Connect with us

রাজনীতি

কয়দিন পর হয়তো বলবে, গোলাম আজম ছিলেন স্বাধীনতার ঘোষক : রিজভী

Published

on

জামায়াতে ইসলামীর আমিরের উদ্দেশে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, কয়দিন পর হয়তো বলবেন, গোলাম আজম ছিলেন স্বাধীনতার ঘোষক। এ কথাও আপনারা বলতে পারেন। কারণ, মিথ্যা বলতে আপনারা কখনোই পিছপা হন না।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিচতলায় দলটির উদ্যোগে পবিত্র শবেবরাত উপলক্ষে মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে তিনি এ কথা করেন।

জামায়াত আমিরের উদ্দেশে রিজভী বলেন, পাকিস্তানি বাহিনী যখন আমাদের মা-বোনদের ওপর অত্যাচার চালিয়েছে, তখন সেই অত্যাচারকে আপনারা অত্যাচার বলেননি। সেই নির্যাতনকে আপনারা নির্যাতন হিসেবেও স্বীকার করেননি; বরং তাদের আপনারা সমর্থন করেছেন, পৃষ্ঠপোষকতা দিয়েছেন। আজ কোন মুখে, কোন দুরভিসন্ধি নিয়ে আপনারা স্বাধীনতার ঘোষণা নিয়ে কথা বলছেন? কয়দিন পর হয়তো বলবেন, গোলাম আজম সাহেবই ছিলেন স্বাধীনতার ঘোষক— এ কথাও আপনারা বলতে পারেন। কারণ, মিথ্যা বলতে আপনারা পিছপা হন না।

তিনি বলেন, জামায়াতের আমির নারীদের সম্পর্কে যে কুরুচিপূর্ণ ও অবমাননামূলক মন্তব্য করেছেন, তাতে সারা দেশের নারী সমাজ ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে। সেই ক্ষোভ ঢাকতেই তিনি এখন স্বাধীনতার ঘোষক নিয়ে কথা বলছেন। কিন্তু প্রতিষ্ঠিত সত্যকে বিতর্কিত করে সত্য আড়াল করা যাবে না।

তিনি আরও বলেন, আপনারা (জামায়াত) ১৯৮৬ সালে বলেছিলেন এরশাদের অধীনে নির্বাচনে যাবেন না। শেখ হাসিনাও বলেছিলেন, যারা যাবে তারা জাতীয় বেইমান। কিন্তু শেখ হাসিনা ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নির্বাচনে গেছেন, জামায়াতে ইসলামও ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গেছে। জনগণের কাছে ওয়াদা করে পরে আপনারা সেই ওয়াদা খেলাফ করেছেন। সে সময় বেগম খালেদা জিয়া নির্বাচনে যাননি। তিনি নয় বছর সংগ্রাম করেছেন, নিপীড়ন সহ্য করেছেন, অত্যাচার সহ্য করেছেন। তাকে বন্দি করা হয়েছে, গ্রেপ্তার করা হয়েছে, গৃহবন্দি করা হয়েছে তারপরও তিনি তার কথার বরখেলাপ করেননি। সত্যের মুখোশ একসময় খুলে পড়ে। আজ নারীদের বিষয়ে দেওয়া বক্তব্যের মধ্য দিয়েই তাদের আসল চরিত্র প্রকাশ পেতে শুরু করেছে।

রিজভী বলেন, গতকাল চট্টগ্রামে জামায়াতের আমির যাকে স্বাধীনতার ঘোষক হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন, তিনি নিজেও কখনও এমন দাবি করেননি। প্রকৃত স্বাধীনতার ঘোষক ছিলেন সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। তিনি তখন একজন মেজর হিসেবে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে গোটা জাতিকে দিকনির্দেশনা দিয়েছিলেন এবং মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন। তার সঙ্গে যিনি সহকারী হিসেবে কাজ করেছেন, তিনিও নিজের লেখায় বারবার অত্যন্ত সম্মানের সঙ্গে জিয়াউর রহমানের নাম উল্লেখ করেছেন।

তিনি প্রশ্ন তুলে বলেন, এখন হঠাৎ করে রাজনৈতিক স্বার্থে এসব কথা বললে মানুষ কি তা গ্রহণ করবে? তিনি তো তার সামরিক বা পেশাগত জীবনে কখনো নিজেকে স্বাধীনতার ঘোষক বলেননি। এমনকি জিয়াউর রহমান দল গঠন করার সময়ও তিনি তার সহকারী হিসেবেই ছিলেন। এসব তথ্য তার প্রকাশিত বইয়েও রয়েছে।

শবেবরাতের তাৎপর্য তুলে ধরে রিজভী বলেন, শবেবরাত একটি পবিত্র রজনী। এই রাতে বিশ্বের মুসলমানরা আল্লাহর নৈকট্য লাভের জন্য ইবাদত-বন্দেগিতে মশগুল হন। ইসলামের প্রতিটি উৎসবই আল্লাহর করুণা ও নেয়ামত লাভের সঙ্গে সম্পর্কিত হোক তা ঈদুল ফিতর, ঈদুল আজহা, শবেবরাত বা শবেকদর। এসব পবিত্র দিন ও রাত মানুষের মধ্যে আত্মশুদ্ধির অনুভূতি সৃষ্টি করে।

তিনি বলেন, আজ দেশে দেশে সংঘাত, রক্তপাত, পাপ ও অনাচার বাড়ছে। কারণ, মানুষ আল্লাহর কাছে আত্মনিবেদনের চর্চা করছে না। পবিত্রতা ও শুদ্ধতার চর্চা না থাকলেই সমাজে ভয়াবহ অপরাধ ও নোংরা ঘটনা ছড়িয়ে পড়ে। যখন মানুষ আল্লাহর নৈকট্য লাভের চেষ্টা করে না, তখনই সমাজে এই অনাচারগুলো বিস্তার লাভ করে।

রিজভী অভিযোগ করেন, কেউ কেউ ইসলামের নামে রাজনীতি ও ব্যবসা করে ফায়দা লুটতে চায়। ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য ধর্মকে ব্যবহার করা হয়। অথচ এ দেশের মুসলমানরা ইসলামকে ব্যবসার বস্তু নয়, জীবনাচরণের আদর্শ হিসেবে ধারণ করে। আলেম-ওলামাদের দায়িত্ব হলো ইসলামের প্রকৃত তাৎপর্য ব্যাখ্যা করা, কিন্তু ধর্মের নামে মুনাফেকি করলে সমাজে পাপ-পঙ্কিলতা বাড়বেই।

তিনি বলেন, প্রকৃত মুসলমান কখনো মিথ্যা বলতে পারে না, মুনাফেকি করতে পারে না। আল্লাহ তাআলা কোরআনে বারবার মুনাফেকদের সম্পর্কে সতর্ক করেছেন। ইসলামের নামে রাজনীতি করতে গিয়ে যদি মিথ্যা ও প্রতারণার আশ্রয় নিতে হয়, তাহলে সেটি ইসলামের সঙ্গেই বিশ্বাসঘাতকতা।

নারীদের মর্যাদা প্রসঙ্গে বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ নেতা বলেন, ইসলাম নারীদের সর্বোচ্চ সম্মান দিয়েছে। ইসলামের প্রথম বাণী গ্রহণকারী ছিলেন একজন নারী হজরত বিবি খাদিজা (রা.)। মায়ের কাছ থেকেই সন্তানরা প্রথম নামাজ ও ধর্মীয় শিক্ষা গ্রহণ করে। অথচ আজ নারীদের অবমূল্যায়ন করা হচ্ছে, কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করা হচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ নারীদের নিয়ে বাজে মন্তব্য করে পরে নানা অজুহাত দেওয়া হচ্ছে। এতে সারা দেশে ‘ছিছি’ পড়েছে এবং নারীরা ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন।

তিনি বলেন, এই ক্ষোভ ঢাকতেই স্বাধীনতার ঘোষক ইস্যু সামনে আনা হচ্ছে। কিন্তু এই কৌশল কাজে আসবে না। নারীদের প্রতি অবমাননামূলক বক্তব্যের দায় কোনোভাবেই এড়িয়ে যাওয়া যাবে না।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরফত আলী সপু, নির্বাহী কমিটির সদস্য মো. মাইনুল ইসলাম প্রমুখ।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

খণ্ডিতভাবে ডেপুটি স্পিকার নয়, ‘জুলাই সনদ’ ও সংস্কারের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন চায় জামায়াত 

Published

on

By

বিএনপির প্রস্তাবে সাড়া দিয়ে জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার পদ জামায়াতে ইসলামী গ্রহণ করবে কি না, সেই বিষয়টি এখনো স্পষ্ট করেনি দলটি। জামায়াতের আমির ও বর্তমান সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান জানিয়েছেন, তাঁরা কোনো খণ্ডিত প্রাপ্তি নয়, বরং ‘জুলাই সনদ’ ও সংস্কার প্রস্তাবের পূর্ণাঙ্গ ও প্যাকেজ বাস্তবায়ন চান।

বুধবার (১১ মার্চ) রাতে রাজধানীর সংসদ ভবনে বিরোধীদলীয় নেতার সভাকক্ষে বিরোধী দলগুলোর সংসদ সদস্যদের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। আগামীকাল বৃহস্পতিবার ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।

প্যাকেজ বাস্তবায়নের দাবি

জামায়াত আমির বলেন, ‘জুলাই সনদেই উল্লেখ আছে যে বিরোধী দল থেকে একজন ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হবেন। আমরা খণ্ডিতভাবে কিছু চাচ্ছি না; আমরা চাই পুরো প্যাকেজের বাস্তবায়ন। পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নের মাধ্যমেই আমরা আমাদের ন্যায্য দায়িত্ব পালন করতে পারি।’ তিনি আরও জানান, সরকারের পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হলেও জামায়াত কেবল জুলাই সনদের আলোকেই বিরোধী দলের পাওনা দাবি করছে।

সরকারি দলের প্রতি অভিযোগ

বিরোধী দলের সদস্যরা সংবিধান সংস্কার পরিষদ ও সংসদ সদস্য—উভয় পদের শপথ নিলেও সরকারি দল এখনো সংস্কার পরিষদের শপথ নেয়নি বলে অভিযোগ করেন ডা. শফিকুর রহমান। তিনি সতর্ক করে বলেন, ‘চব্বিশের (২০২৪) চেতনাকে অমান্য বা অগ্রাহ্য করে ছাব্বিশে (২০২৬) জাতির জন্য কোনো সুখবর আসবে না। আশা করি, সরকারি দল দ্রুত এই শপথ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবে।’

গঠনমূলক বিরোধী দলের ভূমিকা

সংসদে বিরোধী দলের ভূমিকা প্রসঙ্গে আমির বলেন, ‘সব ব্যাপারে কেবল বিরোধিতা নয়, আবার না বুঝেও কোনো অন্ধ সহযোগিতা নয়। দেশ ও জাতির কল্যাণে সরকারের সব ইতিবাচক পদক্ষেপে আমাদের সমর্থন থাকবে। তবে জনস্বার্থবিরোধী সিদ্ধান্ত নিলে প্রথমে পরামর্শ দেব, তাতে কাজ না হলে প্রতিবাদ এবং সবশেষে জনগণের অধিকারের পক্ষে শক্ত অবস্থান নেব।’

২০২৪-এর গুরুত্ব ও গণভোট

নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘এই নির্বাচন ২০২৯ সালে হওয়ার কথা থাকলেও চব্বিশের ছাত্র-জনতার সীমাহীন ত্যাগের কারণে তা দ্রুত অনুষ্ঠিত হয়েছে। আমরা ১৯৪৭, ১৯৫২, ১৯৭১ ও ১৯৯০-এর মতো ২০২৪-কেও সমগুরুত্বে ধারণ করি।’ সাম্প্রতিক গণভোটে ৬৯ শতাংশ মানুষের ‘হ্যাঁ’ জয়কে অগ্রাহ্য করার কোনো সুযোগ নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতের সংসদ সদস্য ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদের সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন এ টি এম আজহারুল ইসলাম, মুজিবুর রহমান ও রফিকুল ইসলাম খানসহ বিরোধী দলের শীর্ষস্থানীয় সংসদ সদস্যরা।

Continue Reading

রাজনীতি

স্বৈরাচারের দোসর রাষ্ট্রপতির সংসদে ভাষণ দেওয়ার অধিকার নেই : আবদুল্লাহ তাহের

Published

on

By

জামায়াতের নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের বলেছেন, স্বৈরাচারের দোসর রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সংসদে ভাষণ দেওয়ার অধিকার নেই।

বুধবার (১১ মার্চ) দুপুরে সংসদের বিরোধী দলের এমপিদের নিয়ে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি একথা বলেন।

তিনি বলেন, বিএনপি কেন তাকে দিয়ে সংসদে ভাষণ দেওয়াচ্ছেন সেটা আমাদের কাছে পরিষ্কার নয়। এ বিষয়ে আমরা কিছু সিদ্ধান্ত নিয়েছি; আগামীকাল আপনারা জানতে পারবেন।

সংসদে ডেপুটি স্পিকার পদ নিয়ে তিনি বলেন, অধিবেশনে ডেপুটি স্পিকারের বিষয়ে বিরোধী দলের একটি আলোচনা হয়েছে। প্রস্তাব আসার পর সিদ্ধান্ত জানানো হবে।

এর আগে জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে দলটির সংসদ সদস্যদের বৈঠক করে ১১-দলীয় জোটের নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা। আসন্ন সংসদ অধিবেশনে বিরোধী দলের নোটিশ, মুলতবি প্রস্তাব ও সাধারণ আলোচনার বিষয়বস্তু কী হবে, তা নিয়েও বৈঠকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

Continue Reading

top2

ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন নিয়ে সরকারের প্রস্তাব আপাতত নাকচ: গোলাম পরওয়ার

Published

on

By

জাতীয় সংসদে জুলাই সনদ নিয়ে আলোচনার পর ডেপুটি স্পিকারের বিষয়ে জামায়াত নিজেদের সিদ্ধান্ত জানাবে বলে জানিয়েছেন দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।

বুধবার (১১ মার্চ) গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, সংসদে জুলাই সনদ নিয়ে আলোচনার পর ডেপুটি স্পিকারের বিষয়ে নিজেদের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবে বিরোধী দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। আপাতত সরকারের প্রস্তাব নাকচ।

এর আগে গত ২ মার্চ সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছিলেন, জুলাই জাতীয় সনদের প্রতি সম্মান দেখিয়ে এবং ঐকমত্যের ভিত্তিতে যেটা আমরা সমঝোতায় এসেছি, রাজনৈতিক সমঝোতার দলিল হিসেবে সেটার বাস্তবায়ন এখন থেকেই শুরু করতে চাই। আমাদের দলের পক্ষ থেকে প্রধান বিরোধী দলকে মৌখিকভাবে ও সাক্ষাতে অফার করেছি, তারা যেন ডেপুটি স্পিকার ঠিক করেন। সেটা জাতীয় সংসদে স্পিকার নির্বাচনের দিন একইসঙ্গে নির্বাচিত হতে পারে।

তবে মঙ্গলবার (১০ মার্চ) নিজের ফেসবুক পেজে এক পোস্টে জুলাই সনদ এবং গণভোট অনুযায়ী সংস্কার প্রস্তাব বাস্তবায়নের দাবি জানান জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। তিনি লেখেন, জুলাই সনদ এবং গণভোট অনুযায়ী সংস্কার প্রস্তাব বাস্তবায়িত না হলে বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী কেবল অলংকার হিসেবে ডেপুটি স্পিকারের পদ গ্রহণ করবে না।

একই দিন সকালে আরেক পোস্টে তিনি লেখেন, ১৮ কোটি মানুষ, বড় অর্থনীতি। ক্রাইসিস ছিল, আছে এবং থাকবে। ক্রাইসিস মোকাবিলায় দরকার সৎ-দক্ষ জনশক্তি এবং জাতীয় ঐক্য। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ না মানায় অনৈক্য বেড়েই চলছে। সাবধান হোন

Continue Reading

Trending