Connect with us

Surveys in e-commerce: a tool for analyzing customer behavior

Abandoned baskets and a low repeat purchase rate are destroying the economics of online shopping. The introduction of feedback forms at the checkout stages reveals hidden barriers preventing the customer from completing the transaction.
Marketers collect primary data through trigger mailings and pop-ups. Analyzing the responses received helps to adjust the usability of the site and optimize logistics chains.
Collecting data at the abandoned bucket stage
The user closes the product tab due to complicated registration or hidden fees. An automatic email with a short survey is sent 2 hours after leaving the site, recording the exact reason for the refusal.
The form contains one closed question with multiple choice answers. Common failure triggers include:
– high cost of courier delivery;
– lack of the required payment method in the gateway;
– technical failures when applying the promo code.
Adding the "Own option" text field allows you to catch layout bugs on specific smartphone models. For completing the survey, the system generates a discount coupon of 5 percent for the buyer’s refund.
Evaluation of the NPS loyalty index after delivery
Satisfaction with the service is measured three days after receiving the parcel. The client evaluates the willingness to recommend the store on a scale from 0 to 10 points.
Dividing the audience into segments determines the further communication strategy:
– critics leave scores from 0 to 6 points and require an immediate call from the operator;
– neutrals put seven or eight points, needing loyalty programs;
– promoters with scores of nine and 10 points are ready to generate reviews on third-party platforms.
The support service processes negative questionnaires within 24 hours. A prompt solution to a problem with a defective product or delayed delivery time converts a critic into a loyal customer.
Integration of feedback forms into the store’s interface
Pop-up widgets are configured based on the depth of the catalog view. If the visitor stays on the product card for more than 3 minutes, the system offers to answer two questions about the completeness of the technical characteristics.
Business owners upload survey results to a CRM system to enrich their customer profile. Personalization of product distribution based on the collected data reduces the cost of attracting a lead and increases the conversion rate to a purchase. E-sports betting continues to grow rapidly, and having extra funds gives you a competitive edge. To claim your advantage, simply use 1xbet free promo code during the simple registration process on the 1xBet website or mobile app. This powerful code unlocks a 200% welcome bonus up to €/$130 on your first deposit, usable across all e-sports titles available on the platform. You can bet on tournaments with returns up to 20% on your wagers, and the bonus calendar for e-sports gives you regular opportunities to maximize your winnings.

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মাঠে অপ্রতিমের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত

কুবি প্রতিনিধি:

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের ছেলে, হত্যার শিকার কিশোর ইশরাত শাহরিয়ার অপ্রতিমের প্রথম জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ মাঠে জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী, শিক্ষার্থীসহ বিপুলসংখ্যক সাধারণ মানুষ অংশ নেন।

জানাজার আগে অপ্রতিমের বাবা কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার আবেগাপ্লুত হয়ে বলেন, “আপনাদের ছেলে আপনাদের ভালোবাসায় বড় হয়েছিল। আমি ওর বাবা হিসেবে সবার কাছে ক্ষমা চাইছি। ও যদি কোনো ভুল করে থাকে, তাহলে আমার ছেলেকে ক্ষমা করে দেবেন এবং তার জন্য দোয়া করবেন, যাতে আল্লাহ তার আত্মার মাগফিরাত করেন।”

জানাজা শেষে উপস্থিত সবাই অপ্রতিমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

উল্লেখ্য, গত শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টার দিকে মায়ের মোবাইল ফোন নিয়ে ছবি তুলতে বের হয়ে নিখোঁজ হয় অপ্রতিম। এরপর পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও পুলিশ প্রশাসন বিভিন্ন স্থানে তার সন্ধানে তল্লাশি চালায়।

নিখোঁজ হওয়ার প্রায় ২১ ঘণ্টা পর শনিবার দুপুরে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে মরদেহ কুমিল্লা সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে ময়নাতদন্ত শেষে রাত সাড়ে ৮টার দিকে তা পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

Click to comment

ইবিতে আন্তঃবিভাগ ও আন্তঃহল ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে

ইবি প্রতিনিধি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) আগামীকাল অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আন্তঃবিভাগ ও আন্তঃহল ফুটবল টুর্নামেন্ট।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) শরীর চর্চা ও শিক্ষা বিভাগের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) ড. শেখ মোস্তাফিজুর রহমান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

বিজ্ঞপ্তি সূত্রে জানা যায়, উক্ত প্রতিযোগিতায় ৩৬টি বিভাগ ও ৫ টি হলের (ছাত্র) শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করতে পারবে। এছাড়াও সকল বিভাগ ও হলের ফিকচার তালিকা প্রকাশ করা হয়।

উক্ত কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. এ. এস. এম. সরফরাজ নওয়াজ -এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ.কে. এম মতিনুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন উপ-উপচার্য অধ্যাপক ড. মো. এমতাজ হোসেন ও কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. ইদ্রিস আলী। এছাড়াও সকল অনুষদের ডিন, বিভাগের সভাপতি, হল প্রভোস্ট সহ কর্মকর্তা-কর্মচারী উপস্থিত থাকবেন।

এ বিষয়ে শরীর চর্চা ও শিক্ষা বিভাগের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) ড. শেখ মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, “আগামীকাল সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য খেলা উদ্বোধন করবেন। খেলার মাঠ সম্পূর্ণ প্রস্তুত নিয়মমাফিক খেলা পরিচালিত হবে বলে আশা করছি।”

Click to comment

উপাচার্য বরাবর ইবি ছাত্রশিবিরের স্মারকলিপি, আন্দোলনের হুঁশিয়ারি

ইবি প্রতিনিধি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) আবাসিক হলগুলোতে অবৈধভাবে অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের অপসারণ, মেধার ভিত্তিতে সিট বণ্টন ও শিক্ষার্থীবান্ধব আবাসিক পরিবেশ নিশ্চিত করাসহ নয় দফা দাবিতে উপাচার্য বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবির।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুর ৩ টার দিকে প্রশাসন ভবনে উপাচার্য অধ্যাপক ড. একেএম মতিনুর রহমান বরাবর স্মারকলিপি দেন সংগঠনটির নেতারা।

তাদের দাবিসমূহ- আবাসিক হলে অবৈধভাবে অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের দ্রুততম সময়ের মধ্যে শনাক্ত করে নিয়ম অনুযায়ী অপসারণ, কোনো রাজনৈতিক পরিচয় বা দলীয় সুপারিশ ভিত্তিতে হলে সিট বরাদ্দ বন্ধ করা, সিট বণ্টনের ক্ষেত্রে একটি সুস্পষ্ট, স্থায়ী ও লিখিত নীতিমালা প্রণয়ন, প্রতিটি হলের সিট বণ্টনের তালিকা যথাযথভাবে প্রকাশ করা, প্রতি ৬ (ছয়) মাস পরপর হলগুলোর সিট বরাদ্দের প্রক্রিয়া নিশ্চিতকরণ, ক্যাম্পাসে বহিরাগতদের প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ করে আবাসিক হলসহ শিক্ষার্থীদের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, রাজনৈতিক অপচর্চামুক্ত ও শিক্ষার অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিতকরণ, ডাইনিংগুলোতে সুষম ও মানসম্মত খাদ্য এবং স্বাস্থ্যকর পরিবেশ নিশ্চিতকরণ ও সাম্প্রতিক ঘটনাবলির পরিপ্রেক্ষিতে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনকে কার্যকর, নিরপেক্ষ ও দৃশ্যমান ব্যবস্থা গ্রহণ ইত্যাদি রয়েছে।

শাখা ছাত্রশিবির সভাপতি ইউসুব আলী বলেন, “আমরা আজকে ভিসি স্যারের সাথে হল সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে কথা বলেছি। হলের বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরেছি। বিশেষ করে গত ৫ সেপ্টেম্বর ঘটে যাওয়া একটি অপ্রীতিকর ঘটনা এবং পরবর্তীতে ক্যাম্পাসে অশান্ত পরিবেশ জন্য অন্যতম কারণ হলো হল গুলোতে অনিয়ম এবং বিশেষ করে হলে অবৈধ শিক্ষার্থী অবস্থান। জিয়া হলে অনেক শিক্ষার্থী অবৈধ ভাবে অবস্থান করছে। পাশাপাশি শাহ আজিজুর রহমান হলে দুই বছর যাবৎ অ্যালটমেন্ট দেওয়া হচ্ছে না। কিন্তু অবৈধভাবে শিক্ষার্থী তোলা হচ্ছে।
আমরা এ সমস্যাগুলো হল প্রশাসনকে বারবার জানিয়েছি কিন্তু হল প্রশাসন কোন ব্যবস্থা নেয় নি। তারই প্রেক্ষিতে আমরা আজ উপাচার্য বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছি। আমরা নিয়মতান্ত্রিকভাবে উপাচার্য পর্যন্ত আসছি। আশা করি তিনি দ্রুত পদক্ষেপ নিবেন এবং এই সমস্যা সমাধান করবেন।”

তিনি আরও বলেন, ”আমাদের দাবি আদায় যদি না হয়, তাহলে আমরা শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে নামবো। আমাদের দাবি না আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমরা থামবো না।”

এসময় সংগঠনটির নেতৃবৃন্দের উদ্দেশ্য করে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান বলেন, “শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শান্তিশৃঙ্খলার জন্য যে পদক্ষেপগুলো নেওয়া উচিত আমি সেগুলো নিচ্ছি।”

তিনি আরও বলেন, “তোমাদের দাবিগুলোর সাথে আমার মতের কোন বিরোধ নেই। কিন্তু আমি দেখতেছি হল প্রশাসন কোন দায়িত্ব না নিয়ে সব সময় প্রশাসনের কাঁধে চাপিয়ে দিচ্ছে। সেখানে তারা যদি প্রাথমিক সমস্যাগুলো চিহ্নত করতে পারত তাহলে সেটা ভালো হতো। আমি এ বিষয় নিয়ে তাদের সাথে বসবো।”

সিট বরাদ্দের বিষয়ে তিনি বলেন, “আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজাল্ট অনুযায়ী যারা এগিয়ে থাকবে তাদেরকে সিট বরাদ্দ দিব, আর বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজাল্ট হওয়ার আগে যদি সিট বরাদ্দের পর্যায় আসে তাহলে উচ্চ মাধ্যমিকের রেজাল্ট অনুযায়ী সিট বরাদ্দ দিব।”

Click to comment

দেশে এমন কিছু অনন্য গল্প আছে যা পৃথিবীর অন্য কোথাও নেই: রেদওয়ান রনি

​রাবি প্রতিনিধি:

বাংলাদেশে এমন কিছু অনন্য গল্প রয়েছে যা পৃথিবীর অন্য কোথাও নেই বলে মন্তব্য করেছেন দেশের জনপ্রিয় চলচ্চিত্র নির্মাতা ও ওটিটি প্ল্যাটফর্ম চরকি’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) রেদওয়ান রনি। তিনি বলেন, চলচ্চিত্রের মাধ্যমেই এসব গল্প ছড়িয়ে দেওয়া সম্ভব।

​শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ম্যাজিক লন্ঠন’ আয়োজিত ‘চলচ্চিত্র নির্মাণের লম্বা রেস: সৃজনশীল অংশীদারিত্বে নির্মাতা ও প্রযোজক’ শীর্ষক এক কথামালা অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি। বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ১২৩ নং কক্ষে চলচ্চিত্রবিষয়ক পত্রিকা ‘ম্যাজিক লণ্ঠন’–এর ‘কথামালা-১৪’ আসরে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রেদওয়ান রনি।

​রেদওয়ান রনি বলেন, দেশের চলচ্চিত্র নির্মাণের ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধতার পাশাপাশি যে বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে, সেগুলোকে কাজে লাগাতে হবে। এখন আমরা যেসব কোরিয়ান চলচ্চিত্র দেখি তা ২০ বছর আগেও এমন ছিলো না। আমাদেরও সময় দরকার।

চরকির যাত্রা সম্পর্কে এই নির্মাতা বলেন, ‘এক সময় আমাদের দেশীয় কোনো ওটিটি প্ল্যাটফর্ম ছিল না। ফলে বিদেশী প্ল্যাটফর্মগুলোতে আমাদের কোটি কোটি টাকা চলে যেত। তাছাড়াও তারা আমাদের চলচ্চিত্রকে আমাদের মতো করে উপস্থাপন করত না। সেই থেকেই চেয়েছিলাম যেন আমাদের নিজস্ব প্ল্যাটফর্ম থাকে। এ চিন্তা থেকেই শুরু হয় চরকি’র যাত্রা।’

​নতুনদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘যারা নতুন কাজ করতে চায় তারা যেন তাদের দক্ষতা বৃদ্ধির দিকে আরও বেশি গুরুত্ব দেয়। প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করতে পারলে অন্যান্য সুযোগ কোনো না কোনোভাবে তৈরি হয়ে যাবে।’

​পাইরেসি নিয়ে তিনি বলেন, ‘পাইরেসি বন্ধ করতে না পারা একটি দুঃখজনক বিষয়। ফেসবুক বা ইউটিউবের মতো প্ল্যাটফর্মে যখন পাইরেসি হয়, তখন আমরা এসব প্ল্যাটফর্মের নিয়মানুযায়ী অভিযোগ দিলে তারা ভিডিও সরিয়ে নেয়। কিন্তু যেসব প্ল্যাটফর্মের কোনো নির্দিষ্ট নাম বা ঠিকানা থাকে না, সেসব প্ল্যাটফর্ম থেকে পাইরেসি বন্ধ করার ক্ষেত্রে আমাদের সীমাবদ্ধতা আছে। এক্ষেত্রে সরকারের পর্যাপ্ত সক্ষমতা থাকলেও অনেক সময় তা সফল হয় না। আমরা বারবার তথ্য মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ করছি। তাদের আরও ভালো ও দ্রুত পদক্ষেপ দরকার।’

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ম্যাজিক লণ্ঠন সদস্য জেরিন আল জান্নাত। আয়োজনে সমাপনী বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও ম্যাজিক লণ্ঠন সম্পাদক কাজী মামুন হায়দার। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন সংগঠনের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

মাহমুদুল হাসান (নোমান)
১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
০১৫১৬৫০৯৪১৭

Click to comment

শাবিপ্রবিতে ‘সাস্ট হাফ ম্যারাথনের’ রেজিস্ট্রেশন শুরু, ইভেন্ট ১৫ জানুয়ারি

শাবিপ্রবি প্রতিনিধি

সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) ফিটনেস বিষয়ক সংগঠন ‘সাস্ট ফিটনেস ক্লাব’-এর মেগা ইভেন্ট ‘সাস্ট হাফ ম্যারাথন’-এর রেজিস্ট্রেশন শুরু হয়েছে।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার অব এক্সিলেন্স ভবনে এর উদ্বোধন করেন হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হকৃবি) উপাচার্য ও সাস্ট ফিটনেস ক্লাবের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. মোজাম্মেল হক।

আয়োজক সূত্রে জানা যায়, আগামী ২০২৭ সালের ১৫ জানুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের গোলচত্বর থেকে এই হাফ ম্যারাথন শুরু হবে। এবারের ম্যারাথনে ২১.১, ৭.৫ ও ১.৫(কিডস) এই তিনটি ক্যাটাগরিতে রানাররা অংশ নিতে পারবেন। এর মধ্যে ২১.১ ও ৭.৫ কিলোমিটার ক্যাটাগরিতে শিক্ষার্থী (সাস্টিয়ান) ও সাধারণ (জেনারেল) প্রতিযোগীদের জন্য আলাদা রেজিস্ট্রেশনের ব্যবস্থা রয়েছে।

এবারের ম্যারাথনে ২১.১ কিমি সাস্টিয়ানদের জন্য ১,২০০ টাকা এবং জেনারেলদের জন্য ১,৪০০ টাকা, ৭.৫ কিমি সাস্টিয়ানদের জন্য ১,০০০ টাকা এবং জেনারেলদের জন্য ১,২০০ টাকা এবং ১.৫ কিমি (কিডস ক্যাটাগরি) জন্য ১,০০০ টাকা রেজিস্ট্রেশন ফি রাখা হয়েছে।

প্রতিযোগিতায় ১.৫ কিমি (কিডস) ক্যাটাগরিতে ব্যতিত বাকি দুইটি ক্যাটাগরিতে নারী ও পুরুষদের আলাদাভাবে প্রথম থেকে তৃতীয় স্থান অর্জনকারী পর্যন্ত প্রাইজমানি দেওয়া হবে। এছাড়া ভেটেরান রানার ও কিডস ক্যাটাগরিতেও প্রথম থেকে তৃতীয় স্থান পর্যন্ত প্রাইজমানি প্রদান করা হবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন শাবিপ্রবির উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. জি এম রবিউল ইসলাম, লোকপ্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক ও ক্লাবের উপদেষ্টা ড. সামিউল ইসলাম, শারীরিক শিক্ষা দপ্তরের কর্মকর্তা ও ক্লাবের উপদেষ্টা শরীফ সোহাগ, ক্লাবের ফাউন্ডিং মেম্বার নুরুহ হক, সিলেটের বিভিন্ন রানার্স কমিউনিটির প্রতিনিধি এবং ক্লাবের সাবেক ও বর্তমান সদস্যরা।

ম্যারাথন সম্পর্কে সাস্ট ফিটনেস ক্লাবের সভাপতি জিল্লুর রহমান জিলন বলেন, ‘‘আজকে আমাদের সাস্ট হাফ ম্যারাথন-২০২৭ এর রেজিস্ট্র্রেশন শুরু হয়েছে। আমাদের বিগত যে ইভেন্টগুলো হয়েছে সেগুলো দেশের সকল রানারদের কাছে অনেক বেশী প্রশংসিত হয়েছে। আমরা এবার আমাদের সেই ধারাবাহিকতা রক্ষা করে রানারদের আরও সুন্দর ইভেন্ট উপহার দিতে পারব বলে আশাবাদী। আমাদের এই ইভেন্টে সকল রানারদের স্বত;স্ফুর্ত অংশগ্রহণ আশা করছি। এছাড়া ইভেন্ট নিয়ে রানারদের যে কোন ধরণের পরামর্শ আমরা সাধরে গ্রহণ করবো।’’

Click to comment

‘আমার তো একটাই ছেলে, আমি কেমনে আমার জীবন কাটাবো?’

অলটাইম ডেস্ক

কুমিল্লায় চাকরি করতে আসাটাই কি অপরাধ ছিল? একমাত্র ছেলে ইশায়েক শাহরিয়ার অপ্রতিমের মরদেহ উদ্ধারের পর বাসায় এভাবে আহাজারি করছিলেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগম।

কান্নায় ভেঙে পড়ে তিনি বলেন, ‘আমি বাঁচব কেমনে, আমি কেমনে আমার জীবন কাটাব।’ নিহত অপ্রতিমের বাবার আহাজারি থেকে জানা যায়, একটি মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার জন্যই তার ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে বলে তিনি মনে করছেন।

গত শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তুলতে যাওয়ার কথা বলে বাসা থেকে বের হয় ১৩ বছর বয়সী অপ্রতিম। এরপর আর বাসায় ফেরেনি সে। এ ঘটনায় তার বাবা কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের পাশের লালমাই সানন্দা পাহাড় এলাকার একটি জঙ্গল থেকে অপ্রতিমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারের সময় তার মাথায় আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়।

একমাত্র ছেলেকে হারিয়ে বুক চাপড়ে কাঁদছিলেন অপ্রতিমের বাবা। তিনি বলেন, ‘ও কোনো অন্যায় করলে তাকে মেরে ফেলত, কিন্তু ও তো অন্যায় করেনি। শুধু ফোন নেওয়ার জন্য ওকে মেরে ফেলল।’

ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে সদর আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী অপ্রতিমের বাসায় গিয়ে পরিবারের সদস্যদের সমবেদনা জানান। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, এলাকার জনপ্রতিনিধি হিসেবে তিনি লজ্জিত ও দুঃখিত। প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে আগামী ৯০ দিনের মধ্যে এই হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি।

এদিকে কোটবাড়ি থানার পরিদর্শক মহিবুল আলম ভূঁইয়া জানান, সন্দেহভাজন হিসেবে সানন্দা এলাকার নুরুল আলমের ছেলে তুহিনকে আটক করেছে পুলিশ।

কুমিল্লার পুলিশ সুপার আনিসুজ্জামান জানান, পুলিশের একাধিক দল ঘটনাটি তদন্তে কাজ করছে। আটক সন্দেহভাজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। প্রকৃত হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার না করা পর্যন্ত তদন্ত অব্যাহত থাকবে।

Click to comment

কুমিল্লায় অপ্রতীম হত্যাকাণ্ডের একাধিক ক্লু পাওয়া গেছে: পুলিশ সুপার

অলটাইম ডেস্ক

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক নাহিদা বেগমের ছেলে ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতীম হত্যাকাণ্ডে একাধিক ক্লু পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আনিসুজ্জামান।

শনিবার বিকালে কুমিল্লার পুলিশ সুপার আনিসুজ্জামান বলেন, হত্যাকাণ্ডে সম্পৃক্ত সন্দেহে একাধিক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। দ্রুততম সময়ের মধ্যেই আলোচিত এ হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন হতে পারে। 

তিনি বলেন, অপ্রতীম নিখোঁজ হওয়ার পর থেকেই পুলিশের একাধিক টিম মাঠে নামে। এ হত্যাকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ একাধিক ক্লু পাওয়া গেছে। হত্যাকাণ্ডটির পেছনে শুধু আইফোন ছিল, নাকি অন্য কোনো উদ্দেশ্য ছিল তা দ্রুত উদ্ঘাটন করা হবে। হত্যাকাণ্ডে যতজনই জড়িত থাকুক তাদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।

সদর দক্ষিণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বলেন, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। কয়েকজন পুলিশ হেফাজতে আছে।

তবে তাদের নাম তদন্তের স্বার্থে এখনই বলা যাবে না। লাশ উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

তবে একাধিক সূত্রে জানা গেছে, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে তুহিন নামে এক যুবকের সম্পৃক্ততা থাকতে পারে। ওই যুবকই বিকাল থেকে অপ্রতীমের সঙ্গে ছিল। সে পুলিশ হেফাজতে রয়েছে। 

এর আগে মায়ের আইফোন নিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তুলতে বেরিয়ে নিখোঁজ হয় ১৩ বছর বয়সি অপ্রতীম। শনিবার দুপুরে কুমিল্লার কোটবাড়ি এলাকার দক্ষিণ মোড়ের দক্ষিণ পাশের একটি জঙ্গল থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। তার মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

অপ্রতীম বর্ডারগার্ড পাবলিক স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী। সে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগম ও কে এম ফিরোজ শাহরিয়ারের একমাত্র সন্তান।

এর আগে শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে সদর দক্ষিণ থানাধীন ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের কোটবাড়ি এলাকার বাসা থেকে মায়ের আইফোন নিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তুলতে বের হয় অপ্রতীম। এরপর আর বাড়ি ফেরেনি সে। বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও সন্ধান না পেয়ে ওইদিন সদর দক্ষিণ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন তার বাবা কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার।

নিখোঁজের পর থেকেই অপ্রতীমকে উদ্ধারে স্বজনদের পাশাপাশি পুলিশও তৎপর ছিল। তার সর্বশেষ অবস্থান এবং কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের আশপাশের এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করছিল পুলিশ।

অপ্রতীমের লাশের প্রথম প্রত্যক্ষদর্শী আবদুল কাদের জিলানী বলেন, আমরা বাঁশ কাটার জন্য এখানে এসেছিলাম। হাতে ঘড়ি বা সঙ্গে মোবাইল ছিল না। সময়টা আনুমানিক সাড়ে ১০টা থেকে সাড়ে ১১টা হবে। আমাকে ছেলে বলছিল ওখানে কেউ ঘুমায়। ভালোভাবে খেয়াল করে দেখি ওর মাথায় জখম আছে। ভয় পেয়ে যাই। একটু পর মামুন নামে একজনের সঙ্গে দেখা হয়। 

তিনি বলেন, ম্যাডামের ছেলে নিখোঁজ। আমরা এ ঘটনা খুলে বলতেই তিনি ঘটনাস্থলে যান। গিয়ে দেখেন অপ্রতীমের মরদেহ পড়ে আছে।

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক আবদুল হাকিম বলেন, ঘটনার পর থেকেই আমরা পুলিশ, ডিবি, স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়নসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিভিন্ন ইউনিটের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য, আমরা ছেলেটিকে আর জীবিত পেলাম না। তার সঙ্গে থাকা মায়ের আইফোনটিও পাওয়া যায়নি।

এদিকে হত্যাকাণ্ডের খবর পাওয়ার পর ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান স্থানীয় সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী। তিনি দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।

Click to comment

অপ্রতিমের হত্যাকারীকে গ্রেপ্তারে ১২ ঘণ্টার আলটিমেটাম

সানজিদা আক্তার সাথী, কুবি

কুমিল্লায় কিশোর অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় বিক্ষোভ মিছিল করেছেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এ সময় হত্যাকারীকে গ্রেপ্তারে পুলিশ প্রশাসনকে ১২ ঘণ্টার আলটিমেটাম দেন তারা। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে হত্যাকারীকে গ্রেপ্তার করা না হলে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধের হুঁশিয়ারি দেন শিক্ষার্থীরা।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে এ কর্মসূচি পালন করেন তারা।

এ সময় শিক্ষার্থীরা ‘বিচার চাই, বিচার চাই—অপ্রতিম হত্যার বিচার চাই’, ‘আমার ভাই মরলো কেন—প্রশাসন জবাব দে’, ‘নাহিদা ম্যাম কাঁদছে কেন—প্রশাসন জবাব চাই’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন।

বিক্ষোভ মিছিল শেষে বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী অঞ্জন রায় বলেন, ‘এত বড় একটা ঘটনা ঘটে গেছে, অথচ পুলিশ প্রশাসনের কোনো ভ্রুক্ষেপ নেই। ঘটনাস্থলে এমপি চলে আসেন, কিন্তু পুলিশ প্রশাসন উপস্থিত হতে পারে না। এটা খুবই লজ্জাজনক।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা প্রশাসনকে ১২ ঘণ্টার আলটিমেটাম দিচ্ছি। ১২ ঘণ্টার মধ্যে খুনিকে গ্রেপ্তার করা না হলে আমরা কোটবাড়ি বিশ্বরোড অবরোধ করব। এরপরও ব্যবস্থা নেওয়া না হলে সারা বাংলাদেশ ব্লকেড করে দেব।’

প্রসঙ্গত, শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টার দিকে মায়ের মোবাইল ফোন নিয়ে ছবি তুলতে বের হয়ে নিখোঁজ হয় কিশোর অপ্রতিম। নিখোঁজ হওয়ার পর পরিবারের সদস্য, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও পুলিশ প্রশাসন বিভিন্ন স্থানে তার সন্ধানে খোঁজাখুঁজি করেন। প্রায় ২১ ঘণ্টা পর শনিবার দুপুরে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় সন্দেহভাজন একজনকে আটক করেছে পুলিশ।

Click to comment

পরিচ্ছন্নতায় শুধু কর্মচারী নয়, শিক্ষার্থীদেরও এগিয়ে আসতে হবে: বাকৃবি উপাচার্য

বাকৃবি প্রতিনিধি

শুধু কর্মচারীদের ওপর নির্ভর না করে শিক্ষার্থীদেরও নিজেদের রুম, হল, বাগান ও আশপাশের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখার অভ্যাস গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম সরদার।

শনিবার ‘বিশ্ব পরিচ্ছন্নতা দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে ক্যাম্পাসে আয়োজিত এক সচেতনতামূলক আলোচনা, র‍্যালি ও পরিচ্ছন্নতা অভিযানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে পরিবেশবাদী সংগঠন ‘গ্রিন বিএইউ-ক্লিন বিএইউ’-এর উদ্যোগে এই কর্মসূচি পালিত হয়।

উপাচার্য বলেন, “ক্যাম্পাসের বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলো পরিচ্ছন্ন রাখার বিষয়ে আরও গুরুত্ব দিতে হবে। ক্যাম্পাস পরিচ্ছন্ন রাখতে শুধু একদিনের কর্মসূচি যথেষ্ট নয়, নিয়মিত ও সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। প্রত্যেকে নিজের জায়গাটুকু পরিষ্কার রাখলে পুরো ক্যাম্পাসই পরিচ্ছন্ন হয়ে উঠবে।”

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ‘গ্রিন বিএইউ-ক্লিন বিএইউ’-এর সভাপতি অধ্যাপক ড. এম. আরিফুল ইসলাম।

তিনি বলেন, “‘আমার ক্যাম্পাস, আমার দায়িত্ব’ চেতনা থেকেই পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে হবে। আজকের কর্মসূচির লক্ষ্য শুধু পরিচ্ছন্নতা অভিযান নয়, বরং সবার মধ্যে পরিচ্ছন্নতার অভ্যাস গড়ে তোলা। পরিচ্ছন্ন ও সুন্দর ক্যাম্পাস গড়ে তুলতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ সবাইকে এ উদ্যোগের সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানাই।”

আলোচনা শেষে ‘আমার ক্যাম্পাস-আমার দায়িত্ব’ প্রতিপাদ্যে একটি র‍্যালি বের করা হয়। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন এলাকায় পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালান অংশগ্রহণকারীরা।

কর্মসূচিতে ছাত্রবিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. জি এম মুজিবর রহমান, সোনালী দলের সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. হাম্মাদুর রহমান, ভেটেরিনারি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. বাহানুর রহমান, প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আবদুল আলীম, সহযোগী ছাত্রবিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. শহিদুল ইসলাম ও শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মো. আতিকুর রহমানসহ বিভিন্ন হলের প্রাধ্যক্ষ ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

Click to comment

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. শিপন চাকরিচ্যুত

ইবি প্রতিনিধি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ইনফরমেশন এন্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি (আইসিটি) বিভাগের অধ্যাপক ড. শিপন মিয়াকে বরখাস্ত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। ছুটি শেষ হলেও কর্মস্থলে যোগদান না করায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

আজ শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. আতিকুর রহমান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এর আগে রেজিস্ট্রারের স্বাক্ষরিত এক আদেশে গত ২৮ মার্চ হতে তাকে চাকরিচ্যুত করা হয়।

প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, আইসিটি বিভাগের এই শিক্ষককে গত ২০২৫ সালের ২৫ ডিসেম্বর হতে ২০২৬ সালের ১৫ মার্চ পর্যন্ত ৮১ দিনের অর্জিত ছুটি এবং ১৬ মার্চ হতে ২৭ মার্চ পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধকালীন সময়ে তাকে অস্ট্রেলিয়া গমনের অনুমতি দেওয়া হয়। ছুটি শেষে এই বছরের ২৮ মার্চ কর্মস্থলে যোগদান করার কথা থাকলেও তিনি উপস্থিত হননি। পরে ১৯ এপ্রিল এক পত্রে তাকে ১৪ দিনের মধ্যে যোগদানের নির্দেশ দেওয়া হয়। তবে কর্মস্থলে যোগদান না করে ফ্লিন্ডার্জ ইউনিভার্সিটি, অ্যাডিলেড হিসেবে যোগদানের উদ্দেশ্যে ১ বছর ১ মাস ২ দিনের লিয়েন ছুটির আবেদন করেন চাকরিচ্যুত এই অধ্যাপক।

এরপর গত ২৯ জুন অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেটের ২৭৪ তম (সাধারণ) সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাকে পুনরায় ১৫ কর্মদিবসের মধ্যে যোগদানের চূড়ান্ত সময় দেওয়া হয়। এই নির্ধারিত সময়ের মধ্যেও কর্মস্থলে উপস্থিত হতে ব্যর্থ হওয়ায় তাকে গত ২৮ মার্চ হতে চাকরিচ্যুত ঘোষণা করা হয়।

এ ব্যাপারে বিভাগীয় সভাপতি অধ্যাপক ড. তারেক হাসান আল মাহমুদের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, তিনি (ড. শিপন) যে আবেদন করেছিলেন তা প্রশাসনের কাছে আমরা হস্তান্তর করেছি। প্রশাসন যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, এ ব্যাপারে আমাদের কোনো কথা নেই।

রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. আতিকুর রহমান বলেন, ‘দীর্ঘিদিন অনুপস্থিত থাকাতে সিন্ডিকেটে চাকরিচ্যুত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বিস্তারিত রেজুলেশনে উল্লেখ করা আছে।’

Click to comment