Connect with us

Turnkey construction of baths

The sauna consists of four rooms: a steam room, a washing room, a relaxation room and a veranda.

The foundation of the bathhouse must correspond to the specific climatic conditions of the area in which the bathhouse is being built. A typical foundation is a columnar—support type made of foundation blocks with a height of 25 cm, it is possible to strengthen it or use another type of foundation, for example, a ribbon one.
The construction of the walls and partitions of the bathhouse is carried out from timber of standard sizes 100 * 150 mm, 150 * 150 mm, 190 * 190 mm at your discretion. When choosing the thickness of the beam, the frequency and season of use of the bathhouse should be taken into account — when using the bathhouse all year round, it makes sense to use a thicker beam in construction to improve thermal performance and to prevent the beam from bending due to uneven shrinkage. For the same reason, partitions are made of timber of the same size as the walls in order to make the frame of the bathhouse stronger.

Only environmentally friendly materials are used as a sealer during construction. Doors and windows for baths are made without the use of glue on wooden spikes. To prevent jamming of door and window openings, an increased gap with improved thermal insulation is used. The windows are glazed with double glazing. When installing floors in the washing room and steam room of a bathhouse under construction, used water is drained into the sewer.

The drain is made in the form of an inclined surface made of water-repellent material in a pit equipped with a water lock connected to a drain pipe. The floors are double, insulated with mineral wool, the floorboard is 37 mm thick. During construction, the walls are lined with clapboard and insulated with mineral wool. For the interior decoration of the steam room, aspen lining is used, which does not emit resin at high temperatures.

Additional thermal insulation of the steam room is provided by foil laid between the lining and the beam during construction. The steam room is equipped with shelves in two tiers, and an 800 * 800 mm shower tray is installed in the shower. The roof is covered with ondulin.

Turnkey construction of baths is the most convenient option for the builder and the customer. This option allows the builder to be responsible for the entire project and control the quality of work at all stages of construction, and the customer receives a ready-made solution from the development of the project to its implementation in one company that provides guarantees for the work and materials used in the construction of a turnkey bathhouse. Simply create an account and input the special code in the registration form to improve your bonus. 1xBet combines a user-friendly interface with fast payouts and exciting promotions. Whether you prefer sports events or casino games, the options are vast. Many users enjoy the thrill of free spins on popular slots. 1xbet promo code free bet unlocks 130% up to $130 on the first sports deposit and a casino bonus up to $1950 with 150 free spins. This offer is designed exclusively for first-time registrants. Standard bonuses are lower without the code.

‘আমি বাংলাদেশি’, ব্রিটিশ নাগরিকত্বের প্রশ্নে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

ডিজিটাল রিপোর্ট

যুক্তরাজ্যের নাগরিকত্ব ত্যাগের বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ূন কবীর। তিনি বলেছেন, ‘আমি বাংলাদেশি। এখানে আসার এবং বাংলাদেশের জন্য কাজ করার অর্থই এটি। কোনো সুবিধাভোগী মানুষ এখানে কাজ করবে না।’

সোমবার (২৪ আগস্ট) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।

দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকলে মন্ত্রিত্ব গ্রহণে কোনো আইনি বাধা রয়েছে কি না এবং এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনার বিষয়ে জানতে চাইলে হুমায়ূন কবীর বলেন, ‘আমি সিটিজেনশিপ নিয়ে এসেছি, আর আপনারা বললেন নেটিজেন! মানে কোন নেটিজেন? আমি তো নাগরিকত্ব নিয়ে কাজ করতে এসেছি, আমরা কাজ করি।’

এর আগে একটি গণমাধ্যমে তাঁর যুক্তরাজ্যের নাগরিকত্ব নিয়ে সংবাদ প্রকাশের প্রসঙ্গেও ক্ষোভ প্রকাশ করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘তার জ্বালা কেন হচ্ছে? তার কি ২০০৮-এর জ্বালা উঠছে নাকি আবার? মঈন-মঈনুদ্দিন, ফখরুদ্দিনের জ্বালা উঠছে তার আবার? নাকি।’

দেশের স্বার্থে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে হুমায়ূন কবীর বলেন, ‘দেশের পক্ষে জোরালো অবস্থান নেওয়া মানুষ সব, দেশপ্রেমিক মানুষ যারা আছে, গণমাধ্যম এবং রাজনৈতিক নেতারা—এখন আমরা সবাই মিলে ইনশাআল্লাহ এই দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাব।’

Click to comment

চারজনকেই শ্বাসরোধে হত্যা, পচনে কালচে হয়েছে মুখ: ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক

ডিজিটাল ডেস্ক

রংপুর নগরের মাছুয়াপাড়ায় একই পরিবারের চারজনকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক। নিহতদের মুখের কাছে পাওয়া তরল পদার্থ কোনো রাসায়নিক বা কেমিক্যাল বার্নের কারণে নয়; মরদেহ পচনের স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় মুখের রং ও চেহারা কালচে হয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

সোমবার (২৪ আগস্ট) বেলা ২টা ৪০ মিনিটের দিকে মুঠোফোনে রংপুর মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক বাবলু কুমার বিশ্বাস এসব তথ্য জানান।

তিনি বলেন, মরদেহ পচতে শুরু করলে শরীরের পোশাকের বাইরে থাকা অংশ অনেক সময় কালচে হয়ে যায়। নিহতদের মুখের ক্ষেত্রেও একই ঘটনা ঘটেছে। সেখানে কোনো ধরনের কেমিক্যাল বার্নের চিহ্ন পাওয়া যায়নি।

হত্যার ধরন সম্পর্কে বাবলু কুমার বিশ্বাস বলেন, চারজনকেই শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। ধস্তাধস্তির কারণে শরীরের বিভিন্ন স্থানে সামান্য আঘাতের চিহ্ন থাকতে পারে। তবে এর বাইরে উল্লেখযোগ্য কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি।

এর আগে চারজনের মরদেহ উদ্ধারের সময় মুখের কাছে তরল পদার্থ দেখতে পায় পুলিশ। মুখগুলো বীভৎস দেখাচ্ছিল বলে জানিয়েছিল পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। এ কারণে মরদেহে কোনো রাসায়নিক ব্যবহার করা হয়েছিল কি না, তা নিয়ে সন্দেহ দেখা দেয়।

রোববার রংপুর সিআইডির পুলিশ সুপার (ভারপ্রাপ্ত) সুমিত চৌধুরী জানিয়েছিলেন, নিহতদের মুখের কাছে তরল পদার্থ পাওয়ায় কেমিক্যাল ব্যবহারের বিষয়টি নিশ্চিত হতে ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসককে বিষয়টি জানানো হয়েছিল। তবে ময়নাতদন্ত শেষে চিকিৎসক জানান, মরদেহে কেমিক্যাল বার্নের কোনো চিহ্ন পাওয়া যায়নি। পচন প্রক্রিয়ার কারণেই মুখের রং ও চেহারায় পরিবর্তন হয়েছে।

নিহতরা হলেন রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তাঁর স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী, ছেলে প্রিয়ম ও মেয়ে আগামী। শনিবার রাতে নগরের মাছুয়াপাড়ার নিজ বাড়ি থেকে তাঁদের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

স্বজনেরা জানান, বৃহস্পতিবার মধ্যরাতের পর থেকে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করা যাচ্ছিল না। শনিবার বাড়িতে গিয়ে স্বজনেরা চারজনের মরদেহ দেখতে পান। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।

পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। ময়নাতদন্ত শেষে রোববার সন্ধ্যায় মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। ওই রাতেই নগরের দখিগঞ্জ শ্মশানে তাঁদের শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়।

এ ঘটনায় শনিবার রাতেই প্রতিবেশী সিদ্ধার্থ দাস (২৩) ও মুগ্ধ দাসকে (১৯) গ্রেপ্তার করে পুলিশ। রোববার রাত সাড়ে ১১টার দিকে রংপুর চিফ মেট্রোপলিটন আদালত-২-এ তাঁদের ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি নেওয়া হয়। পরে তাঁদের কারাগারে পাঠানো হয়।

রোববার রংপুর কোতোয়ালি থানায় নিহত গণপতি চক্রবর্তীর বড় ভাই গোপীনাথ চক্রবর্তী হত্যা মামলা করেন। মামলায় কোনো আসামির নাম উল্লেখ করা হয়নি; অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।

এদিকে হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে রোববার থেকে রংপুর জেলা স্কুল, কারমাইকেল কলেজসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা বিক্ষোভ করছেন।

সূত্র: আজকের পত্রিকা

Click to comment

মিড-ডে মিলে খাবারের মানে কোনো আপস নয়: প্রধানমন্ত্রী

ডিজিটাল ডেস্ক

বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য চালু থাকা মিড-ডে মিল কর্মসূচির খাবার পুষ্টিকর, নিরাপদ ও মানসম্মত করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। খাবারের মান নিয়ে কোনো ধরনের আপস না করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

সোমবার (২৪ আগস্ট) বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের বৈঠকে তিনি এ নির্দেশনা দেন।

বৈঠকে শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের চলমান কার্যক্রম, এর লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য এবং শিক্ষার্থীদের আর্থিক সহায়তার মাধ্যমে ঝরে পড়া রোধে ট্রাস্টের ভূমিকা সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীকে বিস্তারিত জানানো হয়।

এ সময় সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার আমলে মেয়েদের জন্য চালু হওয়া সার্বজনীন উপবৃত্তি কর্মসূচির প্রভাব ও অর্জন নিয়েও আলোচনা হয়। মেয়েদের বিদ্যালয়ে উপস্থিতি বৃদ্ধি, শিক্ষাজীবন অব্যাহত রাখা এবং বাল্যবিবাহ নিরুৎসাহিত করার ক্ষেত্রে এ কর্মসূচির ইতিবাচক প্রভাবের বিষয়টি বৈঠকে উঠে আসে।

এর পরিপ্রেক্ষিতে ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে স্নাতক পর্যন্ত মেয়েদের জন্য সার্বজনীন উপবৃত্তি পুনরায় চালুর সম্ভাবনা যাচাইয়ের নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। সম্ভাব্য ব্যয়, উপকারভোগীর সংখ্যা, বাস্তবায়ন পদ্ধতি এবং এর সামাজিক ও শিক্ষাগত প্রভাব বিশ্লেষণ করে একটি সুস্পষ্ট প্রস্তাব তৈরির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

একই সঙ্গে ছেলেদের শিক্ষায় উৎসাহিত করতে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে উপবৃত্তি দেওয়ার বিষয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়।

বৈঠকে শিক্ষার্থীদের পুষ্টি ও স্বাস্থ্য সুরক্ষাকেও শিক্ষার মানোন্নয়নের সমান গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে বিবেচনা করা হয়। মিড-ডে মিল বাস্তবায়নে ব্যয়, ব্যবস্থাপনার দক্ষতা, স্থানীয় পর্যায়ে অংশগ্রহণ এবং খাবারের মান নিয়ন্ত্রণের বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করা হয়।

মিড-ডে মিল পরিচালনার দুটি বিকল্প পদ্ধতি নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়। এসব পদ্ধতির কার্যকারিতা ও বাস্তবায়নযোগ্যতা যাচাই করতে পৃথক দুটি জেলায় দুটি পাইলট প্রকল্প চালুর নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

বৈঠকে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন, প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা ও মুখপাত্র মাহদী আমিন, শিক্ষা সচিব আবদুল খালেক, প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Click to comment

হঠাৎ কেন রিলস বানাতে মন দিলেন মোদি?

দীর্ঘদিন ধরেই বক্তৃতা, আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠান ও পরিকল্পিত প্রচারের মাধ্যমে নিজেরে ‘স্ট্রংম্যান’ ভাবমূর্তি তৈরি করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।  কিন্তু সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে তরুণদের জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে নতুনভাবে তার উপস্থিতি দেখা গেছে।  তরুণদের কাছে টানতে যেন তাদেরই একজন হওয়ার চেষ্টা করছেন ৭৫ বছর বয়সি এই নেতা। 

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এক প্রতিবেদনে বলছে, এক মাস আগেও মোদির সামাজিক মাধ্যম হ্যান্ডেলগুলোতে অত্যন্ত ভেবেচিন্তে তৈরি কনটেন্ট পোস্ট করা হতো।  তবে এখন তার অ্যাকাউন্টে দেখা যাচ্ছে আরও ব্যক্তিগত ও স্বতঃস্ফূর্ত ভিডিও। এর মধ্যে রয়েছে ‘গেট রেডি উইথ মি’ ধরনের ভিডিও এবং তরুণদের উদ্দেশে সেলফি-স্টাইলের বক্তব্য। এসব ভিডিওতে তরুণদের তিনি প্রায়ই ‘বন্ধু’ বলে সম্বোধন করছেন।

সম্প্রতি দিল্লিতে এক সমাবর্তন অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বক্তব্য দেওয়ার সময় তাকে জেন-জি’দের জনপ্রিয় ভাষা ও ভঙ্গিও ব্যবহার করতে দেখা যায়। 

শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভের পর বদলেছে কৌশল

ভারতের সাম্প্রতিক শিক্ষার্থী আন্দোলনের পর মোদির সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম কৌশলে এই পরিবর্তন আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে। ব্যঙ্গাত্মক ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) নেতৃত্বে শুরু হওয়া এই আন্দোলন মিম, লাইভস্ট্রিম ও ইনস্টাগ্রাম রিলের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।  এই আন্দোলনের মুখে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীকেও পদত্যাগ করতে হয়। 

লেখক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক অনুরাগ মিনাস ভার্মার মতে, এক দশকের বেশি সময় ধরে বিজেপি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ, ফেসবুক পেজ ও এক্স অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে অনলাইনে শক্তিশালী রাজনৈতিক নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছে। কিন্তু তরুণ ভারতীয়রা এখন ভিন্নভাবে রাজনীতি ও অনলাইন কনটেন্ট গ্রহণ করছে।

ভারতের ৬০ শতাংশের বেশি মানুষের বয়স ৩৫ বছরের নিচে। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, ১৯৯৭ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে জন্ম নেওয়া জেন-জি ২০২৯ সালের সাধারণ নির্বাচনে ভারতের অন্যতম বড় ভোটার গোষ্ঠীতে পরিণত হবে। 

মোদির ভিডিও নিয়ে ব্যঙ্গ

তরুণদের কাছে পৌঁছাতে ইনস্টাগ্রামে মোদির নতুন ধরনের ভিডিও প্রকাশের পর শুরুতেই আসে নানা ব্যঙ্গ-বিদ্রূপ।  বিক্ষোভ চলাকালে  মোদির প্রথম সেলফি-স্টাইলের ভিডিও নিয়ে ব্যাঙ্গ শুরু হয়। অনেকে ভিডিওটির লাইট, ক্যামেরা অ্যাঙ্গেল ও উপস্থাপনা নিয়েও ঠাট্টা করেন।

এরপরের ভিডিওগুলোতে মোদির টিম ক্যামেরার অ্যাঙ্গেল, লাইট ও পেছনের দৃশ্য বদলে নতুনভাবে উপস্থাপনের চেষ্টা করে।

তবে এতেও সন্তুষ্ট হয়নি সবাই।  ২২ বছর বয়সি গিনি মালিয়ার মতে, বিজেপি কেন তার বয়সি তরুণদের কাছে পৌঁছাতে চাইছে, তা বোঝা যায়। কিন্তু হঠাৎ করে তরুণদের প্রতি এই বাড়তি আগ্রহ কেন—সেটিই বেশি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।

তার মতে, ভিডিওগুলোতে জেন-জি’দের ভাষা ও ফরম্যাট ব্যবহার করা হলেও বিক্ষোভের পেছনে থাকা মূল সমস্যাগুলো নিয়ে তেমন কথা বলা হচ্ছে না।

বিজেপিও ব্যবহার করছে মিম ও জনপ্রিয় সংস্কৃতি

শুধু মোদির অ্যাকাউন্ট নয়, তার দল বিজেপির সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পেজগুলোতেও এখন মিম, তরুণদের প্রচলিত ভাষা এবং জনপ্রিয় সংস্কৃতির নানা উপাদান ব্যবহার করা হচ্ছে।

বিক্ষোভ শেষ হওয়ার পর বিজেপি একটি জিমের দৃশ্য নিয়ে রিল প্রকাশ করে। সেখানে তরুণদের বিক্ষোভ থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। কিন্তু ভিডিওটির নিচে অনেকেই এটিকে ‘ক্রিঞ্জ’ বা ‘অস্বস্তিকর’ বলে মন্তব্য করেন।

আরেকটি ভিডিওতে জনপ্রিয় ৯০-এর দশকের সিরিজ ‘ফ্রেন্ডস’ এর গান জুড়ে দিয়ে লেখা হয়, ‘প্রধানমন্ত্রী আপনাদের সঙ্গে আছে’।  তবে জেন-জি’দের  কাছে এই সিরিজের আবেদন তুলনামূলক কম হওয়ায় ভিডিওটিও তেমন সাড়া পায়নি।

মালিয়ার মতে, তার প্রজন্মের অনেকেই এসব ভিডিওকে রাজনৈতিক প্রচার হিসেবে না দেখে বরং ‘কমেডি কনটেন্ট’ হিসেবে দেখছে।

ইনস্টাগ্রামে জনপ্রিয়তা পেলেই কি ভোট পাওয়া যাবে?

বিশ্লেষকদের মতে, ইনস্টাগ্রামে তরুণদের মনোযোগ পাওয়া আর সেখানে রাজনৈতিক বক্তব্যের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখা এক বিষয় নয়। 

মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক জয়োজিত পাল বলেন, বিজেপি দীর্ঘদিন ধরে এক্স ও হোয়াটসঅ্যাপের সমর্থক নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে নিজেদের বার্তা ছড়িয়ে আসছে।  কিন্তু ইনস্টাগ্রামের অ্যালগরিদম ভিন্নভাবে কাজ করে। এখানে বেশি সময় ধরে ভিডিও দেখা, পুনরায় দেখা, শেয়ার ও মন্তব্যের মতো বিষয়গুলো কনটেন্ট কতটা ছড়াবে, তা নির্ধারণ করে। ফলে বড় সংখ্যক অনুসারী থাকলেই কোনো ভিডিও বেশি জনপ্রিয় হবে—এমন নিশ্চয়তা নেই।

মোদির প্রথম ইনস্টাগ্রাম রিলটি এর বড় উদাহরণ। ভিডিওটি ৪০ কোটির বেশি বার দেখা হয়েছে। কিন্তু তরুণদের অনেকে সেটি ব্যঙ্গাত্মকভাবে সম্পাদনা (এডিট) করে আবার পোস্ট করেছেন। ফলে মোদির উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বার্তার বদলে ভিডিওটির ভিন্ন একটি অর্থ তৈরি হয়েছে।

বিশ্লেষক ভার্মার মতে, ইনস্টাগ্রাম মূলত ব্যঙ্গ ও রসিকতাপ্রবণ একটি প্ল্যাটফর্ম। তাই গুরুগম্ভীর রাজনৈতিক বক্তব্য রিল আকারে প্রকাশ করলেও তা সহজেই ট্রলের শিকার হতে পারে।

নির্বাচনে বিজেপির জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ?

বিশেষজ্ঞরা অবশ্য জেন জেন-জি’কে  কাছে টানার এই প্রচেষ্টাকে অতিরিক্ত গুরুত্ব না দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। তাদের মতে, বিজেপির নির্বাচনী সাফল্য এখনও অনেক বেশি নির্ভর করে দলের শক্তিশালী সাংগঠনিক কাঠামো ও দীর্ঘদিনের সমর্থকভিত্তির ওপর।

জয়োজিত পালের ভাষায়, নির্বাচনে জয় পাওয়া আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের আলোচনার নিয়ন্ত্রণ নেওয়া এক বিষয় নয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জেন-জি’কে বড় একটি অংশ বিজেপিকে অপছন্দ করলেও দলটি নির্বাচনে বড় জয় পেতে পারে।

বিশ্লেষকদের ধারণা, ইনস্টাগ্রাম ও জেন-জি’র নতুন ভাষা বুঝতে বিজেপির কিছুটা সময় লাগবে। তবে দলটি শেষ পর্যন্ত এই নতুন বাস্তবতার সঙ্গেও মানিয়ে নিতে পারে।

তথ্যসূত্র: বিবিসি

Click to comment

বেরোবি উপাচার্যের সঙ্গে অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সাক্ষাৎ

আনাস মাহমুদ, বেরোবি প্রতিনিধি

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) উপাচার্যের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছে বেরোবি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন।

গত রবিবার (২৩ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৪টায় উপাচার্য দপ্তরে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের কার্যক্রম, সাবেক শিক্ষার্থীদের ক্যাম্পাসে প্রবেশ, কনভোকেশন, ক্যারিয়ার গাইডলাইন, বৃক্ষরোপণসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।

বৈঠকে অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের গত ছয় মাসের কার্যক্রম উপাচার্যের কাছে তুলে ধরার পাশাপাশি আগামী দিনের বিভিন্ন পরিকল্পনা ও কর্মসূচি সম্পর্কে অবহিত করা হয়েছে বলে জানান তারা।

জানা যায়, আলোচনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলোর রিডিংরুমে অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে বই দেওয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। এর মধ্যে চাকরির প্রস্তুতির বই ও মৌলিক বিষয়ের প্রয়োজনীয় বই দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ৫০০টি ফলজ ও ঔষধি গাছ রোপণের পরিকল্পনা নিয়েও আলোচনা হয়। সাবেক শিক্ষার্থীদের ক্যাম্পাসে প্রবেশ সহজ করতে অ্যালামনাই আইডি কার্ড চালুর উদ্যোগের কথা জানানো হয়। উপাচার্য জানান, অ্যালামনাই কার্ডধারী সাবেক শিক্ষার্থীদের ক্যাম্পাসে প্রবেশে যেন কোনো ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হতে না হয়, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হবে।

এছাড়া বৈঠকে ক্যারিয়ার গাইডলাইন বিষয়ক সেমিনার আয়োজনের পরিকল্পনা, সরকারি ও বেসরকারি চাকরি এবং বিদেশে উচ্চশিক্ষা ও কর্মসংস্থানে আগ্রহীদের ক্যারিয়ার বিষয়ে দিকনির্দেশনা দিতে বিশেষজ্ঞদের নিয়ে এ সেমিনার আয়োজন, রংপুরের বিভিন্ন ডায়াগনস্টিক সেন্টারের সঙ্গে অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) করার পরিকল্পনা, অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের নিবন্ধন, অফিস বরাদ্দ এবং কনভোকেশন আয়োজনের বিষয়ে আলোচনা হয়।

উপাচার্য অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের নিবন্ধন দ্রুত অনুমোদন ও অফিস বরাদ্দ এবং কনভোকেশন আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন বলে জানান অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের নেতারা।

অ্যাসোসিয়েশনের কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করে উপাচার্য বলেন, ‘একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নিতে অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সার্বিক সহযোগিতা প্রত্যাশা করি।’

বৈঠকে অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সহসভাপতি সুলতানুল মোসলেমিন অনিক (লাকিম), সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম সাইফ, দপ্তর সম্পাদক আসাদ হোসেন, ক্যারিয়ার ও গাইডলাইন সম্পাদক মো. মোহসিন আলী, মানবসম্পদ সম্পাদক আল আমিন হোসেন, ক্রীড়া সম্পাদক সোহেল রানা ও কার্যনির্বাহী সদস্য মোন সাজ্জাদ হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

Click to comment

স্থানীয় সরকার নির্বাচন খুব বেশি দেরি হবে না: সিইসি

ভালো ভোট করার কমিটমেন্টে নির্বাচন কমিশন অটল রয়েছে জানিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন জানিয়েছেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের নির্বাচনের দিনক্ষণ এখনি বলা যাচ্ছে না। তবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন খুব বেশি দেরি হবে না বলে আশ্বস্ত করেন তিনি।

সোমবার (২৪ আগস্ট) আগারগাঁওয়ের নির্বাচনি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন সিইসি। ইন্টারন্যাশনাল ফাউন্ডেশন ফর ইলেকটোরাল সিস্টেম (আইএফইএস) অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে।

স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে কমিশনের প্রস্তুতি সম্পর্কে জানতে চাইলে সিইসি বলেন, আমরা কমিটমেন্টে অটল। এখানে আমাদের কমিটমেন্টের কোনো ঘাটতি নেই। আমরা ঠিক জাতীয় নির্বাচন যেভাবে করেছি, তার চাইতে বেটার করার চেষ্টা করব, খারাপ হবে না। ওই স্ট্যান্ডার্ড আমরাই সেট করেছি, এর নিচে তো আমরা যেতে পারি না। সুতরাং ওই স্ট্যান্ডার্ড তো থাকবেই, যদি পারি তার চাইতেও বেটার করব।

স্থানীয় সরকার নির্বাচনের দিনক্ষণ এখনই বলা সম্ভব নয় জানিয়ে সিইসি বলেন, নির্বাচনের সময় নির্ধারণে বিভিন্ন বিষয় বিবেচনা করতে হচ্ছে। পাশাপাশি কিছু আইন ও বিধি-বিধান সংশোধনের কাজ চলছে।

তিনি বলেন, কমিশনের পক্ষ থেকে আইন ও বিধি-বিধানের সংশোধনী প্রস্তুত করে মন্ত্রণালয়ে ভেটিংয়ের জন্য পাঠানো হয়েছে। এসব প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর নির্বাচন আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় অন্যান্য ব্যবস্থা হবে।

সিইসি বলেন, সরকারের সঙ্গে আলোচনা করেই নির্বাচনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। নির্বাচন পরিচালনায় পুলিশ, বিজিবি ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহযোগিতা প্রয়োজন হওয়ায় সরকারের সঙ্গে সমন্বয় করেই এগোতে হবে।

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জাতীয় নির্বাচনের তুলনায় সহিংসতার মাত্রা কিছুটা বেশি থাকে উল্লেখ করে সিইসি বলেন, বিষয়টি কমিশনের বিবেচনায় রয়েছে।

তিনি বলেন, জাতীয় নির্বাচনের তুলনায় স্থানীয় সরকার নির্বাচনে একটু ভায়োলেন্স বেশি হয়, এটা আপনারা এবং আমরা সবাই জানি। সেই দিকটা আমাদের মাথায় আছে। আমরা যথাসাধ্য চেষ্টা করব এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সেভাবে মোবিলাইজ করার চেষ্টা করব।

স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রস্তুতি সম্পর্কেও আলোচনা শুরু করেছে কমিশন। এরই অংশ হিসেবে পুলিশের মহাপরিদর্শকের (আইজিপি) সঙ্গে বৈঠক হয়েছে বলে জানান সিইসি।

তিনি বলেন, সারা দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং নির্বাচনের সময় পুলিশ কী পরিমাণ সদস্য দিতে পারবে, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। পাশাপাশি পুলিশের বিদ্যমান মনিটরিং ব্যবস্থা নির্বাচনের সময় মাঠ পর্যবেক্ষণে ব্যবহারের জন্য চাওয়া হয়েছে।

নির্বাচনের তারিখ নির্ধারণের ক্ষেত্রে একাধিক বিষয় বিবেচনা করতে হবে বলে জানান সিইসি। দুর্গাপূজা, বর্ষাকাল, বন্যার সম্ভাবনা এবং বার্ষিক পরীক্ষার সময়সূচির মতো বিষয়গুলো বিবেচনায় নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, নির্বাচনে স্কুলের শিক্ষকদের প্রিসাইডিং ও পোলিং কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে হয়। তাই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বার্ষিক পরীক্ষার সময়সূচিও নির্বাচনের তারিখ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ।

ঠাকুরগাঁও-১ শূন্য আসনের উপনির্বাচন প্রসঙ্গে সিইসি বলেন, আইন অনুযায়ী ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন করতে হবে এবং সেই অনুযায়ী কমিশন কাজ করছে।

Click to comment

আলোচিত নুসরাত হত্যা মামলায় দুজনের ফাঁসি, ৪ জনের যাবজ্জীবন

ফেনীর সোনাগাজীর আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত হত্যা মামলায় আপিলের রায় ঘোষণা করা হয়েছে। এতে দুজনের ফাঁসি ও চরজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আপিল বিভাগ। এছাড়া খালাস পেয়েছেন ১০ জন।

সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুর ১২টা ৫০ মিনিট থেকে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কেএম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চে আলোচিত এ মামলার রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত আসামিরা হলেন সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার বহিষ্কৃত অধ্যক্ষ এসএম সিরাজ উদদৌলা ও শাহাদাত হোসেন শামী।

আদালতে আসামিদের পক্ষে অ্যাডভোকেট এস এম শাহজাহান, ব্যারিস্টার মাসুদ হোসেন দোলন, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির উপস্থিত ছিলেন। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সৈয়দ ইজাজ কবির।

২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল নুসরাত হত্যা মামলায় রায় দেন। রায়ে মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ ১৬ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড এবং প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল মাদরাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলার বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগে নুসরাতের মা শিরীন আক্তার মামলা করেন। পরে সিরাজকে গ্রেফতার করা হয়। অভিযোগপত্র ও মামলার নথি অনুযায়ী, মামলা তুলে নিতে রাজি না হওয়ায় নুসরাতকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়।

২০১৯ সালের ৬ এপ্রিল আলিম পরীক্ষা দিতে মাদ্রাসায় গেলে নুসরাতকে কৌশলে ছাদে নিয়ে তার গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় প্রথমে তাকে সোনাগাজী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে ফেনী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১০ এপ্রিল মারা যান নুসরাত।

এ ঘটনায় নুসরাতের ভাই মাহমুদুল হাসান নোমান ৮ এপ্রিল মামলা করেন। ২৮ মে অভিযোগপত্র দাখিলের পর ২০ জুন আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। পরে ৬১ কার্যদিবসে ৮৭ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ ও যুক্তিতর্ক শেষে ২৪ অক্টোবর রায় ঘোষণা করেন আদালত।

Click to comment

ইউক্রেনকে দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির নকশা দেবে যুক্তরাজ্য

ইউক্রেনকে দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র তৈরিতে সহায়তা করতে গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তিগত নকশা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহাম। প্রথম বিদেশ সফরে সোমবার (২৪ আগস্ট) কিয়েভে গিয়ে তিনি ইউক্রেনের প্রতি ব্রিটেনের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন। ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যম বিবিসি এ খবর প্রকাশ করেছে।

বার্নহাম জানান, ব্রিটিশ প্রতিরক্ষা প্রতিষ্ঠান এমবিডিএকে যুক্তরাজ্যের ব্যবহৃত দূরপাল্লার স্ক্যাল্প ক্ষেপণাস্ত্রের কিছু ব্রিটিশ উপাদানসংক্রান্ত তথ্য প্রকাশের অনুমতি দিয়েছে তার সরকার। এর ফলে ইউক্রেন নিজেদের দেশে এই ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির সক্ষমতা গড়ে তোলার সুযোগ পাবে।

স্ক্যাল্প ক্ষেপণাস্ত্র ফ্রান্সের তৈরি স্টর্ম শ্যাডোর সমতুল্য। প্রায় ৫ দশমিক ১ মিটার দীর্ঘ ও ১ হাজার ৩০০ কেজি ওজনের এই ক্ষেপণাস্ত্র প্রায় ১৫০ মাইল দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে। এটি স্থির ও পূর্বনির্ধারিত লক্ষ্যবস্তুতে দিন-রাত এবং বিভিন্ন আবহাওয়ায় হামলা চালাতে সক্ষম।

কিয়েভ সফরে বার্নহাম ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠক করবেন এবং যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সের উদ্যোগে গঠিত ‘কোয়ালিশন অব দ্য উইলিং’-এর বৈঠকে সভাপতিত্ব করবেন। ইউক্রেনের স্বাধীনতার ৩৫তম বার্ষিকীর অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি দেশটির প্রতি ব্রিটিশ জনগণের সমর্থনের একটি পুরস্কারও গ্রহণ করবেন তিনি।

বার্নহাম বলেন, ইউক্রেনের নিরাপত্তা যুক্তরাজ্যেরও নিরাপত্তার সঙ্গে সম্পর্কিত এবং রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ যতদিন চলবে, ততদিন ব্রিটেন কিয়েভের পাশে থাকবে।

এদিকে ইউক্রেনকে সামরিক সহায়তা বাড়ানো নিয়ে রাশিয়া ব্রিটেনকে সতর্ক করেছে। লন্ডনে রুশ দূতাবাস অভিযোগ করেছে, ব্রিটেন ইউক্রেন সংকটে ইচ্ছাকৃতভাবে উত্তেজনা বাড়াচ্ছে। মস্কোর দাবি, সংঘাতে ব্রিটেনের সম্পৃক্ততা যত বাড়বে, এর মূল্যও তত বেশি দিতে হবে।

অন্যদিকে ইউক্রেন রাশিয়ার ভেতরে দূরপাল্লার হামলা জোরদার করেছে। দেশটির হামলায় রাশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলের তেল শোধনাগার, গুদাম ও অবকাঠামো লক্ষ্যবস্তু হয়েছে। একই সময়ে রুশ হামলায় ইউক্রেনের খারকিভ শহরেও হতাহতের খবর পাওয়া গেছে।

Click to comment

ইরানকে ‘অর্থনৈতিক ডি-ডে’র হুমকি যুক্তরাষ্ট্রের, পাল্টা যুদ্ধ ঘোষণার হুঁশিয়ারি তেহরানের

ডিজিটাল ডেস্ক

ইরানের বিরুদ্ধে আরও কঠোর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার হুঁশিয়ারি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ওয়াশিংটনের এমন হুমকির জবাবে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক অভিযানকে ‘যুদ্ধ ঘোষণা’ হিসেবে বিবেচনার সতর্কবার্তা দিয়েছে তেহরান।

মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট এক নিবন্ধে বলেন, ইরানের ওপর এমন অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে, যা দেশটির জন্য ‘অর্থনৈতিক ডি-ডে’ হিসেবে বিবেচিত হবে। তেহরানের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রতিটি পথ বন্ধ করাই যুক্তরাষ্ট্রের মূল লক্ষ্য বলেও জানান তিনি।

বেসেন্ট বলেন, যেসব দেশ বা প্রতিষ্ঠান ইরান থেকে জ্বালানি তেল কেনা ও পরিবহনে সহায়তা করছে কিংবা ব্যাংকিং ব্যবস্থার মাধ্যমে দেশটির অবৈধ বাণিজ্যে সহযোগিতা করছে, তাদেরও গুরুতর অর্থনৈতিক পরিণতির মুখে পড়তে হবে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি দাবি করেন, ওয়াশিংটন ইতোমধ্যে ইরানের প্রায় পুরো সামরিক সক্ষমতা ও পরমাণু কর্মসূচি ধ্বংস করেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের এই হুমকির তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ইরান। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘেই বলেন, এ ধরনের নিষেধাজ্ঞা আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী। একই সঙ্গে তিনি এটিকে জাতিসংঘের সদস্য সার্বভৌম দেশগুলোর ওপর নিজেদের ক্ষমতা চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হিসেবে উল্লেখ করেন।

ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব মহসিন রেজাইও যুক্তরাষ্ট্রকে কঠোর সতর্কবার্তা দিয়েছেন। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র অর্থনৈতিক যুদ্ধ অব্যাহত রাখলে পারস্য উপসাগর বা হরমুজ প্রণালী দিয়ে এক ফোঁটা তেলও বিদেশে রপ্তানি করতে দেওয়া হবে না।

তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের এই অর্থনৈতিক অভিযানে যে দেশ অংশ নেবে বা সমর্থন করবে, ইরান সেটিকে নিজেদের বিরুদ্ধে সরাসরি ‘যুদ্ধ ঘোষণা’ হিসেবে বিবেচনা করবে।

এদিকে প্রায় ছয় মাস ধরে চলা উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে এখনো কোনো কার্যকর শান্তির পথ তৈরি হয়নি। বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথ হরমুজ প্রণালীতে অনুমোদনহীন ট্যাংকার প্রবেশে তেহরানের নিষেধাজ্ঞার কারণে তেল পরিবহনও প্রায় স্থবির হয়ে পড়েছে।

তবে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ তেল আমদানিকারক চীন এবং ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান উভয় পক্ষকে আলোচনার মাধ্যমে সংকট সমাধানের আহ্বান জানিয়েছেন। ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাকের কালিবাফও সামরিক শক্তির পাশাপাশি অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলায় বাণিজ্যিক প্রবাহ সচল রাখার প্রয়োজনীয়তার কথা স্বীকার করেছেন।

সূত্র: এনডিটিভি

Click to comment

বায়তুল মোকাররমে শুরু হচ্ছে পক্ষকালব্যাপী সিরাতুন্নবী অনুষ্ঠানমালা

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) ১৪৪৮ হিজরি উদযাপন উপলক্ষে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে পক্ষকালব্যাপী ‘সিরাতুন্নবী (সা.) অনুষ্ঠানমালা’ শুরু হচ্ছে আগামীকাল মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট)। জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের পূর্ব সাহানে বাদ মাগরিব উদ্বোধন অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে এ আয়োজন শুরু হবে।

উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এতে সভাপতিত্ব করবেন ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ, এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ শামীম কায়সার।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন জানিয়েছে, পক্ষকালব্যাপী এ অনুষ্ঠানমালায় মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর পবিত্র জীবন, কর্ম, আদর্শ, মানবিক মূল্যবোধ, শান্তি, সাম্য, ন্যায় ও সম্প্রীতির শিক্ষা সাধারণ মানুষের মধ্যে তুলে ধরতে নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।

কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে ওয়াজ মাহফিল, কেরাত মাহফিল, হামদ-নাত মাহফিল, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ও বাংলাদেশ বেতারের যৌথ উদ্যোগে সেমিনার এবং বাংলাদেশ বেতারে প্রচারিত রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর শানে রচিত কবিতা পাঠের মাহফিল। এ ছাড়া স্কুল-কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে ইসলামী সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা, সিরাত স্মরণিকা ও ক্রোড়পত্র প্রকাশ, ইসলামী ক্যালিগ্রাফি প্রদর্শনী এবং জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের পূর্ব ও দক্ষিণ চত্বরে মাসব্যাপী ইসলামী বইমেলার আয়োজন করা হয়েছে।

এ ছাড়া আগামী ২৫ আগস্ট থেকে ৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রতিদিন বাদ মাগরিব থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত দেশের প্রখ্যাত ওলামায়ে কেরাম ও পীর-মাশায়েখরা ওয়াজ করবেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন জানিয়েছে, এসব আয়োজনে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর আদর্শ ও সুন্নাহ অনুসরণের মাধ্যমে ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজজীবনে নৈতিকতা, মানবিকতা, সহনশীলতা ও শান্তির চেতনা প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্বারোপ করা হবে।

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আয়োজিত এ পক্ষকালব্যাপী অনুষ্ঠানমালায় ধর্মপ্রাণ মুসল্লি, আলেম-ওলামা, শিক্ষার্থী, শিক্ষক, সংস্কৃতিকর্মী, সাংবাদিকসহ সর্বস্তরের জনগণকে অংশগ্রহণ ও অনুষ্ঠানমালা উপভোগের জন্য আন্তরিকভাবে আমন্ত্রণ জানিয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন।

Click to comment