Connect with us

ক্যাম্পাস

জাককানইবিতে শুরু হচ্ছে ৪র্থ আন্তর্জাতিক নাট্যোৎসব, চলবে সাত দিন

Published

on

রাশেদ হোসেন, জাককানইবি প্রতিনিধি

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা ও পরিবেশনা বিদ্যা বিভাগ আয়োজন করতে যাচ্ছে ৪র্থ আন্তর্জাতিক নাট্যোৎসব। আগামী ১২ জুলাই থেকে ১৮ জুলাই পর্যন্ত সাত দিনব্যাপী চলবে এই উৎসব। প্রতিদিন সন্ধ্যা ৭টায় নাটক মঞ্চস্থ হবে।

আজ শনিবার (১১ জুলাই) বিকেল ৫টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা ও পরিবেশনা বিদ্যা বিভাগের এক প্রস্তুতি সভায় বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ড. ইসমত আরা ভূঁইয়া এবং সহকারী অধ্যাপক মো. মাজহারুল হোসেন তোকদার এ তথ্য জানান।

উৎসবের উদ্বোধনী আয়োজন অনুষ্ঠিত হবে নতুন কলা ভবনের নাট্যকলা ও পরিবেশনা বিদ্যা বিভাগের সম্মুখে। পরবর্তী নাটকগুলো মঞ্চস্থ হবে জিয়া হায়দার ল্যাব, পুরাতন কলাভবনে।

বিভাগের স্নাতকোত্তর ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা এই নাট্যোৎসবে নাটক নির্দেশনা দেবেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেন। উদ্বোধন করবেন ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. ইসরাফীল। এ বছর নাট্যজন সম্মাননা প্রদান করা হচ্ছে আবুল হায়াতকে। বিশেষ অতিথি হিসেবে থাকবেন কলা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ইমাদুল হুদা, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগের প্রফেসর ড. আরিফ হায়দার। স্বাগত বক্তব্য রাখবেন কোর্স শিক্ষক মো. মাজহারুল হোসেন তোকদার। সভাপতিত্ব করবেন বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ইসমত আরা ভূঁইয়া। সঞ্চালনা করবেন সহযোগী অধ্যাপক সৈয়দ মামুন রেজা।

শিক্ষার্থীদের পরীক্ষাকে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে পরিচিত করাতে বিগত তিন বছরের ধারাবাহিকতায় এবারও এই নাট্যোৎসবের আয়োজন করা হচ্ছে।

উৎসবের প্রথম দিনে মঞ্চস্থ হবে “ভাষা অথবা প্রেমের রাজনৈতিক বিপর্যয়”। রচনায় শাহমান মৈশান, পরিকল্পনা ও নির্দেশনায় সনজিত কুমার দে, প্রযোজনায় ফ্ল্যাপাটে বাংলাদেশ।

দ্বিতীয় দিনে থাকছে “কালিকা”। মার্কণ্ডেয় পুরাণের রক্তবীজ বধ কাহিনী অবলম্বনে তৈরি এই নাটকের পরিকল্পনা ও নির্দেশনায় জাফরিন হক তরু।

তৃতীয় দিনে মঞ্চস্থ হবে “ইন্ডিপেন্ডেন্স”। লি ব্লেসিং-এর রচনার এই নাটক অনুবাদ করেছেন মোহাম্মদ মিজানুল কায়েস, পরিকল্পনা ও নির্দেশনায় সামিয়া সুলতানা চারু।

চতুর্থ দিনে থাকছে “একশ বস্তা চাল”। ইয়াজো ইয়ামামোতোর রচনা অনুবাদ করেছেন অধ্যাপক আব্দুস সেলিম, পরিকল্পনা ও নির্দেশনায় মো. শাহীন আলম।

পঞ্চম দিনে মঞ্চস্থ হবে “দেওয়ান গাজীর কিসসা”। বার্টোল্ট ব্রেখটের মূল রচনা রূপান্তর করেছেন আসাদুজ্জামান নূর, নবরূপায়ণ ও নির্দেশনায় মো. শাকিল আহমেদ।

ষষ্ঠ দিনে থাকছে “ক্রীতদাসের হাসি”। শওকত ওসমানের এই নাটকের নবরূপায়ণ ও নির্দেশনায় হাবিবা আক্তার পিংকি।

সপ্তম তথা শেষ দিনে মঞ্চস্থ হবে “পঞ্চমীর চাঁদ”। ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কাঁকিনাড়া শিল্পাঙ্গন এই নাটক পরিবেশন করবে। সাদাত হাসান মান্টোর গল্প অবলম্বনে নাট্যরূপ দিয়েছেন তুষার রায়, পরিকল্পনা ও নির্দেশনায় রাজা দে।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ক্যাম্পাস

যুক্তরাষ্ট্রে আন্তর্জাতিক গণিত সম্মেলনে ববি শিক্ষক ড. হেনা রানী

Published

on

By

ববি প্রতিনিধি

যুক্তরাষ্ট্রের ফিলাডেলফিয়ায় অনুষ্ঠিত বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ গণিত সম্মেলন ‘ইন্টারন্যাশনাল কংগ্রেস অব ম্যাথমেটিশিয়ানস (ICM)-২০২৬’-এ বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) গণিত বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. হেনা রানী বিশ্বাস। গত ২৩ থেকে ৩০ জুলাই পর্যন্ত আট দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত এ আন্তর্জাতিক সম্মেলনে তিনি অংশ নেন।

সম্মেলনে অংশগ্রহণের জন্য ড. হেনা রানী বিশ্বাস সম্মানজনক ‘ICM-2026 Travel Support Program Award’ অর্জন করেন। এই অ্যাওয়ার্ডের আওতায় তাঁর বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে যাতায়াতের বিমান ভাড়া, কনফারেন্স রেজিস্ট্রেশন ফি, আবাসন, খাবার এবং স্থানীয় পরিবহনসহ যাবতীয় ব্যয় বহন করা হয়।

উল্লেখযোগ্য যে, বিশ্বের ৭৮টি দেশের ৩ হাজার ৭৪২ জন নিবন্ধিত গবেষকের মধ্যে ৩ হাজার ১৭০ জন বিশিষ্ট গণিতবিদ, শিক্ষাবিদ ও গবেষক সরাসরি এ সম্মেলনে অংশ নেন।

সম্মেলনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আয়োজন ‘World Meeting for Women in Mathematics (WM²)’-এ ড. হেনা রানী তাঁর মূল গবেষণা নিবন্ধ উপস্থাপন করেন। এ সময় তিনি বিভিন্ন দেশের প্রখ্যাত গণিতবিদদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে যৌথ গবেষণা সহযোগিতার নতুন সম্ভাবনা তৈরি করেন।

ড. হেনা রানীর এই বৈশ্বিক অর্জনে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. মামুন অর রশিদ বলেন,

“এটি বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের জন্য অত্যন্ত আনন্দ ও আনন্দের বিষয়। গণিতের আন্তর্জাতিক এত বড় একটি প্ল্যাটফর্মে বাংলাদেশ ও বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়কে প্রতিনিধিত্ব করা নিঃসন্দেহে আমাদের জন্য গর্বের। শিক্ষকের এই অর্জন দেশের উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা অঙ্গনে এক অনন্য অনুপ্রেরণা যোগাবে।”

Continue Reading

ক্যাম্পাস

জাতীয় নাগরিক পার্টির নেতাকর্মীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে ইবিতে মানববন্ধন

Published

on

By

ইবি প্রতিনিধি

সারাদেশে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও জুলাইয়ের সম্মুখসারীর নেতাকর্মীদের ওপর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর অঙ্গসংগঠন কর্তৃক সংঘটিত ন্যক্কারজনক ও নৃশংস সন্ত্রাসী হামলা-নির্যাতনের প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন (বৈছাআ)।

শুক্রবার (৩১ জুলাই) বাদ জুমা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের সামনে এ মানববন্ধন করেন সংগঠনটির নেতাকর্মীরা।

এ সময় মানববন্ধনকারীদের ‘আলিফের চোখ ফিরিয়ে দে, নইলে গদি ছেড়ে দে’, ‘তারেক জিয়া জানে না, বিপ্লবীরা হারে না’, ‘তারেক জিয়া হাসিনা, ফ্যাসিবাদ মানি না’সহ বিভিন্ন স্লোগান দিতে দেখা যায়।

শাখা বৈছাআর যুগ্ম সদস্যসচিব বাঁধন বিশ্বাস স্পর্শ বলেন, “জুলাইয়ের সম্মুখসারীর নেতাকর্মীদের ওপর সংঘবদ্ধ হামলা এবং নারী নেত্রীর ওপর পুরুষ পুলিশের হাত তোলা—এই আইন কোথায় পেয়েছেন? প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এখনও চুপ করে আছেন কেন? আসলে কুকুরের গায়ে যদি বাঘের চামড়া বসান, কখনো কুকুর বাঘ হয় না; কুকুর কুকুরই থেকে যায়। হাসিনা ১৭ বছরে যা করেছে, বিএনপি পাঁচ মাসের মাথায় তাই করছে। আমরা এই ধরনের আক্রমণের তীব্র সমালোচনা ও প্রতিবাদ জানাই। এই সহিংসতার পেছনে সরকারের প্রত্যক্ষ ইন্ধন রয়েছে। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এনসিপির ৩ দফা দাবি মেনে নিয়ে বিপ্লবী জনগণের কাছে সরকারকে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানাই।”

মানববন্ধনে শাখা বৈছাআর সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব মুবাশশির আমিন বলেন, “জুলাই আন্দোলনের দুই বছর অতিক্রম হওয়ার পর দুঃখের সঙ্গে বলতে হচ্ছে, বাংলাদেশের আপামর জনতা যে ফ্যাসিবাদমুক্ত দেশ গঠন করতে চেয়েছিল, সেই বাংলাদেশ আমরা পাইনি। গত ২৮ জুলাই হবিগঞ্জ জেলায় ১৮ বছরের যুবক আলিফের বাম চোখে রড দিয়ে আঘাত করেই ক্ষান্ত হয়নি, তার চোখটিও নষ্ট করে দিয়েছে। বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের পুনরাবৃত্তি হয়েছে, ফিরে এসেছে নব্য ফ্যাসিবাদ।”

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, “আপনি বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গিয়ে শিক্ষার্থীদের যে মেকি ভালোবাসা প্রদর্শন করেন, আপনার ভেতরে আসলেই ভালোবাসা রয়েছে, নাকি সন্ত্রাস বসবাস করছে—তা আলিফের বাম চোখ হারানোর ঘটনার পরই বুঝতে পারছি। আপনারা ছাত্রদলকে পেটুয়া বাহিনী হিসেবে তৈরি করেছেন।”

Continue Reading

ক্যাম্পাস

ক্যাম্পাসে সহিংসতা ও হয়রানি বন্ধে বেরোবি উপাচার্যের জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা 

Published

on

By

বেরোবি প্রতিনিধি

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় (বেরোবি) ক্যাম্পাসে যৌন ও লিঙ্গভিত্তিকসহ সব ধরনের সহিংসতা ও হয়রানি প্রতিরোধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির ঘোষণা দিয়েছেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শওকাত আলী।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাজধানীর হোটেল ওয়েস্টিনে অনুষ্ঠিত ‘পাবলিক স্পেস, কর্মক্ষেত্র ও উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যৌন ও লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধ’ শীর্ষক প্রকল্পের কিক-অফ সভায় অংশ নিয়ে তিনি এ ঘোষণা দেন। ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ও ইউএন উইমেনের যৌথ উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে  নারী জাগরণের অগ্রদূত বেগম রোকেয়ার আদর্শ স্মরণ করে উপাচার্য  বলেন, “বেগম রোকেয়া বিশ্বাস করতেন যে, ভীতি, বৈষম্য বা সহিংসতায় সমাজের অর্ধেক জনগোষ্ঠী পিছিয়ে থাকলে অগ্রগতি সম্ভব নয়। তাঁর দেখানো আদর্শকে পাথেয় করে আমরা বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি নিরাপদ ও সহিংসতামুক্ত ক্ষেত্র হিসেবে গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

তিনি বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয় শুধু পাঠদানের স্থান নয়, এটি সমাজেরই একটি ক্ষুদ্র প্রতিচ্ছবি। তাই সহিংসতা প্রতিরোধে শুধু ব্যক্তি উদ্যোগ নয়, প্রয়োজন প্রাতিষ্ঠানিক ও কাঠামোগত পরিবর্তন। আমরা অভিযোগ গ্রহণ ও তদন্ত প্রক্রিয়াকে আরও সহজ, গোপনীয় এবং ভুক্তভোগীবান্ধব করতে কাজ করছি।”

শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার বিষয়ে জোর দিয়ে উপাচার্য আরও বলেন, “আমাদের লক্ষ্য একটাই—ক্যাম্পাসে যেন প্রতিটি শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী কোনো ধরনের ভয়, বৈষম্য বা হয়রানি ছাড়াই পড়াশোনা, কাজ এবং নিজেদের বিকাশের সুযোগ পান। এ ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের অবস্থান হবে জিরো টলারেন্স।”

অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সদস্য অধ্যাপক ড. মাসুমা হাবিব, অধ্যাপক মো. মেহেদী হাসান খান, অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমেদ চৌধুরী, ইউজিসির আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বিভাগের পরিচালক মোসা. জেসমিন পারভীনসহ ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ইউএন উইমেন, সুশীল সমাজ এবং বিভিন্ন উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

Continue Reading

Trending