Connect with us

ধর্ম

বছর শেষে আমাদের করণীয়

Published

on

মানুষের জীবন অত্যন্ত ক্ষণস্থায়ী; অথচ এই অল্প সময়ের মধ্যেই অনন্তকালের সফলতা কিংবা চূড়ান্ত ব্যর্থতার ফয়সালা হয়ে যায়। তাই একজন মুমিনের জন্য জীবনের প্রতিটি মুহূর্ত অত্যন্ত মূল্যবান। বছরশেষ আমাদের সামনে একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ নিয়ে আসে—নিজের নফস ও আমলের গভীর হিসাব নেওয়ার, আত্মশুদ্ধির পথে নতুন করে যাত্রা শুরুর।

১. আত্মসমালোচনা ও খাঁটি তওবা

বছর শেষে আমাদের প্রথম ও প্রধান কর্তব্য হলো আত্মসমালোচনা। নিজের অতীত জীবনের দিকে ফিরে তাকিয়ে চিন্তা করা—কোথায় আল্লাহর হক আদায়ে গাফিলতি হয়েছে, কোথায় বান্দার হক নষ্ট হয়েছে। মানুষের হকের সঙ্গে সম্পর্কিত গুনাহ হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির কাছে ক্ষমা চাইতে হবে। আর আল্লাহর হকের ক্ষেত্রে ছোট-বড় সব নাফরমানির জন্য খাঁটি অন্তর থেকে তওবা করতে হবে। আল্লাহ তায়ালা ক্ষমাশীল; তিনি বান্দার অনুশোচনা ও ভবিষ্যতে গুনাহ ত্যাগের দৃঢ় সংকল্পকে পছন্দ করেন। তওবাই আত্মশুদ্ধির প্রথম ধাপ।

২. নফস ও শয়তানের মোকাবিলা

মানুষের প্রকাশ্য শত্রু শয়তান, আর গোপন শত্রু তার নিজের নফস। নফসের প্রবৃত্তি মানুষকে গুনাহের দিকে ঠেলে দেয়, আর শয়তান তাতে কুমন্ত্রণা জোগায়। তাই শুধু শয়তান থেকে বাঁচাই যথেষ্ট নয়; নফসের প্রশিক্ষণ অপরিহার্য। নিয়মিত ইবাদত, সংযম ও আত্মনিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে নফসকে বশে আনতে হবে, যাতে নফস আমাদের চালনা না করে, বরং আমরা নফসকে পরিচালনা করতে পারি।

৩. সৎ সঙ্গ ও সময়ের গুরুত্ব

মানুষের জীবনগঠনে সঙ্গের প্রভাব অত্যন্ত গভীর। সৎসঙ্গ মানুষকে সময়ের মূল্য শেখায়, গাফিলতি থেকে রক্ষা করে। পক্ষান্তরে অসৎসঙ্গ ধীরে ধীরে লক্ষ্যচ্যুত করে ফেলে এবং অমূল্য সময় নষ্ট করে। তাই এমন বন্ধু ও সহচর বেছে নেওয়া জরুরি, যারা আখিরাতমুখী জীবনযাপনে অনুপ্রেরণা জোগায়।

৪. সালাফদের জীবনচর্চা

সালাফে সালেহিনের জীবন অধ্যয়ন করলে শৃঙ্খলা, ভারসাম্য ও দৃঢ়সংকল্পের শিক্ষা পাওয়া যায়। তাঁদের জীবন প্রমাণ করে—অসাধারণ সাফল্যের জন্য শুধু প্রতিভা নয়, বরং সময়ের সঠিক ব্যবহার ও নিরবচ্ছিন্ন চেষ্টা অপরিহার্য। সীমিত সামর্থ্য নিয়েও তাঁরা যুগান্তকারী অবদান রেখে গেছেন।

৫. সুস্থতা ও জীবনের যথাযথ ব্যবহার

রোগ আসার আগে সুস্থতা এবং মৃত্যুর আগে জীবন—এ দুটোই অমূল্য নিয়ামত। আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রা.) বলতেন, ‘সন্ধ্যা হলে সকালের অপেক্ষা করো না, আর সকাল হলে সন্ধ্যার অপেক্ষা করো না।’ (বুখারি : ৬৪১৬)। এর তাৎপর্য হলো, যে কাজ সন্ধ্যায় করার সুযোগ আছে, তা পরের সকালের জন্য রেখে দিও না; আর সকালের কাজ সন্ধ্যার জন্য স্থগিত কোরো না। কারণ জীবন ও সুস্থতা—দুটোই অনিশ্চিত।

৬. মৃত্যুচিন্তা ও জবাবদিহিতার অনুভব

মৃত্যুর স্মরণ হৃদয়কে নরম করে, দুনিয়ার মোহ কমায় এবং আখিরাতের প্রস্তুতিতে উদ্বুদ্ধ করে। মৃত্যুর মুহূর্তে কিংবা কিয়ামতের দিন মানুষ বুঝবে—ধন-সম্পদ, আত্মীয়স্বজন কিছুই কাজে আসবে না; কেবল নিজের আমলই হবে তার সঙ্গী। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘কিয়ামতের দিন বান্দাকে তার জীবন সম্পর্কে প্রশ্ন করা হবে।’ (তিরমিজি : ২৪১৭)

এই হাদিস আমাদের মনে করিয়ে দেয়—সময় শুধু চলমান মুহূর্ত নয়; এটি একদিন আমাদের বিরুদ্ধে বা পক্ষে সাক্ষ্য দেবে।

৭. সময়ের শপথ ও তার শিক্ষা

আল্লাহ তায়ালা কোরআনে সময়ের শপথ করেছেন—রাত, দিন, ফজর ও আসর। এর মাধ্যমে তিনি আমাদের স্মরণ করিয়ে দেন সময়ের গুরুত্ব। সময়ের অপচয় শুধু দুনিয়ার ক্ষতি নয়; এটি আখিরাতের জন্যও মারাত্মক ক্ষতির কারণ।

৮. নববর্ষ : নিছক আনন্দ নয়, আত্মসমালোচনা

নতুন বছরকে মানুষ আনন্দোৎসবের উপলক্ষ বানায়। অথচ বাস্তবতা হলো, একটি বছর পার হওয়া মানে জীবনের একটি বছর কমে যাওয়া, মৃত্যুর আরো কাছে পৌঁছে যাওয়া। তাহলে নিজের আয়ু হ্রাস পাওয়ার আনন্দ কীভাবে উদ্‌যাপন করা যায়? রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘তোমরা যদি সেই বাস্তবতা জানতে, যা আমি জানি, তবে কম হাসতে ও বেশি কাঁদতে।’ (বুখারি: ৬৪৮৫)

এই হাদিস আমাদের গাফিলতির পর্দা সরিয়ে দেয় এবং জীবনের প্রকৃত চিত্র সামনে আনে। সুতরাং নতুন বছরের প্রকৃত তাৎপর্য উৎসব নয়; বরং আত্মসমালোচনা। আসুন, আমরা অঙ্গীকার করি—গুনাহ থেকে তওবা করব, সময়ের সদ্ব্যবহার করব এবং আল্লাহর নৈকট্য অর্জনকে জীবনের চূড়ান্ত লক্ষ্য বানাব। ইনশাআল্লাহ—এই আত্মশুদ্ধির মাধ্যমেই আমাদের নতুন বছরের সূচনা হবে।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

বছর ঘুরে এলো খুশির ঈদ

Published

on

By

বছর ঘুরে মুসলিম উম্মাহর দুয়ারে আবারো হাজির হয়েছে পবিত্র ঈদুল ফিতর। সারা মাস সিয়াম সাধনার পর একফালি চাঁদ ঘোষণা দিল ‘এলো খুশির ঈদ’। রোজার মাস জুড়ে সংযম, ধৈর্য আর আত্মশুদ্ধির যে শিক্ষা, তারই পরিণতি এই ঈদ। তাই ঈদের আনন্দ শুধু নতুন পোশাক বা সুস্বাদু খাবারে নয়, বরং একে অপরের প্রতি ভালোবাসা আর সহমর্মিতায়।

ঈদ মানে আনন্দ, ঈদ মানে খুশি। মুসলমানদের সবচেয়ে বড় খুশির দিন। আজ শনিবার ঈদের আনন্দ উৎসবে মেতে উঠবে সারা দেশ।

ইতোমধ্যে ঢাকাসহ দেশ জুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে ঈদুল ফিতরের আবহ। সন্ধ্যায় চাঁদ দেখার পরপরই রেডিও-টেলিভিশনে বেজে উঠেছে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কালজয়ী সেই গান, ‘ও মন রমজানের ঐ রোজার শেষে এল খুশীর ঈদ…।’

ইসলামের ধর্মীয় বিধান অনুসরণ করা হয় সাধারণত হিজরি বর্ষপঞ্জির চান্দ্র মাসের হিসাবে। ২৯ রমজান (বৃহস্পতিবার) সন্ধ্যায় বাংলাদেশে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি বৈঠক বসে। সেই বৈঠক থেকেই ঈদের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়।

এদিকে শুক্রবার সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্য ও পৃথিবীর অন্যান্য প্রান্তের কিছু দেশে ঈদুল ফিতর উদযাপিত হয়েছে। সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে বাংলাদেশের বেশকিছু জেলাতেও ঈদ উদযাপন করেছেন মুসল্লিরা। তারা দেশটির সঙ্গে মিলিয়ে এক দিন আগে রোজাও রাখেন।

হাদিসে আছে, মহানবী (সা.) বলেছেন, প্রত্যেক জাতিরই উৎসবের দিন আছে। আমাদের উৎসব হলো ঈদ।

ঈদুল ফিতরের মধ্যে ফিতর শব্দের অর্থ ভঙ্গ করা। ঈদুল ফিতরের অর্থ— রোজার সমাপ্তি ঘটানোর আনন্দ। দীর্ঘ এক মাস তারাবির নামাজ, সাহরি, ইফতার, জাকাত-ফিতরা, এবাদত-বন্দেগিসহ সিয়াম সাধনার মধ্যে দিয়ে পার করার পর মুসলিম উম্মাহ রোজা ভঙ্গ করে মহান আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে বান্দারা উপহার স্বরূপ পান এই ঈদুল ফিতর। ঈদের আনন্দ সর্বজনীন। এই আনন্দ আল্লাহর তাকওয়া অর্জনের সাফল্যের আনন্দ। এই আনন্দ রূপ নেয় সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় উৎসবে।

ঈদ উপলক্ষে জাতীয় পতাকা ও ঈদ মোবারক খচিত ব্যানার দিয়ে সাজানো হয়েছে রাজধানীর প্রধান প্রধান সড়ক, মোড়সহ গুরত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলো।

ঈদের দিনে উন্নত মানের খাবার সরবরাহ করা হবে হাসপাতাল, কারাগার, সরকারি শিশুসদন, ভবঘুরে কেন্দ্র ও এতিমখানায়। সরকারি-বেসরকারি টিভি চ্যানেল ও রেডিওতে প্রচারিত হবে বিশেষ অনুষ্ঠান। টিভি চ্যানেলগুলো ইতোমধ্যে পাঁচ থেকে সাত দিনের বিশেষ অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করেছে। ঈদ উপলক্ষে বিশেষ সংখ্যা, ঈদ ম্যাগাজিন প্রকাশ করেছে অনলাইন নিউজ পোর্টাল ও সংবাদপত্রগুলো।

ঈদ ঘিরে বাজারে শেষমুহূর্তের কেনাকাটায় ব্যস্ত মানুষ। নতুন জামার গন্ধ, আতরের সুবাস, সেমাই-চিনির হিসাব-সব মিলিয়ে এক উৎসবমুখর পরিবেশ। দর্জির দোকানে এখনো শেষ মুহূর্তের কাজ চলছে, আর শিশুদের চোখে-মুখে শুধুই আনন্দের ঝিলিক-‘ঈদ’।

ঈদ উপলক্ষে পরিবারগুলোতে সাধ্যমতো ভালো খাবার রান্নার চেষ্টা করা হয়। শিশুরা নতুন পোশাক পরে হৈ হুল্লোড় করবে, বেড়াতে যাবে নিকটাত্মীয়দের বাড়িতে। ঈদের দিন ঘুম থেকে উঠে গোসল-অজু করে দিনের শুরুতে সেমাই, মিষ্টিমুখ করে মুসল্লিরা যাত্রা শুরু করবেন ঈদের জামাতে অংশ নিতে। নামাজ আদায় শেষে ঈদগাহ ময়দানে বুকে বুক মেলাবেন। নামাজ আদায় শেষ করে মুসল্লিরা যাবেন কবরস্থানে প্রিয়জনের বিদেহী আত্মার শান্তির জন্য প্রার্থনা করতে। কবরস্থান থেকে মুসল্লিরা বাসায় ফিরে খাবার খেয়ে বন্ধুবান্ধব ও আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে দেখা করবেন। প্রিয়জনের সঙ্গে আনন্দ-আড্ডায় মেতে উঠবেন ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা।

এক মাসের সংযম, ধৈর্য আর আত্মশুদ্ধির পর আসে এই উৎসব। তাই ঈদের আনন্দ শুধু নতুন পোশাক বা সুস্বাদু খাবারে সীমাবদ্ধ নয়এটি একে অপরের প্রতি ভালোবাসা, ক্ষমা আর সহমর্মিতার প্রকাশ।

Continue Reading

top1

চাঁদপুরে অর্ধশতাধিক গ্রামে ঈদুল ফিতর উদ্‌যাপন

Published

on

By

সৌদি আরবসহ আরব দেশগুলোর সঙ্গে মিল রেখে চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ সাদ্রা দরবার শরিফসহ প্রায় অর্ধশতাধিক গ্রামে পবিত্র ঈদুল ফিতরের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (২০ মার্চ) সকাল ৯টায় সাদ্রা দরবার শরিফ মাঠে ঈদুল ফিতরের নামাজের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইমামতি করেন দরবার শরিফের পীরজাদা আল্লামা জাকারিয়া চৌধুরী আল মাদানী।

সকাল সাড়ে ৮টা থেকে ৯টার মধ্যে সাদ্রা হামিদিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার মাঠে পবিত্র ঈদুল ফিতরের আরেকটি জামায়াত অনুষ্ঠিত হয়। এ জামাতে ইমামতি করেন দরবার শরিফের পীরজাদা আরিফুল্লা চৌধুরী।

আগাম ঈদ উদ্‌যাপন করা গ্রামগুলো হচ্ছে- হাজীগঞ্জ উপজেলার সাদ্রা, সমেশপুর, অলিপুর, বলাখাল, মনিহার, প্রতাপপুর, বাসারা, ফরিদগঞ্জ উপজেলার লক্ষ্মীপুর, কামতা, গল্লাক, ভুলাচোঁ, সোনাচোঁ, উভারামপুর, উটতলি, মুন্সিরহাট, কাইতাড়া, মূলপাড়া, বদরপুর, আইটপাড়া, সুরঙ্গচাইল, বালিথুবা, পাইকপাড়া, নূরপুর, সাচনমেঘ, শোল্লা, হাঁসা, গোবিন্দপুর, মতলব উপজেলার দশানি, মোহনপুর, পাঁচানী এবং কচুয়া উপজেলার কয়েকটি গ্রামের আংশিক।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ১৯২৮ সাল থেকে সাদ্রা দরবার শরিফের মরহুম পীর মাওলানা ইসহাক (রহ.) সৌদি আরবসহ অন্য আরব দেশগুলোর সঙ্গে মিল রেখে রোজা, ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা উদ্‌যাপনের প্রথা চালু করেন। এ ছাড়া তার অনুসারীরা চাঁদপুরসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় একই সঙ্গে দুই ঈদ উদ্‌যাপন ও রোজা করে আসছেন।

সাদ্রা দরবার শরিফের পীরজাদা আরিফুল্লা চৌধুরী বলেন, ১৯২৮ সাল থেকে তারা মুসলিম বিশ্বের সঙ্গে কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে ঈদুল ফিতর, ঈদুল আযহা এবং পবিত্র রমজানের রোজা রেখে আসছেন। প্রথমে এসব ঈদের জামাতে লোকজন কম হলেও এখন সারা বাংলাদেশের প্রায় প্রতিটি জেলায় ঈদ উদ্‌যাপন হচ্ছে।

Continue Reading

top1

দেশের আকাশে চাঁদ দেখা যায়নি, ঈদ শনিবার

Published

on

By

দেশের আকাশে শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। ফলে এবার ৩০ রোজা পূর্ণ হবে, আর পবিত্র ঈদুল ফিতর উদ্‌যাপিত হবে শনিবার (২১ মার্চ)।

বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সন্ধ্যায় জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভা শেষে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ)।

সভা শেষে জানানো হয়, দেশের সব জেলা প্রশাসন, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রধান কার্যালয়, বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর এবং মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান (স্পারসো) থেকে প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, আজ বাংলাদেশের আকাশে শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যাওয়ার কোনো খবর পাওয়া যায়নি। এই অবস্থায় শনিবার থেকে শাওয়াল মাস গণনা শুরু হবে এবং ওই দিনই পবিত্র ঈদুল ফিতর উদ্‌যাপিত হবে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের দ্বিনি দাওয়াত ও সংস্কৃতি বিভাগ কমিটির কার্যক্রম পরিচালনা করে। ১৭ সদস্যের এই কমিটির বৈঠক আরবি মাসের প্রতি ২৯ তারিখে অনুষ্ঠিত হয়।

Continue Reading

Trending