Connect with us

আন্তর্জাতিক

ইরান পরমাণু চুক্তি না করলে ভয়াবহ হামলার হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

Published

on

পরমাণু চুক্তি ইস্যুতে ইরানের ওপর চাপ আরও বাড়ালেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আলোচনায় না এলে আরও ভয়াবহ সামরিক হামলার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ট্রাম্প। বুধবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় এমনটাই জানিয়েছেন তিনি। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।  

ট্রাম্প লিখেছেন, তিনি আশা করেন ইরান দ্রুত আলোচনার টেবিলে বসবে এবং একটি ন্যায্য ও সমতাভিত্তিক চুক্তিতে পৌঁছাবে, যেখানে পরমাণু অস্ত্রের কোনও স্থান থাকবে না। তিনি সতর্ক করে বলেছেন, সময় দ্রুত ফুরিয়ে যাচ্ছে এবং পরিস্থিতি অত্যন্ত জরুরি। 

মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি জোরদার করার প্রসঙ্গে ট্রাম্প স্মরণ করিয়ে দেন। গত জুনে সামরিক হামলা হয়েছিল তা মনে করিয়ে দেন। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, পরবর্তী হামলা হলে তা আরও ভয়াবহ হবে এবং এমন পরিস্থিতি আবার সৃষ্টি না করার আহ্বান জানিয়েছেন। 

এ সময় তিনি আরও জানিয়েছেন, একটি মার্কিন নৌবহর ইরানের দিকে অগ্রসর হচ্ছে।

অন্যদিকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির উপদেষ্টা আলি শামখানি এক্সে দেওয়া এক পোস্টে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি কোনও সামরিক পদক্ষেপ নেয়, তাহলে ইরান যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল এবং তাদের মিত্রদের লক্ষ্য করে হামলা চালাবে।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেছেন, ইরানের সশস্ত্র বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত অবস্থায় রয়েছে এবং যেকোনও আগ্রাসনের জবাব তাৎক্ষণিক ও কঠোরভাবে দেওয়া হবে।

তবে তিনি জোর দিয়ে বলেছেন, ইরান সবসময়ই একটি ন্যায্য, সমতাভিত্তিক ও পারস্পরিক লাভজনক পরমাণু চুক্তিতে আগ্রহী। এ ধরনের চুক্তিতে কোনও হুমকি বা চাপ থাকবে না, শান্তিপূর্ণ পরমাণু প্রযুক্তিতে ইরানের অধিকার নিশ্চিত হবে এবং পরমাণু অস্ত্রের কোনও স্থান থাকবে না। 

আরাঘচি আরও জানিয়েছেন, সম্প্রতি সময়ে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের সঙ্গে কোনও যোগাযোগ করেননি এবং আলোচনার জন্য কোনও অনুরোধও জানাননি।

উল্লেখ্য, একজন মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ট্রাম্প এখনও সামরিক হামলার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেননি। তবে ইরানের দুর্বল অবস্থাকে কাজে লাগিয়ে পরমাণু নিরস্ত্রীকরণসহ বিভিন্ন বিষয়ে চুক্তির জন্য চাপ দেওয়াকেই যুক্তরাষ্ট্র সুবিধাজনক মনে করছে।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top3

জর্ডানে মার্কিন বিমান ঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র-ড্রোন হামলা

Published

on

By

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

জর্ডানের আল-আজরাক এলাকায় অবস্থিত একটি মার্কিন সামরিক বিমান ঘাঁটিতে একযোগে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। হামলায় ঘাঁটির বিভিন্ন সামরিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেও দাবি করেছে বাহিনীটি।

শনিবার (১৮ জুলাই) আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

আইআরজিসির দাবি, হামলায় মার্কিন বিমান বাহিনীর যুদ্ধবিমানের হ্যাঙ্গার এবং একটি বড় বিমান পার্কিং র‌্যাম্প ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। একই সঙ্গে অন্তত দুটি অত্যাধুনিক মার্কিন যুদ্ধবিমান ধ্বংস এবং আরও কয়েকটি ফাইটার জেট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেও দাবি করেছে ইরান।

তবে ইরানের এ দাবির বিষয়ে এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র বা জর্ডান সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি। ফলে যুদ্ধবিমান ধ্বংস বা ক্ষয়ক্ষতির দাবিগুলো স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

হামলার পাশাপাশি আইআরজিসি জর্ডানের সেনাবাহিনীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেছে, দেশটির ভূখণ্ড থেকে মার্কিন সেনাদের সরিয়ে দিতে পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। এ বিষয়ে একটি বিবৃতিও প্রকাশ করেছে সংস্থাটি।

এর আগে একই দিনে সৌদি আরবে অবস্থিত একটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবিও করে ইরান। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে এসব ঘটনার ফলে আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।

সূত্র: আল জাজিরা

Continue Reading

আন্তর্জাতিক

সৌদি আরবে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

Published

on

By

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সৌদি আরবের মাটিতে অবস্থিত একটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। গত প্রায় চার মাসের মধ্যে সৌদি ভূখণ্ডে তেহরানের এটিই প্রথম সরাসরি সামরিক হামলা বলে দাবি করা হয়েছে।

শনিবার (১৮ জুলাই) যুক্তরাষ্ট্রের এক সরকারি কর্মকর্তার বরাত দিয়ে অ্যাক্সিওসের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। তবে হামলায় কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কিংবা সৌদি আরবের কোন মার্কিন সামরিক ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

প্রতিবেদনে বলা হয়, এর আগে গত এপ্রিল মাসের শুরুতে সৌদি আরবের জুবাইল পেট্রোকেমিক্যাল কমপ্লেক্সে সর্বশেষ সরাসরি সামরিক হামলা চালিয়েছিল ইরান। প্রায় চার মাস পর আবারও সৌদি আরবের ভেতরে কোনো লক্ষ্যবস্তুতে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করল তেহরান।

এদিকে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তি ভেঙে যাওয়ার পর সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে পারস্য উপসাগরের হরমুজ প্রণালীকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা এবং পাল্টাপাল্টি সামরিক তৎপরতা বেড়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, সর্বশেষ এই হামলা মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।

সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

Continue Reading

top3

অবৈধভাবে বসবাসরত প্রবাসীদের সুখবর দিল ইতালি

Published

on

By

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ইতালিতে বসবাসরত কাগজবিহীন অভিবাসীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি রায় দিয়েছেন দেশটির সাংবিধানিক আদালত। নির্দেশনা অনুযায়ী, শুধু অবৈধভাবে ইতালিতে প্রবেশ বা ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার কারণে শেনজেন তথ্য ব্যবস্থা (এসআইএস)-এ প্রশাসনিক সিগন্যাল থাকলেই ২০২০ সালের ইমার্সিওন (স্যানাটোরিয়া) কর্মসূচির আবেদন আর স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল করা যাবে না।

আদালত তার রায়ে উল্লেখ করেছে, ইমিগ্রেশন আইনের সংশ্লিষ্ট বিধানে থাকা স্বয়ংক্রিয়ভাবে আবেদন বাতিলের ব্যবস্থা ইতালির সংবিধানের সমতা ও ন্যায়সংগত আচরণের নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। ফলে এখন থেকে প্রতিটি আবেদনকারীর ফাইল পৃথকভাবে ও বিস্তারিতভাবে মূল্যায়ন করতে হবে। শুধু এসআইএসে প্রশাসনিক সিগন্যাল থাকার ভিত্তিতে আবেদন প্রত্যাখ্যান করা যাবে না।

এই রায়ে সবচেয়ে বেশি উপকৃত হতে পারেন ইতালিতে বসবাসরত বাংলাদেশিসহ অন্যান্য অভিবাসীরা, যাদের সানাতোরিয়া আবেদন শুধু অবৈধ প্রবেশ বা ওভারস্টের কারণে এসআইএস সিগন্যাল দেখিয়ে আটকে রাখা হয়েছিল বা প্রত্যাখ্যান করা হয়েছিল। এখন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আবেদনকারীর ব্যক্তিগত পরিস্থিতি, কর্মসংস্থান, ইতালিতে অবস্থানের বাস্তবতা এবং জননিরাপত্তার বিষয় বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। অর্থাৎ, প্রতিটি আবেদন আলাদাভাবে মূল্যায়নের মাধ্যমে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেওয়া হবে।

তবে আদালত স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, গুরুতর অপরাধ, সন্ত্রাসবাদ, মাদক পাচার কিংবা জননিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে বিবেচিত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে এই রায় প্রযোজ্য হবে না। এসব ক্ষেত্রে আগের আইন অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা নিতে পারবে।

অভিবাসন বিশেষজ্ঞদের মতে, যাদের সানাতোরিয়া আবেদন এখনো ঝুলে আছে অথবা একই কারণে অতীতে প্রত্যাখ্যান হয়েছে, তারা একজন অভিজ্ঞ ইমিগ্রেশন আইনজীবীর সহায়তায় নিজেদের ফাইল পুনরায় পর্যালোচনার আবেদন করার বিষয়টি বিবেচনা করতে পারেন।

Continue Reading

Trending