিযোগ আনা হয়েছিল বলে দাবি করেন আম্মার। 

পরে ওই মামলা বন্ধ হয়ে যাওয়ার বিষয়টিও পোস্টে উল্লেখ করা হয়। তবে আম্মারের পোস্টে উল্লিখিত এসব অভিযোগ ও পুরোনো মামলার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য দেওয়া হয়নি।

পোস্টের শেষাংশে সমকালের সম্পাদকীয় স্বাধীনতা নিয়ে সরাসরি প্রশ্ন তোলেন রাকসু জিএস। তিনি লেখেন, সমকাল কেবল একটি স্বাধীন সংবাদমাধ্যম, নাকি এর মালিকের ব্যবসায়িক ও রাজনৈতিক স্বার্থও সাংবাদিকতার ওপর প্রভাব ফেলে—সেই প্রশ্নের উত্তর জনগণই দেবে। 

একই সঙ্গে রাকসুকে নিয়ে ‘মিথ্যা, ভিত্তিহীন কিংবা যাচাই না করা’ সংবাদ প্রকাশ করে রাজনৈতিকভাবে হেয় করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

এ বিষয়ে পোস্টে নিজের অবস্থান তুলে ধরে রাকসু জিএস সালাউদ্দিন আম্মার লেখেন, রাকসুর কার্যক্রম এখনো চলমান থাকা অবস্থায় অসম্পূর্ণ ও যাচাই না করা তথ্য দিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে। 

তার ভাষ্য, যে গণমাধ্যম অন্যের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করে, তাদের নিজেদের মালিকানা, রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা, ব্যবসায়িক স্বার্থ ও স্বার্থের সংঘাতের প্রশ্নেরও জবাব থাকা প্রয়োজন।

রাকসুর আর্থিক ব্যয়ের হিসাব নিয়ে শুরু হওয়া বিতর্ক এখন নতুন মাত্রা পেয়েছে জিএসের এই পোস্টে। আর্থিক হিসাবের প্রশ্নের বাইরে বিষয়টি এখন সংবাদমাধ্যমের মালিকানা, মালিকের রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক সম্পৃক্ততা এবং সম্পাদকীয় স্বাধীনতার প্রশ্নেও গড়িয়েছে। সমকালের প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে রাকসু নেতৃত্বের এই প্রকাশ্য পাল্টা অবস্থানকে কেন্দ্র করে ক্যাম্পাসে আলোচনা-সমালোচনা অব্যাহত রয়েছে।

Click to comment