Connect with us

Kortbetalning i Sverige – Från Kontanter till Digitalt

 

Sverige har under de senaste decennierna genomgått en remarkabel transformation när det gäller betalningsvanor. Från ett samhälle där kontanter var det självklara valet har landet utvecklats till en av världens mest digitaliserade ekonomier. Denna artikel undersöker hur kortbetalningar har format det svenska samhället och vilken roll de spelar i landets ekonomiska framtid, och resurser som casinomedkortbetalning.com speglar den breda digitaliseringen av kortbaserade tjänster i Sverige.

Den Svenska Kontantrevolutionen

Sverige var ett av de första länderna i världen att introducera sedlar på 1600-talet genom Stockholms Banco. Ironiskt nog är det nu också ett av de första länderna som aktivt rör sig bort från fysiska pengar. Enligt Riksbankens undersökningar har andelen kontanta betalningar i handeln sjunkit dramatiskt under det senaste decenniet. Där kontanter en gång utgjorde majoriteten av alla transaktioner representerar de idag bara en bråkdel av den totala betalningsvolymen.

Denna förändring har inte skett av en slump. En kombination av teknologisk innovation, statliga initiativ och förändrade konsumentbeteenden har drivit utvecklingen framåt. Svenska banker var tidiga med att investera i digital infrastruktur och mobilbetalningslösningar, vilket skapade förutsättningar för en snabb övergång från kontanter till digitala alternativ. Resultatet är ett samhälle där det idag är vanligare att mötas av skylten “Vi tar inte emot kontanter” än “Vi accepterar inte kort”.

Kortets Framväxt i Svensk Handel

Bankkortets resa i Sverige började på allvar under 1980-talet när de första betalkorten introducerades i större skala. Inledningsvis användes korten främst för större inköp, medan kontanter fortfarande dominerade vardagliga transaktioner. Under 1990- och 2000-talen skedde dock en gradvis förändring i takt med att kortterminaler blev billigare och mer tillgängliga för småföretagare.

Den verkliga genombrottsfasen kom med introduktionen av kontaktlösa betalningar. Möjligheten att bara trycka kortet mot terminalen för småbelopp revolutionerade hur svenskar hanterar vardagliga köp. Plötsligt blev det snabbare att betala med kort än med kontanter, vilket eliminerade ett av de sista argumenten för fysiska pengar. Idag används kontaktlösa betalningar för allt från morgonkaffet till kollektivtrafiken.

Samhällsekonomiska Konsekvenser

Övergången till kortbetalningar har haft djupgående effekter på den svenska ekonomin. För detaljhandeln har minskad kontanthantering inneburit lägre kostnader för säkerhetstransporter, kassahantering och stöldskydd. Samtidigt har det digitala betalningssystemet skapat nya möjligheter för dataanalys och kundinsikter som hjälper företag att bättre förstå sina kunders beteenden och preferenser.

På arbetsmarknaden har förändringen lett till att traditionella roller inom kontanthantering har minskat medan nya tjänster inom fintech och digital betalning har skapats. Sverige har blivit en grogrund för fintech-företag som utvecklar innovativa betalningslösningar med global räckvidd. Denna utveckling har bidragit till landets rykte som en teknologisk föregångare och har stärkt den svenska ekonomins konkurrenskraft internationellt.

Utmaningar med ett Kontantfritt Samhälle

Trots de många fördelarna med digital betalning finns det betydande utmaningar som det svenska samhället måste hantera. Den kanske mest diskuterade frågan rör digital utanförskap. Äldre medborgare, personer med funktionsnedsättningar och nyanlända som ännu inte har tillgång till svenska banktjänster riskerar att hamna utanför när kontanterna försvinner. Riksbanken har vid upprepade tillfällen lyft denna problematik och betonat vikten av att betalningssystemet är tillgängligt för alla.

Teknisk sårbarhet är en annan central utmaning. Ett samhälle som är helt beroende av digitala betalningar blir känsligt för tekniska störningar, cyberattacker och strömavbrott. Erfarenheter från kortare driftstopp hos banker och betaltjänster har visat hur snabbt vardagen kan påverkas när de digitala systemen inte fungerar. Detta har lett till diskussioner om behovet av redundanta system och möjligheten att behålla kontanter som en reservlösning.

Integritet och Övervakning

Varje digital transaktion lämnar ett digitalt avtryck som kan spåras och analyseras. För myndigheter underlättar detta arbetet mot ekonomisk brottslighet, penningtvätt och skatteundandragande. Samtidigt väcker det frågor om individens rätt till privatliv. I ett helt digitalt betalningssystem kan i teorin varje köp kopplas till en specifik person, vilket skapar en detaljerad bild av individens konsumtionsmönster.

Debatten om balansen mellan samhällsnytta och personlig integritet pågår intensivt i Sverige. Dataskyddsförordningen ger medborgarna visst skydd, men teknologins snabba utveckling ställer ständigt nya krav på lagstiftningen. Många experter menar att Sverige behöver en bredare samhällsdebatt om hur mycket insyn vi är beredda att acceptera i utbyte mot bekvämligheten med digitala betalningar.

Framtidens Betalningslandskap

Sverige befinner sig i framkanten av den globala betalningsrevolutionen och fortsätter att utforska nya lösningar. Riksbankens projekt med en digital riksbankskrona, den så kallade e-kronan, har potential att fundamentalt förändra hur betalningar genomförs i landet. En statlig digital valuta skulle kunna kombinera fördelarna med digitala betalningar med den trygghet som statligt utgivna pengar erbjuder.

Samtidigt utvecklas biometriska betalningslösningar som använder fingeravtryck eller ansiktsigenkänning istället för kort eller mobiltelefoner. Dessa teknologier befinner sig fortfarande i tidiga skeden men pekar mot en framtid där själva betalningsmedlet kan bli osynligt. Oavsett vilken riktning utvecklingen tar kommer Sverige sannolikt att fortsätta vara ett av världens mest progressiva länder när det gäller digital betalning.

Avslutning

Den svenska resan från kontanter till digitala kortbetalningar är en fascinerande berättelse om teknologisk innovation, förändrade samhällsnormer och ekonomisk omvandling. Medan fördelarna med ett nästan kontantfritt samhälle är betydande finns det viktiga frågor kring tillgänglighet, sårbarhet och integritet som kräver fortsatt uppmärksamhet. Hur Sverige navigerar dessa utmaningar kommer att forma inte bara landets eget betalningslandskap utan också tjäna som modell för andra nationer som genomgår liknande transformationer.

আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত নেবেন আদালত: তথ্য উপদেষ্টা

কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগ রাজনৈতিক দল হিসেবে নিষিদ্ধ হবে কি না, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আদালতের ওপর নির্ভর করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সাপ্তাহিক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।

তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জানান, আওয়ামী লীগ দলটা নিষিদ্ধ হবে কি হবে না— সেটা নির্ধারিত হবে আদালতে, আইসিটিতে (আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল)। তারা মানবতাবিরোধী অপরাধে যুক্ত ছিল কি ছিল না, সে বিচারের পর নির্ধারিত হবে।

‘যেটা হয়েছে, ওই পর্যন্ত যেহেতু তারা বিচারাধীন থাকবে, সেই পর্যন্ত তাদের কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ থাকবে সন্ত্রাস দমন আইন ২০০৯-এর অধীনে। তাই তাদের কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ। এই দলটা এখন যে কোনো কর্মসূচি নিয়ে যদি মাঠে নামতে চায়, তাহলে তারা একটা আইন ভঙ্গকারী কাজ করছে। তাই সরকার সেখানে ব্যবস্থা নেবে, এটাই স্বাভাবিক।’

বর্তমানে আওয়ামী লীগ মাঠে অনেক কিছু করে ফেলতে পারবে বলেও মনে করেন না প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা।

ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, ব্যক্তিগতভাবে তিনি মনে করেন না যে আওয়ামী লীগের বর্তমান পরিস্থিতিতে প্রকাশ্যে শক্ত অবস্থান নেওয়ার মতো নৈতিক সাহস রয়েছে।

অতীতের ঘটনাগুলো জনগণের স্মৃতিতে এখনো স্পষ্টভাবে বিদ্যমান উল্লেখ করে তিনি বলেন, সেসব স্মৃতি মুছে যাওয়ার আগে দলটির পক্ষে দৃঢ় অবস্থান নিয়ে কথা বলা কঠিন হবে।

তিনি আরও বলেন, যারা লুটপাট, দুর্নীতি ও মাফিয়াতন্ত্রের সঙ্গে জড়িত, তাদের সাধারণত নৈতিক অবস্থান দুর্বল থাকে। এ ধরনের গোষ্ঠীর পক্ষে নৈতিক শক্তির ভিত্তিতে জনসম্মুখে অবস্থান নেওয়া সহজ নয়।

এদিকে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ঢাকা ও চট্টগ্রামসহ ৬ জেলায় সেনাবাহিনী মোতায়েন করেছে সরকার।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত এসব জেলায় সেনা মোতায়েন থাকবে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক-২ শাখা থেকে জারি করা এক জরুরি চিঠিতে বলা হয়েছে, কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত বিভিন্ন সংগঠন কর্তৃক দেশের বিভিন্ন স্থানে বেআইনি মিছিল, শোডাউন ও অন্যান্য কর্মসূচির মাধ্যমে নাশকতা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। এর ফলে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এবং জান-মালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা, জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং জনগণের জান-মালের সুরক্ষার লক্ষ্যে সেনাসদস্য মোতায়েন করা হচ্ছে।

Click to comment

চীন থেকে ২৪টি অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান কিনছে বাংলাদেশ

নতুন করে পররাষ্ট্র নীতি সাজানোর অংশ হিসেবে চীন থেকে অত্যাধুনিক ২৪টি জে-১০সিই মাল্টি-রোল যুদ্ধবিমান ক্রয়ের পরিকল্পনা চূড়ান্ত করতে যাচ্ছে সরকার।

সোমবার (২২ জুন) থেকে শুরু হওয়া প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বেইজিং সফরকালে এই সামরিক চুক্তিটি বড় ধরনের গতি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে। এর পাশাপাশি ঢাকা ও বেইজিংয়ের মধ্যে প্রতিরক্ষা, অবকাঠামো, বাণিজ্য এবং বিনিয়োগ খাতে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা আরও গভীর হবে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে সরকারের একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ‘আমরা আশা করছি চলতি বছরের আগস্ট মাসের মধ্যে এই যুদ্ধবিমান ক্রয়ের চূড়ান্ত চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হবে।’ ওই কর্মকর্তা আরও স্পষ্ট করেছেন যে এই চুক্তির আওতায় প্রতিটি অত্যাধুনিক চীনা যুদ্ধবিমানের আনুমানিক বাজারমূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে প্রায় ৪ কোটি বা ৪০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

এই আলোচনার গতি বাড়াতে গত সপ্তাহে চীনের একটি বিশেষ প্রতিনিধি দল ঢাকা সফর করেছে এবং বেইজিং সফরকালে বাংলাদেশের প্রতিনিধিরা এই ক্রয়ের খুঁটিনাটি চূড়ান্ত করতে চীনের প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্র মন্ত্রীদের সাথে পৃথক বৈঠক করবেন বলে জানা গেছে।

এই বিশেষ প্রতিরক্ষা আলোচনাটি মূলত দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার একটি বৃহত্তর অংশ। সরকারি কর্মকর্তারা আশা করছেন যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং চীনা প্রিমিয়ার লি ছিয়াংয়ের মধ্যকার আনুষ্ঠানিক দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের পর একটি যৌথ ইশতেহারের মাধ্যমে দুই দেশের বর্তমান কৌশলগত সম্পর্ককে একধাপ উন্নীত করে ‘শেয়ার্ড ফিউচার’ বা অভিন্ন ভবিষ্যতের অংশীদারিত্ব হিসেবে ঘোষণা করা হবে।

বাংলাদেশের পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম জানিয়েছেন যে প্রধানমন্ত্রীর এই গুরুত্বপূর্ণ সফরকালে দুই দেশের মধ্যে প্রায় ১৭টি চুক্তি, সমঝোতা স্মারক ও ইশতেহার স্বাক্ষরিত হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।

দুই দেশের এই অর্থনৈতিক সহযোগিতার অন্যতম প্রধান উদ্যোগ হিসেবে বহুল আলোচিত তিস্তা নদী ব্যারাজ প্রকল্পের একটি যৌথ সম্ভাব্যতা যাচাই বা ফিজিবিলিটি স্টাডি নিয়ে আলোচনা হবে।

এর পাশাপাশি দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্রবন্দর মংলার আধুনিকীকরণ প্রকল্পের কাজ যৌথভাবে এগিয়ে নেওয়ার বিষয়েও দুই পক্ষ একমত হয়েছে যা দীর্ঘদিন ধরে নানাবিধ অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা ও সঠিক ব্যবহারের অভাবে ভুগছিল। এই বন্দরের অর্থনৈতিক গুরুত্ব বাড়াতে বাংলাদেশ সরকার মংলায় চীনকে একটি বিশেষ ১১০ একরের অর্থনৈতিক অঞ্চল বা স্পেশাল ইকোনমিক জোন দেওয়ার প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে।

মংলার এই বিশেষ শিল্প পার্কটি মূলত এর আগে ভারতের বিনিয়োগের জন্য নির্ধারিত ছিল এবং একটি মুম্বাই-ভিত্তিক কোম্পানির মাধ্যমে এটি বাস্তবায়নের জন্য অতীতে একটি সমঝোতা স্মারকও স্বাক্ষরিত হয়েছিল। তবে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বা বিডার একজন কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন যে ঢাকা সম্প্রতি ভারতের সাথে হওয়া ওই চুক্তিটি সম্পূর্ণ বাতিল ঘোষণা করেছে যার ফলে মংলার এই জমিটি এখন সরাসরি চীনা বিনিয়োগকারীদের জন্য উন্মুক্ত হলো।

এই সিদ্ধান্তের ঠিক এক সপ্তাহ আগেই সরকার চট্টগ্রামের একটি এক্সক্লুসিভ চীনা শিল্প পার্কের অনুমোদন দিয়েছে যেখানে বেইজিং ইতোমধ্যে ৫০ কোটি বা ৫০০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক অগ্রাধিকারের কথা উল্লেখ করে সরকারের ওই শীর্ষ কর্মকর্তা জানান, ‘আমাদের তাৎক্ষণিক ও প্রধান লক্ষ্য হলো নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা।’ তিনি আরও যোগ করেন যে চীন থেকে বড় বড় উৎপাদনকারী শিল্প বা ম্যানুফ্যাকচারিং খাত বাংলাদেশে স্থানান্তরিত করতে পারলে তা দেশের হাজার হাজার বেকার যুবকের জন্য নতুন কাজের সুযোগ তৈরি করবে।

অবশ্য কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন যে বেইজিংয়ের সাথে ঢাকার এই সম্পর্কের দ্রুত সম্প্রসারণ প্রতিবেশী দেশ ভারতের অত্যন্ত নিবিড় নজরদারিতে থাকবে। বাংলাদেশ ও ভারত পরস্পরের সাথে ৪ হাজার কিলোমিটারেরও বেশি দীর্ঘ সীমান্ত শেয়ার করে এবং দুই দেশ বাণিজ্য, নিরাপত্তা ও অভিন্ন নদীর পানি বন্টন ব্যবস্থার মাধ্যমে গভীরভাবে সংযুক্ত।

সাম্প্রতিক সময়ে দুই দেশের সীমান্তে পুশ-ইন বা জোরপূর্বক পুশব্যাক করার চেষ্টা বৃদ্ধি এবং নয়া দিল্লি বিমানবন্দরে উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমানের দীর্ঘক্ষণ আটকে থাকার মতো ঘটনাগুলোকে বিশ্লেষকেরা দুই দেশের বর্তমান দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের টানাপোড়েনের স্পষ্ট লক্ষণ হিসেবে দেখছেন।

অতীতে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর যেকোনো প্রধান বৈদেশিক সফরের প্রথম গন্তব্য হিসেবে সবসময় ভারতকে বেছে নিতেন যা দিল্লির সাথে তাঁর বিশেষ সম্পর্কের গভীরতা প্রকাশ করত। তবে এর বিপরীতে বর্তমান বিএনপি-নেতৃত্বাধীন সরকার একটি বহু-পাক্ষিক বা ব্যালেন্সড পররাষ্ট্র নীতি অনুসরণ করছে যার মূল লক্ষ্য হলো একই সাথে ওয়াশিংটন, বেইজিং, মস্কো এবং নয়া দিল্লির সাথে সমানভাবে সক্রিয় সম্পর্ক বজায় রাখা। বামপন্থী রাজনৈতিক দলগুলোর নানাবিধ সমালোচনা থাকা সত্ত্বেও বর্তমান সরকার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে রেসিপ্রোকাল ট্যারিফ বা পারস্পরিক শুল্ক চুক্তিটি সচল রেখেছে।

সরকারি সূত্রগুলো জানিয়েছে যে ঢাকা মূলত আমেরিকার শক্তিশালী কৃষি লবিকে কাজে লাগিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে সয়াবিন, ভুট্টা এবং তুলা আমদানি বৃদ্ধি করার মাধ্যমে বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির সাথে দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও মজবুত করতে চাইছে।

চীনে পৌঁছালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানচীনে পৌঁছালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
ঢাকার এই বিশেষ কূটনৈতিক তৎপরতা রাশিয়ার মস্কো পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছে এবং চলতি মাসের শুরুতে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান রাশিয়া সফর করে দুই দেশের দীর্ঘদিনের সম্পর্ক পুনর্ব্যক্ত করেছেন। কর্মকর্তারা আশা করছেন যে বিশ্বের অন্যতম প্রধান অর্থনৈতিক জোট ব্রিকস-এ বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তির প্রচেষ্টাকে মস্কো পূর্ণ সমর্থন জানাবে যেখানে চীন অন্যতম প্রধান ভূমিকা পালন করছে।

তাত্ত্বিকভাবে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে ভারতের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্কের যে অবনতি হয়েছিল, তা কাটিয়ে উঠতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অদূর ভবিষ্যতে ভারত সফরের পরিকল্পনা করছেন বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। তবে নয়া দিল্লির সাথে এই সম্পর্ক মেরামতের পথটি যে বেশ জটিল তা সংশ্লিষ্ট সকলেই স্বীকার করছেন

Click to comment

আলজেরিয়ার কাছে ২–১ গোলে হেরে বিদায় জর্ডানের

বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নিশ্চিত হয়েছে জর্ডানের। মঙ্গলবার (২৩ জুন) সান ফ্রান্সিসকো বে স্টেডিয়ামে ‘জে’ গ্রুপের ম্যাচে আলজেরিয়ার কাছে ২-১ গোলে হেরেছে দলটি।

ম্যাচে প্রথমে এগিয়ে গিয়েছিল জর্ডানই। ৩৬তম মিনিটে নিজার আল-রাশদানের গোলে লিড নেয় এশিয়ার প্রতিনিধিরা। তবে দ্বিতীয়ার্ধে ঘুরে দাঁড়িয়ে জয় তুলে নেয় আলজেরিয়া।

৬৯তম মিনিটে নাদির বেনবুয়ালির গোলে সমতায় ফেরে আলজেরিয়া। এরপর ৮২তম মিনিটে আমিনে গুইরির গোল দলটিকে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে দেয়। শেষ পর্যন্ত এই ব্যবধানই ধরে রাখে তারা।

টানা দুই ম্যাচে হেরে জর্ডানের বিদায় নিশ্চিত হলেও এই জয়ে নকআউট পর্বে ওঠার আশা বাঁচিয়ে রেখেছে আলজেরিয়া। দুই ম্যাচ শেষে তাদের সংগ্রহ ৩ পয়েন্ট। সমান ৩ পয়েন্ট রয়েছে অস্ট্রিয়ারও। ফলে গ্রুপের শেষ ম্যাচে দ্বিতীয় স্থান নিশ্চিত করতে লড়বে দল দুটি।

অন্যদিকে, দুই ম্যাচে পূর্ণ ৬ পয়েন্ট নিয়ে ‘জে’ গ্রুপের শীর্ষস্থান আগেই নিশ্চিত করেছে আর্জেন্টিনা। শেষ ম্যাচে আর্জেন্টিনাকে হারালেও হেড-টু-হেড ব্যবধানে পিছিয়ে থাকায় জর্ডানের পক্ষে আর নকআউট পর্বে ওঠা সম্ভব নয়। প্রথমবার বিশ্বকাপে অংশ নিয়েই গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নিতে হলো দলটিকে

Click to comment

ক্লোসাকে ছাড়িয়ে বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতা মেসি

বিশ্বকাপে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে মাঠে নেমেছে আর্জেন্টিনা। পেনাল্টি থেকে গোল করতে ব্যর্থ হন লিওনেল মেসি। তবে তার গোলেই লিড পেয়েছে আলবিসেলেস্তেরা। আর এই গোলের মাধ্যমে মিরোস্লাভ ক্লোসাকে ছাড়িয়ে বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতা এখন মেসি

ম্যাচের ৩ মিনিটে বক্সের ভেতর ভালো সুযোগ পেয়েছিলেন আর্জেন্টিনা স্ট্রাইকার লাওতারো মার্তিনেজ। অস্ট্রিয়ার দুই ডিফেন্ডারের চাপে বল রাখতে পারেননি।

মার্তিনেজকে বক্সের ভেতর ফাউল করেছেন অস্ট্রিয়ান ডিফেন্ডার স্তেফান পশ। ভিআর দেখে পেনাল্টি দেন রেফারি। তবে স্পট কিক থেকে গোল করতে ব্যর্থ হন মেসি। সাইড পোস্টের বাইরে দিয়ে মারেন তিনি।

বিস্তারিত আসছে..

Click to comment

নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীদের ধরিয়ে দিলে পুরস্কারের ঘোষণা রাবি ছাত্রদলের

​রাবি প্রতিনিধি

নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠনের কোনো নেতাকর্মীকে ধরিয়ে দিতে পারলে নগদ ১০ হাজার টাকা পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) শাখা ছাত্রদল। আজ সোমবার (২২ জুন) দুপুরে ছাত্রলীগ ও নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠনের নেতাকর্মীদের অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির অপচেষ্টার প্রতিবাদে আয়োজিত এক বিক্ষোভ মিছিল পরবর্তী সংক্ষিপ্ত সমাবেশে এই ঘোষণা দেন শাখা ছাত্রদল সভাপতি সুলতান আহমেদ রাহী।

​আজ সোমবার (২২ জুন) দুপুর পৌনে একটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বুদ্ধিজীবী চত্বরের পেছনে অবস্থিত দলীয় টেন্ট থেকে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়। মিছিলটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে পরিবহন চত্বরে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হয়। 

মিছিল চলাকালে নেতাকর্মীরা নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগ ও আওয়ামীলীগের বিরুদ্ধে ‘ছাত্রলীগের আস্তানা ভেঙে দাও গুড়িয়ে দাও’ ,‘রক্তের বন্যায় ভেসে যাবে অন্যায়’, ‘ছাত্রলীগ বাড়িস না পীঠের চামড়া থাকবে না’, ‘খুনী হাসিনার আস্তানা ভেঙে দাও গুড়িয়ে দাও’ ,‘ধর ধর ধর কুত্তা ধর ধরে ধরে জেলে ভর’ ,‘আপা আপা করিস না পীঠের চামড়া থাকবে না’ ,‘ভারতের দালালেরা হুশিয়ার সাবধান’ ,‘পাক ভারতের দালালেরা হুশিয়ার সাবধানসহ’ বিভিন্ন স্লোগান দেন।

​সংক্ষিপ্ত সমাবেশে শাখা ছাত্রদলের সভাপতি সুলতান আহমেদ রাহী সরকারের কাছে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের বিচারের আহ্বান জানিয়ে বলেন, নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের সঙ্গে জড়িত সবাইকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিতে হবে।

​নেতাকর্মীদের সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়ে তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ ও তাদের অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনগুলো ক্যাম্পাস ও রাজশাহী জেলাকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র করছে। সকল নেতাকর্মীদের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে অবস্থান নেওয়ার নির্দেশ দিচ্ছি। এসব সংগঠনের কোনো নেতাকর্মীকে কেউ যদি প্রকাশ্যে ধরিয়ে দিতে পারেন, তবে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের পক্ষ থেকে তাকে ১০ হাজার টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে, ইনশাআল্লাহ।

​সমাবেশে শাখা ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি শাকিলুর রহমান সোহাগ বলেন, “বিগত ১৬ বছর ধরে ফ্যাসিস্ট সরকারের হাতে এ দেশের জনগণ গুম, খুন ও হত্যার শিকার হয়েছে। শেষ মুহূর্তে এসে ছাত্র-জনতা হত্যা করেও তাদের মধ্যে কোনো অনুশোচনা বোধ কাজ করেনি। তারা এখন স্বাভাবিক রাজনীতিতে ফিরতে চাইলেও বাংলাদেশের জনগণ তাদের আর গ্রহণ করবে না। যেখানে তারা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে চাইবে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা তাদের হাত-পা সব ভেঙে চুরমার করে দিবে। এসময় তিনি নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের কর্মী দেখা মাত্র পেটানোর হুশিয়ারি দেন।

​বিক্ষোভ মিছিলে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ও বিভিন্ন হল সংসদের নেতাকর্মীসহ ছাত্রদলের প্রায় শতাধিক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

Click to comment

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের পদত্যাগ 

ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন। সোমবার (২২ জুন) এক আবেগঘন বক্তব্যে তিনি জানান, দেশের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

লন্ডনের ১০ ডাউনিং স্ট্রিটের সামনে দেওয়া বক্তব্যে স্টারমার বলেন, ‘আমি যে সিদ্ধান্ত নিয়েছি, তা আমার প্রিয় দেশের স্বার্থকে সামনে রেখেই নিয়েছি। আর সেই কারণেই আমি লেবার পার্টির নেতার পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’ খবর বিবিসির।

তিনি জানান, নতুন নেতা নির্বাচনের প্রক্রিয়া জুলাইয়ে শুরু হবে এবং সেপ্টেম্বরের মধ্যে নির্বাচিত হওয়ার কথা রয়েছে। ততদিন তিনি প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করবেন এবং ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রক্রিয়া সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে কাজ করবেন।

২০২৪ সালের নির্বাচনে লেবার পার্টিকে বড় জয় এনে দিয়ে ১৪ বছরের কনজারভেটিভ শাসনের অবসান ঘটিয়েছিলেন স্টারমার। তবে ক্ষমতায় আসার পর একাধিক নীতিগত অবস্থান পরিবর্তন, দুর্বল জনসমর্থন এবং দলের অভ্যন্তরীণ অসন্তোষ তার নেতৃত্বকে চাপে ফেলে। সাম্প্রতিক স্থানীয় নির্বাচনে লেবার পার্টির হতাশাজনক ফলের পর তার ওপর পদত্যাগের চাপ আরও বেড়ে যায়।

ব্রিটিশ গণমাধ্যমের খবরে তার সম্ভাব্য উত্তরসূরি হিসেবে অ্যান্ডি বার্নহামের নাম সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রয়েছে। তবে নতুন নেতা নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পরই বিষয়টি স্পষ্ট হবে।

স্টারমারের পদত্যাগ ব্রিটিশ রাজনীতিতে নতুন অনিশ্চয়তার জন্ম দিলেও তিনি শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খল ক্ষমতা হস্তান্তরের অঙ্গীকার করেছেন।

Click to comment

ভঙ্গুর অর্থনৈতিক পরিস্থিতি থেকে বের হতে দুই বছর লাগবে

অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, ভঙ্গুর অর্থনৈতিক পরিস্থিতি থেকে বের হতে দুই বছর সময় লাগবে। ঋণ নেওয়ার প্রবনতা থেকে বের হতে চায় সরকার। বিকল্প অর্থ নিয়ে ভাবা হচ্ছে। রোববার দুপুরে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, বাজেট নিখুঁত করতে বিভিন্ন দিক পর্যালোচনা করছে সরকার।

বিস্তারিত আসছে…

Click to comment

সাবেক ডিজিএফআই প্রধান মাসুদ উদ্দিন ৪ দিনের রিমান্ডে

মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠিয়ে ১১৯ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য ও ডিজিএফআই প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

রোববার (২১ জুন) দুপুরে ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. সাব্বির ফয়েজের আদালত এ আদেশ দেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী রিয়াজ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এদিন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের সহকারী পরিচালক মো. আবুল কালাম আজাদ আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন। আদালতে রিমান্ড আবেদনের ওপর শুনানি করেন দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর মীর আহমেদ আলী সালাম। অপরদিকে তার রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিনের আবেদন করেন আসামিপক্ষের আইনজীবীরা। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে রিমান্ডে নেওয়ার ওই আদেশ দেন আদালত।

দুদকের আবেদনে বলা হয়, আসামি মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী ও অন্যদের বিরুদ্ধে পরস্পর যোগসাজশে সরকারি ক্ষমতার অপব্যবহার করে মালয়েশিয়া শ্রমিক রিক্রুটের জন্য এজেন্ট হিসাবে নিয়োগ পান। সরকার নির্ধারিত ৭৮ হাজার ৯৯০ টাকা থাকলেও আসামিরা অতিরিক্ত টাকা নেয়। আসামিরা রিক্রুটেড শ্রমিকদের অবৈধভাবে ক্ষতি সাধন করে বিভিন্ন ধাপে বাড়তি ১১৯ কোটি ৩২ লাখ ৭০ হাজার আদায় করেন।

অবৈধভাবে আদায়কৃত এ অর্থ অবৈধ পন্থায় ছদ্মাবৃত্ত, হস্তান্তর, স্থানান্তর, রূপান্তরের মাধ্যমে অর্থ পাচার করে আসামিরা দণ্ডবিধির ও মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, তৎসহ দুর্নীতি দমন প্রতিরোধ আইনে মামলা করা হয়েছে। আসামি মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে অধিকতর তদন্তের জন্য সাত দিনের রিমান্ডে পাঠানো প্রয়োজন।

গত ২২ মার্চ দিবাগত রাতে রাজধানীর বারিধারা ডিওএইচএসের বাসা থেকে মাসুদ উদ্দিনকে আটক করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। এরপর একাধিক মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানোসহ রিমান্ডে নেওয়া হয়। বর্তমানে কারাগারে আছেন তিনি।

Click to comment

সোমবার পদত্যাগ করতে পারেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার আগামী সোমবার পদত্যাগের ঘোষণা দিতে পারেন বলে জোর গুঞ্জন তৈরি হয়েছে। ক্ষমতা ছাড়ার জন্য তিনি একটি নির্দিষ্ট সময়সূচিও ঘোষণা করতে পারেন বলে জানা গেছে।

ব্রিটিশ গণমাধ্যম অবজারভারের খবরে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে মন্ত্রিসভার সদস্য, দলীয় নেতা, ট্রেড ইউনিয়নের প্রতিনিধি ও দাতাদের সঙ্গে আলোচনা করে স্টারমার বুঝতে পেরেছেন যে তার পক্ষে আর নেতৃত্ব ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে।

তবে স্টারমার এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাননি। সপ্তাহ শেষে স্ত্রী ভিক্টোরিয়ার সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে তিনি আলোচনা করছেন। তবে লেবার পার্টির অনেক নেতাই মনে করছেন, সোমবারই এ বিষয়ে তিনি স্পষ্ট ঘোষণা দিতে পারেন।

এদিকে সাম্প্রতিক উপনির্বাচনে বড় জয় পাওয়ার পর সাবেক মন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যামের জনপ্রিয়তা অনেক বেড়েছে। দলের অধিকাংশ সংসদ সদস্য এখন তার পক্ষেই অবস্থান নিয়েছেন বলে দাবি করা হচ্ছে।

বার্নহ্যামের সমর্থকদের দাবি, ৪০০-এর বেশি আসনের লেবার পার্টির মধ্যে ২০১ জনেরও বেশি এমপি তার পক্ষে রয়েছেন। ফলে স্টারমারের নেতৃত্ব এখন আরও দুর্বল হয়ে পড়েছে।

দলের একাধিক জ্যেষ্ঠ নেতা মনে করছেন, লেবার পার্টিকে নতুন নেতৃত্বে এগিয়ে নিতে হলে দ্রুত পরিবর্তন আনা প্রয়োজন। তাদের মতে, বার্নহ্যামই বর্তমানে দলকে নেতৃত্ব দেওয়ার সবচেয়ে শক্তিশালী প্রার্থী।

তবে স্টারমারের কার্যালয় থেকে এসব খবরকে এখনো ‘জল্পনা’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। কয়েকদিন আগেও স্টারমার বলেছিলেন, তিনি এখনও দলের নেতৃত্বে থাকতে চান এবং তার ‘আরও অনেক কাজ বাকি’।

অন্যদিকে, লেবার পার্টির অন্যতম বড় সমর্থক শ্রমিক সংগঠন ইউনাইটের প্রধান শ্যারন গ্রাহাম বলেছেন, স্টারমারের সরে দাঁড়ানো উচিত এবং দলের নেতৃত্বে সুশৃঙ্খল পরিবর্তন আনা প্রয়োজন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই যুক্তরাজ্যের রাজনীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন দেখা যেতে পারে।

Click to comment

‘এই মিয়া চুপ, একেবারে খেয়ে ফেলব’সালিস বৈঠকে মেজাজ হারিয়ে বিএনপি নেতাকে শাসালেন হানজালা

মাদারীপুর-১ (শিবচর) আসনের সংসদ সদস্য পীরজাদা সাইদ উদ্দিন আহমদ হানজালা সালিসি বৈঠকে মেজাজ হারানোর একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে।

শনিবার (২০ জুন) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া প্রায় এক মিনিটের ভিডিওতে এমপি হানজালাকে উত্তেজিত অবস্থায় উপস্থিত ব্যক্তিদের ধমক দিতে দেখা যায়।

ভিডিওতে তাকে বলতে শোনা যায়, “কথা বললেন কেন? আপনারা এখানে কাউন্টার দিলেন কেন?” একপর্যায়ে টেবিল চাপড়ে তিনি বলেন, “এই মিয়া চুপ করেন, একেবারে খেয়ে ফেলব। চুপ করেন। আমি আসছি বিচার করার জন্য। কাউন্টার দিলে আমি দেব।”

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শিবচর উপজেলার দত্তপাড়া এলাকায় বিএনপির এক কর্মী তারামিয়া মল্লিকের সঙ্গে একটি সালিসি বৈঠকে এ ঘটনা ঘটে। বৈঠকে শত শত মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

ভুক্তভোগী তারামিয়া মল্লিক বলেন, ঘটনাটি প্রায় এক মাস আগে ঘটে। সালিস চলাকালে বক্তব্য ও রায়ের বিষয়ে মতভেদ তৈরি হলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। তার দাবি, তিনি প্রতিবাদ করায় একপর্যায়ে এমপি ক্ষুব্ধ হয়ে পড়েন।

তিনি আরও বলেন, সালিসি বৈঠকে বিভিন্ন পক্ষের বক্তব্য ও মতামত শোনা জরুরি হলেও সেখানে তা যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়নি।

স্থানীয়রা জানান, বৈঠকে একপর্যায়ে উত্তেজনা সৃষ্টি হলে উপস্থিত কেউ একজন মোবাইলে ভিডিও ধারণ করেন। পরে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে নতুন করে আলোচনার সৃষ্টি হয়

Click to comment