Connect with us

Spinbetter স্পোর্টস বেটিং এবং ক্যাসিনো গেম

Spinbetter ২০১৯ সালে কার্যক্রম শুরু করে এবং এটি Sprut Group B.V. দ্বারা পরিচালিত। এটি বাংলাদেশে অন্যতম পরিচিত স্পোর্টস বেটিং সাইট। বিশ্বের ৩৫ মিলিয়নেরও বেশি ব্যবহারকারীর একটি ক্রমবর্ধমান গ্রাহক ভিত্তি নিয়ে, Spinbetter https://spinbetterbet. com/bn/ অসাধারণ বেটিং সুযোগ, প্রতিযোগিতামূলক অডস এবং বাংলাদেশি বেটরদের জন্য বিশেষভাবে ডিজাইন করা বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য প্রদান করে।

Spinbetter-এর নতুন গ্রাহকরা একটি বিশেষ ওয়েলকাম বোনাস উপভোগ করতে পারেন:

  • ১০০% স্পোর্টস বোনাস সর্বোচ্চ ১০০,০০০০ BDT পর্যন্ত।
  • ১০০% ক্যাসিনো ওয়েলকাম বোনাস সর্বোচ্চ ১৫০,০০০০ BDT ১৫০ ফ্রি স্পিন।

এই Spinbetter রিভিউতে, আমরা দেখব কী কী বৈশিষ্ট্য Spinbetter-কে বাংলাদেশে বেটরদের জন্য পছন্দের পছন্দ করে তুলেছে।

Spinbetter স্পোর্টস বেটিং সেকশন

Spinbetter প্রায় ৩০টি খেলায় বেটিং অফার করে। ক্রিকেট থেকে শুরু করে টেনিস, বাস্কেটবল, রাগবি, ডার্টস এবং গ্রেহাউন্ডস পর্যন্ত, বেটরদের জন্য একটি বিস্তৃত বেটিং মার্কেট উপলব্ধ। এর পাশাপাশি, সাইবার স্পোর্টস, মোটরস্পোর্টস এবং রাজনৈতিক ইভেন্টেও বেট করা যায়।

Spinbetter-এ উপলব্ধ খেলাগুলোর তালিকা এখানে দেওয়া হলো:

  • আমেরিকান ফুটবল
  • ব্যাডমিন্টন
  • বেসবল
  • বাস্কেটবল
  • বক্সিং
  • ক্রিকেট
  • সাইক্লিং
  • ডার্টস
  • সাইবারস্পোর্টস
  • গলফ
  • গ্রেহাউন্ডস
  • হ্যান্ডবল
  • হর্স রেসিং
  • হকি
  • স্পেশাল লটারি
  • মোটর স্পোর্টস
  • পলিটিক্স

Spinbetter প্ল্যাটফর্মটি বেটরদের জন্য বিশেষভাবে অভিযোজিত করেছে, ক্রিকেট বেটিং মার্কেটের একটি বিস্তৃত পরিসর প্রদান করে। গ্রাহকরা গ্রাহকরা বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লীগ এবং আন্তর্জাতিক টেস্ট ম্যাচের মতো প্রধান প্রধান টুর্নামেন্টে বেট করতে পারেন। নির্দিষ্ট মার্কেটগুলোর মধ্যে খেলোয়াড়দের পারফরমেন্স, ম্যাচের ফলাফল, বা প্রতি প্রতি ম্যাচে বাউন্ডারি বা উইকেটের সংখ্যা প্রেডিক্ট করার মতো বিস্তারিত পরিসংখ্যান অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

Spinbetter ক্রিকেট এবং অন্যান্য খেলাগুলোর জন্য অত্যন্ত প্রতিযোগিতামূলক অডস অফার করে। বাংলাদেশি বেটররা অন্যান্য প্ল্যাটফর্মের তুলনায় উচ্চ রিটার্ন আশা করতে পারেন। Spinbetter প্রায়ই অডস তুলনা সাইটগুলোর শীর্ষে স্থান পায়।

Spinbetter ইন-প্লে

Spinbetter বেশিরভাগ খেলায় ইন-প্লে বেটিং বেটিং মার্কেটের একটি বিস্তৃত পরিসর প্রদান করে। যেমন প্রি-ম্যাচ মার্কেট, তেমনই এখানে ক্রিকেট এবং ফুটবলের ওপর বিশেষ মনোযোগ দেওয়া হয়েছে, যেখানে অনেক ইন-প্লে মার্কেট মার্কেট দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশি ক্রিকেট ভক্তরা এমন ফলাফলের উপর বেট করতে পারেন যেমন পরবর্তী পরবর্তী রান স্কোর করবে কোন খেলোয়াড়, ম্যাচে মোট কত গোল হবে, বা ছয় মারা হবে কিনা। একইভাবে, ফুটবল ভক্তরা পরবর্তী গোলদাতা, ম্যাচের ফলাফল বা কত ফাউল হবে, এর ওপর বেট করতে পারেন।

ইন-প্লে বেটিং সেকশনটি সহজ নেভিগেশনের জন্য সুচিন্তিতভাবে সাজানো হয়েছে, তাই বাংলাদেশি ব্যবহারকারীরা দ্রুত তাদের পছন্দের মার্কেট খুঁজে পেতে পারেন। Spinbetter এছাড়াও কাস্টম বেটিং অফার করে, যা ব্যবহারকারীদের একাধিক ফলাফল ফলাফল একত্রিত করে একটি বেট তৈরির সুযোগ দেয়। উদাহরণস্বরূপ, ব্যবহারকারীরা এমন বেট তৈরি করতে পারেন যেখানে বলা হয় “প্লেয়ার A একটি হাফ-সেঞ্চুরি করবে, টিম B ম্যাচ জিতবে, এবং প্রথম ইনিংসে ২০০ বলের বেশি স্কোর হবে।”

ক্যাশআউট

Spinbetter ব্যবহারকারীদের তাদের বেট সেটলমেন্টের আগে ক্যাশ আউট করার সুযোগ দেয়। এই ফিচারটি ডেক্সটপ সাইট সাইট এবং মোবাইল অ্যাপে উভয় ক্ষেত্রেই উপলব্ধ, যা ব্যবহারকারীদের লাভ লক করতে বা ক্ষতি ক্ষতি হ্রাস করতে সাহায্য করে। যোগ্য বেট দেখতে, ব্যবহারকারীরা “ওপেন বেটস” সেকশনে যেতে পারেন, যেখানে ক্যাশআউটের ক্যাশআউটের পরিমাণ প্রদর্শিত হয়। একবার নিশ্চিত হলে, পরিমাণটি সঙ্গে সঙ্গে ব্যবহারকারীর ব্যালেন্সে যোগ করা হয়।

ক্যাশআউট অপশন প্রি-ম্যাচ এবং ইন-প্লে বেটিং উভয়ের জন্যই উপলব্ধ। তবে, কিছু মার্কেট বা ইভেন্ট ক্যাশআউটের জন্য যোগ্য নাও হতে পারে এবং গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে, যেমন ক্রিকেট ম্যাচে ছয় বা ফুটবল ম্যাচে গোল হওয়ার সময়, এই ফিচারটি সাময়িকভাবে নিষ্ক্রিয় করা হতে পারে।

লাইভ স্ট্রিমিং

Spinbetter ব্যবহারকারীদের সরাসরি বিভিন্ন খেলার লাইভ স্ট্রিম দেখার সুযোগ দেয়, যা ওয়েবসাইট, মোবাইল সাইট বা অ্যাপে উপলব্ধ। লাইভ স্ট্রিমিংয়ের জন্য উপলব্ধ খেলার মধ্যে রয়েছে ক্রিকেট, বাস্কেটবল, টেনিস, ব্যাডমিন্টন, ভলিবল এবং হর্স ও গ্রেহাউন্ড রেসিং। অধিকাংশ খেলায়, অ্যাকাউন্ট ব্যালেন্স পজিটিভ থাকলেই লাইভ স্ট্রিমিং বিনামূল্যে উপভোগ করা যায়। হর্স রেসিং এবং গ্রেহাউন্ড রেসিংয়ের স্ট্রিম দেখতে হলে সেই ইভেন্টে একটি বেট প্লেস করতে হবে।

কাস্টমার সার্ভিস

Spinbetter গ্রাহক সেবা এমনভাবে এমনভাবে ডিজাইন করেছে যাতে এটি বাংলাদেশি ব্যবহারকারীদের চাহিদা পূরণ করতে পারে। এই প্ল্যাটফর্ম ২৪/৭ সাপোর্ট প্রদান করে, যা নিশ্চিত করে যে ব্যবহারকারীরা যেকোনো সময় সহায়তা পেতে পারেন। গ্রাহক সেবার জন্য নিম্নলিখিত বিকল্পগুলো উপলব্ধ:

  • লাইভচ্যাট: এই ফিচারটি ২৪/৭ উপলব্ধ এবং এটি বাংলাদেশি ব্যবহারকারীদের জ্ঞানী জ্ঞানী ও বন্ধুভাবাপন্ন সাপোর্ট এজেন্টদের সঙ্গে রিয়েল-টাইমে সংযোগ স্থাপন করে। এটি জরুরি সমস্যাগুলোর জন্য আদর্শ।
  • ফোনসাপোর্ট: Spinbetter একটি ২৪/৭ ফোন লাইনও অফার করে, যা ব্যবহারকারীদের সরাসরি প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা কথা বলার সুযোগ দেয়।
  • ইমেলসাপোর্ট: কম জরুরি সমস্যাগুলোর জন্য ব্যবহারকারীরা ইমেল পাঠাতে পারেন এবং সাধারণত এক বা দুই ঘণ্টার মধ্যে উত্তর পান।

এই প্রত্যক্ষ যোগাযোগ চ্যানেলের পাশাপাশি, Spinbetter একটি বিস্তৃত সহায়তা বিভাগও প্রদান করে, যেখানে প্রচুর সাধারণ প্রশ্ন এবং উত্তর রয়েছে। প্রোমোশন, অ্যাকাউন্ট সম্পর্কিত প্রশ্ন, বেটিং মার্কেট এবং আরও অনেক বিষয়ে তথ্য এখানে পাওয়া যায়। বাংলাদেশি বাংলাদেশি ব্যবহারকারীরা বিস্তারিত নির্দেশনা পাওয়ার জন্য এই রিসোর্সের উপর নির্ভর করতে পারেন।

Spinbetter মোবাইল অ্যাপ

Spinbetter একটি ডেডিকেটেড মোবাইল অ্যাপ অফার করে, যা iOS এবং Android ডিভাইসে ডাউনলোডের জন্য উপলব্ধ। অ্যাপটি ব্যবহারকারীদের প্ল্যাটফর্মের সব ফিচারে দ্রুত এবং সহজে অ্যাক্সেস দেয়, যার মধ্যে রয়েছে স্পোর্টস বেটিং, ক্যাসিনো গেম, লাইভ স্ট্রিমিং এবং অ্যাকাউন্ট ম্যানেজমেন্ট। অ্যাপটির ইন্টারফেস মোবাইল সাইটের ডিজাইনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ, যা সহজ নেভিগেশন নিশ্চিত করে।

অ্যাপের মাধ্যমে বাংলাদেশি ব্যবহারকারীরা ক্রিকেট, ফুটবল এবং অন্যান্য খেলায় বেট করতে পারেন, লাইভ স্ট্রিমিং অ্যাক্সেস করতে পারেন এবং প্ল্যাটফর্মের বিস্তৃত অনলাইন ক্যাসিনো লাইব্রেরি এক্সপ্লোর এক্সপ্লোর করতে পারেন। অ্যাপটি নোটিফিকেশন সাপোর্ট করে, যা ব্যবহারকারীদের সর্বশেষ প্রোমোশন, বোনাস এবং ম্যাচ ফলাফল সম্পর্কে আপডেট থাকতে থাকতে সাহায্য করে। যারা যারা একটি সুবিধাজনক এবং সহজ বেটিং অভিজ্ঞতা চান, তাদের জন্য Spinbetter অ্যাপ ডাউনলোড করার সুপারিশ করা হয়।

Spinbetter অফিসিয়াল ওয়েবসাইট

Spinbetter ওয়েবসাইটটি এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যাতে এটি বাংলাদেশি ব্যবহারকারীদের জন্য একটি একটি স্বজ্ঞাত এবং উপভোগ্য অভিজ্ঞতা প্রদান করে। এর ব্যবহারকারী- বান্ধব ইন্টারফেস নিশ্চিত করে যে নতুন ব্যবহারকারীরাও সহজেই প্ল্যাটফর্মটি নেভিগেট করতে পারবেন।

হোমপেজে একটি রোটেটিং ক্যারোসেল রয়েছে যেখানে সর্বশেষ প্রোমোশন এবং অফারগুলি প্রদর্শিত হয়, যখন পৃষ্ঠার কেন্দ্রীয় অংশে চলমান ইন-প্লে ইভেন্টগুলোর জন্য অডস থাকে।

একটি সাইডবার ব্যবহারকারীদের ব্যবহারকারীদের দ্রুত বিভিন্ন খেলায় অ্যাক্সেস দেয়, যেমন ক্রিকেট এবং ফুটবল, যাতে ব্যবহারকারীরা লীগ, প্রতিযোগিতা বা অন্যান্য বিভাগ অনুসারে ইভেন্ট ফিল্টার করতে পারেন। উদাহরণস্বরূপ, ক্রিকেট নির্বাচন করার পরে, ব্যবহারকারীরা আরও ফলাফল সংকুচিত করতে পারেন এবং ম্যাচ, স্পেশাল টিম বেট বা লাইভ বেট দেখতে পারেন।

Spinbetter-এর ওয়েবসাইটে একটি বিশেষ প্রোমোশন বিভাগও রয়েছে, যেখানে স্পোর্টস বেটিং এবং ক্যাসিনো গেমের জন্য বর্তমান সমস্ত অফার প্রদর্শিত হয়। দ্রুত লোডিং পৃষ্ঠা এবং পরিষ্কার লেআউট সহ, Spinbetter ওয়েবসাইটটি বাংলাদেশি ব্যবহারকারীদের জন্য একটি চমৎকার বেটিং অভিজ্ঞতা প্রদান করে।

Spinbetter ক্যাসিনো

Spinbetter অনলাইন ক্যাসিনো বাংলাদেশি প্লেয়ারদের প্লেয়ারদের জন্য শীর্ষস্থানীয় প্রদানকারীদের কাছ থেকে একটি বিস্তৃত গেম লাইব্রেরি অফার করে। কয়েকশত স্লট, টেবিল গেম এবং লাইভ ক্যাসিনো গেম নিয়ে, প্রত্যেকের জন্য কিছু না কিছু আছে। জনপ্রিয় গেমের মধ্যে রয়েছে রুলেট, ব্ল্যাকজ্যাক, ব্যাকারাট এবং পোকার, পাশাপাশি অনন্য থিম এবং বোনাস ফিচার সহ বিভিন্ন স্লট।

ক্যাসিনো সেকশনে থাকা ফান্ড স্পোর্টস বেটিং সেকশন থেকে আলাদা ভাবে পরিচালিত হয়, তবে এই দুই সেকশনের মধ্যে অর্থ স্থানান্তর করা খুব সহজ। Spinbetter ক্যাসিনো খেলোয়াড়দের প্রতিটি বেটের জন্য লয়ালটি পয়েন্ট দিয়ে দিয়ে পুরস্কৃত করে। এই পয়েন্ট জমা করা যায় এবং ক্যাশে রূপান্তরিত করা যায়, যা বাংলাদেশি ব্যবহারকারীদের জন্য জন্য ক্যাসিনো অভিজ্ঞতাকে আরও বেশি লাভজনক করে তোলে।

Spinbetter লাইভ ক্যাসিনো

Spinbetter লাইভ ক্যাসিনো ব্যবহারকারীদের ঘরে বসেই বাস্তব গেমিং গেমিং অভিজ্ঞতা উপভোগ করার সুযোগ দেয়। ব্ল্যাকজ্যাক, রুলেট এবং ব্যাকারাটের মতো গেমগুলো পেশাদার ডিলারদের দ্বারা সরাসরি পরিচালিত হয়। এছাড়াও, Spin a Win এবং Buffalo Blitz-এর মতো অনন্য লাইভ গেম প্লেয়ারদের জন্য উত্তেজনাপূর্ণ বিকল্প সরবরাহ করে।

বাংলাদেশের নতুন ব্যবহারকারীরা BDT ১৫০,০০০ পর্যন্ত ১০০০% ক্যাসিনো ওয়েলকাম বোনাস ১৫০ ফ্রি স্পিন এর সুবিধা নিতে পারেন, যা লাইভ ক্যাসিনো এবং এবং প্ল্যাটফর্মের অন্যান্য অংশ এক্সপ্লোর করার জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে। এটি একটি একটি স্বতন্ত্র এবং ইন্টারঅ্যাকটিভ গেমিং অভিজ্ঞতার সন্ধানকারী প্লেয়ারদের জন্য Spinbetter- কে একটি দুর্দান্ত পছন্দ করে তোলে।

Spinbetter ভার্চুয়াল স্পোর্টটস

ভার্চুয়াল স্পোর্টস বেটিং বেটিং দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে, বিশেষ করে যখন লাইভ স্পোর্টিং ইভেন্ট সীমিত থাকে। Spinbetter বাংলাদেশি ব্যবহারকারীদের জন্য একটি বিস্তৃত ভার্চুয়াল স্পোর্টস বিভাগ অফার করে, যা ব্যবহারকারীদের দিনরাত ২৪ ঘণ্টা সিমুলেটেড ইভেন্টগুলিতে বেট করার অনুমতি দেয়। এই ইভেন্টগুলোতে উন্নত অ্যালগরিদমের উপর ভিত্তি করে বাস্তবসম্মত গ্রাফিক্স এবং ফলাফল থাকে।

ভার্চুয়াল স্পোর্টসের সিলেকশনের মধ্যে রয়েছে ক্রিকেট, ফুটবল, হর্স রেসিং, ডার্টস, টেনিস, গ্রেহাউন্ড রেসিং, অটো রেসিং এবং সাইক্লিং। বাংলাদেশের ক্রিকেট ভক্তদের জন্য, ভার্চুয়াল ক্রিকেট ম্যাচ তাদের প্রিয় খেলায় যেকোনো সময় জড়িত থাকার একটি উত্তেজনাপূর্ণ উপায়। এছাড়াও, Spinbetter একটি অন-ডিমান্ড ভার্চুয়াল ভার্চুয়াল পরিষেবা অফার করে, যা ব্যবহারকারীদের তাদের সুবিধামতো ভার্চুয়াল ইভেন্ট শুরু শুরু করার অনুমতি দেয় এবং তাদের বেটিং সময়সূচীর উপর সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রদান করে।

Spinbetter বিঙ্গো

Spinbetter বিভিন্ন অনলাইন বিঙ্গো গেম অফার করে, যা প্লেয়ারদের জন্য অবিরাম বিনোদন নিশ্চিত করে। প্ল্যাটফর্মটিতে ৭৫-বল, ৮০-বল এবং ৯০-বল বিঙ্গো রুম রয়েছে, পাশাপাশি বিশেষ বিঙ্গো গেম রয়েছে যা ঐতিহ্যবাহী গেমপ্লে-তে অনন্য পরিবর্তন নিয়ে আসে।

বিঙ্গো ছাড়াও, ব্যবহারকারীরা অতিরিক্ত গেমের একটি চিত্তাকর্ষক পরিসর উপভোগ করতে পারেন, যার মধ্যে রয়েছে স্লট, ব্ল্যাকজ্যাক, রুলেট, স্ক্র্যাচ কার্ড এবং ইনস্ট্যান্ট উইন গেম।

বিঙ্গো উত্সাহীদের জন্য নিয়মিত প্রোমোশন এবং বোনাস দেওয়া হয়, যা প্ল্যাটফর্মের মান এবং উপভোগ্যতাকে আরও বাড়িয়ে তোলে।

Spinbetter পোকার

Spinbetter এককটি ডেডিকেটেড পোকার সেকশন অফার করে, যেখানে বাংলাদেশি ব্যবহারকারীরা ব্রাউজার-ভিত্তিক গেমগুলিতে একে অপরের সাথে প্রতিযোগিতা করতে করতে পারেন। পোকার ইন্টারফেসটি সহজ এবং মূলত সাধারণ প্লেয়ারদের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে, তবে এটি যথেষ্ট বৈচিত্র্যময় স্টেক এবং গেমের ধরন প্রদান করে।

অভিজ্ঞ পোকার উত্সাহীদের জন্য, প্ল্যাটফর্মটি বিশেষ পোকার সাইটগুলিতে পাওয়া গভীরতার অভাব থাকতে পারে, তবে নৈমিত্তিক গেমিংয়ের জন্য এটি একটি সুবিধাজনক বিকল্প।

Spinbetter-এর ব্যাংকিং অপশন

Spinbetter বাংলাদেশের ব্যবহারকারীদের প্রয়োজন মেটাতে মেটাতে বিভিন্ন জমা এবং উত্তোলনের পদ্ধতি সরবরাহ করে। এর মধ্যে রয়েছে:

  • ব্যাংক কার্ড: VISA, MasterCard, Maestro.
  • ই-ওয়ালেট: PayPal, Skrill, Perfect Money
  • পেমেন্ট সিস্টেম: bKash, Neteller, ecoPayz, Payeer.
  • ব্যাংক ট্রান্সফার।
  • ক্রিপ্টোকারেন্সি: Bitcoin, Tether, Dogecoin.

ন্যূনতম ডিপোজিটের পরিমাণ ১,০০০ BDT এবং ন্যূনতম উত্তোলনের পরিমাণ ২,০০০ BDT। লেনদেন দ্রুত প্রক্রিয়াজাত হয়, ব্যবহারকারীদের জন্য একটি সিমলেস এবং সুবিধাজনক ব্যাংকিং অভিজ্ঞতা প্রদান করে।

বাংলাদেশে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত পেমেন্ট সিস্টেম bKash অন্তর্ভুক্ত করা স্থানীয় ব্যবহারকারীদের জন্য উল্লেখযোগ্য সুবিধা যোগ করে।

উপসংহার

Spinbetter ২০১৯ সাল থেকে বেটিং শিল্পে একটি বিশ্বস্ত নাম হয়ে উঠেছে এবং বাংলাদেশি ব্যবহারকারীদের জন্য একটি অসাধারণ অনলাইন স্পোর্টস বেটিং এবং ক্যাসিনো অভিজ্ঞতা প্রদান করে আসছে। একটি কুরাকাও লাইসেন্স লাইসেন্স এবং ব্যবহারকারীদের ব্যবহারকারীদের সন্তুষ্টির প্রতি দৃঢ় মনোযোগ সহ, প্ল্যাটফর্মটি প্রতিযোগিতামূলক অডস, বিস্তৃত বেটিং মার্কেট এবং আকর্ষণীয় বোনাস সরবরাহ করে।

স্পোর্টস বেটিং সাইটটি প্রায় ৩০টি খেলার জন্য বেটিং কভার করে, যার মধ্যে রয়েছে ক্রিকেট এবং ফুটবল, প্রি-ম্যাচ এবং ইন-প্লে অপশনগুলির একটি বিস্তৃত বিস্তৃত পরিসর সহ। ব্যবহারকারীরা কাস্টম বেটিং, লাইভ স্ট্রিমিং এবং সুবিধাজনক সুবিধাজনক ক্যাশব্যাক ফিচারগুলির সুবিধা নিতে পারেন। ক্যাসিনো উত্সাহীদের জন্য, Spinbetter শতাধিক গেম অফার করে, যার মধ্যে লাইভ ডিলার অপশন, স্লট এবং টেবিল গেম রয়েছে। এছাড়াও রয়েছে BDT ১৫০,০০০ পর্যন্ত ১০০% ক্যাসিনো ওয়েলকাম বোনাস ১৫০ ফ্রি স্পিন।

Spinbetter-এর গ্রাহক পরিষেবার প্রতি মনোযোগ ২৪/৭ চ্যাট, ফোন এবং ইমেল সাপোর্টের মাধ্যমে প্রতিফলিত হয়। প্ল্যাটফর্মের মোবাইল অ্যাপ, যা iOS এবং Android-এ উপলব্ধ, ব্যবহারকারীদের যেকোনো সময় এবং যেকোনো স্থান থেকে তাদের অ্যাকাউন্টে অ্যাক্সেস করার এবং বেট করার সুযোগ দেয়।

জনপ্রিয় স্থানীয় পেমেন্ট পদ্ধতি যেমন bKash এবং ক্রিপ্টোকরেন্সি যেমন Bitcoin এবং Tether-এর অন্তর্ভুক্তি ব্যাংকিংকে সহজ এবং কার্যকর করে তোলে। ন্যূনতম ডিপোজিট শুরু হয় ১, ০০০ BDT থেকে এবং উত্তোলন শুরু হয় ২,০০০ BDT থেকে, যা সমস্ত ব্যবহারকারীর জন্য অ্যাক্সেসযোগ্যতা নিশ্চিত করে।

Spinbetter-এর বিশ্বমানের বেটিং প্রদান করার প্রতিশ্রুতি এটিকে একটি শীর্ষ পছন্দ করে তুলেছে, বিশেষ করে বাংলাদেশে নির্ভরযোগ্য এবং উত্তেজনাপূর্ণ অনলাইন জুয়ার বিকল্প খুঁজছেন ব্যবহারকারীদের জন্য।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে দুটি নতুন বিভাগ, দু’টি নতুন সম্ভাবনা

মৌঃ আশরাফ উদ্দিন খান

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে তুলনামূলক তাফসির ও আস-সীরাহ আন-নববিইয়া নামে দুটি নতুন বিভাগ খোলা হয়েছে। একটি বিশ্ববিদ্যালয় যখন নতুন বিভাগ খোলে, তখন শুধু কিছু নতুন আসন তৈরি হয় এমন না, বরং এর মাধ্যমে একটি নতুন জ্ঞানচর্চার দরজা খুলে যায়।

সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে এটি বাংলাদেশের ইসলামী উচ্চশিক্ষার গতিপথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের সূচনা করতে পারে। এই ঐতিহাসিক উদ্যোগের জন্য বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন—ইউজিসি (UGC), ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য, প্রশাসন, একাডেমিক কাউন্সিল, সিন্ডিকেট, সংশ্লিষ্ট অনুষদ ও শিক্ষকবৃন্দকে এবং যাদের চিন্তা ও প্রচেষ্টায় এটা সম্ভব হয়েছে তাদের সকলকে জানাই আন্তরিক অভিনন্দন ও কৃতজ্ঞতা।

তাফসির থেকে তুলনামূলক তাফসির: কুরআনের তাফসির মুসলিম জ্ঞান-ঐতিহ্যের অন্যতম সমৃদ্ধ শাখা। কিন্তু তাফসিরের ইতিহাস শুধু একটি বই বা একজন মুফাসসিরের ব্যাখ্যার ইতিহাস নয়। তাবারি, ইবন কাসির, কুরতুবি, রাযি, ইবন আশুরসহ বিভিন্ন যুগের মুফাসসিরগণ তাঁদের নিজস্ব জ্ঞানভুবন, পদ্ধতি ও সময়ের বাস্তবতার আলোকে কুরআনকে ব্যাখ্যা করেছেন। তুলনামূলক তাফসির সেই বৈচিত্র্যকে গবেষণার বিষয় করে।একই আয়াতের ব্যাখ্যায় কেন মতপার্থক্য হলো?

কোন মুফাসসির কোন মূলনীতি অনুসরণ করলেন?ভাষা, ফিকহ, আকিদা, দর্শন, ইতিহাস ও সামাজিক বাস্তবতা কীভাবে তাফসিরকে প্রভাবিত করেছে?

প্রাচীন ও আধুনিক তাফসিরের মধ্যে কী পরিবর্তন এসেছে?

সমকালীন বিশ্বের নতুন প্রশ্নগুলোর সঙ্গে কুরআনের নির্দেশনাকে কীভাবে গবেষণার মাধ্যমে যুক্ত করা যায়? এসব প্রশ্নের একাডেমিক গবেষণার জন্য একটি স্বতন্ত্র বিভাগ নিঃসন্দেহে গুরুত্বপূর্ণ।

সিরাত শুধু ইতিহাস নয়:

আমাদের সীরাহ পাঠের ক্ষেত্রেও একটি নতুন দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োজন। রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর জীবনকে শুধু জন্ম, ওহি, হিজরত, বদর, উহুদ, ফাতহে মক্কা ও ইন্তেকালের ঘটনাক্রম হিসেবে দেখলে সিরাতের বিশাল শিক্ষার একটি অংশই আমাদের সামনে আসে।সীরাহ আসলে একটি জীবন্ত নেতৃত্বের মডেল। এখানে আমরা পাই দাওয়াহর কৌশল, শিক্ষা ও তারবিয়াহ, নেতৃত্ব, রাষ্ট্রচিন্তা, কূটনীতি, পরিবার, অর্থনীতি, সামাজিক ন্যায়বিচার, যুদ্ধ ও শান্তি, সংকট ব্যবস্থাপনা, মানবিকতা এবং বহুত্ববাদী সমাজে সহাবস্থানের শিক্ষা।তাই ‘আস-সীরাহ আন-নববিয়্যাহ’কে যদি আধুনিক একাডেমিক গবেষণার আলোকে অধ্যয়ন করা যায়, তাহলে সীরাহ কেবল অতীতের ইতিহাস হয়ে থাকবে না; বরং বর্তমান ও ভবিষ্যতের জন্য একটি গবেষণাযোগ্য জ্ঞানভাণ্ডারে পরিণত হবে। সীরাহ ও ইসলামী ইতিহাস নিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বতন্ত্র একাডেমিক কাঠামো রয়েছে।

পাকিস্তানের আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, ইসলামাবাদে সীরাহ ও ইসলামের ইতিহাসের স্বতন্ত্র বিভাগ রয়েছে। আল্লামা ইকবাল উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়েও সীরাহ অধ্যয়নের পৃথক বিভাগ রয়েছে। বাংলাদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে তাফসির, কুরআনবিষয়ক অধ্যয়ন, ইসলামিক স্টাডিজ এবং সীরাহ বিভিন্ন কোর্সের মাধ্যমে পড়ানো হয়।কিন্তু ‘তুলনামূলক তাফসির’ এবং ‘আস-সীরাহ আন-নববিয়্যাহ’কে স্বতন্ত্র বিভাগ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা নিঃসন্দেহে একটি বিশেষায়িত ও সম্ভাবনাময় পদক্ষেপ।

এখানেই ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগটির স্বাতন্ত্র্য। এর সবচেয়ে বড় লাভ চাকরি নয়—জ্ঞান উৎপাদন। বাংলাদেশে ইসলাম নিয়ে আলোচনা কম নয়; কিন্তু আন্তর্জাতিক মানের প্রাতিষ্ঠানিক গবেষণা ও নতুন জ্ঞান উৎপাদনের সুযোগ এখনও অনেক বেশি প্রয়োজন।

এই দুটি বিভাগ সেই জায়গায় বড় ভূমিকা রাখতে পারে। এখান থেকে ভবিষ্যতে তৈরি হতে পারে মুফাসসির, সীরাহ গবেষক, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক, গবেষক, লেখক, অনুবাদক, দাঈ এবং ইসলামী জ্ঞানচর্চার নতুন নেতৃত্ব।গবেষণার কী কী নতুন দরজা খুলতে পারে? তুলনামূলক তাফসির বিভাগে গবেষণা হতে পারে—

• কুরআনের তাফসিরে প্রাচীন ও আধুনিক পদ্ধতির তুলনা

• দক্ষিণ এশিয়ার তাফসির ঐতিহ্য• তাফসির ও মাকাসিদুশ শরিয়াহ

• তাফসির ও ইসলামী বিশ্বদৃষ্টি

• তাফসির ও সমকালীন সামাজিক সমস্যা

• তাফসিরে ভাষাতাত্ত্বিক গবেষণা

• আধুনিক চিন্তা ও কুরআনের ব্যাখ্যা

আর সীরাহ বিভাগে গবেষণা হতে পারে—

• নববী নেতৃত্ব ও পরিচালনব্যবস্থা

• নববী শিক্ষা ও তারবিয়াহ

• নববী কূটনীতি

• মদিনার সনদ

• সীরাহর আলোকে বিরোধ নিরসন

• নববী শাসনব্যবস্থা

• আন্তঃধর্মীয় সম্পর্ক

• নববী পরিবারব্যবস্থা

• সমকালীন দাওয়াহ ও সীরাহ

অর্থাৎ গবেষণার ক্ষেত্র সীমাহীন।আজ আমরা এই স্বপ্ন ও প্রতিজ্ঞা করতেই পারি যে, আগামী দুই-তিন দশকে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় যেন এমন একটি জায়গায় পৌঁছায়, যেখানে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে গবেষকরা আসবেন তাফসির ও সীরাহ গবেষণার জন্য। যেখানে প্রকাশিত হবে আন্তর্জাতিক মানের গবেষণা। যেখানে আরবি, বাংলা ও ইংরেজি—তিন ভাষায় জ্ঞান উৎপাদন হবে।যেখানে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর জীবনকে শুধু আবেগ দিয়ে নয়, ইলম, গবেষণা ও প্রমাণের ভিত্তিতে বিশ্বের সামনে উপস্থাপন করা হবে। যেখানে কুরআনের তাফসির শুধু অতীতের ব্যাখ্যার সংরক্ষণ হবে না; বরং সমকালীন মানবতার প্রশ্নগুলোর সঙ্গে কুরআনের হিদায়াতের গভীর সংলাপ তৈরি করবে।আমাদের প্রত্যাশা এই দুটি বিভাগ যেন শুধু ‘আরও দুটি বিভাগ’ না হয়; বরং ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্ঞানচর্চার দুটি শক্তিশালী স্তম্ভ হয়ে ওঠে। তাফসির হোক কুরআন বোঝার গভীর গবেষণার দরজা। সীরাহ হোক রাসূলুল্লাহ এর আদর্শকে সমকালীন মানবতার সামনে নতুন জ্ঞানভাষায় উপস্থাপনের মাধ্যম। আর ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় হয়ে উঠুক ইসলামী ঐতিহ্য ও আধুনিক গবেষণার এক অনন্য মিলনস্থল।আল্লাহ তাআলা এই উদ্যোগে বরকত দিন এবং এর মাধ্যমে উম্মাহর জন্য কল্যাণকর আলেম, গবেষক ও জ্ঞাননেতৃত্ব তৈরি করুন। আমিন।

লেখক: আশরাফ উদ্দিন খান

খতিব, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদ

Click to comment

দিল্লিজুড়ে ধরপাকড়, দীপকে, নেহা, মমতা ও কেজরিওয়ালসহ আটক বহু নেতা

ভারতের রাজধানী দিল্লিতে বিক্ষোভ দমনে ব্যাপক ধরপাকড় চালিয়েছে পুলিশ। নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ কর্মসূচিতে যোগ দিতে যাওয়ার পথে রাজনীতিক, ছাত্রনেতা, অধিকারকর্মী ও অনলাইন কনটেন্ট নির্মাতাসহ বহু মানুষকে আটক করা হয়েছে। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে, ছাত্রনেতা নেহা বোরা, ইউটিউবার ধ্রুব রাঠি, পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, দিল্লির সাবেক মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল এবং কেরালার সাবেক মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন। সাবেক ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকারকেও আটক করা হয়েছে বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে।

শনিবার (১০ অক্টোবর) দিল্লির যন্তর মন্তরে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে এ বিক্ষোভের আয়োজন করা হয়। ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া নিয়েও আপত্তি রয়েছে আন্দোলনকারীদের। তাদের অভিযোগ, এ প্রক্রিয়ায় বিপুলসংখ্যক ভোটারের নাম বাদ পড়েছে। তবে নির্বাচন কমিশন বলছে, ভোটার তালিকা যাচাইয়ের নিয়মিত প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেই এ সংশোধন করা হচ্ছে।

দিল্লির বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষোভকারীদের যাতায়াত ঠেকাতে ব্যাপক নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়। যন্তর মন্তরে যাওয়ার পথে অনেককে আটক করে বাস ও ভ্যানে করে অস্থায়ী আটককেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ব্যারিকেড বসানো, যানবাহনে তল্লাশি এবং মেট্রো চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপের খবরও প্রকাশিত হয়েছে।

তবে আটক ব্যক্তির সংখ্যা নিয়ে সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে ভিন্নতা রয়েছে। দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস শনিবার বিকেল পর্যন্ত দিল্লিতে প্রায় দুই হাজার মানুষকে আটকের কথা জানিয়েছে। অন্যদিকে, আগের দিন ককরোচ জনতা পার্টির এক মুখপাত্র দাবি করেছিলেন, দেশজুড়ে প্রায় ১০ হাজার মানুষকে আটক করা হয়েছে। 

Click to comment

ডিজিটাল রূপান্তরের পথে বেরোবির লাইব্রেরি:নতুন বই, বিশ্বমানের ই-জার্নালের সাথে চালু হচ্ছে অটোমেশন

আনাস মাহমুদ; বেরোবি প্রতিনিধি:

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় (বেরোবি) সেন্ট্রাল লাইব্রেরি অ্যান্ড ইনফরমেশন সেন্টারকে আধুনিক, যুগোপযোগী ও প্রযুক্তিবান্ধব করে গড়ে তুলতে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রম এগিয়ে চলছে। শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে লাইব্রেরিতে অটোমেশন, ই-রিসোর্স বৃদ্ধি, নতুন বই সংযোজন এবং অবকাঠামোগত উন্নয়ন কাজ অব্যাহত রয়েছে।

ডিজিটাল ও ই-রিসোর্স সংযোজন:

শিক্ষার্থীদের উচ্চতর গবেষণা ও পড়াশোনার সুযোগ সহজ করতে আন্তর্জাতিক মানের ই-বুকস ও ই-জার্নালের সংখ্যা বাড়ানো হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে প্রায় ১২ লক্ষ টাকা ব্যয়ে দুটি প্রকাশনার (JSTOR এবং Emerald) ই-জার্নাল ক্রয় করা হয়েছে, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইপি (IP) অ্যাড্রেস ব্যবহারের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা খুব সহজেই ডাউনলোড ও পড়তে পারছেন।এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) (HEAT) প্রকল্পের আওতায় ৭টি প্রকাশনার প্রায় ৩০,৭০০ শিরোনামের ১১ লক্ষ ৭৫ হাজার টাকার ই-বুকস ও ই-জার্নাল ক্রয়ের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। পাশাপাশি লাইব্রেরিতে অটোমেশনের প্রাথমিক ধাপের কাজও ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে।

নতুন বই সংযোজন:

শিক্ষার্থীদের পাঠ্যচাহিদা পূরণে ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে ৩৪ লক্ষ ২০ হাজার টাকার নতুন বই ক্রয় করা হয়েছে, যা ইতিমধ্যে রিডিং রুমে পাঠের জন্য উন্মুক্ত রয়েছে। এছাড়া ২০২৬ সালে প্রায় ২৫ লক্ষ ৮৪ হাজার টাকার নতুন বই ক্রয়ের টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। খুব শীঘ্রই এসব বই লাইব্রেরি সংগ্রহে যুক্ত হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও নিরাপত্তা:

শিক্ষার্থীদের স্বাচ্ছন্দ্যে পড়ালেখার পরিবেশ নিশ্চিত করতে লাইব্রেরি ভবনের পশ্চিমাংশে আউটডোর রিডিং জোনে উভয়মুখী বসার বেঞ্চ ও টেবিল স্থাপন করা হয়েছে। বর্তমানে উত্তর ও দক্ষিণ অংশেও একই ধরনের বসার ব্যবস্থা করার কাজ চলমান রয়েছে। এছাড়া আউটডোর রিডিং জোনের শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে দুটি আধুনিক ওয়াশরুম নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে।পাশাপাশি শিক্ষার্থী ও (স্টাফদের) যাতায়াতের কথা মাথায় রেখে ভবনের বাইরে গাড়ি রাখার জন্য একটি গ্যারেজ স্থাপনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে এবং খুব অল্প সময়ের মধ্যে কাজ শুরু হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। ইনডোর ও আউটডোর উভয় জোনের সার্বিক নিরাপত্তা জোরদার করতে নতুন সিসি ক্যামেরা স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

উদ্যোগ নিয়ে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর ভাবনা:

লাইব্রেরির এই আধুনিকায়ন নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী আসিফ বলেন, লাইব্রেরিতে JSTOR এবং Emerald-এর মতো আন্তর্জাতিক মানের ই-জার্নাল যুক্ত হওয়া আমাদের জন্য দারুণ একটি সুযোগ। আগে গবেষণার কাজের জন্য প্রয়োজনীয় অনেক ভালো আর্টিকেল বা বই আমরা পেতাম না। এখন ক্যাম্পাসের আইপি ব্যবহার করে খুব সহজেই এগুলো ডাউনলোড করে পড়তে পারছি। এছাড়া আউটডোর রিডিং জোনে বসার সুন্দর ব্যবস্থা ও নতুন ওয়াশরুমের সুবিধা দীর্ঘ সময় লাইব্রেরিতে পড়ার ক্ষেত্রে বেশ স্বস্তি দেবে।

একই বিষয়ে নাম প্রকায় না করার শর্তে একজন শিক্ষক বলেন, একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ভিত্তি হলো তার শিক্ষা ও গবেষণা। সেন্ট্রাল লাইব্রেরিকে এভাবে প্রযুক্তিবান্ধব ও আধুনিক করার উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়। বিপুল পরিমাণ ই-বুক ও ই-জার্নাল সংযোজন শিক্ষার্থীদের উচ্চতর গবেষণার মানকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করবে। একই সাথে নতুন বইয়ের সংযোজন এবং লাইব্রেরির অটোমেশন প্রক্রিয়া শিক্ষক ও গবেষকদের সময় ও শ্রম দুটোই বাঁচাবে।

অন্যান্য উন্নয়ন কার্যক্রম:

আর্কাইভস সেকশনকে সমৃদ্ধ করতে ২০১১ সাল থেকে অদ্যাবধি বাছাইকৃত ৬টি গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় পত্রিকা টেন্ডারের মাধ্যমে বাঁধাইকরণের কাজ চলছে। পাশাপাশি লাইব্রেরি ভবনের ৩য় তলার আংশিক সম্প্রসারণের কাজও খুব দ্রুততম সময়ের মধ্যে শুরু হতে যাচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানান, এসব উন্নয়নমূলক পরিকল্পনার সিংহভাগই ইতিমধ্যে টেন্ডার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে চূড়ান্ত রূপ লাভ করেছে, যা বাস্তবায়িত হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণার মানে নতুন মাত্রা যুক্ত হবে।

Click to comment

বেরোবিতে শহিদ আবু সাঈদ গেট নির্মাণকাজের শুভ উদ্বোধন

বেরোবি প্রতিনিধি;

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর-এ শহীদ আবু সাঈদ গেটের নির্মাণকাজের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। আজ শুক্রবার (৯ অক্টোবর ২০২৬) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে নির্মাণকাজের উদ্বোধন করেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু এমপি। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সদস্য অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ-আল-মামুন। সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শহিদ আবু সাঈদের পিতা মোঃ মকবুল হোসেন । উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন রংপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (আরডিএ) চেয়ারম্যান সামসুজ্জামান সামু, বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান আব্দুল খালেক, রংপুর জেলা প্রশাসক ইসরাত জাহান প্রমুখ।

নির্মাণকাজের উদ্বোধন শেষে বেরোবি রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. মোঃ ফেরদৌস রহমানের সঞ্চালনায় এক সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, এমপি। তিনি বলেন, আবু সাঈদ মুক্তিকামী মানুষের প্রতীক। আমরা রংপুরকে নিয়ে তিনটি কারণে গর্ববোধ করতে পারি। প্রথমত, যার নামে এই বিশ্ববিদ্যালয়, বেগম রোকেয়া। দ্বিতীয়ত, রংপুরের আঞ্চলিক ভাষায় রচিত এই ভাওয়াইয়া গানকে সারা বিশ্বে সমৃদ্ধ করেছেন সুরসম্রাট আব্বাস উদ্দিন। এবং তৃতীয়ত, শহিদ আবু সাঈদ, জুলাই আন্দোলনের বীর আবু সাঈদ যেভাবে বুক চিতিয়ে বুলেটের সামনে দাঁড়িয়েছে, রংপুরের মানুষ যে সাহসী- তা সারা বাংলাদেশ তথা বিশ্বের কাছে এখন পরিচিত। এই তিন ব্যক্তিত্ব রংপুর অঞ্চলের গর্ব। মন্ত্রী বলেন, ২৪-এর আন্দোলনে ছাত্র-জনতার আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে বর্তমান সরকারের অধীনে বাংলাদেশ এখন সঠিক পথে পরিচালিত হচ্ছে। তিনি জানান. বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামো উন্নয়নে নেওয়া বিশেষ উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে একনেকে দ্রুত সময়ের মধ্যে পাস করার ব্যাপারে সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হবে।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সদস্য অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ-আল-মামুন। তিনি বলেন, সারা বিশ্বে যে কয়টি গণঅভ্যুত্থান হয়েছে তার মধ্যে অন্যতম জুলাই আন্দোলন। শহিদ আবু সাঈদের আত্মদানের ঘটনা বিশ্বের বুকে সবার উপরে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। তিনি বলেন, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নিতে চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে বিশেষ উন্নয়ন প্রকল্প একনেকে পাস করা হবে।

তিনি আরও জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্গানোগ্রামে আধুনিক ও যুগোপযোগী সাবজেক্ট যেমন—রোবটিক্স, এআই, সাইবার সিকিউরিটি, ডেটা সায়েন্স—এগুলি খুব দ্রুত চালু করা হবে। এছাড়া শিক্ষক সংকট দূর করতে নতুনভাবে শিক্ষক নিয়োগের কার্যক্রমও শুরু হবে। উত্তরাঞ্চলের এই বিদ্যাপীঠকে এগিয়ে নিতে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন ইউজিসি সদস্য অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ-আল-মামুন।

সভাপতির বক্তব্যে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর এর উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ শওকাত আলী বলেন, শহিদ আবু সাঈদ আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের গর্ব এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের প্রতীক। তাঁর স্মৃতিবিজড়িত এই গেট শুধু একটি প্রবেশদ্বার নয়, এটি আমাদের স্বাধীনতা, মূল্যবোধ ও চেতনার এক অবিচ্ছেদ্য স্মারক। তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সহযোগিতায় এবং বর্তমান সরকারের দিকনির্দেশনা অনুযায়ী দেশকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য যুগোপযোগী নতুন কিছু সাবজেক্ট বা বিভাগ চালুর জন্য ইতিমধ্যেই ইউজিসিতে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। বর্তমান সরকারের পূর্ণাঙ্গ সহযোগিতায় বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় আরো সমৃদ্ধ হবে বলে উপাচার্য আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন বেরোবি শিক্ষার্থী শামসুর রহমান সুমন, রাফায়েল ইমতিয়াজ ইয়ামিন এবং রিফাত হোসেন রাফি। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

Click to comment

জাপানে উচ্চশিক্ষা ও বৃত্তির সুযোগ নিয়ে বাকৃবিতে সেমিনার

বাকৃবি প্রতিনিধি:

জাপানে উচ্চশিক্ষা, সরকারি বৃত্তি ও গবেষণার সুযোগ সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের অবহিত করতে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘জাপান এডুকেশন সেমিনার ২০২৬’। এতে জাপানের উচ্চশিক্ষাব্যবস্থা, মনবুকাগাকুশো (মেক্সট) বৃত্তি, আবেদন প্রক্রিয়া, গবেষণা ও ক্যারিয়ার গঠনের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়।

শনিবার (১০ অক্টোবর) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন মিলনায়তনে যৌথভাবে সেমিনারটির আয়োজন করে জাপানিজ ইউনিভার্সিটিজ অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন ইন বাংলাদেশ (জুয়াব) ও বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপান দূতাবাস।

সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন বাকৃবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম সরদার। বিশেষ অতিথি ছিলেন জাপান দূতাবাসের জনসংযোগ ও সংস্কৃতি বিভাগের প্রধান ইউ আওয়াগি। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জুয়াবের সভাপতি অধ্যাপক ড. এ টি এম জাফরুল আজম। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. এম জুলফিকার রহমান।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম সরদার বলেন, বর্তমানে জাপানে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার সুযোগ উল্লেখযোগ্যভাবে সম্প্রসারিত হয়েছে। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে প্রাতিষ্ঠানিক সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) এবং জাপানি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থীদের নেটওয়ার্ক শক্তিশালী হওয়ায় বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য দেশটিতে উচ্চশিক্ষার পথ আরও সহজ হচ্ছে।

তিনি বলেন, মাস্টার্স, পিএইচডি ও পোস্টডক্টরাল পর্যায়ে জাপানে বৃত্তিসহ পড়াশোনা ও গবেষণার বহুমুখী সুযোগ রয়েছে। উন্নত গবেষণা অবকাঠামো, আধুনিক সুযোগ-সুবিধা এবং সাংস্কৃতিক সাদৃশ্যের কারণে দেশটি বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য একটি সম্ভাবনাময় গন্তব্য। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) তৃতীয় ভাষা চালুর নীতিমালার আওতায় জাপানি ভাষা শেখার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. এ টি এম জাফরুল আজম বলেন, জাপানে সরকারি বৃত্তির কোটা কিছুটা কমায় প্রতিযোগিতা বেড়েছে। তবে বেসরকারি বৃত্তি ও গবেষণা তহবিলের সুযোগও বাড়ছে। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সমঝোতার আওতায় শিক্ষার্থীরা টিউশন ফিতে ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় পাওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জাপান দূতাবাসের জনসংযোগ ও সংস্কৃতি বিভাগের প্রধান ইউ আওয়াগি বলেন, দূতাবাসের সুপারিশে বৃত্তির আসনসংখ্যা সাধারণত দশটি বা তার কম হওয়ায় আবেদনকারীদের মধ্যে তীব্র প্রতিযোগিতা থাকে। গত দুই বছরের অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে, মাস্টার্স পর্যায়ে বৃত্তি পাওয়ার ক্ষেত্রে প্রস্তাবিত গবেষণার সঙ্গে সম্ভাব্য তত্ত্বাবধায়কের গবেষণার সামঞ্জস্য থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই আবেদনের আগে সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়, অধ্যাপকের গবেষণার ক্ষেত্র ও প্রয়োজনীয় যোগ্যতা সম্পর্কে বিস্তারিত জানার পরামর্শ দেন তিনি। পাশাপাশি ইংরেজি মাধ্যমে পরিচালিত কোর্স ও উপযুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় খুঁজতে ‘নাভি জাপান’-এর মতো তথ্যভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সেমিনারে জাপানে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিনা) উদ্ভিদ প্রজনন বিভাগের জ্যেষ্ঠ বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. ইমদাদুল হক এবং বাকৃবির কৃষি সম্প্রসারণ শিক্ষা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. এম. মাসুদ রানা।

এ সময় জাপানের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির যোগ্যতা, বৃত্তির আবেদন প্রক্রিয়া, গবেষণা প্রস্তাব প্রস্তুত, তত্ত্বাবধায়ক নির্বাচন ও উচ্চশিক্ষা-পরবর্তী কর্মসংস্থানের সুযোগ নিয়ে আলোচনা করা হয়। পরে প্রশ্নোত্তর পর্বে শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন জিজ্ঞাসার উত্তর দেন আলোচকেরা।

Click to comment

প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত, সড়ক অবরোধ পরীক্ষার্থীদের

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদে নিয়োগ পরীক্ষা প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে স্থগিত হওয়ার পর রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন পরীক্ষার্থীরা।

শনিবার (১০ অক্টোবর) পরীক্ষা শুরুর নির্ধারিত সময়ের আগে এ সিদ্ধান্ত জানানো হলে ক্ষোভে সড়কে নামেন চাকরিপ্রার্থীরা। এতে কয়েকটি এলাকায় যান চলাচল ব্যাহত হয়।

সকাল ১১টায় অধিদপ্তরের সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা (১১তম গ্রেড) পদের নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। তবে পরীক্ষা শুরুর ঠিক আগে প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ সামনে আসায় কর্তৃপক্ষ পরীক্ষা স্থগিত করে।

এরপর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ, সাতমসজিদ রোড, বাংলা কলেজ ও খিলগাঁওসহ রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ শুরু করেন পরীক্ষার্থীরা। তারা প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনার ব্যাখ্যা ও দায়ীদের জবাবদিহি দাবি করেন।

মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে অবরোধের বিষয়টি নিশ্চিত করে শেরেবাংলা নগর থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মো. লোকমান হোসেন বলেন, প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে আন্দোলনকারীরা আড়ং সিগনালে অবস্থান নিয়ে সড়ক অবরোধ করেছেন।

তিনি জানান, আসাদগেট থেকে ধানমন্ডিগামী সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। তবে ধানমন্ডি থেকে আসাদগেটমুখী সড়কে অবস্থান নিয়েছেন পরীক্ষার্থীরা।

বিক্ষোভের সময় চাকরিপ্রার্থীদের ‘প্রশ্ন ফাঁস হলো কেন, প্রশাসন জবাব চাই’সহ বিভিন্ন স্লোগান দিতে দেখা যায়।

May be an image of one or more people, crowd and text

কেন্দ্রে পৌঁছেও পরীক্ষা দিতে পারেননি প্রার্থীরা
পরীক্ষায় অংশ নিতে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে ঢাকায় এসেছিলেন হাজার হাজার চাকরিপ্রার্থী। নির্ধারিত কেন্দ্রে উপস্থিত হওয়ার পর পরীক্ষা স্থগিতের খবর পেয়ে তারা বিপাকে পড়েন। অনেকের অভিযোগ, আগে থেকে কোনো ঘোষণা না দিয়েই পরীক্ষা বন্ধের সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে।

রাজধানীর মাদারটেকের এ আজিজ স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে পরীক্ষা দিতে আসা ঈমান জানান, তারা কেন্দ্রে প্রবেশ করে নির্ধারিত আসনে বসার পর পরিদর্শক এসে জানান, পরীক্ষা হবে না। কর্তৃপক্ষ পরীক্ষা স্থগিত করেছে।

কেন পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে না, তা জানতে চাইলে ঈমান মোল্লা বলেন, কেন্দ্র থেকে কোনো কারণ জানানো হয়নি। তবে প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছে বলে তারা শুনেছেন। তিনি ফরিদপুর থেকে পরীক্ষা দিতে ঢাকায় এসেছিলেন।

একই কেন্দ্রের আরেক পরীক্ষার্থী মো. তামিম জানান, তাদের কেন্দ্রেও একইভাবে পরীক্ষা স্থগিতের কথা জানানো হয়।

পরীক্ষার্থীদের ভাষ্য অনুযায়ী, নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে ৩০০টি পদের কথা উল্লেখ ছিল। এসব পদের বিপরীতে সারা দেশ থেকে লক্ষাধিক প্রার্থী আবেদন করেছিলেন। পরীক্ষা স্থগিতের সিদ্ধান্তে ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করেন তারা।

জানা গেছে, রাজধানীর কয়েকটি কেন্দ্রে প্রশ্নপত্র বিতরণের পর পরীক্ষা স্থগিতের ঘোষণা দেওয়া হয়।

এ দিকে মানিক মিয়া এভিনিউতে রাস্তা অবরোধকারীদের পক্ষ থেকে তিন দফা দাবি জানানো হয়েছে।

দাবিগুলো হলো:

১. প্রশ্ন ফাঁসের সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে হবে।

২. দূর থেকে পরীক্ষা দিতে আসা পরীক্ষার্থীদের ক্ষতিপূরণ দিতে হবে

৩. আগামী ১৫ দিনের মধ্যে পরীক্ষা নিতে হবে

দাবি বাস্তবায়নের ঘোষণা না আসা পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।

তেজগাঁও বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) ইবনে মিজান বলেন, আমরা আন্দোলনকারীদের সঙ্গে কথা বলেছি। তারা কিছু দাবি জানিয়েছে। আন্দোলনকারীদের বাইরে কেউ যেনো বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে সে বিষয় খেয়াল রাখা হচ্ছে।

Click to comment

দিল্লিতে বিক্ষোভের আগেই আটক ককরোচদের শীর্ষ নেতারা

প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে দিল্লিকে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) পূর্ব ঘোষিত বিক্ষোভ কর্মসূচিকে ঘিরে ধরপাকড় শুরু করেছে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির পুলিশ।

ইতোমধ্যে দলের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে, ইউটিউবার ও ইনফ্লুয়েন্সার ধ্রুব রাঠিসহ আরও কয়েক নেতাকে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছে একাধিক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম। এ ছাড়া বিক্ষোভে যোগ দিতে আসা প্রায় হাজার মানুষকে আটক করেছে দিল্লি পুলিশ।

এক প্রতিবেদনে রয়টার্স বলছে শনিবার সকালে দিল্লিতে পৌঁছানোর পর সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকেকে বিমানবন্দর থেকে আটক করা হয়। এ ছাড়া দলের দুই সহ-আহ্বায়ক সৌরভ দাস ও আশুতোষ রানকা এবং আইন সহায়তা বিভাগের প্রধান রত্না সিংকেও আটক করা হয়েছে বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

অপরদিকে সিজেপির সেই কর্মসূচিতে যোগ দিতে যাওয়া ইউটিউবার ধ্রুব রাঠিকে শনিবার ভোরে রাজধানী সংলগ্ন শহর গুরুগ্রাম থেকে আটক করেছে পুলিশ।

একইভাবে বিক্ষোভে যোগ দিতে বিভিন্ন স্থান থেকে আসা প্রায় ১ হাজার জনকে আটক করার কথা জানিয়েছে দিল্লি পুলিশ। 

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এএনআইয়ের বরাতে জানা গেছে, জনশৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং সম্ভাব্য বিশৃঙ্খলা ঠেকানোর কথা বলে এই পদক্ষেপ নিয়েছে পুলিশ।

ভারত, দিল্লি, বিক্ষোভ, ককরোচ জনতা পর্টি, সিজেপিমুম্বাই থেকে শনিবার সকালে দিল্লিতে পৌঁছান ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পরই পুলিশ তাকে আটক করে বলে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। দলটির পক্ষ থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে আটকের ভিডিও প্রকাশ করা হয়েছে।

আটকের আগে দীপকে জানিয়েছিলেন, কারাগারে যেতে হলেও কিংবা জাতীয় নিরাপত্তা আইনে অভিযুক্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকলেও তাদের আন্দোলন থামবে না। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণাও দেন তিনি।

বিক্ষোভ ঠেকাতে দিল্লিতে ব্যাপক নিরাপত্তা

এদিকে বিক্ষোভের নির্ধারিত স্থান জন্তর মন্তরসহ দিল্লির গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ব্যাপক নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন সড়কে ব্যারিকেড বসানো হয়েছে এবং পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনীর বিপুলসংখ্যক সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।

কেন্দ্রীয় দিল্লির বিভিন্ন এলাকায় ইন্টারনেট সংযোগে বিধিনিষেধ, একাধিক মেট্রো স্টেশন বন্ধ এবং ট্রেন চলাচলে বিঘ্নের খবরও পাওয়া গেছে। ফলে বিক্ষোভে অংশ নিতে আসা ব্যক্তিদের পাশাপাশি সাধারণ যাত্রীদেরও ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।

ভোটার তালিকায় অনিয়মের অভিযোগ

ককরোচ জনতা পার্টির এবারের আন্দোলনের মূল দাবি প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ। সংগঠনটির অভিযোগ, ভোটার তালিকা থেকে যোগ্য ভোটারদের নাম বাদ দিয়ে নির্বাচনি প্রক্রিয়াকে ক্ষমতাসীন বিজেপির পক্ষে প্রভাবিত করা হচ্ছে। তবে ভারতের নির্বাচন কমিশন ও বিজেপি- দুই পক্ষই এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

ইন্টারনেটভিত্তিক ব্যঙ্গাত্মক উদ্যোগ হিসেবে যাত্রা শুরু করা সংগঠনটি বেকারত্ব, পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং সরকারের জবাবদিহির মতো ইস্যুতে সক্রিয় হয়ে ওঠে। এবার নির্বাচনি স্বচ্ছতার দাবিতে আন্দোলনে নেমেছে তারা।

এদিকে বিজেপির জাতীয় সভাপতি নীতিন নবীন ককরোচ জনতা পার্টি ও বিরোধী দলগুলোর আন্দোলনকে ‘নৈরাজ্যবাদী’ কর্মকাণ্ড আখ্যা দিয়ে অভিযোগ করেছেন, এসব কর্মসূচির মাধ্যমে দেশে অস্থিতিশীলতা তৈরির চেষ্টা চলছে।

বিক্ষোভের আগেই আন্দোলনের শীর্ষ নেতাদের আটক এবং শত শত মানুষকে পুলিশি হেফাজতে নেওয়ার ঘটনায় দিল্লির রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে।

Click to comment

YouTuber Dhruv Rathee detained in Gurugram ahead of CJP’s Jantar Mantar protest

Police teams had reached Rathee’s residence in Kendriya Vihar society, Sector 56, Gurugram, ahead of the planned protest in Delhi.

Germany-based YouTuber Dhruv Rathee, who recently travelled to India, has been detained at his residence in Kendriya Vihar society in Gurugram’s Sector-56 on Saturday morning after he didn’t listen to the requests of Gurugram and Delhi police teams to not travel to the national capital to take part in the CJP protest for which permission has not been granted, police said.

Bengaluru: Cockroach Janta Party (CJP) founder Abhijeet Dipke in a conversation with YouTuber Dhruv Rathee (PTI)

Delhi has been turned into a fortress, with more than 40,000 Delhi Police and Central Armed Police Forces (CAPFs) personnel deployed, and barricades and spike strips installed ahead of the Abhijeet Dipke-led CJP protest at Jantar Mantar. The protesters are seeking the resignation of Chief Election Commissioner (CEC) Gyanesh Kumar over alleged irregularities in the Special Intensive Revision (SIR) of electoral rolls.

A senior official of Gurugram police said a Delhi police team had reached his residence, urging him not to travel to Delhi for the protest.

“Delhi police also communicated the scenario with us after which our teams also reached his home and urged him to comply with the law and help in maintaining peace,” he said.

“However, we were forced to detain him after he turned down all the requests not to travel to Delhi. We would have preferred not to detain him in case Rathee had listened to the law enforcement agencies,” the official said.

Gurugram police officials said that cops have been deployed at his home, who will remain stationed there till further orders.

CJP reacts

The CJP also confirmed through a social media post that Dhruv Rathee has been detained.

The outfit wrote on X: “The Dictator is TERRIFIED of young people who question its wrongdoings and refuse to stay silent!

In a separate statement issued on social media, the CJP said that it strongly condemns the Delhi Police’s “high-handed detention of Social Activist and Influencer Dhruv Rathee”.

“The arrest is part of an aggressive, citywide government crackdown designed to silence democratic dissent regarding electoral roll irregularities. The CJP demands the immediate and unconditional release of Rathee and the hundreds of other citizens and student activists currently held in custody,” the outfit said through its WhatsApp channel.

Rathee, in his recent video posted on social media platforms including X, had asked everyone to gather for the CJP protest at Jantar Mantar in Delhi on Saturday.

Deep Dive

Click to comment

দিল্লিতে বিক্ষোভে যোগ দেয়ার আগে ইউটিউবার ধ্রুব রাঠিকে আটক

দিল্লিতে পরিকল্পিত বিক্ষোভে যোগ দিতে যাওয়ার আগে ভারতের গুরুগ্রাম থেকে ইউটিউবার ধ্রুব রাঠিকে আটক করেছে পুলিশ। পুলিশের নির্দেশনা মানতে অস্বীকৃতি জানানোর পর তাকে আটক করা হয় বলে জানিয়েছে হিন্দুস্তান টাইমস।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, শনিবার (১০ অক্টোবর) দিল্লির যন্তর মন্তরে প্রস্তাবিত বিক্ষোভে যোগ দেয়ার প্রস্তুতির মধ্যে ধ্রুব রাঠিকে আটক করা হয়। বিক্ষোভটি আয়োজনের পরিকল্পনা করেছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। দলটি ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে এ কর্মসূচি ডেকেছে।

পুলিশের দল দিল্লিতে বিক্ষোভের আগে গুরুগ্রামের সেক্টর ৫৬-এর কেন্দ্রীয় বিহার আবাসিক এলাকায় ধ্রুব রাঠির বাসভবনে যায়। এসময় তাকে বিক্ষোভে যোগ দিতে দিল্লি না যাওয়ার নির্দেশ দেয়া হচ্ছিল বলে এর আগে গুরুগ্রাম পুলিশের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানিয়েছিলেন।

পুলিশের নির্দেশনা মানতে অস্বীকৃতি জানানোর পর তাকে আটক করা হয় বলে জানিয়েছে হিন্দুস্তান টাইমস।

এর আগে, ধ্রুব রাঠি দিল্লিতে বিক্ষোভের প্রস্তুতি ও নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। রাজধানীতে মেট্রো স্টেশন বন্ধ, ট্রেন চলাচলে বিধিনিষেধসহ বিভিন্ন পদক্ষেপের সমালোচনা করে তিনি পরিস্থিতিকে প্রায় ‘লকডাউন’-এর সঙ্গে তুলনা করেন।

নির্বাচনী তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়া নিয়ে আপত্তি এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবিতে এ বিক্ষোভের ডাক দেয়া হয়েছে।

তবে ধ্রুব রাঠিকে আটকের বিষয়ে পুলিশের বিস্তারিত বক্তব্য এবং পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত জানা যায়নি।

Click to comment

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিষয়ে পৃথক টেকনিক্যাল ক্যাডারসহ ৬ দফা দাবি বেরোবি শিক্ষার্থীদের

বেরোবি প্রতিনিধি :

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিষয়ে ডিগ্রিধারীদের বিষয়ভিত্তিক কর্মসংস্থান, পেশাগত স্বীকৃতি ও সরকারি চাকরিতে নিয়োগের সুযোগ নিশ্চিত করার দাবিতে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি দিয়েছেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) দুর্যোগ বিজ্ঞান ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের শিক্ষার্থীরা।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে শহীদ আবু সাঈদ গেটের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে যোগ দিতে আসা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন শিক্ষার্থীরা। এ সময় তাঁরা নিজেদের পেশাগত অধিকার ও কর্মসংস্থানসংক্রান্ত বিভিন্ন দাবি তুলে ধরে একটি স্মারকলিপি প্রদান করেন।

শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে বিভাগের দশম ব্যাচের শিক্ষার্থী মুশফিকুর রহমান মুগ্ধ এবং একাদশ ব্যাচের শিক্ষার্থী তাহমিদ সিদ্দিক দাবিগুলো তুলে ধরেন। এ সময় বিভাগের বিভিন্ন ব্যাচের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

স্মারকলিপিতে ছয়টি প্রধান দাবি উত্থাপন করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিষয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারীদের জন্য বিষয়ভিত্তিক সরকারি চাকরির সুযোগ নিশ্চিত করা, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় এবং অধীনস্থ দপ্তরগুলোতে পৃথক টেকনিক্যাল ক্যাডার বা উপযুক্ত কারিগরি পদ সৃষ্টি এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোতে নিয়োগের ক্ষেত্রে এ বিষয়ের ডিগ্রিধারীদের অগ্রাধিকার দেওয়া।

এ ছাড়া স্কুল ও কলেজ পর্যায়ে ভূগোলের শিক্ষক নিয়োগে দুর্যোগ বিজ্ঞান ও ব্যবস্থাপনা, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা এবং পরিবেশ, দুর্যোগ ও ব্যবস্থাপনা (ESDM) বিষয়ে ডিগ্রিধারীদের যোগ্যতা নির্ধারণে প্রয়োজনীয় নিয়োগবিধি সংশোধন, জাতীয় পর্যায়ে কার্যকর ইন্টার্নশিপ নীতিমালা প্রণয়ন এবং দাবিগুলো পর্যালোচনা ও বাস্তবায়নের সুপারিশ তৈরিতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিশ্ববিদ্যালয়, সরকারি দপ্তর ও বিষয়বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি বা কমিশন গঠনের দাবি জানানো হয়।

বিভাগের দশম ব্যাচের শিক্ষার্থী মুশফিকুর রহমান মুগ্ধ বলেন, “দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিষয়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করে শিক্ষার্থীরা দেশের দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস, প্রস্তুতি, সাড়াদান ও পুনর্বাসন কার্যক্রমে ভূমিকা রাখার জন্য প্রয়োজনীয় জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জন করছেন। কিন্তু সেই অনুযায়ী বিষয়ভিত্তিক কর্মসংস্থান ও পেশাগত স্বীকৃতির সুযোগ নিশ্চিত করা জরুরি। আমরা চাই, সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরগুলোতে আমাদের অর্জিত জ্ঞান ও দক্ষতার যথাযথ মূল্যায়ন করা হোক।”

বিভাগের শিক্ষার্থী রাকিবুল ইসলাম বলেন, “দুর্যোগপ্রবণ বাংলাদেশে দক্ষ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা জনবলের গুরুত্ব অনেক। এ বিষয়ে পড়াশোনা করা শিক্ষার্থীদের জন্য সুনির্দিষ্ট কর্মক্ষেত্র তৈরি করা হলে একদিকে যেমন তাঁদের কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়বে, অন্যদিকে দেশের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনাও আরও কার্যকর হবে। এ জন্য পৃথক কারিগরি পদ সৃষ্টি, ইন্টার্নশিপের সুযোগ এবং নিয়োগ নীতিমালা সংশোধনের মতো উদ্যোগ প্রয়োজন।”

শিক্ষার্থীরা আশা প্রকাশ করেন, তাঁদের উত্থাপিত দাবিগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তাঁদের মতে, এসব দাবি বাস্তবায়িত হলে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিষয়ে উচ্চশিক্ষিত তরুণদের পেশাগত স্বীকৃতি ও যোগ্যতাভিত্তিক কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়বে। পাশাপাশি দেশের দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও ব্যবস্থাপনায় দক্ষ জনবল গড়ে তোলার পথ আরও সুগম হবে।

Click to comment