Connect with us

top3

‎‎কুবিতে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালন, শহীদ আব্দুল কাইয়্যুমকে মরণোত্তর সম্মাননা

Published

on

‎সানজিদা আক্তার সাথী, ‎কুবি প্রতিনিধি:

‎কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) যথাযোগ্য মর্যাদায় ছাত্র-জনতার ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ এর ২য় বর্ষপূর্তি পালন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে র‍্যালি, আলোচনা সভা, মরণোত্তর সম্মাননা প্রদান এবং দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

‎বুধবার (৫ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টায় প্রশাসনিক ভবনের সামনে থেকে একটি র‍্যালি বের করা হয়। র‍্যালিটি ক্যাম্পাস গেট, গোলচত্বর ও শহীদ মিনার প্রদক্ষিণ শেষে প্রশাসনিক ভবনের সামনে এসে শেষ হয়।

‎পরে ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের কনফারেন্স কক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ আব্দুল কাইয়্যুমকে মরণোত্তর সম্মাননা প্রদান করা হয় এবং তাঁর মায়ের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয়।

‎আলোচনা সভা শেষে বাদ জোহর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

‎অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. আমজাদ হোসেন সরকারের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম। বিশেষ অতিথি ছিলেন কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বেলাল উদ্দিন ও প্রক্টর অধ্যাপক ড. আব্দুল হাকিম। এছাড়া শহীদ আব্দুল কাইয়্যুমের মা, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, হল প্রভোস্ট, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

‎শহীদ আব্দুল কাইয়ুমের কথা স্বরণ করে অশ্রুশিক্ত কণ্ঠে তাঁর মা বলেন, “আমার ছেলের কথা বলতে গেলে কখনো শেষ হবে না৷ আমি মনে করি আমার ছেলের মতো আর দ্বিতীয় কেউ হতে পারবে না। আমার ছেলের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সবাই এত বড় একটা আয়োজন করেছে এটার জন্য আমি খুশি। আপনারা জানেনই আমার অবস্থা; স্যাররা গিয়েছিলো আমার বাড়িতে, তারা দেখে আসছে৷”

‎কোষাধক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বেলাল উদ্দিন বলেন, “আমি শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করতে চাই এদেশ বিনির্মাণে যারা আত্মত্যাগ করেছেন, বিভিন্ন গণতান্ত্রিক আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেছেন এবং সর্বশেষ ২৪ এর জুলাই আন্দোলনে শহীদ ও আহত হয়েছেন তাদেরকে। জুলাই অভ্যুত্থানের চেতনাকে সামনে রেখে আমাদের দেশ, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় এবং আমরা যে যেখানে আছি সে জায়গা থেকে কাজ করে যেতে চাই। আব্দুল কাইয়ূম আমার বিভাগের একজন মেধাবী ও পরিশ্রমী স্টুডেন্ট ছিলেন। আমার প্রত্যাশা থাকবে আমরা যেন শহীদ আব্দুল কাইয়ূম কে ভুলে না যাই। প্রশাসনের প্রতি আমার প্রত্যাশা আব্দুল কাইয়ূম এর পরিবারকে যেন সর্বোচ্চ সহায়তা করা হয়।”

‎শহীদ আব্দুল কাইয়ুম এবং তার পরিবারকে নিয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম বলেন, “আমরা আব্দুল কাইয়ুমের পরিবারের প্রতি কৃতজ্ঞ তারা আমাদের ডাকে সারা দিয়েছেন, আমাদের অনুষ্ঠানে এসেছেন। আব্দুল কাইয়ুম কোন ফ্যাকাল্টিতে পড়তো, কোন বিভাগে ক্লাস করতো, পরীক্ষা দিতো এগুলো তার পরিবারকে দেখানোর জন্যই এই ফ্যাকাল্টিতে আয়োজন করেছি। শহীদ আব্দুল কাইয়ুম ৪ তারিখে যেদিন গুলিবিদ্ধ হয় সেদিন স্বৈরাচার দেশে ছিলো, আর ৬ তারিখ যেদিন মারা যায় সেদিন দেশ স্বৈরাচার মুক্ত হয়েছিলো।”

‎তিনি আরও বলেন, “সরকার শহীদ পরিবারদেরকে যে ফ্ল্যাট বরাদ্দ দিচ্ছে। আমাদের প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা থাকবে, যেন আপনাদের পরিবারও সেই সুবিধাটুকু পায়৷ সেটা পাওয়ার জন্য আমাদের প্রশাসনের পক্ষ থেকে যতটুকু করা লাগে আমরা সবটুকুই করবো। প্রয়োজনে আমরা মন্ত্রী মহোদয়ের সাথে দেখা করে সেই সুবিধাটুকু নিশ্চিত করার চেষ্টা করবো। আপনারা আমাদের মাঝে এসেছেন৷ আপনাদের হারানের যে বেদনা সেটা পূরণ করার ক্ষমতা আমাদের নেই। কিন্তু আপনাদের হারানোর মাধ্যমে দেশ যে প্রাপ্তিটা পেয়েছে, আমরা যে প্রাপ্তিটা পেয়েছি তার কৃতজ্ঞতা আপনাদের পরিবারের প্রতি আমাদের সারা জীবন থাকবে।”

‎অনুষ্ঠানের সভাপতি ও উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. আমজাদ হোসেন সরকার বলেন, “জুলাই গণঅভ্যুত্থান আমাদের আবেগের সঙ্গে জড়িত। যারা এ আন্দোলনে শহীদ হয়েছেন, তাঁদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাই এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করি। সেই সময়ে শিক্ষার্থীদের, বিশেষ করে নারী শিক্ষার্থীদের সাহসী অংশগ্রহণ না থাকলে আন্দোলনটি গণঅভ্যুত্থানে রূপ নিত কি না, তা নিয়ে সন্দেহ আছে ।’

‎তিনি আরও বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের সব সাংস্কৃতিক সংগঠনকে নিয়ে আমরা একটি সমন্বিত পরিকল্পনা গ্রহণের উদ্যোগ নিয়েছি। তারা একসঙ্গে বসে বছরের কোন সময়ে কোন সাংস্কৃতিক আয়োজন হবে, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোর পূর্ণ স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হবে। তারা নিজস্ব কার্যক্রম পরিচালনা করবে এবং এ ক্ষেত্রে ছাত্র উপদেষ্টা প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করবেন। আজকের অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে আয়োজন সফল করার জন্য সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই।’

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top3

মৌলিক নাটক ‘অদ্যপুরাণ’ দিয়ে নাট্যোৎসব দিক থিয়েটারের, আয়ের অর্থ ব্যয় হবে চ্যারিটি কাজে

Published

on

By

শাবিপ্রবি প্রতিনিধি

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি) আগামী ২৭ আগস্ট থেকে শুরু হচ্ছে দিক থিয়েটারের তিন দিনব্যাপী ‘দিক ৮ম জাতীয় নাট্যোৎসব ২০২৬’। সংগঠনটির ২৮তম বর্ষে পদার্পণ ও চ্যারিটি উপলক্ষে আয়োজিত এ উৎসবের শিরোনাম দেওয়া হয়েছে ‘অষ্টাবিংশের অর্ঘ্য’। উৎসবের উদ্বোধনী দিনেই মঞ্চস্থ হবে দিক থিয়েটারের ৩৪তম প্রযোজনা ও তৃতীয় মৌলিক নাটক ‘অদ্যপুরাণ’। একইসঙ্গে উৎসবের প্রদর্শনীর টিকিট বিক্রির অর্থ ব্যয় করা হবে চ্যারিটি কাজে।

শনিবার (৮ আগস্ট) শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসক্লাব কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান দিক থিয়েটারের সভাপতি দ্বৈপায়ন দাশ অনন্য।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ১৯৯৯ সালের ১৮ আগস্ট প্রতিষ্ঠিত নাট্য সংগঠন দিক থিয়েটার ‘নাটকে সাম্যের আন্দোলন, জীবনের ভাষায় মুক্তি অন্বেষণ’ স্লোগানকে সামনে রেখে দীর্ঘ ২৭ বছর ধরে শাবিপ্রবিতে নাট্যচর্চা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছে। সংগঠনটির ২৮তম বর্ষে পদার্পণ উপলক্ষে আগামী ২৭, ২৮ ও ২৯ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হবে এ নাট্যোৎসব।

এবারের উৎসবের মূলমন্ত্র নির্ধারণ করা হয়েছে‘তমসার ছায়া যাক চির অবসানে, মুখর হোক মানবাত্মা প্রতীতির গানে।’

তিন দিনব্যাপী এ নাট্যোৎসবে স্বাগতিক দল দিক থিয়েটারের পাশাপাশি দেশের দুই স্বনামধন্য নাট্যদল ‘স্পর্ধা’ ও ‘মনিপুরী থিয়েটার’ অংশ নেবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের মঞ্চে বিভিন্ন ধারার নাট্যচর্চার একটি মিলনক্ষেত্র তৈরি করাই এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য বলে জানান আয়োজকরা।

উৎসবের উদ্বোধনী দিনে মঞ্চস্থ হবে দিক থিয়েটারের নতুন মৌলিক নাটক ‘অদ্যপুরাণ’। এটি সংগঠনটির ৩৪তম প্রযোজনা ও তৃতীয় মৌলিক নাটক। নাটকটিতে রূপকের আশ্রয়ে বর্তমান বিশ্বব্যবস্থা, ক্ষমতার কাঠামো, মানুষের অবস্থান এবং সম্ভাব্য ভবিষ্যৎকে তুলে ধরার প্রয়াস চালানো হয়েছে।

এবারের নাট্যোৎসবের অন্যতম বিশেষ দিক হলো চ্যারিটি উদ্যোগ। শাবিপ্রবির লোকপ্রশাসন বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের সাবেক শিক্ষার্থী আশরাফুল আলম বর্তমানে দুই কিডনি বিকল হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাঁর চিকিৎসায় আর্থিক সহায়তার অংশ হিসেবে নাট্যোৎসবের সব প্রদর্শনীর টিকিট বিক্রির প্রাপ্ত অর্থ ব্যয় করা হবে। নাট্যচর্চার পাশাপাশি সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে অসুস্থ সাবেক শিক্ষার্থীর পাশে দাঁড়াতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানান আয়োজকরা।

দিক থিয়েটারের সভাপতি দ্বৈপায়ন দাশ অনন্য বলেন, “সাংস্কৃতিক আয়োজনের পাশাপাশি মানুষের কল্যাণ ও মানবিকতার চর্চাকে এক সুতোয় গাঁথতেই আমাদের এই আয়োজন।” উৎসবটি সফল করতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, সাংস্কৃতিককর্মী ও নাট্যপ্রেমীদের সরব উপস্থিতি ও সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

Continue Reading

top3

ছাত্রলীগের হুমকি খেয়ে প্রক্টরের দ্বারস্থ ইবি ছাত্রশক্তির নেতা

Published

on

By

ইবি প্রতিনিধি

ফেসবুকে ধারাবাহিক হুমকি, উসকানিমূলক বক্তব্য ও মানহানিকর প্রচারণার অভিযোগ তুলে ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিশ্চিতে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) প্রক্টরের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন জাতীয় ছাত্রশক্তি ইবি শাখার আহ্বায়ক ফুয়াদ হাসান। শনিবার (৮ আগস্ট) নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের ইবি শাখার সহ-সভাপতি মাসুদ রানার বিরুদ্ধে হুমকি ও মানহানিকর পোস্ট দেওয়ার এ অভিযোগ আনেন তিনি।

অভিযোগপত্রে বলা হয়, গত ৫ আগস্ট ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন ফুয়াদ হাসান। বক্তব্যের ভিডিও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠন তাদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে প্রকাশ করে। ভিডিও প্রকাশের পর ফুয়াদ হাসানের বিরুদ্ধে ফেসবুকে ধারাবাহিকভাবে উসকানিমূলক, ভীতিপ্রদর্শনকারী ও মানহানিকর পোস্ট ও মন্তব্য করেন মাসুদ রানা।

অভিযোগে উল্লিখিত মাসুদ রানার একটি ফেসবুক পোস্টে লেখা হয়, “জুলাই জঙ্গি ফুয়াদ। শুনেছি, ৫ আগস্ট ঢাকায় পুলিশ হত্যার সাথেও যুক্ত ছিল। শুরু থেকেই এর কথাবার্তায় একটা শিবিরের ছাপ ছিল। কিন্তু তারপরও কিছু নেতা এদের হলে জায়গা করে দিছে। আজ তার ফল আমরা সবাই ভুগছি। আজ অডিটোরিয়ামে ওর বক্তব্য শুনলাম। ছাত্রলীগের পোস্টারিংয়ে তোমার এত জ্বলে কেন? এটা কি অবৈধ কোনো কাজ? শুধু পোস্টারিংয়েই এত ভয়! কিন্তু কয়েক দিন পর আরও কিছু দেখলে কোন গর্তে পালাবি, রাজাকারের বাচ্চা। এখন বিশাল বড় নেতা হয়ে গেছ। এই দিন দিন না, এই দিন নিয়ে যাবে সেই দিনের কাছে।”

এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি সাংবাদিক সংগঠনের ফেসবুক পেজে প্রকাশিত ফুয়াদ হাসানের বক্তব্যের ভিডিওর মন্তব্যে মাসুদ রানা লেখেন, “তোকে মেন গেটে ঝুলাবো, সময় আসতে দে ফুয়াদ।”

অভিযোগপত্রে ফুয়াদ হাসান বলেন, এসব মন্তব্য ও পোস্টে ব্যবহৃত ভাষা তার প্রতি সরাসরি ভয়ভীতি প্রদর্শন, হুমকি প্রদান, মানহানি ও তাকে সামাজিকভাবে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করার প্রচেষ্টা বলে মনে করেন তিনি। বিশেষ করে ‘কোন গর্তে পালাবি’, ‘তোকে মেন গেটে ঝুলাবো, সময় আসতে দে’ জাতীয় বক্তব্য তার ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিয়ে গুরুতর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে বলে জানান তিনি। অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, কিছুদিন আগে ইবিতে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের পোস্টারিং তার নিরাপত্তার আশঙ্কা আরও বাড়িয়েছে।

অভিযোগপত্রে চারটি দাবি জানান ফুয়াদ হাসান। এগুলো হলো– বিষয়টি দ্রুত তদন্তপূর্বক সত্যতা যাচাই করা; অভিযুক্তের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা; ভবিষ্যতে তার প্রতি যেকোনো ধরনের হামলা, হুমকি বা হয়রানি প্রতিরোধে কার্যকর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা; এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ ধরনের ভয়ভীতি প্রদর্শন ও উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড রোধে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহিনুজ্জামান বলেন, “নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের এক নেতা অনলাইনে লেখালেখি করছে, তারা তো পলাতক। অভিযোগপত্র পেয়েছি, আমি থানাকে অবগত করব।”

Continue Reading

top3

অর্ধশতাধিক বাংলাদেশিসহ গ্রিসের উপকূলে ২০২ অভিবাসী উদ্ধার

Published

on

By

ডিজিটাল ডেস্ক

গ্রিসের ক্রিট দ্বীপের কাছে ৪৮ ঘণ্টারও কম সময়ে পৃথক অভিযানে ২০২ জন অভিবাসীকে উদ্ধার করেছে দেশটির কোস্ট গার্ড। উদ্ধার হওয়া অভিবাসীদের মধ্যে ৭২ জন বাংলাদেশি, পাশাপাশি সুদান ও মিসরের নাগরিকও রয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) সকালে ক্রিটের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের আইয়েরাপেত্রা এলাকায় ৪০ জন অভিবাসী বহনকারী একটি নৌকার সন্ধান পায় ইউরোপীয় সীমান্ত ও উপকূলরক্ষী সংস্থা ফ্রন্টেক্সের একটি বিমান। পরে গ্রিক কোস্ট গার্ড ও একটি মাছ ধরার নৌকা গিয়ে নৌকাটিতে থাকা সবাইকে নিরাপদে উদ্ধার করে।

এর কয়েক ঘণ্টা আগে দুটি পৃথক নৌকা থেকে ১১২ জন অভিবাসীকে উদ্ধার করা হয়। প্রথম নৌকায় থাকা ৫৬ জনের মধ্যে ২৫ জন বাংলাদেশি ও ৩১ জন সুদানের নাগরিক ছিলেন। দ্বিতীয় নৌকায় থাকা ৫৬ জনের মধ্যে ৪৭ জন বাংলাদেশি এবং ৯ জন মিসরের নাগরিক ছিলেন।

পরে আরও ৪০ জনকে উদ্ধারের ফলে ৪৮ ঘণ্টারও কম সময়ে উদ্ধার হওয়া অভিবাসীর সংখ্যা দাঁড়ায় ২০২ জনে।

উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের হেরাক্লিয়ন বন্দরের একটি অস্থায়ী আবাসনকেন্দ্রে রাখা হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে ক্রিটে অভিবাসীদের আগমন বেড়ে যাওয়ায় তাদের সাময়িক আশ্রয় ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে স্থানীয় কর্তৃপক্ষের ওপর চাপও বাড়ছে।

লিবিয়া উপকূল থেকে সমুদ্রপথে ইউরোপে যাওয়ার চেষ্টাকারী অভিবাসীদের জন্য ক্রিট গুরুত্বপূর্ণ একটি রুট হয়ে উঠেছে। এ কারণে দ্বীপটির উপকূলে নিয়মিত উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করছে গ্রিসের কর্তৃপক্ষ।

Continue Reading

Trending